বিষয়বস্তুতে চলুন

কারি ইশাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কারি ইশাদ আম
কারি ইশাদ আম
গণম্যাঙ্গিফেরা
প্রজাতিম্যাঙ্গিফেরা ইন্ডিকা
চাষকৃত উদ্ভিদ'কারি ইশাদ'
উৎসভারত

কারি ইশাদ হলো একটি আমের জাত, যা মূলত ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের উত্তর কন্নড় জেলার অঙ্কোলা এবং কারওয়ার তালুকে উৎপাদিত হয়।[]

বিবরণ

[সম্পাদনা]

আমের এই জাতটি তার চমৎকার স্বাদ, অনন্য সুগন্ধ, প্রচুর পরিমাণে শাঁস, আকৃতি এবং আকারের জন্য সুপরিচিত। ইশাদ আমের দুটি জাত রয়েছে,কারি ইশাদ (পাতলা খোসাযুক্ত) এবং বিলি ইশাদ (মোটা খোসাযুক্ত, তবে শাঁস ও মিষ্টি কম)। কারি ইশাদ আমগুলো সাধারণত আকারে বেশ বড় এবং খানিকটা বাঁকা ডিম্বাকার আকৃতির হয়ে থাকে। একটি পূর্ণবয়স্ক গাছে এক ঋতুতে সর্বোচ্চ ২০০০টি পর্যন্ত ফলন হতে পারে।[] মে মাসের মাঝামাঝি থেকে এই আম সংগ্রহ করা শুরু হয় এবং এর জীবনকাল মাত্র পাঁচ দিনের মতো হয়ে থাকে। এর বাজার মূলত অঙ্কোলা, কারওয়ার এবং হুবলি অঞ্চলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।[][][]

ভৌগোলিক নির্দেশক

[সম্পাদনা]

৩১ মার্চ ২০২৩ তারিখে ভারত সরকারের অধীনস্থ ভৌগোলিক নির্দেশক রেজিস্ট্রি থেকে এই আমটিকে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই)মর্যাদা প্রদান করা হয় (যা ১ মার্চ ২০৩২ পর্যন্ত বৈধ)।[]

অঙ্কোলার 'মাতা তোতাগার্স ফার্মার্স প্রডিউসার কোম্পানি লিমিটেড' কারি ইশাদ আমের জিআই নিবন্ধনের প্রস্তাব করেছিল। ২০২২ সালে আবেদন ফাইল করার পর, ২০২৩ সালে চেন্নাইয়ের ভৌগোলিক নির্দেশক রেজিস্ট্রি এই ফলটিকে জিআই ট্যাগ প্রদান করে, যার ফলে "কারি ইশাদ" নামটি এই অঞ্চলে উৎপাদিত আমের জন্য একচেটিয়া বা সংরক্ষিত হয়ে যায়।[][][] এর মাধ্যমে এটি আপ্পেমিডি আমের পর কর্ণাটকের দ্বিতীয় আমের জাত হিসেবে জিআই ট্যাগ অর্জন করে।[১০][১১]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Kari Ishad mango from Ankola gets GI tag"www.manoramayearbook.in (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  2. "NABARD - National Bank For Agriculture And Rural Development"www.nabard.org। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  3. "Relish GI-tagged Kari Ishad mango at 15-day Lalbagh mela"The Times of India। ২৫ মে ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  4. "Successful mango mela in Bengaluru sees 500 tonnes sold: Report"। সংগ্রহের তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  5. "Declare 'Sakkare Kanchi' heritage fruit of Western Ghats: Activists"Deccan Herald (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  6. Kamila, Raviprasad (২৭ মে ২০২৩)। "Kari Ishad mango of Ankola in Uttar Karnataka gets GI tag"The Hindu (ভারতীয় ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  7. "Geographical Indications Intellectual Property India"। Intellectual Property India। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  8. S, Sadashiva M.। "From farms to highways"Deccan Herald (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  9. NS, Subhash Chandra (১২ জুন ২০২৩)। "Ishad mango from Ankola gets GI tag"The New Indian Express (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  10. Sen, Piyali (১১ জুন ২০২৩)। "10 Indian Mangoes With GI Tags"Outlook Traveller (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  11. "Exports can boost GI-tagged pickling mango Appemidi growers' income"BusinessLine (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ এপ্রিল ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪