ওয়েসেক্সের প্রথম এথেলরেড
| প্রথম এথেলরেড | |
|---|---|
চতুর্দশ শতাব্দীর শুরুর দিকের জিনিয়ালজিক্যাল রোল অব দ্য কিংস অব ইংল্যান্ড-এ চিত্রিত এথেলরেড | |
| ওয়েসেক্সের রাজা | |
| রাজত্ব | ৮৬৫–৮৭১ |
| পূর্বসূরি | এথেলবার্ট |
| উত্তরসূরি | আলফ্রেড |
| জন্ম | ৮৪৫/৮৪৮ ওয়েসেক্স, ইংল্যান্ড |
| মৃত্যু | ৮৭১-এর এপ্রিলের শেষ দিকে (বয়স ২৩–২৬) |
| সমাধি | উইমবোর্ন মিনস্টার, ডরসেট |
| দাম্পত্য সঙ্গী | উলফথ্রিথ |
| বংশধর | |
| রাজবংশ | ওয়েসেক্স |
| পিতা | এথেলউলফ |
| মাতা | ওজবার |
প্রথম এথেলরেড (বিকল্প বানান: এথেলরেড, ইথেলরেড; প্রাচীন ইংরেজি: Æthel-ræd;[১] ৮৪৫/৮৪৮ – ৮৭১) ৮৬৫ সাল থেকে ৮৭১ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত ওয়েসেক্সের রাজা ছিলেন। তিনি রাজা এথেলউলফের পাঁচ পুত্রের মধ্যে চতুর্থ ছিলেন, যাঁদের মধ্যে চারজন পর্যায়ক্রমে রাজা হন। এথেলরেড তাঁর বড় ভাই এথেলবার্টের স্থলাভিষিক্ত হন এবং তাঁর পর তাঁর ছোট ভাই আলফ্রেড দ্য গ্রেট সিংহাসনে বসেন। এথেলরেডের এথেলহেল্ম ও এথেলউওল্ড নামে দুই পুত্র ছিল। পিতার মৃত্যুর সময় তাঁরা অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাঁদের সিংহাসনের উত্তরাধিকার থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে এথেলউওল্ড আলফ্রেডের পুত্র ও উত্তরসূরি এডওয়ার্ড দ্য এল্ডারের সাথে সিংহাসন নিয়ে বিবাদে লিপ্ত হলেও ব্যর্থ হন।
এথেলরেডের সিংহাসন আরোহণ ছিল ইংল্যান্ডে ভাইকিংদের গ্রেট হিদান আর্মির আগমনের সমসাময়িক। পরবর্তী পাঁচ বছরে ভাইকিংরা নর্থাম্বরিয়া ও পূর্ব অ্যাংলিয়া জয় করে এবং ৮৭০ সালের শেষে তারা ওয়েসেক্সের ওপর পূর্ণ মাত্রায় আক্রমণ শুরু করে। ৮৭১ সালের জানুয়ারির শুরুর দিকে রিডিংয়ের যুদ্ধে এথেলরেড পরাজিত হন। চার দিন পর তিনি অ্যাশডাউনের যুদ্ধে জয়লাভ করলেও পরবর্তীতে বেসিং ও মেরিটনের যুদ্ধে পরাজিত হন। ইস্টারের কিছুদিন পরেই তাঁর মৃত্যু হয়। আলফ্রেড ভাইকিংদের অর্থ দিয়ে বিদায় করতে বাধ্য হন, কিন্তু সাত বছর পর এডিংটনের যুদ্ধে তিনি তাদের বিরুদ্ধে এক চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেন।
অ্যাংলো-স্যাক্সন মুদ্রার ইতিহাসে এথেলরেডের শাসনকাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি যখন রাজা হন, তখন ওয়েসেক্স ও মার্সিয়া ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিল। তিনি মার্সিয়ান 'লুনেট' নকশা গ্রহণ করার মাধ্যমে এই মৈত্রী আরও জোরদার করেন, যা প্রথমবারের মতো দক্ষিণ ইংল্যান্ডের জন্য একটি অভিন্ন মুদ্রার নকশা তৈরি করে। এই অভিন্ন নকশাটি পরবর্তী ষাট বছরের মধ্যে ইংল্যান্ডের একত্রীকরণ এবং এক শতাব্দী পরে রাজা শান্তপ্রিয় এডগারের মুদ্রা সংস্কারের পূর্বাভাস দিয়েছিল।
পটভূমি
[সম্পাদনা]এথেলরেডের পিতামহ এগবার্ট ৮০২ সালে ওয়েসেক্সের রাজা হন। ঐতিহাসিক রিচার্ড অ্যাবেলস মনে করেন যে, সমসাময়িকদের কাছে এগবার্ট একটি স্থায়ী রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন—এমনটা খুব একটা সম্ভব বলে মনে হয়নি। কারণ বিগত দুইশ বছর ধরে তিনটি পরিবার ওয়েসেক্সের সিংহাসনের জন্য লড়াই করছিল এবং কোনো পুত্রই তাঁর পিতার পর রাজা হতে পারছিলেন না। ষষ্ঠ শতাব্দীর শেষের দিকে সোলিনের পর এগবার্টের কোনো পূর্বপুরুষ ওয়েসেক্সের রাজা হননি, তবে তাঁকে ওয়েসেক্স রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা সার্ডিকের পিতৃবংশীয় বংশধর বলে বিশ্বাস করা হতো।[ক] এর ফলে এগবার্ট একজন এথেলিং বা সিংহাসনের যোগ্য রাজকুমার হিসেবে বিবেচিত হন। কিন্তু এগবার্টের শাসনের পর, কেবলমাত্র সার্ডিকের বংশধর হওয়াই কোনো ব্যক্তির এথেলিং হওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল না। ৮৩৯ সালে এগবার্ট মারা গেলে তাঁর পুত্র এথেলউলফ স্থলাভিষিক্ত হন; পরবর্তী সকল ওয়েসেক্সীয় রাজা ছিলেন এগবার্টের বংশধর এবং তাঁরাও রাজপুত্র ছিলেন।[৪]

নবম শতাব্দীর শুরুতে ইংল্যান্ড প্রায় পুরোপুরি অ্যাংলো-স্যাক্সনদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। মিডল্যান্ড রাজ্য মার্সিয়া দক্ষিণ ইংল্যান্ডে আধিপত্য বিস্তার করেছিল, কিন্তু ৮২৫ সালে এলেনডুনের যুদ্ধে এগবার্টের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হলে তাদের আধিপত্য শেষ হয়ে যায়।[৫] এই দুই রাজ্য মিত্রে পরিণত হয়, যা ভাইকিং আক্রমণ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।[৬] ৮৫৩ সালে মার্সিয়ার রাজা বার্গ্রেড একটি ওয়েলশ বিদ্রোহ দমনে ওয়েসেক্সের সাহায্য চান এবং এথেলউলফ একটি যৌথ অভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে সফল হন। একই বছর বার্গ্রেড এথেলউলফের কন্যা এথেলসউইথকে বিয়ে করেন।[৭]
৮২৫ সালে এগবার্ট মার্সিয়ার অধীনস্থ রাজ্য কেন্ট আক্রমণ করতে এথেলউলফকে পাঠান এবং এর কিছুকাল পরেই উপ-রাজা বালড্রেডকে বিতাড়িত করা হয়। ৮৩০ সালের মধ্যে এসেক্স, সারে ও সাসেক্সও এগবার্টের কাছে নতি স্বীকার করে এবং তিনি এথেলউলফকে কেন্টের রাজা হিসেবে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলগুলো শাসনের দায়িত্ব দেন।[৮] ৮৩৫ সালে ভাইকিংরা আইল অব শেপি তছনছ করে এবং পরের বছর সমারসেটের ক্যারহ্যাম্পটনে এগবার্টকে পরাজিত করে,[৯] কিন্তু ৮৩৮ সালে হিংস্টন ডাউনের যুদ্ধে তিনি কর্নিশ ও ভাইকিংদের সম্মিলিত বাহিনীর বিরুদ্ধে জয়লাভ করেন এবং কর্নওয়ালকে একটি মিত্র রাজ্যে পরিণত করেন।[১০] এথেলউলফ সিংহাসনে বসার পর তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র এথেলস্টানকে (যিনি ৮৫০-এর দশকের শুরুতে মারা যান) কেন্টের উপ-রাজা হিসেবে নিযুক্ত করেন।[১১] এগবার্ট এবং এথেলউলফ হয়তো ওয়েসেক্স ও কেন্টের মধ্যে স্থায়ী ইউনিয়ন বা সংযুক্তি চাননি, কারণ তাঁরা উভয়ই তাঁদের পুত্রদের উপ-রাজা হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন এবং সনদেও ভিন্ন ভিন্ন সাক্ষীর উপস্থিতি ছিল; তবে উভয় রাজাই সামগ্রিক নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতেন এবং উপ-রাজাদের নিজস্ব মুদ্রা চালুর অনুমতি ছিল না।[১২]
৮৪০-এর দশকের শুরুতে ইংলিশ চ্যানেলের উভয় পাশে ভাইকিংদের আক্রমণ বৃদ্ধি পায় এবং ৮৪৩ সালে ক্যারহ্যাম্পটনে এথেলউলফ পরাজিত হন।[১১] ৮৫০ সালে এথেলস্টান স্যান্ডউইচ উপকূলে একটি ডেনিশ নৌবহরকে পরাজিত করেন, যা ছিল ইংরেজ ইতিহাসের প্রথম নথিভুক্ত নৌযুদ্ধ।[১৩] ৮৫১ সালে এথেলউলফ এবং তাঁর দ্বিতীয় পুত্র এথেলবল্ড অ্যাক্লিয়ার যুদ্ধে ভাইকিংদের পরাজিত করেন এবং অ্যাংলো-স্যাক্সন ক্রনিকল অনুসারে, "সেখানে তারা বিধর্মী আক্রমণকারী বাহিনীর ওপর এমন হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল যা বর্তমান দিন পর্যন্ত আর শোনা যায়নি, এবং জয়লাভ করেছিল"।[১৪] ৮৫৮ সালে এথেলউলফ মারা যান এবং তাঁর জীবিত জ্যেষ্ঠ পুত্র এথেলবল্ড ওয়েসেক্সের রাজা হিসেবে এবং তার পরের পুত্র এথেলবার্ট কেন্টের রাজা হিসেবে স্থলাভিষিক্ত হন। এথেলবল্ড তাঁর পিতার মৃত্যুর মাত্র দুই বছর পর মারা যান এবং এর ফলে এথেলবার্ট প্রথমবারের মতো ওয়েসেক্স ও কেন্টকে একটি একক রাজ্যে পরিণত করেন।[১৫]
প্রাথমিক জীবন
[সম্পাদনা]
এথেলরেড ছিলেন রাজা এথেলউলফের পাঁচ পুত্রের মধ্যে চতুর্থ। তাঁর মা ওজবার ছিলেন ওয়েসেক্সীয় রাজবংশের বংশধর। ঐতিহাসিক শন মিলারের মতে, এথেলরেড সম্ভবত তাঁর ছোট ভাই এবং ভবিষ্যৎ আলফ্রেড দ্য গ্রেটের চেয়ে এক বছরের বড় ছিলেন, যার জন্ম ৮৪৮–৯ সালে;[১৬] তবে রিচার্ড অ্যাবেলস বলেন যে ৮৫৩ সালে এথেলরেডের বয়স ছিল প্রায় আট বছর, যার অর্থ তাঁর জন্ম ৮৪৫ সালের দিকে।[১৭] ৮৯০-এর দশকে লেখা অ্যাংলো-স্যাক্সন ক্রনিকল-এর পাণ্ডুলিপি এ-তে উল্লেখ আছে যে, ৮৫৩ সালে আলফ্রেডকে তাঁর পিতা রোমে পাঠিয়েছিলেন এবং পোপ তাঁকে রাজা হিসেবে অভিষিক্ত করেছিলেন। ঐতিহাসিকরা বিশ্বাস করেন না যে এত কম বয়সে তাঁকে রাজা হিসেবে অভিষিক্ত করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানের প্রকৃত ধরনটি পোপ চতুর্থ লিও-র এথেলউলফের কাছে লেখা একটি চিঠির উদ্ধৃতি থেকে ব্যাখ্যা করা যায়, যেখানে লেখা আছে যে তিনি আলফ্রেডকে "আধ্যাত্মিক পুত্র হিসেবে ভূষিত করেছেন এবং কনস্যুলেটের কোমরবন্ধ ও পোশাকের মর্যাদা দিয়েছেন, যা রোমান কনসালদের ক্ষেত্রে প্রচলিত"। ইতালির ব্রেসিয়া-র সান সালভাতোর-এর সমসাময়িক লিবার ভিটা (ভ্রাতৃত্বের বই) গ্রন্থে এথেলরেড ও আলফ্রেড উভয়ের নামই পাওয়া যায়, যা নির্দেশ করে যে দুই ভাইই রোমে গিয়েছিলেন। এটি সম্ভব যে এথেলরেডকেও পোপ সম্মানিত করেছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে সেই অনুষ্ঠানটিকে কেবল আলফ্রেডের মহত্ত্বের পূর্বাভাস হিসেবে দেখা হয় এবং পরবর্তী লেখকরা এথেলরেডের উপস্থিতির কথা নথিভুক্ত করতে আগ্রহী ছিলেন না।[১৮]
এথেলরেড ৮৫৪ সালে প্রথমবার তাঁর পিতার সনদে ফিলিয়াস রেজিস (রাজপুত্র) হিসেবে স্বাক্ষর করেন এবং ৮৬৫ সালে সিংহাসনে বসার আগে পর্যন্ত এই উপাধি ব্যবহার করতেন। তিনি সিংহাসনে বসার আগে একজন উপ-রাজা হিসেবেও কাজ করে থাকতে পারেন, কারণ ৮৬২ ও ৮৬৩ সালে তিনি 'পশ্চিম স্যাক্সনদের রাজা' হিসেবে নিজস্ব সনদ জারি করেছিলেন। এটি অবশ্যই তাঁর বড় ভাই রাজা এথেলবার্টের অনুপস্থিতিতে বা ডেপুটি হিসেবে হয়েছিল, কারণ তাঁদের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্বের রেকর্ড নেই এবং তিনি ৮৬৪ সালেও তাঁর ভাইয়ের সনদে রাজপুত্র হিসেবে স্বাক্ষর অব্যাহত রাখেন।[১৯][খ]
শাসনকাল
[সম্পাদনা]বেসামরিক শাসন
[সম্পাদনা]
৮৬৫ সালে এথেলবার্টের মৃত্যুর পর এথেলরেড সিংহাসনে বসেন এবং অজ্ঞাত কোনো এক সময়ে তিনি উলফথ্রিথকে বিয়ে করেন। নবম শতাব্দীতে ওয়েসেক্সের রাজাদের স্ত্রীদের মর্যাদা ছিল বেশ কম এবং তাঁদের সম্পর্কে খুব কমই জানা যায়। সাধারণত তাঁদের (রানি) উপাধি দেওয়া হতো না। এথেলরেডের স্ত্রীর নাম জানা যায় কারণ ৮৬৮ সালের একটি সনদ (এস ৩৪০)-এ তাঁকে উলফথ্রিথ রেজিনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা নির্দেশ করে যে অন্যান্য রাজপত্নীদের তুলনায় তাঁর মর্যাদা বেশি ছিল। উলফথ্রিথ ও এথেলরেডের দুই পুত্র ছিল—এথেলহেল্ম ও এথেলউওল্ড।[২৪][গ]
আলফ্রেড তাঁর উইলের প্রস্তাবনায় উল্লেখ করেছেন যে, এথেলউলফ তাঁর তিন পুত্র—এথেলবল্ড, এথেলরেড ও আলফ্রেডের জন্য যৌথভাবে সম্পত্তি রেখে গিয়েছিলেন, এই শর্তে যে যে ভাই সবচেয়ে বেশি দিন বাঁচবেন তিনি সব সম্পত্তির মালিক হবেন। এথেলরেড যখন রাজা হলেন, আলফ্রেড তাঁর কাছে সম্পত্তির অংশ চাইলে এথেলরেড জানান যে এটি ভাগ করা কঠিন এবং তিনি তাঁর মৃত্যুর পর পুরোটিই আলফ্রেডকে দিয়ে যাবেন। কিছু ঐতিহাসিক মনে করেন এই সম্পত্তি রাজার মর্যাদার সাথে যুক্ত ছিল এবং এটি পর্যায়ক্রমে ভাইদের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা ছিল।[২৬] ৮৭১ সালে এথেলরেডের মৃত্যুর পর তাঁর শিশু পুত্রদের সমর্থকরা আলফ্রেডের সম্পত্তির অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন, কিন্তু আলফ্রেড তাঁর পিতার উইল দেখিয়ে প্রমাণ করেন যে তিনি আইনিভাবেই সব সম্পত্তির অধিকারী।
ভাইকিং আক্রমণ
[সম্পাদনা]
এথেলরেড সিংহাসনে বসার বছরই ইংল্যান্ডে ভাইকিং আক্রমণের ধরন আমূল বদলে যায়। আগে যেখানে বিক্ষিপ্ত অভিযান হতো, এখন তা এক বিশাল আক্রমণের রূপ নেয় যার লক্ষ্য ছিল রাজ্য জয় ও বসতি স্থাপন। ভাইকিংদের এক বিশাল বাহিনী, যা সমসাময়িকদের কাছে গ্রেট হিদান আর্মি নামে পরিচিত ছিল, পূর্ব অ্যাংলিয়ায় এসে পৌঁছায়। রাজা এডমুন্ড কর প্রদানের মাধ্যমে শান্তি ক্রয় করেন এবং ভাইকিংরা সেখানে এক বছর অবস্থান করে শক্তি সঞ্চয় করে। এরপর তারা ইয়র্ক দখল করে এবং নর্থাম্বরিয়া জয় করে। ৮৬৭ সালের শেষের দিকে তারা মার্সিয়ার নটিংহাম দখল করলে মার্সিয়ার রাজা বার্গ্রেড এথেলরেডের সাহায্য প্রার্থনা করেন। এথেলরেড ও আলফ্রেড এক বিশাল বাহিনী নিয়ে নটিংহাম অবরোধ করলেও ভাইকিংরা শহরের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ছেড়ে বের হতে রাজি হয়নি। শেষ পর্যন্ত বার্গ্রেড তাদের অর্থ দিয়ে বিদায় করেন।[২৭]
৮৭০ সালের ডিসেম্বরে ভাইকিংরা রাজা ব্যাগসেগ ও হাফদানের নেতৃত্বে ওয়েসেক্স জয়ের উদ্দেশ্যে আক্রমণ শুরু করে। তারা ৮৭১ সালের ৪ জানুয়ারি রিডিংয়ের যুদ্ধে এথেলরেড ও আলফ্রেডকে পরাজিত করে। তবে চার দিন পর অ্যাশডাউনের যুদ্ধে স্যাক্সনরা জয়লাভ করে। যুদ্ধে রাজা ব্যাগসেগ এবং পাঁচজন ভাইকিং আর্ল নিহত হন। আসেরের বর্ণনা অনুযায়ী, যুদ্ধের সময় এথেলরেড তাঁর তাঁবুতে বসে প্রার্থনা বা মাস করছিলেন এবং প্রার্থনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি যুদ্ধক্ষেত্রে যেতে অস্বীকার করেন। এদিকে আলফ্রেড বাধ্য হয়ে একাই আক্রমণ শুরু করেন এবং শেষ পর্যন্ত জয়ী হন।[২৮] তবে এই জয় ছিল ক্ষণস্থায়ী। এর দুই সপ্তাহ পর বেসিংয়ের যুদ্ধে এবং পরবর্তীতে মেরিটনের যুদ্ধে স্যাক্সনরা পরাজিত হয়।
মুদ্রা ব্যবস্থা
[সম্পাদনা]অষ্টম ও নবম শতাব্দীর শেষের দিকে দক্ষিণ ইংল্যান্ডে প্রচলিত মুদ্রার একমাত্র ধরন ছিল রৌপ্য পেনি।[২৯] মুদ্রাবিজ্ঞানী অ্যাড্রিয়ান লায়ন্স এবং উইলিয়াম ম্যাকে এথেলরেডের শাসনকালকে "ইংরেজ মুদ্রার বিবর্তনের একটি সন্ধিক্ষণ" হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি তাঁর মুদ্রায় মার্সিয়ার রাজা বার্গ্রেডের নকশা গ্রহণ করেন, যা প্রথমবারের মতো সমগ্র দক্ষিণ ইংল্যান্ডে একটি অভিন্ন মুদ্রার নকশা চালু করে।[৩০] ঐতিহাসিক ররি নেইস্মিথ মন্তব্য করেন যে, এথেলরেড স্থানীয় ঐতিহ্যের পরিবর্তে সমসাময়িক মার্সিয়ার 'লুনেট' নকশা গ্রহণ করার মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। মুদ্রার এই অভিন্ন নকশা দুই রাজ্যের মধ্যে অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং ভাইকিংদের বিরুদ্ধে সামরিক জোটকে আরও শক্তিশালী করেছিল।
মৃত্যু ও পরবর্তী অবস্থা
[সম্পাদনা]৮৭১ সালের ইস্টারের কিছুদিন পরেই (সেই বছর ১৫ এপ্রিল ইস্টার ছিল) এথেলরেড মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে ডরসেটের উইমবোর্ন মিনস্টারে সমাধিস্থ করা হয়।[৩১] এথেলরেডের মৃত্যুর পর তাঁর ভাই আলফ্রেড রাজা হন, কারণ এথেলরেডের পুত্ররা তখন অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিল। আলফ্রেডকে ভাইকিংদের সাথে দীর্ঘকাল যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হয় এবং অবশেষে ৮৭৮ সালে এডিংটনের যুদ্ধে তিনি চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেন।[৩২]
এথেলরেডের বংশধররা দশম ও একাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে দেশ শাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন ঐতিহাসিক এথেলউয়ার্ড, যিনি উল্লেখ করেছেন যে তিনি এথেলরেডের প্রপ্রপৌত্র ছিলেন। এথেলরেডের পরিবার শেষ পর্যন্ত ১০১৬ সালে কানুটের ইংল্যান্ড জয়ের পর তাদের ক্ষমতা ও সম্পদ হারায়। কানুটের শাসনামলে এথেলরেডের পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য মৃত্যুদণ্ড বা নির্বাসনের শিকার হন।[৩৩]
টীকা
[সম্পাদনা]- ↑ ঐতিহাসিকরা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যে, সার্ডিকের সাথে এগবার্টের বংশলতিকাটি হয়তো তাঁর ওয়েসেক্সের সিংহাসন দখলকে বৈধতা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল,[২] এবং সামগ্রিকভাবে সার্ডিক আদৌ কোনো বাস্তব ব্যক্তি ছিলেন কি না বা সার্ডিকের গল্পটি একটি "প্রতিষ্ঠা পুরাণ" কি না তা নিয়েও প্রশ্ন আছে।[৩]
- ↑ এথেলরেড প্রথম যে সনদে সাক্ষী হিসেবে ছিলেন তা হলো ৮৫৪ সালের এস ৩০৮।[২০] তিনি ৮৬২ সালে এস ৩৩৫ এবং ৮৬৩ সালে এস ৩৩৬ সনদগুলো পশ্চিম স্যাক্সনদের রাজা হিসেবে জারি করেন। তিনি ৮৬৪ সালে রাজা এথেলবার্ট কর্তৃক জারি করা এস ৩৩৩ সনদে রাজপুত্র হিসেবে স্বাক্ষর করেন। সাইমন কেইনস এস ৩৩৫ ও এস ৩৩৬-এর সত্যতা সমর্থন করেন।[২১] "S" বলতে অ্যাংলো-স্যাক্সন সনদের সয়ার ক্যাটালগের সংখ্যাকে বোঝায়।
- ↑ এথেলরেডের হয়তো তৃতীয় এক পুত্র ছিল যার নাম অসওয়াল্ড, যে ৮৬৮ সালের দুটি সনদে রাজপুত্র হিসেবে স্বাক্ষর করেছিল। তবে জ্যানেট নেলসন এটি প্রত্যাখ্যান করেছেন কারণ আলফ্রেডের উইলে কেবল এথেলহেল্ম ও এথেলউওল্ডের নাম উল্লেখ আছে।[২৫]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Keynes 2004।
- ↑ Edwards 2004।
- ↑ Yorke 2004।
- ↑ Abels 2002, pp. 84–85; Dumville 1979, pp. 17–18; Yorke 1990, pp. 142–43, 148–49.
- ↑ Keynes 1995, পৃ. 28, 39–41।
- ↑ Abels 1998, পৃ. 28–29।
- ↑ Kirby 2000, পৃ. 161।
- ↑ Keynes 1993, pp. 120–21; Kirby 2000, pp. 155–56.
- ↑ Edwards 2004; Kirby 2000, p. 171.
- ↑ Charles-Edwards 2013, পৃ. 431।
- 1 2 Nelson 2004।
- ↑ Abels 1998, পৃ. 31।
- ↑ Stenton 1971, পৃ. 244।
- ↑ Swanton 2000, পৃ. 64।
- ↑ Abels 1998, পৃ. 89–94।
- ↑ Miller 2004।
- ↑ Abels 1998, পৃ. 67 n. 57।
- ↑ Nelson 2004; Keynes and Lapidge 1983, pp. 69, 232; Swanton 2000, pp. xxi, 64; Whitelock 1955, p. 810 (no. 219).
- ↑ Miller 2004; Abels 1998, p. 50.
- ↑ Abels 1998, পৃ. 50।
- ↑ Keynes 1994, পৃ. 1124–30।
- ↑ Brooks and Kelly 2013, পৃ. 772।
- ↑ Smyth 1995, পৃ. 386।
- ↑ Keynes and Lapidge 1983, pp. 71, 235–36, n. 28; Yorke 2001, p. 31.
- ↑ Nelson 1996, পৃ. 59।
- ↑ Abels 2002, pp. 90–91; Keynes and Lapidge 1983, pp. 174–75, 314–15, n. 3; Wormald 2001, pp. 268–70.
- ↑ Abels 1998, পৃ. 114–20।
- ↑ Abels 1998, pp. 129–31; Peddie 1989, pp. 82–88; Beaven 1918, p. 334.
- ↑ Naismith 2012, পৃ. 203।
- ↑ Lyons and Mackay 2007, পৃ. 71–72, 77, 98–99।
- ↑ Yorke 1995, p. 187; Thacker 2001, p. 250.
- ↑ Wormald 2006।
- ↑ Yorke 1995, পৃ. 100–01, 141–42।
গ্রন্থপঞ্জি
[সম্পাদনা]- Abels, Richard (১৯৯৮)। Alfred the Great: War, Kingship and Culture in Anglo-Saxon England। Harlow, UK: Longman। আইএসবিএন ০-৫৮২-০৪০৪৭-৭।
- Abels, Richard (২০০২)। "Royal Succession and the Growth of Political Stability in Ninth-Century Wessex"। The Haskins Society Journal: Studies in Medieval History। ১২: ৮৩–৯৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৪৩৮৩-০০৮-৫।
- Beaven, Murray (জুলাই ১৯১৮)। "The Beginning of the Year in the Alfredian Chronicle (866–87)"। English Historical Review। ৩৩ (131): ৩২৮–৪২। ডিওআই:10.1093/ehr/XXXIII.CXXXI.328।
- Blackburn, M. A. S. (২০১৪)। "Coinage"। Lapidge, Michael; Blair, John; Keynes, Simon; Scragg, Donald (সম্পাদকগণ)। The Wiley Blackwell Encyclopedia of Anglo-Saxon England (Second সংস্করণ)। Chichester, UK: Blackwell Publishing। পৃ. ১১৫–১৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪৭০-৬৫৬৩২-৭।
- Bouchard, Constance (১৯৮১)। "Consanguinity and Noble Marriages in the Tenth and Eleventh Centuries"। Speculum। ৫৬ (2): ২৬৮–৮৭। ডিওআই:10.2307/2846935। আইএসএসএন 0038-7134। জেস্টোর 2846935। পিএমআইডি 11610836। এস২সিআইডি 38717048।
- Brooks, N. P.; Kelly, S. E., সম্পাদকগণ (২০১৩)। Charters of Christ Church Canterbury Part 2। Oxford, UK: Oxford University Press for the British Academy। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৭২৬৫৩৬-৯।
- Charles-Edwards, T. M. (২০১৩)। Wales and the Britons 350–1064। Oxford, UK: Oxford University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৮২১৭৩১-২।
- Dumville, David (১৯৭৯)। "The ætheling: a study in Anglo-Saxon constitutional history"। Anglo-Saxon England। ৮: ১–৩৩। ডিওআই:10.1017/s026367510000301x। এস২সিআইডি 159954001।
- Edwards, Heather (২০০৪)। "Ecgberht [Egbert] (d. 839)"। Oxford Dictionary of National Biography। Oxford University Press। ডিওআই:10.1093/ref:odnb/8581। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৮৬১৪১২-৮। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। (সাবস্ক্রিপশন বা যুক্তরাজ্যের গণগ্রন্থাগারের সদস্যপদ প্রয়োজন)
- Hollis, Stephanie (১৯৯২)। Anglo-Saxon Women and the Church। Woodbridge, UK: Boydell। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৫১১৫-৩১৭-৯।
- Kelly, Susan (২০০৪)। "Burgred [Burhred] (d. 874?)"। Oxford Dictionary of National Biography। Oxford University Press। ডিওআই:10.1093/ref:odnb/4018। সংগ্রহের তারিখ ৩ মার্চ ২০১৯। (সাবস্ক্রিপশন বা যুক্তরাজ্যের গণগ্রন্থাগারের সদস্যপদ প্রয়োজন)
- Keynes, Simon; Lapidge, Michael, সম্পাদকগণ (১৯৮৩)। Alfred the Great: Asser's Life of King Alfred & Other Contemporary Sources। London: Penguin Classics। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৪-০৪৪৪০৯-৪।
- Keynes, Simon (১৯৯৩)। "The Control of Kent in the Ninth Century"। Early Medieval Europe। ২ (2): ১১১–৩১। ডিওআই:10.1111/j.1468-0254.1993.tb00013.x। আইএসএসএন 1468-0254।
- Keynes, Simon (নভেম্বর ১৯৯৪)। "The West Saxon Charters of King Æthelwulf and his sons"। English Historical Review। ১০৯: ১০০৯–৪৯। আইএসএসএন 0013-8266।
- Keynes, Simon (১৯৯৫)। "England, 700–900"। McKitterick, Rosamond (সম্পাদক)। The New Cambridge Medieval History। খণ্ড II। Cambridge, UK: Cambridge University Press। পৃ. ১৮–৪২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-৩৬২৯২-৪।
- Keynes, Simon (২০০৪)। "Æthelred II [Ethelred; known as Ethelred the Unready] (c. 966x8–1016)"। Oxford Dictionary of National Biography। Oxford University Press। ডিওআই:10.1093/ref:odnb/8915। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৮৬১৪১২-৮। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২০। (সাবস্ক্রিপশন বা যুক্তরাজ্যের গণগ্রন্থাগারের সদস্যপদ প্রয়োজন)
- Kirby, D. H. (২০০০)। The Earliest English Kings (Revised সংস্করণ)। London: Routledge। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫-২৪২১১-০।
- Lavelle, Ryan (২০০৯)। "The Politics of Rebellion: The Aetheling Aethelwold and West Saxon Royal Succession, 899–902"। Skinner, Patricia (সম্পাদক)। Challenging the Boundaries of Medieval History: The Legacy of Timothy Reuter। Turnhout, Belgium: Brepols। পৃ. ৫১–৮০। আইএসবিএন ৯৭৮-২-৫০৩-৫২৩৫৯-০।
- Lyons, Adrian W.; Mackay, William A. (২০০৭)। "The Coinage of Æthelred I (865–871)"। British Numismatic Journal। ৭৭: ৭১–১১৮। আইএসএসএন 0143-8956।
- Mason, Emma (২০০৪)। "Æthelnoth (d. 1038)"। Oxford Dictionary of National Biography। Oxford University Press। ডিওআই:10.1093/ref:odnb/8912। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৮৬১৪১২-৮। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জানুয়ারি ২০২০। (সাবস্ক্রিপশন বা যুক্তরাজ্যের গণগ্রন্থাগারের সদস্যপদ প্রয়োজন)
- Miller, Sean (২০০৪)। "Æthelred [Ethelred] I (d. 871)"। Oxford Dictionary of National Biography। Oxford University Press। ডিওআই:10.1093/ref:odnb/8913। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৮৬১৪১২-৮। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০১৯। (সাবস্ক্রিপশন বা যুক্তরাজ্যের গণগ্রন্থাগারের সদস্যপদ প্রয়োজন)
- Naismith, Rory (২০১২)। Money and Power in Anglo-Saxon England: The Southern English Kingdoms, 757–965। Cambridge, UK: Cambridge University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১০৭-৬৬৯৬৯-৭।
- Nelson, Janet (১৯৮৬)। "'A King Across the Sea': Alfred in Continental Perspective"। Transactions of the Royal Historical Society। ৩৬: ৪৫–৬৮। ডিওআই:10.2307/3679059। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৬১৯৩-১০৯-৫। জেস্টোর 3679059। এস২সিআইডি 159863670।
- Nelson, Janet (১৯৯৬)। "Reconstructing a Royal Family: Reflections on Alfred from Asser, Chapter 2"। Wood, Ian; Lund, Niels (সম্পাদকগণ)। People and Places in Northern Europe 500–1600: Essays in Honour of Peter Hayes Sawyer। Woodbridge, UK: Boydell Press। পৃ. ৪৮–৬৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০৮৫১১৫৫৪৭০।
- Nelson, Janet (২০০৪)। "Æthelwulf (d. 858)"। Oxford Dictionary of National Biography। Oxford University Press। ডিওআই:10.1093/ref:odnb/8921। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৮৬১৪১২-৮। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০১৯। (সাবস্ক্রিপশন বা যুক্তরাজ্যের গণগ্রন্থাগারের সদস্যপদ প্রয়োজন)
- Peddie, John (১৯৮৯)। Alfred the Good Soldier। Bath, UK: Millstream Books। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৯৪৮৯৭৫-১৯-৬।
- Smyth, Alfred P. (১৯৯৫)। King Alfred the Great। Oxford, UK: Oxford University Press। আইএসবিএন ০-১৯-৮২২৯৮৯-৫।
- Stafford, Pauline (২০০৩)। "Succession and Inheritance: a Gendered Perspective on Alfred's Family History"। Reuter, Timothy (সম্পাদক)। Alfred the Great। Aldershot, UK: Ashgate। পৃ. ২৫১–৬৪। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৮-২৪৮৩০-৪।
- Stenton, Frank M. (১৯৭১)। Anglo-Saxon England (3rd সংস্করণ)। Oxford: Oxford University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-২৮০১৩৯-৫।
- Swanton, Michael, সম্পাদক (২০০০)। The Anglo-Saxon Chronicles। London: Phoenix। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৪২১২-০০৩-৩।
- Thacker, Alan (২০০১)। "Dynastic Monasteries and Family Cults"। Higham, N. J.; Hill, D. H. (সম্পাদকগণ)। Edward the Elder 899–924। Abingdon, UK: Routledge। পৃ. ২৪৮–৬৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫-২১৪৯৭-১।
- Whitelock, Dorothy, সম্পাদক (১৯৫৫)। English Historical Documents c. 500–1042। খণ্ড ১। London: Eyre & Spottiswoode। ওসিএলসি 907945796।
- Wormald, Patrick (২০০১)। "Kingship and Royal Property from Æthelwulf to Edward the Elder"। Higham, N. J.; Hill, D. H. (সম্পাদকগণ)। Edward the Elder 899–924। Abingdon, UK: Routledge। পৃ. ২৬৪–৭৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫-২১৪৯৭-১।
- Wormald, Patrick (২০০৬)। "Alfred [Ælfred] (848/9–899)"। Oxford Dictionary of National Biography। Oxford University Press। ডিওআই:10.1093/ref:odnb/183। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৮৬১৪১২-৮। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। (সাবস্ক্রিপশন বা যুক্তরাজ্যের গণগ্রন্থাগারের সদস্যপদ প্রয়োজন)
- Yorke, Barbara (১৯৯০)। Kings and Kingdoms of Early Anglo-Saxon England। London: Routledge। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫-১৬৬৩৯-৩।
- Yorke, Barbara (১৯৯৫)। Wessex in the Early Middle Ages। London: Leicester University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭১৮৫-১৮৫৬-১।
- Yorke, Barbara (১৯৯৭)। "Æthelwold and the Politics of the Tenth Century"। Yorke, Barbara (সম্পাদক)। Bishop Æthelwold: His Career and Influence (reprint সংস্করণ)। Woodbridge, UK: The Boydell Press। পৃ. ৬৫–৮৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৫১১৫-৭০৫-৪।
- Yorke, Barbara (২০০১)। "Edward as Ætheling"। Higham, N. J.; Hill, D. H. (সম্পাদকগণ)। Edward the Elder 899–924। Abingdon, UK: Routledge। পৃ. ২৫–৩৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫-২১৪৯৭-১।
- Yorke, Barbara (২০০৪)। "Cerdic (fl. 6th cent.)"। Oxford Dictionary of National Biography। Oxford University Press। ডিওআই:10.1093/ref:odnb/5003। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৮৬১৪১২-৮। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০। (সাবস্ক্রিপশন বা যুক্তরাজ্যের গণগ্রন্থাগারের সদস্যপদ প্রয়োজন)
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]ওয়েসেক্সের প্রথম এথেলরেড জন্ম: আনু. ৮৪৫/৮৪৮ মৃত্যু: এপ্রিল ৮৭১ | ||
| রাজত্বকাল শিরোনাম | ||
|---|---|---|
| পূর্বসূরী এথেলবার্ট |
ওয়েসেক্সের রাজা ৮৬৫–৮৭১ |
উত্তরসূরী আলফ্রেড দ্য গ্রেট |

