ওবাইদুল্লাহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ওবাইদুল্লাহ (জন্ম আনুমানিক ১৯৮০), আফগানিস্তানের নাগরিক, কিউবাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুয়ানতানামো কারাগারে বিনা বিচারে আটক শেষ আফগান বন্দীদের মধ্যে একজন।[১] ২০০২ সালের ২০শে জুলাই তারিখে, প্রতিদ্বন্দী শত্রু হিসেবে তাঁকে ধরা হয়েছিল, ২০০২ সালের ২৮শে অক্টোবর তারিখে, গুয়ান্তানামোতে স্থানান্তর করা হয় এবং ২০১৬ সালের ১৫ই আগষ্ট তারিখে, তাঁকেসংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঠানো হয়।[২][৩][৪][৪][৫][৬] ওবাইদুল্লাহর গুয়ান্তানামোর অন্তরীণ ক্রমিক সংখ্যা ছিল ৭৬২। মার্কিন গোয়েন্দাবিভাগ বিশ্লেষকদের ধারণা ওবাইদুল্লাহ আফগানিস্তানের খোস্ত প্রদেশে ১৯৮০ সালে জন্মগ্রহণ করেন।

গ্রেপ্তার এবং আটক[সম্পাদনা]

২০০২ সালের ২০শে জুলাই তারিখে, ১২ জন বিশেষ মার্কিন সশস্ত্র সৈন্য বাহিনী একটি বেনামী খবরের সূত্র ধরে ওবাইদুল্লাহর পারিবারিক বাড়িতে হানা দেয় এবং তাঁর চাচাত ভাইদের সাথে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে নেয়। সেই সময়, ওবাইদুল্লাহর কাছে একটি নোটবই ছিল যেটিতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ অনুযায়ী, উদ্ভাবিত বিস্ফোরক যন্ত্রের জন্য নকশা ছিল।[৭]

হেবিয়াস কর্পাস (কোনও ব্যক্তি যদি মনে করে তাকে অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে, তা হলে সে হেবিয়াস কর্পাসের জন্য আবেদন করতে পারে) মামলা চলার সময়ে একটি বিবৃতিতে ওবাইদুল্লাহ বলেছিলেন:

যখন খোস্ত শহরের কাছে, মিলানী গ্রামে, আমাদের বাড়িতে আমি এবং আমার পরিবারের সকলে ঘুমোচ্ছিলাম, তখন মার্কিন সৈন্যরা এসেছিল। সেই সময় আমি প্রায় ১৯ বছর বয়সী ছিলাম। সেই রাতে, আমি শোরগোল শুনতে পেয়েছিলাম এবং সৈন্যরা আমাকে ডেকে তুলল। কেন তারা আমার বাড়িতে এসেছে এবং কি ঘটছে সে বিষয়ে আমার খুব বিভ্রান্ত লাগছিল, কিন্তু আমি ও আমার পরিবার তাদের সাথে সহযোগিতা করেছিলাম। যদিও আমি বাধা দিইনি, তবুও তারা প্লাস্টিকের হাতকড়া দিয়ে আমার পা একসাথে এবং আমার হাত একসাথে করে বাঁধল। তারপর তারা আমার মাথার উপর একটি ঢাকা পরিয়ে দিল এবং ঘন্টার পর ঘন্টা একটি দেওয়ালের গায়ে বসে থাকতে বাধ্য করল। প্লাস্টিকটি আমার হাতে কেটে বসে যাচ্ছিল এতক্ষণ ওই ভাবে বসে থাকা খুব কষ্টদায়ক ছিল। আমার কি হবে সেই ভেবে খুব ভয় পাচ্ছিলাম।[৮]

চ্যাপম্যান বিমানক্ষেত্র[সম্পাদনা]

ওবাইদুল্লাহকে তাঁর বাড়ি থেকে চ্যাপম্যান বিমানক্ষেত্রে পাঠানো হয়, যেটি একটি সম্মুখস্থ কার্যকরী ক্ষেত্র ছিল। চ্যাপম্যান বিমানক্ষেত্রে তাঁর প্রতি কেমন ব্যবহার করা হয়েছিল সে বিষয়ে বলতে গিয়ে হেবিয়াস কর্পাস মামলা চলাকালীন একটি বিবৃতিতে ওবাইদুল্লাহ বলেছিলেন:

সামরিক ক্ষেত্রে পৌঁছনোর পর, সেখানে অনেক সৈন্য ছিল যারা আমাকে বললো হাত তুলতে এবং তারপর আমার সামনের দিকে সরাসরি ধরে রাখতে বললো। আমাকে ওরা যা বললো আমি তাই করলাম। এবার তারা আমার বাহুতে দুটি বালির বস্তা রাখলো এবং আমাকে ওইভাবে সারা রাত সামনের দিকে এবং পেছনের দিকে হাঁটতে বাধ্য করলো। বস্তাগুলি খুব ভারি ছিল, এবং হাত থেকে বস্তা পড়ে গেলে সৈন্যরা আবার তাদের ফিরে আমার হাতে চাপিয়ে দিচ্ছিল। সেগুলি এত ভারী ছিল যে হাঁটার সময় আমি সেগুলিকে আমি পেটের ওপর ভর দিতে বাধ্য হচ্ছিলাম। সেই রাতে তারা আমাকে একদমই ঘুমোতে দেয় নি বরঞ্চ হাতে বস্তা নিয়ে হাঁটতে বাধ্য করেছিল। যখন ওরা আমাকে এক জায়গায় থেকে অন্য জায়গায় সরাচ্ছিল, সৈন্যরা অত্যন্ত রুক্ষ ছিল এবং তাদের হাঁটু এবং কনুই দিয়ে ধাক্কা দিচ্ছিল, তাতে আমার খুব ব্যথা এবং ভয় লাগছিল। সূর্যোদয়ের আগে সকালে, আমাকে একটি ঘরে নিয়ে যাওয়া হল এবং তিন চার জন সৈন্য আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করল। ওরা আমাকে বলল আমি কিছু না বললে ওরা আমাকে মেরে ফেলবে। আমি যখন ওদের বললাম যে আমি ওদের প্রশ্নের উত্তর জানি না, ওদের মধ্যে একজন আমাকে মেঝেতে ঠেলে ফেলে দিল। সে একটি বড় ছুরি বার করল এবং আমার সামনে সেটিতে শান দেওয়া শুরু করল। আমি ছুরিতে শান দেওয়ার তীক্ষ্ণ শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। ও তারপর আমার মাথার ঢাকাটা খুলল এবং ছুরিটি আমাকে দেখালো। ও সেটি আমার মাথার পেছনে রাখল এবং বলল এবার বলতে শুরু কর… আমি খুব ভয় পেয়েগিয়েছিলাম এবং পুরোপুরি বিশ্বাস করছিলাম যে ওরা আমাকে মেরে ফেলতে পারে।[৮]

বাগরাম[সম্পাদনা]

ওবাইদুল্লাহ উল্লেখ করেছিলেন বাগরামে বন্দী থাকার সময়ে তাঁকে অপমানজনক জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, ওই সময়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারেরা স্বীকার করেছেন বন্দিদের ঘুম থেকে বঞ্চিত করার জন্য বেআইনী কৌশল গ্রহণ করে হাতদুটি মাথার ওপর শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো।[৯] ওবাইদুল্লাহ অভিযোগ করেছেন যে বাগরামে পৌঁছাবার পর, তাঁকে একটি ছোট বিচ্ছিন্ন ঘরে রাখা হয়েছিল, তাঁর হাতদুটি মাথার ওপর শিকল দিয়ে বেঁধে ছাদে আটকে রাখা হয়েছিল:

সৈন্যরা আমার মাথার ওপর ছাদে আমার হাত শিকলে বাঁধল এবং ওই ভাবে ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘন্টা রেখে দিল, তারপর একটি জিজ্ঞাসাবাদের ঘরে আমাকে নিয়ে গেল, তারপর জিজ্ঞাসাবাদের পরে আমাকে নিয়ে এল এবং ওপরে শিকলে হাত বেঁধে দিল ৪৫ মিনিট থেকে দুই ঘন্টার জন্য।

তিনি তাঁর জিজ্ঞাসাবাদ বর্ণনা করেছেন:

জিজ্ঞাসাবাদের সময়, কোন সময়ে তার জিজ্ঞাসাবাদ চালাত খুব গরম আলোর নিচে হাঁটু গেড়ে বসিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা আমার মাথার ওপর আমার হাত রেখে। কখনও কখনও আমাকে হাঁটু উপর দাঁড়াতে বাধ্য করা হত। কখনো ওরা যখন প্রশ্ন করত, আমাকে ঝুঁকে দাঁড়াতে বাধ্য করা হত। ওই অবস্থানগুলি খুব কষ্টদায়ক ছিল… সাধারণত ওরা যখন আমার প্রশ্ন যখন আমার মাথায় ঢাকা দেওয়া থাকত, তবে সব সময় নয়। মাথার ঢাকাটির গলার দিকে একটি দড়ি ছিল। ওরা এই দড়িটা এত জোরে টানত যে আমার দম বন্ধ হয়ে আসত।

অনেক সময় ওরা আমার হাত বেঁধে দেওয়ালে বা মাথার ওপর ছাদে হাত লাগিয়ে রাখত আর প্রশ্ন করত। ওরা আমাকে থাপ্পড় মারত এবং আমার মুখে থুতু ফেলত। ওরা আমার ঘাড় ধরে খুব জোরে নাড়াত এবং আমার দিকে চিৎকার করত।"[৮]

নৌবাহিনীর একজন ফৌজদারি তদন্ত কর্মকর্তা, যিনি ওবাইদুল্লাহর মামলার তদন্ত করেছেন, একটি শপথ বিবৃতি লিখেছেন:

ব্যক্তিগত ভাবে জানা আফগান সাক্ষীদের সাক্ষাৎকার এবং আমার অন্যান্য তদন্ত প্রক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে, ২০০২ সালে এই সময়ের মধ্যে বাগরামের বন্দীদের, ওবাইদুল্লাহ সহ, প্রতি অত্যধিক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল যা আমাকে বিবৃতির নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন করতে বাধ্য করে।"[৯]

গুয়ান্তানামো[সম্পাদনা]

২০০২ সালের ২৮শে অক্টোবর তারিখে ওবাইদুল্লাহকে গুয়ান্তানামোতে পাঠানো হয়। [৬]

সেখানে তাঁর জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে ওবাইদুল্লাহ বলেন:

যখন আমাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হল, প্রায়ই শীতাতপ নিয়ন্ত্রন মেশিনকে জোরে চালিয়ে দিয়ে আমাকে একটি জমে যাবার মত ঠাণ্ডা ঘরে রাখা হত। জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হয়ে গেলে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রন মেশিনকে জোরে চালিয়ে রেখে ওরা আমকে একা ওখানেই ফেলে রাখত ৩-৪ ঘন্টার জন্য। গুয়ান্তানামো যাবার অনেকদিন পর, হয়ত এক বছর হবে, প্রশ্নকারীরা আমাদের জীবন সম্পর্কে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করত। যদি আমরা জল চাইতাম বা কোন ডাক্তার দেখাতে চাইতাম, সবটাই নির্ভর করত প্রশ্নকর্তা অনুমোদন করেন কিনা তার ওপর। একসময়ে, গুয়ান্তানামো আসার ২-৩ মাস পরে, আমি অনেকদিনের জন্য অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। আমার গলাব্যথা করছিল এবং জ্বর হয়েছিল। অবশেষে, ওরা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে গেল। একজন ডাক্তার আমাকে পরীক্ষা করতে শুরু করলেন। কিছুক্ষণ পর, দরজায় একজন প্রশ্নকর্তা এসে দাঁড়ালেন এবং ডাক্তারকে কিছু ইঙ্গিত করলেন। ডাক্তার বাইরে গেলেন এবং প্রশ্নকর্তার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলে চলে গেলেন। তিনি আর ফিরে আসেননি। আমাকে আবার আমার ঘরে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল যদিও আমি তখনো অসুস্থ ছিলাম এবং শরীর খুব খারাপ লাগছিল। [৮]

অনশন ধর্মঘট[সম্পাদনা]

ফেব্রুয়ারি ২০১৩ সালে, ওবাইদুল্লাহর গুয়ানতানামোয় আসার এক দশকেরও বেশি সময় পরে, তিনি অনশন ধর্মঘট শুরু করেন। ওবাইদুল্লাহর মত অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি ২০১৩ সালে "আক্রমণমূলক" সেল অনুসন্ধান দ্বারা তাড়িত হয়ে তিনি অনশন ধর্মঘট শুরু করেন। তাঁর পরিবারের ছবি এবং তাঁর আইনজীবিদের চিঠিসহ অন্যান্য সামগ্রী অপসারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, "আমার জন্য বিশেষ করে কষ্টকর ছিল কারণ আমার জিনিসপত্র এবং সান্ত্বনামূলক সামগ্রী যেগুলো আমাকে মানবতার একটি ছোট অনুভূতি দিতো, সেগুলো নিয়ে কর্তৃপক্ষকে উত্তেজিত করার মত কিছুই ছিলনা।"[১০]

তিনি বলেছেন:

আমি আগে অনশন ধর্মঘট করিনি, বা প্রতিবাদ সংগঠিত করিনি। আমি ধৈর্য ধরে মার্কিন সিভিল আদালতে আমার কারাবাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলাম। কিন্তু শিবিরে সর্বশেষ সংঘটন আমাকে অমানবিক করে দিয়েছে, তাই আমি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছি। আমার জীবনের এগারো বছর আমার থেকে নিয়ে নেওয়া হয়েছে, এবং এখন কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ সংঘটন, তারা আমার মর্যাদাও কেড়ে নিয়েছে... ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার অসুবিধা, এবং স্বাস্থ্যের যে প্রভাব আমি অনুভব করছি এবং সাক্ষী করছি তা সত্ত্বেও, যতক্ষণ না আমরা মর্যাদাসম্পন্ন ব্যবহার পাই আমরা ধর্মঘট চালিয়ে যাবার পরিকল্পনা করেছি... আমার সব আশা ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাচ্ছে কারণ আমি প্রায় এগারো বছর হয়ে গেল গুয়ানতানামো কারাগারে আছি এবং এখনও আমার ভাগ্যে কি হবে জানি না।[৮]

অফিসিয়াল অবস্থা পর্যালোচনা[সম্পাদনা]

শুরুতে রাষ্ট্রপতি বুশ ঘোষণা করেছিলেন যে "সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে" গ্রেফতার বন্দিরা জেনেভা কনভেনশনের আওতায় পড়বে না এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য কোন অভিযোগ ছাড়া তাঁদের আটক রাখা যেতে পারে এবং তাঁদের স্বপক্ষে কোন খোলা এবং স্বচ্ছ পর্যালোচনা ছাড়াই তাদের আটক রাখা যেতে পারে।[১১] ২০০৪ সালে রসুল বনাম বুশ মামলায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন যে, গুয়ান্তানামো বন্দিরা তাদের আটকে রাখার ন্যায্যতা নিয়ে অভিযোগের বিষয়ে সচেতন থাকার এবং সেগুলো খণ্ডন করার চেষ্টা করারও অধিকারী।

আটক শত্রুদের সমন্বয়কারী প্রশাসনিক পর্যালোচনা অফিস[সম্পাদনা]

বন্দীদের অবস্থা পর্যালোচনার বিচারসভা গুলো হত একটি ৩x৫ মিটার ট্রেলারে বন্দীরা তাঁদের হাত এবং পা মেঝেতে শিকলবদ্ধ বসে থাকতেন।[১২][১৩]

সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রদানের পর, প্রতিরক্ষা বিভাগ আটক শত্রুদের সমন্বয়কারী প্রশাসনিক পর্যালোচনা অফিস স্থাপন করে।[১১][১৪]

বেঞ্জামিন উইটসের নেতৃত্বে ব্রুকিংস ইন্‌স্টিটিউশনের বিদ্বজ্জন ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে, গুয়ান্তানামোতে আটক বন্দীদের আটকে রাখার পেছনে যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল কি না তার ভিত্তিতে তাঁদের একটি তালিকা তৈরী করেন:[১৫]

  • ওবাইদুল্লাহ সেই বন্দী তালিকায় ছিলেন যাঁরা সামরিক কমিশনের আনা অভিযোগের সম্মুখীন হয়েছেন। [১৫]
  • ওবাইদুল্লাহ সেই বন্দী তালিকায় ছিলেন মিলিটারিরা যাঁদের আল-কায়েদা বা তালিবান এবং সংযুক্ত গোষ্ঠীর সভ্য হিসাবে অভিযোগ করেছে।[১৫]
  • ওবাইদুল্লাহ সেই বন্দী তালিকায় ছিলেন যাঁরা "সামরিক অভিযোগক্রমে ... আফগানিস্তানে মিলিটারি বা সন্ত্রাসবাদী তালিম নিয়েছেন"।[১৫]
  • ওবাইদুল্লাহ সেই বন্দী তালিকায় ছিলেন যাঁরা "সামরিক অভিযোগক্রমে, বন্দীদের যে অবস্থায় ধরা হয়েছিল তা দৃঢ়ভাবে ধারণা দেয় যুধ্যরত অবস্থা"।[১৫]
  • ওবাইদুল্লাহ সেই বন্দী তালিকায় ছিলেন যাঁরা"সক্রিয় আল কায়দা কর্মী"।[১৫]
  • ওবাইদুল্লাহ সেই বন্দী তালিকায় ছিলেন যাঁদের "সামরিক কমিশনে অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং অভিযোগক্রমে সক্রিয় আল কায়দা কর্মী।"[১৫]
  • ওবাইদুল্লাহ সেই বন্দী তালিকায় ছিলেন যাঁদের মধ্যে "৩৪ [বন্দী] কিছু কম পরিমাণে অন্তর্ভুক্তি স্বীকার করেছেন—যেমন তালিবান বা আল কায়দা অতিথিশালায় থেকেছেন বা তালিম শিবিরে সময় কাটিয়েছেন।"[১৫]
  • ওবাইদুল্লাহ সেই বন্দী তালিকায় ছিলেন যাঁরা স্বীকার করেছেন "আল কায়দা বা তালিবান শিবিরে তালিম নিয়েছেন".[১৫]

ওবাইদুল্লাহ তাঁর ২০০৪ এবং ২০০৫ সালের শুনানিতে সাক্ষ্য দেন।[১৬][১৭]

হেবিয়াস কর্পাস আবেদন[সম্পাদনা]

বাওমেদিন বনাম বুশ মামলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের এই রায়দানের পর যে গুয়ান্তানামোতে আটক বন্দীরা হেবিয়াস কর্পাস কার্যধারা পাবার অধিকারী, জুলাই ২০০৮ সালে ওবাইদুল্লাহ কলাম্বিয়া জেলার মার্কিন জেলা আদালতে হেবিয়াস কর্পাস আবেদন দায়ের করেন।[১৮] দুই মাস পরে, বুশ প্রশাসন গুয়ান্তানামোর সামরিক কমিশনে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করে।

১৯শে অক্টোবর ২০১০ সালে, কলাম্বিয়া জেলার মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক রিচার্ড লিয়ন ওবাইদুল্লাহকে আটকে রাখা বৈধ বলে রায় দেন।[১৯] বিচারক লিয়ন ওবাইদুল্লাহকে "সম্ভবত বেশি" সন্ত্রাসবাদী মনে করে হেবিয়াস কর্পাস আবেদন অগ্রাহ্য করেন।[৭]

আবেদন[সম্পাদনা]

ওবাইদুল্লাহ রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন করেন এবং ২০১২ সালের আগষ্টে, কোর্ট অফ অ্যাপীলস ফর দ্য ডি.সি. সার্কিট সেই আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন।[২০] যাদের সংকেতে মার্কিন সেনা ওবাইদুল্লাহর পারিবারিক বাড়িতে হানা দেয় তাদের গোপন খবরকে বিশ্বাস করে আদালতে বলেন নিম্ন আদালত সঠিকভাবে নির্ধারণ করেছেন যে ওবাইদুল্লাহ "সম্ভবত বেশি"ই আল কায়দার অংশ। এই খবরের উৎসের পরিচয় এবং পাওয়া তথ্য ওবাইদুল্লাহ বা তাঁর আইনজীবির কাছে প্রকাশ করা হয় নি।[২১]

নৌবাহিনীর একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা, যিনি আফগানিস্তানে ওবাইদুল্লাহর ঘটনার অনুসন্ধান করছিলেন, একটি বিবৃতিতে বলেন "ওবাইদুল্লাহর গ্রামের অধিবাসীরা দুজন পুরুষকে চিহ্নিত করেছিলেন যাঁরা ওই গ্রামের নন কিন্তু কিছু সময়ের জন্য সেখানে থেকেছেন, গুজব আছে তাঁরা মার্কিনদের মিথ্যা তথ্য বিক্রি করেছিলেন।" "বলা হয় যে পরে সেই দুজন লোককে আর পাওয়া যায়নি এবং তাঁরা বেঁচে আছেন কিনা তা জানা যায় নি।"[৯]

প্রস্তাব পুনরায় উত্থাপন[সম্পাদনা]

৮ই ফেব্রুয়ারি ২০১২ সালে, ওবাইদুল্লাহর আইনজীবি পুনরায় প্রস্তাব উত্থাপন করার দিকে এগিয়ে যান।[২২] এর ফলে ওবাইদুল্লাহ, নতুন প্রমাণ পাওয়া গেছে তার ভিত্তিতে, জেলা আদালতে নতুন করে বিচারের সুযোগ পান। একজন এনসিআইএস তদন্তকারী অফিসার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রিচার্ড পান্ডিস, যাঁকে মকদ্দমটি দেেওয়া হয়েছিল, তিনি এই প্রমাণটি বিবৃতিতে প্রত্যয়িত কেেন।[২৩] এটিও ৩০শে জানুয়ারি ২০১৩ সালে রদ করে দেওয়া হয়।[২২]

সুপ্রিম কোর্ট[সম্পাদনা]

২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০১৩ সালে, ওবাইদুল্লাহ মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে রিট অফ সার্টিওরারি করে একটি পিটিশন দায়ের করে।[২৪]

গুয়ান্তানামোর পূর্বের গোপন যৌথ টাস্ক ফোর্সের মূল্যায়ন[সম্পাদনা]

২৫শে এপ্রিল ২০১১ সালে, পর্দাফাঁশকারী প্রতিষ্ঠান উইকিলিকস গুয়ান্তানামোর যৌথ টাস্ক ফোর্সের বিশ্লেষকদের দ্বারা খসড়া করা পূর্বের গোপন মূল্যায়ন প্রকাশ করে।[২৫][২৬] ১৬ই জুন ২০০৮ সালে ৮ পাতার এই গুয়ান্তানামোর যৌথ টাস্ক ফোর্সের মূল্যায়নের খসড়া করা হয়েছিল।[২৭] এটিতে স্বাক্ষর করেছিলেন ক্যাম্প কমান্ড্যান্ট রিয়ার অ্যাডমিরাল ডেভিড এম থমাস জুনিয়র। তিনি গুয়ান্তানামোতে আটক করে রেখে দেওয়ার সুপারিশ করেছিলেন।

যৌথ পর্যালোচনা টাস্ক ফোর্স[সম্পাদনা]

রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা যখন ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে নির্বাচিত হয়ে এলেন, তিনি গুয়ান্তানামোর ভবিষ্যতের বিষয়ে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।[২৮][২৯][৩০] তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, ক্যাম্পে নির্যাতনের ব্যবহার থামবে। তিনি একটি নতুন পর্যালোচনা পদ্ধতি আনার প্রতিশ্রুতি দেন। ছয় বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে সেই নতুন পর্যালোচনা পদ্ধতিটি তৈরী করা হয়েছিল, যেখানে সম্পূর্ণরূপে প্রতিরক্ষা বিভাগ দ্বারা ওআরএডিইসি পুনর্বিবেচনা করা হয়েছিল।[৩১] যখন এটি একবছর পর বিবরণ পেশ করে, যৌথ পর্যালোচনা টাস্ক ফোর্স কিছু ব্যক্তিকে গুয়ান্তানামো থেকে স্থানান্তর করার পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে জানায়, যদিও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার বিষয়ে কোন প্রমাণ ছিল না। ৯ই এপ্রিল ২০১৩ সালে, তথ্য স্বাধীনতা আইনের অনুরোধে সে নথি সকলের সামনে আনা হয়।[৩২] ওবাইদুল্লাহ ৭১ জনের মধ্যে একজন ছিলেন যাঁদের সম্বন্ধে বলা হয়েছিল এতোটাই নির্দোষ যে কোন অভিযোগ আনা যায়না, কিন্তু ছেড়ে দেওয়ার পক্ষে খুব বিপজ্জনক। যদিও ওবামা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে যাঁরা এতোটাই নির্দোষ যে কোন অভিযোগ আনা যায়না, কিন্তু ছেড়ে দেওয়ার পক্ষে খুব বিপজ্জনক বলে গণ্য হয়েছেন তাঁদের বিষয়ে পর্যায়ক্রমিক পর্যালোচনা বোর্ডের কাছ থেকে পর্যালোচনা করা শুরু হবে, এক চতুর্থাংশেরও কম বন্দী পর্যালোচনার সুযোগ পেয়েছেন।

অভিযোগ সমূহ[সম্পাদনা]

১০ই সেপ্টেম্বর ২০০৮ সালে সামরিক কমিশন আইন ২০০৬-এর অধীনে ওবাইদুল্লাহের বিরুদ্ধে "ষড়যন্ত্র" এবং "সন্ত্রাসের জন্য উপাদান সরবরাহ করে সমর্থন" করার জন্য অভিযোগ দায়ের করা হয়।[৩৩][৩৪] রয়টার অনুসারে:

অভিযোগ অনুসারে তিনি ২০০১ এর অক্টোবর থেকে ২০০২ এর জিলাই এর মধ্যে মাইন এবং অন্য বিস্ফোরক আফগানিস্তানের খোস্ত অঞ্চলে লুকিয়ে রেখেছিলেন এবং একটি নোটবুক বহন করতেন যাতে বর্ণনা করা ছিল "সন্ত্রাসবাদ কর্মের জন্য প্রস্তুতি নিতে কিভাবে বিস্ফোরক ডিভাইস গুলোতে তার লাগাতে হয় এবং বিস্ফোরণ ঘটাতে হয়।"

অ্যানি রিচার্ডসন, তাঁর পক্ষের একজন আইনজীবি, বর্ণনা করেছেন কিভাবে, কখন তাঁকে আটক রাখাকে ন্যায্য প্রতিপন্ন করার জন্য যে অভিযোগ, তাঁর প্রতিরক্ষা দল সেই অভিযোগ অস্বীকার করতে সক্ষম হয়েছে এবং তিনি যে অভিযোগের সম্মুখীন হয়েছেন তা কিসের ভিত্তিতে, তখন প্রসিকিউশন তাকে বিচারে নির্দোষ প্রমাণ করার অনুমতি দেবার পরিবর্তে অভিযোগগুলো প্রত্যাহার করে, যা তাঁকে মুক্তি দেওয়ার জন্য ঠিক ছিল।[৩৫] তিনি লিখেছেন:

পরে, ২০১১ সালে, একজন সামরিক আইনজীবী, যিনি তাঁর প্রতিরক্ষা দলের বরাদ্দ হয়েছিলেন, ওবাইদুল্লাহর নির্দোষ হওয়ার দাবিকে সমর্থন করার প্রমাণ পেয়েছিলেন, তাঁর পরিবারের দাবি মত, যে আপাতদৃষ্টিতে দোষারোপমূলক মাইনগুলো আসলে সোভিয়েত দখলের সময়ে রেখে যাওয়া, যখন তিনি এবং তাঁর পরিবার পাকিস্তান ছিলেন। যদিও তাঁর সামরিক আইনজীবীরা দ্রুত বিচারের চেষ্টা করেছিলেন, মার্কিন সরকার কেবল অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সরকারের সেগুলোর প্রয়োজন ছিল না। তারা তার পরিবর্তে অনির্দিষ্টকাল আটক রাখার উপর নির্ভর করতে পারত, যা তারা অন্যান্য গুয়ান্তানামো বন্দীদের বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই করেছিল ― অভিযোগ ছাড়া আটক রাখা।[৩৫]

৭ই জুন ২০১১ সালে সামরিক কমিশনের জন্য আহ্বায়ক কর্তৃপক্ষ পক্ষপাতহীনভাবে অভিযোগ তুলে নেয়।[৩৬] বর্তমানে তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই।

বর্তমান অবস্থা[সম্পাদনা]

ওবাইদুল্লাহর নাম এখন প্রতিরক্ষা বিভাগের "১৯শে এপ্রিল ২০১৪ অনুযায়ী একটি পর্যায়ক্রমিক পর্যালোচনা বোর্ড পাওয়ার যোগ্য বলে নির্বাচিত ৭১ জন গুয়ান্তানামো বন্দী"র তালিকায় রয়েছে।[৩৭] ২৩শে এপ্রিল ২০১৩ অনুযায়ী ওবাইদুল্লাহ অন্য গুয়ান্তানামো বন্দীদের অর্ধেকের সঙ্গে একটি অনশন ধর্মঘটে অংশ নিয়েছিলেন।[৩৮] ১৯শে এপ্রিল ২০১৬ সালে ওবাইদুল্লাহ তাঁর পর্যায়ক্রমিক পর্যালোচনা বোর্ড (পিআরবি) হিয়ারিং পেয়েছেন।[৩৯] ২০শে মে ২০১৬ সালে শুক্রবারে, পিআরবি-এর রায় বের হয় এবং পিআরবি ওবাইদুল্লাহর মুক্তি একটি উপযুক্ত পরিবেশে, একটি গ্রহণীয় দেশে (সেটি স্বদেশ আফগানিস্তানেই নাও হতে পারে) শর্ত সাপেক্ষে অনুমোদন করে।[৪০]

সংযুক্ত আরব আমিরাতে স্থানান্তর[সম্পাদনা]

১৫ই আগষ্ট ২০১৬ সালে, ওবাইদুল্লাহ এবং আরো ১৪ জনকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাতে স্থানান্তর করে।[২][৩][৪] ওবাইদুল্লাহর মতো অন্য আর এক আফগান মহ্ম্মদ কামিন, ২০০৬ সালের সামরিক কমিশন আইন অনুসারে অভিযোগের সম্মুখীন হয়েছিলেন, কিন্তু মার্কিন কংগ্রেস যখন ২০০৯ এর সামরিক কমিশন আইন চালু করায় তিনি পুনরায় অভিযুক্ত হননি।

এসোসিয়েটেড প্রেস ১৭ই আগষ্ট ওবাইদুল্লাহর পরিবারের লোকজনকে খুঁজে বের করে এবং সাক্ষাৎকার নেয়।[৫] ভাইয়েদের মধ্যে একজন এসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন যে ওবাইদুল্লাহর আইনজীবিদের মধ্যে একজন পরিবারকে বলেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ছয় মাস থেকে এক বছর কাটানোর পর তিনি মুক্ত হতে পারবেন।

দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট লক্ষ করে যে ওবাইদুল্লাহ বলে এসেছেন স্বীকারোক্তি পাবার জন্য তাঁকে নির্যাতন করা হয়েছিল এবং সেই জন্যই তিনি অভিযুক্ত হয়ে গেছেন। একই সাথে আমেরিকা বিরোধী অনুভূতি ধরে না রাখতে তাঁর মূল্যায়ন করা হয়।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. list of prisoners (.pdf) ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে, US Department of Defense, May 15, 2006
  2. Camila Domonoske (২০১৬-০৮-১৬)। "15 Guantanamo Bay Detainees Transferred To United Arab Emirates"National Public RadioTwo of the Afghan prisoners — Mohammed Kamin and Obaidallah, who only has one name — had been briefly charged in a military commission, The Miami Herald reports. The war crimes prosecutor dropped those charges. 
  3. Benjamin Wittes (২০১৬-০৮-১৬)। "A Big Guantanamo Transfer: Progress Towards the Site's Obsolescence"Lawfare 
  4. David McFadden (২০১৬-০৮-১৬)। "Guantanamo Bay closure a step closer after mass transfer of prisoners to the UAE"The Independent (UK)According to Amnesty, one of the Afghans released to the UAE alleged that he was "tortured and subjected to other cruel treatment" while in US military custody. The man, identified only as Obaidullah, was captured by US special forces in July 2002 and allegedly admitted to acquiring and planting anti-tank mines to target U.S. and other coalition forces in eastern Afghanistan. 
  5. "Afghan family excited their son released from Guantanamo"Washington Times। ২০১৬-০৮-১৭। Karim said that his brother's defense lawyer has told him that Obiadullah would be first transferred to a third country for six months to one year and that later, he would be completely free. 
  6. Margot Williams (২০০৮-১১-০৩)। "Guantanamo Docket: Obaidullah"New York Times। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১১-২৬ 
  7. Questions Raised in Afghan Detainee's Case
  8. Obaydullah v. Obama, No. 11-5123 (D.C. Cir.), Doc. #1365630, at 33-44, Declaration of Obaidullah, signed September 2010.
  9. Declaration of Richard Pandis, LCDR, NSNR, https://assets.documentcloud.org/documents/291075/obaydullah-pandis-decl.pdf
  10. Declaration of Obaidullah, U.S. District Court for the District of Columbia, Obaydullah v. Obama, Civil Action No. 08-1173 (RJL), March 27, 2013, http://humanrights.ucdavis.edu/projects/the-guantanamo-testimonials-project/testimonies/prisoner-testimonies/prisoner-testimonies/declaration-of-obaidullah
  11. "U.S. military reviews 'enemy combatant' use"USA Today। ২০০৭-১০-১১। ২০১২-০৮-১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করাCritics called it an overdue acknowledgment that the so-called Combatant Status Review Tribunals are unfairly geared toward labeling detainees the enemy, even when they pose little danger. Simply redoing the tribunals won't fix the problem, they said, because the system still allows coerced evidence and denies detainees legal representation. 
  12. Guantánamo Prisoners Getting Their Day, but Hardly in Court, New York Times, November 11, 2004 - mirror ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে
  13. Inside the Guantánamo Bay hearings: Barbarian "Justice" dispensed by KGB-style "military tribunals", Financial Times, December 11, 2004
  14. "Q&A: What next for Guantanamo prisoners?"BBC News। ২০০২-০১-২১। Archived from the original on নভেম্বর ২৪, ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১১-২৪ 
  15. Benjamin Wittes, Zaathira Wyne (২০০৮-১২-১৬)। "The Current Detainee Population of Guantánamo: An Empirical Study"The Brookings Institution। জুন ২২, ২০১২ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০২-১৬ 
  16. OARDEC"summarized transcript" (PDF)US Department of Defense। ২০১১-১১-২৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা (PDF) 
  17. OARDEC (date redacted)। "Summary of Administrative Review Board Proceedings of ISN 762" (PDF)United States Department of Defense। পৃষ্ঠা 219। 2006-07-31 তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা (PDF)। সংগ্রহের তারিখ 2007-12-19  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  18. "Document - USA: Normalizing delay, perpetuating injustice, undermining the 'rules of the road'"। মার্চ ৪, ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ২৫, ২০১২ 
  19. Benjamin Wittes (২০১০-১০-২০)। "New Habeas Opinion"Lawfare 
  20. Benjamin Wittes (২০১২-০৮-১১)। "D.C. Circuit Rules in Obaydullah"Lawfare 
  21. Benjamin Wittes, Raffaela Wakeman (২০১২-০৪-২৩)। "Oral Argument Preview: Obaydullah v. Obama"Lawfare 
  22. Alan Rozenshtein (২০১৩-০২-০১)। "New D.C. District Court Orders in Obaydullah and Alhag Guantánamo Habeas Cases"Lawfare 
  23. "U.S. Investigation in Afghanistan Clears Obaidullah, an Afghan Still Held in Guantánamo"closeguantanamo.org 
  24. Steve Vladeck (2013-03-)। "The Obaydullah Cert. Petition: One More Shot for the Supreme Court..."Lawfare  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  25. Christopher Hope; Robert Winnett; Holly Watt; Heidi Blake (২০১১-০৪-২৭)। "WikiLeaks: Guantanamo Bay terrorist secrets revealed -- Guantanamo Bay has been used to incarcerate dozens of terrorists who have admitted plotting terrifying attacks against the West – while imprisoning more than 150 totally innocent people, top-secret files disclose"The Telegraph (UK)। ২০১২-০৭-১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০৭-১৩The Daily Telegraph, along with other newspapers including The Washington Post, today exposes America's own analysis of almost ten years of controversial interrogations on the world's most dangerous terrorists. This newspaper has been shown thousands of pages of top-secret files obtained by the WikiLeaks website. 
  26. "WikiLeaks: The Guantánamo files database"The Telegraph (UK)। ২০১১-০৪-২৭। ২০১৫-০৬-২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০৭-১০ 
  27. "Ubaydallah: Guantanamo Bay detainee file on Ubaydallah, US9AF-000762DP, passed to the Telegraph by Wikileaks"The Telegraph (UK)। ২০১১-০৪-২৭। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৪-১৯ 
  28. Peter Finn (জানুয়ারি ২২, ২০১০)। "Justice task force recommends about 50 Guantanamo detainees be held indefinitely"Washington Post। ২০১৫-০৫-১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ২১, ২০১০ 
  29. Peter Finn (মে ২৯, ২০১০)। "Most Guantanamo detainees low-level fighters, task force report says"Washington Post। ২০১৫-০৫-১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ২১, ২০১০ 
  30. Andy Worthington (জুন ১১, ২০১০)। "Does Obama Really Know or Care About Who Is at Guantánamo?"। ২০১০-০৬-১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ২১, ২০১০ 
  31. "Final Report: Guantanamo Review Task Force" (PDF)Guantanamo Review Task Force। ২০১০-০১-২২। 
  32. "71 Guantanamo Detainees Determined Eligible to Receive a Periodic Review Board as of April 19, 2013"Joint Review Task Force। ২০১৩-০৪-০৯। ২০১৫-০৫-১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-০৫-১৮ 
  33. Jane Sutton (২০০৮-০৯-১০)। "U.S. charges Afghan prisoner at Guantanamo"। Reuters। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৯-১১  mirror
  34. "Charge Sheet" (PDF)United States Department of Defense। ২০০৮-০৯-১০। সেপ্টেম্বর ১১, ২০০৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৯-১১ 
  35. Anne Richardson (২০১৬-১১-২১)। "Wrongfully Imprisoned in Gitmo for Years, This Man Finally Won His Freedom"Huffington PostLater, in 2011, a military lawyer assigned to his defense team found evidence to support Obaidullah's claims of innocence, including substantiating his family's claims that the seemingly incriminating mines had actually been left there during the Soviet occupation, while he and his family were in Pakistan. Although his military lawyers sought a speedy trial, the U.S. government simply dropped the charges. 
  36. Bruce E. MacDonald (২০১১-০৬-০৭)। "Direction of the Convening Authority" (PDF)। অক্টোবর ১৫, ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা (PDF)। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ১০, ২০১০ 
  37. Department of Defense, Office of Freedom of Information, "71 Guantánamo Detainees Determined Eligible to Receive a Periodic Review Board as of April 19, 2013," "Archived copy"। ২০১৫-০৫-১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-০৫-১৮ 
  38. Rosenberg, Carol (২৩ এপ্রিল ২০১৩)। "Southcom to send more medics to Guantánamo"Miami HeraldThe McClatchy Company। সংগ্রহের তারিখ ২১ মে ২০১৬ 
  39. Cosgrove, Katherine। "Obaidullah Receives Initial Review as Pace of PRBs Picks Up"Human Rights FirstHuman Rights First। সংগ্রহের তারিখ ২১ মে ২০১৬ 
  40. Rosenberg, Carol (২০ মে ২০১৬)। "Guantánamo parole board OKs release of Afghan Obaidullah"Miami HeraldThe McClatchy Company। সংগ্রহের তারিখ ২১ মে ২০১৬