কাশ্মীরের আখরোট কাঠের খোদাই
| ভৌগোলিক নির্দেশক | |
|---|---|
| কাশ্মীরের আখরোট কাঠের খোদাই | |
আখরোট কাঠের খোদাই | |
| বর্ণনা | আখরোট কাঠের খোদাই, কআসমিড় |
| ধরন | হস্তশিল্প |
| অঞ্চল | জম্মু ও কাশ্মীর |
| দেশ | ভারত |
| নথিবদ্ধ | ২০০৭-২০০৮ |
| উপাদান | কাঠ |
কাশ্মীরের আখরোট কাঠের খোদাই হল এমন একটি কাঠের খোদাইয়ের কাজ যা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যে তৈরি হয়। আখরোট কাঠ খোদাইয়ের শিল্পটি ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) এর অধীনে বৌদ্ধিক সম্পত্তির অধিকার অনুযায়ী বাণিজ্য সম্পর্কিত দিকগুলি (টিআরআইপিএস) চুক্তির আওতায় সুরক্ষিত। এটি দফা ১৮২তে ভারত সরকারের জিআই আইন ১৯৯৯ এর "কাশ্মীর ওয়ালনাট উড কার্ভিং" হিসাবে তালিকাভুক্ত রয়েছে যা পেটেন্টস ডিজাইনস এবং ট্রেডমার্কের নিয়ামক জেনারেলের নিবন্ধকরণের দ্বারা নিশ্চিত করা হয়েছে।[১]
খোদাই করা আখরোট কাঠের কাজ কাশ্মীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারুশিল্পগুলির মধ্যে অন্যতম। কাশ্মীর এখন বিশ্বের কয়েকটি স্থানের একটি যেখানে এখনও সমুদ্রতল থেকে ৫৫০০-৭৫০০ ফুট উচ্চতায় আখরোট গাছ দেখতে পাওয়া যায়। এই গাছের কাঠ শক্ত এবং টেঁকসই, এর কাঠের আঁশের ঘনত্ব এবং মসৃণ গঠনবিন্যাসের জন্য সূক্ষ্ম এবং বিস্তারিত কাজের সুবিধা হয়। এই কাঠের কাজে শুধুমাত্র পালিশ করা পৃষ্ঠতলেও আকর্ষণীয় দৃষ্টিনন্দন প্রভাব উপস্থাপন করে, প্রকৃতপক্ষে সমসাময়িক পণ্যগুলিতে, বিশেষত ট্রে, টেবিল, বাটি এবং অনুরূপ সামগ্রীগুলিতে সমতল পৃষ্ঠতল এবং ছোট খোদাই পছন্দ করা হয়।[২] কাশ্মীর অঞ্চলে ব্যাপকভাবে জন্মানো আখরোট কাঠ খোদাই শিল্পের জন্য ব্যবহৃত হয়।[৩]
বর্ণনা
[সম্পাদনা]কাশ্মীরের কারিগর অবশ্য জটিল ও বিভিন্ন নকশায় খোদাই করে আনন্দ অনুভব করে। বিভিন্ন খোদাই করা পণ্যে গোলাপ, পদ্ম, আইরিস, আঙুরের গুচ্ছ, নাশপাতি এবং চিনার পাতার খোদাই সংবলিত কাজ থাকে। কানি এবং সূচিকর্ম সম্পন্ন শাল থেকে নেওয়া ড্রাগন এবং অন্যান্য নকশা খোদাই করা হয়। আলংকারিক এবং উপযোগী উভয় প্রকারের বস্তু, বাটি, ট্রে, সিগারেটের বাক্স, দেয়াল ফলক এবং টেবিল ল্যাম্প থেকে শুরু করে পর্দা, পালঙ্ক এবং বড় বড় আসবাবের মত সামগ্রী আখরোট কাঠে খোদাই করা হয়। কাশ্মীরে সাধারণত চারটি প্রধান ধরনের খোদাই ব্যবহার করা হয়- উত্থিত, খোদাই করা, নিম্নদেশ কর্তন এবং সমতল। আসবাব এবং ক্ষুদ্র সামগ্রীর খোদাই একটি বিস্তৃত প্রক্রিয়া। এর সঙ্গে উচ্চ স্তরের দক্ষতা এবং কারিগরি জড়িত। ছোট ছোট দেশীয় সরঞ্জামের সাহায্যে এইসব খোদাই করা হয়। কাঠের খোদাইয়ের শিল্পটি শ্রীনগর শহরে কেন্দ্রিক।[২]
পদ্ধতি
[সম্পাদনা]আমাদের কারিগরদের মতে শিকড়ের থেকে পাওয়া কাঠ সবচেয়ে ব্যয়বহুল কারণ এটি সবচেয়ে শক্ত, এবং খোদাইয়ের জন্য সেরা। এক থেকে চার বছরের মধ্যে পাকা হওয়া (সিজনড), এই তক্তাগুলি সেরা খোদাইকার দ্বারা প্রথমে বুনিয়াদি নকশা দ্বারা অঙ্কিত হয়। তারপরে সে ছেনি এবং একটি কাঠের হাতুড়ির সাহায্যে খোদাই করে, যাতে নকশাটি খোদিত পৃষ্ঠ হিসাবে চিকণ আখরোট কাঠ থেকে উদ্ভূত হয়।[৪]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "State Wise Registration Details Of G.I Applications" (পিডিএফ)। Controller General of Patents Designs and Trademarks। ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬।
- 1 2 "DIRECTORATE OF HANDICRAFTS GOVERNMENT OF JAMMU & KASHMIR"। ৩ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ মার্চ ২০২১।
- ↑ Saraf 1987, পৃ. 107।
- ↑ "Walnut Wood Carving"। সংগ্রহের তারিখ ৩ মার্চ ২০২১।
আরো পড়ুন
[সম্পাদনা]- Jain, Dr. Madhu (২০০০)। Wood Handicraft: A Study of Its Origin and Development in Saharanpur। Indus Publishing। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৩৮৭-১০৩-০।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য) - Saraf, D. N. (১ জানুয়ারি ১৯৮৭)। Arts and Crafts, Jammu and Kashmir: Land, People, Culture। Abhinav Publications। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭০১৭-২০৪-৮।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য) - Singh, Sarina (২০০৯)। India. Ediz. Inglese। Lonely Planet। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৭৪২২০-৩৪৭-৮।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য) - Qazi, S.A. (১ জানুয়ারি ২০০৫)। Systematic Geography of Jammu and Kashmir। APH Publishing। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৬৪৮-৭৮৬-৩।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|সূত্র=harv(সাহায্য)