কুয়ালালামপুর টাওয়ার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কুয়ালালামপুর টাওয়ার
মিনারা কুয়ালালামপুর
منارا کوالا لومڤور
KL tower1.JPG
কুয়ালালামপুর টাওয়ার, ফেব্রুয়ারী, ২০০৫
সাধারণ তথ্য
অবস্থাসম্পূর্ণ
ধরনটেলিযোগাযোগ, ইসলামের নানা উদযাপনের চাঁদ দেখা, এডভেঞ্চার (বেজ জাম্প), পর্যটন, সংস্কৃতি
অবস্থানকুয়ালালামপুর, মালয়শিয়া
স্থানাঙ্ক৩°৯′১০″ উত্তর ১০১°৪২′১২″ পূর্ব / ৩.১৫২৭৮° উত্তর ১০১.৭০৩৩৩° পূর্ব / 3.15278; 101.70333স্থানাঙ্ক: ৩°৯′১০″ উত্তর ১০১°৪২′১২″ পূর্ব / ৩.১৫২৭৮° উত্তর ১০১.৭০৩৩৩° পূর্ব / 3.15278; 101.70333
ভূমিবিদারক১ অক্টোবর, ১৯৯১
নির্মাণ শুরু হয়েছে৪ অক্টোবর, ১৯৯১
সম্পূর্ণ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৪
কার্যারম্ভ২৩ জুলাই ১৯৯৬
উদ্বোধন১ অক্টোবর ১৯৯৬
উচ্চতা
অ্যান্টেনা পেঁচ৪২১ মি (১,৩৮১ ফু)
ছাদ৩৩৫ মি (১,০৯৯ ফু)
কারিগরী বিবরণ
তলার সংখ্যা
তলার আয়তন৭,৭০০ মি (৮২,৮৮২ ফু)
লিফট/এলিভেটর
নকশা এবং নির্মান
স্থপতিকুমুলান সেনিরেকা Sdn. Bhd.
তথ্যসূত্র
[১][২]

কুয়ালালামপুর টাওয়ার (কে এল টাওয়ার; মালয়: Menara Kuala Lumpur; চীনা: 吉隆坡塔) মালয়শিয়ার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত একটি টেলিযোগাযোগের টাওয়ার। ১৯৯৫ সালের ১ মার্চে এটির নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়। এটির মাথায় একটি অ্যান্টেনা রয়েছে। অ্যান্টেনাসহ টাওয়ারটির মোট উচ্চতা ৪২১ মিটার এবং এটি বিশ্বের ৭ম বৃহত্তম মুক্তভাবে দন্ডায়মান টাওয়ার। এটির ছাদ ৩৩৫ মিটার উঁচুতে অবস্থিত। নিচের বাকি অংশতে রয়েছে সিড়ি এবং লিফট, যার সাহায্যে টাওয়ারটির ওপরে ওঠা যায়। টাওয়ারটির ওপরে রয়েছে একটি ঘূর্ণায়মান রেঁস্তোরা যা দ্বারা শহরের পুরোটা দর্শন করা যায়।

সিড়ি দিয়ে ওঠার প্রতিযোগিতা নিয়মিত আয়োজন করা হয়। এছাড়া ইসলামের নানান পবিত্র মাসের জন্যে চাঁদ দেখার জন্য এই টাওয়ারটি ব্যবহার করা হয়। এই টাওয়ারটি কুয়ালালামপুরের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ার এবং জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মালয়শিয়ার চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী মাহাথির বিন মোহাম্মদ ১৯৯১ সালের ১ অক্টোবর টাওয়ারটির ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। তিন ধাপে টাওয়ারটি তৈরি করা হয়।

নির্মাণের প্রথম ধাপটি ছিল জালান বুকিত নানাস পাহাড়টিকে কেটে একটি প্রশস্ত জায়গার সৃষ্টি করা এবং ঐ খনন কাজের স্থান থেকে মাটি সরিয়ে ফেলা। ১৯৯২ সালের ১ আগস্টে এই ধাপটি সম্পূর্ণ হয়।

১৯৯২ সালের ১ জুলাই, নির্মাণের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়। প্রায় ৫০,০০০ হাজার ঘনমিটার কংক্রিট টানা ৩১ ঘন্টা ধরে টাওয়ারটির ভিত্তিতে ফেলা হয়। এটি মালয়শিয়ার অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। ভিত্তিসম্পর্কিত সব কাজ ১৯৯৩ সালের ১ এপ্রিল শেষ হয়।

নির্মাণের ৩য় ধাপটি ছিল টাওয়ারটির উপরের অংশ তৈরি করা। ১৯৯৩ সালের মে মাসে এটির কাজ শুরু হয়।

১৯৯৬ সালের ১ অক্টোবর মাহাথির বিন মোহাম্মদ টাওয়ারটি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।[৩]

সম্প্রচার[সম্পাদনা]

কুয়ালালামপুর টাওয়ার ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অব গ্রেট টাওয়ারসের একটি সদস্য। বিভিন্ন সংস্থার সম্প্রচারের কাজে টাওয়ারটি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত টেলিভিশন সম্প্রচারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। তবে এটির নির্মানকাজের সময় রেডিও সম্প্রচারের এন্টেনাও সংযোজন করা হয়।

তথ্যসমূহ[সম্পাদনা]

টেলিযোগাযোগের টাওয়ারগুলোর মধ্যে কে এল টাওয়ার বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম টাওয়ার। টেলিযোগাযোগ ও সম্প্রচারই ছিল টাওয়ারটি তৈরির প্রধান উদ্দেশ্য। কে এল টাওয়ার কুয়ালালামপুরের একটি প্রতীক।

টাওয়ারটি পাঁচটি প্রধান অংশে বিভক্ত:

  1. রক্ষনাগার, সুরক্ষা ও তদারকির জন্য ভিত্তিস্তরটি ৫ তলা বিশিষ্ট করা হয়েছে
  2. পর্যটন ভবনটিতে রয়েছে প্রশাসনিক ভবন এবং শপিং মল
  3. ২০৫৮ টি সিঁড়ি ও চারটি লিফট রয়েছে
  4. টাওয়ারটির মাথায় জনসাধারণের জন্য পর্যবেক্ষণের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে এবং একটি ঘূর্ণায়মান রেস্তোরাঁ রয়েছে। এছাড়াও আছে টেলিযোগাযোগ এবং সম্প্রচার কেন্দ্র
  5. টাওয়ারটির একদম মাথায় রয়েছে অ্যান্টেনা

পর্যটন[সম্পাদনা]

পর্যটকরা শহরটির চারপাশের দৃশ্য দেখার জন্যই কে এল টাওয়ারটিতে ঘুরতে আসে। টাওয়ারটির লিফট ৫৪ সেকেন্ডে পর্যবেক্ষণ ডেকে উঠতে পারে এবং ৫২ সেকেন্ডে নিচে নেমে আসে।

চিত্রপ্রদর্শনী[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বাইরের সংযোগ[সম্পাদনা]