কল অফ ডিউটি: অ্যাডভান্সড ওয়ারফেয়ার
| কল অব ডিউটি: এ্যাডভান্স ওয়ারফেয়ার | |
|---|---|
| নির্মাতা | স্লেজহেমার গেমস |
| প্রকাশক | অ্যাকটিভিশন |
| ক্রম | কল অফ ডিউটি |
| ভিত্তিমঞ্চ | মাইক্রোসফট উইন্ডোজ প্লেস্টেশন ৩[১] প্লেস্টেশন ৪[১] এক্সবক্স ৩৬০ এক্সবক্স ওয়ান |
| মুক্তি | নভেম্বর ৪, ২০১৪ |
| ধরন | ফার্স্ট পার্সন শ্যুটার |
| কার্যপদ্ধতি | একক খেলোয়াড়, দ্বৈত খেলোয়াড় |
কল অফ ডিউটি: অ্যাডভান্স ওয়ারফেয়ার (ইংরেজি: Call of Duty: Advanced Warfare) ২০১৪ সালে প্রকাশিত হয় স্লেজহেমার গেমস কর্তৃক বিকশিত ও অ্যাকটিভিশন কর্তৃক প্রকাশিত কল অফ ডিউটি সিরিজের সর্বশেষ ফার্স্ট পার্সন শুটার গেম। এটি ২০১৪ সালের ৪ নভেম্বর মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, এক্সবক্স ৩৬০ প্লেস্টেশন ৪-এ প্রকাশিত হবে।[২] অ্যাডভান্স ওয়ারফেয়ারের প্লেস্টেশন ৩ ও এক্সবক্স ওয়ানেও প্রকাশের কথা রয়েছে।[৩]
গেইম সম্পর্কে
[সম্পাদনা]কল অফ ডিউটি মূলত একটি একশন ভিত্তিক গেইম। কল অফ ডিউটি এর সব সিরিজই বর্তমানে খুব জনপ্রিয়। তবে এই গেইম এর উন্নতি ক্রমশ চলছেই এবং আরোও সুন্দর গ্রাফিক নিয়ে প্রকাশিত হচ্ছে নতুন ভার্সনগুলো। কল অফ ডিউটি সিরিজের গেইমগুলো উইন্ডোজের গেম হিসেবে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হলেও এর কিন্তু স্মার্টফোনেও এর জনপ্রিয়তা দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অ্যাডভান্স ওয়ারফেয়ার এর লেভেলগুলো পূর্বের সিরিজের লেবেলগুলোর তুলনায় আরোও কঠিন, সুন্দর এবং ব্যয়বহুল হবে।
কাহিনীসংক্ষেপ
[সম্পাদনা]২০৫৪ সালে মার্কিন নৌসেনাবাহিনীর এক সৈনিক প্রাইভেট ফার্স্ট ক্লাস মিচেল এবং তার বন্ধু প্রাইভেট উইল তাদের প্লাটুন কমান্ডার সার্জেন্ট কোরম্যাকের নেতৃত্বে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে উত্তর কোরিয়ার সামরিক আগ্রাসন প্রতিহত করতে যুদ্ধে অংশ নেয়। এই যুদ্ধে উইল নিহত হয় এবং একটি ধারালো লোহার টুকরার আঘাতে মিচেল তার হাত হারায় (মূলত সার্জেন্ট কোরম্যাক উইল এবং মিচেলকে উত্তর কোরিয়া বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করতে পাঠায় কারণ তাদের একটি ইউনিটের সবাই সেখানে নিহত হয় যারা ঐ যুদ্ধবিমান ধবংস করতে গিয়েছিল। তাই মিচেল ও উইল ঐ যুদ্ধবিমান যেটি হ্যাভক লঞ্চার নামে পরিচিত সেখানে বোমা ফিট করে কিন্ত দুর্ভাগ্যবশত উইলের হাত সেখানে আটকে যায় মিচেল ঐ দরজা খুলতে যায় কিন্তু উইল মিচেলকে নামতে বলে কারণ সে মনে করে এটা উড্ডয়ন করবে তাই সে মিচেলকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেয় কারণ ঐ বোমা যেকোনো সময়ে বিস্ফোরিত হতে পারে ভেবে। ঐ যুদ্ধবিমান ধ্বংস হলেও উইল ঘটনাস্থলে নিহত হয় এবং সর্বশেষে ঐ বিমানের এক ধারালো লোহার টুকরার আঘাতে মিচেলের বাম হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয় যায় ও মিচেল সেখানে অজ্ঞান হয়ে পড়ে)।
যদিও দক্ষিণ কোরিয়া মার্কিন বাহিনীর সহায়তায় উত্তর কোরিয়ার সামরিক আগ্রাসন প্রতিহত করতে সক্ষম হয় কিন্তু এই যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার ৬০০০ সেনা হারায়।
একদিন উইলের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের পর মিচেল এক বেসরকারি সামরিক প্রতিষ্ঠান অ্যাটলাস কর্পোরেশনে যোগ দেয় এবং উইলের পিতা জোনাথন যে ঐ প্রতিষ্ঠানের প্রধান তার মাধ্যমে মিচেলকে একটি কৃত্রিম হাত দেওয়া হয় (কারণ কোরীয় যুদ্ধের সময়ে মিচেলের বাম হাত বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তাকে সামরিক বাহিনী থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয় এবং এই ঘটনার পর সে অ্যাটলাস কর্পোরেশনে যোগদান করে)। এখানে মিচেলের সাথে অ্যাটলাস সদস্য ক্যাপ্টেন গিডিয়নের সাথে পরিচয় হয়। জোনাথন আয়রনস মিচেলকে অ্যাটলাসে স্বাগত জানায়।
এর কিছুদিন পর কেভিএ নামে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন যেটি সাবেক চেচেন বিচ্ছিন্নতাবাদী যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত এবং কেভিএ এর প্রধান হেডিসের নেতৃত্বে আক্রমণ শুরু করে। ২০৫৫ সালে অ্যাটলাস সৈন্যরা নাইজেরিয়ার লাগোস শহরে দেশটির সেনাবাহিনীর এক সদস্য ক্যাপ্টেন আজানীর সহায়তায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্যামুয়েল আবিদোয়োকে উদ্ধার করে এবং লাগোস শহরে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলন চলাকালে কেভিএ হাত থেকে দেশটির এক প্রযুক্তিবিদকে উদ্ধার করে (মূলত ক্যাপ্টেন আজানী তার সৈনিকদের কাছ থেকে জানতে পারে কেভিএ নাইজেরিয়ার এক প্রযুক্তিবিদকে নিয়ে একটি সাদা বক্স সজ্জিত ট্রাকে করে পালিয়ে যায়। অতঃপর আজানীর সহায়তায় মিচেল ও গিডিয়ন মিলে ঐ প্রযুক্তিবিদকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়)।
তবে পর মিচেল ও তার দল যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের কাছ থেকে বেইনব্রিজ আইল্যান্ডে কেভিএ-র একটি পারমাণবিক রি অ্যাক্টর ধ্বংসাত্মক মেল্টডাউন প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয় (মূলত কেভিএ সেই স্থানে আক্রমণ করলে সেই পারমাণবিক চুল্লি ধ্বংস হয়)। কেভিএ একযোগে বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে অসংখ্য শহর ধ্বংস করে এবং এর ফলে ৫০,০০০ মানুষ নিহত হয়। অ্যাটলাস পরবর্তী চার বছরে শরণার্থীদের সাহায্য করে এবং কেভিএ-কে প্রতিহত করে বিশ্বের প্রধান সামরিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
২০৫৯ সালে, মিচেল ও গিডিয়নকে কেভিএ-র এক বিজ্ঞানী ডা. পিয়ের দানোয়িকে ধরতে ডেট্রয়েটে পাঠানো হয়। ডা. দানোয়ি তাদের জানায় হেডিস বর্তমানে গ্রিসের সান্তোরিনিতে অবস্থান করছে, যেখানে কেভিএ-র একটি সম্মেলন চলছে। গ্রিসে মিচেল হেডিসকে হত্যা করে কিন্তু মৃত্যুর আগে হেডিস মিচেল ও ইলোনাকে আয়রনস এবং সমগ্র অ্যাটলাস কর্পোরেশনের কুকীর্তি সম্পর্কে সতর্ক করে এবং একটি ডেটা চিপ দেয়। একদিন ইলোনা ঐ চিপ বিশ্লেষণ করে জানতে পারে ঐ প্রযুক্তিবিদ যাকে চার বছর আগে অ্যাটলাস নাইজেরিয়াতে এক আন্তর্জাতিক সম্মেলন চলাকালে কেভিএ এর হাত থেকে উদ্ধার করেছিল তার ও আয়রনসের এক কথোপকথন দেখানো হয় যেখানে ঐ প্রযুক্তিবিদ আয়রনসকে কেভিএ এর পারমাণবিক আক্রমণের ব্যাপারে বলছিল ও আয়রনস আগে থেকে ঐ আক্রমণের ব্যাপারে আগে থেকে জানত। এখানে এক পর্যায়ে মিচেল, ইলোনা এবং গিডিয়ন আরও জানতে পারে যে এসব পরিকল্পিত বৈশ্বিক আক্রমণ ইচ্ছাকৃতভাবে হয়েছিল যাতে অ্যাটলাস এই সুযোগে তার শক্তি ও মুনাফা বৃদ্ধি করতে পারে ও এক পর্যায়ে আয়রনস ঐ প্রযুক্তিবিদকে গুলি করে হত্যা করে। এই বার্তা দেখে যখন ইলোনা ও মিচেল বাইরে যাবে তখনই তারা দুইজন অ্যাটলাস বাহিনীর কাছে হাতেনাতে ধরা পরে। আয়রনসের নির্দেশে অ্যাটলাস মিচেল ও ইলোনাকে গ্রেফতার করতে চাইলেও তারা দুইজন নিউ বাগদাদের অ্যাটলাস সদর দপ্তর থেকে পালিয়ে যায়। তখনই এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তাদের সহায়তা করে পরে মিচেল জানতে পারে ঐ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি আসলে তার এক সময়ের প্লাটুন কমান্ডার সার্জেন্ট কোরম্যাক। কোরম্যাক বর্তমানে সেনটিনেল টাস্ক ফোর্সের প্রধান, যা মূলত কেভিএ-কে তদন্ত করার জন্য গঠিত হলেও বর্তমানে অ্যাটলাসের উত্থান ঠেকানোর জন্য কাজ করছে।
২০৬০ সালে, মিচেল, কোরম্যাক, ইলোনা ও নক্স এই চারজন ব্যাংককে আয়রনসের ব্যক্তিগত বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা এক পর্যায়ে বুঝতে পারে ডা. দানোয়ি আয়রনসের সঙ্গে মিলে ম্যান্টিকোর নামে একটি জৈব-অস্ত্র তৈরি করে। তারা আর্জেন্টিনা গামী একটি ম্যান্টিকোর বহনকারী বিমানকে অ্যান্টার্কটিকায় ভূপাতিত করে। গিডিয়ন সেনটিনেলদের সহায়তা করে অ্যাটলাস সেনাদের পরাজিত করতে, যার ফলে তারা ম্যান্টিকোরের একটি নমুনা উদ্ধার করে। তারা জানতে পারে এই অস্ত্র নির্দিষ্ট ডিএনএ লক্ষ্য করে শুধু অ্যাটলাস সদস্যরা ব্যতীত সবাইকে হত্যা করে। সেনটিনেল ও গিডিয়ন বুলগেরিয়ায় অ্যাটলাসের একটি জৈব-অস্ত্র গবেষণাগার ধ্বংস করে। তার পরিকল্পনা যখন ফাঁস হয়ে যায় তখন আয়রনস জাতিসংঘের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং বিশ্বাস করে যে অ্যাটলাসের নিয়ন্ত্রণে থাকলে যুদ্ধবিহীন একটি বিশ্ব গড়ে উঠবে। সেনটিনেলরা জানতে পারে আয়রনস যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণ চালাতে যাচ্ছে। অ্যাটলাস সান ফ্রান্সিসকোতে গোল্ডেন গেট সেতু ধ্বংস করে নৌবাহিনীর তৃতীয় ফ্লিটকে ফাঁদে ফেললেও সেনটিনেল বাহিনী তাদের থামিয়ে দেয়। ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অনেক দেশ অ্যাটলাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে, এবং আয়রনস নিউ বাগদাদের সদর দপ্তরে পিছু হটে।
২০৬১ সালে, যৌথবাহিনী (সেনটিনেল ও মার্কিন বাহিনী) নিউ বাগদাদে আয়রনসকে আটকাতে সামরিক অভিযান চালায়। কিন্তু অ্যাটলাস ম্যান্টিকোর ব্যবহার করে নক্স ও অধিকাংশ সেনাকে হত্যা করে। সাবেক অ্যাটলাস সদস্য হওয়ায় মিচেল, ইলোনা ও গিডিয়ন বেঁচে যায়। কিন্ত এক পর্যায়ে তারা চারজন অ্যাটলাসের কাছে হাতেনাতে ধরা পরে এবং এবং তাদের এক কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে ম্যান্টিকোর পরীক্ষা চালানো হয়। তারা চারজন পালিয়ে যেতে চাইলে তারা আবার আয়রনসের কাছে ধরা পরে ও আয়রনস কোরম্যাককে গুলি করে আহত করে কিন্তু অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে কোরম্যাক মারা যায় এবং মিচেলের কৃত্রিম হাত নষ্ট করে দেয়। কোরম্যাকের মৃত্যুর পর তারা জানতে পারে আয়রনস বিশ্বজুড়ে সব সামরিক ঘাঁটিতে ম্যান্টিকোরভর্তি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে যাচ্ছে। অস্ত্রসজ্জিত বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে মিচেল ও গিডিয়ন অ্যাটলাস সদর দপ্তরে আক্রমণ চালিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে। তারা আয়রনসকে ধরে ফেলে, কিন্তু সে তাদের এক্সোস্কেলেটন নষ্ট করে দেয়। মিচেল তাকে ধাওয়া করে ভবনের ধারে ফেলে দেয়; আয়রনস মিচেলের কৃত্রিম হাতে ঝুলে থাকে, কিন্তু মিচেল হাতটি কেটে ফেলে যার ফলে তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। গিডিয়ন মিচেলকে টেনে তোলে, আর মিচেল উপলব্ধি করে যে অ্যাটলাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এখানেই শেষ নয়।
চরিত্র
[সম্পাদনা]প্রধান চরিত্র
[সম্পাদনা]- জ্যাকসন মিচেল: একজন মার্কিন নৌসেনা যে ২০৫৪ সালের কোরীয় যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু যুদ্ধের সময় একটি ধারালো লোহার টুকরার আঘাতে সে তার বাম হাত হারায়, যার ফলে তাকে সামরিক বাহিনী থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। এই ঘটনার পর তার একটি কৃত্রিম হাত পাওয়ার পর সে অ্যাটলাস কর্পোরেশনে যোগ দেয়। জোনাথন আয়রনসের অধীনে কাজ করতে গিয়ে সে বুঝতে পারে অ্যাটলাসের কুকীর্তি এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে এই প্রতিষ্ঠান সমগ্র বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। তাই সে এক পর্যায়ে বিশ্বশান্তি রক্ষার জন্য অ্যাটলাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে।
- জোনাথন আয়রনস: উইলের পিতা ও বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী বেসরকারী সামরিক প্রতিষ্ঠান অ্যাটলাস কর্পোরেশনের এর প্রধান । প্রথমে সে সকলের কাছে বিশ্ব মানবতার রক্ষাকর্তা হিসেবে পরিচিতি পেলেও পরে মিচেল ও তার সঙ্গীরা বুঝতে পারে যে তার আসল উদ্দেশ্য পুরো পৃথিবীকে সম্পূর্ণ নিজের নিয়ন্ত্রণে আনা।
- উইলিয়াম রবার্ট আয়রনস: এই গেমে সে উইল নামে সর্বাধিক পরিচিত। এক মার্কিন নৌসেনা ও মিচেলের সবচেয়ে কাছের বন্ধু যে সিউল আক্রমণের সময় প্রথম দিনেই মারা যায়।
- কোরম্যাক: মার্কিন নৌসেনাবাহিনীর এক সদস্য যে ২০৫৪ সালের উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার যুদ্ধের সময় মিচেলের প্লাটূনের নেতৃত্ব দেয়। যুদ্ধের পর সে পরে সেনটিনেল টাস্ক ফোর্সের প্রধান হিসাবে নির্বাচিত হয় ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অনুগত থেকে অ্যাটলাসের এর দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চালায়।
- আজানী: নাইজেরিয়ান সেনাবাহিনীর এক সদস্য যে অ্যাটলাসের সহায়তায় নাইজেরিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
- স্যামুয়েল আবিদোয়ো: নাইজেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী।
- গিডিয়ন: অ্যাটলাসের এক সিনিয়র অপারেটিভ, দক্ষ ও প্রভাবশালী সৈনিক। শুরুতে আয়রনসের প্রতি অনুগত থাকলেও পরে সত্য উপলব্ধি করে মিচেল ও সেনটিনেলের সঙ্গে যোগ দেয়।
- ইলোনা: সাবেক এক রুশ স্পেতসনাজ সৈনিক যে পরে অ্যাটলাসের এ এলিট অপারেটিভ হিসেবে যোগ দেয়। সে বুদ্ধিমতী, কৌশলী ও ন্যায়পরায়ণ। একদিন আয়রনসের ভয়ংকর ষড়যন্ত্র প্রকাশ পাওয়ার পর মিচেলের সঙ্গে অ্যাটলাস থেকে বেরিয়ে আসে।
- নক্স: সেনটিনেলের গোয়েন্দা ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ যে অ্যাটলাসের বিরুদ্ধে অভিযানে মিচেলকে সহায়তা করে। একদিন অ্যাটলাস যখন ম্যান্টিকোর নামে একটি জৈব-অস্ত্র ব্যবহার করে তখন সে নিহত হয়।
- জোসেফ চখেইদজে: এই গেমে সে হেডিস নামে সর্বাধিক পরিচিত। এক কুখ্যাত সন্ত্রাসী সংগঠন কেভিএ–এর প্রধান ও সাবেক চেচেন বিচ্ছিন্নতাবাদী যে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার মাধ্যমে বিশ্বে একটি বিশৃঙ্খলা পরিবেশ তৈরি করে। সান্তোরিনিতে মিচেলের হাতে নিহত হয়, তবে মৃত্যুর আগে আয়রনস সম্পর্কে সতর্ক করে।
- পিয়ের দানোয়ি: কেভিএ–র এক উচ্চপদস্থ বিজ্ঞানী ও হেডিসের প্রধান সহযোগী যে আয়রনসের সঙ্গে মিলে ম্যান্টিকোর নামে এক ভয়ঙ্কর জৈব-অস্ত্র তৈরি করে।
অপ্রধান চরিত্র
[সম্পাদনা]- জিম হার্পার: মিচেল ও উইলের সহকর্মী মার্কিন নৌসেনা যে ২০৫৪ সালের কোরীয় যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
- জোনাথন রেইনার: এই গেমে ম্যাচেট নামে সর্বাধিক পরিচিত। অ্যাটলাসের এক বিশেষজ্ঞ সৈনিক যে মূলত ট্যাকটিক্যাল সাপোর্টে সহায়তা করে।
- বেল্লিন: অ্যাটলাসের এক সৈনিক যে বিভিন্ন অভিযানে মিচেলকে সহায়তা করে।
- ম্যাকডনেল: মার্কিন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ও সেনটিনেল বাহিনীর এর প্রধান।
- জোকার: অ্যাটলাসের সদস্য।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 Karmali, Luke (২ মে ২০১৪)। "Call of Duty: Advanced Warfare Platforms Revealed"। IGN। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৪।
- ↑ Reilly, Luke (১ মে ২০১৪)। "Call of Duty: Advanced Warfare Trailer and Details Leaked"। IGN। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০১৪।
- ↑ "GAME - Call of Duty: Advanced Warfare"। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০১৪।