কাটিরহাট মহিলা কলেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

১৯৮৫ সালে নারী শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে উত্তর চট্টলার মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী কাটিরহাট মহিলা কলেজ। এটি চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার ধলই ইউনিয়নে অবস্থিত। এই কলেজ বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর অধিভুক্ত।

কাটিরহাট মহিলা কলেজ
নীতিবাক্যজ্ঞানই শক্তি
ধরনবেসরকারি কলেজ
স্থাপিত১৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫
অধ্যক্ষকল্যাণ নাথ
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ
৩৬+ (বর্তমান)
প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ
১৩+ (বর্তমান)
শিক্ষার্থী৩০০০+ (বর্তমান)
অবস্থান,
ওয়েবসাইটhttp://katirhatmdc.edu.bd/

ইতিহাস[সম্পাদনা]

উত্তর চট্টলার হাটহাজারী উপজেলাধীন ২ নং ধলই ইউনিয়নে দিশেহারা চেতনার যুদ্ধে সচেতন এক মানব ডাঃ মাহমুদুল হক। জাহেলিয়াত যুগ চক্ষুপল্লবে ভাসতে থাকল যাঁর চক্ষুশূলে। নারীর অসহায়ত্ব নাড়া দিচ্ছিল যাঁকে বারবার। নারীদের অসহায়ত্ব নিবারণের চিন্তায় বিভোর ঊনি অসহায়ত্বের কারণ খুঁজে পেলেন পরনির্ভরশীলতা। আর সেই পরনির্ভরশীলতা দূরীকরণে অস্ত্র হিসেবে বেচে নিলেন শিক্ষা। এলাকার বিচক্ষণ মানবের সাথে বিষয়টা শেয়ার করে এগিয়ে চললেন নব উদ্যোগে। সেইদিন ছিল ১৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫। উক্ত এলাকা যেন ফিরে পেল প্রাণ। রাতের অন্ধকার সরে গিয়ে যেন ভোরের আলো ফুটতে থাকল উক্ত এলাকায়। বাঁশের কুঁড়েঘরে স্থাপিত হওয়া কাটিরহাট মহিলা কলেজ যেন উক্ত এলাকার প্রাণ ফিরিয়ে দিল। শুরু পথচলা। নব জন্ম নেওয়া শিশু যেমন মা-বাবার ভালবাসায় হাটি হাটি পা পা করে পথচলা শিখে, তেমনি ডাঃ মাহমুদুল হক উদ্যম, ইচ্ছাশক্তি, সচেতনতায় এবং এলাকার বিচক্ষণ সহকর্মীর সহযোগীতায় পথ চলা শিখতে থাকল উক্ত প্রতিষ্ঠান।

সেইদিনের সেই উচ্চ মাধ্যমিক একাদশ থেকে পথ শুরু করে অত্র প্রতিষ্ঠান বর্তমানে অনার্স কোর্সে উন্নীত। ছাত্রী সংখ্যা ৩০০০ এর অধিক। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি (মানবিক) টিউটোরিয়াল কেন্দ্র বর্তমানে অত্র প্রতিষ্ঠান। ২০১৮ সালে অনার্স কোর্স চালু হয়। ডাঃ মাহমুদুল হক সেই দিনের সেই সৎ ইচ্ছার জয়ধ্বনি আজ প্রান্তরে প্রান্তরে। একদিন অত্র প্রতিষ্ঠান বিশ্ব সভায় নারী শিক্ষার অগ্রযাত্রার পথিক হয়ে ঠায় নিবে এই প্রত্যাশা। যেভাবে পাশে ছিলেন সবাই, পাশে থাকবেন ঐভাবে। দেখবেন অত্র এলাকার সূর্য হবে অত্র প্রতিষ্ঠান।