করিম আব্দুল-জব্বার
করিম আবদুল-জাব্বার (জন্ম: ফার্ডিন্যান্ড লুইস আলসিনডর জুনিয়র, ১৬ এপ্রিল, ১৯৪৭) হলেন একজন মার্কিন প্রাক্তন বাস্কেটবল খেলোয়াড়। তিনি ন্যাশনাল বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশন (এনবিএ) এ মিলওয়াকি বাকস এবং লস অ্যাঞ্জেলেস লেকার্সের হয়ে ২০ মৌসুম পেশাদার বাস্কেটবল খেলেছেন এবং ইউসিএলএ ব্রুইনসের হয়ে একজন সেন্টার হিসেবে কলেজ বাস্কেটবল খেলেছেন। নেইসমিথ মেমোরিয়াল বাস্কেটবল হল অফ ফেমের সদস্য আবদুল-জাব্বার রেকর্ড ছয়টি এনবিএ মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার (এমভিপি) পুরস্কার জিতেছেন। তিনি ১৯ বার এনবিএ অল-স্টার, ১৫ বার অলেনবিএ দলের সদস্য এবং ১১ বার এনবিএ অল-ডিফেন্সিভ দলে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি খেলোয়াড় হিসেবে ছয়টি এনবিএ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন এবং সহকারী কোচ হিসেবে আরও দুটিতে যুক্ত ছিলেন। এছাড়া তিনি দুইবার এনবিএ ফাইনালস এমভিপি নির্বাচিত হন। তাকে তিনটি এনবিএ বর্ষপূর্তি দলে স্থান দেওয়া হয়েছিল (৩৫তম, ৫০তম এবং ৭৫তম)।[১] সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত এই তারকা,[২][৩] ১৯৮৪ সালে এনবিএর ক্যারিয়ার স্কোরিং রেকর্ড ভাঙেন এবং ২০২৩ সালে লেব্রন জেমস তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত এই রেকর্ড ধরে রাখেন।
আবদুল-জাব্বার নিউ ইয়র্ক সিটির একটি বেসরকারি ক্যাথলিক উচ্চ বিদ্যালয় পাওয়ার মেমোরিয়ালে খেলার সময় লিউ আলসিনডর নামে পরিচিত ছিলেন। এখানে তিনি তাদের দলকে টানা ৭১টি জয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তিনি ইউসিএলএ ব্রুইনসের হয়ে কলেজ বাস্কেটবল খেলেছেন এবং প্রধান কোচ জন উডেনের অধীনে টানা তিনটি জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছেন। আলসিনডর এনসিএএ টুর্নামেন্টে রেকর্ড তিনবার মোস্ট আউটস্ট্যান্ডিং প্লেয়ার হয়েছিলেন। ১৯৬৯ এনবিএ ড্রাফটে মাত্র এক মৌসুম বয়সী মিলওয়াকি বাকস ফ্র্যাঞ্চাইজি তাকে প্রথম সামগ্রিক বাছাই হিসেবে ড্রাফট করে এবং তিনি দলটির সাথে ছয়টি মৌসুম অতিবাহিত করেন। ১৯৭১ সালে ২৪ বছর বয়সে বাকসকে তাদের প্রথম এনবিএ চ্যাম্পিয়নশিপ জেতানোর পর তিনি মুসলিম নাম করিম আবদুল-জাব্বার গ্রহণ করেন। তার ট্রেডমার্ক স্কাইহুক শট ব্যবহার করে তিনি নিজেকে লিগের অন্যতম সেরা স্কোরার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৯৭৫ সালে তাকে লেকার্সের কাছে ট্রেড (বিনিময়) করা হয় যাদের হয়ে তিনি তার ক্যারিয়ারের শেষ ১৪ মৌসুম খেলেছেন। সেই সময়ে দলটি পাঁচটি এনবিএ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিল। লেকার্স বাস্কেটবলের শো-টাইম যুগে আবদুল-জাব্বারের অবদান ছিল গুরুতবপূর্ণ। ২০ বছরের এনবিএ ক্যারিয়ারে তার দলগুলো ১৮ বার প্লে-অফে পৌঁছেছিল, ১৪ বার প্রথম রাউন্ড পার করেছিল এবং দশবার এনবিএ ফাইনালসে খেলেছিল।[১][৪]
১৯৮৯ সালে ৪২ বছর বয়সে অবসর গ্রহণের সময়, আবদুল-জাব্বার ছিলেন এনবিএর রেগুলার সিজনে ক্যারিয়ার লিডার, পয়েন্ট (৩৮,৩৮৭), ম্যাচ খেলা (১,৫৬০), মিনিট (৫৭,৪৪৬), ফিল্ড গোল সম্পন্ন (১৫,৮৩৭), ফিল্ড গোল প্রচেষ্টা (২৮,৩০৭), ব্লক করা শট (৩,১৮৯), ডিফেন্সিভ রিবাউন্ড (৯,৩৯৪) এবং পার্সোনাল ফাউল (৪,৬৫৭) এর তালিকায়। তিনি ক্যারিয়ারের মোট পয়েন্ট, খেলা মিনিটের সংখ্যা এবং ফিল্ড গোল প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন এবং সর্বকালের তালিকায় মোট রিবাউন্ড (১৭,৪৪০) ও ব্লক করা শটের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে আছেন।[৫] ২০০৭ সালে ইএসপিএন তাকে সর্বকালের সেরা সেন্টার,[৬] ২০০৮ সালে কলেজ বাস্কেটবল ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়[৭] এবং ২০১৬ সালে এনবিএ ইতিহাসের দ্বিতীয় সেরা খেলোয়াড় হিসেবে (মাইকেল জর্ডানের পরে) মনোনীত করেছিল।[৮] আবদুল-জাব্বার একজন অভিনেতা, বাস্কেটবল কোচ, বেস্ট-সেলিং লেখক এবং মার্শাল আর্টিস্ট হিসেবেও পরিচিত। তিনি ব্রুস লির কাছে জিৎ কুন দো প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন এবং তার চলচ্চিত্র গেম অফ ডেথ (১৯৭২) এ অভিনয় করেছিলেন।[৯] ২০১২ সালে, সেক্রেটারি অফ স্টেট হিলারি ক্লিনটন আবদুল-জাব্বারকে মার্কিন গ্লোবাল কালচারাল অ্যাম্বাসেডর (সাংস্কৃতিক দূত) হিসেবে মনোনীত করেন।[১০] ২০১৬ সালে, রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা তাকে প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম প্রদান করেন।[১১]
প্রাথমিক জীবন
[সম্পাদনা]ফার্ডিন্যান্ড লুইস আলসিনডর জুনিয়র নিউ ইয়র্ক সিটির হারলেমে জন্মগ্রহণ করেন।[১২] তার মা কোরা লিলিয়ান একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে প্রাইজ চেকার হিসেবে কাজ করতেন এবং বাবা ফার্ডিন্যান্ড লুইস আলসিনডর সিনিয়র ছিলেন একজন ট্রানজিট পুলিশ অফিসার ও জ্যাজ মিউজিশিয়ান।[১৩] কোরা নর্থ ক্যারোলিনাতে জন্মগ্রহণ করলেও গ্রেট মাইগ্রেশনের অংশ হিসেবে হারলেমে আসেন। ফার্ডিন্যান্ড সিনিয়র ছিলেন ত্রিনিদাদ থেকে আসা অভিবাসীর সন্তান। তার চাচা ড. জন আলসিনডর ছিলেন কৃষ্ণাঙ্গ অ্যাক্টিভিস্ট এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে পথিকৃৎ।[১৪][১৫][১৬] আলসিনডর ১৯৫০ সালে ৩ বছর বয়সে আপার ম্যানহাটনের ইনউড নেইবারহুডের ডাইকম্যান স্ট্রিট প্রজেক্টে চলে আসেন এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন।[১৭] জন্মের সময় আলসিনডরের ওজন ছিল ১২ পা ১১ আউন্স (৫.৭৫ কিগ্রাম) এবং উচ্চতা ছিল ২২+১⁄২ ইঞ্চি (৫৭ সেন্টিমিটার)।[১৮][১৯] বয়সের তুলনায় সবসময়ই অনেক লম্বা থাকায়[১৮] নয় বছর বয়সেই তার উচ্চতা ছিল ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি।[২০] কৈশোরে আলসিনডর প্রায়শই বিষণ্ণতায় ভুগতেন কারণ তার উচ্চতা দেখে মানুষ একদৃষ্টিতে তাকাত এবং নানারকম মন্তব্য করত।[১৮] অষ্টম শ্রেণিতে (১৩–১৪ বছর বয়স) পড়ার সময়ই তার উচ্চতা বেড়ে ৬ ফুট ৮ ইঞ্চি হয়েছিল এবং তখনই তিনি বাস্কেটবলে স্লাম ডাঙ্ক করতে পারতেন।[২০][২১]
আলসিনডর নিউ ইয়র্ক সিটির একটি বেসরকারি ক্যাথলিক ছেলেদের উচ্চ বিদ্যালয় পাওয়ার মেমোরিয়াল একাডেমিতে পড়াশোনা করেছেন।[২২] তিনি ৩৩ নম্বর জার্সি পরতেন যা তিনি তার প্রিয় খেলোয়াড় নিউ ইয়র্ক জায়ান্টসের ফুলব্যাক মেল ট্রিপলেটের সম্মানে বেছে নিয়েছিলেন। তার কলেজ এবং পেশাদার ক্যারিয়ার জুড়ে তিনি এই জার্সি নম্বরটিই পরেছিলেন।[২৩] তিনি কোচ জ্যাক ডনাহিউয়ের দলকে টানা তিনটি নিউ ইয়র্ক সিটি ক্যাথলিক চ্যাম্পিয়নশিপ, টানা ৭১টি ম্যাচে জয় এবং সামগ্রিকভাবে ৭৯–২ রেকর্ডের দিকে নিয়ে গিয়েছিলেন।[২৪] এই সাফল্যের জন্য তিনি "দ্য টাওয়ার ফ্রম পাওয়ার" ডাকনাম অর্জন করেন।[২২] তার মোট ২,০৬৭ পয়েন্ট ছিল নিউ ইয়র্ক সিটির হাই স্কুলের একটি রেকর্ড।[২৫]আলসিনডর যখন দশম ও একাদশ শ্রেণিতে ছিলেন, তখন তার দল জাতীয় হাই স্কুল বালক বাস্কেটবল চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিল এবং সিনিয়র বর্ষে দলটি রানার্স-আপ হয়েছিল।[২২] কোচ তাকে নিগার (কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি অবমাননাকর শব্দ) বলে ডাকার পর তার শেষ বর্ষে কোচ ডনাহিউয়ের সাথে তার সম্পর্ক খারাপ হয়।[২৬]
আলসিনডর হারলেম ইয়ুথ অ্যাকশন প্রজেক্টের সংবাদপত্রের জন্য লিখতেন। নিউ ইয়র্ক পুলিশ অফিসারের গুলিতে ১৫ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ বালক জেমস পাওয়েলের মৃত্যুতে ১৯৬৪ সালের হারলেম দাঙ্গা শুরু হয়। এটি আলসিনডরের মধ্যে বর্ণবাদী রাজনীতির আগ্রহ জাগিয়ে তোলে। তিনি বলেছিলেন, "ঠিক তখনই আমি বুঝতে পেরেছিলাম আমি কে, আমার কী হওয়া উচিত। আমি হতে যাচ্ছিলাম কৃষ্ণাঙ্গ ক্রোধের মূর্ত প্রতীক, রক্ত-মাংসের ব্ল্যাক পাওয়ার।"[২৭][২৮]
কলেজ জীবন
[সম্পাদনা]
হাই স্কুল শেষ করেই আলসিনডরের পক্ষে এনবিএ-তে পেশাদার হিসেবে খেলা সম্ভব ছিল না। সে সময় লিগটির নিয়ম ছিল একজন খেলোয়াড় তখনই এনবিএ-তে যোগ দিতে পারতেন, যখন তিনি তাত্ত্বিকভাবে কলেজ জীবন শেষ করার মতো বয়সে পৌঁছাতেন।[২৯][৩০] পেশাদার বাস্কেটবল খেলার জন্য তার সামনে অন্য বিকল্প ছিল হারলেম গ্লোবট্রটার্সে যোগ দেওয়া অথবা বিদেশে খেলা। তবে আলসিনডরের লক্ষ্য ছিল কলেজে পড়াশোনা করা।[৩০] শত শত স্কুলের পক্ষ থেকে তাকে রিক্রুট বা দলে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল; উইল্ট চেম্বারলেইনের পর তিনিই ছিলেন সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত প্রতিভা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাঞ্চলের যে দলগুলো বর্ণবাদী পৃথকীকরণের শিকার ছিল, তারাও আলসিনডরকে দলে পেতে বর্ণবৈষম্যের প্রাচীর ভাঙতে ইচ্ছুক ছিল।[২৮] শেষ পর্যন্ত তিনি ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেসে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন,[৩০] যেখানে ব্রুইনসের সহকারী কোচ জেরি নরম্যান তাকে রিক্রুট করেছিলেন।[৩১] বেসবল হল অফ ফেমের সদস্য এবং ইউসিএলএর প্রাক্তন ছাত্র জ্যাকি রবিনসনও আলসিনডরকে এই কলেজে ভর্তি হতে উৎসাহিত করে চিঠি লিখেছিলেন।[২৩]
ততদিনে ৭-ফুট-১-ইঞ্চি (২.১৬-মিটার) উচ্চতার অধিকারী আলসিনডরকে ব্রুইনসের সাথে তার প্রথম বছরে ফ্রেশম্যান দলে রাখা হয়,[৩২][৩৩] কারণ ১৯৭২ সালের আগে ফ্রেশম্যানদের ভার্সিটি দলে খেলার অনুমতি ছিল না।[৩৪] ফ্রেশম্যান দলে আলসিনডরের সতীর্থ হিসেবে ছিলেন লুসিয়াস অ্যালেন, কেনি হাইটজ এবং লিন শ্যাকলফোর্ড, যারা প্রত্যেকেই হাই স্কুলের অল-আমেরিকান খেলোয়াড় ছিলেন।[৩৫] ১৯৬৫ সালের ২৭ নভেম্বর, আলসিনডর ইউসিএলএ-তে প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে খেলতে নামেন। ব্রুইনসের নতুন পলি প্যাভিলিয়নের উদ্বোধনী সেই প্রদর্শনী ম্যাচে ভার্সিটি দলের বিরুদ্ধে ফ্রেশম্যানদের হয়ে তিনি অংশ নেন এবং ১২,০৫১ জন দর্শক খেলাটি উপভোগ করেন।[৩৩][৩৬][৩৭] ১৯৬৫-৬৬ সালের ভার্সিটি দলটি ছিল তৎকালীন দুইবারের ডিফেন্ডিং ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন এবং প্রাক-মৌসুম জরিপে শীর্ষস্থানীয়।[৩৩][৩৮] আলসিনডরের ৩১ পয়েন্ট এবং ২১টি রিবাউন্ডের সুবাদে ফ্রেশম্যান দলটি ৭৫–৬০ ব্যবধানে জয়ী হয়।[৩৬][১৮] ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো কোনো ফ্রেশম্যান দল ইউসিএলএ ভার্সিটি দলকে পরাজিত করেছিল।[১৮]চ্যাম্পিয়নশিপ স্কোয়াড থেকে গেইল গুডরিচ এবং কিথ এরিকসন স্নাতক সম্পন্ন করে বিদায় নেওয়ায় ভার্সিটি দলটি দুর্বল ছিল এবং শুরুর দিকের গার্ড ফ্রেডি গস অসুস্থ থাকায় খেলতে পারেননি।[৩৬][৩৯] ম্যাচটির পর ইউপিআই লিখেছিল: "ইউসিএলএর ব্রুইনস এই সপ্তাহে তাদের জাতীয় বাস্কেটবল শিরোপা রক্ষার অভিযান শুরু করছে, কিন্তু এই মুহূর্তে তারা ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় সেরা দল।"[৩৯][৪০] ফ্রেশম্যান দলটি সেই বছর ২১–০ ব্যবধানে অপরাজিত ছিল এবং জুনিয়র কলেজ ও অন্যান্য ফ্রেশম্যান দলের বিরুদ্ধে আধিপত্য বজায় রেখেছিল,[৩৮] যেখানে আলসিনডর প্রতি ম্যাচে গড়ে ৩৩ পয়েন্ট এবং ২১টি রিবাউন্ড করেছিলেন।[৪১]

১৯৬৬ সালে সোফমোর (দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র) হিসেবে আলসিনডর তার ভার্সিটি অভিষেক ঘটান এবং জাতীয় সংবাদমাধ্যমের নজরে আসেন। তার প্রথম ম্যাচে ৫৬ পয়েন্ট স্কোর করার পর স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড তাকে "নতুন সুপারস্টার" হিসেবে আখ্যায়িত করে, যা এখন পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড়ের অভিষেকের জন্য একটি এনসিএএ রেকর্ড।[৪২][১৮][২৫] মৌসুমের শেষের দিকে তিনি একটি ম্যাচে ৬১ পয়েন্ট স্কোর করেছিলেন।[৪১] প্রতি ম্যাচে গড়ে ২৯ পয়েন্ট এবং ১৫.৫টি রিবাউন্ড করে তিনি ইউসিএলএকে ৩০–০ অপরাজিত রেকর্ড এবং জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ে নেতৃত্ব দেন।[৪১][৪৩] এটি ছিল তাদের চার বছরে তৃতীয় শিরোপা এবং টানা সাতটি শিরোপার প্রথমটি।[২৮][৪১] সেই মৌসুমের পর, তার আধিপত্য কমানোর প্রচেষ্টায় কলেজ বাস্কেটবলে 'ডাঙ্ক' নিষিদ্ধ করা হয়;[২৪][৪৩] সমালোচকরা একে "আলসিনডর রুল" বলে অভিহিত করেন।[২৪][২৮]এটি ১৯৭৬–৭৭ মৌসুম পর্যন্ত প্রত্যাহার করা হয়নি।[৪৪] দলটির তিন বছরের ৮৮ জয় এবং মাত্র দুটি পরাজয়ের রেকর্ডে আলসিনডরের অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি: একটি ছিল ইউনিভার্সিটি অফ হিউস্টনের বিপক্ষে, যেখানে আলসিনডরের চোখে আঘাত ছিল এবং অন্যটি ছিল শহরের প্রতিদ্বন্দ্বী ইউএসসির বিপক্ষে, যারা একটি "স্টল গেম" (সময় নষ্ট করার কৌশল) খেলেছিল;[৩৩][৪৫] সেই যুগে কোনো শট ক্লক ছিল না, যার ফলে ট্রোজানরা স্কোর করার চেষ্টা করার আগে যতক্ষণ ইচ্ছা বল ধরে রাখতে পারত। তারা আলসিনডরকে মাত্র চারটি শট এবং ১০ পয়েন্টে সীমাবদ্ধ রেখেছিল।[৪৬] কলেজ জীবন জুড়ে, আলসিনডর তিনবার জাতীয় বর্ষসেরা খেলোয়াড় (১৯৬৭–১৯৬৯) নির্বাচিত হন, তিনবার সর্বসম্মতিক্রমে প্রথম-দলের অল-আমেরিকান (১৯৬৭–১৯৬৯) হিসেবে মনোনীত হন, তিনটি এনসিএএ বাস্কেটবল চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য ছিলেন (১৯৬৭, ১৯৬৮ এবং ১৯৬৯), এনসিএএ টুর্নামেন্টে তিনবার মোস্ট আউটস্ট্যান্ডিং প্লেয়ার হিসেবে সম্মানিত হন এবং ১৯৬৯ সালে প্রথম নেইসমিথ কলেজ প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।[৪৭][৪৮] তিনিই একমাত্র খেলোয়াড় যিনি তিনবার হেলমস ফাউন্ডেশন প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছেন। [৪৯] রিক্রুট করার সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়ায় তিনি মিশিগানে চলে যাওয়ার কথা ভেবেছিলেন। ইউসিএলএর খেলোয়াড় উইলি নলস আলসিনডর এবং তার সতীর্থ লুসিয়াস অ্যালেনকে অ্যাথলেটিক বুস্টার স্যাম গিলবার্টের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন, যিনি এই দুজনকে ইউসিএলএ-তে থেকে যাওয়ার জন্য রাজি করিয়েছিলেন।[৫০]
জুনিয়র বর্ষে থাকাকালীন, ১২ জানুয়ারি ১৯৬৮ তারিখে ক্যালিফোর্নিয়া (ইউসি বার্কলি) এর বিরুদ্ধে খেলার সময় রিবাউন্ডের লড়াইয়ে টম হেন্ডারসনের আঘাতে আলসিনডরের বাম কর্নিয়া-তে ক্ষত সৃষ্টি হয়।[৫১] তিনি স্ট্যানফোর্ড এবং পোর্টল্যান্ডের বিরুদ্ধে পরবর্তী দুটি ম্যাচ খেলতে পারেননি।[২৪] তার পেশাদার ক্যারিয়ারে আবারও কর্নিয়াতে আঘাত লেগেছিল, যার ফলে চোখের সুরক্ষায় তাকে গগলস পরতে হতো।[৫২] ২০ জানুয়ারি, ব্রুইনস প্রথমবারের মতো জাতীয়ভাবে সম্প্রচারিত কলেজ বাস্কেটবলের রেগুলার-সিজন ম্যাচে কোচ গাই লুইসের হিউস্টন কুগারসের মুখোমুখি হয়, যেখানে অ্যাস্ট্রোডোমে ৫২,৬৯৩ জন দর্শক উপস্থিত ছিলেন। "গেম অফ দ্য সেঞ্চুরি" হিসেবে ঘোষিত এই ম্যাচে কুগার ফরোয়ার্ড এলভিন হেইস ৩৯ পয়েন্ট এবং ১৫টি রিবাউন্ড করেন, অন্যদিকে চোখের ইনজুরিতে ভোগা আলসিনডর মাত্র ১৫ পয়েন্ট করতে পারেন এবং হিউস্টন ৭১–৬৯ ব্যবধানে জিতে ইউসিএলএর ৪৭ ম্যাচের জয়ের ধারা থামিয়ে দেয়।[৫৩][৫৪] হেইস এবং আলসিনডর এনসিএএ টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে পুনরায় মুখোমুখি হন, যেখানে সম্পূর্ণ সুস্থ আলসিনডরকে নিয়ে ইউসিএলএ ১০১–৬৯ ব্যবধানে হিউস্টনকে হারিয়ে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের পথে এগিয়ে যায়। ইউসিএলএ হেইসকে, যিনি ম্যাচপ্রতি গড়ে ৩৭.৭ পয়েন্ট স্কোর করছিলেন, মাত্র ১০ পয়েন্টে সীমাবদ্ধ রাখে। উডেন হেইসকে ঠেকানোর জন্য ডায়মন্ড-অ্যান্ড-ওয়ান ডিফেন্স তৈরির কৃতিত্ব তার সহকারী নরম্যানকে দিয়েছিলেন।[৫৫][৫৬] স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড এই খেলাটি নিয়ে একটি কভার স্টোরি প্রকাশ করে এবং শিরোনাম দেয়: "লিউ'স রিভেঞ্জ: দ্য রাউট অফ হিউস্টন।"[৫৭] ১৯৬৮–৬৯ শিক্ষাবর্ষে সিনিয়র হিসেবে, আলসিনডর ব্রুইনসকে তাদের টানা তৃতীয় জাতীয় শিরোপা জয়ে নেতৃত্ব দেন।[২৮]

১৯৬৮ সালের গ্রীষ্মে, আলসিনডর দুবার শাহাদাহ পাঠ করেন এবং ক্যাথলিক ধর্ম ত্যাগ করে সুন্নি ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি আরবী নাম করিম আবদুল-জাব্বার গ্রহণ করেন, যদিও ১৯৭১ সালের আগে তিনি এটি প্রকাশ্যে ব্যবহার শুরু করেননি।[৫৮] তিনি ১৯৬৮ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক বর্জন করেন এবং মার্কিন অলিম্পিক বাস্কেটবল দলের জন্য ট্রায়াল না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, যে দলটি পরে স্বর্ণপদক জিতেছিল।[৫৯] আলসিনডর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রিকান আমেরিকানদের সাথে অসম আচরণের প্রতিবাদ করছিলেন,[২৬][২৮] এবং বলেছিলেন যে তিনি "এই দেশের জন্য স্বর্ণপদক জেতার ব্যর্থতা এবং পরে ফিরে এসে নিপীড়নের মধ্যে বেঁচে থাকার বাস্তবতা বিশ্বকে দেখাতে চাইছেন"।[৬০]
এনবিএ যেহেতু কলেজ পড়ুয়াদের আগেভাগে এনবিএ ড্রাফট ঘোষণার সুযোগ দিত না, তাই আলসিনডর তার পড়াশোনা শেষ করেন এবং ১৯৬৯ সালে ইতিহাসে মেজরসহ ব্যাচেলর অফ আর্টস ডিগ্রি অর্জন করেন। অবসর সময়ে তিনি মার্শাল আর্ট অনুশীলন করতেন। লস অ্যাঞ্জেলেসে ব্রুস লির কাছে জিৎ কুন দো শেখার আগে তিনি নিউ ইয়র্কে তার দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বর্ষের মাঝামাঝি সময়ে আইকিদো অধ্যয়ন করেছিলেন।[৬১][৬২]
স্কুলের নথিপত্র
[সম্পাদনা]২০১৯–২০ ইউসিএলএ ব্রুইনস পুরুষ বাস্কেটবল দলের মৌসুম অনুযায়ী,[৬৩] তিনি এখনও ইউসিএলএ-তে বেশ কিছু ব্যক্তিগত রেকর্ডের অধিকারী বা অংশীদার:[৬৪]
- সর্বোচ্চ খেলোয়াড়ি জীবনের গড় পয়েন্ট: ২৬.৪
- সর্বোচ্চ খেলোয়াড়ি জীবনের ফিল্ড গোল: ৯৪৩ , ডন ম্যাকলিনের সাথে যৌথভাবে
- এক মৌসুমে সর্বোচ্চ পয়েন্ট: ৮৭০ (১৯৬৭)
- এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গড় পয়েন্ট: ২৯.০ (১৯৬৭)
- এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ফিল্ড গোল: ৩৪৬ (১৯৬৭) , এছাড়াও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩০৩ (১৯৬৯) এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৯৪ (১৯৬৮)
- এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ফ্রি থ্রো প্রচেষ্টা: ২৭৪ (১৯৬৭)
- একটি একক ম্যাচে সর্বোচ্চ পয়েন্ট: ৬১
- কলেজ অভিষেক ম্যাচে সর্বোচ্চ পয়েন্ট: ৫৬[৪২]
- একটি একক ম্যাচে সর্বোচ্চ ফিল্ড গোল: ২৬ (ওয়াশিংটন স্টেটের বিপক্ষে, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৭)
তিনি মৌসুম এবং খেলোয়াড়ি জীবনের রিবউন্ড সহ আরও বেশ কয়েকটি স্কুলের রেকর্ডের শীর্ষ দশে অবস্থান করছেন, যা কেবল বিল ওয়ালটনের পরেই দ্বিতীয়।[৬৪]
পেশাদার খেলোয়াড়ি জীবন
[সম্পাদনা]মিলওয়াকি বাক্স (১৯৬৯–১৯৭৫)
[সম্পাদনা]বর্ষসেরা নবাগত (১৯৬৯–১৯৭০)
[সম্পাদনা]
গ্লোবেট্রোটার্স অ্যালসিন্ডরকে তাদের দলের হয়ে খেলার জন্য ১০ লক্ষ ডলারের প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং ১৯৬৯ সালের এনবিএ ড্রাফটে মিলওয়াকি বাক্স তাকে প্রথম সামগ্রিক পছন্দ হিসেবে বেছে নেয়। মিলওয়াকি বাক্স তখন তাদের অস্তিত্বের মাত্র দ্বিতীয় মৌসুমে ছিল। প্রথম বাছাইয়ের জন্য ফিনিক্স সানসের সাথে একটি টস বা মুদ্রা নিক্ষেপে বাক্স বিজয়ী হয়েছিল। ১৯৬৯ সালের আমেরিকান বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশন ড্রাফটেও নিউ ইয়র্ক নেটস তাকে প্রথম সামগ্রিক পছন্দ হিসেবে নির্বাচিত করেছিল।[৬৫]নেটস বিশ্বাস করেছিল যে অ্যালসিন্ডর নিউ ইয়র্কের হওয়ায় তাকে দলে ভেড়ানোর ক্ষেত্রে তারা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে; তবে, অ্যালসিন্ডর যখন বাক্স এবং নেটস উভয়কেই জানিয়েছিলেন যে তিনি প্রতিটি দলের কাছ থেকে কেবল একটি প্রস্তাব গ্রহণ করবেন, তখন তিনি নেটসের প্রস্তাবটি খুব কম হওয়ায় তা প্রত্যাখ্যান করেন। স্যাম গিলবার্ট এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের ব্যবসায়ী রালফ শাপিরো কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই এই চুক্তির মধ্যস্থতা করেছিলেন।[৫০][৬৬] অ্যালসিন্ডর মিলওয়াকি বাক্সের ১৪ লক্ষ ডলারের প্রস্তাবটি বেছে নেওয়ার পর, নেটস তাকে নিশ্চিত ৩২.৫ লক্ষ ডলারের প্রস্তাব দেয়। অ্যালসিন্ডর সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেন: "একটি নিলাম যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মর্যাদাহানি করে। এটি আমাকে একজন মাংস বিক্রেতার মতো অনুভব করাত এবং আমি সেভাবে চিন্তা করতে চাই না।"[৬৭] বাক্স দলে অ্যালসিন্ডরের উপস্থিতি তাদের ৫৬–২৬ রেকর্ডের মাধ্যমে (যা আগের বছরের ২৭–৫৫ থেকে অনেক উন্নত) এনবিএর ইস্টার্ন ডিভিশনে দ্বিতীয় স্থান অর্জনে সহায়তা করে। ১৯৭০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি, সুপারসনিক্সের বিপক্ষে ১৪০–১২৭ ব্যবধানের জয়ে তিনি ৫১ পয়েন্ট অর্জন করেন।[৬৮] অ্যালসিন্ডর তাৎক্ষণিকভাবে তারকা খ্যাতি লাভ করেন; তিনি পয়েন্ট সংগ্রহে লিগে দ্বিতীয় (প্রতি ম্যাচে ২৮.৮ পয়েন্ট) এবং রিবউন্ডে তৃতীয় (প্রতি ম্যাচে ১৪.৫ রিবউন্ড) স্থান অর্জন করেন, যার ফলে তাকে এনবিএ বর্ষসেরা নবাগত উপাধিতে ভূষিত করা হয়।[২৪] ফিলাডেলফিয়া সেভেন্টিসিক্সার্সের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে তিনি ৪৬ পয়েন্ট এবং ২৫টি রিবউন্ড নথিভুক্ত করেন।[৬৯] উইল্ট চেম্বারলেইনের পর তিনি দ্বিতীয় নবাগত খেলোয়াড় হিসেবে প্লে-অফ ম্যাচে অন্তত ৪০ পয়েন্ট এবং ২৫টি রিবউন্ড করার কৃতিত্ব দেখান।[৭০] এছাড়াও তিনি প্লে-অফের সময় ২০ বা তার বেশি পয়েন্ট সংগ্রহের ১০টি বা তার বেশি ম্যাচ খেলার একটি এনবিএ নবাগত রেকর্ড গড়েন, যা ২০১৮ সালে জেসন ট্যাটাম স্পর্শ করেছিলেন।[৭১]
প্রথম চ্যাম্পিয়নশিপ, এমভিপি এবং ফাইনালস এমভিপি (১৯৭০–১৯৭১)
[সম্পাদনা]পরবর্তী মৌসুমে, বাক্স অল-স্টার গার্ড অস্কার রবার্টসনকে দলে নেয়। ১৯৭০-৭১ মৌসুমে ৬৬টি জয়ের মাধ্যমে মিলওয়াকি লিগের সেরা রেকর্ড অর্জন করে,[২৪] যার মধ্যে তৎকালীন রেকর্ড টানা ২০টি জয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।[৭২] অ্যালসিন্ডর তার ছয়টি এনবিএ মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার (এমভিপি) পুরস্কারের মধ্যে প্রথমটি লাভ করেন, সেই সাথে তার প্রথম স্কোরিং শিরোপাও (প্রতি ম্যাচে ৩১.৭ পয়েন্ট) জেতেন।[২৪] তিনি মোট ২,৫৯৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগে সবার উপরে ছিলেন।[২৫] ১৯৭১ সালের এনবিএ ফাইনালে বাল্টিমোর বুলেটসকে ৪–০ ব্যবধানে হারিয়ে (সুইপ করে) বাক্স এনবিএ শিরোপা জেতে। সিরিজের ৪র্থ ম্যাচে অ্যালসিন্ডর ২৭ পয়েন্ট, ১২টি রিবউন্ড এবং সাতটি অ্যাসিস্ট করেন,[৭৩] এবং সিরিজে ৬০.৫% শুটিং দক্ষতায় প্রতি ম্যাচে গড়ে ২৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করার জন্য তাকে ফাইনালস এমভিপি হিসেবে মনোনীত করা হয়।[৭৪]
এমভিপি স্বীকৃতি এবং দলবদলের অনুরোধ (১৯৭১–১৯৭৫)
[সম্পাদনা]অফসিজন চলাকালীন, অ্যালসিন্ডর এবং রবার্টসন স্টেট ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে আফ্রিকায় তিন সপ্তাহের বাাস্কেটবল সফরে বাক্স প্রধান কোচ ল্যারি কস্টেলোর সাথে যোগ দেন। ১৯৭১ সালের ৩ জুন স্টেট ডিপার্টমেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান যে, এখন থেকে তিনি তার মুসলিম নাম করিম আব্দুল-জব্বার নামে পরিচিত হতে চান, যার মোটামুটি অনুবাদ হলো "উন্নত চরিত্রবান, সর্বশক্তিমানের [অর্থাৎ, আল্লাহর] দাস"।[৭৫][৭৬]

আব্দুল-জব্বার বাক্সের হয়ে তার আধিপত্য বজায় রাখেন। পরের বছর, তিনি পুনরায় স্কোরিং চ্যাম্পিয়ন হন (প্রতি ম্যাচে ৩৪.৮ পয়েন্ট এবং মোট ২,৮২২ পয়েন্ট)[২৫] এবং প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে খেলোয়াড়ি জীবনের প্রথম তিন বছরের মধ্যে দুইবার এনবিএ মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার নির্বাচিত হন।[৭৭] ১৯৭৪ সালে আব্দুল-জব্বার বাক্সকে তাদের টানা চতুর্থ মিডওয়েস্ট ডিভিশন শিরোপা জয়ে নেতৃত্ব দেন,[৭৮] এবং চার বছরের মধ্যে তার তৃতীয় এমভিপি পুরস্কার জয় করেন।[৭৯] তিনি পয়েন্ট সংগ্রহ (প্রতি ম্যাচে ২৭.০ পয়েন্ট, তৃতীয়), রিবউন্ড (প্রতি ম্যাচে ১৪.৫ রিবউন্ড, চতুর্থ), ব্লকড শট (২৮৩টি, দ্বিতীয়) এবং ফিল্ড গোল শতাংশ (.৫৩৯, দ্বিতীয়)-তে এনবিএর শীর্ষ পাঁচ খেলোয়াড়ের মধ্যে ছিলেন।[৭৮] মিলওয়াকি ১৯৭৪ সালের ফাইনালে উন্নীত হয়, তবে বস্টন সেল্টিকসের কাছে সাত ম্যাচের সিরিজে পরাজিত হয়।[৮০]
রবার্টসন, যিনি অফসিজনে ফ্রি এজেন্ট হয়েছিলেন, বাক্সের সাথে চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ায় ১৯৭৪ সালের সেপ্টেম্বরে অবসর গ্রহণ করেন।[৮১][৮২] ৩ অক্টোবর, আব্দুল-জব্বার ব্যক্তিগতভাবে নিউ ইয়র্ক নিক্সে বদলি হওয়ার অনুরোধ করেন; তার দ্বিতীয় পছন্দ ছিল ওয়াশিংটন বুলেটস (বর্তমানে উইজার্ডস) এবং তৃতীয় পছন্দ ছিল লস অ্যাঞ্জেলেস ল্যাকার্স।[৮৩] তিনি কখনোই মিলওয়াকি শহর বা এর ভক্তদের সম্পর্কে নেতিবাচক কিছু বলেননি, তবে তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে মধ্য-পশ্চিমে থাকা তার সাংস্কৃতিক চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।[৮৩][৮৪][৮৫] দুই দিন পর, নিউ ইয়র্কের বাফেলোতে সেল্টিকসের বিরুদ্ধে ১৯৭৪-৭৫ মৌসুমের একটি প্রাক-মৌসুম ম্যাচে ডন নেলসনের আঙুলের নখ আব্দুল-জব্বারের বাম চোখে লাগে এবং তিনি কর্নিয়াল অ্যাব্রাশন বা চোখের মণির ক্ষতজনিত সমস্যায় ভোগেন; এতে তিনি এতটাই ক্ষুব্ধ হন যে বাস্কেটবলের ব্যাকবোর্ড ধারক স্তম্ভে ঘুষি মারেন, যার ফলে তার ডান হাতের দুটি হাড় ভেঙে যায়।[৮৩][৮৬][৮৭] তিনি মৌসুমের প্রথম ১৬টি ম্যাচে অনুপস্থিত ছিলেন, যে সময়ে বাক্সের রেকর্ড ছিল ৩–১৩; এরপর নভেম্বরের শেষের দিকে তিনি সুরক্ষামূলক গগলস পরে মাঠে ফিরে আসেন।[৮৭] ১৯৭৫ সালের ১৩ মার্চ, ক্রীড়া ভাষ্যকার মার্ভ আলবার্ট প্রতিবেদন করেন যে, আব্দুল-জব্বার নিউ ইয়র্ক অথবা লস অ্যাঞ্জেলেসে বদলি হওয়ার অনুরোধ করেছেন, যার মধ্যে নিক্স ছিল তার প্রধান পছন্দ।[৮৩][৮৮] পরদিন মিলওয়াকিতে ল্যাকার্সের কাছে পরাজয়ের পর, আব্দুল-জব্বার সাংবাদিকদের কাছে অন্য কোনো শহরের হয়ে খেলার ইচ্ছার কথা নিশ্চিত করেন।[৮৯] সেই মৌসুমে তিনি গড়ে ৩০.০ পয়েন্ট সংগ্রহ করলেও মিলওয়াকি ৩৮–৪৪ রেকর্ড নিয়ে ডিভিশনের তলানিতে থেকে মৌসুম শেষ করে।[৯০]
লস অ্যাঞ্জেলেস ল্যাকার্স (১৯৭৫–১৯৮৯)
[সম্পাদনা]চতুর্থ এবং পঞ্চম এমভিপি পুরস্কার (১৯৭৫–১৯৭৭)
[সম্পাদনা]
১৯৭৫ সালে, ল্যাকার্স সেন্টার এলমোর স্মিথ, গার্ড ব্রায়ান উইন্টার্স, প্রতিভাবান নবাগত ডেভ মেয়ার্স ও জুনিয়র ব্রিজম্যান এবং নগদ অর্থের বিনিময়ে বাক্সের কাছ থেকে আব্দুল-জব্বার এবং অতিরিক্ত সেন্টার ওয়াল্ট ওয়েসলিকে অধিগ্রহণ করে।[৮৩][৯০] ল্যাকার্সের হয়ে তার প্রথম মৌসুম ১৯৭৫-৭৬ মৌসুমে তিনি অত্যন্ত প্রভাবশালী নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন; তিনি প্রতি ম্যাচে গড়ে ২৭.৭ পয়েন্ট সংগ্রহ করেন এবং রিবউন্ড (১৬.৯), ব্লকড শট (৪.১২) এবং মোট খেলার সময় (৩,৩৭৯ মিনিট) এ লিগে শীর্ষস্থান অর্জন করেন।[৯১][৯২] তার ১,১১১টি রক্ষণাত্মক রিবউন্ড এখনও এনবিএর একক মৌসুমের রেকর্ড (১৯৭৩–৭৪ মৌসুমের আগে রক্ষণাত্মক রিবউন্ড নথিভুক্ত করা হতো না)।[৯৩] তিনি তার চতুর্থ এমভিপি পুরস্কার অর্জন করেন এবং ল্যাকার্স ফ্র্যাঞ্চাইজির ইতিহাসে প্রথম বিজয়ী হন,[৯৪] কিন্তু ল্যাকার্স ৪০–৪২ রেকর্ড নিয়ে মৌসুম শেষ করায় তিনি টানা দ্বিতীয় বছরের মতো প্লে-অফ মিস করেন।[৯৫]
একদল অখ্যাত ফ্রি এজেন্ট খেলোয়াড়কে দলে নেওয়ার পর, ধারণা করা হয়েছিল যে ১৯৭৬–৭৭ মৌসুমে ল্যাকার্স প্যাসিফিক ডিভিশনের তলানির দিকে থেকে মৌসুম শেষ করবে। তবে আব্দুল-জব্বার দলকে এনবিএর সেরা রেকর্ডে (৫৩–২৯) পৌঁছাতে সাহায্য করেন এবং তার পঞ্চম এমভিপি পুরস্কার জিতে বিল রাসেলের রেকর্ডে ভাগ বসান। আব্দুল-জব্বার ফিল্ড গোল শতাংশে (.৫৭৯) লিগে শীর্ষে ছিলেন, পয়েন্ট সংগ্রহে তৃতীয় (২৬.২) এবং রিবউন্ড (১৩.৩) ও ব্লকড শটে (৩.১৮) দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন।[৯৬] প্লে-অফে ল্যাকার্স ওয়েস্টার্ন কনফারেন্স সেমিফাইনালে গোল্ডেন স্টেট ওয়ারিয়র্সকে পরাজিত করে, যা পোর্টল্যান্ড ট্রেইল ব্লেজার্সের সাথে তাদের মোকাবিলার পথ প্রশস্ত করে। এর ফলে একটি স্মরণীয় লড়াই প্রত্যক্ষ করা যায়, যেখানে আব্দুল-জব্বার একজন তরুণ এবং চোটমুক্ত বিল ওয়ালটনের মুখোমুখি হন। যদিও পরিসংখ্যানে আব্দুল-জব্বার এই সিরিজে আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন, তবুও ওয়ালটনের দক্ষ পাসিং এবং সময়োপযোগী খেলার সৌজন্যে ট্রেইল ব্লেজার্স (যারা তাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্লে-অফে খেলছিল) ল্যাকার্সকে সুইপ করে।[৯৭][৯৮]
প্লে-অফ হতাশা (১৯৭৭–১৯৭৯)
[সম্পাদনা]১৯৭৭–৭৮ মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচের মাত্র দুই মিনিটের মাথায়, মিলওয়াকির নবাগত খেলোয়াড় কেন্ট বেনসনের কনুইয়ের ধাক্কা তার পেটে লাগলে প্রতিশোধ হিসেবে তাকে ঘুষি মারতে গিয়ে আব্দুল-জব্বার নিজের ডান হাত ভেঙে ফেলেন। বেনসনের ডান চোখ কালো হয়ে যায় এবং তার দুটি সেলাইয়ের প্রয়োজন হয়।[৯৯][১০০][১০১] বেনসনের মতে, আব্দুল-জব্বারই প্রথমে কনুই দিয়ে ধাক্কা দেওয়া শুরু করেছিলেন, কিন্তু এর কোনো প্রত্যক্ষদর্শী ছিল না এবং রিপ্লেতেও তা ধরা পড়েনি।[৯৯][১০১] আব্দুল-জব্বার, যিনি ১৯৭৫ সালে ব্যাকবোর্ড সাপোর্টে ঘুষি মেরে একই হাড় ভেঙেছিলেন,[১০০] প্রায় দুই মাস মাঠের বাইরে ছিলেন এবং ২০টি ম্যাচ মিস করেন।[১০১][১০২] তাকে তৎকালীন লিগ রেকর্ড ৫,০০০ ডলার জরিমানা করা হয়েছিল কিন্তু বরখাস্ত করা হয়নি।[১০০][১০২] বেনসন একটি ম্যাচে অনুপস্থিত ছিলেন কিন্তু লিগ তাকে কোনো শাস্তি দেয়নি।[১০১][১০৩] আব্দুল-জব্বার যখন ফিরে আসেন তখন ল্যাকার্সের রেকর্ড ছিল ৮–১৩।[১০৪] তাকে ১৯৭৮ এনবিএ অল-স্টার গেমে মনোনীত করা হয়নি, যা তার ২০ বছরের খেলোয়াড়ি জীবনে একমাত্র সময় যখন তিনি অল-স্টার গেমে নির্বাচিত হননি।[১০৫] শিকাগোর আর্টিস গিলমোর এবং ডেট্রয়েটের বব ল্যানিয়ার ওয়েস্টের রিজার্ভ হিসেবে নির্বাচিত হন, যেখানে ওয়ালটন সেন্টার হিসেবে শুরু করেছিলেন।[১০৬] তার পারফরম্যান্স নিয়ে মিডিয়ার সমালোচনার মাঝে, অল-স্টার দল ঘোষণার দিনে ফিলাডেলফিয়া সেভেন্টিসিক্সার্সের বিপক্ষে জয়ে আব্দুল-জব্বার ৩৯ পয়েন্ট, ২০টি রিবউন্ড, ছয়টি অ্যাসিস্ট এবং চারটি ব্লক করেন।[১০৭] অল-স্টার বিরতির আগের শেষ ম্যাচে নিউ জার্সি নেটস (বর্তমানে ব্রুকলিন) এর বিরুদ্ধে জয়ে তিনি আরও ৩৭ পয়েন্ট এবং ৩০টি রিবউন্ড যোগ করেন।[১০৮]
পরবর্তী দুই মৌসুমেও আব্দুল-জব্বারের খেলা শক্তিশালী ছিল; তিনি দুইবার অলেনবিএ সেকেন্ড টিম, একবার অল-ডিফেন্স ফার্স্ট টিম এবং একবার অল-ডিফেন্স সেকেন্ড টিমে মনোনীত হন।[৫] তবে, ল্যাকার্স প্লে-অফে বাধাগ্রস্ত হতে থাকে; তারা ১৯৭৮ (প্রথম রাউন্ড) এবং ১৯৭৯ (সেমিফাইনাল) উভয় বছরই সিয়াটল সুপারসনিক্সের কাছে পরাজিত হয়ে বিদায় নেয়।[১০৯]
শেষ এমভিপি পুরস্কার এবং চ্যাম্পিয়নশিপের সাফল্য (১৯৭৯–১৯৮৫)
[সম্পাদনা]
ল্যাকার্স ১৯৭৯ সালের এনবিএ ড্রাফটে প্রথম সামগ্রিক পছন্দ হিসেবে ম্যাজিক জনসনকে নির্বাচন করে। তারা ১৯৭৬ সালে নিউ অরলিন্স জ্যাজ (পরবর্তীতে ইউটা) এর কাছ থেকে এই ড্রাফট পিকটি অর্জন করেছিল, যখন লিগের নিয়ম অনুযায়ী ফ্রি এজেন্ট গেইল গুডরিচকে সই করানোর ক্ষতিপূরণ হিসেবে লস অ্যাঞ্জেলেসকে এটি প্রদান করতে হয়েছিল।[১১০] জনসনের অন্তর্ভুক্তি ১৯৮০ এর দশকে ল্যাকার্সের শো-টাইম রাজবংশের পথ প্রশস্ত করে, যারা আটবার ফাইনালে ওঠে এবং পাঁচটি এনবিএ চ্যাম্পিয়নশিপ জেতে।[১১১] তরুণ বয়সের তুলনায় কিছুটা কম আধিপত্যশীল হলেও, আব্দুল-জব্বার সর্বকালের সেরা বাস্কেটবল খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে নিজের অবস্থানকে আরও সুসংহত করেন;[১১১] তিনি আরও চারবার অলেনবিএ ফার্স্ট টিম এবং দুইবার অল-ডিফেন্স ফার্স্ট টিম সম্মাননা অর্জন করেন।[৫] ১৯৭৯-৮০ মৌসুমে জনসনের সাথে তার প্রথম বছরেই তিনি রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো এমভিপি পুরস্কার জেতেন।[১১১][১১২] ১৯৮০ সালের ফাইনালে আব্দুল-জব্বার পাঁচ ম্যাচে গড়ে ৩৩.৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করেন। পঞ্চম ম্যাচে তার গোড়ালি মচকে গেলেও তিনি মাঠে ফিরে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে খেলা শেষ করেন এবং দলকে জয় এনে দেন। তিনি ষষ্ঠ ম্যাচটি মিস করেন যেখানে ল্যাকার্স শিরোপা নিশ্চিত করেছিল, এবং ফাইনালে ৪২ পয়েন্ট, ১৫টি রিবউন্ড ও সাতটি অ্যাসিস্ট করার জন্য জনসনকে ফাইনালস এমভিপি ঘোষণা করা হয়।[১১৩][১১৪][১১৫]
আব্দুল-জব্বার পরবর্তী ছয় মৌসুমেও প্রতি ম্যাচে গড়ে ২০ বা তার বেশি পয়েন্ট সংগ্রহ করা অব্যাহত রাখেন।[১১১] ল্যাকার্স ১৯৮১–৮২ সালে আরও একটি চ্যাম্পিয়নশিপ জয় করে, কিন্তু তিনি ফাইনালে মাইগ্রেনে আক্রান্ত হন এবং ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে প্রতি ম্যাচে গড়ে মাত্র ১৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করেন।[১১৫][১১৬] ১৪টি প্লে-অফ ম্যাচে তিনি ২০.৪ গড় পয়েন্ট নিয়ে শেষ করেন, যা সেই সময় পর্যন্ত তার খেলোয়াড়ি জীবনের সর্বনিম্ন ছিল।[১১৫] ল্যাকার্স ১৯৮৩ সালের ফাইনালে উন্নীত হয়ে সেভেন্টিসিক্সার্সের সাথে পুনরায় মুখোমুখি হয়; যারা পূর্ববর্তী ফাইনালে আব্দুল-জব্বারের কাছে তাদের দীর্ঘকায় খেলোয়াড় জুটি ড্যারিল ডকিন্স এবং ক্যাল্ডওয়েল জোন্স পরাস্ত হওয়ার পর সেন্টার পজিশন শক্তিশালী করতে মোজেস ম্যালোনকে দলে নিয়েছিল।[১১৬] সেভেন্টিসিক্সার্স ল্যাকার্সকে ৪–০ ব্যবধানে পরাজিত (সুইপ) করে এবং সিরিজে আব্দুল-জব্বারকে রিবউন্ডের লড়াইয়ে ৭২–৩০ ব্যবধানে হারিয়ে ম্যালোন ফাইনালস এমভিপি নির্বাচিত হন।[১১৭] ম্যালোনের ২৭টি আক্রমণাত্মক রিবউন্ড ছিল, যা আব্দুল-জব্বারের মোট রিবউন্ডের (৩০) প্রায় সমান।[১১৮]
১৯৮৩–৮৪ মৌসুমের আগে, আব্দুল-জব্বার ল্যাকার্সের সাথে ৩০ লক্ষ ডলারের একটি দুই বছরের চুক্তি স্বাক্ষর করেন, যার কোনো অংশই বিলম্বিত ছিল না।[১১৯] প্রশিক্ষণ শিবিরের সময় তিনি ভাইরাল হেপাটাইটিসে আক্রান্ত হন, যার ফলে মাঠে ফেরার পরও এক মাস তিনি দুর্বল ছিলেন। ১৯৮৩ সালের ২২ ডিসেম্বর গোল্ডেন স্টেটের বিপক্ষে তিনি ১০ পয়েন্ট সংগ্রহ করেন, যা তার মৌসুমের গড় পয়েন্ট ১৭.৭ এ নামিয়ে আনে, যা তার খেলোয়াড়ি জীবনের গড়ের চেয়ে প্রায় ১০ পয়েন্ট কম ছিল। বড়দিনের পর তার পয়েন্ট সংগ্রহের গতি বাড়তে থাকে।[১২০] ১৯৮৪ সালের ৫ এপ্রিল ইউটার বিপক্ষে একটি অ্যাওয়ে ম্যাচে আব্দুল-জব্বার চেম্বারলেইনের এনবিএতে সর্বোচ্চ পয়েন্ট সংগ্রহের রেকর্ডটি ভেঙে দেন। তিনি জনসনের কাছ থেকে পাস গ্রহণ করেন এবং ৭ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার শট-ব্লকিং বিশেষজ্ঞ মার্ক ইটনের মাথার উপর দিয়ে তার নিজস্ব ঘরানার সিগনেচার 'স্কাইহুক' এর মাধ্যমে ১৫ ফুট দূর থেকে এই পয়েন্টটি অর্জন করেন।[৪১][১২১][১২২] ম্যাচটি থমাস অ্যান্ড ম্যাক সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা সেই মৌসুমে লাস ভেগাস উপত্যকায় জ্যাজ দলের ১১টি হোম ম্যাচের একটি ছিল। এই প্রতিযোগিতায় ১৮,৩৮৯ জন দর্শক উপস্থিত ছিলেন, যা ১৯৭৯–৮০ মৌসুমের আগে নিউ অরলিন্স থেকে চলে আসার পর জ্যাজ দলের হোম ম্যাচে সর্বোচ্চ দর্শক সমাগম ছিল।[১২২]১৯৮০–৮১ মৌসুমের পর প্রথমবারের মতো,[১২৩] আব্দুল-জব্বার এই মৌসুমে পয়েন্ট সংগ্রহ (২১.৫) এবং রিবউন্ড (৭.৩) উভয় ক্ষেত্রেই ল্যাকার্সকে নেতৃত্ব দেন।[১২৪] গত কয়েক বছরের তুলনায় ধারাবাহিকভাবে উন্নত খেলে,[১২৫] তিনি তার খেলোয়াড়ি জীবনে নবমবারের মতো অলেনবিএ ফার্স্ট টিমে স্থান পান এবং অলেনবিএ ডিফেন্সিভ সেকেন্ড টিমে নির্বাচিত হন, যা ছিল তার জীবনের শেষ অল-ডিফেন্সিভ নির্বাচন।[৫][১২৫] দলটি ১৯৮৪ সালের ফাইনালে উন্নীত হলেও বস্টনের কাছে পরাজিত হয়।[১২৫]

১৯৮৪–৮৫ মৌসুমটি আব্দুল-জব্বারের শেষ মৌসুম হবে বলে আশা করা হয়েছিল, কারণ চেম্বারলেইনের রেকর্ড ভাঙার পর থেকেই তিনি অবসর গ্রহণের কথা বলে আসছিলেন।[১২৫][১২৬] বিভিন্ন দল তাদের নিজেদের মাঠে তার শেষ উপস্থিতির সময় তাকে সম্মান জানাতে শুরু করে,[১২৬][১২৭] কিন্তু ল্যাকার্স কর্তৃপক্ষ তাদের অনুষ্ঠানগুলোতে 'অবসর' শব্দটি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেয়।[১২৫][১২৬] তিনি তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সম্ভাবনা খোলা রেখেছিলেন এবং ডেভ কাউয়েন্সের মতো অবসরকালীন উপহার গ্রহণ করে আবার খেলতে ফিরে আসতে চাননি।[১২৬][১২৮] ১৯৮৪ সালের ৫ ডিসেম্বর, আব্দুল-জব্বার ল্যাকার্সের সাথে ২০ লক্ষ ডলারের এক বছরের চুক্তি বর্ধিত করতে সম্মত হন।[১২৯] তিনি ১৯৮৫ সালে তার দ্বিতীয় ফাইনালস এমভিপি শিরোপা জয় করেন,[১১১] যখন ৩৮ বছর ৫৪ দিন বয়সে তিনি এই পুরস্কারজয়ী প্রবীণতম খেলোয়াড় হন।[১৩০] সেল্টিকসের বিরুদ্ধে সেই সিরিজে তিনি গড়ে ২৫.৭ পয়েন্ট, ৯টি রিবউন্ড, ৫.২টি অ্যাসিস্ট এবং ১.৫টি ব্লক করেন।[১৩১] সিরিজের প্রথম ম্যাচে তিনি ৩০ বছর বয়সী বস্টন সেন্টার রবার্ট প্যারিশের কাছে ম্লান হয়ে গিয়েছিলেন; ল্যাকার্সের ১১৪–১৪৮ ব্যবধানে পরাজয়ের সেই ম্যাচে প্যারিশের ১৮ পয়েন্ট ও ৮ রিবউন্ডের বিপরীতে আব্দুল-জব্বারের সংগ্রহ ছিল ১২ পয়েন্ট ও ৩ রিবউন্ড, যাকে "মেমোরিয়াল ডে ম্যাসাকার" বলা হয়।[১৩০] পরের দিন দলের ভিডিও বিশ্লেষণ সেশনে আব্দুল-জব্বার, যিনি সাধারণত পেছনের দিকে বসতেন, প্রথম সারিতে বসেন এবং প্রধান কোচ প্যাট রাইলির সব সমালোচনা মেনে নেন। দ্বিতীয় ম্যাচের আগে আব্দুল-জব্বার অনুরোধ করেন যে তার বাবা কি দলের বাসে করে ম্যাচে যেতে পারেন কি না। নিয়মের ব্যাপারে সাধারণত কঠোর হলেও রাইলি এই ব্যতিক্রমটি মেনে নেন। সেই ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট, ১৭টি রিবউন্ড, আটটি অ্যাসিস্ট এবং তিনটি ব্লকের মাধ্যমে আব্দুল-জব্বার দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান এবং দল ১০৯–১০২ ব্যবধানে জয়ী হয়। ল্যাকার্সের চারটি জয়ের ম্যাচে তিনি গড়ে ৩০.২ পয়েন্ট, ১১.৩টি রিবউন্ড, ৬.৫টি অ্যাসিস্ট এবং ২.০টি ব্লক করেন।[১৩২] এই শিরোপা জয়ের মাধ্যমে ল্যাকার্সের বিরুদ্ধে সেল্টিকসের টানা আটটি চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের ধারার অবসান ঘটে।[১১১]
খেলোয়াড়ি জীবনের শেষ বছর এবং ষষ্ঠ শিরোপা (১৯৮৫–১৯৮৯)
[সম্পাদনা]আব্দুল-জব্বার ১৯৮৫–৮৬ মৌসুমে তার ১৭তম মৌসুম খেলেন, যার মাধ্যমে তিনি ডলফ শায়েস, জন হ্যাভলিচেক, পল সিলাস এবং এলভিন হেইসের গড়া এনবিএ-তে ১৬টি মৌসুম খেলার পূর্ববর্তী রেকর্ডটি ভেঙে দেন।[১৩৩][১৩৪][১৩৫] ১৯৮৫ সালের ১২ নভেম্বর, তিনি একই ২০ লক্ষ ডলার বেতনে তার চুক্তির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ান, তবে ১৯৮৫–৮৬ মৌসুমের পর অবসর নেওয়ার সুযোগটি (অপশন) নিজের কাছেই রাখেন।[১৩৬] ১৯৮৬–৮৭ মৌসুমের আগে, লিগে ক্রমাগত বাড়তে থাকা ৭ ফুটের (২.১ মিটার) খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য তিনি ১৩ পাউন্ড ওজন বাড়িয়ে প্রায় ২৭০ পাউন্ডে পৌঁছান।[১৩৭] তার শেষ তিন মৌসুমের প্রতিটিতেই ল্যাকার্স এনবিএ ফাইনালে পৌঁছেছিল, যার শুরুটা ছিল ১৯৮৭ সালে বস্টনের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের মাধ্যমে।[১] এরপর তিনি ল্যাকার্সের সাথে দুই বছরের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন।[১৩৮]
রাইলি গ্যারান্টি দিয়েছিলেন যে, ল্যাকার্স হবে ১৯৬৮-৬৯ সেল্টিকসের পর প্রথম এনবিএ দল যারা টানা দুবার শিরোপা জিতবে; এবং তারা ১৯৮৮ সালের চ্যাম্পিয়নশিপে ডেট্রয়েট পিস্টনসকে পরাজিত করে।[১][১৩৯] ফাইনালের ৬ষ্ঠ ম্যাচে আব্দুল-জব্বার ১৪টি শটের মধ্যে মাত্র ৩টি সফল করতে পেরেছিলেন, কিন্তু ম্যাচের ১৪ সেকেন্ড বাকি থাকতে তিনি দুটি ফ্রি থ্রো সফলভাবে সম্পন্ন করেন, যা সিরিজটিকে সপ্তম ম্যাচ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়।[১৪০] মৌসুমের শেষ ম্যাচে জয়ের পর, যেখানে তিনি মাত্র চার পয়েন্ট এবং তিনটি রিবউন্ড করেছিলেন, ৪১ বছর বয়সী এই সেন্টার লকার রুমে ঘোষণা করেন যে তিনি অবসরে যাওয়ার আগে আরও একটি মৌসুম খেলবেন।[১৪০][১৪১] তার ১৯তম মৌসুমে পয়েন্ট সংগ্রহ, রিবউন্ড এবং খেলার সময় কমে গিয়েছিল;[১৪১][১৪২][১৪৩] এবং ম্যাচের আগে এমন খবরও এসেছিল যে তিনি এই প্রতিযোগিতার পরেই অবসর নিচ্ছেন।[১৪০][১৪৪] তার "অবসর সফর" চলাকালীন তিনি প্রতিটি ম্যাচে, তা সে নিজেদের মাঠ হোক বা প্রতিপক্ষের, দর্শকদের কাছ থেকে দাঁড়িয়ে সম্মাননা পেয়েছিলেন। উপহার হিসেবে তিনি "ক্যাপ্টেন স্কাইহুক" লেখা একটি ইয়ট থেকে শুরু করে তার খেলোয়াড়ি জীবনের বাঁধানো জার্সি এবং একটি পারস্য গালিচাও পেয়েছিলেন।[১৪৫] ফোরামে সিয়াটলের বিপক্ষে তার শেষ নিয়মিত মৌসুমের ম্যাচে,[১৪৫] ল্যাকার্সের প্রত্যেক খেলোয়াড় আব্দুল-জব্বারের সিগনেচার গগলস পরে কোর্টে নেমেছিলেন।[১৪৬] ল্যাকার্স ১৯৮৯ সালের ফাইনালে পিস্টনসের কাছে ৪-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়।[১৪৭]
অবসর গ্রহণের সময় আব্দুল-জব্বার এনবিএ-তে সর্বাধিক ম্যাচ খেলার রেকর্ডটি নিজের দখলে রেখেছিলেন।[১৪৮] এ ছাড়াও তিনি সর্বাধিক সময় মাঠে থাকা (৫৭,৪৪৬ মিনিট), সর্বাধিক ফিল্ড গোল (১৫,৮৩৭টি), সর্বাধিক পয়েন্ট (৩৮,৩৮৭) এবং সর্বাধিক ১,০০০-পয়েন্ট অর্জনের মৌসুমের (১৯টি) সর্বকালের রেকর্ডধারী ছিলেন।[৪১]
কোচিং ক্যারিয়ার
[সম্পাদনা]১৯৯৫ সালে, আব্দুল-জব্বার কোচিং করানো এবং তার খেলোয়াড়ি জীবনের অর্জিত জ্ঞান বিলিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করতে শুরু করেন।[১৪৯][১৫০] খেলোয়াড়ি জীবনে অসামান্য সাফল্য থাকা সত্ত্বেও তার কোচিংয়ের সুযোগ ছিল সীমিত। খেলার দিনগুলোতে আব্দুল-জব্বারের অন্তর্মুখী এবং গম্ভীর স্বভাবের জন্য তার একটি বিশেষ পরিচিতি তৈরি হয়েছিল। গণমাধ্যমের সাথে তিনি প্রায়শই বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করতেন না।[১৪৯][১৫০][১৫১] তার সংবেদনশীলতা এবং লাজুক স্বভাবের কারণে তাকে দাম্ভিক এবং রুক্ষ মনে করার একটি ধারণা তৈরি হয়েছিল।[১৪৯][১৫২] সেই সময়ে তার মানসিকতা ছিল এমন যে, হয় তার হাতে সময় নেই অথবা কারো কাছে তার কোনো দায়বদ্ধতা নেই।[১৫৩] ম্যাজিক জনসন স্মৃতিচারণ করে বলেন, ছোটবেলায় অটোগ্রাফ চাইতে গেলে আব্দুল-জব্বার তাকে এড়িয়ে গিয়েছিলেন। কোনো সাংবাদিক তাকে স্পর্শ করলে তিনি হয়তো তাকে পাত্তাই দিতেন না, এমনকি একবার তিনি সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় সংবাদপত্র পড়া বন্ধ করতেও রাজি হননি।[১৫১]
আব্দুল-জব্বার তার খেলোয়াড়ি জীবনের অধিকাংশ সময় গণমাধ্যমের মনোযোগের প্রতি এক ধরনের সংরক্ষিত মনোভাব বজায় রেখেছিলেন (যেহেতু ইউসিএলএ-তে তারকা থাকা অবস্থায় তাকে এমন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়নি), তবে ক্যারিয়ারের শেষের দিকে তিনি কিছুটা নমনীয় হন। আব্দুল-জব্বার বলেছিলেন: "আমি বুঝতে পারিনি যে আমি মানুষকেও সেভাবে প্রভাবিত করেছি এবং এটাই ছিল মূল বিষয়। আমি সবসময় ভাবতাম তারা হয়তো আমার ব্যক্তিগত বিষয়ে নাক গলাতে চাইছে। আমি বড্ড বেশি সন্দিহান ছিলাম এবং এর জন্য আমাকে মূল্য দিতে হয়েছে।"[১৫৪] তবে তিনি বিশ্বাস করেন যে, "কঠিন ব্যক্তি" হিসেবে তার যে পরিচিতি তৈরি হয়েছিল এবং পঞ্চাশ বছর বয়সের কাছাকাছি সময়ে কোচিং পেশায় আসার চেষ্টা, এই দুটি বিষয়ই এনবিএ বা এনসিএএ-তে তার প্রধান কোচ হওয়ার সুযোগকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।[১৫৫]
আব্দুল-জব্বার লস অ্যাঞ্জেলেস ক্লিপার্স এবং সিয়াটল সুপারসনিক্সের সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন, যেখানে তিনি তাদের তরুণ সেন্টার মাইকেল ওলোওয়োকান্দি এবং জেরোম জেমসসহ অন্যদের মেন্টর হিসেবে সাহায্য করেছেন।[১৫৬] ২০০২ সালে তিনি ইউনাইটেড স্টেটস বাস্কেটবল লিগের দল ওকলাহোমা স্টর্মের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেন এবং সেই মৌসুমে দলটিকে লিগ চ্যাম্পিয়নশিপ জেতান। তবে এক বছর পর তিনি কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির প্রধান কোচের পদ পেতে ব্যর্থ হন।[১৫৭] এরপর তিনি নিউ ইয়র্ক নিক্সের একজন স্কাউট হিসেবে কাজ করেন।[১৫৮] পরবর্তীতে তিনি বিশেষ সহকারী কোচ হিসেবে ফিল জ্যাকসনের অধীনে ছয়টি মৌসুমের জন্য (২০০৫–২০১১) ল্যাকার্সে ফিরে আসেন। সেখানে শুরুর দিকে তিনি তাদের তরুণ সেন্টার অ্যান্ড্রু বাইনামের মেন্টর হিসেবে কাজ করেন।[১৫৯][১৬০] এ ছাড়াও আব্দুল-জব্বার ১৯৯৮ সালে অ্যারিজোনার হোয়াইটরিভারে ফোর্ট অ্যাপাচি ইন্ডিয়ান রিজার্ভেশনের অ্যালচেসে হাই স্কুলে একজন স্বেচ্ছাসেবক কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[১৬১] ইউসিএলএ (UCLA) এবং মিলওয়াকি বাক্সের প্রধান কোচের শূন্য পদগুলোর জন্য তদবির করে ব্যর্থ হওয়ার পর ২০১৩ সালে তিনি কোচিং পেশা থেকে সরে দাঁড়ান।[১৬২]
খেলোয়াড়ি প্রোফাইল
[সম্পাদনা]আক্রমণভাগে আব্দুল-জব্বার ছিলেন লো-পোস্ট অঞ্চলের একজন আধিপত্যশালী হুমকি। উইল্ট চেম্বারলেইন বা শাকিল ওনিলের মতো অন্যান্য লো-পোস্ট বিশেষজ্ঞদের তুলনায় তিনি ছিলেন একজন দীর্ঘকায় কিন্তু ছিপছিপে দানব। তার উচ্চতা ছিল ৭ ফুট ২ ইঞ্চি এবং ওজন ছিল প্রায় ২৪০ থেকে ২৫০ পাউন্ডের মধ্যে, যদিও ১৯৮৬ সালে তিনি তা বাড়িয়ে ২৭০ পাউন্ড করেছিলেন।[১৩৭][১৬৩] খেলোয়াড়ি জীবনের শুরুর দিকে তিনি এই শারীরিক গঠনকে ক্ষিপ্রতা এবং গতির জন্য ব্যবহার করতেন, যেখানে শেষের দিকে ঝুড়ির নিচে রক্ষণভাগ সামলাতে তিনি আরও শক্তিশালী শারীরিক গঠন ব্যবহার করতেন।[১৩৭] আব্দুল-জব্বার তার দুই হাতেই দক্ষ স্কাইহুক শটের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। এটি তার খেলোয়াড়ি জীবনের .৫৫৯ ফিল্ড গোল শতাংশ অর্জনে সহায়তা করেছিল, যা তার অবসর গ্রহণের সময় এনবিএ ইতিহাসে অষ্টম ছিল[ক] এবং তাকে একজন ভয়ংকর 'ক্লাচ শুটার' হিসেবে পরিচিতি দিয়েছিল।[১৬৬] শেষ মৌসুমটি বাদে প্রতিটি মৌসুমে তার শটের সাফল্যের হার ৫০ শতাংশের উপরে ছিল।[১৬৭]
রক্ষণভাগেও আব্দুল-জব্বার তার আধিপত্য বজায় রেখেছিলেন। তিনি ১১ বার এনবিএ অল-ডিফেন্সিভ টিমে নির্বাচিত হন।[১] তার অসাধারণ শট-ব্লকিং ক্ষমতার মাধ্যমে তিনি প্রতিপক্ষকে হতাশ করে দিতেন এবং প্রতি ম্যাচে গড়ে ২.৬টি শট প্রতিহত করতেন। তিনি খুব একটা আগ্রাসী রিবউন্ডার ছিলেন না; পজিশনিংয়ের চেয়ে তিনি তার ৭ ফুট উচ্চতার ওপর বেশি নির্ভর করতেন।[১৬৮][১৬৯] খেলোয়াড়ি জীবনের শুরুর দিকে শারীরিক ধকল সহ্য করার পর, শেষের বছরগুলোতে তার রিবউন্ডের গড় প্রতি ম্যাচে ছয় থেকে আটটিতে নেমে আসে।[১] একজন সতীর্থ হিসেবে আব্দুল-জব্বার ছিলেন স্বাভাবিক নেতৃত্বের অধিকারী এবং সহকর্মীদের কাছে তিনি আদর করে "ক্যাপ" (Cap)[৫] বা "ক্যাপ্টেন" নামে পরিচিত ছিলেন।[১৭০] তার মেজাজ ছিল অত্যন্ত শান্ত ও স্থিতিশীল, যার কারণে রাইলির মতে তাকে কোচিং করানো সহজ ছিল।[১৭১]
একটি কঠোর ফিটনেস ব্যবস্থা আব্দুল-জাব্বারকে সর্বকালের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী খেলোয়াড়ে পরিণত করেছিল।[১৭২] তিনি ২৬ বছর বয়সে একটি বছরব্যাপী কন্ডিশনিং প্রোগ্রাম শুরু করেন।[১৭৩] লস অ্যাঞ্জেলেসে থাকাকালীন, আব্দুল-জাব্বার তার নমনীয়তা বাড়াতে ১৯৭৬ সালে যোগব্যায়াম শুরু করেন এবং তার শারীরিক সুস্থতা বিধির জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।[১৭৪] তিনি বলেছিলেন: "যোগব্যায়াম ছাড়া আমি যতদিন খেলেছি ততদিন খেলা আমার পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না।"[১৭৫] তার মেটাবলিজমের কারণে ওজন বাড়ানো তার জন্য কঠিন ছিল। ১৯৭৯–৮০ মৌসুমের আগে, মুক্ত ওজন (ফ্রি ওয়েটস) থেকে নটিলাস সরঞ্জামে স্থানান্তরিত হওয়ার পর তিনি ২৪০ পাউন্ড থেকে ১০ পা (৪.৫ কিগ্রাম) ওজন বাড়িয়ে ২৫০ পা (১১০ কিগ্রাম) করেন। তিনি সেই অফসিজনে তাই চি থেকে যোগব্যায়ামেও ফিরে আসেন।[১৭৬] তার পরবর্তী বছরগুলোতে ধকল কমাতে রাইলি তাকে গোল হওয়ার পর বল ইনবাউন্ড করতে দিতেন না এবং ফ্রি থ্রোর সময় তাকে কোর্টের উল্টো প্রান্তে অপেক্ষা করতে বলতেন।[১৭৭] শক্তি সাশ্রয়ের জন্য তিনি যেটিকে একটি "স্মার্ট গেম" হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন, তাতে আব্দুল-জাব্বার কখনও কখনও রক্ষণে থেকে যেতেন এবং লেকার্সরা ফাস্ট ব্রেকে স্কোর করেছে কি না তা দেখার জন্য কয়েক সেকেন্ড দেরি করে আক্রমণে যোগ দেওয়া শেষ খেলোয়াড় হতেন।[১৭৩][১৭৮] ১৯৮১ সালে, তিনি যথেষ্ট পরিশ্রম না করার সমালোচনার জবাবে বলেছিলেন: "আপনাকে বুঝতে হবে যে আমাকে প্রতি রাতে ৪২ থেকে ৪৫ মিনিট খেলতে হয়, এবং এটি একটি বিশাল এস্টেটের লন কাটার মতো। আপনি যদি হুড়োহুড়ি করে চারপাশে পাগলের মতো দৌড়ান, তবে তা আত্মঘাতী হবে। ঠিক যখন আপনার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে, তখনই আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়বেন।"[১৭৯] আব্দুল-জাব্বার ২০টি মৌসুম এবং ১,৫৬০টি ম্যাচ খেলার তৎকালীন এনবিএ রেকর্ড নিয়ে তার খেলোয়াড়ী জীবন শেষ করেন,[১৮০] যা পরবর্তীতে প্রাক্তন সেলটিকস সেন্টার রবার্ট প্যারিশ ভেঙে দেন।[১৮১]
১৯৭৪ সালের প্রাক-মৌসুমে চোখে আঘাত পাওয়ার পর আব্দুল-জাব্বার তার ট্রেডমার্ক গগলস পরা শুরু করেন। ১৯৭৯ সালের প্লে-অফে এটি বর্জন করার আগে পর্যন্ত তিনি বছরের পর বছর এটি পরেছিলেন। ১৯৮০ সালের অক্টোবরে হিউস্টনের রুডি টমজানোভিচের হাতে ভুলবশত ডান চোখে আঘাত পাওয়ার পর তিনি পুনরায় গগলস পরা শুরু করেন।[১৮২] বছরের পর বছর চোখে আঘাত পাওয়ার কারণে আব্দুল-জাব্বারের কর্নিয়াল ইরোজেন সিনড্রোম তৈরি হয়, যার ফলে চোখ শুকিয়ে গেলে তিনি মাঝেমধ্যে ব্যথা অনুভব করতেন। এই অবস্থার কারণে ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে তিনি তিনটি ম্যাচে অনুপস্থিত ছিলেন।[১৮৩]
স্কাইহুক
[সম্পাদনা]আব্দুল-জাব্বার তার ট্রেডমার্ক স্কাইহুকের জন্য সুপরিচিত ছিলেন, যা এমন একটি হুক শট যেখানে তিনি বলটিকে উপরে তুলতেন এবং তার হাতের বৃত্তাকার গতির সর্বোচ্চ বিন্দুতে পৌঁছালে বলটি ছাড়তেন। তিনি ১৬ ফু (৪.৯ মি) দূর থেকেও স্কাইহুক শট নিতে পারতেন। তার লম্বা হাত এবং দীর্ঘ উচ্চতার কারণে তিনি বলটি এত উঁচুতে ছাড়তেন যে কোনো রক্ষণভাগের খেলোয়াড়ের পক্ষে গোলটেন্ডিং লঙ্ঘন না করে তা ব্লক করা কঠিন ছিল।[১৮৪][১৮৫] রক্ষণভাগের খেলোয়াড় এবং বলের মাঝখানে তার শরীর থাকায় এটি ব্লক করা আরও কঠিন হয়ে পড়ত,[১৮৪] ঠিক যেমনটি হতো প্রতিপক্ষকে দূরে রাখার জন্য তার অন্য হাতটি প্রসারিত করার কারণে।[১৬৭] তিনি বাম হাতের চেয়ে ডান হাতে স্কাইহুক শট নিতে বেশি পারদর্শী ছিলেন, যা তিনি তার পরবর্তী বছরগুলোতে রপ্ত করেছিলেন।[১৬৭]
আব্দুল-জাব্বারের মতে, তিনি পঞ্চম শ্রেণিতে থাকাকালীন উভয় হাতে দক্ষ হওয়ার জন্য ‘মিকান ড্রিল’ অনুশীলনের মাধ্যমে এই কৌশলটি শিখেছিলেন এবং দ্রুতই এর গুরুত্ব বুঝতে পেরেছিলেন, কারণ এটিই ছিল “একমাত্র শট যা আমি ব্যবহার করতে পারতাম এবং যা আমার মুখের ওপর সজোরে ফিরে আসত না (ব্লক হতো না)।”[১৫৩] তিনি সেন্ট লুইস হকসের হয়ে ক্লিফ হ্যাগনকেও হুক শট নিতে দেখেছিলেন।[১৬৭] পেছন থেকে তার হুক শট ব্লক হওয়া ঠেকাতে উডেন তাকে হুক শটের সাধারণ সুইপিং মোশন বা হাত ঘুরিয়ে নেওয়ার ভঙ্গি বর্জন করার পরামর্শ দিয়েছিলেন; পরিবর্তে বলটিকে শরীরের কাছাকাছি রাখা এবং সোজা ভঙ্গিতে শট নেওয়ার পরামর্শ দেন। ইউসিএলএ-তে থাকাকালীন তার জুনিয়র বর্ষে যখন ডাঙ্ক করা নিষিদ্ধ করা হয়, তখন আব্দুল-জাব্বারের হুক শটের আরও উন্নতি ঘটে। তার কলেজ জীবনের শেষ বছরগুলোতে তিনি প্রায়ই রিমের কয়েক ফুট উপর থেকে বলটি ছাড়তেন।[১৮৬]
উত্তরাধিকার
[সম্পাদনা]আব্দুল-জাব্বার রেকর্ড সংখ্যক ছয়টি এমভিপি (MVP) পুরস্কার জিতেছেন।[১][৮] তার খেলোয়াড়ী জীবনের ৩৮,৩৮৭ পয়েন্ট ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এনবিএর সর্বোচ্চ পয়েন্ট সংগ্রহের রেকর্ড হিসেবে টিকে ছিল, যা লস অ্যাঞ্জেলেস লেকার্সের লেব্রন জেমস অতিক্রম করেন।[১৮৭] আব্দুল-জাব্বার সেই ম্যাচটিতে উপস্থিত ছিলেন এবং রেকর্ড ভাঙার পর খেলা চলাকালীন এক অনুষ্ঠানে জেমসের হাতে ম্যাচের বলটি তুলে দেন।[১৮৮] আব্দুল-জাব্বার প্রায় ৩৯ বছর ধরে এই পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ছিলেন, যা লিগের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময়।[১৮৯] তার স্কাইহুক শটকে সর্বকালের অন্যতম অদম্য শট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।[১৬৩] তিনি ছয়টি এনবিএ চ্যাম্পিয়নশিপ এবং দুটি ফাইনাল এমভিপি পুরস্কার জিতেছেন, ১৫ বার অলেনবিএ এবং ১১ বার অল-ডিফেন্সিভ টিমে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া তিনি ১৯ বার অল-স্টার টিমে নির্বাচিত হয়েছিলেন,[১৯০] যা ২০২৪ সালে জেমস অতিক্রম করার আগে পর্যন্ত একটি রেকর্ড ছিল।[১৯১] আব্দুল-জাব্বারের নাম এনবিএর ৩৫তম, ৫০তম এবং ৭৫তম বার্ষিকী দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।[১৯২] তিনি তার খেলোয়াড়ী জীবনে গড়ে ২৪.৬ পয়েন্ট, ১১.২ রিবাউন্ড, ৩.৬ অ্যাসিস্ট এবং ২.৬ ব্লক অর্জন করেছেন,[১৯০] যার মধ্যে টানা তিনটি মৌসুমে তিনি গড়ে অন্তত ৩০ পয়েন্ট ও ১৬ রিবাউন্ড অর্জন করেন এবং ছয়বার একই মৌসুমে গড়ে অন্তত ২৭ পয়েন্ট ও ১৪.৫ রিবাউন্ড অর্জন করেন।[১৯৩] এনবিএর সর্বকালের সর্বোচ্চ রিবাউন্ড সংগ্রহকারীদের তালিকায় তিনি বর্তমানে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন (১৭,৪৪০)।[১৯৪] তিনি নিবন্ধিত ব্লকের সংখ্যায় (৩,১৮৯) সর্বকালের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন,[১৯৫] যা অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক কারণ এই বাস্কেটবল পরিসংখ্যান তার খেলোয়াড়ি জীবনের চতুর্থ বছর (১৯৭৪) পর্যন্ত রেকর্ড করা শুরু হয়নি।[১৯৬] তিনি সেই পাঁচজন খেলোয়াড়ের একজন যারা একই মৌসুমে রিবাউন্ড এবং ব্লকের ক্ষেত্রে এনবিএ-তে নেতৃত্ব দিয়েছেন।[খ]
আবদুল-জাব্বার তার খেলোয়াড়ি জীবনের মধ্যগগনের আধিপত্যের সাথে শেষদিকের বছরগুলোর দীর্ঘায়ু এবং অব্যাহত শ্রেষ্ঠত্বের সমন্বয় ঘটিয়েছিলেন।[৮] এনবিএ-তে যোগব্যায়াম ব্যবহারের ক্ষেত্রে তিনি একজন অগ্রগামী ব্যক্তি ছিলেন।[১৬৩] এছাড়াও তিনি ব্রুস লিকে তাকে "মার্শাল আর্টসের শৃঙ্খলা ও আধ্যাত্মিকতা" শেখানোর জন্য কৃতিত্ব দেন, যার ফলে তিনি বলেছিলেন, "খুব কম ইনজুরি নিয়ে ২০ বছর ধরে এনবিএ-তে প্রতিযোগিতামূলকভাবে খেলতে পারার পেছনে এটিই প্রধানত দায়ী ছিল"।[১৯৯] আবদুল-জাব্বার তার খেলোয়াড়ি জীবনে দলের নিয়মিত মৌসুমের খেলাগুলোর ৯৫ শতাংশে খেলেছিলেন,[১১২] যার মধ্যে ২০টি মৌসুমের ১১টিতেই তিনি ৮০ বা তার বেশি ম্যাচ খেলেছিলেন। পাঁচবার তিনি ৮২টি খেলার সবকটিতেই অংশ নিয়েছিলেন।[১৬৩] ১৯৮০ সালে তার ষষ্ঠ এবং শেষ এমভিপি জেতার পর, তিনি পরবর্তী ছয় মৌসুমে গড়ে ২০ পয়েন্টের বেশি অর্জন অব্যাহত রেখেছিলেন,[১] যার মধ্যে ৩৮ বছর বয়সে তার ১৭তম মৌসুমে প্রতি গেমে গড়ে ২৩ পয়েন্ট অন্তর্ভুক্ত ছিল।[২০০] তিনি ১৫ বছরের ব্যবধানে ফার্স্ট-টিম অলেনবিএ সিলেকশন এবং ১৪টি মৌসুমের ব্যবধানে ফাইনালস এমভিপি অর্জন করেছিলেন।[২০১]
সর্বকালের সবচেয়ে মার্জিত বাস্কেটবল খেলোয়াড়দের মধ্যে একজন,[১১২] আব্দুল-জাব্বারকে এনবিএর ইতিহাসের অন্যতম সেরা সেন্টার এবং অন্যতম মহান খেলোয়াড় হিসেবে গণ্য করা হয়;[৬] ২০০৭ সালে ইএসপিএন তাকে উইল্ট চেম্বারলেনের আগে সর্বকালের সেরা সেন্টার হিসেবে ভোট দেয়,[২০২] ২০১৮ সালে স্ল্যাম পত্রিকার "সর্বকালের সেরা ১০০ খেলোয়াড়" এর তালিকায় তিনি ৪র্থ স্থান লাভ করেন,[২০৩] এবং ২০২০ সালে ইএসপিএনের সর্বকালের শীর্ষ ৭৪ জন এনবিএ খেলোয়াড়ের তালিকায় তিনি ৩য় স্থান অধিকার করেন, যেখানে তিনি বিল রাসেল এবং চেম্বারলেনের আগে সর্বকালের সেরা সেন্টার নির্বাচিত হন।[২০৪] লিগ বিশেষজ্ঞ এবং বাস্কেটবল কিংবদন্তিরা সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় (GOAT) বিবেচনার সময় প্রায়শই তার নাম উল্লেখ করেন।[২০০][২০৫] ১৯৮৫ সালে রাইলি বলেছিলেন: "আর বিচার করার কী আছে? যখন একজন মানুষ রেকর্ড ভেঙেছেন, চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছেন, প্রচণ্ড সমালোচনা এবং দায়িত্ব সহ্য করেছেন, তখন আর বিচার কেন? আসুন আমরা তাকে সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে অভিবাদন জানাই।"[১][১৭৭] ২০২৩ সালে জেমস যখন এনবিএর খেলোয়াড়ী জীবনের পয়েন্ট সংগ্রহের রেকর্ড ভাঙার দ্বারপ্রান্তে ছিলেন, তখনও রাইলির পছন্দের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে আব্দুল-জাব্বারই অটল ছিলেন: "খেলাটির ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র যার কাছে ছিল, সেই সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়কে ছাড়া আমরা চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে পারতাম না। স্কাইহুক ছিল অপ্রতিরোধ্য। খেলার শেষ মিনিটে বলটি একজনের কাছেই যাবে (সেটি হলো আব্দুল-জাব্বার)"। মায়ামি হিটের সভাপতি হিসেবে রাইলি জেমসকে দলে রেখে দুটি এনবিএ শিরোপা জিতেছিলেন।[২০৬] আইজিয়া থমাস মন্তব্য করেছিলেন: "সংখ্যা যদি মিথ্যা না বলে, তবে আব্দুল-জাব্বারই এই খেলাটি খেলা সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়।"[২০৭] ২০১৩ সালে জুলিয়াস আরভিং বলেছিলেন: "সর্বকালের খেলোয়াড়দের বিচারে আব্দুল-জাব্বার এখনও এক নম্বর ব্যক্তি। তিনি সেই ব্যক্তি যাকে দিয়ে আপনার ফ্র্যাঞ্চাইজি শুরু করা উচিত।"[২০৮] ২০১৫ সালে ইএসপিএন আব্দুল-জাব্বারকে এনবিএ ইতিহাসের সেরা সেন্টার হিসেবে ঘোষণা করে,[২০০] এবং সর্বকালের সেরা এনবিএ খেলোয়াড়দের মধ্যে মাইকেল জর্ডানের পরেই তাকে ২য় স্থানে রাখে।[৮] জর্ডানের শটগুলো মনোমুগ্ধকর এবং অকল্পনীয় বলে বিবেচিত হলেও আব্দুল-জাব্বারের স্কাইহুক ছিল স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের মতো নিখুঁত, যদিও তিনি নিজে এই শটটিকে "আকর্ষণহীন" (আনসেক্সি) বলতেন।[১][৮] ২০১৬ সালে আব্দুল-জাব্বারের একমাত্র স্বীকৃত রুপি কার্ড নিলামে $৫০১,৯০০ ডলারে বিক্রি হয়, যা সে সময়ের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বাস্কেটবল কার্ডে পরিণত হয়েছিল (পরবর্তীতে এই রেকর্ডটি অন্য কার্ড ছাড়িয়ে গেছে)।[২০৯] ২০২২ সালে তিনি ইএসপিএনের এনবিএ ৭৫তম বার্ষিকী দলের তালিকায় ৩য় (নিজ অবস্থানে প্রথম) এবং দ্য অ্যাথলেটিক এর অনুরূপ একটি তালিকায় ৩য় (জর্ডান এবং জেমসের পরে) স্থানে ছিলেন।[২১০]
আব্দুল-জাব্বার ১৯৭৮ সালে অ্যাডিডাসের সাথে প্রথম এনবিএ খেলোয়াড় হিসেবে স্নিকার এনডোর্সমেন্ট চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এর কিছুকাল পরেই তিনি প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে নিজের সিগনেচার জুতা প্রবর্তন করেন।[২১১][২১২] ২০১৪ সালে, ইউসিএলএ ব্রুইনস ১৩ ফেব্রুয়ারি কলোরাডোর বিরুদ্ধে ম্যাচে "দ্য ব্লুপ্রিন্ট" ক্রেজি ৮ জুতাটি পরিধান করেছিল। এনবিএ অল-স্টার উইকএন্ড চলাকালীন ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে এই জুতাগুলো অনলাইনে এবং নিউ অর্লিন্সের একটি অ্যাডিডাস স্টোরে বিক্রি করা শুরু হয়।[২১৩]
এনবিএ খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
[সম্পাদনা]নিয়মিত মৌসুম
[সম্পাদনা]| বছর | দল | GP | GS | MPG | FG% | 3P% | FT% | RPG | APG | SPG | BPG | PPG |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১৯৬৯–৭০ | মিলওয়াকি | ৮২* | — | ৪৩.১ | .৫১৮ | — | .৬৫৩ | ১৪.৫ | ৪.১ | — | — | ২৮.৮ |
| ১৯৭০–৭১† | মিলওয়াকি | ৮২ | — | ৪০.১ | .৫৭৭ | — | .৬৯০ | ১৬.০ | ৩.৩ | — | — | ৩১.৭* |
| ১৯৭১–৭২ | মিলওয়াকি | ৮১ | — | ৪৪.২ | .৫৭৪ | — | .৬৮৯ | ১৬.৬ | ৪.৬ | — | — | ৩৪.৮* |
| ১৯৭২–৭৩ | মিলওয়াকি | ৭৬ | — | ৪২.৮ | .৫৫৪ | — | .৭১৩ | ১৬.১ | ৫.০ | — | — | ৩০.২ |
| ১৯৭৩–৭৪ | মিলওয়াকি | ৮১ | — | ৪৩.৮ | .৫৩৯ | — | .৭০২ | ১৪.৫ | ৪.৮ | ১.৪ | ৩.৫ | ২৭.০ |
| ১৯৭৪–৭৫ | মিলওয়াকি | ৬৫ | — | ৪২.৩ | .৫১৩ | — | .৭৬৩ | ১৪.০ | ৪.১ | ১.০ | ৩.৩* | ৩০.০ |
| ১৯৭৫–৭৬ | এল.এ. লেকার্স | ৮২ | ৮২ | ৪১.২ | .৫২৯ | — | .৭০৩ | ১৬.৯* | ৫.০ | ১.৫ | ৪.১* | ২৭.৭ |
| ১৯৭৬–৭৭ | এল.এ. লেকার্স | ৮২ | ৮২ | ৩৬.৮ | .৫৭৯* | — | .৭০১ | ১৩.৩ | ৩.৯ | ১.২ | ৩.২ | ২৬.২ |
| ১৯৭৭–৭৮ | এল.এ. লেকার্স | ৬২ | — | ৩৬.৫ | .৫৫০ | — | .৭৮৩ | ১২.৯ | ৪.৩ | ১.৭ | ৩.০ | ২৫.৮ |
| ১৯৭৮–৭৯ | এল.এ. লেকার্স | ৮০ | — | ৩৯.৫ | .৫৭৭ | — | .৭৩৬ | ১২.৮ | ৫.৪ | ১.০ | ৪.০* | ২৩.৮ |
| ১৯৭৯–৮০† | এল.এ. লেকার্স | ৮২ | — | ৩৮.৩ | .৬০৪ | .০০০ | .৭৬৫ | ১০.৮ | ৪.৫ | ১.০ | ৩.৪* | ২৪.৮ |
| ১৯৮০–৮১ | এল.এ. লেকার্স | ৮০ | — | ৩৭.২ | .৫৭৪ | .০০০ | .৭৬৬ | ১০.৩ | ৩.৪ | .৭ | ২.৯ | ২৬.২ |
| ১৯৮১–৮২† | এল.এ. লেকার্স | ৭৬ | ৭৬ | ৩৫.২ | .৫৭৯ | .০০০ | .৭০৬ | ৮.৭ | ৩.০ | .৮ | ২.৭ | ২৩.৯ |
| ১৯৮২–৮৩ | এল.এ. লেকার্স | ৭৯ | ৭৯ | ৩২.৩ | .৫৮৮ | .০০০ | .৭৪৯ | ৭.৫ | ২.৫ | .৮ | ২.২ | ২১.৮ |
| ১৯৮৩–৮৪ | এল.এ. লেকার্স | ৮০ | ৮০ | ৩২.৮ | .৫৭৮ | .০০০ | .৭২৩ | ৭.৩ | ২.৬ | .৭ | ১.৮ | ২১.৫ |
| ১৯৮৪–৮৫† | এল.এ. লেকার্স | ৭৯ | ৭৯ | ৩৩.৩ | .৫৯৯ | .০০০ | .৭৩২ | ৭.৯ | ৩.২ | .৮ | ২.১ | ২২.০ |
| ১৯৮৫–৮৬ | এল.এ. লেকার্স | ৭৯ | ৭৯ | ৩৩.৩ | .৫৬৪ | .০০০ | .৭৬৫ | ৬.১ | ৩.৫ | .৮ | ১.৬ | ২৩.৪ |
| ১৯৮৬–৮৭† | এল.এ. লেকার্স | ৭৮ | ৭৮ | ৩১.৩ | .৫৬৪ | .৩৩৩ | .৭১৪ | ৬.৭ | ২.৬ | .৬ | ১.২ | ১৭.৫ |
| ১৯৮৭–৮৮† | এল.এ. লেকার্স | ৮০ | ৮০ | ২৮.৯ | .৫৩২ | .০০০ | .৭৬২ | ৬.০ | ১.৭ | .৬ | ১.২ | ১৪.৬ |
| ১৯৮৮–৮৯ | এল.এ. লেকার্স | ৭৪ | ৭৪ | ২২.৯ | .৪৭৫ | .০০০ | .৭৩৯ | ৪.৫ | ১.০ | .৫ | ১.১ | ১০.১ |
| খেলোয়াড়ী জীবন[৫] | ১,৫৬০ | ৭৮৯ | ৩৬.৮ | .৫৫৯ | .০৫৬ | .৭২১ | ১১.২ | ৩.৬ | .৯ | ২.৬ | ২৪.৬ | |
| অল-স্টার[৫] | ১৮ | ১৩ | ২৪.৯ | .৪৯৩ | .০০০ | .৮২০ | ৮.৩ | ২.৮ | .৪ | ২.১ | ১৩.৯ | |
প্লে-অফ
[সম্পাদনা]| বছর | দল | GP | GS | MPG | FG% | 3P% | FT% | RPG | APG | SPG | BPG | PPG |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ১৯৭০ | মিলওয়াকি | ১০ | — | ৪৩.৫ | .৫৬৭ | — | .৭৩৩ | ১৬.৮ | ৪.১ | — | — | ৩৫.২ |
| ১৯৭১† | মিলওয়াকি | ১৪ | — | ৪১.২ | .৫১৫ | — | .৬৭৩ | ১৭.০ | ২.৫ | — | — | ২৬.৬ |
| ১৯৭২ | মিলওয়াকি | ১১ | — | ৪৬.৪ | .৪৩৭ | — | .৭০৪ | ১৮.২ | ৫.১ | — | — | ২৮.৭ |
| ১৯৭৩ | মিলওয়াকি | ৬ | — | ৪৬.০ | .৪২৮ | — | .৫৪৩ | ১৬.২ | ২.৮ | — | — | ২২.৮ |
| ১৯৭৪ | মিলওয়াকি | ১৬ | — | ৪৭.৪ | .৫৫৭ | — | .৭৩৬ | ১৫.৮ | ৪.৯ | ১.৩ | ২.৪ | ৩২.২ |
| ১৯৭৭ | এল.এ. লেকার্স | ১১ | — | ৪২.৫ | .৬০৭ | — | .৭২৫ | ১৭.৭ | ৪.১ | ১.৭ | ৩.৫ | ৩৪.৬ |
| ১৯৭৮ | এল.এ. লেকার্স | ৩ | — | ৪৪.৭ | .৫২১ | — | .৫৫৬ | ১৩.৭ | ৩.৭ | .৭ | ৪.০ | ২৭.০ |
| ১৯৭৯ | এল.এ. লেকার্স | ৮ | — | ৪৫.৯ | .৫৭৯ | — | .৮৩৯ | ১২.৬ | ৪.৮ | ১.০ | ৪.১ | ২৮.৫ |
| ১৯৮০† | এল.এ. লেকার্স | ১৫ | — | ৪১.২ | .৫৭২ | — | .৭৯০ | ১২.১ | ৩.১ | ১.১ | ৩.৯ | ৩১.৯ |
| ১৯৮১ | এল.এ. লেকার্স | ৩ | — | ৪৪.৭ | .৪৬২ | — | .৭১৪ | ১৬.৭ | ৪.০ | ১.০ | ২.৭ | ২৬.৭ |
| ১৯৮২† | এল.এ. লেকার্স | ১৪ | — | ৩৫.২ | .৫২০ | — | .৬৩২ | ৮.৫ | ৩.৬ | ১.০ | ৩.২ | ২০.৪ |
| ১৯৮৩ | এল.এ. লেকার্স | ১৫ | — | ৩৯.২ | .৫৬৮ | .০০০ | .৭৫৫ | ৭.৭ | ২.৮ | ১.১ | ৩.৭ | ২৭.১ |
| ১৯৮৪ | এল.এ. লেকার্স | ২১ | — | ৩৬.৫ | .৫৫৫ | — | .৭৫০ | ৮.২ | ৩.৮ | ১.১ | ২.১ | ২৩.৯ |
| ১৯৮৫† | এল.এ. লেকার্স | ১৯ | ১৯ | ৩২.১ | .৫৬০ | — | .৭৭৭ | ৮.১ | ৪.০ | ১.২ | ১.৯ | ২১.৯ |
| ১৯৮৬ | এল.এ. লেকার্স | ১৪ | ১৪ | ৩৪.৯ | .৫৫৭ | — | .৭৮৭ | ৫.৯ | ৩.৫ | ১.১ | ১.৭ | ২৫.৯ |
| ১৯৮৭† | এল.এ. লেকার্স | ১৮ | ১৮ | ৩১.১ | .৫৩০ | .০০০ | .৭৯৫ | ৬.৮ | ২.০ | .৪ | ১.৯ | ১৯.২ |
| ১৯৮৮† | এল.এ. লেকার্স | ২৪ | ২৪ | ২৯.৯ | .৪৬৪ | .০০০ | .৭৮৯ | ৫.৫ | ১.৫ | .৬ | ১.৫ | ১৪.১ |
| ১৯৮৯ | এল.এ. লেকার্স | ১৫ | ১৫ | ২৩.৪ | .৪৬৩ | — | .৭২১ | ৩.৯ | ১.৩ | .৩ | .৭ | ১১.১ |
| খেলোয়াড়ী জীবন[৫] | ২৩৭ | ৯০ | ৩৭.৩ | .৫৩৩ | .০০০ | .৭৪০ | ১০.৫ | ৩.২ | ১.০ | ২.৪ | ২৪.৩ | |
পুরস্কার ও সম্মাননা
[সম্পাদনা]
প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম (২০১৬)
হল অফ ফেম
- ন্যাশনাল কলেজিয়েট বাস্কেটবল হল অফ ফেম – ২০০৭ সালের অন্তর্ভুক্ত[২১৪]
- নেইস্মিথ মেমোরিয়াল বাস্কেটবল হল অফ ফেম – ১৯৯৫ সালের অন্তর্ভুক্ত[২১৫]
- এনওয়াইসি বাস্কেটবল হল অফ ফেম – ১৯৯০ সালের উদ্বোধনী অন্তর্ভুক্ত
- প্যাক-১২ কনফারেন্স হল অফ অনার – ২০০৩ সালের অন্তর্ভুক্ত[২১৬]
- ইউসিএলএ অ্যাথলেটিক্স হল অফ ফেম – ১৯৮৪ সালের উদ্বোধনী অন্তর্ভুক্ত[২১৭]
উচ্চ বিদ্যালয়
- ২× মিস্টার বাস্কেটবল ইউএসএ (১৯৬৪, ১৯৬৫)
- ৩× ফার্স্ট-টিম প্যারেড অল-আমেরিকান (১৯৬৩–১৯৬৫)
- ৩× সিএইচএসএএ চ্যাম্পিয়ন (১৯৬৩–১৯৬৫)
এনসিএএ
- ৩× ন্যাশনাল কলেজ প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার
- ৩× হেলমস ফাউন্ডেশন কলেজ বাস্কেটবল প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার (১৯৬৭–১৯৬৯)
- ২× অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস কলেজ বাস্কেটবল প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার (১৯৬৭, ১৯৬৯)[২১৮]
- ২× স্পোর্টিং নিউজ কলেজ বাস্কেটবল প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার (১৯৬৭, ১৯৬৯)
- ২× অস্কার রবার্টসন ট্রফি বিজয়ী (১৯৬৭, ১৯৬৮) [২১৮]
- ২× ইউপিআই কলেজ বাস্কেটবল প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার (১৯৬৭, ১৯৬৯) [২১৮]
- নেইস্মিথ কলেজ প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার (১৯৬৯) [২১৮]
- ৩× কনসেনসাস ফার্স্ট-টিম অল-আমেরিকান (১৯৬৭–১৯৬৯) [২১৮]
- ৩× এনসিএএ চ্যাম্পিয়ন (১৯৬৭–১৯৬৯)[২১৮]
- ৩× এনসিএএ টুর্নামেন্ট মোস্ট আউটস্ট্যান্ডিং প্লেয়ার (১৯৬৭–১৯৬৯)[২১৮]
- ৩× প্যাক-৮ নিয়মিত মৌসুম চ্যাম্পিয়ন (১৯৬৭–১৯৬৯)[গ]
- ৩× ফার্স্ট-টিম অল-প্যাক-৮ (১৯৬৭–১৯৬৯)[গ][২১৮]
- ৩× প্যাক-৮ স্কোরিং চ্যাম্পিয়ন (১৯৬৭–১৯৬৯)[গ][২২০]
- ৩× প্যাক-৮ রিবাউন্ড লিডার (১৯৬৭–১৯৬৯)[গ][২২১]
- প্যাক-১২ ২০তম শতাব্দীর সেরা খেলোয়াড়[ঘ][২২২]
- প্যাক-১২ অল-সেঞ্চুরি টিম[ঘ][২২৩]
- ৩৩ নম্বর জার্সি ইউসিএলএ ব্রুইনস কর্তৃক অবসরপ্রাপ্ত
- ইউসি প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল (২০২৪)[২২৪]
- প্যাক-১২ রেকর্ড[ঘ]
এনবিএ
- ৬× এনবিএ চ্যাম্পিয়ন (১৯৭১, ১৯৮০, ১৯৮২, ১৯৮৫, ১৯৮৭, ১৯৮৮)[৫]
- ২× এনবিএ ফাইনালস এমভিপি (১৯৭১, ১৯৮৫)[৫]
- ৬× এনবিএ এমভিপি (১৯৭১, ১৯৭২, ১৯৭৪, ১৯৭৬, ১৯৭৭, ১৯৮০)[৫]
- ১৯× এনবিএ অল-স্টার (১৯৭০–১৯7৭, ১৯৭৯–১৯৮৯)[৫]
- ১৫× অলেনবিএ[২২৯]
- ১১× এনবিএ অল-ডিফেন্সিভ টিম[২৩০]
- এনবিএ রুকি অফ দ্য ইয়ার (১৯৭০)[৫]
- এনবিএ অলরুকি ফার্স্ট টিম (১৯৭০)
- ২× এনবিএ স্কোরিং চ্যাম্পিয়ন (১৯৭১, ১৯৭২)
- এনবিএ রিবাউন্ডিং লিডার (১৯৭৬)
- ৪× এনবিএ ব্লকস লিডার (১৯৭৫, ১৯৭৬, ১৯৭৯, ১৯৮০)
- এনবিএ ফিল্ড গোল পার্সেন্টেজ লিডার (১৯৭৭)
- এনবিএ ৩৫তম বার্ষিকী দলের জন্য নির্বাচিত[৫]
- এনবিএ ইতিহাসের ৫০ জন মহান খেলোয়াড়ের একজন (১৯৯৬)[৫]
- এনবিএ ৭৫তম বার্ষিকী দলের জন্য নির্বাচিত (২০২১)[৫]
- ৩৩ নম্বর জার্সি মিলওয়াকি বাকস কর্তৃক অবসরপ্রাপ্ত
- ৩৩ নম্বর জার্সি লস অ্যাঞ্জেলেস লেকার্স কর্তৃক অবসরপ্রাপ্ত
- ১৬ নভেম্বর, ২০১২ – লস অ্যাঞ্জেলেসের স্টেপলস সেন্টারের সামনে আব্দুল-জাব্বারের একটি ভাস্কর্য উন্মোচন করা হয়[২৩১]
প্রধান কোচ হিসেবে:
- ইউএসবিএল (USBL) চ্যাম্পিয়ন (২০০২)
সহকারী কোচ হিসেবে:
গণমাধ্যম
- ৬× স্পোর্টিং নিউজ এনবিএ এমভিপি (১৯৭১, ১৯৭২, ১৯৭৪, ১৯৭৬, ১৯৭৭, ১৯৮০)[৫]
- ২× স্যাম ডেভিস মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড (১৯৭১, ১৯৭৪)[২৩২]
- স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড স্পোর্টসপারসন অফ দ্য ইয়ার (১৯৮৫)[২৩৩]
- স্পোর্টিং নিউজ রুকি অফ দ্য ইয়ার (১৯৭০)[২৩৪]
- হাই টার্কিন মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড (১৯৭০)[২৩৫]
- অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস এনবিএ ১৯৭০ এর দশকের অল-ডিকেড ফার্স্ট টিম[২৩৬]
- একাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট গোল্ডেন প্লেট অ্যাওয়ার্ড (১৯৮৯)[২৩৭]
- মার্কা লেয়েন্ডা (২০১০)[২৩৮]
- স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেডের মুহাম্মদ আলী লেগাসি অ্যাওয়ার্ড (২০১৬)[২৩৯]
- ডব্লিউ. ই. বি. দু বোইস মেডেল (২০২২)[২৪০]
চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন
[সম্পাদনা]
লস অ্যাঞ্জেলেসে খেলার সুবাদে আব্দুল-জাব্বারের পক্ষে অভিনয়ে হাত পাকানো সহজ হয়। ১৯৭২ সালে ব্রুস লির চলচ্চিত্র গেম অফ ডেথে অভিনয়ের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে।[৯]
১৯৮০ সালে আব্দুল-জাব্বার এয়ারপ্লেন! চলচ্চিত্রে কো-পাইলট রজার মারডকের চরিত্রে অভিনয় করেন।[২৪] ১৯৫৭ সালের নাটক জিরো আওয়ার! ছিল এই চলচ্চিত্রের প্রধান অনুপ্রেরণা। সেই নাটকে ফুটবল তারকা এলরয় "ক্রেজিলেগস" হার্শ একজন বিমান চালকের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যা আব্দুল-জাব্বার এই চলচ্চিত্রে ব্যঙ্গাত্মকভাবে ফুটিয়ে তোলেন।[২৪১] এয়ারপ্লেন!-এ একটি দৃশ্য রয়েছে যেখানে ককপিটে আমন্ত্রিত একটি ছোট ছেলে আব্দুল-জাব্বারের দিকে তাকিয়ে মন্তব্য করে যে, তিনি আসলে আব্দুল-জাব্বারই।[২৪২] নিজের চরিত্রে অটল থেকে আব্দুল-জাব্বার বলেন যে তিনি কেবল একজন বিমান কো-পাইলট রজার মারডক। তা সত্ত্বেও ছেলেটি জোর দিয়ে বলতে থাকে যে আব্দুল-জাব্বার "সেরা", কিন্তু তার বাবার মতে তিনি "রক্ষণে (ডিফেন্স) যথেষ্ট কঠোর পরিশ্রম করেন না" এবং "প্লে-অফ ছাড়া তিনি আসলে খুব একটা চেষ্টাও করেন না"।[২৪২] এতে রেগে গিয়ে আব্দুল-জাব্বার তার চরিত্রের বাইরে এসে চিৎকার করে ওঠেন: "আমি চেষ্টা করি না মানে!" এরপর তিনি ছেলেটিকে ধরে রাগত স্বরে বলেন যে তিনি "ইউসিএলএ-তে থাকার সময় থেকেই এসব আবর্জনা শুনছেন" এবং তিনি প্রতি রাতে কোর্টে "নিজের সর্বোচ্চটা বিলিয়ে দিচ্ছেন।" তিনি ছেলেটিকে নির্দেশ দেন: "তোমার বাবাকে বলো বিল ওয়ালটন এবং বব ল্যানিয়ারকে কোর্টে টানা ৪৮ মিনিট সামলাতে।"[২৪২][২৪৩] চলচ্চিত্রের পরবর্তী অংশে মারডক সংজ্ঞা হারান এবং আব্দুল-জাব্বারের গগলস ও লেকার্সের হলুদ শর্টস পরা অবস্থায় কন্ট্রোল প্যানেলের ওপর লুটিয়ে পড়েন।[২৪২] ২০১৪ সালে আব্দুল-জাব্বার এবং এয়ারপ্লেন! এর সহ-অভিনেতা রবার্ট হেইস (টেড স্ট্রাইকার চরিত্র) উইসকনসিন পর্যটন প্রচারের একটি প্যারোডি বিজ্ঞাপনে তাদের সেই পুরনো চরিত্রে পুনরায় অভিনয় করেছিলেন।[২৪৪]

আব্দুল-জাব্বার আরও অসংখ্য টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্রে উপস্থিত হয়েছেন, যেখানে প্রায়ই তিনি নিজের চরিত্রেই অভিনয় করেছেন। তিনি ফ্লেচ, ট্রুপ বেভারলি হিলস এবং ফরগেট প্যারিসের মতো চলচ্চিত্রে এবং ফুল হাউস, লিভিং সিঙ্গেল, অ্যামেন, এভরিবডি লাভস রেমন্ড, মার্টিন, ডিফরেন্ট স্ট্রোকস (যেখানে তার উচ্চতার সাথে শিশু তারকা গ্যারি কোলম্যানের ক্ষুদ্রাকৃতির বৈপরীত্য হাস্যরসাত্মকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল), দ্য ফ্রেশ প্রিন্স অফ বেলেয়ার, স্ক্রাবস, ২১ জাম্প স্ট্রিট,[২৪৫] ইমারজেন্সি!, ম্যান ফ্রম আটলান্টিস এবং নিউ গার্লের মতো টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন।[২৪৬] আব্দুল-জাব্বার ১৯৮৪ সালে টেলস ফ্রম দ্য ডার্কসাইডের একটি পর্বে চেরাগের দৈত্য (জিনি) হিসেবে অভিনয় করেছিলেন। এ ছাড়া তিনি ১৯৯৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি স্কেচ কমেডি টেলিভিশন ধারাবাহিক ইন লিভিং কালারের একটি পর্বেও নিজের চরিত্রে অভিনয় করেন।[২৪৭]
আব্দুল-জাব্বার স্টিভেন কিংয়ের দ্য স্ট্যান্ডের টেলিভিশন সংস্করণে অভিনয় করেছেন, স্ল্যাম ডাঙ্ক আর্নেস্টে 'আর্চঅ্যাঞ্জেল অফ বাস্কেটবল' চরিত্রে অভিনয় করেছেন এবং বেসকেটবল চলচ্চিত্রে একটি সংক্ষিপ্ত নির্বাক ক্যামিও চরিত্রে উপস্থিত হয়েছেন।[২৪৮] এ ছাড়া আব্দুল-জাব্বার ১৯৯৪ সালের টিভি চলচ্চিত্র দ্য ভার্নন জনস স্টোরির সহ-নির্বাহী প্রযোজক ছিলেন।[২৪৯] তিনি ২০০৬ সালে দ্য কোলবার্ট রিপোর্টের "হিপহপকেটবল ২: দ্য রিজ্যাজেব্রেশন রিমিক্স '০৬" নামক একটি স্কিটে উপস্থিত হন,[২৫০] এবং ২০০৮ সালে একজন স্টেজ ম্যানেজার হিসেবে উপস্থিত হন যাকে নাৎসি সোনা খুঁজে বের করার অভিযানে পাঠানো হয়।[২৫১] ২০১১ সালে দ্য সিম্পসন্সের "লাভ ইজ আ মেনি স্ট্র্যাঙ্গেলড থিং" নামক একটি পর্বেও আব্দুল-জাব্বার নিজের চরিত্রের জন্য কণ্ঠ দিয়েছেন।[২৫২] ২০১২ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রচারিত এনবিসি (NBC) ধারাবাহিক গাইজ উইথ কিডসে তিনি নিয়মিতভাবে নিজের চরিত্রে অভিনয় করেছেন।[২৪৮] আল জাজিরা ইংলিশের এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন যে, তাকে যেন কেবল একজন খেলোয়াড় হিসেবেই নয়, বরং এমন একজন মানুষ হিসেবে স্মরণ করা হয় যিনি তার মেধা ব্যবহার করেছেন এবং অন্যান্য ক্ষেত্রেও অবদান রেখেছেন।[২৫৩]
আব্দুল-জাব্বার ২০১৭ সালে রক ব্যান্ড লিঙ্কিন পার্কের "গুড গুডবাই" গানের মিউজিক ভিডিওতে উপস্থিত হন, যেখানে র্যাপার পুষা টি এবং স্টর্মজি-ও ছিলেন। ভিডিওতে আব্দুল-জাব্বার একটি ডাঙ্ক প্রতিযোগিতার অধিপতি বা সম্রাটের ভূমিকায় অভিনয় করেন, যেখানে লিঙ্কিন পার্কের প্রধান গায়ক চেস্টার বেনিংটনকে নিজের জীবন বাঁচাতে বেশ কয়েকজনের ওপর দিয়ে ডাঙ্ক করতে হয়। ভিডিওটি নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে বেনিংটন বলেছিলেন যে, তিনি বিশ্বাস করেন আব্দুল-জাব্বারই "সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ [বাস্কেটবল] খেলোয়াড়"।[২৫৪]
২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি দ্য বিগ ব্যাং থিওরির ১২তম সিজনের ১৬তম পর্ব "দ্য ডিঅ্যান্ডডি ভর্টেক্স" এ উপস্থিত হন।[২৫৫] ২০২১ সালে আব্দুল-জাব্বার ডেভ সিরিজের দ্বিতীয় সিজনের একটি পর্বে অতিথি শিল্পী হিসেবে নিজের চরিত্রে অভিনয় করেন। তিনি যে পর্বে উপস্থিত ছিলেন সেটির নামকরণও তার নামেই করা হয়েছিল।[২৫৬] ২০২২ সালের নেটফ্লিক্স চলচ্চিত্র গ্লাস অনিয়ন: এ নাইভস আউট মিস্ট্রিতেও আব্দুল-জাব্বার নিজের চরিত্রে একটি ক্যামিও ভূমিকায় অভিনয় করেন।[২৫৭] ২০২৩ সালে আব্দুল-জাব্বার শোটাইম সিরিজ বিলিয়নসের সপ্তম সিজনের তৃতীয় পর্বে নিজের চরিত্রে উপস্থিত হন।[২৫৮]
লেখনী
[সম্পাদনা]২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে আব্দুল-জাব্বারকে ভেরোনিকা মার্সের জুলাই ২০১৯ এর পুনরুজ্জীবিতসংস্করণের অন্যতম লেখক হিসেবে ঘোষণা করা হয়।[২৫৯][২৬০][২৬১]
তথ্যচিত্র
[সম্পাদনা]২০১১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি আব্দুল-জাব্বার নিউ জার্সির নেওয়ার্কের সায়েন্স পার্ক হাই স্কুলে তার নির্মিত চলচ্চিত্র অন দ্য শোল্ডার্স অফ জায়ান্টসের শুভ উদ্বোধন করেন। এই তথ্যচিত্রটি বিখ্যাত অথচ প্রায়শই উপেক্ষিত পেশাদার বাস্কেটবল দল নিউ ইয়র্ক রেনেসাঁর বন্ধুর যাত্রাপথের দালিলিক প্রমাণ। অনুষ্ঠানটি বিদ্যালয়, শহর এবং রাজ্যজুড়ে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছিল।[২৬২] ২০১৫ সালে তিনি তার নিজের জীবনের ওপর নির্মিত এইচবিও তথ্যচিত্র করিম: মাইনরিটি অফ ওয়ানে উপস্থিত হন।[২৬৩] ২০২০ সালে আব্দুল-জাব্বার হিস্ট্রি চ্যানেলের বিশেষ অনুষ্ঠান ব্ল্যাক প্যাট্রিয়টস: হিরোস অফ দ্য রেভোলিউশনের নির্বাহী প্রযোজক ও বর্ণনাকারী (ন্যারেটর) হিসেবে কাজ করেন।[২৬৪] তার এই অনবদ্য বর্ণনার জন্য তিনি একটি এমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।[২৬৫]
রিয়েলিটি টেলিভিশন
[সম্পাদনা]আব্দুল-জাব্বার ২০১৩ সালে এবিসির রিয়েলিটি সিরিজ স্প্ল্যাশ-এ অংশগ্রহণ করেছিলেন, যা ছিল তারকাদের একটি ডাইভিং (পানিতে ঝাঁপ দেওয়া) প্রতিযোগিতা।[২৬৬] ২০১৮ সালের এপ্রিলে তিনি ড্যান্সিং উইথ দ্য স্টার্সের ২৬তম সিজনে (পুরোপুরি অ্যাথলেটদের নিয়ে আয়োজিত বিশেষ সিজন) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং পেশাদার নৃত্যশিল্পী লিন্ডসে আর্নল্ডের সাথে জুটি বাঁধেন।[২৬৭]
লেখনী ও সক্রিয়তা
[সম্পাদনা]
১৯৬৭ সালে আব্দুল-জাব্বার একমাত্র কলেজ অ্যাথলেট হিসেবে ক্লিভল্যান্ড সামিটে যোগ দিয়েছিলেন। এটি ছিল বিশিষ্ট কৃষ্ণাঙ্গ অ্যাথলেটদের একটি সমাবেশ, যারা ভিয়েতনাম যুদ্ধে অংশ নিতে মুহাম্মদ আলীর অস্বীকৃতির প্রতি সমর্থন জানাতে একত্রিত হয়েছিলেন।[৫৯]
আব্দুল-জাব্বার একজন সর্বাধিক বিক্রিত লেখক এবং সাংস্কৃতিক সমালোচক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।[২৬৮][২৬৯] তিনি বেশ কিছু বই প্রকাশ করেছেন, যার বেশিরভাগই আফ্রিকান-আমেরিকান ইতিহাস ভিত্তিক।[২৭০] ১৯৮৩ সালে সহ-লেখক পিটার নোবলারের সাথে তার প্রথম বই, আত্মজীবনী জায়ান্ট স্টেপস প্রকাশিত হয়। বইটির শিরোনাম জাজ সংগীতের কিংবদন্তি জন কোলট্রেনের অ্যালবাম জায়ান্ট স্টেপসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাখা হয়েছে। তার অন্যান্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে রেমন্ড অবস্টফেল্ডের সাথে যৌথভাবে লেখা অন দ্য শোল্ডার্স অফ জায়ান্টস: মাই জার্নি থ্রু দ্য হারলেম রেনেসাঁ,[২৭১] এবং অ্যান্টনি ওয়ালটনের সাথে লেখা ব্রাদার্স ইন আর্মস: দ্য এপিক স্টোরি অফ দ্য ৭৬১তম ট্যাঙ্ক ব্যাটালিয়ন, ওয়ার্ল্ড ওয়ার ২'স ফরগোটেন হিরোস। শেষোক্ত বইটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে লড়াই করা প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ সাঁজোয়া ইউনিটের ইতিহাস তুলে ধরে।[২৭২]
২০১৫ সালে আব্দুল-জাব্বার ভিক্টোরিয়ান যুগের রহস্য উপন্যাস মাইক্রফট হোমসের মাধ্যমে প্রাপ্তবয়স্কদের কথাসাহিত্যে পা রাখেন। এটি শার্লক হোমস সিরিজের নাম চরিত্রের ওপর ভিত্তি করে রচিত।[২৭৩] এর ধারাবাহিকতায় আরও দুটি সিক্যুয়েল প্রকাশিত হয়: মাইক্রফট অ্যান্ড শার্লক (২০১৮) এবং মাইক্রফট অ্যান্ড শার্লক: দ্য এম্পটি বার্ডকেজ (২০১৯)। এই তিনটি বই-ই আন্না ওয়াটারহাউসের সাথে যৌথভাবে লেখা।[২৭৪][২৭৫]
জাতীয় ম্যাগাজিন এবং টেলিভিশনে জাতি ও ধর্মসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত আলোচক হিসেবে আব্দুল-জাব্বার টাইম ম্যাগাজিনে একটি নিয়মিত কলাম লিখেছেন। ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তিনি Meet the Press অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তার একটি কলাম সম্পর্কে আলোচনা করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন যে, সহিংস চরমপন্থীদের কর্মকাণ্ডের জন্য ইসলামকে দায়ী করা উচিত নয়, ঠিক যেমন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী দাবি করা সহিংস চরমপন্থীদের কাজের জন্য খ্রিস্টধর্মকে দায়ী করা হয় না।[২৭৬][২৭৭] মুসলিম হওয়ার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন: "আমার ধর্মবিশ্বাস নিয়ে আমার কোনো সংশয় নেই। যারা নিজেদের মুসলিম দাবি করে মানুষ হত্যা করছে এবং পৃথিবীতে এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, তাদের নিয়ে আমি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। ইসলাম এই বিষয়গুলো সমর্থন করে না এবং মুসলিমদের সম্পর্কে মানুষের এমন ধারণা পোষণ করা উচিত নয়। তবে এই সবকিছুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া আমাদের সকলের দায়িত্ব।"[২৭৮] ২০১৪ সালের নভেম্বরে আব্দুল-জাব্বার জ্যাকোবিন ম্যাগাজিনে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেন যেখানে তিনি কলেজ অ্যাথলেটদের ন্যায্য পারিশ্রমিকের দাবি জানান। তিনি লেখেন যে, "ন্যায্যতার খাতিরে আমাদের অবশ্যই কলেজ অ্যাথলেটদের এই চুক্তিবদ্ধ দাসত্বের অবসান ঘটাতে হবে এবং তাদের যোগ্যতার ভিত্তিতে পারিশ্রমিক দেওয়া শুরু করতে হবে।"[২৭৯] ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০১৭ সালের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি এর তীব্র নিন্দা জানান এবং বলেন: "যুক্তি এবং সহমর্মিতার অনুপস্থিতিই হলো প্রকৃত মন্দের সংজ্ঞা, কারণ এটি আমাদের হাজার বছরের সংগ্রামের নির্যাস থেকে প্রাপ্ত পবিত্র মূল্যবোধগুলোকে অস্বীকার করার শামিল।"[২৮০]
২০১৭ সালে আব্দুল-জাব্বার লস অ্যাঞ্জেলেসে ইসরায়েলি কনস্যুলেটে ইসরায়েলি কনসাল স্যাম গ্রুন্ডওয়ার্গ আয়োজিত রমজান উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। সেখানে তিনি মুসলিম-ইহুদি সম্পর্ক এবং আন্তঃসাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।[২৮১]
২০২১ সালের জুনে তিনি জ্যাকোবিন ম্যাগাজিনে কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানো ব্যক্তিদের কারণে জনস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি অন্যান্যদের পাশাপাশি কাইরি আরভিংয়ের সমালোচনা করেন।[২৮২] ২০২১ সালে আব্দুল-জাব্বার একটি অনলাইন নিউজলেটার প্রকাশ করা শুরু করেন।[২৮৩]
সরকারি নিয়োগ
[সম্পাদনা]সাংস্কৃতিক দূত
[সম্পাদনা]
২০১২ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ঘোষণা করেন যে, আব্দুল-জাব্বার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সাংস্কৃতিক দূত (অ্যাম্বাসেডর) হিসেবে পদ গ্রহণ করেছেন।[২৮৪] এই ঘোষণাকালীন সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল-জাব্বার মার্কিন সংস্কৃতির প্রতিনিধি হিসেবে আফ্রিকান-আমেরিকানদের ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার সম্পর্কে মন্তব্য করেন: "আমার মনে আছে যখন লুই আর্মস্ট্রং প্রথমবার রাষ্ট্রপতি জন এফ কেনেডির জন্য এটি করেছিলেন, যিনি আমার অন্যতম হিরো ছিলেন। তাই তার পদচিহ্ন অনুসরণ করতে পারাটা আনন্দের।"[২৮৫] এই ভূমিকার অংশ হিসেবে আব্দুল-জাব্বার স্থানীয় তরুণদের শিক্ষার প্রসারে ব্রাজিল ভ্রমণ করেন।[২৮৬]
শারীরিক সুস্থতা, ক্রীড়া ও পুষ্টি সংক্রান্ত রাষ্ট্রপতির পরিষদ
[সম্পাদনা]সাবেক রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা তার দায়িত্বের শেষ দিনগুলোতে ঘোষণা করেন যে, তিনি আব্দুল-জাব্বারকে গ্যাবি ডগলাস এবং কার্লি লয়েডের সাথে শারীরিক সুস্থতা, ক্রীড়া ও পুষ্টি সংক্রান্ত রাষ্ট্রপতির পরিষদে নিযুক্ত করেছেন।[২৮৭]
সিটিজেনস কয়েনেজ অ্যাডভাইজরি কমিটি
[সম্পাদনা]২০১৭ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন ট্রেজারি সচিব স্টিভেন মনুচিন আব্দুল-জাব্বারকে সিটিজেনস কয়েনেজ অ্যাডভাইজরি কমিটিতে নিযুক্ত করেন। ইউনাইটেড স্টেটস মিন্টের তথ্য অনুসারে, আব্দুল-জাব্বার একজন উৎসাহী মুদ্রা সংগ্রাহক এবং অ্যালক্সান্ডার হ্যামিল্টনের জীবনী তাকে এই শখের প্রতি আগ্রহী করে তুলেছিল। ২০১৮ সালে মিন্ট বর্ণিত "ক্রমবর্ধমান ব্যক্তিগত ব্যস্ততার" কারণে তিনি এই পদ থেকে পদত্যাগ করেন।[২৮৮]
ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা]
ইউসিএলএ-তে তার শেষ বর্ষে একটি লেকার্স খেলায় আবদুল-জাব্বারের সাথে হাবিবা আবদুল-জাব্বারের (জন্মগত নাম জেনিস ব্রাউন) দেখা হয়।[২৮৯] ১৯৭১ সালে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন,[২৯০] এবং তাদের তিন সন্তান রয়েছে: দুই মেয়ে হাবিবা ও সুলতানা এবং এক ছেলে করিম জুনিয়র, যিনি ভ্যালপ্যারাইসো-তে পড়াশোনার পর ওয়েস্টার্ন কেনটাকির হয়ে বাস্কেটবল খেলেছিলেন।[২৯১][২৯২] ১৯৭৮ সালে আবদুল-জাব্বার ও জেনিসের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। চেরিল পিস্টোনোর সাথে তার আরেকটি ছেলে রয়েছে, যার নাম আমির। তার আরেক ছেলে অ্যাডাম, টিভি সিটকম ফুল হাউসে তার সাথে অভিনয় করেছিল।[২৯৩]
১৯৮৩ সালে, আবদুল-জাব্বারের বাড়ি পুড়ে যায়। তার প্রায় ৩,০০০ অ্যালবামের প্রিয় জ্যাজ এলপি সংগ্রহ সহ তার অনেক জিনিসপত্র ধ্বংস হয়ে যায়।[২৯৪] অনেক লেকার্স ভক্ত তাকে অ্যালবাম পাঠান এবং নিয়ে আসেন, যা তাকে মানসিকভাবে চাঙ্গা করেছিল।[১৫৪]
২০১৬ সালে, আবদুল-জাব্বার চান্স দ্য র্যাপারের সাথে মিলে বন্ধু মুহাম্মদ আলীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।[২৯৫]
ধর্ম ও নাম
[সম্পাদনা]আলসিনডর ক্যাথলিক গির্জায় বড় হয়েছিলেন, কিন্তু নিউ ইয়র্কের বাড়ি ছেড়ে ইউসিএলএতে যাওয়ার সময় তিনি এই বিশ্বাস ত্যাগ করেন।[২৯৬] ১৯৭১ সালে ২৪ বছর বয়সে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং আইনগতভাবে করিম আবদুল-জাব্বার নাম ধারণ করেন, যার অর্থ "মহৎ ব্যক্তি, সর্বশক্তিমানের সেবক"।[২৯৭] নেশন অব ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া হানাফি মুভমেন্টের হামাস আবদুল খালিস তার এই নামকরণ করেছিলেন।[২৯৭][২৯৮] আবদুল-জাব্বার ওয়াশিংটন, ডিসিতে ৭৭০০ ১৬শ স্ট্রিট এনডব্লিউ নামে একটি বাড়ি কিনে খালিসকে হানাফি মাজহাব সেন্টার হিসেবে ব্যবহারের জন্য দান করেছিলেন; কয়েক বছর পর, এই স্থানটিতে ১৯৭৩ হানাফি মুসলিম হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল। শেষপর্যন্ত, করিম "দেখতে পান যে কুরআন সম্পর্কে হামাসের কিছু শিক্ষার সাথে [তিনি] দ্বিমত পোষণ করেন এবং [তারা] আলাদা হয়ে যান।" ১৯৭৩ সালে, কুরআন স্ব-অধ্যয়নের জন্য পর্যাপ্ত আরবি শেখার উদ্দেশ্যে আবদুল-জাব্বার লিবিয়া ও সৌদি আরবে তীর্থযাত্রা শুরু করেন এবং তিনি "এই তীর্থযাত্রা থেকে [তার] বিশ্বাসকে স্পষ্ট করে এবং [তার] ঈমানকে নবায়ন করে ফিরে আসেন"।[২৯৭] আবদুল-জাব্বার নেশন অব ইসলামের একজন নেতা ম্যালকম এক্স দ্বারাও গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন।[২৯৭] আবদুল-জাব্বারকে এই দলে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।[২৯৭][২৯৯]
আবদুল-জাব্বার ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তার নাম পরিবর্তনের পেছনের চিন্তাধারা সম্পর্কে কথা বলেছেন।[৩০০] তিনি উল্লেখ করেছেন যে তিনি এমন কিছুর সাথে যুক্ত হচ্ছিলেন যা ছিল তার ঐতিহ্যের অংশ, কারণ এখানে আনা অনেক ক্রীতদাসই ছিলেন মুসলিম। তার পরিবারকে ১৮শ শতাব্দীতে ত্রিনিদাদ থেকে আলসিনডর নামক একজন ফরাসি আবাদকারী আমেরিকায় নিয়ে আসেন। তিনি বলেন, "আমার পূর্বপুরুষরা ছিলেন ইয়োরুবা, এবং তাদের সংস্কৃতি দাসপ্রথা ছাপিয়ে টিকে ছিল... আমি যখন ছোট ছিলাম তখনই আমার বাবা এই বিষয়ে জানতে পারেন, আর এটিই আমাকে জানার জন্য যথেষ্ট রসদ জুগিয়েছিল যে, শোনো, আমি কেউ একজন ছিলাম, এমনকি অন্য কেউ তা না জানলেও। আমি যখন শিশু ছিলাম, তখন কৃষ্ণাঙ্গদের সম্পর্কে আপনি ইতিবাচক কিছু বললে কেউ তা বিশ্বাস করতে চাইত না। এটি কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য এক ভয়াবহ বোঝা, কারণ তাদের ইতিহাসের সঠিক ধারণা তাদের কাছে নেই, যা হয় দমন করা হয়েছে অথবা বিকৃত করা হয়েছে।"[৩০১] তার এই নাম পরিবর্তন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, বিশেষ করে শ্বেতাঙ্গ প্রধান এলাকাগুলোতে তার জনমূর্তিকে আরও ক্ষুণ্ণ করেছিল।[৩০২]
১৯৯৮ সালে, আবদুল-জাব্বার মায়ামি ডলফিন্সের রানিং ব্যাক করিম আবদুল-জাব্বারের (বর্তমানে আবদুল-করিম আল-জাব্বার, জন্মগত নাম শারমন শাহ) বিরুদ্ধে মামলা করার পর একটি সমঝোতায় পৌঁছান। কারণ তিনি মনে করেছিলেন যে শারমন তার বিখ্যাত নাম 'আবদুল-জাব্বার' এবং তার জার্সি নম্বর ৩৩ ব্যবহার করে ডলফিন্সে খেলার মাধ্যমে ফায়দা লুটছেন। এর ফলে, কনিষ্ঠ আবদুল-জাব্বারকে ডলফিন্সের হয়ে খেলার সময় তার জার্সির নেমপ্লেট পরিবর্তন করে "আবদুল" করতে হয়েছিল।[৩০৩] এই ফুটবল খেলোয়াড়ও ইউসিএলএর একজন ক্রীড়াবিদ ছিলেন।[৩০৪]
স্বাস্থ্য সমস্যা
[সম্পাদনা]আবদুল-জাব্বার মাইগ্রেনে আক্রান্ত,[৩০৫] এবং এর উপসর্গ কমানোর জন্য তার ক্যানাবিস ব্যবহার আইনি জটিলতার সৃষ্টি করেছিল।[৩০৬] ২০০৯ সালের নভেম্বরে, আবদুল-জাব্বার ঘোষণা করেন যে তিনি এক ধরণের লিউকেমিয়া বা রক্তকর্কটে ভুগছেন, যা হলো ফিলাডেলফিয়া ক্রোমোজোম-পজিটিভ ক্রনিক মাইলয়েড লিউকেমিয়া। এটি রক্ত ও অস্থিমজ্জার একটি ক্যান্সার। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে এই রোগটি ধরা পড়েছিল, তবে আবদুল-জাব্বার বলেছিলেন যে প্রতিদিন মুখে ওষুধ সেবন, প্রতি মাসে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ এবং নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে তার এই অবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। ২০০৯ সালের একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই অসুস্থতা তাকে স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাধা দিতে পারবে না।[৩০৭][৩০৮] আবদুল-জাব্বার নোভারটিসের একজন মুখপাত্র, যারা তার ক্যান্সারের ওষুধ গ্লিভেক উৎপাদন করে।[৩০৯]
২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে, আবদুল-জাব্বার টুইটারের মাধ্যমে জানান যে তার লিউকেমিয়া সেরে গেছে এবং তিনি "১০০% ক্যান্সার মুক্ত"।[৩১০] এর কয়েকদিন পর, তিনি তার ভুল বক্তব্য সংশোধন করে বলেন: "আপনি কখনই আসলে পুরোপুরি ক্যান্সার মুক্ত হতে পারেন না এবং আমার সেটি জানা উচিত ছিল। বর্তমানে আমার ক্যান্সার একেবারেই ন্যূনতম পর্যায়ে আছে।"[৩০৯] ২০১৫ সালের এপ্রিলে, আবদুল-জাব্বারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় যখন তার কার্ডিওভাসকুলার রোগ ধরা পড়ে। সেই সপ্তাহের শেষ দিকে, তার ৬৮তম জন্মদিনে, রোনাল্ড রিগান ইউসিএলএ মেডিকেল সেন্টারে তার একটি চারগুণ (কোয়াড্রুপল) করোনারি বাইপাস সার্জারি করা হয়।[৩১১]
২০২০ সালে, আবদুল-জাব্বার প্রকাশ করেন যে এগারো বছর আগে তার প্রোস্টেট ক্যান্সার ধরা পড়েছিল।[৩১২]
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে, তিনি তার অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন ধরা পড়ার বিষয়ে মুখ খোলেন। তিনি ব্রিস্টল মায়ার্স স্কুইব এবং ফাইজারের "নো টাইম টু ওয়েট" অভিযানের সাথে যুক্ত হন,[৩১৩] যাতে দ্রুত ও অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের এই অবস্থার লক্ষণগুলো সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা যায়, যা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।[৩১৪] ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে, একটি কনসার্টে যোগ দেওয়ার সময় পড়ে গিয়ে তার নিতম্বের হাড় (হিপ) ভেঙে যাওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।[৩১৫]
অ্যাথলেটিক-বহির্ভূত সম্মাননা
[সম্পাদনা]২০১১ সালে, ক্যান্সার গবেষণায় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য আবদুল-জাব্বারকে ডাবল হেলিক্স মেডেল প্রদান করা হয়।[৩১৬][৩১৭] ২০১১ সালেই আবদুল-জাব্বার নিউ ইয়র্ক ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে সম্মানসূচক ডিগ্রি লাভ করেন।[৩১৮] ২০১৬ সালে, বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কর্তৃক আবদুল-জাব্বারকে প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডমে ভূষিত করা হয়।[৩১৯] ২০২০ সালে, ব্ল্যাক প্যাট্রিয়টস: হিরোস অফ দ্য রেভোলিউশন নামক তথ্যচিত্রের বিশেষ পর্বে কাজের জন্য আবদুল-জাব্বার প্রাইমটাইম এমি অ্যাওয়ার্ড ফর আউটস্ট্যান্ডিং ন্যারেটর বিভাগে মনোনীত হন।[২৬৫] একই প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মানসূচক ডিগ্রি পাওয়ার পর,[৩২০] আবদুল-জাব্বারকে ২০২৫ সালে হার্ভার্ড কলেজের ক্লাস ডে বক্তা হিসেবে মনোনীত করা হয়।[৩২১]
কর্মতালিকা
[সম্পাদনা]বই
[সম্পাদনা]- আবদুল-জাব্বার, করিম; নবলা, পিটার (১৯৮৩)। জায়ান্ট স্টেপস। নিউ ইয়র্ক: ব্যান্টাম বুকস। আইএসবিএন ০৫৫৩০৫০৪৪৩।
- করিম, মিনিয়ন ম্যাকার্থির সাথে (১৯৯০) আইএসবিএন ০-৩৯৪-৫৫৯২৭-৪।
- সিলেক্টেড ফ্রম জায়ান্ট স্টেপস (রাইটার্স ভয়েসেস) (১৯৯৯) আইএসবিএন ০-৭৮৫৭-৯৯১২-৫।
- ব্ল্যাক প্রোফাইলস ইন কারেজ: আ লেগাসি অফ আফ্রিকান-আমেরিকান অ্যাচিভমেন্ট, অ্যালান স্টেইনবার্গের সাথে (১৯৯৬) আইএসবিএন ০-৬৮৮-১৩০৯৭-৬।
- আ সিজন অন দ্য রিজার্ভেশন: মাই সোজার্ন উইথ দ্য হোয়াইট মাউন্টেন অ্যাপাচিস, স্টিফেন সিঙ্গুলারের সাথে (২০০০) আইএসবিএন ০-৬৮৮-১৭০৭৭-৩।
- ব্রাদার্স ইন আর্মস: দ্য এপিক স্টোরি অফ দ্য ৭৬১তম ট্যাঙ্ক ব্যাটালিয়ন, ওয়ার্ল্ড ওয়ার টু-স ফরগটেন হিরোস, অ্যান্থনি ওয়ালটনের সাথে (২০০৪) আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৬৭৯-০৯১৩-৬।
- অন দ্য শোল্ডার্স অফ জায়ান্টস: মাই জার্নি থ্রু দ্য হারলেম রেনেসাঁ, রেমন্ড অবস্টফেল্ডের সাথে (২০০৭) আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪১৬৫-৩৪৮৮-৪।
- হোয়াট কালার ইজ মাই ওয়ার্ল্ড? দ্য লস্ট হিস্ট্রি অফ আফ্রিকান আমেরিকান ইনভেন্টরস, রেমন্ড অবস্টফেল্ডের সাথে (২০১২) আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৬৩৬-৪৫৬৪-৯।
- স্ট্রিটবল ক্রু বুক ওয়ান স্যাঙ্কোয়াচ ইন দ্য পেইন্ট, রেমন্ড অবস্টফেল্ডের সাথে (২০১৩) আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪২৩১-৭৮৭০-৫।
- স্ট্রিটবল ক্রু বুক টু স্টিলিং দ্য গেম, রেমন্ড অবস্টফেল্ডের সাথে (২০১৫) আইএসবিএন ৯৭৮-১৪২৩১৭৮৭১২।
- মাইক্রফট হোমস, অ্যানা ওয়াটারহাউসের সাথে (সেপ্টেম্বর ২০১৫) আইএসবিএন ৯৭৮-১-৭৮৩২-৯১৫৩-৩।
- রাইটিংস অন দ্য ওয়াল: সার্চিং ফর আ নিউ ইকুয়ালিটি বিয়ন্ড ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট, রেমন্ড অবস্টফেল্ডের সাথে (২০১৬) আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬১৮৯-৩১৭১-৯।
- কোচ উডেন অ্যান্ড মি: আওয়ার ৫০-ইয়ার ফ্রেন্ডশিপ অন অ্যান্ড অফ দ্য কোর্ট (২০১৭) আইএসবিএন ৯৭৮-১৫৩৮৭৬০৪৬৮।
- বিকামিং করিম: গ্রোয়িং আপ অন অ্যান্ড অফ দ্য কোর্ট (২০১৭) আইএসবিএন ৯৭৮-০৩১৬৫৫৫৩৮৮।
- মাইক্রফট হোমস অ্যান্ড দ্য অ্যাপোক্যালিপস হ্যান্ডবুক। অলংকরণ: জশ কাসারা। টাইটান কমিকস। ২০১৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১৭৮৫৮৫৩০০৫।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অন্যান্য (লিঙ্ক) - মাইক্রফট অ্যান্ড শার্লক, অ্যানা ওয়াটারহাউসের সাথে (অক্টোবর ৯, ২০১৮) আইএসবিএন ৯৭৮-১৭৮৫৬৫৯২৫৬।
- মাইক্রফট অ্যান্ড শার্লক: দ্য এম্প্টি বার্ডকেজ, অ্যানা ওয়াটারহাউসের সাথে (সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯) আইএসবিএন ৯৭৮-১৭৮৫৬৫৯৩০০।
- চ্যাম্পিয়ন: আ গ্রাফিক নভেল। রে অবস্টফেল্ডের সাথে এবং অলংকরণ: এড ল্যারোশ। ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০৫৯৩৮৩৫৭৫৩।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অন্যান্য (লিঙ্ক)
অডিও বই
[সম্পাদনা]- অন দ্য শোল্ডার্স অফ জায়ান্টস: এন অডিও জার্নি থ্রু দ্য হারলেম রেনেসাঁ ৮-সিডি সেট ভলিউম ১–৪; এতে অংশগ্রহণ করেছেন অ্যাভেরি ব্রুকস, জেসি এল. মার্টিন, মায়া অ্যাঞ্জেলো, হার্বি হ্যানকক, বিলি ক্রিস্টাল, চার্লস বার্কলি, জেমস ওয়ার্থি, জুলিয়াস আরভিং, জেরি ওয়েস্ট, ক্লাইড ড্রেক্সলার, বিল রাসেল, কোচ জন উডেন, স্ট্যানলি ক্রাউচ, কুইন্সি জোন্স এবং অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় সংগীতশিল্পী, সেইসাথে স্যামুয়েল এল. জ্যাকসনের মতো কিংবদন্তি অভিনেতা ও পারফর্মাররা। (২০০৮) আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬১৫-১৮৩০১-৫
টীকা
[সম্পাদনা]- ↑ সর্বনিম্ন ২,০০০টি সফল ফিল্ড গোল।[১৬৪] ২০২৩-২৪ মৌসুম পর্যন্ত এটি ২৩তম স্থানে রয়েছে।[১৬৫]
- ↑ অন্যান্যরা হলেন বিল ওয়ালটন, হাকিম ওলাজুওয়ান, বেন ওয়ালেস এবং ডুয়াইট হাওয়ার্ড।[১৯৭][১৯৮]
- 1 2 3 4 ইউসিএলএ ১৯৬৬–৬৭ এবং ১৯৬৭–৬৮ মৌসুমগুলো অ্যাথলেটিক অ্যাসোসিয়েশন অফ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিজ (AAWU) কনফারেন্সে খেলেছিল, যা পরবর্তীতে সম্প্রসারিত হয় এবং ১৯৬৮–৬৯ মৌসুমের মধ্যে এর নাম পরিবর্তন করে প্যাসিফিক-৮ কনফারেন্স (প্যাক-৮) রাখা হয়।[২১৯]
- 1 2 3 সম্প্রসারণের পর প্যাক-৮ এখন প্যাক-১২ নামে পরিচিত।[২২৫]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 "করিম আবদুল-জাব্বার বায়ো"। এনবিএ.কম। ১৯ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "এনবিএ লিজেন্ডস: প্রোফাইলিং দ্য লিগস গ্রেটেস্ট প্লেয়ার্স"। এনবিএ.কম। ৭ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৩।
- ↑ অ্যাপিয়াহ, কোয়ামে অ্যান্থনি; গেটস, হেনরি লুইস জুনিয়র, সম্পাদকগণ (২০০৫)। আফ্রিকানা: দি এনসাইক্লোপিডিয়া অফ দি আফ্রিকান অ্যান্ড আফ্রিকান আমেরিকান এক্সপেরিয়েন্স। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস। পৃ. ৫। আইএসবিএন ৯৭৮০১৯৫১৭০৫৫৯।
- ↑ "লিজেন্ডস প্রোফাইল: করিম আবদুল-জাব্বার"। এনবিএ.কম। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২২।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 টেমপ্লেট:Cite basketball-reference
- 1 2 "দ্য গেমস গ্রেটেস্ট জায়ান্টস এভার"। ইএসপিএন। ৬ মার্চ ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ ৫ ডিসেম্বর ২০১৩।
- ↑ "২৫ গ্রেটেস্ট প্লেয়ার্স ইন কলেজ বাস্কেটবল"। ইএসপিএন। ৮ মার্চ, ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ৫ ডিসেম্বর, ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|access-date=এবং|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - 1 2 3 4 5 "অল-টাইম #এনবিএ র্যাঙ্ক: করিম নম্বর ২"। ইএসপিএন। ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|access-date=এবং|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - 1 2 Raymond, Nicholas (২০ মার্চ ২০২১)। "Bruce Lee's Game Of Death: Why Kareem Abdul-Jabbar Really Cameoed"। Screen Rant। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২২।
- ↑ "করিম আবদুল-জাব্বার নেমড ইউ.এস. গ্লোবাল কালচারাল অ্যাম্বাসেডর"। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। ১৯ জানুয়ারি, ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুন, ২০১৩।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|access-date=এবং|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "প্রেসিডেন্ট ওবামা নেমস রেসিপিয়েন্টস অফ দ্য প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম"। হোয়াইটহাউস.গভ। ১৬ নভেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৬ নভেম্বর ২০১৬ – ন্যাশনাল আর্কাইভস এর মাধ্যমে।
- ↑ "করিম আবদুল-জাব্বার"। স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড। ৬ জুলাই ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০২৪।
- ↑ "করিম আবদুল-জাব্বার বায়োগ্রাফি অ্যান্ড ইন্টারভিউ"। আমেরিকান একাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ "ক্যারিবিয়ান আমেরিকান হেরিটেজ মান্থ ওয়াল অফ ফেম ডে ৭: করিম আবদুল জাব্বার "বিগ আল""। এমএনআই অ্যালাইভ (ইংরেজি ভাষায়)। ১ জানুয়ারি ২০০১। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ করিম, অ্যান্ড্রু (৩ নভেম্বর ২০১৭)। "করিম আবদুল-জাব্বার গোজ ব্যাক টু হিজ রুটস"। সিএনডব্লিউ নেটওয়ার্ক (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ জেমি গ্রিন (২৭ ডিসেম্বর ২০১৭), "দ্য গ্রেট বিগ বিউটিফুল পডকাস্ট, এপিসোড ১৬২: করিম আবদুল-জাব্বার", গিক ড্যাড।
- ↑ "চাইল্ডহুড ইন নিউ ইয়র্ক"। নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিন। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- 1 2 3 4 5 6 "আলসিনডর দ্য অসাম"। এবোনি। খণ্ড ২২ নং ৫। মার্চ ১৯৬৭। পৃ. ৯১–৯৭। আইএসএসএন 0012-9011। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০২১।
- ↑ "আফ্রিকান আমেরিকান রেজিস্ট্রি: মিস্টার বাস্কেটবল অ্যান্ড মাচ মোর, করিম আবদুল-জাব্বার!"। aaregistry.com। দ্য আফ্রিকান আমেরিকান রেজিস্ট্রি। ২৭ অক্টোবর ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২২।
- 1 2 "করিম আবদুল-জাব্বার বায়োগ্রাফি"। Biography.com। ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ টেমপ্লেট:Cite EB15
- 1 2 3 ডিডিঞ্জার, রে (২৫ মে, ১৯৮৯)। "দে স্টিল রিমেম্বার পাওয়ার'স টাওয়ার"। ফিলি.কম। ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল, ২০২২।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|access-date=,|date=, এবং|archive-date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - 1 2 "ইএসপিএন.কম: আ ডমিনেন্ট ফোর্স"। www.espn.com। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মে ২০২৫।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 ডসন, ডন পি., সম্পাদক (২০১০) [১৯৯২]। গ্রেট অ্যাথলিটস: বাস্কেটবল (সংশোধিত সংস্করণ)। সালেম প্রেস। পৃ. ১–৪। আইএসবিএন ৯৭৮১৫৮৭৬৫৪৭৩২। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২১।
- 1 2 3 4 "করিম আবদুল-জাব্বার"। এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে, ২০২০।
{{বিশ্বকোষ উদ্ধৃতি}}:|access-date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - 1 2 জাকার্ডি, নিক (২২ মে, ২০১৭)। "করিম আবদুল-জাব্বার ডিটেইলস পাসিং অন ১৯৬৮ অলিম্পিকস ইন নিউ বুক"। এনবিসি স্পোর্টস। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল, ২০২২।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|access-date=এবং|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ জনসন, মার্টেন্সি (১৩ মে ২০২১)। "এনবিএ ক্রিয়েটস করিম আবদুল-জাব্বার সোশ্যাল জাস্টিস চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড"। ইএসপিএন। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০২৩।
- 1 2 3 4 5 6 স্মিথ, জনি (৩০ মার্চ, ২০১৮)। "দ্য রেইন অফ লিউ আলসিনডর ইন দ্য এজ অফ রিভোল্ট"। অ্যান্ডস্কেপ। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর, ২০২১।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|access-date=এবং|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ আরভিং, কাইল (৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩)। "করিম আবদুল-জাব্বার কলেজ স্ট্যাটস: হাউ মেনি মোর এনবিএ পয়েন্টস কুড হি হ্যাভ স্কোরড?"। স্পোর্টিং নিউজ। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|access-date=এবং|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - 1 2 3 আবদুল-জাব্বার, করিম (১৯ এপ্রিল, ২০১২)। "ফ্রেশম্যান লাইফ হ্যাজ চেঞ্জড"। ইএসপিএন। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল, ২০২২।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|access-date=এবং|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ আপোডাকা, প্যাট্রিস (২১ মার্চ, ২০১৪)। "লেট'স পজ অ্যান্ড রিকল দ্য ইনফ্লুয়েন্স অফ জেরি নরম্যান"। ডেইলি পাইলট। ২৩ জুলাই, ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|date=এবং|archive-date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ ম্যাকসুইনি, জন (২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬)। "রাইভাল কেজ কোচেস এগ্রি আলসিনডর মে বি গ্রেটেস্ট"। স্পোকসম্যান-রিভিউ। স্পোকেন, ওয়াশিংটন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস। পৃ. ২০।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - 1 2 3 4 লোপ্রেস্তি, মাইক (৩ মার্চ, ২০১৭)। "রিমেম্বারিং দ্য স্টার্ট অফ ইউসিএলএ'স ডাইনেস্টি, ৫০ ইয়ারস লেটার"। এনসিএএ.কম। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন, ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|access-date=এবং|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ স্মিথ, ডিন (২ অক্টোবর ১৯৮৩)। "হোয়াই ফ্রেশম্যান শুড নট প্লে"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০২১।
- ↑ "২১ টার্ন আউট অ্যাজ ইউসিএলএ ওপেনস কেজ প্র্যাকটিস"। দ্য সান ফ্রান্সিসকো এক্সামিনার। ইউপিআই। ১৬ অক্টোবর ১৯৬৫। পৃ. ২৮। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০২১ – নিউজপেপারস.কম এর মাধ্যমে।
- 1 2 3 ফ্লোরেন্স, ম্যাল (২৮ নভেম্বর, ১৯৬৫)। "হু'স নো. ১? ইউসিএলএ ফ্রশ টু হট ফর ভার্সিটি, ৭৫–৬০"। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। সেক. ডি, পৃষ্ঠা ১, ১০। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন, ২০২১ – নিউজপেপারস.কম এর মাধ্যমে।
লিউ আলসিনডর শনিবার রাতে পলি প্যাভিলিয়নের কোর্টে পা রাখেন এবং শহরটিকে জয় করে নেন, প্রক্রিয়াটিতে ইউসিএলএ ভার্সিটি বাস্কেটবল দলকে সম্পূর্ণ হতাশ করে দেন
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|access-date=এবং|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "বাস্কেটবল টিমস টু ডেডিকেট প্যাভিলিয়ন"। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। ২১ নভেম্বর, ১৯৬৫। পৃ. কে-৫। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন, ২০২১ – নিউজপেপারস.কম এর মাধ্যমে।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|access-date=এবং|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - 1 2 ক্রো, জেরি (২৭ মে, ১৯৯০)। "আ গ্র্যান্ড ওপেনিং : পলি প্যাভিলিয়ন অ্যান্ড ইউসিএলএ'স বেস্ট ফ্রেশম্যান টিম মেড দেয়ার ডেবিউস টুগেদার ২৫ ইয়ারস এগো"। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন, ২০২১।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|access-date=এবং|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - 1 2 "ব্রুইনস আর বিটেন—বাই ফ্রেশম্যান কুইন্টেট"। করভালিস গেজেট-টাইমস। ২৯ নভেম্বর, ১৯৬৫। পৃ. ১০। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন, ২০২১ – নিউজপেপারস.কম এর মাধ্যমে।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|access-date=এবং|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ উইট্রি, অ্যান্ডি (১২ আগস্ট, ২০২০)। "করিম আবদুল-জাব্বার: কলেজ স্ট্যাটস, বেস্ট মোমেন্টস, কোটস"। এনসিএএ.কম। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন, ২০২১।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|access-date=এবং|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - 1 2 3 4 5 6 Schwartz, Larry। "Kareem just kept on winning"। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০২১।
- 1 2 "এনসিএএ মেন'স বাস্কেটবল রেকর্ডস" (পিডিএফ)। এনসিএএ। সংগ্রহের তারিখ ২৫ এপ্রিল, ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|access-date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - 1 2 "লিউ'স স্টিল লুজ"। টাইম ম্যাগাজিন। ১৪ এপ্রিল, ১৯৬৭। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন, ২০২০।
{{ম্যাগাজিন উদ্ধৃতি}}:|access-date=এবং|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ ম্যাকলিওড, ম্যাক (৮ এপ্রিল ১৯৭৬)। "দ্য ডাঙ্ক ইজ ব্যাক, হোয়াট ডাজ ইট ব্রিং"। দ্য ডেইলি আইটেম। পৃ. ১বি। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০২১ – নিউজপেপারস.কম এর মাধ্যমে।
- ↑ বিল লিটলফিল্ড (১৯ মে ২০১৭)। "৫০ ইয়ারস অফ কোচ উডেন অ্যান্ড করিম, থ্রু রেসিজম, অলিম্পিক বয়কট অ্যান্ড মোর"। ডাব্লিউবিইউআর-এফএম। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ ক্রো, জেরি (২ ফেব্রুয়ারি ২০০৯)। "হিজ ইউএসসি টিম স্টুড অ্যারাউন্ড অ্যান্ড ওয়েটেড টু বিট ইউসিএলএ"। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০২১।
- ↑ জনসন, গ্যারি কে. (২০০৫)। "এনসিএএ মেন'স বাস্কেটবল ফাইনেস্ট" (পিডিএফ)। এনসিএএ মেন'স বাস্কেটবল'স ফাইনেস্ট। ন্যাশনাল কলেজিয়েট অ্যাথলেটিক অ্যাসোসিয়েশন: ১১। আইএসএসএন 1521-2955। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৮।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}:|access-date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "মেন'স বাস্কেটবল অ্যাওয়ার্ড উইনার্স" (পিডিএফ)। এনসিএএ.কম। পৃ. ১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন, ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|access-date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "লিউ আলসিনডর হেডস হেলমস অল আমেরিকান হুপ কুইন্টেট"। দ্য ডেইলি হেরাল্ড। পৃ. ৮। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন, ২০২১ – নিউজপেপারস.কম এর মাধ্যমে।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|access-date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - 1 2 ফ্লোরেন্স, ম্যাল (৭ এপ্রিল, ১৯৭৪)। "পাপা স্যাম গিলবার্ট ইজ সামওয়ান স্পেশাল টু ইউসিএলএ কেজারস"। সারাসোটা হেরাল্ড-ট্রিবিউন। ফ্লোরিডা। (লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস)। পৃ. ৭ডি।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ প্রুগ, জেফ (১৪ জানুয়ারি, ১৯৬৮)। "ব্রুইনস উইন এগেইন উইদাউট আলসিনডর. বিগ লিউ সাইডলাইন্ড বাই আই ইনজুরি সাফারড ইন গেম এগেইনস্ট বিয়ারস"। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "লস অ্যাঞ্জেলেস লেকার্স সেন্টার করিম আবদুল-জাব্বার ফ্লু হোম ফ্রম ডালাস"। ইউনাইটেড প্রেস ইন্টারন্যাশনাল। ২০ ডিসেম্বর, ১৯৮৬। ২৭ জানুয়ারি, ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
জাব্বার, যিনি খেলার সময় চোখ রক্ষার জন্য গগলস পরেন, তিনি তার ডান চোখে রিকারিং কর্নিয়াল ইরোশন সিন্ড্রোমে ভুগছেন। শনিবার সকালে ডালাসে চোখের পরীক্ষার পর তিনি লস অ্যাঞ্জেলেসে ফিরে আসেন। চিকিৎসকরা ব্যাখ্যা করেছেন যে গগলস পরার আগের দিনগুলোতে জাব্বারের চোখে অনেকবার আঘাত লাগায় কর্নিয়াতে ক্ষতচিহ্ন (স্কার টিস্যু) তৈরি হয়েছিল।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|date=এবং|archive-date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ উইজিগ, জেরি (২০ জানুয়ারি ১৯৮৮)। "ইট'স বিন ২০ ইয়ারস সিন্স দে হ্যাভ প্লেড দ্য গেম অফ দ্য সেঞ্চুরি"। হিউস্টন ক্রনিকল। ৪ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ এনগুয়েন, থুক নহি। "ইউসিএলএ-হিউস্টন 'গেম অফ দ্য সেঞ্চুরি' স্টিল লিভস ইমপ্রেশন ৫০ ইয়ারস লেটার"। লস অ্যাঞ্জেলেস ডেইলি নিউজ।
ক্যালের বিরুদ্ধে কর্নিয়াতে আঘাত পাওয়ার আট দিন পর, আবদুল-জাব্বার ছিলেন ইউসিএলএ-র চারজন শুরুর খেলোয়াড়ের একজন, যারা পুরো ৪০ মিনিট খেলেছিলেন।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ এস্পার, ডোয়েন (২৫ মার্চ ১৯৬৮)। "ব্রুইনস হোপ নরম্যান স্টে'জ"। দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। পাসাডেনা, ক্যালিফোর্নিয়া। পৃ. ১৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০১৫ – নিউজপেপারস.কম এর মাধ্যমে।

- ↑ গ্যাসওয়ে, জন (৭ জুন ২০১০)। "জন উডেন'স সেঞ্চুরি"। বাস্কেটবল প্রসপেক্টাস। ২৩ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১৫।
- ↑ "লিউ'স রিভেঞ্জ: দ্য রাউট অফ হিউস্টন"। ৬ মে, ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ, ২০১৯।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|access-date=এবং|archive-date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ ডায়াম্যান্ট, জেফ (২০১০)। "আবদুল-জাব্বার, করিম (লিউ আলসিনডর)"। কার্টিস, এডওয়ার্ড ই. চতুর্থ (সম্পাদক)। এনসাইক্লোপিডিয়া অফ মুসলিম-আমেরিকান হিস্ট্রি (১ম সংস্করণ)। নিউ ইয়র্ক: ফ্যাক্টস অন ফাইল। পৃ. ২–৩। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৩৮১-৩০৪০-৮। ওসিএলসি 650849872। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০২০ – গুগল বুকস এর মাধ্যমে।
- 1 2 স্ট্রিটার, কার্ট (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)। "করিম আবদুল-জাব্বার ইজ গ্রেটার দ্যান এনি বাস্কেটবল রেকর্ড"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ "ব্ল্যাক জার্নাল; ৬০; করিম"। আমেরিকান আর্কাইভ। আমেরিকান আর্কাইভ অফ পাবলিক ব্রডকাস্টিং। ২ মে ১৯৭২। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০২০।
- ↑ "লেকার্স নাও"। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। ২৭ জানুয়ারি ২০০৬। ২ ফেব্রুয়ারি ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০০৬।
- ↑ হুয়াং, মাইক (৩০ নভেম্বর ২০১৭)। "হাউ ব্রুস লি বিকেম আ মিউজ ফর করিম অ্যান্ড অ্যান অল-রুকি গার্ড"। ইএসপিএন। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০২১।
- ↑ "UCLA 2019–2020 Men's basketball Information Guide"। UCLA Bruins। ২ অক্টোবর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২১।
- 1 2 "2009–10 UCLA men's basketball media guide"। UCLA Bruins। ১৯ নভেম্বর ২০০৯। ১৭ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২২।
- ↑ "New York Nets (1968–1975) 1969 Stats, History, Awards and More"। ১৮ মে ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Scorecard"। Sports Illustrated। ৭ এপ্রিল ১৯৬৯। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ "Alcindor Rejects A.B.A.'s $3.2-Million Offer and Will Sign With Bucks"। The New York Times। ৩০ মার্চ ১৯৬৯। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ "Seattle SuperSonics vs Milwaukee Bucks Box Score, February 21, 1970"। Basketball Reference। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০২০।
- ↑ "Philadelphia 76ers at Milwaukee Bucks Box Score, April 3, 1970"। Basketball-Reference। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০২০।
- ↑ "Top 10 NBA Players With The Most PPG During A Rookie Season: Wilt Chamberlain Was A Scoring God Since His First Season"। MSN Sports। ২৫ নভেম্বর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ৯ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ "Jayson Tatum's rookie season ranks alongside best in Celtics' history"। Sporting News। ১৮ জুন ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২১।
- ↑ "... And Bucks Win Sixth"। The Ithaca Journal। ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১। পৃ. ২৬। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ "Oscar Had No Doubt"। Wisconsin State Journal। ১ মে ২০২১। Section 3, page 1। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Spears, Marc J. (১২ জুলাই ২০২১)। "Giannis dominating like Kareem revives Bucks' title hopes"। Andscape। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০২১।
- ↑ Smith, Terence (৪ জুন ১৯৭১)। "Biggest Name in N.B.A.: Jabbar"। The New York Times। পৃ. ২৭। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২১।
- ↑ Seppy, Tom (৪ জুন ১৯৭১)। "Kareem Abdul Jabbar (Also Known As Lew Alcindor) To Tour Africa"। Sheboygan Press। Associated Press। পৃ. ২১। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ "Abdul-Jabbar is Most Valuable"। Kenosha News। UPI। ২২ মার্চ ১৯৭১। পৃ. ২৫। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- 1 2 "Basketball Pro Chart"। The Lompoc Record। Newspaper Enterprise Association। ২৪ অক্টোবর ১৯৭৪। পৃ. ৭। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ "Jabbar—Most Valuable Player"। The Fresno Bee। AP। ২১ মার্চ ১৯৭৪। পৃ. D১। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Deb, Sopan (১১ জুলাই ২০২১)। "The Bucks Have Big-Time Supporters: Kareem and Oscar Robertson"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ Putnam, Pat (৯ ডিসেম্বর ১৯৭৪)। "Return of Ol Goggle-Eyes"। Sports Illustrated। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২১।
- ↑ Goldaper, Sam (৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪)। "Robertson Ends Career"। The New York Times। পৃ. ৩৩। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২১।
- 1 2 3 4 5 Bonk, Thomas (২৫ ডিসেম্বর ১৯৮৭)। "June 16, 1975: A Banner Day For Lakers : Kareem Takes His Post : 4 Players Bucks Got in Trade Gone, but He's Still on Job"। Los Angeles Times। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২১।
- ↑ Goldaper, Sam (১৮ মার্চ ১৯৭৫)। "Bucks See No Need Now to Make Deal for Unhappy Abdul-Jabbar"। The New York Times।
- ↑ "Say It Ain't So Milwaukee Bucks"। Sports Illustrated। ৩০ মে ২০০১। ৪ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০০৭।
- ↑ "Abdul-Jabbar Fractures Hand"। The New York Times। AP। ৬ অক্টোবর ১৯৭৪। Section 5, page 1। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২১।
- 1 2 "Kareem Looks Different, Acts The Same"। Wisconsin State Journal। ২৫ নভেম্বর ১৯৭৪। Section 2, page 1। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ "Jabbar on the move?"। The Journal-News। ১৪ মার্চ ১৯৭৫। পৃ. ১৪B। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ "Jabbar Finally Confirms It: He Wants To Be Traded"। Los Angeles Times। UPI। ১৫ মার্চ ১৯৭৫। Part III, p. 1। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- 1 2 Cady, Steve (১৭ জুন ১৯৭৫)। "Abdul-Jabbar Traded by Bucks for Four Lakers"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২১।
- ↑ "Third NBA Scoring Title For McAdoo"। The Sacramento Bee। ১৩ এপ্রিল ১৯৭৬। পৃ. C৪। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ "Kareem keeps getting better"। The Bakersfield Californian। ৭ অক্টোবর ১৯৭৬। পৃ. ২৭। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Bock, Hal (১৪ মে ১৯৯৫)। "Special K : Kareem Abdul-Jabbar Survived on Talent and a Quiet Dignity"। Los Angeles Times। Associated Press। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২১।
- ↑ "The Players' Player: Jabbar"। Los Angeles Times। ২ এপ্রিল ১৯৭৬। Section III, p. 2। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Abadie, Chuck (১৩ এপ্রিল ১৯৭৬)। "Jabbar is most valuable player?"। Hattiesburg American। পৃ. ১৪। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Goldaper, Sam (২৪ মে ১৯৭৭)। "Abdul-Jabbar Is Chosen M.V. P. for a Fifth Time"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২১।
- ↑ Dwyer, Kelly (৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "Dunk History: A healthy Bill Walton meets Kareem Abdul-Jabbar at the summit"। Ball Dont Lie। ৭ জুন ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২১ – Yahoo! এর মাধ্যমে।
- ↑ Kirkpatrick, Curry (২৩ মে ১৯৭৭)। "L.A. Couldn't Move the Mountain"। Sports Illustrated। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০২১।
- 1 2 Green, Ted (১৯ অক্টোবর ১৯৭৭)। "Jabbar scores KO Over Benson"। Los Angeles Times। Sec. III, pp. 1, 10। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- 1 2 3 Montgomery, Paul L. (২১ অক্টোবর ১৯৭৭)। "Abdul-Jabbar Fined $5,000 for One Punch"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০২১।
- 1 2 3 4 Wolfley, Pete (২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১)। "Benson's NBA start did not lack punch"। Milwaukee Journal-Sentinel। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০২১।
- 1 2 Simmons, Bill (২০০৯)। The Book of Basketball: The NBA According to the Sports Guy। New York City: Ballantine and ESPN Books। পৃ. ১৩৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩৪৫-৫১১৭৬-৮।
- ↑ Bonk, Thomas (১৬ মে ১৯৮৫)। "Abdul-Jabbar Tells His Side of the Fight—Just to League Office"। Los Angeles Times। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০২১।
- ↑ Green, Ted (৪ ডিসেম্বর ১৯৭৭)। "An Added Punch*"। Los Angeles Times। Part III, p. 1। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ "Jabbar replaces Magic for 19th All-Star game"। Journal Gazette। Mattoon, Illinois। AP। ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯। পৃ. B-৩। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ "After Another Hearing, Kuhn Still Undecided on Blue Deal"। Los Angeles Times। ২৫ জানুয়ারি ১৯৭৮। Part III, p. 4। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Green, Ted (২৫ জানুয়ারি ১৯৭৮)। "Jabbar Silences Critics, 76ers—and Jabbar"। Los Angeles Times। Part III, pp. 1–6। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Green, Ted (৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৮)। "Lakers Pull One Out of the Fire"। Los Angeles Times। Part III, p. 1–5। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Green, Ted (২৬ এপ্রিল ১৯৭৯)। "SuperSonics Finish Off The Lakers, 106–101"। Los Angeles Times। Part III, p. 1। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Pearlman, Jeff (১৪ মে ২০১৪)। "The 'Magic' coin flip (book excerpt)"। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০২১।
- 1 2 3 4 5 6 Knoblauch, Austin (১১ অক্টোবর ২০১১)। "Kareem Abdul-Jabbar"। Los Angeles Times। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০২১।
- 1 2 3 Mahoney, Rob (২ মার্চ ২০২২)। "The Ineffable Cool—and Playing Style—That Made the Showtime Lakers 'Showtime'"। The Ringer। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ Hollinger, John (১৬ জুন ২০১১)। "Greatest Finals performances: 21-30"। ESPN.com। সংগ্রহের তারিখ ২০ মে ২০২২।
- ↑ সিমন্স ২০০৯, পৃষ্ঠা ৫৯৮।
- 1 2 3 Johnson, Roy S. (২ জুন ১৯৮৫)। "For Abdul-Jabbar, It's a Matter of Pride"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ২০ মে ২০২২।
- 1 2 Penner, Mark (৮ মার্চ ২০১৩)। "The Sixers trade for Moses Malone"। Philadelphia Daily News। ২৪ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০২২।
- ↑ Aschburner, Steve (১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫)। "Moses Malone, dead at 60, was an NBA elite"। National Basketball Association। ১৯ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Hollinger, John (১৬ জুন ২০১১)। "Greatest Finals performances: 11-20"। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০২২।
- ↑ Bonk, Thomas (১১ অক্টোবর ১৯৮৩)। "Nixon Traded to San Diego; Kareem Signs"। Los Angeles Times। Part III, p. 1। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২৫ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Newman, Bruce (১৬ এপ্রিল ১৯৮৪)। "A SKY HOOK THAT WAS FOR THE BOOK"। Sports Illustrated। সংগ্রহের তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০২৫।
- ↑ Strasen, Marty (২০০৪)। The Best Book of Basketball Facts & Stats। Firefly Books। পৃ. ১৮৫। আইএসবিএন ১৫৫২৯৭৭৮২X। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২২ – Internet Archive এর মাধ্যমে।
- 1 2 Ganguli, Tania; Cacciola, Scott (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)। "Kareem Abdul-Jabbar Was the 'Best Weapon in Basketball'"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ Johnson, Roy S. (৭ এপ্রিল ১৯৮৪)। "ABDUL-JABBAR MAKES RETIREMENT POINTS"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০২৫।
- ↑ Fink, David (১৬ অক্টোবর ১৯৮৪)। "Abdul-Jabbar says he'll retire"। Pittsburgh Post-Gazette। পৃ. ৩১। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৫ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- 1 2 3 4 5 Littwin, Mike (২৫ অক্টোবর ১৯৮৪)। "Lakers Are Hoping Abdul-Jabbar Has a Change of Heart"। Los Angeles Times। Part III, p, 3। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৫ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- 1 2 3 4 Nightengale, Bob (২ ডিসেম্বর ১৯৮৪)। "Abdul-Jabbar vague on retirement"। The Kansas City Star। Sports, p. 4। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৫ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Jasner, Phil (২৩ ডিসেম্বর ১৯৮৪)। "Kareem continues for Lucky Lakers"। The Sunday Dispatch। পৃ. ১৯। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৫ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Barnard, William R. (২৩ নভেম্বর ১৯৮৪)। "Abdul-Jabbar still unsure about retirement"। The Messenger। AP। Basketball, p. 9। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৫ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Bonk, Thomas (৬ ডিসেম্বর ১৯৮৪)। "Abdul-Jabbar Will Play Another Year—for $2 Million"। Los Angeles Times। Part III, p. 1, 17। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৫ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- 1 2 Dodson, Aaron (৯ জুন ২০১৭)। "On this day in NBA Finals history: Kareem Abdul-Jabbar becomes oldest Finals MVP"। Andscape। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
- ↑ Zillgitt, Jeff (২ মে ২০২০)। "Day 52 without sports 🏀: Don't forget Kareem Abdul-Jabbar in greatest NBA player of all-time debates"। USA Today। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ McCallum, Jack (৪ জানুয়ারি ১৯৮৫)। "When L.A. Buried the Garden Ghost"। Sports Illustrated। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০২২।
- ↑ Bonk, Thomas (২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৮৫)। "Lakers Move Closer to Signing Kareem for a Year or 2 More"। Los Angeles Times। ৭ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Johnson, Roy S. (২২ মে ১৯৮৩)। "THE LONG-RUN SUCCESS OF KAREEM ABDUL-JABBAR"। The New York Times। ৭ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Goldaper, Sam (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৪)। "HAYES ENJOYING FAREWELL SEASON"। The New York Times। ৯ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Bonk, Thomas (১৩ নভেম্বর ১৯৮৫)। "Abdul-Jabbar Signs for Another Year, Delays Decision on Whether to Play It"। Los Angeles Times। Part III, p. 7। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৫ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- 1 2 3 Edes, Gordon (২৫ নভেম্বর ১৯৮৬)। "The NBA : Abdul-Jabbar Adds Weight and Strength to Battle the Other 7-Footers"। Los Angeles Times। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২১।
- ↑ Edes, Gordon (১৭ জুন ১৯৮৭)। "Abdul=Jabbar Signs, Will Play Two More Years"। Los Angeles Times। Part III, p. 2। সংগ্রহের তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০২৪ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ "ABDUL-JABBAR READY FOR LAST HURRAH"। Fort Worth Star-Telegram। ৮ আগস্ট ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০২৪ – Chicago Tribune এর মাধ্যমে।
- 1 2 3 Baker, Chris (২২ জুন ১৯৮৮)। "Abdul-Jabbar Makes a Promise—He'll Return"। Los Angeles Times। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০২১।
- 1 2 "Abdul-Jabbar will return for one final season with Lakers"। News Journal। Mansfield, Ohio। ২৩ জুন ১৯৮৮। পৃ. ১-B, ৫-B। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ "The Lakers:Player by Player: Kareem Abdul-Jabbar"। Los Angeles Times। ২৩ জুন ১৯৮৮। Part III-A, p. 9। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Goldstein, Alan (২৩ জুন ১৯৮৮)। "Guarantees no longer necessary"। Shreveport Journal। পৃ. ৩C। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Frauenheim, Norm (২২ জুন ১৯৮৮)। "Riley's prophecy now lore"। The Arizona Republic। পৃ. F১, F৩। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- 1 2 McManis, Sam (২৩ এপ্রিল ১৯৮৯)। "A Last Hurrah: For Abdul-Jabbar, a Season of Farewells Will Be Capped Today"। Los Angeles Times। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২১।
- ↑ Johnson, Earvin; Novak, William (১৯৯২)। My Life। Random House। পৃ. ১২৪। আইএসবিএন ৯৭৮০৬৭৯৪১৫৬৯৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০২১ – Internet Archive এর মাধ্যমে।
- ↑ Littwin, Mike (১৮ জুন ১৯৮৯)। "Pistons Win Title With Huge Asterisk Attached"। Los Angeles Times। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২১।
- ↑ "10 memories top his all-time list of great moments"। Des Moines Sunday Register। ৩০ এপ্রিল ১৯৮৯। পৃ. ১৩D। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০২১ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- 1 2 3 Broussard, Chris (২৫ এপ্রিল ২০০৪)। "A Legend Learns That He Needs to Be Liked"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০২১।
- 1 2 Plaschke, Bill (২ ডিসেম্বর ১৯৯৭)। "Abdul-Jabbar Figures NBA Needs a Coach Kareem"। Los Angeles Times। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০২১।
- 1 2 Johnson, Earvin; Novak, William (১৯৯২)। My Life। Random House। পৃ. ১২১–১২৩। আইএসবিএন ৯৭৮০৬৭৯৪১৫৬৯৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০২১ – Internet Archive এর মাধ্যমে।
- ↑ Rogers, John (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)। "A talkative Kareem Abdul-Jabbar reflects on becoming himself"। Associated Press। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০২১।
- 1 2 "Talking with Kareem Abdul-Jabbar, Part II"। Los Angeles Times। ২৭ জানুয়ারি ২০০৬। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১০।
- 1 2 "টকিং উইথ করিম আবদুল-জাব্বার, পার্ট ওয়ান"। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। ২৫ জানুয়ারি ২০০৬। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১০।
- ↑ Beard, Alison (জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি ২০১২)। "Life's Work: An Interview with Kareem Abdul-Jabbar"। Harvard Business Review। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০২১।
- ↑ Crowe, Jerry (৭ সেপ্টেম্বর ২০০৫)। "Kareem Hopes to Teach Young Laker a Lesson"। Los Angeles Times। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ Jonathan Lemire (জানুয়ারি ২০০৪)। "Keeping Up"। Columbia College Today। ১০ জুন ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০০৭।
- ↑ Doug Cantor (১ জুন ২০০৪)। "Esquire: Q + A: Kareem Abdul-Jabbar"। ২৭ মে ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০০৭।
- ↑ "Lakers hire Kareem Abdul-Jabbar as Special Assistant Coach"। NBA.com। ২ সেপ্টেম্বর ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০০৭।
- ↑ Markazi, Arash (১৯ মে ২০১১)। "Kareem Abdul-Jabbar unhappy"। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ "Kareem Abdul-Jabbar Volunteers As High School Coach On Indian Reservation in Arizona"। Jet। ২৩ নভেম্বর ১৯৯৮। ১২ অক্টোবর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০০৭।
- ↑ Abramson, Mitch। "Kareem Abdul-Jabbar promotes new book, says he is not upset about lack of coaching opportunity in NBA"। New York Daily News। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০২১।
- 1 2 3 4 Windhorst, Brian; Shelburne, Ramona (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)। "LeBron's 38,390-point scoring record a triumph in longevity of mind, body"। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ Hoffman, Mark S., সম্পাদক (১৯৯০)। The World Almanac And Book of Facts, 1991। Pharos Books। পৃ. ৮৮৬। আইএসবিএন ০৮৮৬৮৭৫৭৮১। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০২৪ – Internet Archive এর মাধ্যমে।
- ↑ "NBA & ABA Career Leaders and Records for Field Goal Pct"। Basketball-Reference। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২২।
- ↑ Sexton, Joshua (৪ আগস্ট ২০১১)। "LA Lakers: Ranking the Most Clutch Players in Lakers History"। Bleacher Report। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২২।
- 1 2 3 4 Adande, J. A.। "Secrets of the Skyhook"। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ DuPree, David (১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৮)। "5 Positions – 5 Special Skills"। The Washington Post। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ Harvey, Randy (২৬ মে ১৯৮৩)। "Lakers Have New Plan To Stop Malone"। Los Angeles Times। Part III, pp. 1, 13। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২২ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Hartman, Steve; Smith, Matt (২০০৯)। The Great Book of Los Angeles Sports Lists। Basic Civitas Books। পৃ. ৩০। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৬২৪-৩৫২০-৩।
- ↑ Johnson, Roy S. (২২ মে ১৯৮৩)। "The Long-Run Success Of Kareem Abdul-Jabbar"। The New York Times। ৭ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Goodwin, James (২৮ অক্টোবর ২০১৪)। "Kareem Abdul Jabbar in UAE: NBA legend reveals fitness secrets"। Gulf News। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২২।
- 1 2 Bonk, Thomas (২৯ মে ১৯৮৪)। "At 37, Abdul-Jabbar Is Going Against All Odds"। Los Angeles Times। Part III, pp. 1, 6। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২২ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ "Kareem Abdul-Jabbar is hot for yoga"। ৬ ডিসেম্বর ২০০৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০০৬।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ sports and yoga Posted by: dionne on 10-Jan-11 (১৩ জানুয়ারি ২০১১)। "Kareem Abdul-Jabbar does Bikram Yoga"। Bikramyogavernon.com। ২১ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১২।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Ostler, Scott (২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৯)। "Lakers Hope More Is Less"। Los Angeles Times। Part III, pp. 1, 5। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২২ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- 1 2 Smith, Gary (২৩ ডিসেম্বর ১৯৮৫)। "Now More Than Ever, A Winner"। Sports Illustrated। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ Ostler, Scott (১৯ ডিসেম্বর ১৯৮০)। "Lakers Are Finding Out Why NBA Champs Don't Repeat"। Los Angeles Times। Part III, pp. 1, 14। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২২ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Murray, Jim (৬ অক্টোবর ১৯৮১)। "Kareem Doesn't Get Any Respect"। Los Angeles Times। Part III, pp. 1, 6। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২২ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Murray, Jim (১৭ নভেম্বর ১৯৯২)। "A Chapter Closed, He Is Opening"। Los Angeles Times। সংগ্রহের তারিখ ২০ মে ২০২২।
- ↑ Bjarkman, Peter C. (২০০২)। Boston Celtics Encyclopedia। Sports Publishing। পৃ. ৫৪। আইএসবিএন ৯৭৮১৫৮২৬১৫৬৪৬। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১৫।
- ↑ "Abdul-Jabbar to miss two games"। The Morning News। Associated Press। ১৪ অক্টোবর ১৯৮০। পৃ. B২ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ "Abdul-Jabbar out with eye trouble"। The Spokesman-Review। ২১ ডিসেম্বর ১৯৮৬। পৃ. D২ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- 1 2 DuPree, David (২৬ মার্চ ১৯৮৩)। "Sky's the Limit With the Hook Of All Hooks"। The Washington Post। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ Maule, Tex (১২ মার্চ ২০১৫)। "SI Vault: How a coin flip helped the Milwaukee Bucks land Lew Alcindor"। Sports Illustrated। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ Nielsen, John (৮ মার্চ ১৯৮৮)। "The Shot That Reigns Over the Rim"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ Corvo, Michael (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)। "LeBron James passes fellow Lakers legend Kareem Abdul-Jabbar for most points in NBA history"। ClutchPoints। সংগ্রহের তারিখ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ "Watch: Kareem passes basketball to LeBron after breaking record"। RSN (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ Botkin, Brad (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)। "LeBron James passes Kareem Abdul-Jabbar to become NBA's all-time leading scorer"। CBS Sports। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- 1 2 Turner, Broderick (১২ নভেম্বর ২০০৯)। "It just adds up: On points, Kareem Abdul-Jabbar is Lakers' top center"। Los Angeles Times। সংগ্রহের তারিখ ২০ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ Reynolds, Tim (২৫ জানুয়ারি ২০২৪)। "LeBron James makes history with 20th All-Star selection"। NBA.com। NBA। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "Everything you need to know about the NBA's 75th Anniversary Season"। NBA.com। সংগ্রহের তারিখ ২৩ অক্টোবর ২০২১।
- ↑ Simmons 2009, p. 601.
- ↑ "NBA History – Rebounds Leaders"। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৫ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ "All Time Leaders: Blocks"। NBA.com। ২০ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুন ২০১৩।
- ↑ Pro Basketball's All-Time All-Stars: Across the Eras. p. xxxi. Scarecrow Press, 2013.
- ↑ "Magic's Dwight Howard wins NBA defensive award"। CBC.ca। Associated Press। ২১ এপ্রিল ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ Aschburner, Steve (৬ সেপ্টেম্বর ২০২১)। "Ben Wallace went from undrafted to Hall of Fame"। NBA.com। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ আবদুল-জাব্বার, করিম (১৬ আগস্ট ২০১৯)। "করিম আবদুল-জাব্বার: ব্রুস লি ওয়াজ মাই ফ্রেন্ড, অ্যান্ড টারান্টিনোস মুভি ডিসরেস্পেক্টস হিম"। দ্য হলিউড রিপোর্টার। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২২।
- 1 2 3 "All-time #NBArank: Counting down the 10 greatest centers ever"। ESPN। ১৯ জানুয়ারি ২০১৬। ২০ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ সিমন্স ২০০৯, পৃ. ৫৯৪, ৫৯৫
- ↑ "Daily Dime: Special Edition The game's greatest giants ever"। ৬ মার্চ ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০০৮।
- ↑ "SLAM's Top 100 Players Of All-Time: Kareem Abdul-Jabbar, No. 4"। Slam। ৩ মে ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২২।
- ↑ "Ranking the top 74 NBA players of all time: Nos. 10-1"। ESPN। ১৩ মে ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২১।
- ↑ Spears, Marc J. (৩১ জুলাই ২০১৮)। "Kareem Abdul-Jabbar on the GOAT debate, his upcoming speaking tour and LeBron joining the Lakers"। Andscape। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ Shelburne, Ramona (২৪ জানুয়ারি ২০২৩)। "Pat Riley talks Kareem, LeBron and the NBA record for longevity"। ESPN.com। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০২৩।
- ↑ Mitchell, Fred (২৩ মার্চ ২০১২)। "NBA's best all-time player? You be the judge"। Chicago Tribune। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০২১।
- ↑ "Julius Erving interview"। Grantland। ২০ ডিসেম্বর ২০১৩। ২০ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ এপ্রিল ২০১৪ – YouTube এর মাধ্যমে।
- ↑ "Heritage Auctions Summer Platinum Night Auction commands $13.67+ Million"। Sports.ha.com। Heritage Auctions। ৩০ আগস্ট ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২০।
- ↑ "NBA 75: Top 75 NBA players of all time, from MJ and LeBron to Lenny Wilkens"। The Athletic। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ "adidas' Timeless Basketball Shoe Is Having a Incredibly Stylish Revival"। Highsnobiety (ইংরেজি ভাষায়)। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ "Adidas Relaunches Kareem Abdul-Jabbar's Retro Sneakers"। Kicks On SI (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ অক্টোবর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ Newport, Kyle। "Adidas Honors Kareem Abdul-Jabbar with 'The Blueprint' Crazy 8 Shoe"। Bleacher Report (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ Marshall, John (১৮ নভেম্বর ২০০৭)। "কলেজ হল কর্তৃক আব্দুল-জাব্বার সম্মানিত"। The Washington Post। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ "হল অফ ফেমার্স"। Basketball Hall of Fame। ২০ এপ্রিল ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০০৯।
- ↑ "প্যাক-১২ মেনস বাস্কেটবল হল অফ অনার অন্তর্ভুক্ত সদস্যগণ - সিবিএস স্যাক্রামেন্টো"। www.cbsnews.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২১ জানুয়ারি ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "লু (করিম আব্দুল-জাব্বার) আলসিন্ডোর (১৯৮৪) - হল অফ ফেম"। UCLA (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০২৫।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 "Kareem Abdul-Jabbar"। Sports Reference। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ প্যাক-১২ কনফারেন্স @ স্পোর্টস-রেফারেন্স
- ↑ "প্রতি ম্যাচে পয়েন্টের ভিত্তিতে মেনস প্যাক-১২ কনফারেন্স বার্ষিক লিডার এবং রেকর্ড"। College Basketball at Sports-Reference.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "প্রতি ম্যাচে মোট রিবাউন্ডের ভিত্তিতে মেনস প্যাক-১২ কনফারেন্স বার্ষিক লিডার এবং রেকর্ড"। College Basketball at Sports-Reference.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ আব্দুল-জাব্বার, করিম (১০ মার্চ ২০১৬)। "ইউসিএলএ-র করিম আব্দুল-জাব্বার প্যাক-১২ মেনস বাস্কেটবল প্লেয়ার অফ দ্য সেঞ্চুরি হিসেবে নির্বাচিত (ভিডিও)"। Skyhook Foundation (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ ফিটজগেরাল্ড, টম (১১ মার্চ ২০১৬)। "জন উডেন, করিম আব্দুল-জাব্বার প্যাক-১২ অল-সেঞ্চুরি টিমের নেতৃত্বে"। SFGATE (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ মে ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "করিম আব্দুল-জাব্বার ইউসি প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল লাভ করেন"। University of California (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ প্যাক-১২ এর ইতিহাস
- ↑ "Men's Pac-12 Conference Career Leaders and Records for Points Per Game"। College Basketball at Sports-Reference.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "Men's Pac-12 Conference Single Season Leaders and Records for Points Per Game"। College Basketball at Sports-Reference.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "Men's Pac-12 Conference Single Season Leaders and Records for Points"। College Basketball at Sports-Reference.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২৫।
- 1 2 3 "All-NBA & All-ABA Selections by Player"। Basketball Reference। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০২৪।
- 1 2 3 "All-Defensive Selections by Player"। Basketball Reference। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ Elliot, Helene (১৭ নভেম্বর ২০১২)। "Lakers honor Kareem Abdul-Jabbar with long-awaited statue"। Los Angeles Times। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ "Sam Davis Memorial Award (MBWA NBA MVP) Winners"। Basketball-Reference.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ Bonk, Thomas (১৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫)। "Kareem Is Second NBA Player Named Sports Illustrated Sportsman of the Year"। Los Angeles Times। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ "NBA Sporting News Rookie of the Year Award Winners"। Basketball-Reference.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "Hy Turkin Memorial Award (MBWA NBA Rookie of the Year) Winners"। Basketball-Reference.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "Kareem Abdul-Jabbar headlines AP's 1970s all-decade NBA team"। AP News (ইংরেজি ভাষায়)। ১৬ ডিসেম্বর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "All Honorees"। Academy of Achievement (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "El MARCA Leyenda se acerca al cielo con Kareem Abdul-Jabbar"। Marca (স্পেনীয় ভাষায়)। ৩ জুন ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "Kareem Abdul-Jabbar, Jim Brown and Bill Russell to Receive the Sports Illustrated Muhammad Ali Legacy Award | Los Angeles Lakers"। www.nba.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "W. E. B. Du Bois Medal Recipients | The Hutchins Center for African & African American Research"। hutchinscenter.fas.harvard.edu। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মে ২০২৫।
- ↑ Mertes, Micah (২৪ মে ২০১৭)। "'Don't call me Shirley': Memorable 'Airplane' lines, little-known facts"। Omaha World-Herald। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০২১।
- 1 2 3 4 Zupanic, Jeffrey (৫ এপ্রিল ২০১৭)। "Kareem Abdul-Jabbar, from 'Airplane!' to Mount Union"। Kent Record-Courier। ১২ জুলাই ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০২১।
- ↑ Abrahams, Jim; Zucker, David; Zucker, Jerry (১১ জুন ১৯৭৯)। "A I R P L A N E ! Shooting Script"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০২১ – DailyScript.com এর মাধ্যমে।
- ↑ Nicks, Denver (৪ মার্চ ২০১৪)। "Kareem Abdul-Jabbar Reprises 'Airplane' Role in Wisconsin Tourism Ad"। Time। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০২১।
- ↑ "Kareem Abdul-Jabaar"। Rotten Tomatoes। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০২১।
- ↑ Mark Medina (১০ এপ্রিল ২০১২)। "ফক্সের 'নিউ গার্ল'-এ মঙ্গলবার অতিথি চরিত্রে করিম আব্দুল-জাব্বার"। Los Angeles Times। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০১২।
- ↑ Fields, Curt (১৪ এপ্রিল ২০০৬)। "An All-Star Lineup 'In Living Color'"। The Washington Post। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০২১।
- 1 2 "Kareem Abdul-Jabbar List of Movies and TV Shows"। TV Guide। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০২১।
- ↑ Kilian, Michael। "Vernon Johns: A New Hero For America"। Chicago Tribune। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০২১।
- ↑ "HipHopKetball II: The ReJazzebration Remix '06"। Comedy Central। ১৪ মার্চ ২০০৬। ২৫ জুলাই ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ "Das Booty – Hitler's Gold Pt. 2"। Comedy Central। ১৮ মার্চ ২০০৮। ১৭ জুন ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ "The Simpsons – Season 22 Episode 17"। Rotten Tomatoes। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০২১।
- ↑ One on One – Kareem Abdul Jabbar – Part 2। Al Jazeera English। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০। ঘটনা সংঘটিত হয় 10:10। ১১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০২১।
- ↑ Platon, Adelle (৫ মে ২০১৭)। "লিঙ্কিন পার্কের 'গুড গুডবাই' ভিডিওতে নিজের জীবন বাঁচাতে চেস্টার বেনিংটনের বল খেলার দৃশ্য দেখুন"। বিলবোর্ড। পেনস্কি মিডিয়া কর্পোরেশন। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ Dicker, Ron (৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯)। "'বিগ ব্যাং থিওরি'র ছবিতে মেলিসা রাউচ এবং করিম আব্দুল-জাব্বারের চমৎকার জুটি"। HuffPost। সংগ্রহের তারিখ ৫ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ Keveney, Bill (৩০ জুন ২০২১)। "'ডেভ'-এ করিম আব্দুল-জাব্বারের ডাঙ্ক করা যেভাবে র্যাপারের আত্ম-বিদ্রূপাত্মক টিভি ব্যক্তিত্বের সাথে খাপ খায়"। USA Today। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ Lee Lenker, Maureen (২৫ নভেম্বর ২০২২)। "অ্যাঞ্জেলা ল্যান্সবারি ল্যাপটপে তার গ্লাস অনিয়ন ভূমিকাটি চিত্রায়িত করেছেন: নাইভস আউট ২-এর সমস্ত ক্যামিও চরিত্রের ভেতরের খবর"। এন্টারটেইনমেন্ট উইকলি। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০২২।
- ↑ Wilson, Olivia (২৫ আগস্ট ২০২৩)। "বিলিয়নস সিজন ৭ এপিসোড ৩-এ করিম আব্দুল-জাব্বারের ক্যামিও"। TV Acute। সংগ্রহের তারিখ ৮ ডিসেম্বর ২০২৩।
- ↑ Polacek, Scott (২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "'ভেরোনিকা মার্স' টিভি শো রিবুটের লেখক দলে যোগ দিলেন করিম আব্দুল-জাব্বার"। Bleacher Report। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০১৯।
- ↑ Crucchiola, Jordan (২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "ভেরোনিকা মার্সের রাইটার্স রুমে যোগ দিলেন করিম আব্দুল-জাব্বার"। Vulture। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০১৯।
- ↑ Gelman, Vlada (২৮ এপ্রিল ২০১৯)। "যেভাবে করিম আব্দুল-জাব্বার ভেরোনিকা মার্স রিভাইভালের জন্য লিখতে শুরু করলেন"। TVLine। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০১৯।
- ↑ "Kareem Abdul-Jabbar tells Newark students a tale worth learning"। New Jersey Star Ledger। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১১।
- ↑ Lowry, Brian (২ নভেম্বর ২০১৫)। "TV Review: 'Kareem: Minority Of One'"। Variety। ৪ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "HISTORY® Announces 'Black Patriots: Heroes of the Revolution'"। History.com। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০২১।
- 1 2 "Kareem Abdul-Jabbar"। Emmys.com। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০২১।
- ↑ "Bucks Legend Kareem Abdul Jabbar Making a Splash"। NBA.com (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Thorbecke, Catherine (১৩ এপ্রিল ২০১৮)। "অ্যাডাম রিপন, টানিয়া হার্ডিং এবং আরও অনেক সুপারস্টার অ্যাথলেট 'ড্যান্সিং উইথ দ্য স্টার্স' সিজন ২৬-এ মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন"। এবিসি নিউজ। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০১৮।
- ↑ Desta, Yohana (২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "Yes, Kareem Abdul-Jabbar Is Really Writing for the New Veronica Mars"। Vanity Fair। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০১৯।
- ↑ Carroll, Rory (১৫ এপ্রিল ২০২০)। "On this day: Born April 16, 1947: Kareem Abdul-Jabbar, American basketball player"। Reuters। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০২১।
- ↑ Rhoden, William C. (১৪ জুন ২০১৭)। "Locker Room Talk: Abdul-Jabbar Is The Best Basketball Player—Period"। Andscape। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০২১।
- ↑ Abdul-Jabbar, Kareem; Obstfeld, Raymond (২০০৭)। On The Shoulders Of Giants : My Journey Through the Harlem Renaissance। New York: সাইমন অ্যান্ড শুস্টার। পৃ. ১–২৮৮। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪১৬৫-৩৪৮৮-৪। ওসিএলসি 76168045। এস২সিআইডি 190584066। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪১৬৫-৪৯৯১-৮.
- ↑ Zeise, Paul (১৬ মে ২০০৪)। "Plight of WWII black battalion brought to light"। Pittsburgh Post-Gazette। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ Flood, Alison (২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫)। "Basketball veteran Kareem Abdul-Jabbar pens story of Sherlock Homes's brother"। The Guardian। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ Parker, James (২৬ অক্টোবর ২০১৫)। "'The Big Book of Sherlock Holmes Stories' and Kareem Abdul-Jabbar's 'Mycroft Holmes'"। The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ "MYCROFT AND SHERLOCK: THE EMPTY BIRDCAGE"। San Francisco Book Review। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ Abdul-Jabbar, Kareem (৯ জানুয়ারি ২০১৫)। "Kareem Abdul-Jabbar: These Terrorist Attacks Are Not About Religion"। Time। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৫।
- ↑ "Kareem Abdul-Jabbar on Meet the Press"। NBC News। ২৫ জানুয়ারি ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৫।
- ↑ Martin, Michael (১ নভেম্বর ২০১৫)। "Kareem Abdul-Jabbar: 'If It's Time To Speak Up, You Have To Speak Up'"। NPR। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ Abdul-Jabbar, Kareem (১২ নভেম্বর ২০১৪)। "College Athletes of the World, Unite"। Jacobin। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৪।
- ↑ Long, Michael G. (৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১)। 42 Today: Jackie Robinson and His Legacy। NYU Press। পৃ. ১৬২। আইএসবিএন ৯৭৮১৪৭৯৮০৫৬২৪।
- ↑ "Kareem Abdul-Jabbar joins Israeli Ramadan event"। The Times of Israel। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৫।
- ↑ "Kareem Abdul-Jabbar in Jacobin: On Kyrie Irving's Vaccine Refusal"। Jacobin (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
- ↑ Stein, Marc (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১)। "One-on-one with Kareem Abdul-Jabbar"। The Stein Line। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৫।
- ↑ Beck, Howard (১৮ জানুয়ারি ২০১২)। "Abdul-Jabbar Drafted by U.S. as Cultural Ambassador"। The New York Times। ৩ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০১৯।
- ↑ Remarks With Cultural Ambassador Kareem Abdul-Jabbar . U.S. Department of State. January 18, 2012.
- ↑ "Kareem Abdul-Jabbar – Global Cultural Ambassador – Bureau of Educational and Cultural Affairs"। eca.state.gov।
- ↑ "Obama makes wave of final appointments for well-connected friends, celebs"। Fox News। ১৮ জানুয়ারি ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "Kareem Abdul-Jabbar to Step Down from Citizens Coinage Advisory Committee"। usmint.gov। United States Mint। ৫ এপ্রিল ২০১৮। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ নভেম্বর ২০২৩।
- ↑ আবদুল-জাব্বার, করিম (১৯৮৩)। জায়ান্ট স্টেপস। নিউ ইয়র্ক: ব্যান্টাম বুকস। পৃ. ২২৭। আইএসবিএন ০-৫৫৩-০৫০৪৪-৩।
- ↑ "নো লিউ হেল্প"। এল পাসো হেরাল্ড-পোস্ট। ইউপিআই। ২৯ মে ১৯৭১। পৃ. এ-৬। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০২৩ – Newspapers.com এর মাধ্যমে।
- ↑ "করিমস সান টু লিভ ভ্যালপ্যারাইসো"। শিকাগো ট্রিবিউন। ১৬ এপ্রিল ১৯৯৬। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "দ্য অফিশিয়াল ওয়েবসাইট অফ করিম আবদুল-জাব্বার '২০০৮' মার্চ"। KareemAbdulJabbar.com। ২৩ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ টুন, স্টেফানি (১৩ জুন ২০২০)। "করিম আবদুল-জাব্বারস সান অ্যাকিউজড অফ স্ট্যাবিং হিজ নেইবার"। দ্য আটলান্টা জার্নাল-কন্সটিটিউশন। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০২১।
- ↑ থমাস, রন (১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩)। "এনবিএ নোটস: করিম লুজস আ লট"। ইউএসএ টুডে। পৃ. ৫সি।
- ↑ উইলিয়ামস, জেনিস (১২ জুলাই ২০১৬)। "২০১৬ ইএসপিওয়াই অ্যাওয়ার্ড নমিনিস"। ১৫ জুলাই ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১৬।
- ↑ আবদুল-জাব্বার, করিম (৪ মে ২০১৭)। "করিম আবদুল-জাব্বার অন বিং মুসলিম ফ্রম দ্য সিক্সটিস টু টুডে"। ফস্টার্স ডেইলি ডেমোক্র্যাট। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০২৪।
- 1 2 3 4 5 আবদুল-জাব্বার, করিম (২৯ মার্চ ২০১৫)। "হোয়াই আই কনভার্টেড টু ইসলাম"। মতামত। আল জাজিরা। ২১ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০২০।
- ↑ "করিম স্টিল কন্ট্রোলস 'আলসিনডর' নেম, কোর্ট রুলস"। শিকাগো ট্রিবিউন। ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০২৩।
- ↑ "সেন্টার ইন আ স্টর্ম"। স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড। ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ কার্সওয়েল, শার্লি (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)। "হু ইজ করিম আবদুল-জাব্বার?"। দ্য হিলটপ। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০২১।
- ↑ লিন্ডারম্যান, ল্যারি (১ জুন ১৯৮৬)। "আ ক্যান্ডিড কনভারসেশন উইথ ওয়ান অফ দ্য গ্রেটেস্ট বাস্কেটবল প্লেয়ারস অফ অল টাইম"। প্লেবয়। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০২২।
- ↑ ডোয়ার, বিল (২১ জানুয়ারি ২০১৫)। "লেটস অ্যাপ্রিশিয়েট করিম আবদুল-জাব্বার হোয়াইল হিজ স্টিল উইথ আস"। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০২১।
- ↑ "আবদুল-জাব্বারস সেটল দেয়ার সুট"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস। ৩০ এপ্রিল ১৯৯৮। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০১৯।
- ↑ "এনবিএ গ্রেট করিম আবদুল-জাব্বার ওয়ান্টস এনএফএল প্লেয়ার টু স্টপ ইউজিং নেম – দ্য ফর্মার শারমন শাহ, মায়ামি ডলফিন রানিং ব্যাক বিং সুড বাই ফর্মার বাস্কেটবল প্লেয়ার"। জেট। ১ ডিসেম্বর ১৯৯৭। ১২ মার্চ ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০০৫।
- ↑ অ্যান্ডারসন, ডেভ (২৮ মে ১৯৮৪)। "ট্রান্সফারিং আ হেডেক"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১০।
- ↑ "আবদুল-জাব্বার ইন ড্রাগ অ্যারেস্ট"। বিবিসি স্পোর্ট। ১৯ জুলাই ২০০০। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১০।
- ↑ টার্নার, ব্রডরিক (১০ নভেম্বর ২০০৯)। "লেকার্স গ্রেট করিম আবদুল-জাব্বার হ্যাজ লিউকেমিয়া"। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১০।
- ↑ "আবদুল-জাব্বার ব্যাটলিং লিউকেমিয়া"। বিবিসি স্পোর্ট। ১০ নভেম্বর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১০।
- 1 2 "করিম আবদুল-জাব্বার আপডেট হেলথ"। ইএসপিএন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১১। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ মেডিনা, মার্ক (৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১)। "করিম আবদুল-জাব্বার টুইটস দ্যাট হিজ ১০০% ক্যান্সার ফ্রি"। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। ২০ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১।
- ↑ হোমস, ব্যাক্সটার (১৭ এপ্রিল ২০১৫)। "করিম আবদুল-জাব্বার হ্যাজ কোয়াড্রুপল বাইপাস সার্জারি"। ইএসপিএন। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ "করিম আবদুল-জাব্বার ওপেনস আপ অ্যাবাউট প্রোস্টেট ক্যান্সার ডায়াগনোসিস টু রেইজ অ্যাওয়্যারনেস অ্যাবাউট হেলথ কেয়ার ডিসপ্যারাটিস"। গুড মর্নিং আমেরিকা। ১৪ ডিসেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "হাউ আই ফাউন্ড আউট আই হ্যাড এ-ফিব - করিম আবদুল-জাব্বার"। নো টাইম টু ওয়েট। ব্রিস্টল মায়ার্স স্কুইব অ্যান্ড ফাইজার। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৩।
- ↑ ক্যাপলান, অ্যানা (১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)। "করিম আবদুল-জাব্বার স্পিকস আউট অ্যাবাউট অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন ডায়াগনোসিস অ্যান্ড শেয়ারস সিম্পটমস"। টুডে। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০২৩।
- ↑ বার্ক, মিনইভন (১৬ ডিসেম্বর ২০২৩)। "এনবিএ লিজেন্ড করিম আবদুল-জাব্বার হসপিটালাইজড ইন এল.এ. আফটার ব্রেকিং হিজ হিপ"। এনবিসি নিউজ। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩।
- ↑ "ডাবল হেলিক্স মেডেলস ডিনার"। Doublehelixmedals.cshl.edu। ৬ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০১২।
- ↑ "করিম আবদুল-জাব্বার অন বিং অনার্ড উইথ ডাবল হেলিক্স মেডেল, এনবিএ লকআউট" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত মে ৭, ২০১৫ তারিখে. সিএনএন – আমেরিকান মর্নিং। (নভেম্বর ১৭, ২০০৭)। সংগৃহীত জুন ৮, ২০১৫।
- ↑ "করিম আবদুল-জাব্বার: এনওয়াইআইটি কমেন্সমেন্ট ২০১১"। ২৬ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬।
- ↑ "হোম – করিম আবদুল-জাব্বার"। KareemAbdulJabbar.com। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুন ২০১৯।
- ↑ হান্টিংটন, লুসিয়া (২৯ মে ২০২৫)। "সিক্স অনারারি ডিগ্রিস টু বি অ্যাওয়ার্ডেড অ্যাট ৩৭৪থ কমেন্সমেন্ট"। হার্ভার্ড গেজেট। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মে ২০২৫।
- ↑ স্পিয়ার্স, লরা (২২ এপ্রিল ২০২৫)। "করিম আবদুল-জাব্বার নেমড ক্লাস ডে স্পিকার"। হার্ভার্ড গেজেট। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মে ২০২৫।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- দাপ্তরিক ওয়েবসাইট
- Career statistics from NBA.com and Basketball Reference
- ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে করিম আব্দুল-জব্বার (ইংরেজি)
- "করিম আব্দুল-জব্বার সংগৃহীত খবর এবং ভাষ্য"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)।
- উপস্থিতি - সি-স্প্যানে
- ১৯৪৭-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- ২০শ শতাব্দীর মার্কিন ক্রীড়াবিদ
- ২০শ শতাব্দীর মার্কিন পুরুষ লেখক
- ২১শ শতাব্দীর মার্কিন পুরুষ লেখক
- ২১শ শতাব্দীর মার্কিন ক্রীড়াবিদ
- মার্কিন প্রাক্তন খ্রিস্টান
- মার্কিন পুরুষ বাস্কেটবল খেলোয়াড়
- প্রাক্তন রোমান ক্যাথলিক
- মার্কিন বাস্কেটবল খেলোয়াড়
- প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম প্রাপক
- সেন্টার্স (বাস্কেটবল)
- ২০শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেতা
- নিউ ইয়র্ক শহরের ব্যক্তি
- মার্কিন মুসলিম
- মার্কিন কণ্ঠাভিনেতা
- মার্কিন টেলিভিশন অভিনেতা
- খ্রিস্টধর্ম থেকে ইসলামে ধর্মান্তরিত
- ইসলামে ধর্মান্তরিত
- নিউ ইয়র্কের (রাজ্য) বাস্কেটবল খেলোয়াড়
- আফ্রিকান-মার্কিন ক্রীড়াবিদ
- মার্কিন ক্রীড়াবিদ
- বাস্কেটবল খেলোয়াড়