কুকিলদাশ মাদ্রাসা (তাশখন্দ)

কুকিলদাশ মাদ্রাসা হলো তাশখন্দে অবস্থিত একটি মধ্যযুগীয় মাদ্রাসা, যা চোরসু বাজার এবং চোরসু মেট্রো স্টেশনের কাছে অবস্থিত। এটি ১৫৭০ খ্রিস্টাব্দের দিকে উজবেক শায়বানি শাসক দরবেশ সুলতান কর্তৃক নির্মিত হয়েছিল।[১]
মাদ্রাসাটি হলুদ ইট দিয়ে তৈরি এবং এটি একটি ঐতিহ্যবাহী বর্গাকার আকৃতির ভবন, যাতে একটি বিশাল তোরণ (পিশতাক) এবং একটি অভ্যন্তরীণ আঙিনা রয়েছে। আঙিনার চারপাশের দেওয়ালে শিক্ষার্থীদের বসবাসের জন্য হুজরা বা কক্ষ রয়েছে। তোরণটি ২০ মিটার (৬৬ ফুট) উঁচু এবং এর দুই পাশে দুটি টাওয়ার বা মিনার রয়েছে।[১]
১৮৩০-১৮৩১ সালে মাদ্রাসার প্রথম তলাটি ভেঙে ফেলা হয়েছিল এবং সেই ইটগুলো দিয়ে নিকটবর্তী বেকলারবেগী মাদ্রাসা নির্মাণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে এটি সংস্কার করা হয়।[১] ১৮৬৮ সালের ভূমিকম্পে মাদ্রাসাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পরবর্তীতে ১৯০২-১৯০৩ সালে এটি পুনর্নির্মাণ করা হয়। ১৯৫০-এর দশকে এটি আবারও পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল এবং এটি সেই অল্প কয়েকটি ধর্মীয় ভবনের মধ্যে একটি যা ১৯৬৬ সালের তাশখন্দ ভূমিকম্পে টিকে গিয়েছিল।[২]
১৮শ শতাব্দীতে মাদ্রাসাটিকে একটি ক্যারাভানসরাইয়ে রূপান্তরিত করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে এটি একটি দুর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ২০শ শতাব্দীতে এটি একটি জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রথমে এটি নাস্তিক্যবাদের জাদুঘর এবং পরবর্তীতে লোকসংগীতের জাদুঘর হিসেবে কাজ করে। ১৯৯০-এর দশকে ভবনটি পুনরায় মাদ্রাসায় রূপান্তরিত হয়।[১]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 "Медресе Кукельдаш" (রুশ ভাষায়)। Central Asia Travel। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৫।
- ↑ Тангиров, Обид Эшмахматович (২০১৪)। "О деятельности медресе города Ташкента в конце XIX – начале ХХ вв." (রুশ ভাষায়)। Rex-History.ru। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৫।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]
উইকিমিডিয়া কমন্সে কুকিলদাশ মাদ্রাসা সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।