বিষয়বস্তুতে চলুন

ওদেন্সা

ওদেন্সা
শহর
ওডেন্স ক্যাথেড্রাল
ওডেন্স ক্যাথেড্রাল
ওদেন্সার প্রতীক
প্রতীক
লুয়া ত্রুটি মডিউল:অবস্থান_মানচিত্ এর 480 নং লাইনে: নির্দিষ্ট অবস্থান মানচিত্রের সংজ্ঞা খুঁজে পাওয়া যায়নি। "মডিউল:অবস্থান মানচিত্র/উপাত্ত/Denmark" বা "টেমপ্লেট:অবস্থান মানচিত্র Denmark" দুটির একটিও বিদ্যমান নয়।Location within Denmark##Location within Scandinavia##Location within Europe
স্থানাঙ্ক: ৫৫°২৩′৪৫″ উত্তর ১০°২৩′১৯″ পূর্ব / ৫৫.৩৯৫৮৩° উত্তর ১০.৩৮৮৬১° পূর্ব / 55.39583; 10.38861
Country Denmark
RegionSouthern Denmark (Syddanmark)
MunicipalityOdense
প্রতিষ্ঠিত৯৮৮
শহর থিয়েটার১৩৫৫
মিউনিসিপ্যালিটি১৯৭০
আয়তন[][][][][]
  শহর৭৯.৩০ বর্গকিমি (৩০.৬২ বর্গমাইল)
  পৌর এলাকা৭৯.৩০ বর্গকিমি (৩০.৬২ বর্গমাইল)
  মহানগর৩,৪৮১.৩০ বর্গকিমি (১,৩৪৪.১৪ বর্গমাইল)
  Municipality৩০৫.৬০ বর্গকিমি (১১৭.৯৯ বর্গমাইল)
উচ্চতা১৩ মিটার (৪৩ ফুট)
জনসংখ্যা (2024)
  শহর১,৮৩,৭৬৩[]
  জনঘনত্ব২,২৯৪/বর্গকিমি (৫,৯৪০/বর্গমাইল)
  পৌর এলাকা১,৮৩,৭৬৩[]
  মহানগর৫,০৪,০৬৬[][][]
  মহানগর জনঘনত্ব১৪৪.৭৯/বর্গকিমি (৩৭৫.০/বর্গমাইল)
  Municipality২,০৯,০৭৮[]
  Municipality ঘনত্ব৬৮৪/বর্গকিমি (১,৭৭০/বর্গমাইল)
বিশেষণOdenseaner
সময় অঞ্চলCET (ইউটিসি+1)
  গ্রীষ্মকালীন (দিসস)CEST (ইউটিসি+2)
Postal code5000–5270
এলাকা কোড(+45) 6
ওয়েবসাইটwww.odense.dk

ওদেন্সা (/ˈdənsə/ OH-dən-sə, ও-দেন-সা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এছাড়াও / ˈoʊθən sə / ও-থেন-সা,[] ডেনীয়: [ˈoðˀn̩sə] ) বা ওডেন্স হল ডেনমার্কের তৃতীয় বৃহত্তম শহর (কোপেনহেগেন এবং আরহাসের পরে) এবং ফুনেন দ্বীপের বৃহত্তম শহর। ১ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে, শহরের জনসংখ্যা ছিল ১,৮৩,৭৬৩ [], যেখানে ওদেন্সা পৌরসভার জনসংখ্যা ছিল ২,০৯,০৭৮ [], যা এটিকে ডেনমার্কের চতুর্থ বৃহত্তম পৌরসভা (কোপেনহেগেন, আরহাস এবং অ্যালবর্গের পরে) করে তোলে। ইউরোস্ট্যাট এবং ওইসিডি -এর মানদন্ডে নির্দেশিত প্রধান শহরের সংজ্ঞা অনুসারে বিশেষ কিছু অঞ্চলকে ওদেন্সের কার্যকরী নগর এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করা হয় এবং ফিন প্রদেশ (ডেনিশ: ল্যান্ডসডেল) এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। ১ জুলাই ২০২২ তারিখে শহরের মোট জনসংখ্যা ছিল ৫,০৪,০৬৬।

সড়কপথে ওদেন্সা সভেন্ডবর্গ থেকে ৪৫ কিলোমিটার (২৮ মাইল) উত্তরে, আরহাস থেকে ১৪৪ কিলোমিটার (৮৯ মাইল) দক্ষিণে এবং রাজধানী কোপেনহেগেন থেকে ১৬৭ কিলোমিটার (১০৪ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। ১৯৭০ সাল পর্যন্ত শহরটি ওদেন্সা প্রদেশের কেন্দ্রস্থল ছিল এবং ১৯৭০ সাল থেকে ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ফুনেন প্রদেশ দক্ষিণ ডেনমার্কের অংশ হয়ে ওঠে।

ওদেন্সার সাথে হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, যিনি সর্বোপরি তাঁর রূপকথার গল্পের জন্য স্মরণীয়। [১০] তিনি ১৮০৫ সালে এই শহরে জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর শৈশবকাল এখানেই কাটিয়েছেন।

ওদেন্সা অঞ্চলে ৪,০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানব বসতি ছিল, যদিও ৯৮৮ সাল পর্যন্ত কোন লিখিত তথ্যে শহরের নাম উল্লেখ করা হয়নি। কিন্তু ১০৭০ সালের মধ্যে এটি একটি সমৃদ্ধ ও পরিচিত শহরে পরিণত হয়েছিল। ডেনমার্কের রাজা ক্যানুট চতুর্থ, যাকে সাধারণত শেষ ভাইকিং রাজা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, ১০ জুলাই ১০৮৬ সালে ওদেন্সার সেন্ট অ্যালবানস জলাভূমি অঞ্চলে অসন্তুষ্ট কৃষকদের হাতে নিহত হন। যদিও রাজকীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতার সময় ১২৪৯ সালে শহরটি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল তবে তার পর এটি দ্রুত সংস্কার ও পুনরুদ্ধার করা হয় এবং এই শহর মধ্যযুগে এক বৃহত বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হয়। ১৮ শতকে শহরের উন্নয়নের জন্য বৃহৎ পরিকল্পনা করা হয়, যার অধীনে ওদেন্সা প্রাসাদ পুনর্নির্মাণ করা হয় এবং তার সাথে ওদেন্সা বন্দরে একটি খাল নির্মাণ করা হয় যা শহরের ব্যবসা বাণিজ্যকে সহজতর করেছিল।

১৮৬৫ সালে, ডেনমার্কের বৃহত্তম রেলওয়ে প্রান্তিক স্টেশনগুলির মধ্যে একটি এই শহরে নির্মিত হয়েছিল, যা শহরের জনসংখ্যা এবং বাণিজ্য বৃদ্ধি করেছিল। ১৯০০ সালের মধ্যে ওদেন্সার জনসংখ্যা ৩৫,০০০-এ পৌঁছে যায়। ১৯৩৫ সালে নির্মিত ওদেন্সা ওডিনস্টার্নেট ইউরোপের অন্যতম উঁচু টাওয়ার ছিল, তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসিরা এটি ধ্বংস করে দেয়। দক্ষিণ ডেনমার্ক বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

বর্তমানে, ওদেন্সা ফুনেনের বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হয়েছে এবং এখানে বিভিন্ন ধরণের দোকানসহ একটি বিশিষ্ট বিপনন কেন্দ্র রয়েছে। শহরে বেশ কয়েকটি প্রধান শিল্প প্রতিষ্ঠান অবস্থিত, যার মধ্যে রয়েছে আলবানি ব্রিউয়ারি এবং ডেনমার্কের সবজি, ফল ও ফুলের প্রধান সরবরাহকারী গাসা

শহরের উল্লেখযোগ্য স্থাপনার মধ্যে রয়েছে ওদেন্সা প্রাসাদ, যা রাজা ফ্রেডেরিক চতুর্থ নির্মাণ করেছিলেন এবং তিনি ১৭৩০ সালে সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। এছাড়া রয়েছে ওদেন্সা থিয়েটার, ওদেন্সা সিম্ফনি অর্কেস্ট্রা, এবং হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেন জাদুঘর, যা হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেনের জন্মভিটেতে অবস্থিত।

খেলাধুলার জগতে ওদেন্সা স্থানীয় অঞ্চলে বেশ পরিচিত। শহরে বেশ কয়েকটি ফুটবল ক্লাব রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ওবি, বিএম, বি১৯০৯, এবং বি১৯১৩। এছাড়াও, ওদেন্সা বুলডগস নামের একটি পেশাদার আইস হকি দল আছে। এই শহরে হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেনের সম্মানার্থে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। ওদেন্সায় হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেন বিমানবন্দর এবং ওদেন্সা স্টেশন রয়েছে, যা কোপেনহেগেন এবং জুটল্যান্ড উপদ্বীপের সংযোগকারী রেলপথে অবস্থিত।

ব্যুৎপত্তি

[সম্পাদনা]

ওদেন্সা বা ওডেন্স নামটি ওডিন্স ভে থেকে এসেছে, যার অর্থ "ওডিনের অভয়ারণ্য", কারণ এই অঞ্চল নর্ডিক দেবতা ওডিনের উপাসকদের বসবাসকারী একটি অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত ছিল। [১১]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

প্রাথমিক ইতিহাস

[সম্পাদনা]

ওদেন্সা ডেনমার্কের প্রাচীনতম শহরগুলির মধ্যে একটি। আশেপাশের প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজ থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় যে অন্তত প্রস্তর যুগ থেকে ৪,০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এখানে মানব বসতি ছিল। [১২] [১১] এই অঞ্চলের প্রাচীনতম জনবসতি দক্ষিণে ওদেন্সা নদী এবং উত্তরে নেসবিহোভেড হ্রদের (যা বর্তমানে শুষ্ক) মধ্যবর্তী উঁচু ভূমিতে কেন্দ্রীভূত ছিল। নদীর দক্ষিণে অবস্থিত ননেবাক্কেন দুর্গ ডেনমার্কের প্রাচীন ভাইকিং দুর্গগুলির মধ্যে একটি। [১৩] বর্তমানে ওদেন্সার মন্টারগার্ডেন জাদুঘরে ওদেন্সা অঞ্চলের প্রাচীন ভাইকিং ইতিহাস সম্পর্কিত অনেক নিদর্শন সংরক্ষিত রয়েছে। [১৪] উপকূল থেকে আসা আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার জন্য ভাইকিংরা নদীর তীরে অসংখ্য দুর্গ নির্মাণ করেছিল। [১২]

ডেনমার্কের ক্যানুট চতুর্থ, যাকে সাধারণত শেষ ভাইকিং রাজা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাকে ১০৮৬ সালে ওদেন্সায় অশান্ত কৃষকরা হত্যা করে।

১৯৮৮ সালে, ওদেন্সা শহরের হাজারতম বার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

ওদেন্সার নাম প্রথম উল্লেখ করা হয় ১৯৮৮ সালের ১৮ মার্চ, জার্মান সম্রাট তৃতীয় অটোর একটি চিঠিতে, যেখানে ওদেন্সা এবং পার্শ্ববর্তী জনবসতিগুলিকে বিশেষ অধিকার প্রদান করা হয়। [১৫] ওদেন্সার প্রথম গির্জাটি সম্ভবত সেন্ট মেরি'স, যা দ্বাদশ শতকের শেষের দিকে নির্মিত হয়েছিল। [১৬][১৭] হামবুর্গের বিশাল আর্চবিশপ্রিকের অংশ হিসেবে পরিচিত এই অঞ্চলটি ৯৮৮ সালে একটি ক্যাথলিক ডায়োসিস ( ক্যাথলিক চার্চের একটি প্রশাসনিক এলাকা, যা একটি বিশপের অধীনে পরিচালিত হয়) হিসেবে গড়ে তোলা হয়। ওদেন্সার প্রথম রেকর্ডকৃত বিশপ ছিলেন ওডিঙ্কার হভাইড এবং রেজিনবার্ট, যাকে ১০২২ সালে ক্যান্টারবেরির আর্চবিশপ এথেলনোথ কর্তৃক ধর্মরিতী অনুসারে দীক্ষিত করা হয়েছিল। [১৮]

সাম্প্রতিক খননকাজে দেখা গেছে যে একাদশ শতাব্দীর গোড়ার দিক থেকেই আলবানি টর্ভ, ফিসকেটরভেট, ওভারগেড এবং ভেস্টারগেড এলাকার আশেপাশে এই শহরের প্রাথমিক জনবসতি গড়ে উঠতে শুরু করে। [১৩] ১১০৭০ সালের মধ্যেই ওদেন্সা ডেনমার্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহরে পরিণত হয়েছিল। [১১] ডেনমার্কের রাজা ক্যানুট চতুর্থ, যাকে সাধারণত শেষ ভাইকিং রাজা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, ১০৮৬ সালের ১০ জুলাই ওদেন্সার সেন্ট অ্যালবানস প্রাইরিতে একদল বিদ্রোহী কৃষকের হাতে নিহত হন। তিনি শহরবাসীদের ওপর উচ্চ কর আরোপ করেছিলেন, যা কৃষকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছিল। [১১] ১১০০ সালে তাঁকে সন্ত ঘোষণা করা হয়। [১৯] প্রায় ৯০০ খ্রীঃ থেকে এই স্থানে একটি গির্জা অবস্থিত। দ্বাদশ শতাব্দীর শুরুতে, ইংল্যান্ডের বেনেডিক্টাইন সন্ন্যাসীরা সেন্ট ক্যানুটের অ্যাবে প্রতিষ্ঠা করেন। এখানেই ইংরেজ সন্ন্যাসী এলনোথ ডেনমার্কের প্রথম সাহিত্যকর্ম, "ভিটা এট প্যাসিও এস. ক্যানুটি" (সেন্ট ক্যানুটের জীবন ও আবেগ) লিখেছিলেন।[১৯] ওদেন্সা ক্যাথেড্রালে ক্যানুটের মন্দির মধ্যযুগ জুড়ে তীর্থযাত্রীদের আকর্ষণ করত। [২০]

মধ্যযুগ

[সম্পাদনা]
১৫৯৩ সালের ওদেন্সার ব্রাউনিয়াসের মানচিত্র

মধ্যযুগে, শহরে বেশ কয়েকটি গির্জা এবং মঠ নির্মিত হয়েছিল। সেন্ট ক্যানুট'স চার্চ (স্কটিশ নুডস কিরকে), যা বর্তমানে একটি ক্যাথেড্রাল, ১৩ শতকের শেষের দিকে নির্মিত হয়েছিল এবং বেনেডিক্টাইন সম্প্রদায়ের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিল। শহরের অন্যান্য পুরাতন গির্জার মধ্যে রয়েছে সেন্ট মেরি (ভোর ফ্রু কির্কে) এবং সেন্ট জনস (স্কটি হান্স কির্কে), যার সংলগ্ন একটি মঠও ছিল। গ্রেফ্রাইয়ার্স মঠ (গ্রাব্রোদ্রে ক্লোস্টার) ১২৭৯ সালে ফ্রান্সিসকান সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। [১৫]

১২৪৭ সালে, ডেনমার্কের রাজা আবেল তার ভাই রাজা চতুর্থ এরিকের সঙ্গে দ্বন্দ্বের সময় ওদেন্সাকে পুড়িয়ে দেন। [২১] এই ঘটনায় ক্যাথেড্রালটি সম্পূর্ণরূপে পুনর্নির্মাণ করতে হয়েছিল। [২২] তবুও, শহরটি একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে উন্নতি লাভ করে এবং ১৩৩৫ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে শহর হিসাবে স্বীকৃত হয়। [২০] মধ্যযুগে শহরটি অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে, যেখানে বহু বণিক ও কারিগর তাদের পণ্য ব্যবসা করতেন। [১২]

১৪৮২ সালে, বিশপ কার্ল রোনভ জার্মান মুদ্রাকর জোহান স্নেলকে ওদেন্সায় নিয়ে আসেন, যেখানে একটি ছোট প্রার্থনার বই "ব্রেভিয়ারিয়াম অটোনিয়েন্স" মুদ্রিত হয়, যা স্ক্যান্ডিনেভিয়ায় মুদ্রিত প্রথম কাজ বলে মনে করা হয়। পাশাপাশি, স্নেল "দে অবসিডিওনে এট বেলো রোডিয়ানো" নামে একটি বইও মুদ্রিত করেন, যা রোডস দ্বীপের তুর্কি অবরোধের বিবরণ দেয়। [২৩][২৪]

১৫৩৬ সালে ক্যাথলিক বিশপতন্ত্রের দমন এবং ডেনিশ সংস্কার পর্বের পর, ১৫৩০-এর দশক থেকে ১৭ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত শহরটি সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে এবং উত্তর ফুনেনের প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র হয়ে ওঠে। এই শহরের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি ছিল গবাদি পশুর বাণিজ্য, যা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য কাঠের ঘর নির্মাণের তহবিল জোগায়। স্থানীয় অভিজাতরা শীতের মাসগুলোতে শহরে বাসস্থান নির্মাণ করতেন, যা নগর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে, ১৬৫০-এর দশকের শেষ দিকে শহরের এই সমৃদ্ধি হঠাৎ থেমে যায়। সুইডিশ যুদ্ধের পর অতিরিক্ত কর আরোপ করা হয় এবং শহরটি ১৮ শতকের শেষ পর্যন্ত স্থবিরতার মধ্যে ছিল।[১৯]

১৬শ শতাব্দী থেকে এই শহরটি বেশ কয়েকটি সংসদের মিলনস্থল ছিল এবং ১৮০৫ সাল পর্যন্ত ওদেন্সা ছিল ফুনেনের প্রাদেশিক পরিষদের কেন্দ্র। ১৭০০ সালের মধ্যে ওদেন্সার জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৪,০০০। [১২]

উন্নয়ন

[সম্পাদনা]
হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেনের শৈশবের বাড়ি

১৮ শতকে, শহরটিকে আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে ওদেন্সায় নাটকীয় পরিবর্তন শুরু হয় এবং উন্নয়নের জন্য সুপরিকল্পিত প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ১৭২০ সালে, রাজা ফ্রেডেরিক চতুর্থ ওদেন্সা প্রাসাদ পুনর্নির্মাণের নির্দেশ দেন, যা ১৩ শতকের সেন্ট হান্স মঠের ভিত্তির ওপর নির্মিত হয়। একই সঙ্গে, নাইটস হসপিটালাররা সেন্ট হান্স গির্জা নির্মাণের দায়িত্ব গ্রহণ করে। [২০][২৫] ১৭৯৬ থেকে ১৮০৬ সালের মধ্যে, ওদেন্সা বন্দর থেকে ওদেন্সা ফজর্ড পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ৭.৫ মিটার গভীর একটি খাল নির্মাণ করা হয়, যা শহরটিকে একটি বন্দর নগরীতে পরিণত করে। এই উন্নয়ন শহরের বাণিজ্য এবং জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধি ঘটায়।[১১] [২৬] ১৭৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ওদেন্সা থিয়েটার ছিল ডেনমার্কের প্রথম প্রাদেশিক থিয়েটার এবং এটি দেশের দ্বিতীয় প্রাচীনতম থিয়েটার হিসেবে পরিচিত। [১৯][২৭] ১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত ওদেন্সা কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ১৯৯৫ সালে ওদেন্সা স্টেশনে পরিবর্তিত হয়। [২৮] এছাড়া, ওদেন্সা মিউজিক লাইব্রেরিতে ডেনমার্কের অন্যতম বৃহত্তম ফোনোগ্রাম সংগ্রহ রয়েছে। [২৯]

১৮৪০-এর দশক থেকে, শহরটি তার পুরাতন সীমানা ছাড়িয়ে দ্রুত সম্প্রসারিত হতে শুরু করে এবং শীঘ্রই ডেনমার্কের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহরে পরিণত হওয়ার দিকে অগ্রসর হয়। ১৮৫১ সালে শহরের ফটক ভেঙে ফেলা হয় এবং এর পরপরই নদীর দক্ষিণে নগর উন্নয়নের কাজ শুরু হয়। ১৮ শতকে শুরু হওয়া দস্তানা উৎপাদন শিল্প নগর বন্দরের সুবিধা বৃদ্ধির সাথে সাথে অন্যতম প্রধান শিল্পে পরিণত হয়। [৩০] ১৮৫৩ সালে ওদেন্সায় ডেনমার্কের প্রথম আধুনিক জল ও গ্যাস কারখানা খোলা হয়। [১৯] ১৮৬৫ সালে, ফুনেন দ্বীপজুড়ে রেলপথ নির্মাণের ফলে বাণিজ্য আরও বৃদ্ধি পায় এবং ওদেন্সা ডেনমার্কের বৃহত্তম রেল সংযোগ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে একটি হয়ে ওঠে।[১১] [১২] এই সব উন্নয়ন শহরটিকে শিল্পায়নের জন্য একটি আদর্শ ভিত্তি প্রদান করে, যা লোহা ও ধাতু, বস্ত্র এবং খাদ্য ও পানীয়সহ বিভিন্ন শিল্পের সম্প্রসারণ ঘটায়। শহরের পৃথক এলাকায় শিল্প ও আবাসিক সম্প্রসারণ বৃদ্ধি পেতে থাকে[২৭] এবং শহরের জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ১৯০০ সালে শহরের জনসংখ্যা ছিল ৩৫,০০০। [১২]

আধুনিক ইতিহাস

[সম্পাদনা]

ওদেন্সা শহরের বিখ্যাত প্রতীক চিহ্ন হিসাবে পরিচিত ওদিনস্টার্নেট (ওদিন টাওয়ার) ১৯৩৫ সালে নির্মিত হয়। ১৭৭ মিটার উচ্চতাসহ এটি ততকালীন ইউরোপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ টাওয়ার ছিল, যা উচ্চতায় আইফেল টাওয়ারকেও ছাড়িয়ে গেছিল। তবে, ১৯৪৪ সালে একটি ডেনিশ নাৎসি গোষ্ঠী ওদিনস্টার্নেট ধ্বংস করে, এবং এটি আর কখনো পুনর্নির্মিত হয়নি।[৩১] বর্তমানে, এর ক্ষুদ্রাকৃতির একটি মডেল ওদিনস্পার্কেনে স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে মূল টাওয়ারটি ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, ১৯৪৩ সালের আগস্টে ওদেন্সায় সাধারণ ধর্মঘট অনুষ্ঠিত হয়, যা জার্মান দখলদারদের বিরুদ্ধে সংঘটিত প্রতিরোধ আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। [২৭]

ডেনিশ শিল্প বিপ্লবের সূচনা পর্যন্ত,ওদেন্সা আধুনিক ডেনমার্কের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর ছিল, তবে সাম্প্রতিক কালে আরহুস শহর এই শিরোপা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। ১৯৬০-এর দশক থেকে, ওদেন্সা ক্রমশ একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হয়ে ওঠে। ১৯৬৬ সালে এখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বৃহৎ ওদেন্সা কংগ্রেস সেন্টারে বাণিজ্য মেলা ও অন্যান্য আয়োজন শুরু হয়। [১১] ১৯৮৮ সালে, ওদেন্সায় একটি জাতীয় টেলিভিশন নেটওয়ার্ক, টিভি২, চালু করা হয়।[২৭]

শহরের হাজারতম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে, ১৯৮৮ সালে তুসিন্দরস্কোভেন প্রতিষ্ঠা করা হয়। তুসিন্দরস্কোভেন অর্থাৎ হাজার বছরের বন। একটি এলাকায় বৃক্ষ রোপন করে এই তুসিন্দরস্কোভেন প্রতিষ্ঠা করা হয়। [১১] ২০০৫ সালে শহরে হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেনের ২০০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। [১১]

ওদেন্সা স্টিল শিপইয়ার্ড (স্টালস্কিবসব্যার্ফ), যা ১৯৯৬ সাল থেকে ডেনমার্কের বৃহত্তম জাহাজ নির্মাণ কারখানা ছিল, ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার ফলে বন্ধ হয়ে যায়। এটি ১৯১৯ সালে এপি মোলার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে মার্স্ক কোম্পানির জন্য মাল সরবরাহকারী জাহাজ নির্মাণ করত। পরে, লিন্ডো শিল্প এলাকা ওদেন্সা বন্দরের কর্তৃপক্ষের কাছে বিক্রি করা হয়, যেখানে বর্তমানে লিন্ডো বানিজ্যিক স্থান নির্মিত হচ্ছে। [১৯]

ভূগোল

[সম্পাদনা]

ওদেন্সা ফুনেন দ্বীপের উত্তর-পূর্ব কেন্দ্রে অবস্থিত। সড়কপথে, ওদেন্সা স্বেনডবার্গের উত্তরদিক থেকে ৪৫ কিলোমিটার (২৮ মাইল) , আরহুসের দক্ষিণদিক থেকে ১৪৪ কিলোমিটার (৮৯ মাইল), কোপেনহেগেনের দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে ১৬৭ কিলোমিটার (১০৪ মাইল) , এসবিয়ার্গের পূর্ব দিক থেকে ১৩৬ কিলোমিটার (৮৫ মাইল) এবং কোল্ডিংয়ের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ৬৯ কিলোমিটার (৪৩ মাইল) দূরত্বে অবস্থিত। [৩২] ওদেন্সা শহরের উপশহরগুলোর মধ্যে রয়েছে উত্তরে স্টিজ, উত্তর-পূর্বে সেডেন, বুলেরুপ এবং এজড্রপ, পশ্চিমে ব্লোমেন্সলিস্ট, দক্ষিণ-পশ্চিমে বেলিঞ্জ এবং দক্ষিণে নেদের হলুফ ও হজবি। [৩৩]

ওডেন্স ফজর্ডে টর্নো

ওদেন্সা নদী শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে, যা শহরের প্রধান বাজার এলাকার দক্ষিণে অবস্থিত। [৩৪] শহরের উত্তরে ওদেন্সা সমুদ্র খাড়ী এবং উত্তর-পূর্বে কের্তেমিন্ডে যাওয়ার ১৬৫ নম্বর সড়ক ধরে কের্তেমিন্ডে সমুদ্র খাড়ী অবস্থিত। হালস এবং স্কোভেনের মধ্যে গ্যাবেটসের সরু পথ দিয়ে সমুদ্রখাড়ীতে প্রবেশ করা যায় এবং এটি খালের মাধ্যমে ওদেন্সা বন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত। [৩৫] ব্রেগনোরের ছোট জেলে গ্রামটি শহর থেকে প্রায় ৩.৭ কিলোমিটার (২.৩ মাইল) দূরে অবস্থিত। পথের দক্ষিণ-পূর্বে ১১ মিটার (৩৬ ফুট) গভীরতা সম্পন্ন একটি নিয়ন্ত্রিত জলধারা প্রনালী রয়েছে, যা সমুদ্র খাড়ী ও লিন্ডো প্রান্তিক স্টেশনে কোয়ের প্রবেশপথের মধ্যাঞ্চলের উত্তর অংশে অবস্থিত। [৩৫] বন্দরের উত্তর-পূর্বে ফিনস হোভেড উপকূল অবস্থিত, যা দক্ষিণে বাঁক নিয়ে ওদেন্সা সমুদ্র খাড়ীর দিকে প্রবাহিত হয়েছে। ফিনস হোভেড ও স্কোভেনের মধ্যবর্তী অঞ্চলের পূর্ব দিকে ৫.৫ মিটার (১৮ ফুট) গভীরতার একটি এলাকা রয়েছে, যার পেছনে রয়েছে সৈকত ও পাহাড়। এর দক্ষিণে কর্শাভন উপসাগর অবস্থিত, যেখানে কর্শাভন বাতিঘর (লাইটহাউজ) রয়েছে। স্কোভেন একটি খালি, রুক্ষ উপদ্বীপ, যার পূর্বে ডালবি উপসাগর (ডালবি বাগট) অবস্থিত। [৩৫]

ওদেন্সা সমুদ্র খাড়ির দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে ভিগেলসো দ্বীপপুঞ্জ এবং ২১ হেক্টর আয়তনের টর্নো দ্বীপ অবস্থিত। টর্নো দ্বীপটি ৩০০ মিটার (৯৮০ ফুট) দীর্ঘ রেলপথ-সংযুক্ত কজওয়ের মাধ্যমে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে। ভিগেলসো দ্বীপ ১৩২ হেক্টর আয়তনের ওদেন্সা সমুদ্র খাড়ীর বৃহত্তম দ্বীপ এবং এটি পরিযায়ী পাখিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজনন ক্ষেত্র।[৩৬] এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের "আবাসস্থল ও পাখি সংরক্ষণ নির্দেশিকা"-এর অধীনে বিশেষ সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে, যেখানে ২০১৫ সালের মধ্যে জীবজন্তু বসবাস ও সংরক্ষণের জন্য উপযুক্ত পরিবেশগত অবস্থা অর্জনের লক্ষ্যে নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালানো হয়েছে। [৩৭] দ্বীপটি নিচু ভূমি দ্বারা গঠিত, যার সর্বোচ্চ বিন্দু অস্টারহোভ, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৬ মিটার উঁচু। দ্বীপের উত্তর অংশে ২৫ হেক্টর বনভূমি রয়েছে, আর দক্ষিণ অংশটি উপকূলীয় তৃণভূমি দ্বারা আবৃত।

জলবায়ু

[সম্পাদনা]

ওদেন্সার জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ সমুদ্রীয়, যা কোপেন জোন সিএফবি হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ। গ্রীষ্মকালে গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকে (৬৮ °ফারেনহাইট), যেখানে শীতকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সাধারণত হিমাঙ্কের নিচে নেমে যায়।

গড়পড়তা সবচেয়ে উষ্ণ মাস হলো জুলাই এবং আগস্ট, যখন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা যথাক্রমে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৭০ °ফারেনহাইট) পর্যন্ত পৌঁছায় এবং দৈনিক গড় তাপমাত্রা জুলাইতে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৬৩ °ফারেনহাইট) ও আগস্টে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৬১ °ফারেনহাইট) থাকে। এগুলোই সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের মাস, যেখানে আগস্টে গড় বৃষ্টিপাত প্রায় ৮০ মিমি (৩.১ ইঞ্চি) এবং জুলাইয়ে ৬৪ মিমি (২.৫ ইঞ্চি)। অতিরিক্ত ক্রান্তীয় ঝড় প্রায়শই এই অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টিপাত ঘটায়। [৩৮] সবচেয়ে ঠান্ডা মাস হলো জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি, যখন দৈনিক গড় তাপমাত্রা ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৩২ °ফারেনহাইট) থাকে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা জানুয়ারিতে -২ ডিগ্রি সেলসিয়াস (২৮ °ফারেনহাইট) এবং ফেব্রুয়ারিতে -৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস (২৬ °ফারেনহাইট) হতে পারে। [৩৮] জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে ওদেন্সা সমুদ্র খাড়ীতে বরফ জমা সাধারণ ঘটনা, যা বরফভাঙা যন্ত্রের সাহায্যে পরিষ্কার রাখা হয়।

সমুদ্র খাড়ীতে জোয়ারের জলস্তরের সাধারণ উচ্চতা প্রায় ০.৬ মিটার (২ ফুট ০ ইঞ্চি), তবে পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত বাতাসের কারণে জলস্তর ১.৮ মিটার (৫ ফুট ১১ ইঞ্চি) পর্যন্ত বাড়তে পারে, এবং পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিকের বাতাসের প্রভাবে এটি ১.৫ মিটার (৪ ফুট ১১ ইঞ্চি) পর্যন্ত কমে যেতে পারে। [৩৫] শহরের জলবায়ু সংক্রান্ত তথ্য হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেন বিমানবন্দরে ( আইসিএও : ইকোড) রেকর্ড করা হয়।

ওদেন্সা (১৯৭১-২০০০)-এর আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য
মাস জানু ফেব্রু মার্চ এপ্রিল মে জুন জুলাই আগস্ট সেপ্টে অক্টো নভে ডিসে বছর
সর্বোচ্চ রেকর্ড °সে (°ফা) ১১.২
(৫২.২)
১৩.৪
(৫৬.১)
১৮.৫
(৬৫.৩)
২৭.৪
(৮১.৩)
২৮.৮
(৮৩.৮)
৩১.৬
(৮৮.৯)
৩৩.৪
(৯২.১)
৩৩.৬
(৯২.৫)
২৭.৭
(৮১.৯)
২৩.০
(৭৩.৪)
১৫.৮
(৬০.৪)
১২.৪
(৫৪.৩)
৩৩.৬
(৯২.৫)
সর্বোচ্চ গড় °সে (°ফা) ৩.১
(৩৭.৬)
৩.৩
(৩৭.৯)
৬.১
(৪৩.০)
১০.৭
(৫১.৩)
১৬.০
(৬০.৮)
১৯.২
(৬৬.৬)
২১.৩
(৭০.৩)
২১.৪
(৭০.৫)
১৬.৯
(৬২.৪)
১২.৩
(৫৪.১)
৭.৪
(৪৫.৩)
৪.৫
(৪০.১)
১১.৯
(৫৩.৪)
দৈনিক গড় °সে (°ফা) ১.০
(৩৩.৮)
১.১
(৩৪.০)
৩.১
(৩৭.৬)
৬.৬
(৪৩.৯)
১১.৬
(৫২.৯)
১৪.৭
(৫৮.৫)
১৬.৬
(৬১.৯)
১৬.৫
(৬১.৭)
১৩.০
(৫৫.৪)
৯.২
(৪৮.৬)
৫.১
(৪১.২)
২.৫
(৩৬.৫)
৮.৪
(৪৭.১)
সর্বনিম্ন গড় °সে (°ফা) −১.৫
(২৯.৩)
−১.৪
(২৯.৫)
০.১
(৩২.২)
২.৫
(৩৬.৫)
৬.৭
(৪৪.১)
৯.৯
(৪৯.৮)
১১.৭
(৫৩.১)
১১.৫
(৫২.৭)
৮.৯
(৪৮.০)
৫.৮
(৪২.৪)
২.৪
(৩৬.৩)
০.২
(৩২.৪)
৪.৭
(৪০.৫)
সর্বনিম্ন রেকর্ড °সে (°ফা) −২১.৬
(−৬.৯)
−২০.০
(−৪.০)
−১৪.৯
(৫.২)
−৫.৩
(২২.৫)
−২.০
(২৮.৪)
১.৭
(৩৫.১)
৩.৬
(৩৮.৫)
৪.২
(৩৯.৬)
−১.৪
(২৯.৫)
−৪.১
(২৪.৬)
−১৬.২
(২.৮)
−২০.০
(−৪.০)
−২১.৬
(−৬.৯)
অধঃক্ষেপণের গড় মিমি (ইঞ্চি) ৪৮.৫
(১.৯১)
৩০.১
(১.১৯)
৩৯.৬
(১.৫৬)
৩২.৪
(১.২৮)
৪১.১
(১.৬২)
৫০.৬
(১.৯৯)
৫০.০
(১.৯৭)
৫২.৭
(২.০৭)
৫৬.৭
(২.২৩)
৫৮.১
(২.২৯)
৫৩.৩
(২.১০)
৪৭.৭
(১.৮৮)
৫৬০.৯
(২২.০৮)
অধঃক্ষেপণ দিনগুলির গড় (≥ ০.১ mm) ১৬.৪ ১২.৭ ১৪.৭ ১১.৮ ১১.০ ১২.৪ ১২.৪ ১২.৭ ১৪.৮ ১৫.৮ ১৬.৭ ১৬.৫ ১৬৮.০
তুষারময় দিনগুলির গড় ৬.০ ৪.৪ ৩.৯ ১.১ ০.০ ০.০ ০.০ ০.০ ০.০ ০.০ ১.৬ ৩.৩ ২০.৯
আপেক্ষিক আদ্রতার গড় (%) ৮৮ ৮৭ ৮৪ ৭৬ ৭৩ ৭৪ ৭৪ ৭৪ ৮০ ৮৩ ৮৭ ৮৮ ৮১
মাসিক সূর্যালোক ঘণ্টার গড় ৪০ ৬১ ১২৪ ১৭৯ ২৫৮ ২৬৫ ২৫৬ ২২৪ ১৭৫ ১০১ ৪৪ ২৮ ১,৭৫৫
উৎস: ড্যানিশ মেটিওরোলজিক্যাল ইনস্টিটিউট (আর্দ্রতা ১৯৬১–১৯৯০, সূর্যালোক ১৯৩১–১৯৬০)[৩৯][৪০][৪১]
শীতকালে স্কভসোয়েন ইন ফ্রুয়েন্স বয়ে, ওদেন্সায়

জনসংখ্যা

[সম্পাদনা]

ওদেন্সা দীর্ঘদিন ধরে একটি জনবহুল শহর ছিল এবং ১৬৭০ সালে এর জনসংখ্যা ছিল ৩,৮০৮ জন। ১৭৮৭ সালের মধ্যে জনসংখ্যা বেড়ে ৫,৩৬৩ জনে এবং ১৮০১ সালে বেড়ে ৫,৭৮২ জনে এসে দাঁড়ায়। উনিশ শতকে জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। ১৮৩৪ সালে ৮,৭০৯ জন, ১৮৪৫ সালে ১০,২৩৮ জন, ১৮৫৫ সালে ১২,৯৩২ জন, ১৮৭০ সালে ১৬,৯৭০ জন, ১৮৮০ সালে ২০,৮০৪ জন এবং ১৮৯০ সালে ৩০,২৬৮ জন জনসংখ্যা নথিভুক্ত হয়। [৪২]

রেলপথ এবং বন্দরের মাধ্যমে যোগাযোগের উন্নতি ও বিস্তার শহরের জনসংখ্যার বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে, ১৯০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী শহরের জনসংখ্যা ৪০,১৩৮ জন নথিবদ্ধ করা হয়। এরপর ১৯১১ সালে লোক সংখ্যা ৪৭,২২৪ জনে পৌঁছায়। ১৯২১ সালে লোক সংখ্যা ৬১,৯৬৯ জনে, এবং ১৯৩৫ সালে তা বেড়ে ৮৭,০৯০ জনে উন্নীত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, শহরের জনসংখ্যা ১০০,০০০ ছড়িয়ে যায় এবং ১৯৪৫ সালে তা ১০৩,১০৭ জনে এসে পৌঁছায়। [৪২] যুদ্ধের পরবর্তী সময়গুলোতে, ওদেন্সা শহরের জনসংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে থাকে। ১৯৫৫ সালে জনসংখ্যা ছিল ১২০,৫৭০ জন এবং ১৯৬৫ সালে তা বেড়ে ১,৩৩,৩৮৪ জনে দাঁড়ায়। ১৯৭০ সালের মধ্যে শহরের জনসংখ্যা ১৩৯,৪৯০ জনে পৌঁছায়। [৪২], ১৯৬৬ সালে, ওদেন্সা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর শহরটি একটি শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেতে শুরু করে।

১৯৭০ সালে সীমানা পুনর্নির্ধারণের পর শহরের বাসিন্দারা কেন্দ্র থেকে শহরতলির এলাকায় চলে যেতে শুরু করে, যা পরবর্তীতে ওদেন্সা পৌরসভার অংশ হয়ে ওঠে। [২৭] এর ফলে, ১৯৭০ এবং ১৯৮০ এর দশকে শহরের জনসংখ্যা কিছুটা হ্রাস পায়, এবং ১৯৮১ সালে তা ১,৩৬,৬৪৬ জনে নামিয়ে আসে। [৪২] তবে ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে জনসংখ্যা আবার বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং ধীরে ধীরে ১৯৯৬ সালে শহরের লোক সংখ্যা ১৪৪,৫১৮ জন এবং ২০০৪ সালে ১৪৫,৫৫৪ জনে পৌঁছায়। [৪২] ২০১০ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, ওদেন্সার জনসংখ্যা ছিল ১,৬৬,৩০৫ জন [৪৩] এবং ২০১৭ সালের হিসাব অনুযায়ী শহরের জনসংখ্যা ছিল ১,৭৬,৬৮৩ জন। [৪৪]

জনসংখ্যা গোষ্ঠী বছর
২০২৩ [৪৫][৪৬]
সংখ্যা %
ডেনিশ বংশোদ্ভূত ১,৭১,৬৭০ ৮২.৫৯%
অভিবাসী ২৫,৭৩২ ১২.৩৮%
ইইউ-২৭ ৭,৭১৬ ৩.৭১%
EU-27 এর বাইরের ইউরোপ ৮,৩৭৬ ৪.০৩%
আফ্রিকা ৩,৯৪৪ ১.৯%
উত্তর আমেরিকা 301 সম্পর্কে ০.১৪%
দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা ৫৪২ ০.২৬%
এশিয়া ১৫,১৯২ ৭.৩১%
ওশেনিয়া ৭৬
রাষ্ট্রহীন
অজানা
মোট ২০৭,৮৬৪ ১০০%

পৌর প্রশাসন

[সম্পাদনা]

ওদেন্সা পৌরসভা হল একটি একক প্রশাসনিক কাঠামো, যা ওদেন্সা শহর ও আশেপাশের শহরতলি এবং গ্রামগুলি অন্তর্ভুক্ত করে গঠিত হয়েছে। ওদেন্সা শহর পরিষদ একজন মেয়র সহ ২৯ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। ওদেন্সার প্রাক্তন মেয়র, আঙ্কার বয়ে, সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্য। তার কার্যকালের প্রথম মেয়াদ ছিল ১৯৯৩ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত এবং তারপর তিনি রক্ষণশীল দলের প্রার্থী জ্যান বয়ের কাছে পরাজিত হন। তবে ২০০৯ সালের নির্বাচনে তিনি পুনরায় নির্বাচিত হন এবং রেড-গ্রিন অ্যালায়েন্স, সোশ্যালিস্ট পিপলস পার্টি এবং সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদের সাথে একটি জোট গঠন করেন। [৪৭][৪৮] শহর পরিষদের মূলমন্ত্র হল অ্যাট লেজে এর অ্যাট লেভে (খেলাই বেঁচে থাকা) যা ২০১৭ সালের নির্বাচিত শহর পরিষদের লক্ষ্যমাত্রা, শিক্ষনীয় বিষয়, উদ্ভাবন, উন্নয়ন এবং প্রবৃদ্ধিকে এক নতুন পদ্ধতিতে অনুসরণ করার একটি আদর্শ।[৪৯] ২০০৫ সালে, হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেনের ২০০তম বার্ষিকী উদযাপনের সময়, বয়ে এবং তার প্রশাসন অব্যবস্থাপনার জন্য সমালোচিত হন। বিশেষত, টিনা টার্নারের সাথে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছিল, যার ফলে ১৩ মিলিয়ন ক্রোনার ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছিল।[৫০]

২০১৩ সালের পৌর নির্বাচনের পর বয়ে ২০১৪ সালের শুরু থেকে মেয়র হিসেবে তার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার জন্য লিবারেল এবং বামপন্থীদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সমর্থন অর্জনে সফল হন।[৫১]

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে বয়ে ঘোষণা করেন যে তিনি ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করবেন।ওদেন্সার নতুন মেয়র হবেন পিটার রাহব্যাক জুয়েল, যিনি সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটদেরও একজন সদস্য। [৫২] ঘোষণা অনুযায়ী রাহব্যাক জুয়েল বয়ের স্থলাভিষিক্ত হন এবং ২০১৭ সালের নভেম্বরে পৌর নির্বাচনের পর থেকে তিনি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। [৫৩]

অর্থনীতি

[সম্পাদনা]
ওডেন্স বন্দর

ওদেন্সা হল ফুনেনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র, এবং ডেনমার্কে শহরের কেন্দ্রীয় অবস্থান একে অন্যতম এক জাতীয় সম্মেলন এবং কংগ্রেস কেন্দ্রগুলি করে তুলেছে। শহরের উল্লেখযোগ্য উদ্যোগগুলির মধ্যে রয়েছে আলবানি ব্রিউয়ারি, এবিবি (আসিয়া ব্রাউন বোভেরি), কানসাস ওয়ার্কওয়্যার (পোশাক), প্লাস প্যাক (টিনের পাত্র) এবং রিজেনস / এসজি লাইটিং (বৈদ্যুতিক সামগ্রী) -এর মতো নির্মাতারা। সাম্প্রতিক বছরে উৎপাদন খাত থেকে পরিষেবা খাতে সিংহভাগ কর্মী জনসম্পদ প্রতিস্থাপিত হওয়ার প্রবণতা দেখা দিয়েছে। [১৯] ২০০২ সালের মধ্যে, ৫১% কর্মী পরিষেবা খাতে নিযুক্ত ছিল এবং মাত্র ১৩% শিল্পে কর্মরত ছিল। [৩০] একসময় ডেনমার্কের বৃহত্তম জাহাজ নির্মাণ সংস্থা লিন্ডো ওয়ার্ফকে এখন লিন্ডো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে রূপান্তরিত করা হয়েছে যা অফশোর শিল্পের জন্য উপাদান উৎপাদন এবং সংরক্ষণে বিশেষজ্ঞ। [৫৪] গাসা নামক একটি বৃহৎ উদ্যানতত্ত্ব কেন্দ্র, দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে ফল, শাকসবজি, ফুল এবং গাছপালা সরবরাহ করে এবং রপ্তানি করে। [১৯] ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত, ডেনমার্কের প্রধান বাণিজ্যিক টেলিভিশন চ্যানেল টিভি ২ ওদেন্সায় অবস্থিত। [১৯]

রোজেনগার্ডসেন্ট্রেট বাজার অঞ্চল ওদেন্সার দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত। এই বাজার ও ব্যবসা কেন্দ্রটি ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১,৪০,০০০ মি (১৫,০০,০০০ ফু) অঞ্চলবিশিষ্ট এটি ডেনমার্কের বৃহত্তম বাজার কেন্দ্র। এখানে ১৫০ টিরও বেশি দোকানের পাশাপাশি রেস্তোরাঁ, একটি সিনেমা হল এবং একটি ব্যায়াম শিক্ষণ কেন্দ্র আছে। [৫৫] শহরের কেন্দ্রস্থলে, বিশেষ করে কঙ্গেনসগেড, ভেস্টারগেড এবং সংলগ্ন পথচারী রাস্তায় বিভিন্ন ধরণের দোকান আছে। [৫৬]

ওডেন্স চিড়িয়াখানা

পর্যটন শহরের আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। ২০০৮ সালে ওদেন্সা পৌরসভা পর্যটন খাতে আয়ের জন্য ডেনমার্কের সপ্তম স্থানে ছিল। পর্যটন খাতে আয় এক বছরে ১.৬ মিলিয়ন ডেনিশ ক্রোনারে পৌঁছেছিল। [৫৭] ২০১১ সালে, ওদেন্সা চিড়িয়াখানা ছিল ফুনেনের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ এবং ডেনমার্কের একাদশতম জনপ্রিয় চিড়িয়াখানা যেখানে ৪০৫,৯১৩ জন দর্শনার্থী এসেছিলেন। [৫৮] চিড়িয়াখানাটি ১৯৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং ৩.৬ হেক্টর (৮.৯ একর) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত যেখানে ১৪৭টি প্রজাতি সম্বলিত প্রায় ২,০০০ প্রাণী রয়েছে । [৫৯] ২০০১ সালে, ওদেন্সা চিড়িয়াখানা দক্ষিণ আমেরিকান ৬০ মিলিয়ন ড্যানিশ ক্রোনাস দ্বারা নির্মিত "ওশানিয়াম" উদ্বোধন করে।

শহরের ব্র্যান্ডস প্যাসেজে অসংখ্য রেস্তোরাঁ, বার এবং ক্যাফে রয়েছে। [৬০] শহরের উল্লেখযোগ্য হোটেলগুলির মধ্যে রয়েছে রেডিসন এসএএস এইচসি অ্যান্ডারসেন হোটেল, ব্রাসেরি বার সহ ফার্স্ট হোটেল গ্র্যান্ড, ৬৮ কক্ষ বিশিষ্ট পুরাতন ইংরেজি ধাঁচের ক্লারিয়ন কালেকশন হোটেল প্লাজা, সিটি হোটেল, যা হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেন জাদুঘরের কাছাকাছি অবস্থিত এবং ১৪০ কক্ষ বিশিষ্ট ড্যানহোস্টেল ওডেন্স সিটি। [১৪]

ওডেন্স-ভিত্তিক রোবোটিক্স কোম্পানি MiR, বা মোবাইল ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটসের একটি রোবট।

ইউনিভার্সাল রোবটস এবং মোবাইল ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটস (এমাইয়ার) এর মতো কোম্পানিগুলির ব্যবসায়িক সাফল্যের পর, ওদেন্সা রোবোটিক্সের বা যন্ত্রবিদ্যার জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃত কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। এই শহরে অসংখ্য নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগ শুরু হয়েছে। দক্ষিণ ডেনমার্ক বিশ্ববিদ্যালয় রোবোটিক্সের এক শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেন বিমানবন্দরে রয়েছে জাতীয় ড্রোন পরীক্ষা কেন্দ্র। রোবট শিল্পে ওদেন্সা প্রভূত উন্নতি করেছে। ওদেন্সাতে ৩০০ টিরও বেশি রোবোটিক্স, ড্রোন এবং অটোমেশন কোম্পানি রয়েছে, যারা প্রায় ২০,০০০ লোককে নিয়োগ করে। [৬১] ওদেন্সা বিশেষ করে সহযোগী রোবট বা "কো-বট"-এর অগ্রগতির জন্য পরিচিত।

প্রতীক চিহ্ন

[সম্পাদনা]
সেন্ট অ্যালবানস চার্চ, ওডেন্স

ওদেন্সা ননেবাক্কেন পাহাড় এলাকায় ডেনমার্কের ছয়টি পুরাতন ভাইকিং দুর্গের মধ্যে একটির অবস্থান। এই দুর্গ সোয়েন ফর্কবার্ডের রাজত্বকালে নির্মিত হয়েছিল। ৯৭৫ সালের দিকে সোয়েন ফর্কবার্ড তার বাবা হ্যারল্ড ব্লুটুথকে দেশ ছেড়ে ওলিনে (আধুনিক পোল্যান্ড) জোমসভিকিংসের কাছে আশ্রয় নিতে বাধ্য করেছিলেন। দুর্গটির পাহাড়ের পাশ দিয়ে ওদেন্সা নদীর বয়ে গেছে। সেই কারনে দুর্গ যার অধিকারে থাকত, সে নদীর জলপথকে পূর্ন নিয়ন্ত্রণ করতে পারতো। উনিশ শতকের শেষের দিকে যখন অড ফেলো লজের জন্য একটি ভবন নির্মাণ করা হয়, তখন দুর্গের প্রত্নতাত্ত্বিক ধ্বংসাবশেষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। [৬২][৬৩]

গির্জা

[সম্পাদনা]

ওদেন্সায় ফুনেনের বিশপের অবস্থান । সেন্ট ক্যানুটের ক্যাথেড্রাল পূর্বে বেনেডিক্টাইন মঠের সাথে যুক্ত ছিল এবং এটি ডেনমার্কের সবচেয়ে বড় এবং সর্বোত্তম ভবনগুলির মধ্যে একটি। [৬৪][৬৫] মূলত ১০৮১ থেকে ১০৯৩ সালের মধ্যে নির্মিত গির্জাটি ১৩ শতকে বিশুদ্ধ গথিক শৈলীতে ইট দিয়ে পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল। মূল বেদীর নীচে ডেনমার্কের পৃষ্ঠপোষক সন্ত ক্যানুট এবং তার ভাইয়ের সমাধি বর্তমান। দুটি সমাধির পাশে বাইজেন্টাইন কাপড়ের একটি বড় টুকরো রাখা হয়েছে। এই ক্যাথেড্রালটিতে ডেনমার্কের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বেদীগুলির মধ্যে একটি বর্তমান। ক্লজ বার্গের একটি দুর্দান্ত শিল্পকর্মও রয়েছে এখানে। রাজা জেনস এবং দ্বিতীয় ক্রিশ্চিয়ানকে শহরে সমাহিত করা হয়েছে। [৬৬]

সেন্ট অ্যালবানস চার্চ, নিওগথিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত হয় এবং ১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ওদেন্সার রোমান ক্যাথলিক গির্জা। চার্চটির উচ্চতা ৫৪ মিটার (১৭৭ ফুট)।[৬৭]

সেন্ট মেরি'স চার্চ (ভোর ফ্রু কিরকে বা আওয়ার লেডি'স চার্চ), ১৩শ শতাব্দীতে নির্মিত হয় এবং ১৮৫১-১৮৫২ ও ১৮৬৪ সালে এর পুনরুদ্ধার করা হয়। এতে লুবেকের ক্লজ বার্গ কর্তৃক খোদাই করা ১৬শ শতাব্দীর একটি বেদী রয়েছে।[৬৮] সেন্ট জনস চার্চ (স্যাঙ্কট হান্স কিরকে), প্রথমবার ১২৯৫ সালে উল্লেখ করা হয়, এটি নাইটস হসপিটালার দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। ১৬৩৬ সালে পুনর্নির্মাণ এবং পরবর্তী সময়ে পুনরুদ্ধারের ফলে মূল ভবনের খুব কম অংশই অবশিষ্ট আছে। লাল ইটের তৈরি এই চার্চের চ্যান্সেলের দেয়ালে অনুভূমিক অলঙ্করণ রয়েছে এবং এতে বড় গথিক জানালা রয়েছে। সিঁড়ির টাওয়ারে স্থিত একটি ঘণ্টায় ১৪৯৬ সালের তারিখ উৎকীর্ণ, যা সম্ভবত চার্চটির গঠন সম্পন্ন হওয়ার বছর নির্দেশ করে।এই টাওয়ারটি ওদেন্সা প্রাসাদের সংলগ্ন, যা মূলত একটি মঠ হিসেবে নির্মিত হয়েছিল। [৬৯]

মধ্যযুগের পর ওদেন্সায় নির্মিত প্রথম গির্জা ছিল আনসগার্স গির্জা। এটি ১৯০২ সালে সম্পন্ন হয়। গির্জায় নীলস জ্যাকবসেন কর্তৃক গ্রানাইট ভিত্তির উপর লাল ইটের তৈরি শেষ রোমানেস্ক শৈলীতে নকশা করা হয়। অভ্যন্তরে একটি ৪৫ মিটার (১৪৮ ফুট) উঁচু টাওয়ার দ্বারা পরিপূরক। [৭০] প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির কৃতজ্ঞতাস্বরূপ ১৯২০ সালে শুদ্ধিকরনের পর এর নাম দেওয়া হয় পিস্ চার্চ (ফ্রেডেনস্কির্ক)। শিল্পী পেডার ভিলহেম জেনসেন-ক্লিন্ট গির্জার নকশা করেন, যিনি পরবর্তীতে কোপেনহেগেনের গ্রান্ডভিগস গির্জারও নকশা করেন। [৭১]

সিটি হল

[সম্পাদনা]
সিটি হল

ওদেন্সার সিটি হল (ওদেন্সা রাধুস) মধ্যযুগীয় ইতালীয় স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম নিদর্শন। স্থপতি জোহান ড্যানিয়েল হেরহোল্ড এবং কার্ল লেনডর্ফ এই ঐতিহাসিক ভবনের নকশা করেছিলেন। ১৮৮৩ সালে সম্পন্ন হওয়া এই ভবনটিতে লাল ইটের গাঁথুনি, বেলেপাথরের অলংকরণ, ধাপযুক্ত চূড়া এবং করাত-দাঁতের পথের সমন্বয় রয়েছে।[৭২] টি ১৪৮০ সালের একটি ছোট ভবনের স্থানে নির্মিত হয়েছিল।[৭৩] ১১৯৩৭ সালে, স্থপতি বেন্ট হেলভেগ-মোলার এই ভবনের সম্প্রসারণের নকশার জন্য আয়োজিত প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন। ১৯৪২ সালে প্রধান প্রবেশপথের উপরের টাওয়ারটি ভেঙে ফেলা হয়, তবে এটি আর পুনর্নির্মাণ করা হয়নি। যুদ্ধের কারণে কাজ বিলম্বিত হওয়ায়, সম্প্রসারণ প্রকল্পটি ১৯৫৫ সালের আগে সম্পন্ন হয়নি। ২০০৫ সালে, হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেনের ২০০তম জন্মবার্ষিকীর সঙ্গে মিল রেখে ভবনের অভ্যন্তরীণ অংশের ব্যাপক সংস্কার করা হয়। এর মধ্যে প্রবেশদ্বার, সভাকক্ষ, ভোজসভা কক্ষ এবং কাউন্সিল চেম্বারের সংস্কার অন্তর্ভুক্ত ছিল।[৭৪]

প্রাসাদ এবং থিয়েটার

[সম্পাদনা]
ওডেন্স প্রাসাদ
ওডেন্স থিয়েটার

ওদেন্সা প্রাসাদ চতুর্থ ফ্রেডেরিক কর্তৃক নির্মিত হয়েছিল, এবং তিনি ১৭৩০ সালে সেখানেই মারা যান। বর্তমানে এটি একটি প্রশাসনিক ভবন হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি ১৫শ শতাব্দীর সাংক্ট হান্স ক্লোস্টার নামক একটি মঠের স্থানে অবস্থিত, যা ১৫৩৬ সালে রাজকীয় অধিকারে চলে যায়।[১৯] ১১৩টি খিলান বিশিষ্ট প্রধান সাদা বারোক ভবনটির নকশা করেছিলেন স্থপতি জেসি ক্রিগার। ভবনটির নির্মানকাজ ১৭২৩ সালে সম্পন্ন হয়। [৭৫] স্থপতি জোহান কর্নেলিয়াস ক্রিগার ফরাসি শৈলীতে রাজার বাগানের নকশা করেছিলেম।[৭৬]

ওদেন্সা থিয়েটার, যা ১৭৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, এটি ডেনমার্কের দ্বিতীয় প্রাচীনতম নাট্য প্রতিষ্ঠান এবং দেশের তিনটি প্রধান থিয়েটারের মধ্যে একটি। মূল ভবনটি সোর্টেব্রেড্রে টর্ভে-তে অবস্থিত ছিল, যা ১৯১৪ সাল পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়েছিল। এরপর স্থপতি জ্যাকবসেন-এর নকশা করা একটি নতুন ভবন জার্নবেনেগেডে খোলা হয়। থিয়েটারটির তিনটি মঞ্চ রয়েছে: স্টোর সিন, ভার্কস্টেডেট এবং ফয়ার্সসেনন। এটি একটি অতিরিক্ত মঞ্চও পরিচালনা করে, যা পূর্বে সুক্কারকোগেরিয়েত নামে একটি চিনি কারখানা ছিল। এখানেই ১৯৪১ সালে কোপেনহেগেনের বাইরে প্রথম নাট্য বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।[১৯] ১৮৭৭ সালের ১৪ নভেম্বর হেনরিক ইবসেনের এর প্রথম সমসাময়িক বাস্তববাদী নাটক "দ্য পিলারস অফ সোসাইটি"-এর প্রিমিয়ার মঞ্চস্থ করার জন্য থিয়েটারটি নাট্য ইতিহাসে বিশেষ স্থান পায়। [৭৭] পৌর সরকার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক সরকারিভাবে অর্থায়নকৃত থিয়েটার মোমেন্টাম (বা থিয়েটার উডেন রিগলেন) ওদেন্সার অন্যতম উল্লেখযোগ্য নাট্য প্রতিষ্ঠান। ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই থিয়েটারটি প্রতি বছর নতুন একজন পরিচালক নিয়োগ করে, যিনি নির্দিষ্ট নাট্য দল ও অভিনেতাদের নিয়ে একটি বিশেষ নাট্য মৌসুম পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও, এখানে সংগীত অনুষ্ঠান, বিতর্ক, বক্তৃতা এবং কবিতা পাঠসহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজন করা হয়। [৭৮]

ডেনমার্কের পাঁচটি আঞ্চলিক অর্কেস্ট্রা বা বাজনাদার দলের মধ্যে একটি ওদেন্সা সিম্ফনি অর্কেস্ট্রা (ওদেন্সা সিম্ফোনিওরকেস্টার) আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ওদেন্সা কনসার্ট হল-এ অবস্থিত, যা ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।

অর্কেস্ট্রার বেশিরভাগ অনুষ্ঠান কার্ল নিলসেন হল-এ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ১,২১২ আসন বিশিষ্ট একটি বৃহৎ কক্ষ রয়েছে। এছাড়াও, কক্ষটিতে মার্কুসসেন অ্যান্ড সন দ্বারা নির্মিত একটি বিশাল অর্গান রয়েছে।[৭৯] ১৯৪৮ সালে প্রথম প্রতিষ্ঠিত হলেও, ফুনেন অপেরা (ডেন ফিনস্কে অপেরা) কিছু সময় বন্ধ থাকার পর ১৯৯৬ সালে পুনরায় চালু হয়। এটি ডেনিশ ভাষায় সমসাময়িক সংগীত বিচিত্রানুষ্ঠান পরিবেশনায় বিশেষজ্ঞ। [৮০]

হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেনের সম্পর্ক

[সম্পাদনা]
হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেনের বাড়ি

জনপ্রিয় রূপকথার গল্প লেখক হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেন ১৮০৫ সালে ওদেন্সায় জন্মগ্রহণ করেন। ধারণা করা হয়, তার জন্মস্থান হল পুরাতন শহরের হ্যান্স জেনসেনস স্ট্রেড এবং ব্যাংস বোডার-এর কোণে অবস্থিত ছোট হলুদ বাড়িটি। [৮১] ১৯০৮ সালে, এই বাড়িটি হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেন জাদুঘর হিসেবে জন্সাধারনের জন্য উন্মুক্ত হয়। সংগ্রামী এক দরিদ্র জুতাশিল্পীর ছেলে থেকে শুরু করে একজন বিখ্যাত লেখক হিসাবে পরিচিতি লাভ, তার শৈশব, শিক্ষাজীবন, লেখক হিসেবে কর্মজীবন এবং পরবর্তী জীবন পর্যন্ত বিভিন্ন নিদর্শন প্রদর্শিত হয়েছে। এসব নিদর্শন তার পরিচিতি ও দুঃসাহসিক জীবনযাত্রার অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে। [৮২] অ্যান্ডারসেনের শৈশবের বাড়ি [৮৩] ক্যাথেড্রাল থেকে অল্প দূরত্বে, মুঙ্কেমোলেস্ট্রেডে অবস্থিত। দুই বছর বয়স থেকে ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি এই ছোট আধা-কাঠের বাড়িতে বাস করতেন। ১৯৩০ সালে এটি একটি জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়, যেখানে তার বাবার কাঠের কারুশিল্পের সরঞ্জাম এবং অ্যান্ডারসেনের আত্মজীবনীমূলক বিবরণ থেকে সংগৃহীত বিভিন্ন জিনিসপত্র প্রদর্শিত রয়েছে। [৮৩]

শহরজুড়ে হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেনের গল্পের চরিত্রগুলোর অসংখ্য মূর্তি ও ভাস্কর্য দেখা যায়। এর মধ্যে রয়েছে, স্টেডফাস্ট টিন সৈনিক, জলপরী, রাখাল এবং চিমনি সুইপ, ব্যাঙ, ডার্নিং সুই, সম্রাটের নতুন পোশাক, সমুদ্র ঘোড়া, কাগজের নৌকা, উড়ন্ত কাণ্ড এবং বন্য রাজহাঁস। [৮৪] এছাড়াও, ওডেন্স ক্যাথেড্রালের পাশে ইভেন্টিরপার্কেন (দ্য ফেয়ারি টেল পার্ক)-এ অ্যান্ডারসেনের একটি বিশেষ মূর্তি রয়েছে। এটি ১৮৮৮ সালে ভাস্কর লুই হ্যাসেলরিস নির্মাণ করেছিলেন। ভাস্কর্যটিতে অ্যান্ডারসেনকে হাতে একটি বই নিয়ে দেখানো হয়েছে, যেন তিনি তার রূপকথার গল্প শুনিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করতে প্রস্তুত। [৮৫]

জাদুঘর

[সম্পাদনা]
ফুনেন গ্রামের দৃশ্য

ওদেন্সার জাদুঘরগুলি মূলত পৌর সরকারের বিভাগ, ওডেন্স সিটি জাদুঘর দ্বারা পরিচালিত হয়। ফানেনের শিল্প জাদুঘর (ফিন্স কুনস্টমিউজিয়াম) যা পূর্বে ফানেন ডায়োসিসের জাদুঘর নামে পরিচিত ছিল, এটি ডেনমার্কের প্রাচীনতম শিল্প জাদুঘরগুলির মধ্যে একটি, যা ১৮৮৫ সালে নির্মিত হয়েছিল। এখানে জেনস জুয়েল, ড্যাঙ্কভার্ট ড্রেয়ার, পিএস ক্রোয়ের এবং এইচএ ব্রেন্ডকিল্ডের প্রধান কাজ সংরক্ষিত রয়েছে। উন্মুক্ত স্থানে অবস্থিত ওক অভিনব সংগ্রহশালা দ্য ফানেন ভিলেজ জাদুঘর ( ডেন ফিনস্কে ল্যান্ডসবি )-এ অ্যান্ডারসেনের সময়কালে ডেনমার্কের গ্রামীণ জীবন কেমন ছিল তার প্রদর্শিত করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং এখানে ঐতিহাসিক ওদেন্সার বাড়িগুলির প্রতীকি সংরক্ষিত রয়েছে। [৮৬]

কার্ল নিলসেন জাদুঘরটি কার্ল নিলসেন এবং তার স্ত্রী, ভাস্কর অ্যান মেরি কার্ল-নিলসেনের জীবনের প্রতি উৎসর্গীকৃত। এখানে।নং লিন্ডেলসে তার শৈশবকাল থেকে শুরু করে ইউরোপীয় সঙ্গীত জগতে তার কর্মজীবন এবং সাফল্য পর্যন্ত তার জীবনকে নথিভুক্ত করে রাখা আছে। এখানে তার বেহালা, বিউগল এবং গ্র্যান্ড পিয়ানো আছে, সেইসাথে আছে তার বেশ কয়েকটি নিজস্ব সঙ্গীত সুর, যার মধ্যে রয়েছে ছয়টি সিম্ফনি, তিনটি কনসার্টো, দুটি অপেরা, চেম্বার সঙ্গীত এবং অসংখ্য গান। [৮৭]

মন্টারগার্ডেন

ওদেন্সার মন্টেরগার্ডেন সাংস্কৃতিক ইতিহাস জাদুঘরটি শহরের অন্যতম উল্লেখযোগ্য রেনেসাঁ ভবন, যা ১৬৪৬ সালে সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি ফালক গোয়ে নির্মাণ করেছিলেন। এখানে ওডেন্সের প্রাথমিক ভাইকিং ইতিহাস সম্পর্কিত বহু নিদর্শন রয়েছে । [১৪] ভবনের সংলগ্ন মন্টেস্ট্রেডের সরু রাস্তার নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে, যেখানে ১৪২০ সালে একটি মুদ্রা কারখানা ছিল। [৮৮] অর্ধ-কাঠের এই বাড়ির উঠোনে অবস্থিত জাদুঘরটিতে ফুনেনের প্রাচীন ইতিহাসের পাশাপাশি মধ্যযুগ এবং রেনেসাঁ যুগের ওডেন্সের প্রদর্শনীও রয়েছে [৮৯]

ডেনিশ রেলওয়ে জাদুঘরটি ডেনমার্কের জাতীয় রেলওয়ে জাদুঘর এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ার বৃহত্তম জাদুঘর। এটি ১৯৭৫ সালে শহরের প্রধান রেলস্টেশনের পাশে একটি পুরানো ইঞ্জিন আচ্ছাদনের স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জাদুঘরটির আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গমিটার (৩৩,০০০ বর্গফুট)। এখানে ডেনিশ রেল ইতিহাসের বিভিন্ন যুগের প্রায় ৫০টি রেলওয়ে বগি সংরক্ষিত রয়েছে, যার মধ্যে ১৮৬৯ সালের প্রাচীনতম বাষ্পীয় ইঞ্জিনটিও অন্তর্ভুক্ত। [৯০]

ওডেন্সের ব্র্যান্ড্টস মিউজিয়াম অফ ফটোগ্রাফিক আর্ট হল ডেনমার্কের একমাত্র জাতীয় আর্ট জাদুঘর, যা বিশেষভাবে আলোকচিত্র শিল্পের জন্য নিবেদিত। এটি ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৮৫ সালে ব্র্যান্ড্টস ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর আর্ট অ্যান্ড কালচারের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮৭ সালে এর নিজস্ব প্রদর্শনী স্থান চালু হয়। [৯১] ওডেন্সের মিডিয়া মিউজিয়াম ১৮৪৯ সাল থেকে ডেনমার্কে বাকস্বাধীনতার ইতিহাস, মুদ্রণযন্ত্রের উন্নয়ন এবং ডেনিশ ব্রডশিট বার্লিংস্কের ইতিহাস নথিভুক্ত করে। [৯২]

শিক্ষা

[সম্পাদনা]
ওদেন্সা ইউনিভার্সিটি (১৯৬৬) কেএইচআর আর্কিটেক্টারের নুড হোলশার দ্বারা ডিজাইন করা হয়েছে

ওদেন্স বিশ্ববিদ্যালয়

[সম্পাদনা]

ডেনমার্কের ওদেন্সা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৬৪ সালে একটি আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি কোপেনহেগেন আরহাস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর শিক্ষার্থীদের চাপ কমানোর জন্য তৈরি তিনটি নতুন প্রাদেশিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম। শিক্ষাদান শুরু হয় ১৯৬৬ সালে। বিংশ শতাব্দীর শেষ নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১১,০০০ ছাত্র এবং ৫,০০০ কর্মচারী ছিল। ১৯৯৮ সালে এটি দক্ষিণ ডেনমার্ক বিশ্ববিদ্যালয় -এর অংশ হয়ে ওঠে। এর চারটি অনুষদ ছিল—কলা, চিকিৎসা, প্রাকৃতিক বিজ্ঞান এবং সামাজিক বিজ্ঞান। ১৯৭১ সালে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ভবনটির নকশা করতে কেএইচআর আর্কিটেকটার[১৯]

দক্ষিণ ডেনমার্ক বিশ্ববিদ্যালয়

[সম্পাদনা]
দক্ষিণ ডেনমার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের ওদেন্সা ক্যাম্পাসের ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ

১৯৯৮ সালে ওদেন্সা বিশ্ববিদ্যালয়, সাউদার্ন ডেনমার্ক বিজনেস স্কুল, সাউদার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল এবং সাউথ জুটল্যান্ড ইউনিভার্সিটি সেন্টার একযোগে মিলিত হয়ে দক্ষিণ ডেনমার্ক বিশ্ববিদ্যালয় -এর প্রতিষ্ঠা হয়। এর মূল ক্যাম্পাস ওদেন্সায় অবস্থিত, তবে কোপেনহেগেন, এসবজের্গ, কোল্ডিং, স্লাগেলসে এবং সন্ডারবার্গে এর অন্যান্য বিভাগ রয়েছে। প্রায় ২৬,০০০ শিক্ষার্থী (২০১২) নিয়ে এটি ডেনমার্কের তৃতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়। [১৯] এর ইঞ্জিনিয়ারিং বা প্রকৌশল বিভাগের অধীনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান একত্রিত হয়েছে, যেমন ওদেন্সা মাসকিনটেকনিকুম (একটি যান্ত্রিক প্রকৌশল অধ্যনের প্রতিষ্ঠান যা ১৯০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৬২ সালে সাউদার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলে রূপান্তরিত হয়), ম্যাডস ক্লাউসেন ইনস্টিটিউট এবং মার্স্ক ম্যাক-কিনি মোলার ইনস্টিটিউট ইত্যাদি।[১৯]

ওদেন্সা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের অন্তর্ভুক্ত এলাকায় সমস্ত বিভাগের অধ্যয়ন ও কার্যক্রম একই স্থানে পরিচালিত হয়, যা, কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমের বিপরীত। কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠান এবং শাখাগুলি শহরে বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তৃত। বিশ্ববিদ্যালয়টি আন্তঃশৃঙ্খলাভিত্তিক গবেষণায় জোর দেয়। ২০২৪ সালে ওদেন্সা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর এবং ওদেন্সা বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের নতুন ভবন একত্রিত হবে, যা দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে। এই একীভূত ভবনটি প্রায় ৫,০০,০০০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত হবে, যা এটিকে ইউরোপের বৃহত্তম ভবনগুলির মধ্যে একটি করে তুলবে।[৯৩]

অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

[সম্পাদনা]
ইউনিভার্সিটি কলেজ লিলিবেল্ট, ওদেন্সা

ওদেন্সা অবস্থিত ইউসিএল ইউনিভার্সিটি কলেজ ও বিভাগগুলিও এই অঞ্চলের উচ্চশিক্ষার অন্যতম সোপান। এটি ফুনেনের জেলিং, ভেজলে এবং সভেন্ডবর্গের কয়েকটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণের ফলাফল। [৯৪] ইউসিএল বর্তমানে ১৯৬০-এর দশকের নীলস বোরস অ্যালে ভবনগুলির ব্যাপক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। আগস্ট ২০১৪ সালে ইউনিভার্সিটি কলেজ লিলিবেল্টেও নতুন শাখা খুলতে ইচ্ছুক ছিল। [৯৫]

লিলিবেল্ট একাডেমি অফ প্রফেশনাল হায়ার এডুকেশন (Erhvervsakademiet Lillebælt) ব্যবসায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ উন্নত করার লক্ষ্যে ২০০৯ সালে

টিয়েটজেন বিজনেস কলেজ, এসডিই কলেজ, কোল্ড কলেজ এবং ভেজলে বিজনেস কলেজ-এর একীভূতকরণের মাধ্যমে লিলিবেল্ট একাডেমি অফ প্রফেশনাল হায়ার এডুকেশন -এর প্রতিষ্ঠা হয়। ২০১৪ সালে এর ছাত্রসংখ্যা ছিল প্রায় ৩,২০০ এবং কর্মীসংখ্যা ৩০০ জন। ওদেন্সা এবং ভেজলের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষা প্রদান করছে এই সংস্থা। [৯৬] পৌরসভার পৃষ্ঠপোষকতায় নির্মিত ওদেন্সা স্কুল অফ মিউজিক ( ওদেন্সা মিউজিকস্কোল ) ২৫ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু এবং তরুণদের সঙ্গীত শিক্ষা প্রদান করে। [৯৭]

কোল্ড কলেজ (Kold College) একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যা খাদ্য, কৃষি এবং বাগান নির্মানের উপর বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রদান করে। ২০০৪ সালে ডাটাম টেকনিক্যাল স্কুল এবং গার্টনারস্কোলেন সোহাস-এর একীভূতকরণের মাধ্যমে এই কলেজের প্রতিষ্ঠা হয় এবং ২০০৮ সালে কোল্ড কলেজ নামে পরিচিত হয়। এছাড়াও, এই কলেজে প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের উপর মাধ্যমিক শিক্ষা প্রদান করা হয় । [৯৮] কলেজটির নামকরণ করা হয়েছে ক্রিস্টেন কোল্ডের নামে, যিনি ১৯ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ফুনেনে বৃত্তিমূলক স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। [৯৯]

<i>ফানেন আর্ট একাডেমি</i> একটি স্বাধীন, জাতীয়ভাবে স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি মধ্য ওদেন্সার ব্র্যান্ডটস চত্বরে অবস্থিত এবং ভিজ্যুয়াল আর্টের উপর পাঁচ বছর সময়কালের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করে। [১০০]

ওদেন্সায় আটটি জিমনেসিয়াম (ব্যাকরণ স্কুল), ২১টি রাষ্ট্রীয় গ্রেড স্কুল এবং বেশ কয়েকটি বেসরকারি স্কুল রয়েছে। [১০১][১০২]

খেলাধুলা

[সম্পাদনা]
2008 সালে Odense Boldklub এবং Brøndby IF এর মধ্যে একটি সুপারলিগা খেলা চলাকালীন ওডেন্স স্টেডিয়াম ।

ওডেন্সের প্রধান ফুটবল ক্লাবগুলির মধ্যে রয়েছে ওডেন্স বোল্ডক্লাব (ওবি), বিকে মেরিয়েনলিস্ট (বিএম), বি১৯০৯ এবং বি১৯১৩। ওবি'র ইতিহাস শুরু হয় ১৮৮৭ সালে, যখন এটি ওডেন্স ক্রিকেট ক্লাব নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৯৩ সালে ক্লাবটি ফুটবল খেলাকে নিজ কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার পর এর নাম পরিবর্তন করে ওডেন্স বোল্ডক্লাব রাখা হয়। ক্লাবটি তিনটি জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ এবং পাঁচটি কাপ বিজয়ের শিরোপার অধিকারী। [১০৩] ক্লাবটি তাদের ঘরোয়া খেলাগুলি ওডেন্স স্টেডিয়ামে খেলে। ১৯২২ সালে প্রতিষ্ঠিত বি কে ম্যারিয়েনলিস্ট ক্লাব তাদের ঘরোয়া ম্যাচগুলো ম্যারিয়েনলিস্টসেন্ট্রেট স্টেডিয়ামে খেলে, যার দর্শক ধারণক্ষমতা ১,২০০। [১০৪] ক্লাবটির অধীনে একটি ভলিবল দলও রয়েছে। আরসি ওডেন্স এবং লিন্ডো আরএসসির একত্রে রাগবি খেলায় ওডেন্স শহরের প্রতিনিধিত্ব করে। [১০৫]

ওডেন্স বুলডগস হল ওডেন্সে অবস্থিত একটি পেশাদার আইস হকি দল। তারা ফানেনের একমাত্র দল হিসেবে শীর্ষ ডেনিশ লীগ মেটাল লিগেনে খেলে। [১০৬]

টেনিস খেলাতেও শহরের উল্লেখযোগ্য স্থান রয়েছে। ওডেন্স নদীর কাছে অবস্থিত টেনিস ক্লাব ওডেন্স [১০৭] দেশের বৃহত্তম টেনিস খেলার কেন্দ্র। ক্লাবটি প্রাথমিক ভাবে ২০১৪ সালে ম্যারিয়েনলিস্টে খোলার কথা। [১০৮]

প্রতি বছর ওডেন্সে দীর্ঘ দৌড় প্রতিযোগীতা এইচ.সি. অ্যান্ডারসেন ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়।। [১০৯] এই দৌড় প্রতিযোগীতায় শিশুরা অংশগ্রহণ করে এবং তাদের জন্য মূলত ২.৫ থেকে ১০ কিমি অবধি দূরত্ব নির্ধারিত হয়। এই বিশেষ দৌড় রূপকথার দৌড় নামে পরিচিত [১১০] ওডেন্সে অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, বাস্কেটবল, বক্সিং, ক্লাইম্বিং, সাইক্লিং, রোয়িং, ফেন্সিং, ফুটবল, গল্ফ, জিমন্যাস্টিকস, হ্যান্ডবল, জুজিৎসু, কারাতে, রাইডিং, রোলার-স্কেটিং, শুটিং, সাঁতার, টেবিল টেনিস, টেনিস, ভলিবল এবং যোগব্যায়ামের মতো খেলাধুলার জন্য অনেক ছোট ছোট স্পোর্টস ক্লাব রয়েছে। এছাড়াও, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিশেষায়িত বেশ কয়েকটি ক্লাবও রয়েছে। [১১১][১১২]

ই-স্পোর্টস

[সম্পাদনা]

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে,[১১৩] ৪,০০০ আসনবিশিষ্ট এরিনা ফিনে ষষ্ঠ ইএসএল প্রো লিগ সিজনের চূড়ান্ত খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ইএসএল প্রো লিগ -এর ৮ম সিজনের চূড়ান্ত খেলাও ওডেন্সে অনুষ্ঠিত হয় এবং শহরের নিজস্ব ই-স্পোর্টস দল অ্যাস্ট্রালিস বিজয়ীর শিরোপা জিতে নেয়। ইএসএল প্রো লিগের ১০ম সিজনের চূড়ান্ত খেলাও ওডেন্সে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

পরিবহন

[সম্পাদনা]

ওডেন্স বন্দরটির অবস্থান তিনটি প্রধান অববাহিকা এবং একটি ৪,২০০ মিটার (১৩,৮০০ ফুট) লম্বা খাল বরাবর যা এই বন্দরকে বিশেষ সুবিধা দিয়েছে। যার মধ্যে প্রায় লম্বা খাদ রয়েছে। মোট দৈর্ঘ্যে। [১১৪] ৬.৮ মিটার (২২ ফুট) থেকে শুরু করে ১৬০ মিটার (৫২০ ফুট) লম্বা জলযান এই বন্দরে সুবিধাজনকভাবে যাতায়ত ও মাল সরবরাহ করতে পারে। মাল সরবারাহের জন্য ঘাটটি খালের দক্ষিণ দিকে বন্দরের বাইরে অবস্থিত, যেখানে সাধারণ পণ্যবাহী জাহাজ এবং এলপিজি জাহাজের জন্য সুবিধা রয়েছে এবং এই অঞ্চলে জলের গভীরতা ৭.৫ মিটার (২৫ ফুট)[১১৪]

গ্রেট বেল্ট সেতু

[সম্পাদনা]

দুটি প্রধান ডেনিশ দ্বীপপুঞ্জ, জিল্যান্ড এবং ফুনেনের মধ্যে ফেরি পরিষেবা চালু হওয়ার পর ওডেন্সে যাতায়াতের সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। ১৯৯৭ সালে রেল চলাচলের জন্য এবং ১৯৯৮ সালে সড়ক পরিবহনের জন্য গ্রেট বেল্ট সেতুটি খুলে দেওয়া হয়। সেতুটি উদ্বোধনের সময় এটি ছিল বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম ঝুলন্ত সেতু । ট্রেনে ওডেন্স থেকে আরহাস পৌঁছাতে ১ ঘণ্টা ৩৩ মিনিট সময় লাগে, আর গ্রেট বেল্ট সেতুর মাধ্যমে কোপেনহেগেন যেতে ট্রেনে মাত্র ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় প্রয়োজন। [১১৫]

রেল, বাস এবং ট্রাম

[সম্পাদনা]
ওডেন্স স্টেশন

ওডেন্সের প্রধান রেলওয়ে স্টেশন ওডেন্স স্টেশন, কোপেনহেগেন এবং ডেনমার্কের উপদ্বীপীয় মূল ভূখণ্ড জুটল্যান্ডের মধ্যে রেললাইনের উপর অবস্থিত। আন্তর্জাতিক ট্রেনগুলি শহরটিকে জার্মানির হামবুর্গের সাথে সংযুক্ত করে। [১১৬] স্থানীয় এবং আঞ্চলিক ট্রেনগুলি ওডেন্সকে ডেনমার্কের অন্যান্য অঞ্চলের সাথে সংযুক্ত করে। এছাড়াও, একটি পৃথক যাত্রীবাহী রেল লাইন, ওডেন্স এবং সুইন্ডবর্গের মধ্যে চলাচল করে। অতীতে, রেলপথ ওডেন্সকে ফুনেনের বেশিরভাগ উপকূলীয় শহরের সাথে সংযুক্ত করত, তবে ১৯৫০ এবং ১৯৬০-এর দশকে এই সংযোগগুলি বন্ধ হয়ে যায়। [১১৭] বর্তমানে, এই আঞ্চলিক রাস্তাগুলিতে ফিনবাস নামক সংস্থা বাস পরিষেবা প্রদান করে। এই সংস্থা শহরের পৌর বাস পরিষেবাও পরিচালনা করে এবং শহরতলির সাথে শহরের কেন্দ্রস্থলের সংযোগ স্থাপন করে।[১১৮] ২৮ মে ২০২২ তারিখে, ওডেন্সে নতুন ট্রাম লাইন চালু হয়। ১৪.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি ট্র্যাক সম্বলিত ট্রাম লাইনটি উত্তর-পশ্চিমে তারুপ থেকে শুরু হয়ে স্টেশন, সিড্ডানস্ক ইউনিভার্সিটি, একটি হাসপাতাল এবং দক্ষিণে হাজালিসে পর্যন্ত বিস্তৃত, যা মোট ২৬টি স্থানে দাড়ায়। বর্তমানে এর সম্ভাব্য সম্প্রসারণের বিষয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। [১১৯]

রাস্তা

[সম্পাদনা]

ফানিশ মোটরওয়ে (Fynske Motorvej) নামে পরিচিত ই২০ মহাসড়কের একটি অংশ ওডেন্স জিল্যান্ড এবং জুটল্যান্ডকে সংযুক্ত করে। [১২০] এছাড়াও, সুইন্ডবর্গ মোটরওয়ে রাস্তার মাধ্যমে ফুনেনের দক্ষিণ অংশে সুইন্ডবর্গ শহরের সাথে সংযুক্ত। এটি ডেনিশ জাতীয় সড়ক ৯ এর অংশ। [১২১] অন্যান্য, ছোট রাস্তাগুলি ওডেন্সকে ফুনেনের বাকি অংশের সাথে সংযুক্ত করে এবং সমস্ত উপকূলীয় শহরগুলির সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে। [১২২]

বায়ুপথ

[সম্পাদনা]

ওডেন্সে ওডেন্স বিমানবন্দর বিমান পরিষেবা প্রদান করে, যা মূলত গ্রীষ্মের মাসগুলিতে পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে বিমান পরিচালনা করে। [১২৩]

ওডেন্সে সাইক্লিং উদ্যোগ

[সম্পাদনা]

২০১৬ সালে, ওডেন্স শহর সাইকেল ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করার জন্য একটি নতুন প্রযুক্তি বাস্তবায়ন করে। বৃষ্টির সময় সাইকেল চালকদের ট্র্যাফিক লাইটের সামনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়, যা তাদের সাইকেল চালনাকে নিরুৎসাহিত করে। এই সমস্যার সমাধানের জন্য, ওডেন্স তাদের সুপার বাইক হাইওয়েতে ট্র্যাফিক লাইটে বৃষ্টির সেন্সর স্থাপন করেছে। এই সেন্সরগুলি মোশন ডিটেক্টরের সাথে সংযুক্ত, যা বাইসাইকেলগুলো চৌরাস্তার ৭০ মিটারের মধ্যে এলে সিস্টেমটি নিবন্ধন করে [১২৪] এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে সবুজ আলোর সময়সীমা বাড়িয়ে দেয়। সংযোগস্থলে একটি ছোট সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে, যা সাইকেল আরোহীদের সিস্টেমটি ব্যাখ্যা করে এবং যখন একটি আলো জ্বলে, তখন তারা বুঝতে পারে যে সিস্টেমটি কাজ করছে। এই প্রযুক্তি সাইকেল আরোহীদের সর্বাধিক ২০ সেকেন্ড পর্যন্ত সবুজ আলো দেয়, যা তাদের যাত্রাকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং আরামদায়ক করে তোলে।

ডেনমার্কের সাইক্লিং দূতাবাস এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দেয়। যেহেতু ওডেন্সে সাইক্লিং সংস্কৃতি ইতিমধ্যেই প্রচলিত, তাই এ বিষয়ে তেমন সমালোচনা হয়নি। তবে গাড়ি চালকরা লম্বা অবধির লাল বাতি দেখে কিছুটা বিরক্ত হতে পারেন। তবে দূতাবাসের মতে, এ নিয়ে খুব বেশি উদ্বেগের প্রয়োজন নেই। [১২৫]

এই উদ্যোগটি শুধুমাত্র সাইকেল আরোহীদের যাত্রা সহজ করে না বরং "সবুজ তরঙ্গ" এর কার্যকারিতাও বাড়ায়। [১২৬] সবুজ তরঙ্গ বলতে বোঝায় যে, সাইকেল আরোহীর না থেমে একাধিক সংযোগস্থল অতিক্রম করা। বৃষ্টিপাত চিহ্নিতকারী সেন্সরস্থাপনের মাধ্যমে সাইক্লিং দূতাবাস আশা করছে যে এই প্রযুক্তি শহরের অন্যান্য মোড়েও বাস্তবায়ন করা হবে, যা শহরব্যাপী টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। ফলে, গাড়ি চালানোর চেয়ে সাইকেল চালানো আরও সহজ হয়ে উঠবে।

স্বাস্থ্যসেবা

[সম্পাদনা]
ওডেন্স বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল

১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠিত ওডেন্স বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল (ওইউএইচ) [১২৭] শুধুমাত্র স্বাস্থ্যসেবার জন্যই নয়, বরং দক্ষিণ ডেনমার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় গবেষণা পরিচালনার জন্যও আঞ্চলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। [১২৮] ওইউএইচ হল ডেনমার্কের বৃহত্তম হাসপাতাল এবং ওডেন্সের বৃহত্তম জনসম্পদ নিয়োগকারী। ২০০৬ সালের হিসাবে এই হাসপাতালে ১২০০ টি শয্যা এবং ৭৭০০ জন কর্মী ছিল, যার মধ্যে ১৩০০ জন ছিলেন ডাক্তার। বর্তমানে চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রায় ১০,০০০ কর্মচারী কর্মরত আছেন। [১২৭] হাসপাতালের টাওয়ার ব্লকটি ৫৭ মিটার (১৮৭ ফুট) উঁচু, ১৫ তলা বিশিষ্ট এবং এটি ওডেন্সের সবচেয়ে উঁচু ভবন। [১২৯] এটি ফুনেনের উত্তরাঞ্চলের প্রধান হাসপাতাল, তবে সমগ্র ডেনমার্ক থেকে রোগীরা এখানে চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ করতে আসে, কারণ এখানে হাত প্রতিস্থাপনের সাথে সাথে বিশেষ নিউরো-রেডিওলজিক্যাল চিকিতসার জন্য বিশেষায়িত বিভাগ রয়েছে।

ওইউএইচ-এর একটি বিশেষ অংশ হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেন শিশু হাসপাতাল যা ফুনেন দ্বীপের একমাত্র শিশু বিভাগ। এখানে পুষ্টি ও আন্ত্রিক রোগ, হাঁপানি ও অ্যালার্জি, হরমোনজনিত রোগ এবং অন্যান্য বিবিধ বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা করা হয়। ২০১৩ সালের হিসাব অনুযায়ী, শিশু হাসপাতালটিতে সাতটি কক্ষ এবং ৩৭৭ জন কর্মচারী ছিল। প্রতি বছর প্রায় ১০,০০০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন এবং ২৫,০০০ বহির্বিভাগীয় রোগী চিকিৎসা গ্রহণ করেন। [১৩০] দক্ষিণ ডেনমার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ৬.৩ বিলিয়ন ডেনিশ ক্রোনা খরচ করে একটি নতুন হাসপাতাল নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি ২০১৮ সালে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। হাসপাতালটির মোট মেঝের আয়তন হবে ২,১২,০০০ বর্গমিটার (২২,৮০,০০০ বর্গফুট)। [১৩১]

এছাড়াও, ওডেন্সে বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো প্রাইভাথোসপিটালেট এইচসি অ্যান্ডারসেন ক্লিনিক্কেন,[১৩২] প্রাইভাথোসপিটালেট হান্ডারআপ,[১৩৩] এবং প্রাইভাথোস্পিটালেট মারিয়াহজেমেট । [১৩৪]

গনমাধ্যম

[সম্পাদনা]
Fyens Stiftstidende- এর প্রকাশনা সংস্থা

ওডেন্স হল ফানেনের গনমাধ্যম কার্যকলাপের কেন্দ্র এবং আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক ও সংযোগের কেন্দ্রস্থল। ওডেন্সের প্রধান দৈনিক সংবাদপত্র হল ফিউনস স্টিফটস্টিডেন্ডে। পত্রিকার মালিক ডেন ফিনস্কে ব্লাডফন্ড এবং প্রকাশক ফিউনস স্টিফটস্টিডেন্ডে এ/এস (৩ জানুয়ারি ১৭৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত)। [১৩৫] ১৮৪১ সাল পর্যন্ত সংবাদপত্রটি কোঙ্গেলি প্রিভিলিগেরেদে ওডেন্সে আদ্রেস-কন্তোর্স এফতেরেতনিঙ্গার নামে পরিচিত ছিল। পরে, ১৩ এপ্রিল ১৯৯৩ সালে এটি ২২১ বছরের ঐতিহ্যবাহী মধ্যাহ্ন সংবাদপত্রের পরিবর্তে সকালের সংবাদপত্র হিসেবে প্রকাশিত হতে শুরু করে। ২০১৩ সালে এর গড় বিতরণের সংখ্যা ছিল ৪৭,৭৩৮ এবং ২০০৫ সালে তা প্রায় ৬০,৫০০ অবধি পৌছায়। [১৯] প্রধান সম্পাদক, পের ওয়েস্টারগার্ড, ডেনমার্কের দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের মধ্যে অন্যতম দক্ষিণ ডেনমার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা কেন্দ্রের বোর্ডের সভাপতিত্ব করেন।[১৩৬][১৩৭] ডেনমার্কের বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় পত্রিকা প্রেস অফ সাউদার্ন ডেনমার্ক, ওডেন্সে অবস্থিত। এটি ১৯৬৬ সালে ওডেন্স ইউনিভার্সিটি প্রেস নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর লেখকরা মূলত দক্ষিণ ডেনমার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবিদ। [১৩৮]

ওডেন্সের টিভি ২ টেলিভিশন চ্যানেল ২০০৩ সাল থেকে সম্পূর্ণরূপে রাষ্ট্রের মালিকানাধীন। ১৯৮৮ সালের ১ অক্টোবর এটি একটি বেসরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে, যা পূর্বে ডেনমার্কস রেডিওর [১৩৯] একচেটিয়া টেলিভিশন সম্প্রচারের অবসান ঘটায়। ২০০৭ সাল থেকে প্রায় ১,০০০ কর্মচারী টিভি ২ -এ কাজ করছে। বর্তমানে টিভি ২ ছয়টি চ্যানেল পরিচালনা করে এবং প্রতি বছর ৪০,০০০ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে টেলিভিশন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে। [১৪০]

উল্লেখযোগ্য বাসিন্দারা

[সম্পাদনা]
  • দ্রষ্টব্য: বৃহত্তর ওডেন্স পৌরসভায় জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্মস্থান দেখানো হয়েছে।
বির্গিট, ডাচেস অফ গ্লুসেস্টার, ২০১৫

আভিজাত

[সম্পাদনা]
  • ডেনমার্কের ক্যানুট চতুর্থ ( আনু. ১০৪২ - ১০৮৬), যা ক্যানুট দ্য সেন্ট এবং ক্যানুট দ্য হোলি নামেও পরিচিত।
  • চার্লস প্রথম, কাউন্ট অফ ফ্ল্যান্ডার্স (১০৮৪-১১২৭), যিনি চার্লস দ্য গুড নামেও পরিচিত, ডেনমার্কের ক্যানুট চতুর্থের পুত্র।
  • লুডভিগ রোজেনক্রান্টজ (১৬২৮-১৬৮৫), সম্ভ্রান্ত, সামরিক কর্মকর্তা এবং জমির মালিক; নরওয়েতে বসতি স্থাপন করেছিলেন।
  • বির্গিট, ডাচেস অফ গ্লুচেস্টার (জন্ম ১৯৪৬), প্রিন্স রিচার্ডের স্ত্রী, ডিউক অফ গ্লুচেস্টার, এবং রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের প্রথম চাচাতো ভাই।

জনচিন্তা এবং রাজনীতি

[সম্পাদনা]
নিলস হেলভেগ পিটারসেন, ২০০৮
  • জর্গেন সাদোলিন ( আনু.১৪৯০ ), ডেনিশ সংস্কারক
  • ফ্রান্টস বার্গ (১৫০৪-১৫৯১), ধর্মযাজক, ১৫৮১ সালে ওদেন্সার রেক্টর, ১৫৪৮-১৫৮০ সালে অসলোর বিশপ
  • জ্যাকব বি. উইন্সলো (১৬৬৯-১৭৬০), ডেনিশ-ফরাসি শারীরবিদ্যাবিদ
  • ইডা ফালবে-হ্যানসেন (১৮৪৯-১৯২২), শিক্ষাবিদ, ভাষাতত্ত্ববিদ এবং নারী কর্মী
  • লুইস উইনটেলার (১৮৩৪-১৯২৬), প্রধান শিক্ষিকা, লুইস উইনটেলার গার্লস স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা
  • আনা লোহসে (১৮৬৬–১৯৪২), শিক্ষিকা এবং নারী অধিকার কর্মী
  • লিসে ওস্টারগার্ড (১৯২৪-১৯৯৬), মনোবিজ্ঞানী এবং রাজনীতিবিদ
  • নিলস হেলভেগ পিটারসেন (১৯৩৯-২০১৭), রাজনীতিবিদ
  • Bendt Bendtsen (জন্ম ১৯৫৪), রাজনীতিবিদ এবং ২০০৯-২০১৯ সালে এমইপি
  • লার্স ক্রিশ্চিয়ান লিলেহোল্ট (জন্ম ১৯৬৫), রাজনীতিবিদ, প্রাক্তন জ্বালানি, উপযোগিতা এবং জলবায়ু মন্ত্রী
  • জিনেট ভারবার্গ (জন্ম ১৯৭৮), প্রত্নতাত্ত্বিক, ডেনমার্কের জাতীয় জাদুঘরের কিউরেটর

শিল্পকলা

[সম্পাদনা]
এইচসি অ্যান্ডারসেন, ১৮৬৯
কার্ল নিলসেন, ১৯১০
  • জোহান ফ্রেডেরিক শুল্টজ (১৭৫৬–১৮১৭), বই মুদ্রক এবং প্রকাশক
  • উইলহেলম বেন্ডজ (১৮০৪-১৮৩২), ধারার কাজ এবং প্রতিকৃতির চিত্রশিল্পী
  • হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসেন (১৮০৫-১৮৭৫), ঔপন্যাসিক, কবি, রূপকথার গল্প এবং ছোটগল্প লেখক
  • কার্ল ফ্রেডেরিক আগার্ড (১৮৩৩-১৮৯৫), ল্যান্ডস্কেপ পেইন্টার এবং আলংকারিক শিল্পী
  • জুলিয়াস পলসেন (১৮৬০-১৯৪০), চিত্রশিল্পী
  • কার্ল নিলসেন (১৮৬৫ সালে সোর্তেলুং - ১৯৩১), সুরকার, সঙ্গীতজ্ঞ, কন্ডাক্টর এবং বেহালাবাদক
  • হোলগার জ্যাকবসেন (১৮৭৬-১৯৬০), স্থপতি
  • বোদিল কেজের (১৯১৭-২০০৩), অভিনেত্রী
  • ডাগমার অরলামন্ড্ট (১৮৬৩-১৯৩৯), অভিনেত্রী
  • ওভে স্প্রগয়ে (১৯১৯-২০০৪), অভিনেতা
  • মর্টেন গ্রুনওয়াল্ড (১৯৩৪–২০১৮), অভিনেতা, মঞ্চ পরিচালক এবং থিয়েটার ব্যবস্থাপক
  • কিম লারসেন (১৯৪৫–২০১৮), রক এবং পপ সঙ্গীতশিল্পী
  • ইয়েন্স গালশিয়ট (জন্ম ১৯৫৪), ভাস্কর; ১৯৭৩ সালে ওদেন্সায় চলে যান
  • উলরিচ থমসেন (১৯৬৩ সালে নেসবিতে জন্মগ্রহণ করেন), অভিনেতা
  • ক্লেস ব্যাং (জন্ম ১৯৬৭), অভিনেতা এবং সঙ্গীতজ্ঞ
  • ট্রিনে ডুরহোল্ম (জন্ম ১৯৭২), অভিনেত্রী, গায়ক এবং গীতিকার
  • রোল্যান্ড মোলার (জন্ম ১৯৭২), অভিনেতা
  • জোহান কোবর্গ (জন্ম ১৯৭২), ব্যালে নৃত্যশিল্পী, নৃত্য পরিচালক, পরিচালক এবং ভিজ্যুয়াল শিল্পী
  • মো (জন্ম 1988 উবারুদে), গায়ক-গীতিকার

ব্যবসায়

[সম্পাদনা]
  • এরিখ এরিখসেন (১৭৫২–১৮৩৭), বণিক এবং জাহাজ-মালিক
  • জোহান ফ্রেডেরিক শুল্টজ (১৭৫৬–১৮১৭), বই মুদ্রক এবং প্রকাশক
  • কার্ল ফ্রেডরিক টাইটজেন (১৮২৯-১৯০১), শিল্পপতি, অর্থদাতা এবং ব্যাংকার
  • নীলস জ্যাকবসেন (১৮৬৫-১৯৩৫), স্থপতি এবং রাজনীতিবিদ, লেগো গ্রুপের চেয়ারম্যান, ওদেন্সায় কাজ করেছিলেন এবং মারা যান।
  • কার্ট ওস্টারভিগ (১৯১২-১৯৮৬), আসবাবপত্রের নকশা করেন।
হেলে ফ্রেডেরিকসেন, ২০০৯
ক্যারোলিন ওজনিয়াকি, ২০১৭
  • এডমন্ড হ্যানসেন (১৯০০–১৯৯৫), ট্যান্ডেম সাইক্লিস্ট, অলিম্পিক রৌপ্যপদক বিজয়ী
  • আব্রাহাম কুরল্যান্ড (১৯১২-১৯৯৯), কুস্তিগীর, অলিম্পিক রৌপ্যপদক বিজয়ী
  • জাইট হ্যানসেন (১৯৩২-২০১৫), ব্রেস্টস্ট্রোক সাঁতারু
  • ইব সলভাং হ্যানসেন (১৯৩৪-১৯৭৮), পেশাদার কুস্তিগীর
  • রিচার্ড মোলার নিলসেন (১৯৩৭ উবারুদে - ২০১৪), ফুটবল খেলোয়াড় এবং ম্যানেজার
  • জন ড্যানিয়েলসেন (জন্ম ১৯৩৯), ফুটবলার
  • ওলে বিয়র্নমোসে (স্ত্রিব-এ ১৯৪৪ - ২০০৬), ফুটবলার
  • লার্স হোগ (জন্ম ১৯৫৯), ফুটবলার
  • ইঙ্গার পোরস ওলসেন (জন্ম ১৯৬৬), রোয়ার
  • থরভালদুর ওরলিগসন (জন্ম ১৯৬৬), আইসল্যান্ডের ফুটবলার
  • আঞ্জা অ্যান্ডারসেন (জন্ম ১৯৬৯), হ্যান্ডবল খেলোয়াড় এবং কোচ, অলিম্পিক বিজয়ী
  • নিলস ফ্রেডেরিকসেন (জন্ম ১৯৭০), ফুটবল ম্যানেজার
  • টমাস হেলভেগ (জন্ম ১৯৭১), ফুটবলার
  • নিকি পেডারসেন (জন্ম ১৯৭৭), মোটরসাইকেল স্পিডওয়ে রাইডার
  • অ্যালান সাইমনসেন (১৯৭৮–২০১৩), রেসিং ড্রাইভার
  • স্টিফান মলভিগ (জন্ম ১৯৭৯), রোয়ার, অলিম্পিক বিজয়ী
  • লার্স জ্যাকবসেন (জন্ম ১৯৭৯), ফুটবলার
  • হ্যান্স অ্যান্ডারসেন (জন্ম ১৯৮০), মোটরসাইকেল স্পিডওয়ে রাইডার
  • হেলে ফ্রেডেরিকসেন (জন্ম ১৯৮১), ট্রায়াথলিট
  • ফ্রেডরিক ক্লোকার (জন্ম ১৯৮৩), ক্রিকেটার
  • মার্টিন ড্যামসবো (জন্ম ১৯৮৫), যৌগিক তীরন্দাজ প্রতিযোগী
  • রিকে মোলার পেডারসেন (জন্ম ১৯৮৯), ব্রেস্টস্ট্রোক সাঁতারু, অলিম্পিক ব্রোঞ্জ পদক বিজয়ী
  • ক্যারোলিন ওজনিয়াকি (জন্ম ১৯৯০), টেনিস খেলোয়াড়
  • ভিক্টর অ্যাক্সেলসেন (জন্ম ১), ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়, অলিম্পিক বিজয়ী

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 "Folketal 1. Januar efter byområder, landdistrikter og folketal, areal og befolkningstæthed - Statistikbanken - data og tal"
  2. "Areal 1. Januar efter område - Statistikbanken - data og tal"
  3. 1 2 "Befolkningstal"
  4. 1 2 "PIB et principaux composants - volumes" (ফরাসি ভাষায়)। ১৫ আগস্ট ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  5. 1 2 Dijkstra, Lewis; Poelman, Hugo; Veneri, Paolo (১১ ডিসেম্বর ২০১৯)। "The EU-OECD definition of a functional urban area"। OECD Regional Development Working Papers। ডিওআই:10.1787/d58cb34d-enএস২সিআইডি 197468189
  6. "Folketal den 1. I kvartalet efter område, køn, alder og civilstand - Statistikbanken - data og tal"। ২৭ আগস্ট ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২২
  7. Jones, Daniel (২০১১)। Roach, Peter; Setter, Jane; Esling, John (সম্পাদকগণ)। "Odense"। Cambridge English Pronouncing Dictionary (18তম সংস্করণ)। Cambridge University Press। পৃ. ৩৪৭। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-১৫২৫৫-৬
  8. "Statistikbanken"www.statistikbanken.dk। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২২
  9. "Folketal den 1. i kvartalet efter område, køn, alder og civilstand - Statistikbanken - data og tal"www.statistikbanken.dk। ২৭ আগস্ট ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২২
  10. "Hans Christian Andersen"। ৯ নভেম্বর ২০২১।
  11. 1 2 3 4 5 6 7 8 9 "Odense, Denmark"। Danishnet.com। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৪
  12. 1 2 3 4 5 6 Renouf 2003, পৃ. 58।
  13. 1 2 "Begyndelsen" (ডেনীয় ভাষায়)। Historiens Hus Odense। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৪
  14. 1 2 3 Harding 2009, পৃ. 73।
  15. 1 2 "Odense Bys Historie" (ডেনীয় ভাষায়)। Odense Bys Museer। ১৫ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০১৪
  16. "Ancient See of Odense in Denmark"। Catholic Encyclopedia at New Advent। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৪
  17. "Vor Frue Kirke" (পিডিএফ) (ডেনীয় ভাষায়)। Danmarks Kirker, Nationalmuseet। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৪
  18. Larson 2014, পৃ. 136।
  19. 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 Den Store Danske (ডেনীয় ভাষায়)। {{বিশ্বকোষ উদ্ধৃতি}}: |title= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)
  20. 1 2 3 Encyclopædia Britannica {{বিশ্বকোষ উদ্ধৃতি}}: |title= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)
  21. "Abel og hans sønner" (ডেনীয় ভাষায়)। Dengang.dk। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৪
  22. "Snt Knuds Kirke" (ডেনীয় ভাষায়)। Odense Bys Museer। ২১ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৪
  23. "John Snell's Printing Works"। Kulturarv। ৩১ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০১৪
  24. Den Store Danske {{বিশ্বকোষ উদ্ধৃতি}}: |title= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)
  25. "Johanniterordenen" (ডেনীয় ভাষায়)। Maritim og historisk information। ১৮ নভেম্বর ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৪
  26. Thestrup, Andersen এবং Oxenvad 1986, পৃ. 193–200।
  27. 1 2 3 4 5 "A History of Odense"। Odense Kommune। ২০ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৪
  28. Dewe, Mr Michael (১ অক্টোবর ২০১২)। Planning Public Library Buildings: Concepts and Issues for the Librarian। Ashgate Publishing, Ltd.। পৃ. ১৫০–। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪০৯৪-৮৫০১-৮
  29. "Vision for Odense Music Library" (পিডিএফ)। Sound Art। এপ্রিল ২০০৪। ১৩ জুন ২০০৭ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০১৪
  30. 1 2 "Danmarks Købstæder: Odense, Byhistorie" (ডেনীয় ভাষায়)। Dansk Center for Byhistorie। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৪
  31. Lauridsen 2007, পৃ. 151।
  32. গুগল (২৮ জুন ২০১৪)। "ওদেন্সা" (মানচিত্র)। গুগল ম্যাপস। গুগল। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৪ {{মানচিত্র উদ্ধৃতি}}: |author= প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য); অজানা প্যারামিটার |mapurl= উপেক্ষা করা হয়েছে (|map-url= প্রস্তাবিত) (সাহায্য)
  33. গুগল। [{{{url}}} "ওদেন্সা"] (মানচিত্র)। গুগল ম্যাপস। গুগল। {{মানচিত্র উদ্ধৃতি}}: |author= প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য); |mapurl= মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য); অজানা প্যারামিটার |mapurl= উপেক্ষা করা হয়েছে (|map-url= প্রস্তাবিত) (সাহায্য)
  34. Harding 2009, পৃ. 72।
  35. 1 2 3 4 Griffes, পৃ. 60।
  36. "Vigelsø" (ডেনীয় ভাষায়)। Naturstyrelsen.dk। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৪
  37. Andersen ও Conley 2010, পৃ. 81।
  38. 1 2 "Climate of Odense, Denmark; Average Weather"। ClimaTemps। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৪
  39. "Danish Climatological Normals 1971–2000 for selected stations" (পিডিএফ)Danish Meteorological Institute। সংগ্রহের তারিখ ১৭ নভেম্বর ২০১৫
  40. "Observed Air Temperature, Humidity, Pressure, Cloud Cover and Weather in Denmark with Climatological Standard Normals, 1961–90" (পিডিএফ)Danish Meteorological Institute। সংগ্রহের তারিখ ১৭ নভেম্বর ২০১৫
  41. Cappelen, John; Jensen, Jens। "Danmark - BLANGSTEDGÅRD/ODENSE" (পিডিএফ)Climate Data for Selected Stations (1931-1960) (ডেনীয় ভাষায়)। Danish Meteorological Institute। পৃ. ৭৪। ২৭ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১৯
  42. 1 2 3 4 5 "Befolkningsudvikling, Odense" (ডেনীয় ভাষায়)। Dendigitalebyport.byhistorie.dk। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুলাই ২০১৪
  43. Statistics Denmark tabel BEF4A 1976–2004
  44. "Population 1st January, by urban areas" database from Statistics Denmark
  45. "Statistikbanken"www.statbank.dk। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০২৩
  46. "Population at the first day of the quarter by region, sex, age (5 years age groups), ancestry and country of origin - StatBank Denmark - data and statistics"www.statbank.dk। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০২৩
  47. "Anker Boye" (ডেনীয় ভাষায়)। Den Store Danke। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০১৪
  48. "Byrådets medlemmer" (ডেনীয় ভাষায়)। Odense Kommune। ১৩ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০১৪
  49. "At lege er at leve" (ডেনীয় ভাষায়)। Odense Kommune। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০১৪
  50. Sinding, Knud; Bøllingtoft, Anne (২০১২)। Cases on Management, Leadership and Organisations। Samfundslitteratur। পৃ. ১৩৬–১৩৯। আইএসবিএন ৯৭৮-৮৭-৫৯৩-১৬৯৮-৬
  51. "Anker Boye beholder magten i Odense" (ডেনীয় ভাষায়)। Fyens.dk। ১৯ নভেম্বর ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০১৪
  52. "Borgmesterskifte: Anker Boye stopper til nytår" (ডেনীয় ভাষায়)। Fyens.dk। ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮
  53. "Peter Rahbæk Juel, borgmester (A)" (ডেনীয় ভাষায়)। Odense.dk। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮
  54. "LindøIndustrial Park A/S" (ডেনীয় ভাষায়)। Lindø Industripark। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০১৪
  55. "Om centret" (ডেনীয় ভাষায়)। Rosengårdcentret। ৩ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৪
  56. "Shopping i Odense" (ডেনীয় ভাষায়)। Visit Odense। ২৭ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৪
  57. "Turismen i tal" (পিডিএফ) (ডেনীয় ভাষায়)। Visit Denmark। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৪
  58. "Turist-boom: Fulde huse i fynske attraktioner" (ডেনীয় ভাষায়)। Fyens.dk। ২২ মে ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৪
  59. "Dyr:Savannens Fyrtarne Stortrives" (ডেনীয় ভাষায়)। Årsberetning 2011। পৃ. ১৬। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৪
  60. Harding 2009, পৃ. 74।
  61. Staff, The Robot Report (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪)। "How Odense became a leading robotics city"The Robot Report (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  62. "Nonnebakken" (ডেনীয় ভাষায়)। Vikinge Borge। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০১৪
  63. "Nonnebakken" (ডেনীয় ভাষায়)। Historisk Atlas। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০১৪
  64. "Saint Canute's Cathedral (Sankt Knuds Kirke)"। Danishnet.com। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০১৪
  65. "Odense Cathedral History"। Odense Domsogn। ৩ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০১৪
  66. "Sankt Knuds kirke" (ডেনীয় ভাষায়)। Nordens kirker। ৬ জুন ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৪
  67. "History of the Church"। Sct. Albani Kirke। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৪
  68. "Odense Vor Frue kirke" (ডেনীয় ভাষায়)। Nordens kirker। ৩১ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৪
  69. "Sct. Hans Kirke" (ডেনীয় ভাষায়)। Sct. Hans Kirke। ১৫ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৪
  70. "Angars Kirke" (পিডিএফ) (ডেনীয় ভাষায়)। Danmarks Kirker, National Museet। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৪
  71. "Om Fredens Kirke" (ডেনীয় ভাষায়)। Fredens Kirke। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৪
  72. "Odense City Hall"। DAC। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০১৪
  73. "Odense Town Hall"। Visit Denmark।
  74. "Odense Rådhus" (ডেনীয় ভাষায়)। Historiens Hus, Odense। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০১৪
  75. "Odense Palace"
  76. "Odense Castle"। Visit Odense।
  77. Hanssen, Jens-Morten (১০ আগস্ট ২০০১)। "Facts about Pillars of Society"Ibsen.net। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১৪
  78. "Ofte stillede spørgsmål" (ডেনীয় ভাষায়)। Teater uden Ryglæn। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১৪
  79. "Welcome to Odense Symphony Orchestra"। Odensesymfoni.dk। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০১৪
  80. "Historie" (ডেনীয় ভাষায়)। Den Fynske Opera। ২৬ আগস্ট ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০১৫
  81. "Birthplace"। Hans Christian Andersen Center। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৪
  82. "Hans Christian Andersen Museum"। Odense City Museums। ১৮ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৪
  83. 1 2 "Hans Christian Andersen's Childhood Home"। Odense City Museums। ১৮ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৪
  84. "Hans Christian Andersen's statues in Odense"। Visit Fyn। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৪
  85. "H.C. Andersen" (ডেনীয় ভাষায়)। Historisk Atlas। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৪
  86. "A village from Hans Christian Andersen's time"। Museum.odense.dk। ১৮ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৪
  87. "The Carl Nielsen Museum"। Museum.odense.dk। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৪
  88. "Møntergården"। Museum.odense.dk। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৪
  89. Bain, Booth এবং Parnell 2008, পৃ. 202।
  90. Baedeker ও Press 1990, পৃ. 70।
  91. Booth 2003, পৃ. 254।
  92. "Media Museum"। Museum.odense.dk। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৪
  93. "NytOUH/SDU"sdu (ডেনীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  94. "UCL's historie" (ডেনীয় ভাষায়)। ucl.dk। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৪
  95. Lars Dalsgaard Adolfsen (১৩ মার্চ ২০১৪)। "Stor renovering af ingeniørhøjskolen i Odense" (ডেনীয় ভাষায়)। Building Supply। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৪
  96. "About Lillebaelt Academy of Professional Higher Education"। eal.dk। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৪
  97. "Musik for alvor" (ডেনীয় ভাষায়)। Odense Musikskole। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৪
  98. "Welcome to Kold College"। Kold College। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৪
  99. "Skolens historie" (ডেনীয় ভাষায়)। Kold College। ১৫ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৪
  100. "Funen Art Academy"। Funen Art Academy। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০১৫
  101. "Her kan du læse om de uddannelser, der er i Odense" (ডেনীয় ভাষায়)। Odense Kommune। ১৫ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৪
  102. "Fri- og Privatskoler i Odense Kommune" (পিডিএফ) (ডেনীয় ভাষায়)। UUO Ungdommens Uddannelsesvejledning Odense og Omegn। ১৫ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৪
  103. Johnny Wøllekær। "Odense Boldklub" (ডেনীয় ভাষায়)। Historiens Hus, Odense। ১৫ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৪
  104. "Marienlystcentret"। Uk.soccerway.com। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০১১
  105. "Rugby Club Odense"। Rcodense.dk। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০১৪
  106. "Odense Bulldogs" (ডেনীয় ভাষায়)। bulldogs.dk। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৪
  107. "Forside" (ডেনীয় ভাষায়)। Tennis Club Odense। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৪
  108. "Landets største tenniscenter vest for Storebælt: Første spadestik torsdag – åbner senere på året"fyens.dk (ডেনীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৪
  109. "Hans Christian Andersen Marathon"। My Next Run। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৪
  110. "Eventyrløbet" (ডেনীয় ভাষায়)। Ny Sport। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৪
  111. "Sportsklubber i Odense Kommune" (ডেনীয় ভাষায়)। Ny Sport। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৪
  112. "Odense Roklub" (ডেনীয় ভাষায়)। Odense Roklub। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০২৪
  113. ESL Pro League CS:GO Season 6 Finals, 5-10 December 2017, Odense, Denmark retrieved January 2018
  114. 1 2 Griffes, পৃ. 61।
  115. "Rejser med InterCity og InterCityLyn" (পিডিএফ) (ডেনীয় ভাষায়)। DSB। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৪
  116. "Train connections – Odense – Denmark"। Raildude। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৪
  117. Danske Jernbaner (২০০৮)। "danskejernbaner.dk – Oversigt over danske jernbaner, stationer og deres historie" (ডেনীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১০
  118. "Fynbus" (ডেনীয় ভাষায়)। Fynbus। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৪
  119. "Celebrations as Odense tramway opens"। Railway Gazette। সংগ্রহের তারিখ ১ জুন ২০২২
  120. "Fynske Motorvej (E20)" (ডেনীয় ভাষায়)। Vejdirektoratet। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৪
  121. "Svendborgmotorvejen (rute 9)" (ডেনীয় ভাষায়)। Vejdirektoratet। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৪
  122. "Vejkort over Fyn"। Hvorligger.dk। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৪
  123. "Hans Christian Andersen Airport" (ডেনীয় ভাষায়)। hca-airport.dk। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৪
  124. "Rain makes the light go green for cyclists in the Danish city of Odense"www.cycling-embassy.dk। ১৪ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  125. "10 Examples of Green Mobility in Cities"
  126. "How technology can accelerate making cycling about people"। ৫ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ নভেম্বর ২০১৯
  127. 1 2 "Odense Universitetshospitals historie – kort fortalt" (ডেনীয় ভাষায়)। OUH। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৪
  128. "Research"। Odense University Hospital। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০১৪
  129. "Odense's tallest buildings – Top 20"। Emporis। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৪
  130. "Hans Christian Andersen Children´s Hospital"। Odense University Hospital। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০১৪
  131. "The New OUH"। Odense University Hospital। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০১৪
  132. "Velkommen til Privathospitalet H. C. Andersen Klinikken" (ডেনীয় ভাষায়)। Hca-klinikken.dk। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০১৪
  133. "Privathospitalet Hunderup" (ডেনীয় ভাষায়)। Privathospitalethunderup.dk। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০১৪
  134. "Velkommen til Stiftelsen Mariahjemmets hjemmeside" (ডেনীয় ভাষায়)। Mariahjemmet.dk। ১৭ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০১৪
  135. "Fyens Stiftstidende Om Fyens Stiftstidende-koncernen" (ডেনীয় ভাষায়)। Fyens.dk। ১৩ আগস্ট ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৪
  136. "Publicistpris til Per Westergård, Fynske Medier" (ডেনীয় ভাষায়)। Danske Medier। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৪
  137. "Per Westergård fylder 60 år" (ডেনীয় ভাষায়)। Media Watch। ৫ জুলাই ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৪
  138. Om Syddansk Universitetsforlag (ডেনীয় ভাষায়)। Syddansk Universitetsforlag। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৪
  139. "TV2"Den Store Danske (ডেনীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৪
  140. "25 år med TV 2" (ডেনীয় ভাষায়)। TV 2। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০১৪