বিষয়বস্তুতে চলুন

কানাই - বলাই দীঘি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

কানাই-বলাই দিঘি, যা পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কাছিপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

আনুমানিক তিনশ বছর পূর্বে এই এলাকার লোকজনের বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা করার জন্য এই ঐতিহ্যবাহী দিঘিটি খনন করা হয়েছিল। দিঘিটির আনুমানিক দৈর্ঘ্য প্রায় দুইশ’ মিটার ও প্রস্থ একশ’ চল্লিশ মিটার। তবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা মনে করেন কানাই-বলাই দিঘি তাদের একটি তীর্থস্থান। যদিও সংস্কারের অভাবে অস্তিত্ব বিলীনের পথে কানাই-বলাই দিঘি।

প্রচলিত মতবিশ্বাস

[সম্পাদনা]

শতাধিক বছর পূর্বে কাছিপাড়া গ্রামে কানাই-বলাই নামে দুই ভাই থাকতো। দুই ভাই প্রতিদিন ভোর রাতে উঠে নিজ গ্রামের সকল হিন্দু বাড়িতে বাড়িতে নাম কীর্তন করতো। একদিন কানাই ও বলাই এই দিঘিতে গোসল করার সময় দুটো বড় গজাল মাছ তাদেরকে নিয়ে দিঘির গভীরে চলে যায়। এরপর আর কোনোদিন দুই ভাইয়ের দেখা মেলেনি। তারপর থেকেই এ দিঘিটি কানাই-বলাই দিঘি নামে পরিচিতি লাভ করেছে।[] আবার অনেকের মতে, দিঘির পানিতে মন বাসনা পূরণ করার এক আধ্যাত্মিক ক্ষমতা রয়েছে। সৎ উদ্দেশ্যে এই দিঘির কাছে কিছু চাইলে তা পূরণ হয় । কিন্তু কেউ যদি কটূক্তি করে তাহলে তার বিপদ আসে। এছাড়াও স্থানীয় লোকজনের মনে এই দিঘি ঘিরে রয়েছে আরো নানান রহস্যজনক কথা। দিঘির গভীরতা কেউ বলতে পারেন না। কেউ মনে করেন এই দিঘির কোন তলদেশ নেই।পটুয়াখালীতে রহস্যময় কানাই-বলাই দিঘি অবস্থিত ,কেউ কেউ মনে করেন এই দিঘির জলে রয়েছে সোনার হাড়ি পাতিলের রহস্যের ইতিহাস।[]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "কানাই বলাই দিঘি, পটুয়াখালী"। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০২৫
  2. "পটুয়াখালীতে রহস্যময় কানাই-বলাই দিঘি"। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০২৫