কিলিং বক্ররেখা

২) ঘনত্ব
কিলিং বক্ররেখা হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড জমে থাকার একটি গ্রাফ। এটা পরিমাপ করা হয় ১৯৫৮ সাল থেকে আজ অবধি হাওয়াই দ্বীপে অবস্থিত মায়ানা লোয়া অবজারভেটরি দ্বীপের CO
২ এর অব্যাহত পরিমাপের ভিত্তিতে।
এই বক্ররেখার নাম বিজ্ঞানী চার্লস ডেভিড কিলিং রেখেছিলেন, যিনি মনিটরিং কার্যক্রম শুরু করেছিলেন এবং ২০০৫ সালে তাঁর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এটি তদারকি করেছিলেন। কিলিংয়ের পরিমাপগুলি বায়ুমণ্ডলে দ্রুত কার্বন ডাই অক্সাইড (CO
২) এর মাত্রা বৃদ্ধির প্রথম উল্লেখযোগ্য প্রমাণ দেখিয়েছিল।[১]
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এর ইতিহাস-বিজ্ঞানের অধ্যাপক ডাঃ নাওমি ওরেস্কেস এর মতে, কিলিং বক্ররেখা ২০ শতকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক রচনা।[২] অনেক বিজ্ঞানী কিলিং বক্ররেখাকে বায়ুমণ্ডলের CO
২ এর বর্তমান বৃদ্ধির দিকে প্রথম বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করার কৃতিত্ব দেন[৩]
পটভূমি
[সম্পাদনা]১৯৫০ এর আগে, বায়ুমণ্ডলীয় CO
২ ঘনত্বের পরিমাপ বিভিন্ন স্থানে অ্যাডহক এর ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছিল। ১৯৩৮ সালে, প্রকৌশলী এবং অপেশাদার আবহাওয়াবিদ গাই স্টুয়ার্ট ক্যালেন্ডার বায়ুমণ্ডলের CO
২ এর ডেটাসেটের সাথে ১৮৯৮-১৯০১ সালের কেও এর তুলনা করেছিলেন। যা আয়তন (পিপিএমভি) দ্বারা গড়ে ২৭৪ পার্টস-প্রতি মিলিয়ন।[৪] ১৯৩৬-১৯৩৮ সালের মধ্যে পূর্ব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ এর গড় ৩১০ পিপিএমভি। এটা এই উপসংহারে পৌঁছেছে যে নৃতাত্ত্বিক নিঃসরণের কারণে CO
২ এর ঘনত্ব বাড়ছে।[৫][৬] তবে, ক্যালেন্ডার এর গবেষণার ফলাফলগুলি প্যাঁচানো প্রকৃতির হওয়ায় বিজ্ঞানীরা ব্যাপকভাবে তা গ্রহণ করেন নি।[৭]
ইউসি সান দিয়েগো তে অবস্থিত স্ক্রিপস ইনস্টিটিউশন অব ওশনোগ্রাফি এর চার্লস ডেভিড কিলিং ছিলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি বায়ুমণ্ডলীয় CO
২ এর ঘনত্বের নিয়মিত ঘন ঘন পরিমাপ করতেন। আন্টার্কটিকা এবং ১৯৫৮ সালের মার্চ থেকে হাওয়াই এর মাওনা লোয়াতে এই পরীক্ষা চালাতেন।[৮] এর আগে কিলিং বিগ সুর এর নিকটে মোন্তেররেইতে, ওয়াশিংটন রাজ্য এর অলিম্পিক উপদ্বীপ এর বৃষ্টি বন এবং অ্যারিজোনা এর উঁচু পর্বত বনাঞ্চল সহ বিভিন্ন অঞ্চলে পরিমাপ কৌশল পরীক্ষা ও নিযুক্ত করেছিলেন।[১] তিনি CO
২ এর দৃঢ় ডুরানাল আচরণ পর্যবেক্ষণ করেছেন। তিনি এটা করেছিলেন গাছপালা এবং মাটির দ্বারা শ্বসন এর কারণে রাতে অতিরিক্ত CO
২ এর নিঃষরণ এর মাধ্যমে। বিকেলে এটা উত্তর গোলার্ধ এর উপরে "মুক্ত বায়ুমণ্ডলের" প্রতিনিধিকে মূল্য দিয়েছিলেন।[১]
মাওনা লোয়ার পরিমাপ
[সম্পাদনা]
১৯৫৭-১৯৫৮ সালে (আন্তর্জাতিক জিওফিজিক্যাল ইয়ার), কিলিং প্রত্যন্ত স্থানে ইনফ্রারেড গ্যাস বিশ্লেষক ইনস্টল করার জন্য আবহাওয়া ব্যুরো এর তহবিল থেকে অর্থ পেয়েছিলেন। জায়গা গুলোর মধ্যে ছিল দক্ষিণ মেরু এবং হাওয়াই দ্বীপ এর মাওনা লোয়া এর আগ্নেয়গিরি ইত্যাদি। মাওনা লোয়া দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষণ সাইট হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছিল। এটা বেছে নেয়ার কারণ হল এর মহাদেশ থেকে অনেক দূরের প্রত্যন্ত অবস্থান এবং এতে গাছপালার অভাব। কিলিং এবং তার সহযোগীরা আগ্নেয়গিরির ভেন্ট থেকে স্থানীয় দূষণকে হ্রাস করার জন্য তাপ বিপর্যয় স্তর এর উপরে আগত সমুদ্রের বাতাসটি পরিমাপ করেছেন।[৮] স্থানীয় দূষণ থেকে যে কোনও প্রভাব অপসারণ করার জন্য ডেটা সাধারণীকরণ করতে হয়েছিল। ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে অর্থ ব্যয় কমানোর কারণে, কিলিং দক্ষিণ মেরুতে অবিচ্ছিন্ন পর্যবেক্ষণ প্রচেষ্টা ত্যাগ করতে বাধ্য হন। তবে তিনি মাওনা লোয়া অবজারভেটরি এর পরিচালনা চালানোর জন্য একসাথে পর্যাপ্ত অর্থ ব্যয় করেছিলেন, যা আজ অবধি অব্যাহত রয়েছে।[৯]
| বহিঃস্থ ভিডিও | |
|---|---|
১৯৬০ সালের কিলিংয়ের টেলাস নিবন্ধটি মাওনা লোয়া এবং অ্যান্টার্কটিকা (১৯৫৭ থেকে ১৯৬০) এর প্রথম মাসিক CO
২ এর রেকর্ড উপস্থাপন করেছিল। একটি "স্বতন্ত্র মৌসুমী চক্র এবং সম্ভবত, বিশ্বব্যাপী বছরে বছরে CO
২ বৃদ্ধির কারণ খুজে বের করা সম্পরকে এতে বলা ছিল।[৯](pp41–42)[১০]
১৯৭০ এর দশকের মধ্যে, এটি ভালভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যে বায়ুমণ্ডলীয় কার্বন ডাই অক্সাইডের বর্ধন চলমান এবং অ্যানথ্রোপোজেনিক নিঃসরণের কারণে এটা ঘটে থাকে।[১১][১২]
হাওয়াই এর মাওনা লোয়া অবজারভেটরি এ কার্বন ডাই অক্সাইড পরিমাপ করা হয় এক ধরনের ইনফ্রারেড স্পেকট্রোফোটোমিটার দিয়ে। এটি এখন ননডিস্পেরসিভ ইনফ্রারেড সেন্সর হিসাবে পরিচিত, যা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা মানদণ্ড ব্যবহার করে ক্রমাঙ্কিত হয়।[১৩] মূলত ক্যাপনোগ্রাফ নামে পরিচিত এই ধরনের উপকরণটি ১৮৬৪ সালে জন টিন্ডল প্রথম আবিষ্কার করেছিলেন এবং একটি স্ট্রিপ চার্ট রেকর্ডারে কলম দ্বারা রেকর্ড করেছিলেন।[১৪] বর্তমানে স্ক্রিপস ইনস্টিটিউট অফ ওশানোগ্রাফি তে ইনফ্রারেড স্পেকট্রোফোটোমিটারের সাথে একযোগে চালনার জন্য বেশ কয়েকটি লেজার-ভিত্তিক সেন্সর যুক্ত করা হচ্ছে। কিন্তু মাওনা লোয়া এর নওএএ পরিমাপ এখনও ননডিস্পেরসিভ ইনফ্রারেড সেন্সর ব্যবহার করে।
ফলাফল এবং ব্যাখ্যা
[সম্পাদনা]মাওনা লোয়া অবজারভেটরি এ সংগ্রহ করা পরিমাপগুলি গড় বায়ুমণ্ডলীয় CO
২ ঘনত্বের ক্ষেত্রে অবিচ্ছিন্ন বৃদ্ধি দেখায়। এই বৃদ্ধি আয়তন অনুসারে ১৯৫৮ সালের মার্চে ৩১৩ (পিপিএমভি) পার্টস-প্রতি মিলিয়ন থেকে ২০১৮ সালের নভেম্বরে ৪০৬ (পিপিএমভি) পার্টস-প্রতি মিলিয়ন অবধি।[১৫] বর্তমানে প্রতি বছরে CO
২ ২.৪৪ ± ০.২6 (গড় ± ২ আদর্শ চ্যুতি) পিপিএমভি বৃদ্ধি পায়।[১৬] বায়ুমণ্ডলীয় CO
২ এর বৃদ্ধি জীবাশ্ম জ্বালানী এর দহন এর কারণে হয় এবং সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এটা আরো ত্বরান্বিত হচ্ছে। যেহেতু CO
২ একটি গ্রিনহাউস গ্যাস, তাই এটি গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর সাথে তাৎপর্যপূর্ণভাবে জড়িত। প্রাচীন বায়ু বুদ্বুদ এর মেরুতে বরফের মূল এ আটকা পড়ার কারণে CO
২ ঘনত্বের পরিমাপ দেখায় যে, হোলোসিন যুগের সময় (৯০০০ বিসিই পরে) বায়ুমণ্ডলীয় CO
২ এর ঘনত্ব ২৭৫ এবং ২৮৫ পিপিএমভি এর মধ্যে ছিল। কিন্তু উনিশ শতকের শুরুতে তীব্রভাবে তা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।[১৭]
কিলিং বক্ররেখা প্রতিবছর প্রায় ৫ টি পিপিএমভি এর একটি চক্রীয় বৈচিত্র দেখায় যা বিশ্বের স্থল গাছপালা দ্বারা CO
২ গ্রহণের মৌসুমি পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত। এই উদ্ভিদের বেশিরভাগ অংশ উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত যেখানে বেশিরভাগ জমি অবস্থিত। মে মাসে সর্বোচ্চ থেকে শুরু করে, স্তরটি উত্তর বসন্তে এবং গ্রীষ্মের সময় হ্রাস পায়। কারণ নতুন উদ্ভিদ এর বিকাশ সালোকসংশ্লেষণ এর মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের বাইরের CO
২ গ্রহণ করে। সেপ্টেম্বরে সর্বনিম্ন মানে পৌঁছানোর পরে, উত্তর শরতে এবং শীতে আবার স্তরটি বেড়ে যায়। কারণ বায়ুমণ্ডলে CO
২ মুক্তি দেয়ার ফলে গাছপালা এবং পাতাগুলি মারা যায় এবং ক্ষয়ে যায়।[১০][১২]
উত্তরাধিকার
[সম্পাদনা]গ্লোবাল পর্যবেক্ষণ
[সম্পাদনা]কিলিংয়ের আবিষ্কারগুলির তাত্পর্যটির কারণে,[৯] এনওএএ ১৯৭০ এর দশকে বিশ্বব্যাপী CO
২ স্তর পর্যবেক্ষণ শুরু করে।[১৮] আজ, গ্লোবাল গ্রিনহাউস গ্যাস রেফারেন্স নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ১০০ টি সাইটে বায়ুমণ্ডলীয় CO
২ স্তর পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।[১৯] অন্যান্য অনেক বিচ্ছিন্ন সাইটগুলির পরিমাপগুলি, কীলিং বক্ররেখা দ্বারা দেখানো দীর্ঘমেয়াদী প্রবণতার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে,[২০] যদিও মাওনা লোয়া এর মত কোনও সাইটের দীর্ঘকালের কোনো রেকর্ড নেই।[২১]
রাল্ফ কিলিং
[সম্পাদনা]২০০৫ সালে চার্লস ডেভিড কিলিং মারা যাওয়ার পরে, প্রকল্পের দায়িত্ব ও তদারকি কিলিংয়ের পুত্র রাল্ফ কিলিং এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল। প্রকল্প শুরুর পঞ্চাশতম বার্ষিকীতে, ছোট কিলিং তার [[বিজ্ঞান (জার্নাল] | বিজ্ঞান ম্যাগাজিন]] এ একটি বাণী লিখেছেন তার পিতার জীবন এবং কর্মের বর্ণনা দিয়ে। এর সাথে সময়ের সাথে সাথে কীভাবে প্রকল্পটি বিকাশ ও বিকশিত হয়েছে সেটাও এখানে বলা ছিল।[২২] পৃথিবীর CO
২ স্তরের পর্যবেক্ষণ প্রকল্পের জন্য আরও সুনির্দিষ্ট পরিমাপের উপকরণ এবং তহবিলের পাশাপাশি, কিলিং তাঁর বাবার কাজের জন্য এবং তাঁর স্মৃতিতে কীভাবে এটিকে অব্যাহত রেখেছেন তা নিয়ে গর্বের সাথে লিখেছিলেন।
স্বীকৃতি
[সম্পাদনা]২০১৫ সালে, কিলিং বক্ররেখাকে আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটি দ্বারা একটি জাতীয় ঐতিহাসিক রাসায়নিক ল্যান্ডমার্ক হিসাবে মনোনীত করা হয়েছিল।[২৩] মাওনা লোয়া অবজারভেটরি এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সান দিয়েগো এর স্ক্রিপস ইনস্টিটিউশন অফ ওশেনোগ্রাফি তে স্মারক ফলক স্থাপন করা হয়েছিল।
২০১৩ সালে ৪০০ পিপিএম পাস করা
[সম্পাদনা]৯ ই মে, ২০১৮-এ, মাওনা লোয়ায় পরিমাপিত বায়ুমণ্ডলে CO
২ এর দৈনিক গড় ঘনত্ব ৪০০ পার্টস প্রতি মিলিয়ন (পিপিএমভি) ছাড়িয়েছে।[২৪] পূর্ববর্তী ভূতাত্ত্বিক যুগ এর CO
২ এর অনুমান বলে যে, CO
২ ২২ থেকে ৪ মিলিয়ন বছর আগের মধ্য-প্লিওসিন স্তর থেকে এই স্তরে পৌঁছায়নি।[২৫]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 "The Early Keeling Curve | Scripps CO
২ Program"। scrippsco2.ucsd.edu (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ নভেম্বর ২০১৮। - ↑ Naomi Oreskes (২৩ জানুয়ারি ২০১৭)। Climate Disruption (video) (ইংরেজি ভাষায়)। Awesome Documentaries TV। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১৭।
- ↑ Nisbet, Euan (২০০৭)। "Cinderella science" (পিডিএফ)। Nature। ৪৫০ (7171): ৭৮৯–৭৯০। ডিওআই:10.1038/450789a। পিএমআইডি 18063983।
- ↑ Brown, Horace Tabberer; Escombe, F. (১৯০৫)। "On the variations in the amount of carbon dioxide in the air of Kew during the years 1898-1901"। Proc. R. Soc. Lond. B (ইংরেজি ভাষায়)। ৭৬ (507): ১১৮–১২১। বিবকোড:1905RSPSB..76..118B। ডিওআই:10.1098/rspb.1905.0004। আইএসএসএন 0950-1193।
- ↑ Callendar, Guy Stewart (১৯৩৮)। "The artificial production of carbon dioxide and its influence on temperature" (পিডিএফ)। Quarterly Journal of the Royal Meteorological Society। ৬৪ (275): ২২৩–২৪০। বিবকোড:1938QJRMS..64..223C। ডিওআই:10.1002/qj.49706427503। ১২ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০২১।
- ↑ Fleming, James Rodger (১৯৯৮)। Historical Perspectives on Climate Change। Oxford: Oxford University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০১৯৫০৭৮৭০১।
- ↑ "The Carbon Dioxide Greenhouse Effect"। history.aip.org (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ নভেম্বর ২০১৮।
- 1 2 Harris, Daniel C. (২০১০)। "Charles David Keeling and the Story of Atmospheric CO
২ Measurements"। Analytical Chemistry। ৮২ (19): ৭৮৬৫–৭৮৭০। ডিওআই:10.1021/ac1001492। আইএসএসএন 0003-2700। পিএমআইডি 20536268। - 1 2 3 Keeling, Charles D. (১৯৯৮)। "Rewards and Penalties of Monitoring the Earth"। Annual Review of Energy and the Environment। ২৩: ২৫–৮২। সাইটসিয়ারএক্স 10.1.1.173.2051। ডিওআই:10.1146/annurev.energy.23.1.25।
- 1 2 Keeling, Charles D. (১৯৬০)। "The concentration and isotopic abundances of carbon dioxide in the atmosphere" (পিডিএফ)। Tellus। ১২ (2): ২০০–২০৩। ডিওআই:10.3402/tellusa.v12i2.9366।
- ↑ Pales, Jack C.; Keeling, Charles David (১৯৬৫)। "The Concentration of Atmospheric Carbon Dioxide in Hawaii"। Journal of Geophysical Research। ৭০ (24): ৬০৫৩–৬০৭৬। বিবকোড:1965JGR....70.6053P। ডিওআই:10.1029/JZ070i024p06053।
- 1 2 Keeling, Charles D.; Bacastow, Robert B.; Bainbridge, Arnold E.; Ekdahl Jr., Carl A.; Guenther, Peter R.; Waterman, Lee S.; Chin, John F. S. (১৯৭৬)। "Atmospheric carbon dioxide variations at Mauna Loa Observatory, Hawaii"। Tellus (ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ (6): ৫৩৮–৫৫১। ডিওআই:10.3402/tellusa.v28i6.11322। আইএসএসএন 0040-2826।
- ↑ Tans, Pieter; Thoning, Kirk (মার্চ ২০১৮)। "How we measure background CO
২ levels on Mauna Loa" (পিডিএফ)। - ↑ "Sampling the Air"। The New York Times। ২২ ডিসেম্বর ২০১০।
- ↑ "Recent Monthly Average Mauna Loa CO2"। Earth System Research Laboratory। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০১৬।
- ↑ Rasmussen, Carl Edward। "Atmospheric Carbon Dioxide Growth Rate"।
- ↑ Neftel, A.; Moor, E.; Oeschger, H.; Stauffer, B. (১৯৮৫)। "Evidence from polar ice cores for the increase in atmospheric CO
২ in the past two centuries"। Nature। ৩১৫ (6014): ৪৫–৪৭। বিবকোড:1985Natur.315...45N। ডিওআই:10.1038/315045a0। - ↑ Keeling, Charles D. (1978). "The Influence of Mauna Loa Observatory on the Development of Atmospheric CO
২ Research". In Mauna Loa Observatory: A 20th Anniversary Report. (National Oceanic and Atmospheric Administration Special Report, September 1978), edited by John Miller, pp. 36–54. Boulder, CO: NOAA Environmental Research Laboratories. - ↑ Laboratory, US Department of Commerce, NOAA, Earth System Research। "ESRL Global Monitoring Division - Global Greenhouse Gas Reference Network"। www.esrl.noaa.gov (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০১৮।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Global Stations CO
২ Concentration Trends. Scripps CO
২ Program. - ↑ Keeling, Charles D.; Whorf, T. P. (২০০৪)। "Atmospheric CO
২ from Continuous Air Samples at Mauna Loa Observatory, Hawaii, U.S.A."। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০০৭। - ↑ Keeling, Ralph F. (২০০৮)। "Recording Earth's Vital Signs"। Science (ইংরেজি ভাষায়)। ৩১৯ (5871): ১৭৭১–১৭৭২। ডিওআই:10.1126/science.1156761। আইএসএসএন 0036-8075। পিএমআইডি 18369129।
- ↑ "Keeling Curve - American Chemical Society"। American Chemical Society (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ Showstack, Randy (২০১৩)। "Carbon dioxide tops 400 ppm at Mauna Loa, Hawaii"। Eos, Transactions American Geophysical Union। ৯৪ (21): ১৯২। বিবকোড:2013EOSTr..94Q.192S। ডিওআই:10.1002/2013eo210004। আইএসএসএন 0096-3941।
- ↑ Montaigne, Fen। "Son of Climate Science Pioneer Ponders A Sobering Milestone"। Yale Environment 360। Yale School of Forestry & Environmental Studies। ৮ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মে ২০১৩।