বিষয়বস্তুতে চলুন

কাগজ কে ফুল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কাগজ কে ফুল
পরিচালকগুরু দত্ত
চিত্রনাট্যকারআবরার আলভী
শ্রেষ্ঠাংশেগুরু দত্ত, ওয়াহিদা রহমান, কুমারী নাজ, মেহমুদ, জনি ওয়াকার
সুরকারএস ডি বর্মণ
চিত্রগ্রাহকভি কে মূর্তি
সম্পাদকওয়াই জি চৌহান
প্রযোজনা
কোম্পানি
গুরু দত্ত ফিল্ম
মুক্তি
  •  জানুয়ারি ১৯৫৯ (1959-01-02)
স্থিতিকাল১৪৮ মিনিট
দেশভারত
ভাষাহিন্দি

কাগজ কে ফুল (বাংলা: কাগজের ফুল) হলো ১৯৫৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি ভারতীয় হিন্দি ভাষার রোমান্টিক ড্রামা চলচ্চিত্র। এটি প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন গুরু দত্ত এবং তিনি এই ছবিতে ওয়াহিদা রহমানের সাথে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ও করেন। এটি সিনেমাস্কোপে নির্মিত প্রথম ভারতীয় চলচ্চিত্র এবং দত্তের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচালিত শেষ চলচ্চিত্র। এটি ভারতীয় চিত্রগ্রহণে একটি প্রযুক্তিগত বিপ্লবের সূচনা করে এবং ব্যাপকভাবে সময়ের চেয়ে এগিয়ে থাকা একটি চলচ্চিত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।[][][]

চলচ্চিত্রটির বিষয়বস্তুর সঙ্গে সাধারণ দর্শক একাত্ম হতে না পারায় সেই সময়ে বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল, কিন্তু পরবর্তীকালে ১৯৮০-এর দশকে এটি একটি কাল্ট ক্লাসিক হিসেবে পুনরুজ্জীবিত হয়।[] চলচিত্রটির সমালোচনা ও বাণিজ্যিক ব্যর্থতা গুরু দত্তকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করে এবং তার স্টুডিওকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে আসে। এরপর দত্ত আনুষ্ঠানিকভাবে আর কোনো চলচ্চিত্র পরিচালনা করেননি।[] চলচ্চিত্রটির সঙ্গীত পরিচালনা করেন এস. ডি. বর্মণ এবং এর গীতিকার ছিলেন কাইফি আজমি ও শৈলেন্দ্র (একটি গান ‘হাম তুম জিসে কেহতা হ্যায়’-এর জন্য)। বর্তমানে ‘কাগজ কে ফুল’ অনেক চলচ্চিত্র বিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচির একটি অংশ।[] এটিকে ভারতে নির্মিত এযাবৎকালের নিখুঁত আত্ম-প্রতিফলনমূলক চলচ্চিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়।[]

সারসংক্ষেপ

[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্রটি ফ্ল্যাশব্যাকের মাধ্যমে বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সুরেশ সিনহার গল্প বলে। বীণার সাথে তার দাম্পত্য জীবন ভাঙনের মুখে, কারণ বীণার ধনী পরিবার চলচ্চিত্র নির্মাণকে সামাজিক মর্যাদাহীন একটি পেশা হিসেবে দেখে। এছাড়াও, দেরাদুনের একটি বেসরকারি বোর্ডিং স্কুলে পাঠানো তার মেয়ে পাম্মির কাছেও তাকে যেতে দেয়া হয় না।

শ্রেষ্ঠাংশে

[সম্পাদনা]

নির্মাণ

[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্রটিকে গুরু দত্তের ব্যক্তিত্ব, চলচ্চিত্র জগৎ ও তার থেকে পাওয়া খ্যাতির প্রকৃতি নিয়ে তার ক্রমবর্ধমান মোহভঙ্গ এবং দত্ত ও তার শিষ্যা ওয়াহিদা রহমানের মধ্যকার বহুল আলোচিত কথিত সম্পর্কের একটি আত্মজীবনীমূলক প্রতিফলন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেই সময় দত্ত গায়িকা গীতা রায় চৌধুরীর (পরবর্তীতে গীতা দত্ত) সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন এবং তার মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপান ও রহমানের সঙ্গে তার আবেগঘন প্রেমের গুঞ্জন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলে। অন্যরা মনে করেন, এটি জ্ঞান মুখার্জীর (যিনি কিসমত পরিচালনার জন্য পরিচিত) প্রতি একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি, যার সঙ্গে গুরু দত্ত ১৯৫০ সালে যোগ দিয়েছিলেন। ওয়াহিদা রহমান এই কথা অস্বীকার করেছেন যে গল্পটি দত্তের নিজের জীবনের উপর ভিত্তি করে তৈরি। তিনি আরও বলেন যে, দত্ত কখনও ব্যর্থতার স্বাদ পাননি, কারণ তার সমস্ত চলচ্চিত্র নির্মাণের সময়েই সফল হয়েছিল, যা গল্পের প্রধান চরিত্রের ব্যর্থতার সম্পূর্ণ বিপরীত।[][] দত্তের একজন নিয়মিত সহযোগী ভি. কে. মূর্তি এই চলচ্চিত্রের সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করেন এবং তার কাজের জন্য ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ সিনেমাটোগ্রাফার পুরস্কার লাভ করেন। এম. আর. আচারকর ছিলেন শিল্প নির্দেশক এবং পরবর্তীতে শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশনার জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। ভানু আথাইয়া, যিনি পরে গান্ধী (১৯৮২) চলচ্চিত্রের জন্য একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন, তিনি পোশাক পরিকল্পনার দায়িত্বে ছিলেন। এস. ভি. রাউ-এর নেতৃত্বে র‍্যামনর্ড রিসার্চ ল্যাবস চলচ্চিত্রটির চূড়ান্ত প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন করে।

সাউন্ডট্র্যাক

[সম্পাদনা]
কাগজ কে ফুল
কর্তৃক সাউন্ডট্র্যাক অ্যালবাম
মুক্তির তারিখ জানুয়ারি ১৯৫৯ (1959-01-02)
ঘরানাফিল্মি, বলিউড
দৈর্ঘ্য৩৩:১৮
সঙ্গীত প্রকাশনীসারেগামা

চলচ্চিত্রটির সঙ্গীত পরিচালনা করেন এস. ডি. বর্মণ। তিনি গুরু দত্তকে 'কাগজ কে ফুল' ছবিটি না বানানোর জন্য সতর্ক করেছিলেন, কারণ ছবিটি তার নিজের জীবনেরই প্রতিচ্ছবি ছিল। যখন গুরু দত্ত ছবিটি বানানোর জন্য জেদ ধরেন, বর্মণ বলেছিলেন যে এটিই হবে গুরু দত্তের সঙ্গে তার শেষ চলচ্চিত্র।.[] ‘ওয়াক্ত নে কিয়া কেয়া হাসিন সিতাম’ গানটি একটি চিরসবুজ হিট এবং সর্বকালের সবচেয়ে প্রিয় হিন্দি চলচ্চিত্রের গানগুলোর মধ্যে অন্যতম হয়ে ওঠে।[] ২০০৬ সালে, ৩০ জন শীর্ষস্থানীয় সুরকার, গায়ক এবং গীতিকারের করা "সর্বকালের সেরা ২০টি হিন্দি চলচ্চিত্রের গান" নামক জরিপে এটি ৩ নম্বরে স্থান পায়।[] গানটির সুর ও কথার পাশাপাশি, এটিকে সর্বকালের অন্যতম সেরা চিত্রায়িত গান হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। এই গানের চিত্রায়ণে দুটি বড় আয়না এবং প্রাকৃতিক সূর্যালোক ব্যবহার করে আলোক-রশ্মির প্রভাবটি তৈরি করা হয়।[]


সকল গানের সুরকার এস. ডি. বর্মণ

নং.শিরোনামগীতিকারগায়ক(গণ)দৈর্ঘ্য
১."শিরোনাম সঙ্গীত" -২:০২
২."দেখি জামানে কি ইয়ারি (রাগ দেশ)"কাইফি আজমিমোহাম্মদ রাফি৯:০০
৩."সান সান সান ওহ চালি হাওয়া"কাইফি আজমিমোহাম্মদ রফি, আশা ভোঁসলে৪:১৩
৪."উড় যা উড় যা পিয়াসে ভাওয়ারে"কাইফি আজমিমোহাম্মদ রাফি৩:২১
৫."হাম তুম জিসে কাহতা হ্যায়"শৈলেন্দ্রমোহাম্মদ রাফি৪:১৩
৬."এক দো তিন চার অর পাঁচ"কাইফি আজমিগীতা দত্ত৩:২৪
৭."উল্টে সিধে দাও লাগায়ে"কাইফি আজমিমোহাম্মদ রফি, আশা ভোঁসলে৩:৩১
৮."ওয়াক্ত নে কিয়া কেয়া হাসিন সিতাম"কাইফি আজমিগীতা দত্ত৩:৩১
মোট দৈর্ঘ্য:৩৩:১৮

মুক্তি ও প্রতিক্রিয়া

[সম্পাদনা]

কাগজ কে ফুল-এর বাণিজ্যিক ব্যর্থতা ও সমালোচকদের ঋণাত্মক প্রতিক্রিয়ায় গুরু দত্ত চরম হতাশ হয়ে পড়েন। তিনি এই ছবিটিতে প্রচুর ভালোবাসা, অর্থ এবং শক্তি বিনিয়োগ করেছিলেন। এরপর থেকে তার স্টুডিওর পরবর্তী সমস্ত ছবি আনুষ্ঠানিকভাবে অন্য পরিচালকদের দিয়ে পরিচালনা করানো হতো, কারণ গুরু দত্ত মনে করতেন যে বক্স অফিসের জন্য তার নাম একটি অভিশাপের মতো।[১০][] সত্য শরণের বই টেন ইয়ার্স উইথ গুরু দত্ত: আবরার আলভি’স জার্নি-তে, কাগজ কে ফুল-এর চিত্রনাট্য ও সংলাপের লেখক আবরার আলভি শরণকে বলেছিলেন যে, তিনি মনে করেন সুরেশের ব্যক্তিগত হৃদয়ভঙ্গ এবং পেশাগত সৃজনশীল স্বাধীনতার অভাবজনিত মানসিক যন্ত্রণার সঙ্গে সাধারণ মানুষ একাত্ম হতে পারে না, কারণ সুরেশ বেশ সচ্ছল এবং তার চাকরিও আছে, অথচ তারা দুবেলা দুমুঠো খাবারের জন্য সংগ্রাম করছে। তিনি বিশ্বাস করতেন, দর্শকরা একজন সুবিধাপ্রাপ্ত মানুষের আত্মতুষ্টিমূলক যন্ত্রণার সঙ্গে একাত্ম হতে পারে না।[]

হোম ভিডিও

[সম্পাদনা]

যশ রাজ ফিল্মস চলচিত্রটির একটি স্মারক ডিভিডি প্রকাশ করেছে। এই ভিডিওর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্যের চ্যানেল ৪ প্রযোজিত গুরু দত্তের জীবন ও কর্মের উপর নির্মিত তিন পর্বের একটি তথ্যচিত্র, ইন সার্চ অব গুরু দত্ত। এতে তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং পরিবারের কিছু সদস্য তাকে, তার জীবন ও কর্মকে স্মরণ করেছেন। এছাড়াও রয়েছে লতা মঙ্গেশকরের গাওয়া গীতা দত্তের প্রতি একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি, যেখানে তিনি "ওয়াক্ত নে কিয়া কেয়া হাসিন সিতম" গানটি গেয়েছেন।[১১]

কালজয়ী প্রভাব

[সম্পাদনা]

২০০২ সালে সাইট অ্যান্ড সাউন্ড-এর সমালোচক ও পরিচালকদের ভোটে, সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্রের তালিকায় ‘কাগজ কে ফুল’ ১৬০তম স্থান লাভ করে।[১২] ২০০২ সালে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের সেরা ২০টি ভারতীয় চলচ্চিত্রের তালিকায় এটি ১১ নম্বরে স্থান পায়।[১৩] এনডিটিভি এটিকে 'ভারতের ২০টি সর্বশ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র'-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং উল্লেখ করেছে, "গুরু দত্তের সর্বকালের সবচেয়ে বিষাদময় চলচ্চিত্র কাগজ কে ফুল, জগৎ এবং এর রক্ষকদের প্রতি তার ক্রমবর্ধমান মোহভঙ্গকে হতাশার এক নতুন স্তরে নিয়ে যায়। এই কিংবদন্তি অভিনেতা-পরিচালক একজন পতনের মুখে থাকা চলচ্চিত্র নির্মাতার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। তিনি তার কাছের মানুষদের কাছে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে অক্ষম এবং ব্যক্তিগত ও পেশাগত উভয় ক্ষেত্রেই জীবন এক নিরন্তর সংগ্রামে পরিণত হয়। সাধারণ দর্শক চলচ্চিত্রটির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে ব্যর্থ হলেও, হিন্দি সিনেমার স্বর্ণযুগের অনেক অর্থকরী চলচ্চিত্রের চেয়েও কাগজ কে ফুল বেশিদিন টিকে আছে।"[১৪] ২০১৩ সালে এটি সিএনএন-আইবিএন-এর সর্বকালের সেরা ১০০টি ভারতীয় চলচ্চিত্রের তালিকায় স্থান পায়। ২০০৩ সালে হিন্দি সিনেমার সেরা চলচ্চিত্রের জন্য আউটলুক ম্যাগাজিনের করা ২৫ জন শীর্ষস্থানীয় ভারতীয় পরিচালকদের ভোটে এটি ষষ্ঠ স্থান অধিকার করে।[১৫] এটি ২০১৫ সালে টাইম-আউট ম্যাগাজিনের "১০০টি সেরা বলিউড চলচ্চিত্রের" তালিকায় ১৪ নম্বরে স্থান পায়।[১৬]

কাগজ কে ফুলের চিত্রনাট্যটি ২০১৪ সালে কাগজ কে ফুল: দ্য অরিজিনাল স্ক্রিনপ্লে নামে একটি বই হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল।[১৭] ২০১৯ সালে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট কাগজ কে ফুল-কে ১৯৫৯ সালের শ্রেষ্ঠ সঙ্গীতধর্মী চলচ্চিত্র হিসেবে ঘোষণা করে এবং উল্লেখ করে, “গুরু দত্ত যে কোনো ‘ওয়ান-হিট-ওয়ান্ডার’ ছিলেন না, তার যদি কোনো প্রমাণের প্রয়োজন হয়, তবে তা এখানেই রয়েছে।”[১৮] ‘দ্য সিনেমাহোলিক’-এর ‘সেরা হিন্দি কাল্ট ফিল্ম যা ফ্লপ হয়েছিল’ তালিকায় এটি প্রথম স্থান অধিকার করে। এর কারণ হিসেবে বলা হয়, “কিংবদন্তী গুরু দত্তের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচালিত শেষ চলচ্চিত্র। প্রায়শই সর্বকালের অন্যতম সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে বিবেচিত কাগজ কে ফুল-এর ব্যর্থতা গুরু দত্তকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছিল।”[১৯] চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে একটি প্রবন্ধে আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয় উপসংহারে বলেছে, “ভুল-ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও, ‘কাগজ কে ফুল’—ফেল্লিনির ‘৮½’-এর পাশাপাশি—চলচ্চিত্র নির্মাণ ও জীবন নিয়ে নির্মিত সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে স্থান পাওয়ার যোগ্য।” [২০]

কাগজ কে ফুল ২০২২ সালের চলচ্চিত্র চুপ: রিভেঞ্জ অফ দ্য আর্টিস্টের প্লটটি উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবেশন করে।[২১]

পুরস্কার

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 4 5 Sood, Samira (১৬ মে ২০২০)। "Kaagaz Ke Phool is Guru Dutt's masterclass in filmmaking and heartbreak"ThePrint (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২১
  2. "Kaagaz ke Phool 1959"The Hindu। ১১ অক্টোবর ২০০৮। ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মে ২০২১ www.thehindu.com এর মাধ্যমে।
  3. "Kaagaz ke Phool: 59 years later"Indian Cultural Forum (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ জুলাই ২০১৮। ১৭ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২১
  4. 1 2 3 Usman, Yasser (৭ জানুয়ারি ২০২১)। Guru Dutt: An Unfinished Story: An Unfinished Story (ইংরেজি ভাষায়)। Simon and Schuster। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৩-৮৬৭৯৭-৮৯-৬
  5. "100 Filmfare Days: Day 25 - Kaagaz Ke Phool"filmfare.com (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২১
  6. Chatterji, Shoma A.। "60 years of Kaagaz Ke Phool: The most outstanding self-reflexive film of Indian cinema"www.cinestaan.com। ১৭ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২১
  7. Helio San Miguel (২০১২)। World Film Locations: Mumbai। Intellect Books। পৃ. ২২। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৪১৫০-৬৩২-৬
  8. "Top 32: Most loved Bollywood songs of all time"Hindustan Times (ইংরেজি ভাষায়)। ৩১ আগস্ট ২০১৩। ১৩ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২১
  9. "20 Best Hindi Film Songs Ever | Outlook India Magazine"Outlook India। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২১[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  10. "Guru Dutt: Remembering a genius"Hindustan Times (ইংরেজি ভাষায়)। ৯ জুলাই ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২১
  11. "Documentary on Guru Dutt released on DVD"। DearCinema। ১২ জুলাই ২০১১। ১৩ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২১
  12. "2002 Sight & Sound Top Films Survey of 253 International Critics & Film Directors"। Cinemacom। ২০০২। ৪ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০০৯
  13. "BFI | Features | Top 20 Indian Films"। ১৫ মে ২০১১। ১৫ মে ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২১
  14. "India's 20 greatest films » NDTV Movies"। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১২। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২১
  15. "6. Kaagaz Ke Phool -1959 | Outlook India Magazine"Outlook (India)। ১৭ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২১
  16. "The Best Bollywood movies"Time Out London (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২১
  17. Dayal, Radha (ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "Reversing cinematic translation"The Book Review। খণ্ড ৩৯ নং 2। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১
  18. "The best musical of every year – from the dawn of sound to the rise of the jukebox musical"BFI (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১৭ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২১
  19. Shah, Aarya (১৮ অক্টোবর ২০১৭)। "15 Best Bollywood Cult Movies That Were Actually Flops"The Cinemaholic (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২১
  20. "Kaagaz ke phool | Indian Cinema - The University of Iowa"indiancinema.sites.uiowa.edu (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২১
  21. "Sunny Deol, Dulquer Salmaan ask you to review psychopath thriller 'Chup' trailer; it's an ode to Guru Dutt, his 'Kaagaz Ke Phool'"। ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ সেপ্টেম্বর ২০২২