বিষয়বস্তুতে চলুন

কুয়াশা-ভেঁপু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
স্প্লিট রক বাতিঘরের ছাদে লাগানো দুটি ডায়াফোন-প্রযুক্তির কুয়াশা-ভেঁপু

কুয়াশা-ভেঁপু বলতে এমন একটি যন্ত্রকে বোঝায়, যা উচ্চমাত্রার ধ্বনি (যাকে কুয়াশা সংকেত বলে) ব্যবহার করে কুয়াশাচ্ছন্ন অবস্থায় নৌযান (নৌকা, জাহাজ, ইত্যাদি) চলাচলের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য বিপদ যেমন শিলাময় উপকূলরেখা বা অন্যান্য নৌযানের উপস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করে দেয়। এই পরিভাষাটিকে প্রায়শই সামুদ্রিক পরিবহনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। যখন বাতিঘরের মতো দৃশ্যমান অবস্থান ও দিকনির্ণায়ক সহায়গুলি অদৃশ্য বা অস্পষ্ট হয়ে যায়, তখন কুয়াশা-ভেঁপুগুলি উদ্গত শিলা, মগ্ন চড়া, শিরোভূমি (অন্তরীপ) বা জাহাজ চলাচলের অন্যান্য বিপদের একটি শ্রবণযোগ্য সতর্কতা প্রদান করে।

বিবরণ

[সম্পাদনা]

সব কুয়াশা-ভেঁপুতেই একটি শ্রবণযোগ্য স্বর তৈরি করার উদ্দেশ্যে একটি কম্পমান বায়ুস্তম্ভ ব্যবহার করা হয়, তবে এই কম্পনটি স্থাপনের পদ্ধতি ভিন্ন হয়ে থাকে। কিছু ভেঁপুতে, যেমন ডাবোল তূর্য ভেঁপুতে কম্পনকারী ধাতব পাত ব্যবহার করত, যা আধুনিক মোটরগাড়ির বিদ্যুৎচালিত ভেঁপুতে মূলনীতির অনুরূপ। অন্য ধরনের কুয়াশা-ভেঁপুতে সাইরেনের অনুরূপে ঘূর্ণায়মান চোঙ বা চাকতির ছিদ্র দিয়ে জোর করে বাতাস চালনা করা হয়। কুয়াশা-ভেঁপুর অর্ধ-স্বয়ংক্রিয় পরিচালনা পদ্ধতিটি একটি ঘড়ির কলকব্জা কৌশল (বা "কোডার") ব্যবহার করে সম্পন্ন করা হয়েছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল ভেঁপুতে বাতাস প্রবেশ করানো কপাটিকাগুলি যেন ক্রমান্বয়ে খোলা যায়; প্রতিটি ভেঁপুকে তার নিজস্ব কালীন বৈশিষ্ট্য দেওয়া হয়েছিল, যাতে নাবিকরা সেগুলিকে পৃথকভাবে শনাক্ত করতে পারে।[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

প্রাথমিক কুয়াশা-সংকেত

[সম্পাদনা]
সামুদ্রিক খোলস দিয়ে তৈরি কুয়াশা-ভেঁপু, যার সবচেয়ে সরু দিকে একটি ছিদ্র রয়েছে।
কুয়াশা-সংকেতের একটি প্রাথমিক রূপ: মার্কিন অঙ্গরাজ্যে মেইনের ফোর্ট পয়েন্ট বাতিঘরের কুয়াশা-ঘণ্টা

শ্রবণযোগ্য কুয়াশা সংকেত শত শত বছর ধরে বিভিন্ন রূপে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রাথমিকভাবে কেবল শঙ্খশিঙা, কুয়াশা-ঘণ্টা বা হাত দিয়ে বাজানো কাঁসি ঘণ্টা (গং) ব্যবহার করা হত।

কিছু বাতিঘরে জাহাজগুলিকে সতর্ক করার জন্য মাঝে মাঝে একটি ছোট কামান দাগা হত, কিন্তু এটি শ্রমসাধ্য ও বিপজ্জনক ছিল।[] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাষ্পীয় শক্তির সুলভ থাকলে বাঁশি (হুইসল) ব্যবহার করা হত, যদিও ব্রিটিশ বাতিঘর কর্তৃপক্ষ ট্রিনিটি হাউজ এগুলি ব্যবহারের তুলনায় বিস্ফোরক সংকেত ব্যবহার পছন্দ করত।

উনবিংশ শতাব্দী জুড়ে সংকেতপ্রদান প্রক্রিয়াটিকে স্বয়ংক্রিয় করার প্রচেষ্টা চালানো হয়। যুক্তরাজ্যের ট্রিনিটি হাউজ অবশেষে একটি ব্যবস্থা ("সিগন্যাল, ফগ, এমকে আই") তৈরি করে যা বৈদ্যুতিকভাবে বিস্ফোরক-তুলার (গানকটন) পিণ্ড বিস্ফোরিত করে। তবে প্রতিটি সংকেতের পরে পিণ্ডটি হাত দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে হত। উদাহরণস্বরূপ, পোর্টল্যান্ড বিলে দুইটি কুয়াশা-সংকেতের মধ্যে সময়ের ব্যবধান ছিল পাঁচ মিনিট, অর্থাৎ ভেঁপুগুলি বাজানোর পরে নামিয়ে আনতে হত, দুটি নতুন বিস্ফোরক পিণ্ড ঢোকাতে হত এবং কুয়াশাচ্ছন্ন সময়ে প্রতি পাঁচ মিনিট পরপর আবার ভেঁপুগুলিকে উপরে তুলতে হত।[ এই অনুচ্ছেদের উদ্ধৃতি প্রয়োজন ]

কুয়াশা-ঘণ্টা বাজানোর জন্য ঘড়ির কলকব্জাভিত্তিক ব্যবস্থাও তৈরি করা হয়েছিল।[] ১৮০০ সালের দিকে গতি-নিয়ন্ত্রক যন্ত্রের (গভর্নর) সাহায্যে আঘাতপ্রাপ্ত ঘণ্টা (স্ট্রাক বেল) তৈরি করা হয়েছিল। এগুলির মধ্যে ১৮৩৭ সালে মেইন অঙ্গরাজ্যে ৪ ফুট বাহুবিশিষ্ট একটি বৃহৎ ত্রিভুজও (বাদ্যযন্ত্র) ব্যবহৃত হত। জাহাজগুলিতে কুয়াশা-ঘণ্টা বহন করা বাধ্যতামূলক ছিল। তবে তুর্কি জাহাজগুলির জন্য এ ব্যাপারে ছাড় দেয়া হয়েছিল, কারণ ইসলামে ঘণ্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ ছিল।[]

যান্ত্রিকীকরণ

[সম্পাদনা]
কর্নওয়ালের লিজার্ড বাতিঘরে কুয়াশার সাইরেন
ফ্ল্যাট হোলমে আরেকটি ট্রিনিটি হাউজ কুয়াশা সাইরেন কেন্দ্র
শেটল্যান্ডের সামবার্গ বাতিঘরের কুয়াশা-ভেঁপুর ভারবহন যন্ত্রকৌশল
ট্রিনিটি হাউজের সতর্কতা বিজ্ঞপ্তি

রবার্ট ফাউলিস সর্বপ্রথম স্বয়ংক্রিয় বাষ্পচালিত কুয়াশা-ভেঁপুটি উদ্ভাবন করেন। ফাউলিস ছিলেন একজন স্কটল্যান্ডবাসী যিনি কানাডার নিউ ব্রান্সউইকের সেন্ট জন শহরে অভিবাসী হন। কথিত আছে যে এক কুয়াশাচ্ছন্ন রাতে ফাউলিস দূর থেকে তাঁর মেয়ের পিয়ানো বাজানো শুনতে গিয়ে লক্ষ করেন যে পিয়ানোর নিচু বা খাদের স্বরগুলি উচ্চ বা চড়া স্বরের চেয়ে বেশি ভালো শোনা যাচ্ছিল। এরপরে তিনি একটি নিম্ন-কম্পাংকের ধ্বনি তৈরি করার জন্য একটি যন্ত্র তৈরি করেন, এবং এর পাশাপাশি এটি ব্যবহারের জন্য একটি সাংকেতিক পদ্ধতিও তৈরি করেছিলেন। ফাউলিস বারবার পারট্রিজ দ্বীপে স্থাপনের জন্য ফান্ডি উপসাগরের বাতিঘরের কমিশনারদের কাছে তার ধারণাটি উপস্থাপন করেন। কমিশনাররা প্রথমে ফাউলিসের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করলেও একজন কমিশনার অবশেষে ফাউলিসকে কমিশনের কাছে বিস্তারিত পরিকল্পনা জমা দিতে উৎসাহিত করেন। অজানা কারণে পরিকল্পনাগুলি আরেক কানাডীয় প্রকৌশলী টি. টি. ভার্নন স্মিথকে দেওয়া হয়েছিল, যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশনারদের কাছে এগুলিকে নিজস্ব পরিকল্পনা হিসাবে জমা দেন। এরপর ১৮৫৯ সালে পার্ট্রিজ দ্বীপে ভার্নন-স্মিথ হর্ন নামে কুয়াশা-ভেঁপুটি নির্মিত হয়েছিল। ফাউলিসের প্রতিবাদ ও আইন প্রণেতাদের তদন্তের পর ফাউলিসকে এর প্রকৃত উদ্ভাবক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তবে তিনি কখনও তাঁর উদ্ভাবনের জন্য কৃতিস্বত্ব নেন নি বা এ থেকে আর্থিকভাবে লাভবান হননি।[]

ইংল্যান্ডের কাপ্তান জেমস উইলিয়াম নিউটন জোরালো ও খাদ বা নিচুস্বরে কুয়াশা-সংকেত প্রেরণের কৌশলের উদ্ভাবক হিসেবে নিজেকে দাবি করেন।[]

১৯শ শতাব্দীর শেষের দিকে অব্যাহতভাবে কুয়াশা-সংকেত প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ ঘটে।[] একই সময়ে সেলাডন লিডস ডাবল নামের একজন উদ্ভাবক মার্কিন বাতিঘর পরিষেবার জন্য ডাবল তূর্য নামে একটি কয়লা-চালিত কুয়ানশা-ভেঁপু তৈরি করেন, যদিও এটি সর্বজনীনভাবে গৃহীত হয়নি।[] বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি পর্যন্ত কয়েকটি ডাবল তূর্য ব্যবহার করা হত।

যুক্তরাজ্যে জন টিন্ডললর্ড রেইলিসহ অন্যান্যরা আরও কার্যকর কুয়াশা-ভেঁপু তৈরির পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছিলেন। ট্রিনিটি হাউজের জন্য লর্ড রেইলির অব্যাহত গবেষণাটি একটি বৃহৎ তূর্যসহ সাইরেনের নকশায় পরিণতি লাভ করে, যার উদ্দেশ্য ছিল সর্বোচ্চ শব্দের বিস্তার অর্জন। ১৯১৩ সালে যুক্তরাজ্যের কর্নওয়ালের ট্রেভোস হেড বাতিঘরে এটি স্থাপিত হয় (বিস্তারিত তথ্যের জন্য তথ্যসূত্র দেখুন[])। একজন প্রতিবেদক প্রথমবারের মতো বাষ্পচালিত সাইরেন শোনার পর বলেন যে এটি ছিল "একদল কালো চিতার ন্যায় এক চিৎকার, অদ্ভুত এবং দীর্ঘায়িত, এরপর ধীরে ধীরে সুর নামতে হতে থাকে যতক্ষণ না আধ মিনিট পরে এটি হাজার হাজার পাগলা ষাঁড়ের গর্জনে পরিণত হয়, যার অন্তর্বর্তী স্বরগুলিতে একটি হারিয়ে যাওয়া আত্মার কান্না, একটি অতল গহ্বরের গোঙানি এবং একটি অক্ষম লিফটের কাতরানির ইঙ্গিত শোনা যায়।"[]

প্রথম স্বয়ংক্রিয় কুয়াশা-ঘণ্টাগুলির মধ্যে একটি ছিল স্টিভেনস অটোমেটিক বেল স্ট্রাইকার। []

পরবর্তীতে কিছু কুয়াশা-ঘণ্টা পানির নিচে (বিশেষ করে বিপজ্জনক এলাকায়) স্থাপন করা হয়েছিল, যাতে তাদের শব্দ (যা একটি অনুমানযোগ্য সংকেত বহন করে, যেমন "২৩" সংখ্যাটি) আরও দূরে বহন করা যায় ও জাহাজের দেহের মধ্য দিয়ে এগুলি প্রতিধ্বনিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, এই কৌশলটি হোয়াইট শোল লাইট (মিশিগান)-এ ব্যবহৃত হয়েছিল।[১০][১১] এটিকে রেকনের (রাডার সংকেতের) আদি রূপ হিসেবে গণ্য করা হয়।

ডায়াফোন

[সম্পাদনা]

বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে ডায়াফোন নামে একটি উন্নত যন্ত্র বিশ্বব্যাপী নতুন স্থাপিত কুয়াশা-ভেঁপুরগুলির জন্য আদর্শ যন্ত্র হয়ে ওঠে। এটি মূলত রবার্ট হোপ-জোন্স [] অর্গানের বায়ুরোধক হিসেবে উদ্ভাবন করেন। পরবর্তীতে টরন্টোর জন নর্থ কুয়াশা সংকেত প্রেরক যন্ত্র হিসেবে এটির উন্নতিসাধন করেন। ডায়াফোনগুলি সংনমিত বায়ু দ্বারা চালিত হত ও অত্যন্ত শক্তিশালী নিম্ন-কম্পাংকের ধ্বনি নির্গত করতে পারত।

ক্যালিফোর্নিয়ার রিচমন্ডের ইস্ট ব্রাদার আইল্যান্ড লাইটে ডায়াফোনের শব্দ

পাইপ-অর্গান প্রযুক্তির ব্যবহারের বাইরেও কুয়াশা-ভেঁপুর সাথে সঙ্গীতের সম্পর্ক ছিল। উদাহরণস্বরূপ ১৯৮২ সালে ওলন্দাজ সম্প্রচারকেন্দ্র ভিপিআরও জাতীয় বেতারে একটি সরাসরি "কুয়াশা-ভেঁপু বাদ্যানুষ্ঠান" সম্প্রচার করে, যেখানে এমডেন, কালে, নিউপোর্ট, শেভেনিংগেন, ডেন হেল্ডার, লেলিস্টাড, উর্ক, মার্কেন এবং কর্নভের্ডারজান্ডের কুয়াশা-ভেঁপুর শব্দ সম্প্রচারিত হয়, এবং শব্দ শিল্পী অ্যালভিন কারেন ধারণশালার সঙ্গীতের সাথে এগুলিকে মিশ্রিত করেন।[১২]

ক্রমবিলোপ

[সম্পাদনা]
আইলসা ক্রেইগের কুয়াশা-ভেঁপু, যেখানে ১৯৬৬ সালে কুয়াশা-সংকেত প্রেরণ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

১৯৬০ এবং ১৯৭০-এর দশকে বাতিঘরগুলির স্বয়ংক্রিয়করণ সাধারণ হয়ে ওঠার পর থেকে বেশিরভাগ পুরানো কুয়াশা-ভেঁপু স্থাপনাগুলিকে যন্ত্রপাতি চালানোর জটিলতা পরিহারের উদ্দেশ্যে সরিয়ে ফেলা হয় এবং বিদ্যুৎচালিত পর্দা বা সংনমিত বায়ু-ভেঁপু দিয়ে সেগুলিকে প্রতিস্থাপন করা হয়। আধুনিক কুয়াশা-ভেঁপুর সক্রিয়করণ সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়: একটি লেজার বা আলোক রশ্মিপটি সমুদ্রের দিকে নিক্ষেপ করা হয়, এবং যদি রশ্মিটি উৎসের দিকে প্রতিফলিত হয় (অর্থাৎ, কুয়াশা বা বৃষ্টিপাতের কারণে লেজার রশ্মি দৃশ্যমান হয়), তাহলে সুবেদী গ্রাহকটি কুয়াশা-ভেঁপু সক্রিয় করার জন্য একটি সংকেত পাঠায়। আন্তর্জাতিক নৌচালনা সামুদ্রিক সহায় ও বাতিঘর কর্তৃপক্ষ সংস্থা অনুসারে অনেক ক্ষেত্রেই জিপিএস-সহ আধুনিক অবস্থান ও দিকনির্ণয় উপকরণগুলির উপস্থিতির জন্য বৃহৎ, দীর্ঘ-পাল্লার কুয়াশা-ভেঁপুগুলি প্রায় সম্পূর্ণরূপে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে।[১৩]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Fox, Fred। "Fog Horn-Siren"। ৯ জুলাই ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  2. Oke, Robert (১৫ মে ১৮৬৩)। Letter to J. H. Warren Esq. Chairman, Board of Works। The Rooms Archives (St. John's, Newfoundland)।
  3. 1 2 Pepper, Terry (২০০৩)। "Stevens' Fog Bell Apparatus"Seeing the Light। ১০ মে ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "Stevens" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  4. 1 2 Wheeler, Wayne। "The History of Fog Signals"। United States Lighthouse Society। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০২৪ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "Wheeler" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  5. "Famous Glaswegians – Robert Foulis, Jr"। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  6. "NEWTON Captain James William (1831–1906)"Jesmond Old Cemetery। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০২৪Captain Newton also claimed to be the inventor of fog signalling by the interchange and repetition [sic] of loud and low notes.
  7. Laser, Jeff (২০০৭)। "The Diaphone Fog Signal"Seeing the Light। ৯ অক্টোবর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত
  8. Holland, F. R. (1988). America's Lighthouses. Dover. আইএসবিএন ০-৪৮৬-২৫৫৭৬-X, p. 204.
  9. 1 2 Renton, Alan (২০০১)। Lost Sounds: The Story of Coast Fog Signals। Whittles Publishing। আইএসবিএন ৯৭৮-১৮৭০৩২৫৮৩৭ উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে "Renton 1" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  10. Putnam, George R. (জানুয়ারি ১৯১৩)। "Beacons of the Seas: Lighting the Coasts of the United States": ১৯। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০০৯ {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  11. Pepper, Terry (২০০৪)। "White Shoal Lighthouse"Seeing The Light। ২৯ মে ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত
  12. "OVT serie Gouden Jaren, afl. 4: Bijzondere experimenten: Hele opname van het misthoornconcert" (ওলন্দাজ ভাষায়)। VPRO। ২২ জুলাই ২০১০। ২৫ জুলাই ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  13. Noble, D. L. (2004). Lighthouses and Keepers. Naval Institute Press. আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৯১১৪-৬২৬-১, p. 169.

আরও পড়ুন

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]