ওমবালান্টু বাওবাব বৃক্ষ
| ওমবালান্টু বাওবাব বৃক্ষ ঐতিহ্যস্থান | |
|---|---|
২০১০ সালে অম্বালান্টু বৃক্ষের সম্মুখভাগ। চিত্রে গাছের গুঁড়িতে বানানো দরজা দেখা যাচ্ছে। | |
![]() নামিবিয়ার মানচিত্রে অবস্থান | |
| নিকটবর্তী শহর | ওটাপি, নামিবিয়া |
| স্থানাঙ্ক | ১৭°৩০′৪৩″ দক্ষিণ ১৪°৫৯′১৬″ পূর্ব / ১৭.৫১১৯৪° দক্ষিণ ১৪.৯৮৭৭৮° পূর্ব |
ওমবালান্টু বাওবাব, (ওমুকওয়া ওয়ামবালান্টু নামেও পরিচিত), এটি অ্যাডানসোনিয়া ডিজিটাটা (Adansonia digitata) প্রজাতির একটি বিশাল বাওবাব গাছ। বিশালাকার বৃক্ষটি উত্তর নামিবিয়ার ওটাপি শহরে টসান্ডি হতে আগত ১২৩ নং মূলসড়কের পাশে অবস্থিত। ২৮ মিটার (৯২ ফুট) লম্বা গাছটির পরিধি ২৬.৫ মিটার (৮৭ ফুট), এবং এটি আনুমানিক ৮০০ বছর পুরানো।[১][২][৩]
গাছের গুঁড়িতে একটি দরজা রয়েছে। গুঁড়ির ভিতরে ফাঁপা বা শুন্যস্থানে প্রায় ৩৫ জন লোক থাকতে পারে। নামিবিয়ার ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে এটি একটি চ্যাপেল (খ্রিস্টানদের প্রার্থনাকক্ষ), ডাকঘর, বাড়ি এবং একটি আত্মগোপনের স্থান হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ২০১৪ সাল হতে গাছটি "ওম্বালান্টু বাওবাব বৃক্ষ ঐতিহ্য স্থান" নামে পরিচিত এবং একটি পর্যটক আকর্ষণের কেন্দ্র। ২০০৪ সালের ডিসেম্বর থেকে [৪] সাইটটিতে ওওয়াম্বো সম্প্রদায়ের ইতিহাস এবং ভূমিকার পাশাপাশি নামিবিয়ার স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস প্রদর্শিত হচ্ছে।[৫]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ বাউসে, তাঞ্জা (৩১ আগস্ট ২০১০)। "Namibia: History of the Ombalantu Baobab Tree"। দ্য নামিবিয়ান (ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ নভেম্বর ২০২২।
- ↑ "Ombalantu Baobab Tree Heritage Centre"। অমুসাটির্ক সরকারী তথ্য বাতায়ন (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ নভেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ নভেম্বর ২০২২।
- ↑ Patrut, Adrian; Patrut, Roxana T.; Rakosy, Laszlo; Rakosy, Demetra; Oliver, Willie; Ratiu, Ileana Andreea; Lowy, Daniel A.; Shiimbi, Gebhardt; Woodborne, Stephan (১১ নভেম্বর ২০২২)। "Radiocarbon Investigation of the Historic African Baobabs of Omusati, Namibia"। Forests (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ (১১): ১৮৯৯। ডিওআই:10.3390/f13111899। আইএসএসএন 1999-4907। সংগ্রহের তারিখ ২৩ নভেম্বর ২০২২।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পতাকাভুক্ত নয় এমন বিনামূল্যে ডিওআই (লিঙ্ক) - ↑ আমুক্বায়া, ইয়োভেন (২১ আগস্ট ২০১৪)। "The Baoba tree, Outapi's gold mine"। দ্য নামিবিয়ান। Focus on the North supplement, page 7।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|সংগ্রহের-তারিখ=এর জন্য|ইউআরএল=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ "North (Omusati): Ombalantu Baobab Tree Heritage Centre and Campsite"। নামিবিয়া ট্রাভেল অনলাইন। ১১ মে ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০১১।
