কলমকারি
| ভৌগোলিক নির্দেশক | |
|---|---|
| কলমকারি | |
| বর্ণনা | কলমকারি একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী বস্ত্রশিল্প |
| অঞ্চল |
|
| দেশ | ভারত |
| নথিবদ্ধ |
|
| উপাদান | সুতির কাপড়, বাঁশের কলম, কাঠের ছাঁচ, প্রাকৃতিক রঙ |
| প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট | ipindia.gov.in |
কলমকারি হল একটি প্রাচীন বস্ত্র মুদ্রণ শিল্প, যার শিকড় আছে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ রাজ্যে। এই প্রাচীন বস্ত্র মুদ্রণ শিল্পটি প্রায় ৩০০০ বছর আগে অন্ধ্র প্রদেশে বিকশিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়। বিজয়নগর সাম্রাজ্যের কালে ভারতের দক্ষিণে কলমকারি জনপ্রিয়তা অর্জন করে। কলম শব্দের অর্থ 'লেখনী' এবং কারি শব্দের অর্থ 'শিল্প'। দাক্ষিণাত্য অঞ্চলে মুঘলরা তাদের রাজত্বকালে এই শিল্প শুরু করেছিল এবং তারা এই নামটি দিয়েছিল। কলমকারিতে শুধুমাত্র প্রাকৃতিক রং ব্যবহার করা হয়, যার তৈরিতে তেইশটি ধাপ রয়েছে।[১][২][৩] কলমকারির দুটি প্রধান ধরণ রয়েছে। একটি হল অন্ধ্রপ্রদেশের মসুলিপত্তনম শহরে প্রচলিত ব্লক ছাপা এবং শ্রীকালহস্তি শহরে ব্যবহৃত হস্ত অঙ্কিত চিত্র।
শ্রীকালহস্তি কলমকারী শৈলীতে কলম বা লেখনী ব্যবহার করে মুক্ত হাতে (ফ্রি হ্যাণ্ড) বিষয়বস্তুর অঙ্কন এবং রঙ পূরণ করা হয়। এটি সম্পূর্ণরূপে হাতে তৈরি। এটি অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি জেলার শ্রীকালহস্তিতে উৎপাদিত হয়। অনন্য ধর্মীয় পরিচয় তৈরির ওপর কেন্দ্র করে, এই রীতি মন্দিরগুলিতে বিকশিত হয়েছিল। এগুলি স্ক্রোল, মন্দিরের ঝুলন্ত জিনিসপত্র, রথের ব্যানারে দেখা যেত। এখানে দেবদেবীদের চিত্র এবং হিন্দু মহাকাব্য (যেমন রামায়ণ, মহাভারত এবং পুরাণ) থেকে নেওয়া দৃশ্যগুলিতে প্রদর্শিত হত। কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়ের উদ্যোগের জন্য এই শৈলী বর্তমান মর্যাদা পেয়েছে, কমলাদেবী সর্বভারতীয় হস্তশিল্প বোর্ডের প্রথম চেয়ারপারসন হিসেবে এই শিল্পকে জনপ্রিয় করেছিলেন।[৪]
মসুলিপত্তনম শৈলীর কলমকারি বা পেদানা কলমকারির কাজে কাপড়ে উদ্ভিজ্জ রঙ ব্যবহার করে ব্লক-ছাপা হয়।[৫] এটি অন্ধ্র প্রদেশের কৃষ্ণা জেলার মসুলিপত্তনম শহরে উৎপাদিত হয়। এটি ১৯৯৯ সালের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন অনুসারে হস্তশিল্প পণ্যের অধীনে অন্ধ্রপ্রদেশের একটি ভৌগোলিক নির্দেশক হিসাবে নিবন্ধিত হয়েছিল।[৬]
ব্যুৎপত্তি
[সম্পাদনা]ঐতিহাসিকভাবে, কলমকারিকে পটচিত্র বলা হত, এই শিল্পরূপটি এখনও ভারতের ওড়িশা ও অন্যান্য অংশে এবং নেপালে দেখতে পাওয়া যায়। পটচিত্র (সংস্কৃত : पट्टचित्र) শব্দটির অনুবাদ করলে পাওয়া যায় "পট্ট" অর্থ "কাপড়", এবং "চিত্র" অর্থ "ছবি"।[৭] প্রাচীন হিন্দু, বৌদ্ধ এবং জৈন সাহিত্যে কাপড় এবং কাপড়ের স্ক্রোলের উপর তৈরি চিত্রকর্মের উল্লেখ পাওয়া যায়।[৮][৯]
দক্ষিণ ভারতে মধ্যযুগীয় ইসলামিক শাসনের অধীনে "কলমকারি" শব্দটির উৎপত্তি হয়েছিল। ফার্সি শব্দ কলম -এর অর্থ "লেখনী" এবং "কারি"-র অর্থ "কারিগরি দক্ষতা"। গোলকুণ্ডা সাম্রাজ্যের পৃষ্ঠপোষকতায় এই শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।[১০]

কলমকারি একটি প্রাচীন বস্ত্র মুদ্রণ শিল্প যা প্রায় ৩০০০ বছর আগে অন্ধ্র প্রদেশ রাজ্যে বিকশিত হয়েছিল।[১১] হরপ্পার প্রাচীন স্থানে একটি রূপালী ফুলদানিতে একটি প্রতিরোধী রঙ (এমন একটি প্রণালী যেখানে কাপড়ের নির্দিষ্ট কিছু অংশে রঞ্জক পদার্থ পৌঁছোতে বাধা দিয়ে নকশা তৈরি করা হয়) দেওয়া কাপড়ের টুকরো আবিষ্কার নিশ্চিত করে যে কলমকারির ঐতিহ্য অত্যন্ত প্রাচীন। কলমকারি শৈলীর উৎপত্তি মসুলিপত্তনমে। চিত্রকর নামে পরিচিত সঙ্গীতজ্ঞ এবং চিত্রশিল্পীরা গ্রামবাসীদের হিন্দু পুরাণের গল্প শোনাতে আসতেন। তাঁরা তাঁদের বিবরণগুলি বোঝানোর জন্য ঘটনাস্থলে বড় ক্যানভাসের বোল্ট ব্যবহার করে অঙ্কিত করতেন, তাঁরা গাছপালা থেকে প্রাপ্ত রঞ্জক পদার্থ ব্যবহার করতেন। একইভাবে, হিন্দু মন্দিরগুলিতে পাওয়া যায় এমন কলমকারির বৃহৎ প্যানেল যেগুলি হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী এবং মূর্তিতত্ত্বের পর্বগুলি চিত্রিত করে, সেগুলি বৌদ্ধ থাংকা চিত্রকর্মের অনুরূপ।

করমণ্ডল এবং গোলকুণ্ডা প্রদেশে এই শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতাকারী মুঘলরা এই শিল্পের অনুশীলনকারীদের "কোয়ালমকার" বলে অভিহিত করতেন, যার থেকে "কলমকারি" শব্দটির উদ্ভব হয়েছিল।[১২] অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণা জেলার মসুলিপত্তনমের কাছে পেদানায় তৈরি পেদানা কলমকারি শিল্প মুঘল এবং গোলকুন্ডা সাম্রাজ্যের পৃষ্ঠপোষকতায় বিকশিত হয়েছিল। উক্ত পৃষ্ঠপোষকতার কারণে, এই বিদ্যালয়টি ইসলামী শাসনকালে ফার্সি শিল্প দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। [১০]
শৈলী
[সম্পাদনা]শ্রীকালহস্তি কলমকারি

কালহস্তি শৈলী তিরুপতি জেলার শ্রীকালহস্তিতে উৎপাদিত হয়। বিষয়বস্তুর মুক্ত হাতে অঙ্কন এবং রঙ পূরণের জন্য একটি কলম বা লেখনী ব্যবহার করা হয় এবং এটি সম্পূর্ণরূপে হাতে তৈরি। এই শৈলীর অঙ্কন মন্দিরগুলির স্ক্রোল, মন্দিরের ঝুলন্ত জিনিসপত্র, রথের ব্যানার, দেবদেবীদের চিত্র এবং হিন্দু মহাকাব্য থেকে নেওয়া দৃশ্যগুলিতে ব্যবহৃত হয়। ফলস্বরূপ, এর একটি স্বতন্ত্র ধর্মীয় পরিচয় রয়েছে এবং এটি পৌরাণিক বিষয়বস্তু দিয়ে সমৃদ্ধ। কাপড়ের ওপর রঙের আকর্ষণীয় মিশ্রণ করে সাধারণত ভারতীয় পুরাণের ব্রহ্মা, সরস্বতী, গণেশ, দুর্গা, শিব এবং পার্বতীর মতো দেবত্বের মূর্তিগুলি চিত্রিত করা হয়। কালহস্তী শিল্পীরা সাধারণত কাপড়ের ওপর দেবতাদের চিত্র, রামায়ণ, মহাভারত, পুরাণ এবং অন্যান্য পৌরাণিক ধ্রুপদী দৃশ্যগুলি চিত্রিত করেন এবং প্রধানত পুস্তক, মন্দিরের পেছনের কাপড়, দেয়ালের ঝুলন্ত জিনিসপত্র, রথের ব্যানার এবং অনুরূপ জিনিসপত্র তৈরি করেন।
প্রাচীনকালে, সাধারণ মানুষ এই চিত্রকর্মগুলি থেকে দেব-দেবীদের সম্বন্ধে এবং তাদের পৌরাণিক চরিত্র সম্পর্কে জানতে পারত। চিত্রকট্টি নামে পরিচিত গায়ক, সঙ্গীতজ্ঞ এবং চিত্রশিল্পীদের দল গ্রাম থেকে গ্রামে ঘুরে হিন্দু পুরাণের গল্পগুলি বর্ণনা করত। কালক্রমে, ইতিহাসের ধারায়, তারা তাদের বিবরণগুলি ঘটনাস্থলেই বৃহৎ ক্যানভাসে চিত্রিত করত, তারা প্রাথমিক উপকরণ এবং উদ্ভিদ থেকে প্রাপ্ত রঞ্জক পদার্থ ব্যবহার করত। মনে করা হয়, এটিই ছিল প্রথম কলমকারী শিল্প।[১১] ১৯৯৯ সালের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন অনুসারে হস্তশিল্প পণ্যের অধীনে অন্ধ্রপ্রদেশের ভৌগোলিক নির্দেশকগুলির মধ্যে কলমকারী একটি শিল্পরূপ হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছিল।
মসুলিপত্তনম কলমকারি (পেদানা কলমকারি)

মসুলিপত্তনম থেকে মাত্র ১৩ কিমি দূরে অবস্থিত পেদানা একটি ছোট শহর। মসুলিপত্তনমের চিত্রকর্মগুলি ফার্সি চরিত্রের, কারণ এগুলি মুঘল এবং গোলকুণ্ডা সাম্রাজ্যের পৃষ্ঠপোষকতা ও সান্নিধ্য পেয়েছিল। এখানে হিন্দু ধর্মের ধর্মীয় নকশা ব্যবহার নিষিদ্ধ ছিল। এই শিল্পের ঐতিহ্যবাহী ব্লক প্রিন্টগুলিতে মূলত ফার্সি মোটিফ ব্যবহার করা হয় যেমন পাতা ও ফুলের অন্তঃগ্রন্থন, গাড়ির চাকা, পদ্ম ফুলের বিভিন্ন রূপ, লতা, তোতাপাখি এবং ময়ূরের মতো পাখি এবং অন্যান্য জটিল পাতার নকশা। তাদের কাছে খুবই জনপ্রিয় একটি বিষয় হল জীবনবৃক্ষ। তাদের প্রধান উৎপাদনের মধ্যে আছে টেবিল ও বিছানার চাদর, পর্দা, পোশাকের উপাদান, স্কার্ফ, ফাইল ও ব্যাগের কভার, কুশন কভার ও ওয়াল হ্যাঙ্গিং। ১৬৮৭ সালে আওরঙ্গজেব এই অঞ্চল জয় করার পর, মুঘল সাম্রাজ্যের আবির্ভাবের সাথে সাথে, মসুলিপত্তনমের কাজে একটি নতুন শৈলীর আবির্ভাব ঘটে। সম্রাটদের ব্যক্তিগত প্রতিকৃতির পাশাপাশি তাদের শাসন, দৈনন্দিন জীবনের কাহিনী এবং তাদের দরবারের সমৃদ্ধি চিত্রিত প্যানেল তৈরি হতে শুরু করে।[১১]
মধ্যযুগের রূপ
[সম্পাদনা]মধ্যযুগে, কলমকারী শব্দটি ভারতের অনেক অঞ্চলে উৎপাদিত উদ্ভিজ্জ রঞ্জক পদার্থ দিয়ে মুক্ত-হস্ত এবং ব্লক-ছাপা প্যাটার্নযুক্ত যে কোন সুতির কাপড় তৈরিকে বোঝাতেও ব্যবহৃত হত। যেসব জায়গায় কাপড় ব্লক প্রিন্ট করা হয়, সেখানে সূক্ষ্ম বিবরণ আঁকতে এবং কিছু রঙ প্রয়োগের জন্য কলম (লেখনী) ব্যবহার করা হয়।[১৩]
কৌশল
[সম্পাদনা]কলমকারি তৈরির প্রথম ধাপ হল কাপড়কে অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট এবং মহিষের দুধে ডুবিয়ে রোদে শুকোনো।[১৪] এরপর, বিশেষ পদার্থ দিয়ে নকশার লাল, কালো, বাদামী এবং বেগুনি অংশগুলির বাইরের পরিসীমা আঁকা হয় এবং তারপর কাপড়টি অ্যালিজারিনে ডোবানো হয়।[১৪] পরবর্তী ধাপ হল, নীল রঙ করার অংশগুলো বাদে কাপড়টি মোম দিয়ে ঢেকে দেওয়া এবং নীল রঙে কাপড় ডুবিয়ে দেওয়া। এরপর মোমটি ঘষে বের করে বাকি অংশগুলো হাতে রঙ করা হয়,[১৪] ইন্দোনেশিয়ান বাটিকের মতো।
নকশার রূপরেখা তৈরি করতে, শিল্পীরা বাঁশ বা খেজুরের কাঠির এক প্রান্ত সূঁচালো করে এবং সেখানে সূক্ষ্ম চুলের একটি আঁটি সংযোজিত করে, যেটি ব্রাশ বা কলম হিসেবে কাজ করে।[১৫] এই কলম একটি একটি করে গুড় এবং জলের মিশ্রণে ভিজিয়ে রাখা হয়; এবং তারপর উদ্ভিজ্জ রঙ যোগ করা হয়।
ইরানে, নকশা করা কাঠের স্ট্যাম্প ব্যবহার করে কাপড় মুদ্রিত হয়।[১৬]
রঙ ঠিক করা
[সম্পাদনা]বিভিন্ন শিকড়, পাতা এবং লোহা, টিন, তামা এবং ফিটকিরির খনিজ লবণ থেকে রঙ বের করে কাপড়ের জন্য রঞ্জক পদার্থ তৈরি করা হয়।[১৫] প্রাকৃতিক রঞ্জক পদার্থ তৈরির জন্য গোবর, বীজ, গাছের ডাল এবং চূর্ণবিচূর্ণ ফুল ব্যবহার করে বিভিন্ন রঙ পাওয়া যায়। মহিষের দুধের পাশাপাশি, কলমকারিতে মাইরোবালান ব্যবহার করা হয়। মহিষের দুধের অদ্ভুত গন্ধ দূর করতেও মাইরোবালান ব্যবহার করা হয়। মাইরোবালানে পাওয়া ফিক্সিং মাধ্যমগুলি কাপড়ের প্রক্রিয়াকরণের সময় সহজেই কাপড়ের রঞ্জক বা রঙ ঠিক করতে পারে। প্রাকৃতিক রঙ তৈরিতে এবং কাপড় পরিষ্কার করার সময়ও ফিটকিরি ব্যবহার করা হয়। কলমকারি কাপড়ে রঙের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে ফিটকিরি।
বিষয়বস্তু
[সম্পাদনা]কলমকারি বিশেষভাবে রামায়ণ বা মহাভারতের মতো মহাকাব্যগুলিকে চিত্রিত করে। তবে, বুদ্ধ এবং বৌদ্ধ শিল্পকলা চিত্রিত করার জন্য কলমকারি কৌশলের সাম্প্রতিক প্রয়োগ দেখা যাচ্ছে।[১৭] সাম্প্রতিক সময়ে, অনেক নান্দনিকভাবে ভালো ব্যক্তিত্ব যেমন বাদ্যযন্ত্র, ছোট প্রাণী, ফুল, বুদ্ধ এবং স্বস্তিকার মতো কিছু হিন্দু প্রতীকও কলমকারির সাথে পরিচিত হয়েছে।[১৮]
আধুনিক সময়
[সম্পাদনা]সমসাময়িক কলমকারি কৌশলগুলিতে অতীতের থেকে বিভিন্ন বিচ্যুতি দেখা যায়। মসুলিপত্তনমে, মর্ডান্ট এখন একটি ব্লকের সাহায্যে সমানভাবে মুদ্রিত হয়। নীল রঙ করা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং কলমের মোম প্রতিরোধের প্রয়োগও বন্ধ হয়ে গেছে। কালো রঙে রূপরেখা তৈরির জন্য ব্যবহৃত মর্ডান্ট অপরিবর্তিত রয়েছে, তবে আয়রন অ্যাসিটেটের ক্ষয়কারী গুণাবলী জানা সত্ত্বেও, বৃহত্তর অংশ কালো রঙ করার জন্য নীলের পরিবর্তে সেটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
আজকাল, ভারতে, কলমকারি ছাপার সিল্ক, মলমল, সুতি এবং সিন্থেটিক শাড়িও বিক্রি হয়। প্রচলিত কলমকারি কাজের তুলনায় মুদ্রণ অনেক সহজ কাজ। কলমকারি ওড়না এবং ব্লাউজের কাপড় ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে জনপ্রিয়।
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]- পালামপুর – কলমকারি কৌশল ব্যবহার করে তৈরি বিছানার চাদর এবং দেওয়ালে ঝোলানোর জিনিসপত্র
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Kalamkari: An Ancient Style of Hand Painting"। Utsavpedia (Circular reference) (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১২ জুন ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৩ অক্টোবর ২০২০।
- ↑ "Fine Craftsmanship: A crash course on 8 art and craft traditions from India"। Architectural Digest India (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৭ জুন ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০২০।
- ↑ Bajpai, Ishita (২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "Watch: Learn About Different 'Lok Kalas' Of India"। ED Times | Youth Media Channel (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০২০।
- ↑ Abraham, David (১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭)। ". The revivalist woman behind All India Handicrafts Board and Central Cottage Industries Emporia"। India Today (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০।
- ↑ "Kalamkari back in demand"। The Hindu। Tirupati। ২৫ অক্টোবর ২০১০। ১০ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Registration Details of Geographical Indications" (পিডিএফ)। Intellectual Property India, Government of India। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মে ২০১৯।
- ↑ "History of Kalamkari Fabrics"। www.indianmirror.com। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০২০।
- ↑ Ray, Himanshu Prabha (২০০৪)। "Far-flung fabrics – Indian textiles in ancient maritime trade"। Textiles in Indian Ocean Societies। Routledge। পৃ. ৩১। আইএসবিএন ১১৩৪৪৩০৪০X।
- ↑ Devare, Hema (২০০৯)। "Cultural implications of the Chola maritime fabric trade with Southeast Asia"। Nagapattinam to Suvarnadwipa: Reflections on the Chola Naval Expeditions to Southeast Asia। Institute of Southeast Asian Studies। পৃ. ১৮৫। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮১২৩০৯৩৭২।
- 1 2 "Indian Painting"। Indian Culture and Heritage (পিডিএফ)। National Institute of Open Schooling। ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৭।
- 1 2 3 "Kalamkari, the Art of Painting with Natural Dyes" (পিডিএফ)।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Bhatnagar, Parul। "Kalamkari"। Traditional Indian Costumes and Textiles। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১১।
- ↑ "Kalamkari Sarees and Their Evolution"। Star of Mysore (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ জুলাই ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৭ অক্টোবর ২০২০।
- 1 2 3 Sardar, Marika (অক্টোবর ২০০৩)। "Indian Textiles: Trade and Production"। Heilbrunn Timeline of Art History। Metropolitan Museum of Art।
- 1 2 "Paintings: Kalamkari Paintings"। Indian Heritage। এপ্রিল ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০১৬।
- ↑ Held, Colbert C. (২০০৬)। Middle East patterns: places, peoples, and politics। Westview Press। আইএসবিএন ০-৮১৩৩-৪১৭০-১।
- ↑ Naidu, T. Appala (২০ জুলাই ২০১৫)। "Techie's Twist to Kalamkari"। The Hindu।
- ↑ "Indian Art Form: Kalamkari"। Art Lounge (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৬ এপ্রিল ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০২৫।
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]- কোসাক, স্টিভেন (১৯৯৭)। ভারতীয় দরবারের চিত্রকর্ম, ১৬শ-১৯শ শতাব্দী। মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্ট। আইএসবিএন ০৮৭০৯৯৭৮৩১। (সূচী দেখুন: পৃ. ১৪৮–১৫২)