কাঠাখালি সেতু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কাঠাখালি সেতু
হাসনাবাদ সেতু
স্থানাঙ্ক২২°৩৪′২৫″ উত্তর ৮৮°৫৫′৪০″ পূর্ব / ২২.৫৭৩৬১° উত্তর ৮৮.৯২৭৭৮° পূর্ব / 22.57361; 88.92778স্থানাঙ্ক: ২২°৩৪′২৫″ উত্তর ৮৮°৫৫′৪০″ পূর্ব / ২২.৫৭৩৬১° উত্তর ৮৮.৯২৭৭৮° পূর্ব / 22.57361; 88.92778
বহন করেদুটি পথ, প্রতি পথে একটি সবরকম যানবাহন চলাচলের উপযোগী লেন
অতিক্রম করেকাঠাখালি নদী
স্থানহাসনাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ
অফিসিয়াল নামকাঠাখালি সেতু
বৈশিষ্ট্য
নকশাবক্স গাডার
মোট দৈর্ঘ্য৮৬৪ মিটার (২,৮৩৫ ফু)
প্রস্থ১২ মিটার (৩৯ ফু)
দীর্ঘতম স্প্যান৮০ মিটার (২৬২ ফু)
পরিসংখ্যান
টোলনা

কাঠাখালি সেতু [১][২][৩] কাঠাখালি নদীর উপর নির্মান হচ্ছে হাসনাবাদের কাছে। এই সেতু যুক্ত করবে হাসনাবাদহিঙ্গলগঞ্জকে।সেতুটি বর্তমানে নির্মাণাধীন। সেতুটি ৮৬৪ মিটার দীর্ঘ হবে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

২০০৬ সালের জানুয়ারি মাসে বাম আমলে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এই সেতুর শিলান্যাস করেছিলেন। জনসভায় বলা হয়েছিল, তিন বছরের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ হবে। সাড়ে ৭ মিটার চওড়া দু’লেনের সেতুটি লম্বায় হবে ৮৬৪ মিটার। নানা টালবাহানার শেষে ছ'বছর পরে নদীর মধ্যে ৩৫ মিটার উচুঁ দু’টি পিলার এবং দু’পাশে খানিকটা করে রাস্তা হয়।[৪]

সমস্যা[সম্পাদনা]

প্রথমে সেতু তৈরির জন্য নদীতে দুটি পিলার নির্মাণ করা হয়।কিন্তু পরে দেখা যায় পিলারের জোড়ার মুখে ৬ ইঞ্চির মতো ফাঁকা। মুম্বই, যাদবপুর এবং খড়গপুর-সহ দেশের নানা প্রান্ত থেকে বিশেষজ্ঞ দলের আসা-যাওয়া শুরু হয়। শেষে ঠিক হয়, আগের তৈরি পিলার দু’টি ভেঙে নতুন করে করতে হবে।

  • ০২ মার্চ ২০১৭:বৃহস্পতিবার (০২-০৩-২০১৭) রাতে জলের তোড়ে ভেঙে পড়েছে সেতুর পিলার ধরে রাখার অস্থায়ী একটি স্টিলের কাঠামো। তলিয়ে গিয়েছে আস্ত একটি বার্জ।তবে তাতে মূল সেতুর কোনও ক্ষতি হয়নি বলে দাবি করে পূর্ত ও সড়ক দফতর।

নতুন ভাবে সেতু নির্মাণ[সম্পাদনা]

আগের সেতু তৈরির পিলার দুটি ভেঙ্গে নতুন ভাবে সেতু তৈরি শুরু হয় ২০১২ সালে। পুরনো ঠিকাদার বদলে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়। ফলে সেতু তৈরির খরচ ২৫ কোটি থেকে বেড়ে ৮১ কোটি ছাড়িয়েছে। এরই মধ্যে বর্তমানে সেতুর দু'পাশের অ্যাপ্রোচ রোড এবং তিনটি পিলারের বড় অংশের কাজ শেষ হয়েছে। খুব শীঘ্রই সেতুটির নির্মাণ শেষ হবে।

গুরুত্ব[সম্পাদনা]

সেতুটির নির্মাণ শুরু হলে হিঙ্গলগঞ্জের বাসিন্দারা সহজেই কলকাতা ও বসিরহাট শহরে চলাচল করতে পারবেন। রোগী নিয়ে সহজেই টাকি বা বসিরহাট মহকুমা হাসপাতালে পৌচ্ছোন যাবে। পর্যটকেরা সহজেই কলকাতা থেকে সুন্দরবন আসতে পারবে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "থাম কেটে নতুন করে তৈরি করা হচ্ছে সেতু"আনন্দবাজার প্রত্রিকা। সংগ্রহের তারিখ ০৭-০৩-২০১৭  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  2. "নিষ্প্রদীপ বেহাল সেতু, বাড়ছে দুষ্কৃতীদের উপদ্রব"আনন্দবাজার প্রত্রিকা। সংগ্রহের তারিখ ০৭-০৩-২০১৭  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  3. "নৌকা চলে না, সেতুর দাবিতে নদীতে নেমে বিক্ষোভে বাসিন্দারা" 
  4. "বার বার বাধা সেতু তৈরিতে"