কাজী জাফর আহমেদ
কাজী জাফর আহমেদ | |
|---|---|
| বাংলাদেশের -প্রধানমন্ত্রী | |
| কাজের মেয়াদ ১২ আগস্ট ১৯৮৯ – ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ | |
| রাষ্ট্রপতি | হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ |
| ডেপুটি | শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন |
| পূর্বসূরী | মওদুদ আহমেদ |
| উত্তরসূরী | খালেদা জিয়া |
| বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ উপ-প্রধানমন্ত্রী | |
| কাজের মেয়াদ ২৭ মার্চ ১৯৮৮ – ১২ আগস্ট ১৯৮৯ | |
| রাষ্ট্রপতি | হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ |
| প্রধানমন্ত্রী | মওদুদ আহমেদ |
| পূর্বসূরী | মওদুদ আহমেদ |
| উত্তরসূরী | শূন্য |
| কাজের মেয়াদ ৯ জুলাই ১৯৮৬ – ১০ আগস্ট ১৯৮৭ | |
| রাষ্ট্রপতি | হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ |
| প্রধানমন্ত্রী | মিজানুর রহমান চৌধুরী |
| পূর্বসূরী | জামাল উদ্দিন আহমেদ |
| উত্তরসূরী | শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন |
| বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ সংসদ নেতা | |
| কাজের মেয়াদ ১২ আগস্ট ১৯৮৯ – ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ | |
| পূর্বসূরী | মওদুদ আহমেদ |
| উত্তরসূরী | খালেদা জিয়া |
| বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী | |
| কাজের মেয়াদ ৪ জুলাই ১৯৭৮ – ১১ অক্টোবর ১৯৭৮ | |
| পূর্বসূরী | সৈয়দ আলী আহসান |
| উত্তরসূরী | আব্দুল বাতেন |
| জাতীয় সংসদ সদস্য | |
| কাজের মেয়াদ ১২ সেপ্টেম্বর ১৯৯১ – ২৪ নভেম্বর ১৯৯৫ | |
| পূর্বসূরী | স্বয়ং |
| উত্তরসূরী | সামছু উদ্দিন আহমেদ |
| নির্বাচনী এলাকা | কুমিল্লা-১২ |
| কাজের মেয়াদ ৩ মার্চ ১৯৮৮ – ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ | |
| পূর্বসূরী | স্বয়ং |
| উত্তরসূরী | স্বয়ং |
| নির্বাচনী এলাকা | কুমিল্লা-১২ |
| কাজের মেয়াদ ৭ মে ১৯৮৬ – ৩ মার্চ ১৯৮৮ | |
| পূর্বসূরী | আলী হোসেন মিঞা |
| উত্তরসূরী | স্বয়ং |
| নির্বাচনী এলাকা | কুমিল্লা-১২ |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ১ জুলাই ১৯৩৯ চৌদ্দগ্রাম, বঙ্গ, ব্রিটিশ ভারত (বর্তমানে বাংলাদেশ) |
| মৃত্যু | ২৭ আগস্ট ২০১৫ (বয়স ৭৬) ঢাকা, বাংলাদেশ |
| রাজনৈতিক দল | জাতীয় পার্টি (১৯৮৪–২০১৩) জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) (২০১৩–২০১৫) |
| অন্যান্য রাজনৈতিক দল | ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) (১৯৭২-৭৪) ইউনাইটেড পিপলস পার্টি (১৯৭৪-৮৪) |
| প্রাক্তন শিক্ষার্থী | খুলনা জিলা স্কুল রাজশাহী সরকারি কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় |
কাজী জাফর আহমেদ (১ জুলাই ১৯৩৯ - ২৭ আগস্ট ২০১৫) ছিলেন বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ এবং ৮ম প্রধানমন্ত্রী। তিনি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সরকারের সময়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন।
জন্ম ও শিক্ষাজীবন
[সম্পাদনা]১৯৩৯ সালের ১ জুলাই কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার প্রখ্যাত চিওড়া কাজী পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। মেধাবী ছাত্র হিসেবে তিনি খুলনা জিলা স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীকালে রাজশাহী সরকারি কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ অনার্স ও এম এ (ইতিহাস) পাস করেন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে এম এ এবং এল.এল.বি. কোর্স সম্পন্ন করা স্বত্ত্বেও কারাগারে চলে যাওয়ায় পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে পারেননি।[১]
প্রথম জীবনের রাজনীতি
[সম্পাদনা]কাজী জাফর আহমদ ১৯৫৯-১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাস সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৬০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৬২-১৯৬৩ সালে অবিভক্ত পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন/ইস্ট পাকিস্তান স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (ইপসু/EPSU) এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬২ সালে সামরিক শাসন ও শরীফ শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনে কাজী জাফর আহমদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ছাত্র জীবন শেষে তিনি শ্রমিক রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। ১৯৬৭ সাল থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ছিলেন।
ভাসানীর মহাসচিব
[সম্পাদনা]১৯৭২-১৯৭৪ সালে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী তখন ছিলেন ন্যাপের চেয়ারম্যান। [২]
পরবর্তী রাজনৈতিক জীবন
[সম্পাদনা]কাজী জাফর আহমেদ ১৯৭৪ সালে ইউনাইটেড পিপলস পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন।[৩] ১৯৭৪ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত তিনি ইউনাইটেড পিপলস্ পার্টির প্রথমে সাধারণ সম্পাদক ও পরে চেয়ারম্যান হিসেবে সক্রিয়ভাবে পার্টির সাংগঠনিক দায়িত্ব ও জাতীয় রাজনীতিতে বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৭৮ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রী পরিষদের শিক্ষামন্ত্রী হন। ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির জন্মলগ্ন থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬-১৯৯০ সালে তিনি জাতীয় পার্টির সরকারে পর্যায়ক্রমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বন্দর-জাহাজ ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির রাজনৈতিক উপদেষ্টা, ১৯৮৯-১৯৯০ সালে বাংলাদেশের অষ্টম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬-১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টির সংসদীয় দলের উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালের চতুর্থ ও ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন কুমিল্লা-১২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[৪][৫][৬]
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
[সম্পাদনা]কাজী জাফর আহমেদ ১৯৮৯-১৯৯০ সালে জাতীয় পার্টির সংসদীয় দলের নেতা ছিলেন। এ সময় তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির জন্মলগ্ন থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ-এর বিরুদ্ধে সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনেও আহমেদ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন । কিন্তু ১৯৭৫ সালের পর থেকে বাংলাদেশে রাজনীতির পুনর্বিন্যাস এবং নেতারা তাদের পুরনো দল ছেড়ে নতুন দলে যোগদানের সময় দেখেছেন। আহমেদ তার ইউপিপি ভেঙে দিয়ে রাষ্ট্রপতি এরশাদের জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন । ৩ জুলাই ১৯৮৫ সালে, তাকে রাষ্ট্রপতি এরশাদের মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী করা হয়। ৩ মার্চ ১৯৮৮ সালে এরশাদ জাফর আহমেদকে প্রধানমন্ত্রী মওদুদ আহমদ-এর অধীনে উপ-প্রধানমন্ত্রী করেন । ৬ জুন ১৯৮৮ সালে মৌলবাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হিসেবে তিনি ইসলামকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম করার এরশাদের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন। তিনি ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত এরশাদ সরকারে বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৯ সালের আগস্টে, তিনি মওদুদ আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হন, যিনি উপ-রাষ্ট্রপতি হন। তিনি ১৯৮৯ সালের আগস্ট থেকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে এরশাদ ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করার পর তিনি ভারতে পালিয়ে যান। চিনির চালান চুরির ঘটনায় তার ভূমিকার জন্য তিনি "চিনি জাফর" নামে পরিচিত হন। কাজী জাফর আহমেদ ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারে যোগদানের জন্য এরশাদের সমালোচনা করেন এবং জাতীয় দল নামে তার নিজস্ব দল তৈরি করেন,যা বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর সাথে যোগ দেয়। ক্ষমতা হারানোর পর এরশাদকে কারারুদ্ধ করা হয় এবং ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
১৯৯৯ সালের নভেম্বরে ঢাকার একটি আদালত একটি এতিমখানার তহবিলের অপব্যবহারের সাথে সম্পর্কিত দুর্নীতির অভিযোগে আহমেদকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়। তিনি অস্ট্রেলিয়ায় চলে যান এবং সফলভাবে আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেন। অস্ট্রেলিয়ায় তিনি তার কিডনির চিকিৎসার জন্য সরকারি প্রতিবন্ধী পেনশন পেতে সক্ষম হন। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জন হাওয়ার্ড কাজী জাফর কীভাবে আশ্রয় পেতে সক্ষম হন তা তদন্তের আহ্বান জানান।
জাতীয় পার্টি (জাফর)প্রতিষ্ঠা
[সম্পাদনা]২০০৮ সালের বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে কুমিল্লা-১১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন আহমেদ । জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আহমেদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-নেতৃত্বাধীন জোট সরকার কর্তৃক আয়োজিত ২০১৪ সালের বাংলাদেশ নির্বাচনে যোগদানে সম্মত হওয়ার জন্য এরশাদের সমালোচনা করেছিলেন। ৫ মে ২০১৩ তারিখে, তিনি মতিঝিলে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে মঞ্চে উঠেছিলেন
বাংলাদেশে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন নির্বাচনকালীন সরকারে এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি অংশ নেওয়ায় এক বিবৃতিতে এরশাদকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলেন কাজী জাফর। এরপর এরশাদ ও কাজী জাফর পরস্পরকে জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার করেন ।
এরপর কাজী জাফর আহমেদ দলের একাংশকে নিয়ে জাতীয় পার্টি নামেই নতুন দল গঠন করেন। ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর বিশেষ কাউন্সিলের মাধ্যমে তিনি জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৪ সালের ২৫ জানুয়ারি বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) এর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।[১]
শিক্ষকতা
[সম্পাদনা]১৯৯৯-২০০০ সালে অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন সিডনিতে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে দক্ষিণ এশীয় ভূমণ্ডলীয় রাজনীতি বিষয়ে অধ্যাপনা করেন।[৭]
মৃত্যু
[সম্পাদনা]তিনি ২০১৫ সালের ২৭ আগস্ট সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে রাজধানী ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।[৮][৯]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "কাজী জাফর আহমেদের বর্ণাঢ্যময় রাজনৈতিক জীবন"। www.jugantor.com।
- ↑ http://www.ittefaq.com.bd/print-edition/drishtikon/2015/11/06/81917.html
- ↑ "৬৩ বছরে ৬ বার ভেঙেছে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ন্যাপ"। ডিবিসি নিউজ। ৭ নভেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০২৫।
- ↑ "৩য় জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)। জাতীয় সংসদ। বাংলাদেশ সরকার। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ "৪র্থ জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)। জাতীয় সংসদ। বাংলাদেশ সরকার। ৮ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ "৫ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (পিডিএফ)। জাতীয় সংসদ। বাংলাদেশ সরকার। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Rising BD"। www.risingbd.com।
- ↑ কাজী জাফর আহমেদ মারা গেছেন
- ↑ "কাজী জাফর আহমদ মারা গেছেন"। ২৮ আগস্ট ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১৫।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]| পূর্বসূরী: মওদুদ আহমেদ |
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ১২ আগস্ট ১৯৮৯ - ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ |
উত্তরসূরী: খালেদা জিয়া |
- ১৯৩৯-এ জন্ম
- ২০১৫-এ মৃত্যু
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
- বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ
- কুমিল্লার সংসদ সদস্য
- কুমিল্লা জেলার রাজনীতিবিদ
- বাংলাদেশের উপপ্রধানমন্ত্রী
- জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) এর রাজনীতিবিদ
- তৃতীয় জাতীয় সংসদ সদস্য
- চতুর্থ জাতীয় সংসদ সদস্য
- পঞ্চম জাতীয় সংসদ সদস্য
- জাতীয় পার্টির সাবেক রাজনীতিবিদ
- খুলনা জিলা স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- রাজশাহী কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির সাবেক রাজনীতিবিদ
- এরশাদের মন্ত্রিসভার সদস্য
- বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী
- জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভার সদস্য
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সাবেক রাজনীতিবিদ
- বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী
- বাংলাদেশী মুসলিম
- জাতীয় পার্টি (এরশাদ) এর রাজনীতিবিদ
- কুমিল্লা জেলার ব্যক্তি
- কুমিল্লার ব্যক্তি
