কানাডিয়ান সেন্টার ফর চাইল্ড প্রোটেকশন
কানাডিয়ান সেন্টার ফর চাইল্ড প্রোটেকশন (সি৩পি; ফরাসি: Centre canadien de protection de l'enfance) হল একটি কানাডীয় নিবন্ধিত দাতব্য সংস্থা যেটি সকল শিশুর ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য নিবেদিত।[১] আরও স্পষ্টভাবে বলতে গেলে, এর লক্ষ্য হল কানাডীয় জনসাধারণকে বিভিন্ন কর্মসূচি এবং পরিষেবা প্রদানের মাধ্যমে শিশুদের ওপর নির্যাতন (যৌন নির্যাতন এবং শোষণ) হ্রাস করা।[১]
কানাডা সরকার, ম্যানিটোবা, নিউ ব্রান্সউইক এবং ইউকনের প্রাদেশিক / আঞ্চলিক সরকারগুলি এই সংস্থাটিকে সমর্থন প্রদান করেছে।
সি৩পি কানাডীয় জনসাধারণকে বিভিন্ন প্রতিরোধমূলক ও হস্তক্ষেপমূলক পরিষেবা প্রদান করে; এর মূল পরিষেবাগুলির মধ্যে একটি হল সাইবারটিপ.সিএ, যা শিশুদের অনলাইন যৌন শোষণের প্রতিবেদন করার জন্য কানাডার সরকারী টিপ-লাইন (সাধারণত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বাইরের কোনও সূত্র দ্বারা অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য প্রদান)।[২]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]১৯৮৫ সালের এপ্রিল মাসে, কানাডিয়ান সেন্টার ফর চাইল্ড প্রোটেকশন প্রাথমিকভাবে "চাইল্ড ফাইণ্ড ম্যানিটোবা" নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন উইলমা ডার্কসেন, যিনি ১৩ বছর বয়সী ক্যাণ্ডেস ডার্কসেনের মা ছিলেন, ক্যাণ্ডেসকে ১৯৮৪ সালের ৩০শে নভেম্বর অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছিল।[৩][৪]
২০০২ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর তারিখে, সাইবারটিপ.সিএ দুই বছরের পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে।[৫] ২০০৪ সালের মে মাসে, এটি কানাডীয় সরকার কর্তৃক একটি জাতীয় হটলাইন হিসেবে স্বীকৃতি পায় এবং ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়।[৩]
২০০৪ সালে, সি৩পি কিডস ইন দ্য নো চালু করে, যা একটি জাতীয়, অংশগ্রহণমূলক নিরাপত্তা শিক্ষা কর্মসূচী।[৩]
২০০৬ সালের মে মাসে, সংগঠনটির নাম পরিবর্তন করে কানাডিয়ান সেন্টার ফর চাইল্ড প্রোটেকশন রাখা হয়।[৬] ২০১১ সালের মে মাসে, সি৩পি মিসিংকিডস.সিএ চালু করে।[৭]
প্রকল্প
[সম্পাদনা]সাইবারটিপ.সিএ
[সম্পাদনা]| প্রতিষ্ঠা | ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০০২ |
|---|---|
| পরিবেষ্টিত এলাকা | কানাডা |
| মালিক | কানাডিয়ান সেন্টার ফর চাইল্ড প্রোটেকশন |
| ওয়েবসাইট | www.cybertip.ca/ |
| বাণিজ্যিক | না |
| চালুর তারিখ | জানুয়ারি ২০০৫ |
সাইবারটিপ.সিএ (ফরাসি: Cyberaide.ca) হল শিশুদের অনলাইন যৌন শোষণের খবর জানাবার জন্য কানাডার সরকারী টিপ-লাইন। স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের সাথে অংশীদারিত্বে কানাডিয়ান সেন্টার ফর চাইল্ড প্রোটেকশন এটি পরিচালনা করে। এটির মালিকানাও কানাডিয়ান সেন্টার ফর চাইল্ড প্রোটেকশনের হাতে রয়েছে। রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের জাতীয় শিশু শোষণ সমন্বয় কেন্দ্র শিশু যৌন শোষণের জাতীয় তদন্তের সমন্বয় করে এবং তদন্তে সহায়তা করে।[৩]
২০০২ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর দুই বছরের পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু হওয়া সাইবারটিপ.সিএ[৫] পরিষেবাকে কানাডা সরকার স্বীকৃতি দেয় ২০০৪ সালের মে মাসে এবং একে অনলাইন শিশু যৌন শোষণের প্রতিবেদনে কানাডীয় জনসাধারণের জন্য জাতীয় টিপ-লাইন হিসেবে ঘোষণা করে।[৩] সাইটটি ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে সম্পূর্ণরূপে চালু হয় এবং তখন থেকে কানাডীয় জনসাধারণের কাছ থেকে ৪০,০০০ এরও বেশি সন্দেহভাজন মামলা পেয়েছে।
সাইবারটিপ.সিএ জনসাধারণের কাছ থেকে শিশু পর্নোগ্রাফি (শিশু নির্যাতনের ছবি এবং উপাদান), অনলাইন প্রলোভন, পতিতাবৃত্তির মাধ্যমে শিশুদের শোষণ, যৌনভাবে শোষিত শিশুদের কাছে যাওয়া ও শিশু পাচার সম্পর্কিত অনলাইন ও টেলিফোন প্রতিবেদন গ্রহণ করে এবং তার সমাধান করে। কর্মীরা জনসাধারণের কাছ থেকে আসা প্রতিবেদনগুলি পরীক্ষা করে এবং সম্ভাব্য অবৈধ বলে বিবেচিত প্রতিবেদনগুলি যথাযথ এখতিয়ারের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে প্রেরণ করে। যদিও সাইবারটিপ.সিএ-র বেশিরভাগ প্রতিবেদন অনলাইনে সরবরাহ করা হয়, তবুও জনসাধারণ ফোনের মাধ্যমে টিপলাইনের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম।
অনলাইন শিশু শোষণের কেন্দ্রীয় নিকাশ-ঘর হিসেবে, সাইবারটিপ.সিএ শিশু যৌন নির্যাতনের চিত্রের সাথে সম্পর্কিত নির্দিষ্ট বিদেশী-হোস্টেড ইন্টারনেট ঠিকানার (ইউআরএল) একটি নিয়মিত হালনাগাদ করা তালিকা বজায় রাখে এবং অংশগ্রহণকারী ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারীদের (আইএসপি) নিরাপদ পদ্ধতিতে সেই তালিকা প্রদান করে।
শিশু যৌন নির্যাতনের ছবিগুলিতে আকস্মিকভাবে প্রবেশ হ্রাস করার জন্য প্রজেক্ট ক্লিনফিড কানাডা কর্মসূচী নেওয়া হয়েছে, ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে এটি চালু হয়েছে। পাশাপাশি এদের কাজ যারা শিশু পর্নোগ্রাফি সাইটে প্রবেশ করার বা কোন সামগ্রী বিতরণ করার চেষ্টা করছে তাদের জন্য একটি নিরুৎসাহিতকর পরিস্থিতি তৈরি করা। অংশগ্রহণকারী আইএসপিগুলির মধ্যে রয়েছে বেল কানাডা, টেলাস, শ, রজার্স কমিউনিকেশনস, ভিডিওট্রন, বেল অ্যালিয়েন্ট এবং সাস্কটেল।[৮]
রিপোর্ট
[সম্পাদনা]২০২১-এর হিসাব অনুযায়ী[হালনাগাদ], সাইবারটিপ.সিএ প্রতি মাসে ১০,০০০ এরও বেশি প্রতিবেদনের প্রক্রিয়াকরণ করে।[৯]
জনসাধারণ সাইবারটিপ.সিএ-এর আটটি রিপোর্টিং বিভাগের মধ্যে একটির অধীনে রিপোর্টগুলি জমা দেয়, বিভাগগুলি হলো:[২][ক]:২২
- শিশুর বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ করার জন্য অন্য ব্যক্তির সাথে চুক্তি বা ব্যবস্থা — ০.৪০%
- শিশু পর্নোগ্রাফি (শিশু যৌন নির্যাতনের উপাদান) — ৯৫.৯৫%
- শিশু পতিতাবৃত্তি — ০.৩৮%
- শিশু যৌন-পর্যটন — ০.২২%
- শিশু পাচার — ০.১৪%
- প্রলুব্ধ করা — ১.৯৮%
- শিশুর কাছে যৌন স্পষ্ট বিষয়বস্তু প্রকাশ করা — ০.৩১%
- অন্তরঙ্গ ছবির অসম্মতিমূলক বিতরণ — ০.৬৪%
২০১৮-২০১৯ সালে, সাইবারটিপ.সিএ ১,৪৭৪,০৭৫টি প্রতিবেদনের প্রক্রিয়াকরণ করেছে, ২০১৭ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে এটি ৯৪৫% বৃদ্ধি চিহ্নিত করছে। প্রক্রিয়াকৃত প্রতিবেদনের মধ্যে ৯৮%-এর কৃতিত্ব যায় আরাকনিড প্রকল্পের হাতে; যতগুলি শিশু যৌন শোষণের প্রতিবেদনের প্রক্রিয়াকরণ হয়েছে, তার মধ্যে ৯৯% আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, শিশু কল্যাণ সংস্থা এবং / অথবা ইনহোপ সদস্যদের হটলাইনে পাঠানো হয়েছিল, অথবা একটি ইলেকট্রনিক পরিষেবা প্রদানকারীর কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। ইলেকট্রনিক পরিষেবা প্রদানকারীদের তাদের পরিষেবাতে সনাক্ত হওয়া শিশু যৌন নির্যাতনের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত প্রায় ১.২ মিলিয়ন নোটিশ জারি করা হয়েছিল।[২][ক]:২১
কিডস ইন দ্য নো
[সম্পাদনা]কিডস ইন দ্য নো (কেআইকে) হল একটি জাতীয়, যোগাযোগমূলক নিরাপত্তা শিক্ষা কর্মসূচী, যা শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে এবং অনলাইন ও অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই তাদের নির্যাতনের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।[১০] ২০০৪ সালে চালু হওয়া, কিডস ইন দ্য নো তৈরি করা হয়েছিল কিণ্ডারগার্টেন থেকে উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত শিশুদের সাহায্য করার জন্য, এই কাজে সাইবারটিপ.সিএ-এর পরিচালনা থেকে নেওয়া অনন্য তথ্য ব্যবহার করা হয়েছিল।[৩] কানাডা জুড়ে সমস্ত বিচারব্যবস্থায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক যে বাধ্যতামূলক পাঠ্যক্রম নেওয়া হয়েছে, এই কর্মসূচীটি তার ফলাফল পূরণ করে।[১১]
মিসিংকিডস.সিএ
[সম্পাদনা]মিসিংকিডস.সিএ হল কানাডার নিখোঁজ শিশু সংস্থান কেন্দ্র, এরা পরিবারগুলিকে তাদের নিখোঁজ সন্তানদের খুঁজে পেতে সহায়তা করে, পাশাপাশি শিশুদের নিখোঁজ হওয়া আটকাতে শিক্ষামূলক উপকরণ প্রদান করে।[৯][১২]
মিসিংকিডস.সিএ কুইবেকের বাসিন্দাদের নিখোঁজ শিশু পরিষেবা প্রদানের জন্য রেসো এনফ্যান্টস-রিট্যুর- এর সহযোগিতায় কাজ করে। রেসো এনফ্যান্টস-রিট্যুর এর পরিবর্তে মিসিংকিডস.সিএ কে সহায়তা করে ফ্রাঙ্কোফোন পরিবারদের কেস ব্যবস্থাপনা সহায়তা প্রদানে।[১২]
মিসিংকিডসঅ্যালার্ট হল মিসিংকিডস.সিএ-এর একটি বিজ্ঞপ্তি ব্যবস্থা যা নিখোঁজ শিশুদের সন্ধানে জনসাধারণকে তথ্য প্রদান করে। এই পরিষেবাটির যে লক্ষ্যবস্তু আছে তা স্পষ্টরূপে নির্দিষ্ট। যাঁরা নিজেদের অঞ্চলের কোনও শিশু নিখোঁজ হওয়ার ক্ষেত্রে যোগাযোগ করেছেন, এরা তাদের অবহিত করে। পরিষেবাটি কানাডায় বিদ্যমান অ্যাম্বার অ্যালার্ট ব্যবস্থার একটি পরিপূরক ব্যবস্থা, পাশাপাশি এটি অ্যাম্বার অ্যালার্ট নীতির বাইরের ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়।[১৩]
প্রজেক্ট আরাকনিড
[সম্পাদনা]প্রজেক্ট আরাকনিড হল কানাডিয়ান সেন্টার ফর চাইল্ড প্রোটেকশন দ্বারা তৈরি একটি স্বয়ংক্রিয় ক্রলার (একটি ইন্টারনেট বট) যা ইন্টারনেট এবং ডার্ক ওয়েবে অবৈধ শিশু যৌন নির্যাতনের বিষয়বস্তুর নিশ্চিত ডিজিটাল ফিঙ্গারপ্রিন্টের ভিত্তিতে ছবি এবং ভিডিও সনাক্ত করে।[১৪]
৫ মে ২০২১-এর হিসাব অনুযায়ী[হালনাগাদ], ২০১৭ সালে চালু হওয়ার পর থেকে, প্রজেক্ট আরাকনিড ১২৭ বিলিয়নেরও (১২৭০০ কোটি) বেশি ছবির প্রক্রিয়াকরণ করেছে; বিশ্লেষক পর্যালোচনার জন্য ৩৭.৯ মিলিয়নেরও (৩৭৯ লক্ষ) বেশি ছবি চিহ্নিত করা হয়েছে; শিশু যৌন নির্যাতনের বিষয়বস্তু অপসারণের জন্য ৭২ লক্ষেরও বেশি ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদানকারীদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে;[ক][২] এবং জারি করা নোটিশের ৮৫% এমন পীড়িতদের সাথে সম্পর্কিত যাদের পুলিশ শনাক্ত করেনি বলে জানা গেছে।[১৫]
শিশু যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত সামগ্রীর প্রাপ্যতা হ্রাস করার জন্য বিশ্বব্যাপী সহযোগিতায় কাজ করার লক্ষ্যে, এই উদ্যোগটি আংশিকভাবে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র বিভাগের সেক্রেটারি অফ স্টেট দ্বারা সহায়তা প্রাপ্ত।[১১] বিশ্বজুড়ে হটলাইন এবং সংস্থাগুলি প্রকল্প আরাকনিড কেন্দ্রের সাথে কাজ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে:[১১]
- অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ই-সেফটি কমিশনার
- সেন্টার যা নেস্তালু আই জ্লোস্টাভলজানু জেকু ( ক্রোয়েশিয়ার নিখোঁজ ও শোষিত শিশুদের কেন্দ্র)
- চাইল্ড ফোকাস বেলজিয়াম
- একপ্যাট সুইডেন
- জার্মানিতে বিপদের মধ্যে নির্দোষতা
- Jugendschutz.net
- লাস্টেকাইটসে লিট — শিশু কল্যাণের জন্য এস্তোনিয়ান ইউনিয়ন
- শৈশবে নির্যাতিত ব্যক্তিদের জন্য জাতীয় সমিতি
- নিখোঁজ ও শোষিত শিশুদের জন্য জাতীয় কেন্দ্র (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
- শিশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধের জন্য জাতীয় সমিতি
- পেলাস্তাকা লাপসে ( সেভ দ্য চিলড্রেন ফিনল্যান্ড)
- রেড পাপাজ (কলম্বিয়া)
- সুওজেলান লাপসিয়া (শিশুদের রক্ষা করুন)
অংশীদার
[সম্পাদনা]কানাডিয়ান সেন্টার ফর চাইল্ড প্রোটেকশন সরকারি ও বেসরকারি খাতের বিভিন্ন সংস্থার সাথে অংশীদারিত্ব করেছে।[১১]
২০০৪ সালের মে মাস থেকে কানাডা সরকার, বিশেষ করে জননিরাপত্তা কানাডা, "যৌন শোষণ থেকে শিশুদের সুরক্ষার জন্য জাতীয় কৌশল" - এই কর্মসূচীর অধীনে এই কেন্দ্রকে সহায়তা করে আসছে। কেন্দ্রটি ম্যানিটোবা সরকার দ্বারাও সমর্থিত এবং এটি ম্যানিটোবার শিশু ও পরিবার পরিষেবা আইনের অধীনে প্রতিবেদন গ্রহণের জন্য প্রদেশের একটি মনোনীত সংস্থা। সেইসাথে তারা প্রাদেশিক অন্তরঙ্গ চিত্র সুরক্ষা আইন অনুসারে সহায়তা এবং তথ্য প্রদান করে।[১১]
কেন্দ্রটি কানাডা জুড়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির সাথে আনুষ্ঠানিক প্রোটোকল বা নিয়মাবলী প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকেও অগ্রাধিকার দিয়েছে। ২০২১ সাল নাগাদ, কেন্দ্রটি কানাডার ২৬টি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাথে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।[১১]
শিক্ষা ও প্রতিরোধ কর্মসূচি, সম্পদ এবং প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে, কেন্দ্রের ম্যানিটোবা সরকার, কোচিং অ্যাসোসিয়েশন অফ কানাডা, স্কাউটস কানাডা, ক্যালগারি অ্যাণ্ড এরিয়া চাইল্ড অ্যাডভোকেসি সেন্টার এবং কানাডিয়ান আর্মড ফোর্সেস / কানাডিয়ান ক্যাডেট অর্গানাইজেশনের সাথে আনুষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক / প্রোটোকল রয়েছে। সি৩পি জিমন্যাস্টিকস কানাডা, স্পোর্ট ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, উইনিপেগ শহর এবং কানাডা সকারের মতো শিশু-সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলিকেও সম্পদ ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে।[১১]
বেসরকারি খাতে, কেন্দ্রটি বেল, টেলাস, শ কমিউনিকেশনস, বেল এমটিএস, লাইফটাচ, কানাডিয়ান ওয়্যারলেস টেলিকমিউনিকেশনস অ্যাসোসিয়েশন, রজার্স, নো ফিক্সড অ্যাড্রেস, সাস্কটেল, ওল্ড নেভি, সার্কেল কে, ডিজনি এবং ম্যাগনেট ফরেনসিক্সের সাথে অংশীদারিত্ব করেছে এবং/অথবা সমর্থন করেছে।[১৪]
প্রজেক্ট আরাকনিডের জন্য, সেন্টারটি বিশ্বজুড়ে হটলাইন এবং সরকারি সংস্থাগুলির সাথে কাজ করে, যার মধ্যে রয়েছে: ন্যাশনাল সেন্টার ফর মিসিং অ্যাণ্ড এক্সপ্লয়েটেড চিলড্রেন, ইসিপিএটি সুইডেন, রেড পাপাজ সেন্টার যা নেস্তালু আই জ্লোস্টাভলজানু জেকু (ক্রোয়েশিয়ার নিখোঁজ ও শোষিত শিশুদের কেন্দ্র), অস্ট্রেলিয়ান সরকারের ই-সেফটি কমিশনার, সুওজেলান লাপসিয়া (প্রোটেক্ট চিলড্রেন), পেলাস্তাকা লাপসে ( সেভ দ্য চিলড্রেন ফিনল্যান্ড), Jugendschutz.net, চাইল্ড ফোকাস বেলজিয়াম, লাস্টেকাইটসে লিট — এস্তোনিয়ান ইউনিয়ন ফর চাইল্ড ওয়েলফেয়ার, ন্যাশনাল সোসাইটি ফর দ্য প্রিভেনশন অফ ক্রুয়েল্টি টু চিলড্রেন, ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর পিপল অ্যাবিউজড ইন চাইল্ডহুড, অ্যাণ্ড ইনোসেন্স ইন ডেঞ্জার জার্মানি।[১১]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]- কানাডায় মানব পাচার
মন্তব্য
[সম্পাদনা]- 1 2 3 "শিশু পর্নোগ্রাফির" পরিবর্তে কেন্দ্র কর্তৃক ব্যবহৃত পরিভাষা হল শিশু যৌন নির্যাতনের উপাদান"। তাদের যুক্তি, এটি "শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত আক্রমণগুলিকে আরও স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে" এবং "এই ধরণের নির্যাতনের চিত্র ও ভিডিওগুলিকে আরও সঠিকভাবে বর্ণনা করে।"(Social Value Report, 2018-2019, p. 3)
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "About Us"। protectchildren.ca (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০২১।
- 1 2 3 4 The Power of Eleven 2018-19 Social Value Report (পিডিএফ) (প্রতিবেদন)। ২০১৯।
- 1 2 3 4 5 6 "About Us: History"। Canadian Centre for Child Protection। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০২১।
- ↑ Barker, John। "Ten years on: Still missing: Gods River teens Dwayne Ross and Sunshine Wood"। Thompson Citizen। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- 1 2 Akdeniz, Yaman (২০০৮)। Internet Child Pornography and the Law: National and International Responses। Routledge। আইএসবিএন ৯৭৮-১৩১৭১১৩৬৫২।
- ↑ "The Canadian Centre for Child Protection celebrates 30 years of helping families" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। Winnipeg, Manitoba: Canadian Centre for Child Protection। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "New national program to help find missing children launched"। Truck News। ২৫ জুলাই ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "Cybertip.ca"। Cybertip.ca। ৬ জানুয়ারি ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১১।
- 1 2 "Programs & Initiatives"। protectchildren.ca (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০২১।
- ↑ "Kids in the Know"। kidsintheknow.ca। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০২১।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 "About Us: Partners"। protectchildren.ca (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০২১।
- 1 2 "About MissingKids.ca"। missingkids.ca (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০২১।
- ↑ "Home – MissingKidsALERT.ca"। missingkidsalert.ca। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০২১।
- 1 2 "Project Arachnid"। Cybertip.ca (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০১৮।
- ↑ "Home"। projectarachnid.ca (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০২১।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- দাপ্তরিক ওয়েবসাইট

- Cybertip.ca
- Project Arachnid page
- শ্যাটার্ড ট্রাস্ট — খেলাধুলায় যৌন নির্যাতনের উপর সি৩পি-এর সাক্ষাৎকার এবং তথ্য সহ তিন পর্বের একটি সিবিসি সিরিজ। এতে প্রকাশিত হয়েছে যে কানাডায় অপেশাদার খেলাধুলায় জড়িত কমপক্ষে ২২২ জন কোচ গত ২০ বছরে ১৮ বছরের কম বয়সী ৬০০ জনেরও বেশি পীড়িতের সাথে জড়িত যৌন অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে।