কারাদোজ বে মসজিদ
| কারাদোজ বে মসজিদ | |
|---|---|
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | সুন্নি ইসলাম |
| অবস্থান | |
| অবস্থান | মোস্তা, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা |
| স্থানাঙ্ক | ৪৩°২০′২৮″ উত্তর ১৭°৪৮′৫০″ পূর্ব / ৪৩.৩৪১১১° উত্তর ১৭.৮১৩৮৯° পূর্ব |
| স্থাপত্য | |
| স্থপতি | মিমার সিনান |
| ধরন | মসজিদ |
| স্থাপত্য শৈলী | অটোমান |
| সম্পূর্ণ হয় | ১৫৫৭ |
| বিনির্দেশ | |
| দৈর্ঘ্য | ১৩ মিটার (৪৩ ফুট) |
| প্রস্থ | ১৩ মিটার (৪৩ ফুট) |
| গম্বুজসমূহ | ১ |
| গম্বুজের উচ্চতা (বাহিরে) | ১৬.৪৯ মিটার (৫৪.১ ফুট) |
| গম্বুজের উচ্চতা (ভেতরে) | ১৫.৮৯ মিটার (৫২.১ ফুট) |
| গম্বুজের ব্যাস (বাহিরে) | ১০.৭২ মিটার (৩৫.২ ফুট) |
| মিনার | ১ |
| মিনারের উচ্চতা | ৩৪.৫০ মিটার (১১৩.২ ফুট)[১] |
| উপাদানসমূহ | stone |
| মানদণ্ড | A. B. C. i. iii. iv. v. vi. D. ii..iii. iv. v. E. i..ii. iii..iv. v. F. i..ii. iii. G. i. ii..iii. iv..v..vi. vii. H.i..ii. iii. I. i. ii. iii. |
| পর্যাদাপ্রাপ্ত হয় | ৪ মে ২০০৪ |
| Decision no. | 07.1-2-113/04-1 |
কারাদোজ বে মসজিদ (বসনীয়: Karađoz-begova džamija, তুর্কি: Karagöz Mehmed Bey Camii) বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার মোস্তার শহরে অবস্থিত ১৬ শতকের একটি অটোমান মসজিদ।
বিশাল গম্বুজ এবং উঁচু মিনার সহ এটি এই অঞ্চলের বৃহত্তম মসজিদগুলির মধ্যে একটি।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তরের একটি আরবি শিলালিপিতে উল্লেখ আছে যে এর নির্মাণকাজ মুহাম্মদ বেগ বিন আবু আল-সা'দাত কর্তৃক পরিচালিত হয়েছিল, যিনি ৯৬৫ হিজরীতে (১৫৫৭–৫৮) একজন উজিরের ভাই ছিলেন। কিছু পণ্ডিত দাবি করেছেন যে, উজির ছিলেন অটোমান গ্র্যান্ড উজির রুস্তেম পাশা, কিন্তু রুস্তেম পাশার একমাত্র ভাই সিনান পাশা ছিলেন বলে লিপিবদ্ধ আছে।[২]
মসজিদটি সম্ভবত রাজকীয় স্থপতি মিমার সিনান দ্বারা নকশা করা হয়েছিল। এটি একটি গম্বুজযুক্ত ঘনক আকারে যার সামনে একটি দ্বিগুণ বারান্দা রয়েছে। ভেতরের বারান্দার তিনটি গম্বুজ চারটি মার্বেল স্তম্ভ দ্বারা সমর্থিত। বাইরের বারান্দায় একটি শেডের ছাদ রয়েছে যা ছোট অষ্টভুজাকার স্তম্ভের উপর স্থাপিত। ১০.৬৫ মিটার (৩৪.৯ ফুট) আকারের মসজিদের বিশাল গম্বুজটি একটি অষ্টভুজাকার বেণীযুক্ত ড্রামের উপর অবস্থিত যা আট-কোণা খিলান দ্বারা সমর্থিত।[২]
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মসজিদটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ১৯৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে বসনিয়ান যুদ্ধের সময় এটি প্রায় ধ্বংসের মুখোমুখি হয়। তবে মোস্তারের বাকি অংশের মতো কারাদোজ বে মসজিদেরও ২০০২ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে ব্যাপক মেরামত করা হয়। ২০০৪ সালের জুলাই মাসে মসজিদটি সম্পূর্ণরূপে সংস্কার করা হয় এবং জনসাধারণের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়া হয়।
গ্রন্থপঞ্জি
[সম্পাদনা]- নেচিপোলু, গুলরু (২০০৫)। দি এইজ অব সিনান: আর্কিটেকচারাল কালচার ইন দ্য অটোমান এম্পায়ার। রিএকশন বুকস। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৬১৮৯-২৫৩-৯।
- মারিচ, আনতে (২০০৬)। "ভুকোদোলে বিশপের বাড়ি" (ক্রোয়েশীয় ভাষায়): পৃষ্ঠা ২৪৫–২৪৯।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Karađoz-begova džamija, graditeljska cjelina" [Karagöz Bey Mosque, architectural complex] (Bosnian ভাষায়)। Commission for the Preservation of National Monuments of Bosnia and Herzegovina। ৪ মে ২০০৪। ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জানুয়ারি ২০১৪।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - 1 2 Necipoğlu 2005, পৃ. 441।
এই টেমপ্লেটটি সম্পূর্ণ করার জন্য কাজ চলছে। একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবদানকারী দ্রুতই টেমপ্লেটটির মানোন্নয়ন ও সম্প্রসারণ সাধন করবেন; আপনার যেকোনও প্রয়োজনে এই টেমপ্লেটের আলাপ পাতাটি ব্যবহার করুন। আপনার আগ্রহের জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। |