কালোয়া
| কালোয়া | |
|---|---|
| গ্রাম | |
| স্থানাঙ্ক: ২৩°৫৫′২০″ উত্তর ৮৯°১১′১৭″ পূর্ব / ২৩.৯২২২৩৭° উত্তর ৮৯.১৮৮০৯৪° পূর্ব | |
| দেশ | বাংলাদেশ |
| বিভাগ | খুলনা |
| জেলা | কুষ্টিয়া |
| উপজেলা | কুমারখালী |
| ইউনিয়ন | কয়া |
| আয়তন | |
| • মোট | ৩.৬৮ বর্গকিমি (১.৪২ বর্গমাইল) |
| জনসংখ্যা (২০২২) | |
| • মোট | ৪,১৩৪ |
| • জনঘনত্ব | ১,১০০/বর্গকিমি (২,৯০০/বর্গমাইল) |
কালোয়া কুষ্টিয়া জেলার একটি গ্রাম। এটি পদ্মা নদীর তীরে কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নে অবস্থিত।[১][২]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]কালোয়া একটি প্রাচীন জনপদ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিলাইদহের জমিদার থাকা অবস্থায় শিলাইদহ থেকে কালোয়া পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ করা হয়। রবীন্দ্রনাথ সেই রাস্তা পরিদর্শনেও এসেছিলেন।[৩][৪] বিরাহিমপুর পরগণনাকে ভেঙে চারটি বিভাগীয় কাছারি স্থাপন করা হয়েছিল, যার মধ্যে কালোয়া-কয়া একটি, রতিকান্ত দাস নামের একজন এর অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন।[৫]
১৯২৪ সালে প্রকাশিত একটি গেজেটে দেখা যায় কালোয়া কুমারখালী থানাধীন কয়া ইউনিয়ন বোর্ডের একটি মৌজা।[৬]
জনপরিসংখ্যান
[সম্পাদনা]২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী কালোয়ায় মোট ৯৯৯টি খানা রয়েছে যেখানে মোট ৪,১৩৪ জন মানুষ বসবাস করেন। এর মধ্যে পুরুষ ২,০৩৫ জন ও নারী ২,০৯৯ জন।[১] ২০১১ সালের আদমশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী কালোয়ায় মোট ৯০৭টি খানা ছিল যেখানে মোট ৩,৭৬৪ জন মানুষ বসবাস করতেন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৭৯১ জন, নারী ১,৯৭৩ জন।[৭]
শিক্ষা
[সম্পাদনা]২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী কালোয়ার শিক্ষার হার শতকরা ৭০.২৯ শতাংশ (৭ বছর এবং তার বেশি বয়সী)। পুরুষের সাক্ষরতার হার শতকরা ৭১.৭১ শতাংশ এবং নারীর সাক্ষরতার হার শতকরা ৬৮.৯৩ শতাংশ। শিক্ষিত ব্যক্তিদের মধ্যে ১,৫৪০ জন জেনারেল, ২২ জন কারিগরি, ১ জন ধর্মীয় ও ১ জন অন্যান্য শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষাগ্রহণ করেছেন।[১]
কালোয়া মাধ্যমিক এখানকার একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এটি ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
অর্থনীতি
[সম্পাদনা]কালোয়াতে মোট ৩,৭৩৭ জন কর্মক্ষম ব্যক্তি রয়েছেন যাদের মধ্যে ১,২৭০ জন বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে কর্মরত আছেন। কর্মরত ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষ ১,১১২ জন এবং নারী ১৫৮ জন। কর্মরতদের মধ্যে ৬৫.৮৩ শতাংশ সেবামূলক, ১৩.৯৪ শতাংশ শিল্প ও ২০.২৩ শতাংশ কৃষি কর্মের সঙ্গে জড়িত।[১]
কালোয়া বাজার এখানকার একমাত্র বানিজ্যিক কেন্দ্র।[৮] এই বাজারে আধিপত্য বিস্তারের জন্য বিভিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।[২]
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি
[সম্পাদনা]- আবু তালেব - বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধা
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 "কমিউনিটি রিপোর্ট: কুষ্টিয়া" (পিডিএফ)। জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ (ইংরেজি ভাষায়)। আগারগাঁও: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। ২০২৫। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৪৭৫৩১২৯। ৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)।
- 1 2 "কুমারখালীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আ'লীগ-বিএনপির সংঘর্ষ"। জাগো নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ শচীন্দ্রনাথ অধিকারী (১৯৫৪)। শিলাইদহ ও রবীন্দ্রনাথ (পিডিএফ)। কলতাকা: শ্রী গোপাল প্রেস। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ শচীন্দ্রনাথ অধিকারী। সহজ মানুষ রবীন্দ্রনাথ (পিডিএফ)। কলকাতা। পৃ. ৩। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ প্রশান্তকুমার পাল (১৯৯১)। রবিজীবনী (পিডিএফ)। খণ্ড ৫ম। কলকাতা: আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ The Calcutta Gazette [কলকাতা গেজেট ] (পিডিএফ) (ইংরেজি ভাষায়)। কলকাতা। ১৯২৪। পৃ. ১৩৩৭। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থানে প্রকাশক অনুপস্থিত (লিঙ্ক) - ↑ "Population and Housing Census 2011 Zila Report: Kushtia" (পিডিএফ)। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "হাট-বাজার ইজারা নোটিশ" (পিডিএফ)। কুমারখালী উপজেলা। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- "MAUZAS AND MAHALLAS OF KUSHTIA ZILA" [কুষ্টিয়া জেলার মৌজা ও মহল্লা] (পিডিএফ)। স্মল এরিয়া এটলাস বাংলাদেশ (ইংরেজি ভাষায়)। ঢাকা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। ২০১৬।