কন্টাজিওন (২০১১-এর চলচ্চিত্র)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কন্টাজিওন
কন্টাজিওন পোস্টার.jpg
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পোস্টার
পরিচালকস্টিভেন সোডারবার্গ
প্রযোজক
রচয়িতাস্কট জি. বার্নস
শ্রেষ্ঠাংশে
সুরকারক্লিফ মার্টিনেজ
চিত্রগ্রাহকস্টিভেন সোডারবার্গ
সম্পাদকস্টিফেন মিরিওন
প্রযোজনা
কোম্পানি
  • পার্টিসিপেশন মিডিয়া
  • ইমাজিনেশন আবুধাবি
  • ডাবল ফিচার ফিল্মস
পরিবেশকওয়ার্নার ব্রস.
মুক্তি
  • ৩ সেপ্টেম্বর ২০১১ (2011-09-03) (৬৮তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব)
  • ৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ (2011-09-09) (যুক্তরাষ্ট্র)
দৈর্ঘ্য১০৬ মিনিট
দেশযুক্তরাষ্ট্র
ভাষাইংরেজি
নির্মাণব্যয়$৬০ মিলিয়ন
আয়$১৩৫.৫ মিলিয়ন[১]

কন্টাজিওন (ইংরেজি: Contagion) ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা স্টিভেন সোডারবার্গ পরিচালিত একটি মেডিকেল থ্রিলার ফিল্ম [২][৩]

অভিনয়ের মূল ভূমিকায় রয়েছেন মেরিওন কটিলার্ড, ব্রায়ান ক্র্যানস্টন, ম্যাট ড্যামন, লরেন্স ফিশবার্ন, জুড ল, গ্যিনিথ প্যাল্ট্রো, কেট উইনসলেট এবং জেনিফার এহলে । গল্পের মূল প্লটটি ফোমাইটস নামক এক ধরনের ভাইরাস দ্বারা সংক্রামিত রোগকে নির্দেশ করে বানানো হয়েছে, যা চিকিত্সক গবেষক এবং জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের দ্বারা এই রোগ সনাক্তকরণ এবং এটি নির্মূল করার চেষ্টা, মহামারীতে সামাজিক বিশৃঙ্খলা হ্রাস এবং অবশেষে এর বিস্তার আটকাতে একটি ভ্যাকসিনের আবিষ্কার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বেশ কয়েকটি ইন্টারেক্টিভ প্লট লাইন অনুসরণ করতে, ছবিটি বহু-ন্যারেটিভ "হাইপারলিঙ্ক সিনেমা" স্টাইল ব্যবহার করে, যা সোডারবার্গের বেশ কয়েকটি ছবিতেও জনপ্রিয়।

কন্টাজিওন চলচ্চিত্রটি ৩রা সেপ্টেম্বর, ২০১১ তারিখে ইতালির ভেনিসে ৬৮ তম ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ৯ই সেপ্টেম্বরে সর্বসাধারণের মাঝে মুক্তি পেয়েছিল।

ছবিটি তার দর্শকদের মাঝে ব্যপক প্রশংসিত হয়েছিল, এবং তারা এই ছবির বিভিন্ন অভিনেতা-অভিনেত্রীর বর্ণনাকারী এবং অভিনয়ের প্রশংসা করেছিলেন। এটি বিজ্ঞানীদের দ্বারাও বেশ প্রশংসিত হয়েছিল, যারা এর যথার্থতার প্রশংসা করেছিলেন। বাণিজ্যিকভাবে ছবিটি বক্স অফিসেও ব্যপক সাফল্য অর্জন করেছিল। ৬০ মিলিয়ন $ এর বাজেটে, কন্টাজিওন বক্স অফিস থেকে ১৩৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে।

কাহিনী সংক্ষেপ[সম্পাদনা]

ছবিতে দেখানো হয় যে, একজন নারী হংকং থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় ফিরে আসার চতুর্থ দিনে মারা যান। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) এই মারা যাওয়ার লক্ষণ পর্যবেক্ষন করে। কোত্থেকে এই রোগের উৎপত্তি, খুঁজতে শুরু করে। রোগীর সংস্পর্শে আসা সকলের জন্য কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করে। কিন্তু এই রোগ ছড়িয়ে যায়, ঠেকানো অসম্ভব হয়ে যায়। অন্য দিকে চলতে থাকে ভ্যাকসিন তৈরির প্রচেষ্টা। অবশেষে একটা ভ্যাকসিন আবিষ্কারও হয়, ধীরে ধীরে সবকিছু স্বাভাবিক হতে শুরু করে, মানুষ আবার সুখে–শান্তিতে বসবাস করতে থাকে। [৪]


সাম্প্রতিক জনপ্রিয়তা[সম্পাদনা]

২০১৯-২০২০ সালের উহান করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে মুভি’টি ২০২০ সালের জানুয়ারিতে নতুন করে জনপ্রিয়তা অর্জন করে। [৫][৬][৭]


ছবির অভিনয়শিল্পীদের গ্যালারী[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Contagion (2011)"Box Office Mojo। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ১০, ২০১১ 
  2. "Contagion (2011) – Steven Soderbergh"AllMovie 
  3. "Contagion (2011) – Genre"Turner Classic Movies 
  4. "যে ছবি করোনার আভাস দিয়েছিল"দৈনিক প্রথম আলো। ১৯ মার্চ ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০২০ 
  5. "Coronavirus outbreak has people seeking answers from 'Contagion' — but it's just a movie"The Mercury News (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২০-০১-২৪। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-২৭ 
  6. "In the wake of the coronavirus, movies like Contagion and Outbreak have become very popular" (ইংরেজি ভাষায়)। The Guardian। ২০২০-০১-২৯। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০১ 
  7. Castrodale, Jelisa (জানুয়ারি ৩১, ২০২০)। "Coronavirus Has Led to a Surge in Popularity for the 2011 Movie 'Contagion'"Vice (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২০