কাহো, ভারত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কাহো
গ্রাম
কাহো অরুণাচল প্রদেশ-এ অবস্থিত
কাহো
কাহো
কাহো ভারত-এ অবস্থিত
কাহো
কাহো
অরুণাচল প্রদেশ রাজ্যে কাহো গ্রামের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৮°১৮′১৩″ উত্তর ৯৭°০১′২০″ পূর্ব / ২৮.৩০৩৬১° উত্তর ৯৭.০২২২২° পূর্ব / 28.30361; 97.02222স্থানাঙ্ক: ২৮°১৮′১৩″ উত্তর ৯৭°০১′২০″ পূর্ব / ২৮.৩০৩৬১° উত্তর ৯৭.০২২২২° পূর্ব / 28.30361; 97.02222
দেশ ভারত
রাজ্যঅরুণাচল প্রদেশ
জেলাঅঞ্জো জেলা
উচ্চতা১,২৪০ মিটার (৪,০৭০ ফুট)
ভাষা
 • সরকারীইংরেজি
সময় অঞ্চলআইএসটি (ইউটিসি+০৫:৩০)
ডাক সংখ্যা৭৯২১০৪
আইএসও ৩১৬৬ কোডIN-AR
যানবাহন নিবন্ধনAR

কাহো অরুণাচল প্রদেশ রাজ্যের ভারত-চীন সীমান্ত থেকে মাত্র ১৬ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত অঞ্জো জেলার একটি সীমান্তবর্তী গ্রাম।[১]

ভৌগোলিক অবস্থান[সম্পাদনা]

অঞ্জো জেলার মোট ৭টি গ্রামের মধ্যে একটি কাহো।[২] ভারত-চীন সীমান্তের সমীপ, লোহিত নদীর তীরে অবস্থিত কাহো হলো ভারতবর্ষের শেষ গ্রাম। গ্রামটি সমুদ্র সমতল থেকে ১,২৪০ মিটার (৪,০৭০ ফু) উচ্চতায় অবস্থিত।[৩] কাহোর অবিস্মরণীয় সবুজভাব, বহু পাইন গাছ ও তুষার-আবৃত পাহাড়ের মতো বিস্ময়কর-প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলির জন্য উত্তর-পূর্ব ভারতে এই গ্রামটি বেশ জনপ্রিয় একটি স্থান।[১]

এই গ্রামে ভারতীয় সেনার একটি চেকপোস্ট রয়েছে।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

কাহো প্রধানত মেয়র উপজাতি দ্বারা অধ্যুষিত। এই গ্রামে সবমিলিয়ে মাত্র ১২টি পরিবারের বসবাস। গ্রামের মোট জনসংখ্যা ৭৬-৮০ জন। চীন সীমান্তের নিকট একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সৈনাপত্যপূর্ণ স্থান হওয়া সত্ত্বেও কাহোর পরিকাঠামোর অবস্থা ভীষণই করুণ। শোচনীয় পরিকাঠামোই নয়, গ্রামে শিক্ষার প্রাথমিক ব্যবস্থাও ঠিক মতো নেই। সারা গ্রামে একটি মাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে, সেটিতেও যথাযথ পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে।[৪]

গ্রামের স্থানীয় বৌদ্ধ ধর্মালম্বী অধিবাসীদের জন্য একটি বৌদ্ধ মোনাস্ট্রি আছে।

ভবিষ্যতের পরিবহণ পরিকল্পনা[সম্পাদনা]

ম্যাকমোহন লাইন ধরে ২,০০০-কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের (১,২০০ মা) মাগো-থিংবু থেকে বিজয়নগর যাওয়ার "অরুণাচল প্রদেশ ফ্রন্টিয়ার রাজপথটি" প্রস্তাবিত "পূর্ব-পশ্চিম শিল্প করিডোর রাজপথকে" ছেদ করে এই জেলা দিয়েই যাবে।[৫][৬][৭][৮] এই প্রকল্পটির প্রান্তিককরণের মানচিত্রটি এখানে এবং এখানে দেখা যেতে পারে।[৯]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

উদ্ধৃতিসমূহ

  1. "Media exposure and touring programme to Eastern Arunachal Pradesh concluded"arunachal24 (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২০-০২-১৬। 
  2. "On the Borderline: A tour to India's eastern-most villages"Economic Times (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৪-০২-০৯। 
  3. Gokhale 2001
  4. "Kaho village in Arunachal Pradesh suffers poor infrastructure, education"ইন্ডিয়া টুডে (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৮-০৩-৩১। 
  5. "Top officials to meet to expedite road building along China border"Dipak Kumar Dash। timesofindia.indiatimes.com। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০১৪ 
  6. "Narendra Modi government to provide funds for restoration of damaged highways"। dnaindia.com। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০১৪ 
  7. "Indian Government Plans Highway Along Disputed China Border"Ankit Panda। thediplomat.com। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০১৪ 
  8. "Govt planning road along McMohan line in Arunachal Pradesh: Kiren Rijiju"। Live Mint। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১০-২৬ 
  9. "China warns India against paving road in Arunachal"Ajay Banerjee। tribuneindia.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১০-২৬ 

উৎস

  • "Dong in Arunachal will herald millennium dawn"Rediff। ডিসেম্বর ২০, ১৯৯৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-১২-১৬ 
  • Gokhale, Nitin A. (২০ আগস্ট ২০০১)। "Dong"Outlook India। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-১২-১৬