বিষয়বস্তুতে চলুন

ওশো রজনীশ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ওশো
ভগবান শ্রী রজনীশ
चन्द्र मोहन जैन
ওশো, প্রায় ১৯৭৭
জন্ম
চন্দ্র মোহন জৈন

(১৯৩১-১২-১১)১১ ডিসেম্বর ১৯৩১
কুচওয়াদা, ভোপাল রাজ্য, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু১৯ জানুয়ারি ১৯৯০(1990-01-19) (বয়স ৫৮)
শিক্ষাড. হরি সিং গৌড় বিশ্ববিদ্যালয় (এমএ)
পরিচিতির কারণআধ্যাত্মিকতা, রহস্যবাদ, ধর্মবিরোধিতা[১]
আন্দোলননব্য-সন্ন্যাস আন্দোলন[১]
স্মারকওশো ইন্টারন্যাশনাল মেডিটেশন রিসোর্ট, পুনে
ওয়েবসাইটosho.com


রাজনীশ (জন্মনাম: চন্দ্র মোহন জৈন; ১১ ডিসেম্বর ১৯৩১ – ১৯ জানুয়ারি ১৯৯০), যিনি প্রথমে আচার্য রাজনীশ[২], পরবর্তীতে ভগবান শ্রী রাজনীশ এবং বিশ্বজুড়ে ওশো নামে পরিচিত, ছিলেন একজন ভারতীয় দার্শনিক, আধ্যাত্মিক চিন্তাবিদ ও রজনীশ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা। জীবদ্দশায় তিনি বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক আলোচিত ও বিতর্কিত ধর্মগুরুদের একজন ছিলেন। তিনি প্রচলিত ও সংগঠিত ধর্মব্যবস্থাকে তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন[৩] এবং বিশ্বাস করতেন যে আধ্যাত্মিক মুক্তি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক মতবাদে আবদ্ধ নয়। প্রাচীন তপস্যা ও সন্ন্যাসের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি প্রাচ্যের ধ্যান ও পাশ্চাত্যের বস্তুগত আনন্দের সমন্বয়ে 'জোরবা দ্য বুদ্ধ' (Zorba the Buddha)-র মতো সমন্বিত জীবনের বার্তা দেন। তিনি 'ডাইনামিক মেডিটেশন' নামে এক অনন্য ও বিপ্লবী ধ্যান পদ্ধতির প্রবর্তন করেছিলেন।

প্রারম্ভিক জীবন ও শিক্ষা

[সম্পাদনা]

চন্দ্র মোহন জৈন মধ্যপ্রদেশের রায়সেন জেলার কুচওয়াদা নামক একটি ছোট গ্রামে এক তন্তুবায় জৈন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন বাবুলাল জৈন এবং মাতা সরস্বতী বাই। পরিবারের এগারো সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। শৈশবের প্রথম সাত বছর তিনি তাঁর মাতামহ ও মাতামহীর (নানা-নানী) কাছে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটান। মাত্র সাত বছর বয়সে মাতামহের মৃত্যু তাঁকে মানসিকভাবে নাড়িয়ে দেয় এবং জীবনের চরম সত্য, মৃত্যু ও অস্তিত্বের অর্থ খোঁজার প্রেরণা যোগায়।

শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন অত্যন্ত যুক্তিবাদী ও স্বাধীনচেতা। মৃত্যুর ভয় কাটিয়ে ওঠার জন্য তিনি গ্রীষ্মে জবলপুরের খরস্রোতা নর্মদা নদীর বিপজ্জনক বাঁকে দীর্ঘক্ষণ ডুবে থাকতেন এবং তীব্র উপবাসের মাধ্যমে শরীর ও মনের পরীক্ষা নিতেন।

ছাত্রাবস্থায় শিক্ষকদের বিভিন্ন অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে যুক্তি তুলে ধরার কারণে তাঁকে একাধিক বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়। ১৯৫১ সালে জবলপুরের হিতকারিণী কলেজে দর্শনশাস্ত্রে পড়ার সময় শ্রেণীকক্ষে অধ্যাপকদের যুক্তির মুখোমুখি করার ফলে তাঁকে কলেজ ছাড়তে বাধ্য করা হয়। পরে ১৯৫৩ সালে তিনি জবলপুরের ডি. এন. জৈন কলেজ থেকে দর্শনশাস্ত্রে বিএ এবং ১৯৫৭ সালে সাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণীতে স্বর্ণপদকসহ দর্শনে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

জ্ঞানলাভ ও শিক্ষকতা জীবন

[সম্পাদনা]

১৯৫৩ সালের ২১ মার্চ, ২১ বছর বয়সে জবলপুরের ভানওয়ারতাল উদ্যানের একটি তুঁত গাছের নিচে গভীর ধ্যানমগ্ন অবস্থায় তিনি আলোকপ্রাপ্তি বা আত্মোপলব্ধি (Enlightenment) লাভ করেন বলে দাবি করেন।[৪]

স্নাতকোত্তর শেষ করে তিনি রায়পুরের একটি সংস্কৃত কলেজ এবং পরবর্তীতে জবলপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শনের অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি ক্লাসে প্রচলিত পাঠ্যবই মুখস্থ পড়ানোর পরিবর্তে উন্মুক্ত চিন্তার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াতেন। ১৯৬৬ সালে তিনি অধ্যাপনা পেশা থেকে পদত্যাগ করে ভারতজুড়ে প্রবচন ও বক্তৃতা দেওয়া শুরু করেন এবং 'আচার্য রজনীশ' হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন।

দর্শন ও প্রধান মতবাদ

[সম্পাদনা]

ওশো মনে করতেন যে মানবজাতিকে কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম নয়, বরং আত্ম-সচেতনতার পথ দেখানো প্রয়োজন। তিনি সংগঠিত ধর্ম, সমাজতন্ত্র এবং মহাত্মা গান্ধীর কঠোর সমালোচনা করতেন।[২][৫][৬]

প্রধান বক্তব্য ও দৃষ্টিভঙ্গি

[সম্পাদনা]

ওশোর প্রবচন ও বক্তৃতার মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

  • ধর্ম ও বিশ্বাস সম্পর্কে: তিনি বিশ্বাস করতেন যে অন্ধবিশ্বাস মানুষকে সত্য থেকে দূরে রাখে।

আমি কাউকে ধর্ম শেখাতে চাই না, আমি চাই মানুষ নিজের ভেতরের সত্যকে খুঁজে বের করুক। ঈশ্বর কোনো ব্যক্তি নন, এটি একটি সচেতন অভিজ্ঞতা।

  • জীবনের উদ্‌যাপন (Celebration of Life): ওশো সন্ন্যাস মানে কৃচ্ছ্রসাধন বা সংসার ত্যাগ বলে মনে করতেন না।

জীবন ত্যাগের জন্য নয়, জীবন হলো উদ্‌যাপনের জন্য। জীবনকে অস্বীকার না করে সম্পূর্ণভাবে বেঁচে তবেই তার ঊর্ধ্বে ওঠা যায়।

  • যৌনতা ও চেতনা: অবদমিত যৌনতাকে তিনি মানসিক ব্যাধির মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন।

কামনা কোনো পাপ নয়। একে অবদমন করলে সমাজে বিকৃতি তৈরি হয়। সচেতনতার সাথে গ্রহণ করলে কামশক্তিকেই ধ্যানের স্তরে রূপান্তর করা সম্ভব।

  • প্রতিষ্ঠানবিরোধী অবস্থান: তিনি সংগঠিত ধর্ম ও রাজনীতির প্রভাবকে মানুষের মানসিক শৃঙ্খল মনে করতেন।

রাজনীতি ও সংগঠিত ধর্ম হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ, যাদের মূল উদ্দেশ্য মানুষকে নিয়ন্ত্রণ ও ভয়ের মধ্যে বন্দি রাখা।

১৯৬৮ সালে বোম্বেতে দেওয়া তাঁর ধারাবাহিক যৌনতা ও আধ্যাত্মিকতা বিষয়ক বক্তৃতাগুলো পরবর্তীতে সম্ভোগ সে সমাধি কি ওর (Sex to Superconsciousness) নামে বই আকারে প্রকাশিত হয়। এটি ভারতীয় সমাজে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করে এবং গণমাধ্যমে তাঁকে "সেক্স গুরু" নামে অভিহিত করা হয়।

পুনে আশ্রম ও বিস্তার (১৯৭৪–১৯৮১)

[সম্পাদনা]

১৯৭০ সালে বোম্বেতে অবস্থানকালে তিনি অনুসারীদের "নব্য-সন্ন্যাসী" হিসেবে দীক্ষা দিতে শুরু করেন। পুরুষ অনুসারীদের 'স্বামী' এবং নারীদের 'মা' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। এই সময় লক্ষ্মী ঠাকুরসি কুরুওয়া (মা যোগ লক্ষ্মী) তাঁর প্রধান সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালে তিনি নিজেকে 'ভগবান শ্রী রাজনীশ' হিসেবে ঘোষণা করেন।

১৯৭৪ সালে তিনি পুনের কোরেগাঁও পার্কে শ্রী রাজনীশ আশ্রম গড়ে তোলেন।[৭]

  • বলিউডের সংযুক্তি: বলিউডের অন্যতম শীর্ষ অভিনেতা বিনোদ খান্না তাঁর অভিনয়ের শীর্ষ সময়ে চলচ্চিত্র জগত ত্যাগ করে আশ্রমে যোগ দেন। ওশো তাঁর নতুন নাম দেন 'স্বামী বিনোদ ভারতী' এবং তিনি আশ্রমে দীর্ঘকাল সাধারণ মালী হিসেবে কাজ করেন। এছাড়া প্রযোজক মহেশ ভাটসহ বহু তারকা এই দর্শনে আকৃষ্ট হন।
  • অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ড ও বিতর্ক: আশ্রমে ডাইনামিক মেডিটেশনের পাশাপাশি নানারকম পশ্চিমা থেরাপি (Psychotherapy, Encounter groups) চালু করা হয়। আশ্রমে মুক্ত মনোভাব ও যৌনতার খোলামেলা চর্চা সমাজের চোখে বিতর্কের জন্ম দেয়।
  • আক্রমণ ও সরকারি পদক্ষেপ: মোরারজি দেশাই সরকারের সাথে আশ্রমের সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং ৫০ লক্ষ ডলারের বকেয়া কর দাবি করে এফআইআর দায়ের করা হয়। ১৯৮০ সালের ২২ মে প্রবচন চলাকালে বিলাস তুপে নামের এক ব্যক্তি ওশোর ওপর ছুরি নিয়ে আক্রমণ চালায়, তবে ওশো অক্ষত থাকেন।

শারীরিক অসুস্থতা ও আইনি চাপের মুখে ওশো মা আনন্দ শীলাকে (শীলা অম্বালাল প্যাটেল) তাঁর ব্যক্তিগত সচিব নিযুক্ত করেন এবং বিদেশে নতুন বিকল্প খোঁজার দায়িত্ব দেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রজনীশপুরম (১৯৮১–১৯৮৫)

[সম্পাদনা]

১৯৮১ সালে রাজনীশ যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। ওরেগন অঙ্গরাজ্যের ওয়াস্কো কাউন্টিতে প্রায় ৬৪,০০০ একর জমিতে প্রায় ৫.৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (তৎকালীন হিসেবে প্রায় ৫ কোটি ভারতীয় রুপি, যা বর্তমান বিনিময় মূল্যে প্রায় ৫০ কোটি রুপি) ব্যয়ে গড়ে তোলা হয় 'রজনীশপুরম' নামক একটি সম্পূর্ণ আধুনিক ও স্বয়ংসম্পন্ন শহর।

  • পরিকাঠামো: রজনীশপুরমে নিজস্ব বিমানবন্দর, আধুনিক হাসপাতাল, বিদ্যুৎ ও সোলার প্ল্যান্ট, ডেস্কো এবং কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়।
  • রোলস রয়েস গাড়ির বহর: অনুসারীদের উপহার হিসেবে পাওয়া প্রায় ৯৩টি বিলাসবহুল রোলস-রয়েস (Rolls-Royce) গাড়ির সংগ্রহ আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। প্রতিদিন তিনি এই গাড়িতে করে অনুসারীদের দর্শন দিতেন।
  • নীরবতা: এই পর্বে ওশো দীর্ঘ তিন বছর সাধারণের সঙ্গে কথা না বলে নীরবতা (Vow of Silence) পালন করেন, যার ফলে আশ্রমের সকল প্রশাসনিক কর্তৃত্ব মা আনন্দ শীলার নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
  • ১৯৮৪ জৈব-সন্ত্রাস হামলা: স্থানীয় ডালস (The Dalles) শহরের নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার ও স্থানীয়দের ভোটদানে বিরত রাখতে মা আনন্দ শীলা ও তাঁর দল স্থানীয় রেস্তোরাঁগুলোর সালাদ বারে 'সালমোনেলা ব্যাক্টেরিয়া' প্রয়োগ করে। ফলে ৭৫১ জনেরও বেশি মানুষ তীব্র বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন, যা মার্কিন ইতিহাসের প্রথম ও বৃহত্তম বায়োটেরর হামলা (Bioterror Attack) হিসেবে নথিভুক্ত।[৮]

পতন ও বহিষ্কার

[সম্পাদনা]

১৯৮৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর মা আনন্দ শীলা ও তাঁর অভ্যন্তরীণ দল আশ্রম ছেড়ে ইউরোপে পালিয়ে যান। পরদিনই ১৯৮৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ওশো দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে এক সংবাদ সম্মেলনে শীলার বিরুদ্ধেই বায়োটেরর হামলা, হত্যার ষড়যন্ত্র এবং আশ্রমে আড়িপাতার অভিযোগ জনসমক্ষে তুলে ধরেন।

১৯৮৫ সালের ২৮ অক্টোবর ওশো একটি ব্যক্তিগত বিমানে আমেরিকা ত্যাগের চেষ্টাকালে গ্রেপ্তার হন। অভিবাসন আইন সংক্রান্ত মামলার সমঝোতার ভিত্তিতে ওশোকে ৪ লক্ষ ডলার (সে সময়ের প্রায় ৫০ লক্ষ ভারতীয় রুপি) জরিমানা করা হয় এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হয়। মার্কিন হস্তক্ষেপে বিশ্বের প্রায় ২১টি দেশ তাঁকে প্রবেশ বা রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানায়।

ভারতে প্রত্যাবর্তন ও দেহাবসান

[সম্পাদনা]

বহু দেশ ঘুরে ১৯৮৭ সালের ৪ জানুয়ারি ওশো পুনরায় ভারতে পুনের আশ্রমে প্রত্যাবর্তন করেন। এই পর্বে তিনি তাঁর নাম হিসেবে 'ওশো' (যা উইলিয়াম জেমসের 'Oceanic' শব্দ থেকে উদ্ভূত) গ্রহণ করেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে মার্কিন কারাগারে থাকাকালীন তাঁকে ধীরগতির বিষ 'থ্যালিয়াম' (Thallium) প্রয়োগ করা হয়েছিল, যার জন্য তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমশ অবনতি হতে থাকে।

১৯৯০ সালের ১৯ জানুয়ারি ৫৮ বছর বয়সে পুনে আশ্রমে ওশোর জীবনাবসান ঘটে। মৃত্যুর নথি ও কারণ নিয়ে কিছু মতভেদ উঠলেও ওশোর ইচ্ছা অনুসারে অনুগামীরা কোনো শোক প্রকাশের পরিবর্তে নৃত্য ও উৎসবের মাধ্যমে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন।

পুনে আশ্রমে ওশোর সমাধিফলকে খোদাই করা রয়েছে তাঁর বিখ্যাত উক্তি:

ওশো // কখনো জন্ম নেননি, কখনো মৃত্যুবরণ করেননি // কেবল ১১ ডিসেম্বর ১৯৩১ থেকে ১৯ জানুয়ারি ১৯৯০ পর্যন্ত এই পৃথিবী গ্রহ ভ্রমণ করেছেন।

— পুনে সমাধিস্থলের স্মৃতিফলক

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]

ওশোর দেওয়া বিভিন্ন প্রবচনের ভিত্তিতে কয়েকশত বই প্রকাশিত হয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:

  • সম্ভোগ সে সমাধি কি ওর (Sex to Superconsciousness)
  • দ্য বুক অব সিক্রেটস (The Book of Secrets)
  • ফ্রম মেডিসিন টু মেডিটেশন (From Medicine to Meditation)
  • ভারত কে প্রাচীন ঋষি
  • দ্য মাস্টার (The Master)

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 Chryssides 1999, পৃ. 206–214
  2. 1 2 Gordon 1987
  3. ↑ Nene, Chhaya (৩০ এপ্রিল ২০১৪)। "Commentary: Chanting 'Osho' and letting go"। The Washington Post। Religion News Service।
  4. ↑ Melton, J. Gordon। "Bhagwan Shree Rajneesh"। Britannica। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২২।
  5. ↑ Carter 1990
  6. ↑ FitzGerald 1986a
  7. ↑ Joshi 1982
  8. ↑ Carus, W. Seth (২০০২)। Bioterrorism and Biocrimes: The Illicit Use of Biological Agents Since 1900। Fredonia Books। আইএসবিএন ৯৭৮-১৪১০১০০২৩৮।