কুররাতুল আইন হায়দার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কুররাতুল আইন হায়দার
কুররাতুল আইন হায়দার.jpg
জন্ম(১৯২৭-০১-২০)২০ জানুয়ারি ১৯২৭
আলিগড়, উত্তর প্রদেশ, ভারত
মৃত্যু২১ আগস্ট ২০০৭(2007-08-21) (বয়স ৮০)
নয়ডা, ভারত
ছদ্মনামআইনি আপা
পেশালেখক
জাতীয়তাভারতীয়
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানলখনৌ বিশ্ববিদ্যালয় ইন্দ্রপ্রস্থ কলেজ, দিল্লি
ধরনউপন্যাসিক ও ছোটগল্প লেখক
উল্লেখযোগ্য রচনাবলিআগ কা দরিয়া (আগুনের নদী) (১৯৫৯)

কুররাতুল আইন হায়দার (২০ জানুয়ারী ১৯২৭ - ২১ আগস্ট ২০০৭) ছিলেন একজন প্রভাবশালী ভারতীয় উর্দু ঔপন্যাসিক এবং ছোটগল্প লেখক, অধিবিদ্যাবিৎ এবং সাংবাদিক। উর্দু সাহিত্যের অন্যতম অসামান্য সাহিত্য, তার সেরা সাহিত্যকর্ম আগ কা দরিয়া (আগুনের নদী) উপন্যাসের জন্য তিনি বিখ্যাত, ১৯৫৯ সালে পাকিস্তানের লাহোর থেকে উপন্যাসটি প্রথম উর্দুতে প্রকাশিত হয়, এতে খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী থেকে ভারতের বিভাজন পরবর্তী সময় পর্যন্ত ইতিহাস বিস্তৃত হয়েছে।[১][২]

তিনি তার বন্ধু এবং গুনগ্রাহীদের নিকট "আইনি আপা" নামে পরিচিত, তিনি লেখক এবং উর্দু ছোট গল্প লেখদের পথিকৃত সাজ্জাদ হায়দার ইলদারিম (১৮৮০-১৯৪৩) এর কন্যা। তাঁর মা, নজর জহরা, যিনি প্রথমে বিনতে-ই-নজরুল বাকর নামে এবং পরবর্তীকালে নজর সাজ্জাদ হায়দার (১৮৯৪-১৯৬৭) নামে লিখতেন, তিনি একজন ঔপন্যাসিক এবং  মুহাম্মদী বেগম এর আশ্রয়ে ছিলেন এবং তাঁর স্বামী হলেন সৈয়দ মমতাজ আলীর, যিনি তাঁর প্রথম উপন্যাস প্রকাশ করেছিলেন।

তিনি ১৯৬৭ সালে পাঝর কি আওয়াজ (ছোটগল্প) এর জন্য উর্দুতে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার, ১৯৮৯ সালে আখিরে শব কে হুমসফরের জন্য জ্ঞানপীঠ পুরস্কার[৩] এবং ১৯৯৪ সালে ভারতের সাহিত্যানুশীলনের জাতীয় একাডেমী সাহিত্য আকাদেমির সর্বোর্চ্চ পুরস্কার সাহিত্য আকাদেমি ফেলোশিপ লাভ করেন।[৪] ২০০৫ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মভূষণ পদকে ভূষিত করে।[৫]

জীবনী[সম্পাদনা]

কুররাতুল আইন হায়দার ১৯২৭ সালের ২০ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের আলিগড় শহরে জন্মগ্রহণ করেন (যদিও তার পরিবার উত্তরপ্রদেশের নেহতাউর থেকে এসেছে), তিনি অন্যতম উর্দু কথাসাহিত্যিক। বিখ্যাত ইরানী কবি কুরআত-উল-আইন তাহিরিহ (তাহিরা) এর নামানুসারে তাঁর নাম রাখা হয়। কুররাতুল আইন এর আক্ষরিক অর্থ 'চোখের সান্ত্বনা' এবং প্রেমের প্রতিশব্দ হিসাবে এটি ব্যবহৃত হয়। তিনি উর্দু কথাসাহিত্যে একটি স্বতন্ত্র ধারা স্থাপনকারী, তিনি এমন এক সময়ে লিখতে শুরু করেছিলেন যখন উপন্যাস উর্দু সাহিত্যের কাব্যমুখী বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা হিসাবে গভীর শিকড় স্থাপন করেনি। তিনি এতে একটি নতুন চেতনা স্থাপন করেন এবং এযাবৎ অনাবিষ্কৃত কল্পনাশক্তি এবং চিন্তাধারার তীরভূমির ভাঁজে নিয়ে এসেছেন। তাকে ব্যাপকভাবে উর্দু সাহিত্যের "গৃহকর্ত্রী" হিসাবে শ্রদ্ধা করা হয়।[৫]

দিল্লির ইন্দ্রপ্রস্থ কলেজ[৬] এবং লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসাবেলা থোবার্ন কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানে চলে আসেন, পরে ১৯৬০ সালে চূড়ান্তভাবে ভারতে ফিরে আসার আগে কিছুকাল ইংল্যান্ডে বসবাস করেন। তিনি দিল্লির নিকটে নয়ডায় চলে আসার আগে প্রায় বিশ বছর বোম্বেতে বসবাস করেন, নয়ডায় তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ছিলেন। তিনি কখনই বিয়ে করেননি।

১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথে পাকিস্তানে চলে এসেছিলেন, "উভয় দেশের ভিতরে এবং বাইরে লাশের জ্বলন্ত মিছিলের পরিপ্রেক্ষিতে, যেহেতু মুসলমানরা পাকিস্তানে এবং হিন্দুরা ভারতে চলে গিয়েছিল।"[৭] ১৯৫৯ সালে তাঁর আগ কা দরিয়া (আগুনের নদী) উপন্যাস প্রকাশিত হলে পাকিস্তানে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। প্রকাশের পরপরই তিনি ভারতে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, যেখানে তিনি আগে থেকেই ছিলেন।[৭] তিনি জীবিকা নির্বাহের জন্য সাংবাদিকতাকে পেশা হিসাবে বেছে নেন তবে ছোট গল্প, সাহিত্যের অনুবাদ এবং উপন্যাস নিয়মিত প্রকাশ করতে থাকেন, এখন যার সংখ্যা প্রায় ত্রিশটি। তিনি ম্যাগাজিন ইম্প্রিন্ট, বোম্বের (১৯৬৪–৬৮) ব্যবস্থাপনা সম্পাদক এবং ইলাস্ট্রেটেড উইকলি অফ ইন্ডিয়া (১৯৬৮–৭৫) এর সম্পাদকীয় মন্ডলীর সদস্য ছিলেন। তাঁর বইগুলি ইংরেজি এবং অন্যান্য ভাষায় অনুদিত হয়েছে।

হায়দার ক্যালিফোর্নিয়া, শিকাগো, উইসকনসিন এবং অ্যারিজোনার বিশ্ববিদ্যালয়েও অতিথি অধ্যাপক হিসাবে কাজ করেছেন। তিনি আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের অতিথি অধ্যাপক ছিলেন, সেখানে তার বাবা আগে রেজিস্ট্রার ছিলেন। তিনি নয়া দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার খান আবদুল গাফফার খান চেয়ার এর এমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। ১৯৭৯ সালে তিনি আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সাহিত্য কার্যক্রমের রেসিডেন্সি ছিলেন।

সাহিত্যকর্ম[সম্পাদনা]

তিনি একজন প্রখ্যাত লেখক (তিনি ১১ বছর বয়সে লিখতে শুরু করেছিলেন), তাঁর সাহিত্য রচনায় প্রায় ১২ টি উপন্যাস ও উপন্যাসিকা এবং চারটি ছোট গল্পের সংকলন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। হায়দার ধ্রুপদী সাহিত্যের অনুবাদও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে করেছেন। তার নিজস্ব রচনাগুলি ইংরেজি এবং অন্যান্য ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে।[৮]

আগ কা দরিয়া (আগুনের নদী) হলো তাঁর সেরা সাহিত্যকর্ম, একটি যুগান্তকারী উপন্যাস যা সময় এবং ইতিহাসের বিস্তৃতি সন্ধান করে। এটি এমন একটি গল্প বলে যা খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী থেকে ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে চলে আসে এবং ইতিহাসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ যুগকে থামিয়ে দেয়। আগ কা দরিয়া মূলত পাকিস্তানে বিশ্বাসীদের দৃষ্টিকোণ থেকে রচিত একটি উপন্যাস এবং বিশেষত উপন্যাসের চূড়ান্ততার দিকে তাদের যন্ত্রণাকে বিশদভাবে চিত্রিত করে। আমের হুসেন টাইমস লিটারেরি সাপ্লিমেন্টে লিখেন যে উর্দু কথাসাহিত্যে আগ কা দরিয়া (আগুনের নদী) আর ওয়ান হান্ড্রেড ইয়ারস অফ সলিচিউড হলো হিস্পানিক সাহিত্যের। নিউ ডিরেকশনস পাবলিশিংয়ের ২০১৯ এর পুনর্মুদ্রণের জন্য একটি পর্যালোচনাতে, অদিতি শ্রীরাম নিউইয়র্ক টাইমসে লিখেছিলেন যে উপন্যাসটি "২০১৯ সালে যেমনটি প্রাসঙ্গিক, ১৯৫৯ সালে লেখার সময়েও তেমনই প্রাসঙ্গিক ছিল।"[৯] দ্য নেশন-এ কামিল আহসান লিখেছেন: "ফায়ার অফ রিভার (আগুনের নদী) উপন্যাসে মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতার (খ্রিস্টপূর্ব ৩২৩ থেকে ১৮৫ পর্যন্ত) দ্বারা পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে নন্দ রাজবংশের মধ্য দিয়ে শুরু করে এবং দেশভাগ-উত্তর হতাশার কাহিনী পর্যন্ত - আধুনিক ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের ইতিহাসের ২,৫০০ বছরের ইতিহাসের সম্পূর্ণতা ও সমন্বয়-প্রচেষ্টা করেছেন। [৭]

তার অন্যান্য প্রকাশিত রচনার মধ্যে রয়েছে: মেরে ভি সনম খান, ১৯৪৯; সাফিনা-এ-গাম-এ-দিল , ১৯৫২; পাতঝর কি আওয়াজ (পত্র ঝরার শব্দ), ১৯৬৫; রওশনী কি রাফতার (আলোর গতি), ১৯৮২; ১৯৬৫ সালে উপন্যাসিকা চায়ে কে বাঘ (চা বাগান) (দিলরুবা, সীতা হরণ, আগলে জনম মোহে বিতিয়া না কিজো, লিঙ্গ অবিচার অন্বেষণ সহ চারটি উপন্যাসিকার একটি); এবং পারিবারিক উপাখ্যান কার ই জাহান দরাজ হাই (বিশ্বের কাজ চলছে)। "গর্দীশ ই রং ই চমন" (১৮৫৭ সালের হৃদয়বিদারক ঘটনার পর সম্ভ্রান্ত পরিবারের নারীদের নিয়ে একটি বিস্তৃত প্রামাণ্য উপন্যাস), "আখির ই শব কে হামসফর" (নকশাল আন্দোলন ও বাংলার অসন্তোষের উপর একটি উপন্যাস), "চাঁদনী বেগম" (বিভক্তির চল্লিশ বছরে মুসলমানদের সাধারণ সামাজিক অবস্থার উপর একটি উপন্যাস)।

তাঁর প্রথম ছোট গল্প বাই-চুহিয়া (লিটল মিস মাউস) শিশুদের ম্যাগাজিন ফুলে প্রকাশিত হয়েছিল এবং উনিশ বছর বয়সে তিনি তাঁর প্রথম উপন্যাস "মায়ারে ভি সনম খানায়ে" রচনা করেছিলেন।

প্রশংসা[সম্পাদনা]

আমের হুসেন টাইমস লিটারেরি সাপ্লিমেন্টে লিখেন যে "কুররাতুল আইন হায়দার ভারতের অন্যতম সম্মানিত সাহিত্যিক। ১৯৫০ এর দশকে তিনি যে ধারা চালু করেছিলেন তার অনেকগুলি পরবর্তীকালের লেখকরা অনুসরণ করেছেন, তাদের উচ্চাভিলাষী রচনা ভারতীয় সাহিত্যের অনেক প্রশংসিত হয়েছে।[১০]

তাঁর সমসাময়িক মিলান কুণ্ডেরা এবং গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস এর তুলনায় তাঁর সাহিত্য ক্যানভাসের প্রসারতা, তাঁর দর্শন ও সূক্ষ্মদর্শিতা, সময়ের চেয়ে এগিয়ে ছিল।[৫]

অমিতাভ ঘোষ লিখেছেন যে "তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় কণ্ঠস্বর"

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

তিনি ১৯৮৯ সালে তাঁর আখির-ই-শাব কে হামসফর (রাত্রীর যাত্রীরা) উপন্যাসের জন্য জ্ঞানপীঠ পুরস্কার লাভ করেন । তিনি ১৯৬৭ সালে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার, ১৯৬৯ সালে সোভিয়েত ভূমি নেহেরু পুরস্কার, ১৯৮৫ সালে গালিব পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ১৯৬৭ সালে তাঁর ছোট গল্পের সংকলন পাতঝর কি আওয়াজ (পত্র ঝরার শব্দ) এর জন্য সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার অর্জন করেন।২০০০ সালে দিল্লির উর্দু একাডেমি তাকে বাহাদুর শাহ জাফর পুরস্কার প্রদান করে। ১৯৮৪ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী খেতাবে ভূষিত করে এবং ২০০৫ সালে উর্দু সাহিত্য ও শিক্ষায় অবদানের জন্য ভারত সরকার তাকে তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক খেতাব পদ্মভূষণ এ ভূষিত করে।[৫][৮]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

দীর্ঘদিন যাবৎ ফুসফুসের অসুস্থতায় ভোগার পর কুররাতুল আইন হায়দার ২০০৭ সালের ২১ আগস্ট ভারতের নয়াদিল্লির নিকটে নয়ডা হাসপাতালে মারা যান। তাকে নয়াদিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।

তাঁর মৃত্যুতে ভারতের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী এবং তার নিজ রাজ্য উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শোক প্রকাশ করেন ।[১১]

সমালোচক[সম্পাদনা]

এটি বিশ্বাস করা হয় যে সামাজিক পরিমন্ডলে তার উচ্চ মর্যাদার কারণে তার দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে কোনও সমালোচনা প্রকাশিত হয়নি যদিও তিনি ভুলভ্রান্তির ঊর্ধ্বে ছিলেন না। বিশিষ্ট উর্দু ঔপন্যাসিক পাইঘাম আফাকী তাঁর সমাদৃত নিবন্ধ 'আগ কা দরিয়া - চাঁদ সওলাত'-তে উল্লেখ করেছেন যে, কারণ তিনি অল্প বয়সে আগ কা দরিয়া লিখেছিলেন এবং কারণ কারণ দেশভাগের সময় যারা ভারতে ফিরে আসেনি তারা তাকে ঘিরে রেখেছিল যারা দেশান্তর করেনি তাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে তিনি প্রশংসা করতে পারেন নি। পাইঘাম আফাকীর এই নিবন্ধের পরে, তিনি প্রকৃতপক্ষে এই জাতীয় বিষয়বস্তু পর্যালোচনা এবং উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদে মুছে ফেলেছিলেন।

কাজ[সম্পাদনা]

অনুবাদ

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Qurratulain Hyder, 1927–"Library of Congress 
  2. Jnanpith, p. 42
  3. "Jnanpith Laureates Official listings"Jnanpith Website। ১৩ অক্টোবর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  4. "Conferment of Sahitya Akademi Fellowship"। Official listings, Sahitya Akademi website। ১ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০২০ 
  5. "Qurratulain Hyder"Encyclopædia Britannica। ১৮ জানুয়ারি ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০১৪ 
  6. "Vital statistics of colleges that figure among India's top rankers"India Today। ২১ মে ২০০১। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০১৪ 
  7. Ahsan, Kamil (২২ জুলাই ২০১৯)। "The Alternate India"The Nation। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৯ 
  8. "Famous Indian Urdu writer is dead"BBC। ২১ আগস্ট ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০১৪ 
  9. Sriram, Aditi (৮ এপ্রিল ২০১৯)। "An Urdu Epic Puts India's Partition Into Historical Perspective"The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৯ 
  10. Hussein, Aamer। "Chaos and upheaval"The Times Literary Supplement। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৯ 
  11. Hyder, Qurratulain (জুন ২০০৩)। River of Fire। Editorial Reviews: About the Author। আইএসবিএন 0811215334"With her unfortunate passing, the country has lost a towering literary figure.” 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Jnanpith Award টেমপ্লেট:SahityaAkademiFellowship