বিষয়বস্তুতে চলুন

ওল্ড ব্লু (রবিন)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

ওল্ড ব্লু (Old Blue) ছিল একটি স্ত্রী চ্যাথাম আইল্যান্ড রবিন (ব্ল্যাক রবিন নামেও পরিচিত)। একসময় সে-ই ছিল এই প্রজাতির একমাত্র উর্বর স্ত্রী পাখি এবং তাকে তার প্রজাতিকে বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচানোর কৃতিত্ব দেওয়া হয়। সে প্রায় ১৩ বছর বেঁচে ছিল।

পটভূমি

[সম্পাদনা]

১৯৭৯ সাল নাগাদ, চ্যাথাম আইল্যান্ড রবিনের সংখ্যা মাত্র পাঁচটিতে এসে দাঁড়িয়েছিল। ১৯৮০ সালে যখন ওয়াইল্ডলাইফ সার্ভিস (Wildlife Service) হস্তক্ষেপ করে, তখন ওল্ড ব্লু-ই ছিল উর্বর ডিম পাড়তে সক্ষম একমাত্র স্ত্রী পাখি।[] তার মাধ্যমেই এই প্রজাতিটি বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল।[] বর্তমানে জীবিত সকল ব্ল্যাক রবিন তারই বংশধর। সে ১৯৭০ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত বেঁচে ছিল।[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৯৮৩ সালে, তাকে রাঙ্গাটিরা দ্বীপ-এ স্থানান্তর করা হয়েছিল, যাতে অন্য প্রজননক্ষম স্ত্রী পাখি, ওল্ড গ্রিন (Old Green), যার সাথে ওল্ড ব্লু-র সরাসরি রক্তের সম্পর্ক ছিল না, সেও বংশবিস্তারের সুযোগ পায় এবং অবশিষ্ট জেনেটিক বৈচিত্র্য রক্ষা করা যায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ওল্ড গ্রিনের কোনো ছানাই প্রজনন বয়স পর্যন্ত বাঁচতে পারেনি। এর ফলে ওল্ড গ্রিনের জিন হারিয়ে যায়। ওল্ড ব্লু তার প্রজননকালে এগারোটি ছানা বড় করতে সক্ষম হয়েছিল। আজকের সকল ব্ল্যাক রবিন পাখিই ওল্ড ব্লু এবং ওল্ড ইয়েলো (Old Yellow) নামক একটি পুরুষ পাখির বংশধর।[] ২০১৩ সালের শুরুর দিকে, চ্যাথাম আইল্যান্ড রবিনের সংখ্যা ছিল প্রায় ২৫০।[] ২০২১ সালের হিসাব অনুযায়ী, এই সংখ্যা প্রায় ৩০০-তে পৌঁছেছে।[]

তার সম্পর্কে মেরি টেইলরের লেখা ওল্ড ব্লু: দ্য রেয়ারেস্ট বার্ড ইন দ্য ওয়ার্ল্ড বইটি ১৯৯৪ সালে নিউজিল্যান্ডের ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ডসে সেরা শিশুতোষ অ-কাল্পনিক বইয়ের পুরস্কার জিতেছিল।[][]

স্মারক

[সম্পাদনা]

তার উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত একটি ফলক চ্যাথাম আইল্যান্ড বিমানবন্দরে স্থাপন করা হয়েছে। সে একমাত্র পাখি, যার মৃত্যুর খবর কোনো দেশের সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল।[]

চলচ্চিত্র

[সম্পাদনা]
  • সেভেন ব্ল্যাক রবিনস – প্রযোজক মাইকেল স্টেডম্যান, ১৯৮১[][১০]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Old Blue | Small forest birds | Te Ara Encyclopedia of New Zealand"teara.govt.nz (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০২৫
  2. #author.fullName}। "Killing with kindness: Conservation's cautionary tale"New Scientist (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০২৫ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |শেষাংশ= প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য)
  3. Screen, NZ On। "Background | The Black Robin - A Chatham Island Story | Television | NZ On Screen"www.nzonscreen.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০২৫
  4. 1 2 Endangered Species Foundation – Black Robin, Petroica traverse, Kakaruai, No longer the world's rarest bird, As luck would have it ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৭ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে
  5. ডিপার্টমেন্ট অব কনজারভেশন
    Te Papa AtawhaiChatham Islands black robin
  6. "Karure / Kakaruia / Chatham Island black robin"www.doc.govt.nz (নিউজিল্যান্ডীয় ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০২৫
  7. Marvin, Garry; McHugh, Susan (১৬ এপ্রিল ২০১৪)। Routledge Handbook of Human-Animal Studies (ইংরেজি ভাষায়)। Routledge। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৬-২৩৭৮৮-১
  8. "Old Blue. The rarest bird in the world by Mary Taylor"natlib.govt.nz। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০২৫
  9. Screen, NZ On। "Background | The Black Robin - A Chatham Island Story | Television | NZ On Screen"www.nzonscreen.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০২৫
  10. Screen, NZ On। "Credits | Seven Black Robins | Television | NZ On Screen"www.nzonscreen.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০২৫