কর্দোবা মসজিদ–ক্যাথেড্রাল

স্থানাঙ্ক: ৩৭°৫২′৪৫.১″ উত্তর ০৪°৪৬′৪৭″ পশ্চিম / ৩৭.৮৭৯১৯৪° উত্তর ৪.৭৭৯৭২° পশ্চিম / 37.879194; -4.77972
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কর্দোবা মসজিদ–ক্যাথেড্রাল
ক্যাথিড্রাল অফ আওয়ার লেডি অফ দ্য অ্যাসাম্পশন
Mezquita-Catedral de Córdoba
Mezquita de Córdoba desde el aire (Córdoba, España).jpg
কর্দোবা মসজিদ–ক্যাথেড্রাল স্পেন-এ অবস্থিত
কর্দোবা মসজিদ–ক্যাথেড্রাল
কর্দোবা মসজিদ–ক্যাথেড্রাল
কর্দোবার অবস্থান
কর্দোবা মসজিদ–ক্যাথেড্রাল ইউরোপ-এ অবস্থিত
কর্দোবা মসজিদ–ক্যাথেড্রাল
কর্দোবা মসজিদ–ক্যাথেড্রাল
কর্দোবার অবস্থান
৩৭°৫২′৪৫.১″ উত্তর ০৪°৪৬′৪৭″ পশ্চিম / ৩৭.৮৭৯১৯৪° উত্তর ৪.৭৭৯৭২° পশ্চিম / 37.879194; -4.77972
অবস্থানকর্দোবা, আন্দালুসিয়া
দেশস্পেন
মণ্ডলীখ্রিস্টান (রোমান ক্যাথলিক)
Previous denominationইসলাম
ওয়েবসাইটmezquita-catedraldecordoba.es/en/
ইতিহাস
যার জন্য উৎসর্গিতকুমারী মেরি
স্থাপত্য
মর্যাদাক্যাথেড্রাল
সক্রিয়তাএখনও ব্যবহৃত
স্থাপত্যশৈলীগির্জা, মসজিদ
শৈলীমুর, রেনেসাঁ
ভূমিখননের তারিখ৭৮৫ (মসজিদ হিসাবে)
নির্মাণকাজ সমাপ্তির তারিখ১৬ শতাব্দী (গির্জা হিসাবে সর্বশেষ সংস্কার)
প্রশাসন
ধর্মপাল রাজ্যকর্দোবা ধর্মপাল রাজ্য
প্রাতিষ্ঠানিক নামকর্দোবার ঐতিহাসিক কেন্দ্র
মানদণ্ডসাংস্কৃতিক: ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ
সূত্র৩১৩
তালিকাভুক্তকরণ১৯৮৪ (৮ম সভা)

কর্দোবা মসজিদ–ক্যাথেড্রাল[১][২] (স্পেনীয়: Mezquita-Catedral de Córdoba), যাজকীয় নাম ক্যাথেড্রাল অফ আওয়ার লেডি অফ দ্য অ্যাসাম্পশন (Cathedral of Our Lady of the Assumption; স্পেনীয়: Catedral de Nuestra Señora de la Asunción[৩]), কর্দোবার রোমান ক্যাথলিক ধর্মপাল রাজ্যের একটি ক্যাথেড্রাল (গির্জা) যেটি মেরির অনুমানে উৎসর্গীকৃত এবং আন্দালুসিয়ার স্পেনীয় অঞ্চলে অবস্থিত।[৪] পূর্বে এটি মুসলিমদের মসজিদ হিসাবে ব্যবহৃত হওয়ার কারণে স্পেনীয় ভাষায় মেজকিতা[৫][৬] (Mezquita) এবং কর্দোবার মহা মসজিদ (Great Mosque of Córdoba; স্পেনীয়: Mezquita de Córdoba)[৭][২][৮] বা আরবিতে কুরতুবা মসজিদ (আরবি: مسجد القرطبة‎‎ Masjid al-Qurtubah) নামেও পরিচিত।

প্রথাগত বিবরণ অনুসারে সারাগোসার সেন্ট ভিনসেন্টের ক্যাথলিক খ্রিস্টান ব্যাসিলিকা নামক একটি ভিসিগথীয় গির্জা মূলত বর্তমান মসজিদ–ক্যাথিড্রালটির জায়গায় দাঁড়িয়েছিল, যদিও বর্ণনাটি ইতিহাসবেত্তাদের দ্বারা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।[৯] ৭৮৫ খ্রিস্টাব্দে প্রথম আবদুর রহমানের নির্দেশে গ্রেট মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল, যখন কর্দোবা ছিল আল-আন্দালুসের মুসলিম নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের রাজধানী। ১০ম শতকের শেষ পর্যন্ত আবদুর রহমানের উত্তরসূরিদের অধীনে এটি একাধিকবার সম্প্রসারিত হয়েছিল। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সংযোজনগুলোর মধ্যে তৃতীয় আবদুর রহমান একটি মিনার (৯৫৮ সালে সমাপ্ত) এবং তাঁর পুত্র দ্বিতীয় আল-হাকাম একটি সমৃদ্ধভাবে সজ্জিত নতুন মিহরাব ও মাকসুরা (৯৭১ সালে সমাপ্ত) সংযোজন করেন। ১২৩৬ সালে রিকনকোয়েস্টা এর সময় ক্যাস্টিলের খ্রিস্টান বাহিনী কর্দোবা দখল করে নিলে মসজিদটি ক্যাথেড্রালে রূপান্তরিত হয়। ১৬ শতকের একটি বড় নির্মাণ প্রকল্পে রেনেসাঁ স্থাপত্যের আদলে একটি নতুন মূল অংশ ও পার্শ্বদেশ সংযোজন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কাঠামোটি কেবল ছোটখাটো পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। এই সময়ে বেল টাওয়ারে রূপান্তরিত প্রাক্তন মিনারটিও উল্লেখযোগ্যভাবে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল। ১৯ শতকে শুরু করে আধুনিক পুনরুদ্ধারের ফলে ইমারতটির কিছু ইসলামি যুগের উপাদান পুনরুদ্ধার ও অধ্যয়ন করা হয়েছে।[১০] আজ ইমারতটি শহরের ক্যাথেড্রাল হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং সেখানে প্রতিদিন ব্যাপক জনসামাগম (খ্রিস্টান অনুষ্ঠান) হয়।[১১]

মসজিদ কাঠামোটিকে ইসলামি স্থাপত্যের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিস্তম্ভ হিসাবে বিবেচনা করা হয় এবং অনেক পণ্ডিত একে মুসলিম বিশ্বের পশ্চিম ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের পরবর্তী "মুরিশ" স্থাপত্যের উপর অত্যন্ত প্রভাবশালী বলে মনে করেন।[১২][১৩][১৪]:২৮১–২৮৪ এটি স্পেনের অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ এবং পর্যটন আকর্ষণ,[১৫] পাশাপাশি ১৯৮৪ সাল থেকে একটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান[১৬]

২০০০-এর দশকের মুসলিম প্রচারণা[সম্পাদনা]

স্পেন জুড়ে মুসলিমরা ক্যাথলিক মণ্ডলীর কাছে দাবি জানিয়েছে যাতে তাঁরা মসজিদ কমপ্লেক্সে মুসলিমদের প্রার্থনা করার অনুমতি দেয়, স্পেনের ইসলামিক কাউন্সিল ভ্যাটিকানের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানায়।[১৭][১৮] যাইহোক, স্পেনীয় গির্জা কর্তৃপক্ষ ও ভ্যাটিকান এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছে।[১৯] মুসলিমদের প্রার্থনা করতে সবসময় স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ ছিল না এবং অতীতে প্রতীকী উদ্দেশ্যে নামাজ পড়ার কিছু ঘটনাও ঘটেছে, যার মধ্যে রয়েছে ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে মসজিদের মিহরাবে সাদ্দাম হোসেনের নামাজ আদায়।[২০][২১]

ক্যাথেড্রালের জন্য এই লড়াইসমূহ স্পেনীয় ইতিহাস এবং স্পেনীয় পরিচয় গঠনের একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতার দৃশ্যকে প্রতিফলিত করে।[২২]

মালিকানা বিরোধ[সম্পাদনা]

ভবনটি প্রথমবারের মতো ২০০৬ সালে কর্দোবার ক্যাথেড্রাল কাবিল্দো দ্বারা আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত হয়েছিল, ১৯৪৬ সালের লেই হিপোটেকেরিয়ার ২০৬ নং অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে (যার সাংবিধানিকতা প্রশ্নবিদ্ধ)।[২৩] খ্রিস্টীয় ধর্মপাল রাজ্য কখনোই ভবনের মালিকানার আনুষ্ঠানিক স্বত্ব উপস্থাপন করেনি বা আদালতও কখনো খ্রিস্টানদের দ্বারা দীর্ঘস্থায়ী অধিকরণের ভিত্তিতে মসজিদের জোরপূর্বক দখলের অনুমোদনের জন্য বিচারিক দণ্ডাদেশ প্রদান করেনি। এর একমাত্র আইনি যুক্তি হলো ১২৩৬ সালের পর খ্রিস্টান পাদ্রিদের দ্বারা গির্জার "পবিত্রকরণ", কারণ সেই সময়ে ভবনের মেঝেতে ছাইয়ের ক্রুশ আকৃতির একটি প্রতীক আঁকা ছিল বলে জানা যায়।[২৪] মসজিদ–ক্যাথিড্রালের যাজকীয় মালিকানার সমর্থকেরা খ্রিস্টীয় মণ্ডলী দ্বারা ভবনটির বর্তমান শান্তিপূর্ণ খ্রিস্টীয় অধিকরণের ভিত্তিতে যুক্তি প্রদান করে, অপরদিকে ভবনটিতে জনগণের মালিকানার সমর্থকেরা যুক্তি দেয় যে মসজিদ–ক্যাথিড্রালটি কখনোই একটি রাষ্টীয় সম্পত্তির বাইরে যায়নি, কারণ অধিগ্রহণের পর তা প্রাথমিকভাবে ক্যাস্টিলের সিংহাসনের (এবং এরপর থেকে স্পেনীয় রাজ্য) তত্ত্বাবধানে ছিল।[২৫]

২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কর্দোবার মেয়র স্পেনীয় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক দলের নেত্রী ইসাবেল আমব্রোসিও মসজিদ–ক্যাথেড্রালে পাবলিক ও শেয়ার্ড ম্যানেজমেন্টের একটি মডেলকে সমর্থন করেন।[২৬][২৭] ২০১৯ সালের জুলাইয়ে কর্দোবার মেয়র জনতা দলের হোসে মারিয়া বেলিদো মালিকানা অধিকার তদন্তকারী একটি কমিশনের কাজ বন্ধ করে দেন, বলেন যে 'এটি ক্যাথলিক উপাসনার জন্য সংরক্ষিত থাকা উচিত'। তিনি উল্লেখ করেন, "এই কমিশনের কোনো প্রশাসনিক কাজ নেই এবং এটিকে পুনরায় সক্রিয় করার কোনো উদ্দেশ্য আমার নেই।"[২৮]

প্রভাব[সম্পাদনা]

জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে[সম্পাদনা]

দক্ষিণ এশীয় মুসলিম দার্শনিক ও কবি মুহাম্মদ ইকবাল, যিনি ব্যাপকভাবে পাকিস্তান আন্দোলনকে অনুপ্রাণিত করেন বলে বিবেচিত, ১৯৩১-৩২ সালে কর্দোবার গ্রেট ক্যাথেড্রাল পরিদর্শন করেছিলেন। তিনি কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করেছিলেন যেন তিনি ক্যাথেড্রালে একবার আযান দিতে পারেন, এমনকি সেখানে ইকবালকে প্রার্থনা করার অনুমতিও দেওয়া হয়েছিল। মসজিদটি তাঁর মধ্যে যে গভীর আবেগপূর্ণ প্রতিক্রিয়া জাগিয়েছিল তা তাঁর "মসজিদে কুরতাবা" কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে। আল্লামা ইকবাল এটিকে ইসলামের একটি সাংস্কৃতিক স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে নিরুপন করেছেন এবং বর্ণনা করেছেন:[২৯]

শিল্প প্রেমীদের জন্য পবিত্র, তুমি বিশ্বাসের মহিমা, তুমি আন্দালুসিয়াকে পরিণত করেছো পবিত্র ভূমিতে!

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Web Oficial del Conjunto Monumental Mezquita-Catedral de Córdoba"। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৬ 
  2. "Mosque-Cathedral of Córdoba"। Encyclopædia Britannica, Inc.। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৬ 
  3. 100 Countries, 5,000 Ideas। National Geographic Society। ২০১১। পৃষ্ঠা 299আইএসবিএন 9781426207587The eight-century Great Mosque with double arches in Córdoba was transformed into the Cathedral of our Lady of Assumption. 
  4. Daniel, Ben (২০১৩)। The Search for Truth about IslamWestminster John Knox Press। পৃষ্ঠা 93আইএসবিএন 9780664237059The church is Catholic and has been for centuries, but when Catholic Spaniards expelled the local Arabic and Muslim population (the people they called the Moors) in 1236, they didn't do what the Catholic Church tended to do everywhere else when it moved in and displaced locally held religious beliefs: they didn't destroy the local religious shrine and build a cathedral of the foundations of the sacred space that had been knocked down. Instead, they built a church inside and up through the roof of the mosque, and then dedicated the entire space to Our Lady of the Assumption and made it the cathedral for the Diocese of Córdoba. 
  5. Andrew Petersen (১১ মার্চ ২০০২)। Dictionary of Islamic Architecture। Routledge। পৃষ্ঠা 55। আইএসবিএন 978-1-134-61365-6 
  6. Lawrence S. Cunningham; John J. Reich; Lois Fichner-Rathus (১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬)। Culture and Values: A Survey of the Humanities, Volume I। Cengage Learning। পৃষ্ঠা 262। আইএসবিএন 978-1-337-51494-1 
  7. "Historic Centre of Cordoba"। UNESCO। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৬The Great Mosque of Cordoba was inscribed on the World Heritage List in 1984 
  8. Lapunzina, Alejandro (২০০৫)। Architecture of Spain। Greenwood Publishing Group। পৃষ্ঠা 81। আইএসবিএন 9780313319631 
  9. www.mezquitadecordoba.org, Alhambra Valparaiso Ocio y Cultura S.L. -। "History of the Mosque Cathedral of Cordoba"mezquitadecordoba.org 
  10. Ecker, Heather (২০০৩)। "The Great Mosque of Córdoba in the Twelfth and Thirteenth Centuries"Muqarnas20: 113–141। জেস্টোর 1523329ডিওআই:10.1163/22118993-90000041 – JSTOR-এর মাধ্যমে। Finally, adding to present difficulties in perceiving the sequence of post-conquest restorations, additions, and demolitions is the fact that the cathedral has to a certain extent been “re-islamicized”: twentieth-century restorers have removed medieval sarcophagi and other structures from around the mihrab area and along the qibla wall, erected a sort of maqsura structure around the same area, and replaced the ceiling with one based on that of the Great Mosque of Qayrawan. 
  11. Armstrong, Ian (২০১৩)। Spain and Portugal। Avalon Travel Publishing। আইএসবিএন 9781612370316On this site originally stood the Visigoths' Christian Church of San Vicente, but when the Moors came to town in 758 CE they knocked it down and constructed a mosque in its place. When Córdoba fell once again to the Christians, King Ferdinand II and his successors set about Christianizing the structure, most dramatically adding the bright pearly white Renaissance nave where mass is held every morning. 
  12. Ewert, Christian (১৯৯৫)। "La mezquita de Córdoba: santuario modelo del Occidente islámico"। Guzmán, López। La arquitectura islámica del Islam Occidental। Madrid: Lunwerg Editores। পৃষ্ঠা 55–68। 
  13. Dodds, Jerrilynn D., সম্পাদক (১৯৯২)। Al-Andalus: The Art of Islamic Spain। New York: The Metropolitan Museum of Art। আইএসবিএন 0870996371 
  14. Bennison, Amira K. (২০১৬)। The Almoravid and Almohad Empires। Edinburgh University Press। আইএসবিএন 9780748646821 
  15. "Top things to do in Spain"Lonely Planet (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-১০ 
  16. Centre, UNESCO World Heritage। "Historic Centre of Cordoba"UNESCO World Heritage Centre (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-১০ 
  17. Sills, Ben (১৯ এপ্রিল ২০০৪)। "Cathedral may see return of Muslims"The Guardian। London। 
  18. Thomson, Muslims ask Pope to OK worship in ex-mosque, Reuters, (2011), [১]
  19. Fuchs, Dale (২৮ ডিসেম্বর ২০০৬)। "Pope asked to let Muslims pray in cathedral"The Guardian। London। 
  20. Planelles, Manuel (২৮ ডিসেম্বর ২০০৬)। "El obispo de Córdoba rechaza el rezo musulmán en la mezquita"El País 
  21. "Sadam Husein llevó su rezo a la Mezquita en un viaje oficial"Diario de Córdoba। ২ মার্চ ২০০৩। 
  22. D. Fairchild Ruggles, "The Stratigraphy of Forgetting: The Great Cathedral of Cordoba and Its Contested Legacy," in Contested Cultural Heritage, ed. Helaine Silverman. New York: Springer, 2011, pp. 51–67. Spanish translation in the journal Antípoda:Revista de Antropología y Arqueología (Bogotá, Colombia) 12 (2011): 19–38.
  23. Agudo Zamora 2015, পৃ. 4; 17–18।
  24. Agudo Zamora 2015, পৃ. 8।
  25. Agudo Zamora, Miguel (২০১৫)। "La inmatriculación de la Mezquita-Catedral de Córdoba: tutela del patrimonio y relevancia constitucional"Estudios de DeustoUniversidad de Deusto63 (2): 15–45। আইএসএসএন 0423-4847ডিওআই:10.18543/ed-63(2)-2015pp15-45 
  26. León, José Manuel (৭ নভেম্বর ২০১৮)। "Ambrosio pone a la Alhambra de ejemplo de gestión compartida para la Mezquita" [Ambrosio brings up the Alhambra as an example of shared management for the Mezquita] (Spanish ভাষায়)। Cadena SER। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ 
  27. "Un comité de expertos considera que la Mezquita de Córdoba nunca ha sido propiedad de la Iglesia" [A committee of experts consider that the Mezquita in Córdoba has never been church property] (Spanish ভাষায়)। RTVE। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ 
  28. Rose Gamble, "News Briefing: Church in the World" in The Tablet, 1 August 2019, 23
  29. "Iqbal and Spain – Home Page"allamaiqbal.com