এ কে এম নূরুল ইসলাম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এ কে এম নূরুল ইসলাম
এ কে এম নূরুল ইসলাম.jpg
বাংলাদেশের উপরাষ্ট্রপতি
কাজের মেয়াদ
৩০ নভেম্বর ১৯৮৬ – ৩০ আগস্ট ১৯৮৯
রাষ্ট্রপতিহুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
পূর্বসূরীমোহাম্মদউল্লাহ
উত্তরসূরীমওদুদ আহমেদ
বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
২৪ মার্চ ১৯৮৬ – ২৫ মে ১৯৮৬
পূর্বসূরীএম এ মতিন
উত্তরসূরীএম এ মতিন
বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫ – ২৩ মার্চ ১৯৮৬
প্রধান নির্বাচন কমিশনার
কাজের মেয়াদ
৮ জুলাই ১৯৭৭ – ১৭ মে ১৯৮৫
পূর্বসূরীএম ইদ্রিস
উত্তরসূরীচৌধুরী এ. টি. এম. মাসুদ
হাইকোর্টের বিচারপতি
কাজের মেয়াদ
১৯৬৭ – ১৯৭১
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম(১৯১৯-০৮-০১)১ আগস্ট ১৯১৯
মৃত্যু১৫ নভেম্বর ২০১৫(2015-11-15) (বয়স ৯৬)
ঢাকা, বাংলাদেশ
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
জাতীয় পার্টি
দাম্পত্য সঙ্গীজাহানারা আরজু
প্রাক্তন শিক্ষার্থীকলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এ কে এম নূরুল ইসলাম (১ আগস্ট ১৯১৯ - ১৪ নভেম্বর ২০১৫) বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ যিনি উপরাষ্ট্রপতি ও হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন।[১] তিনি আইনমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

এ কে এম নূরুল ইসলাম ১ আগস্ট ১৯১৯ সালে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের পূর্ব খলিলপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৪১ সালে ম্যাট্রিকুলেট পাশ করেন। ১৯৪৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে অনার্স সহ বিএ ডিগ্রী নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে ভর্তি হয়ে ১৯৪৭ সালে এমএ পাশ করেন।

তিনি ঢাকা সিটি ‘ল’ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিনিয়র অধ্যাপক ছিলেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

নুরুল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকা হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে ২১ অক্টোবর ১৯৬৮ সালে শপথ গ্রহণ করেন এবং ১৯৭০ সালে স্থায়ী বিচারপতি নিযুক্ত হন। ৮ জুলাই ১৯৭৭ থেকে ১৭ মে ১৯৮৫ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন।[২]

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫ থেকে ২৪ মার্চ ১৯৮৬ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের আইন মন্ত্রী ছিলেন। ২৪ মার্চ ১৯৮৬ থেকে ২৫ মে ১৯৮৬ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন।[৩][৪] রাষ্ট্রপতি এরশাদের অধীনে ৩০ নভেম্বর ১৯৮৬ থেকে ৩০ আগস্ট ১৯৮৯ পর্যন্ত তিনি উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[৫][৬]

১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ১২ জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে পরাজিত হয়ে ছিলেন।[৭]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

তার স্ত্রী একুশে পদক বিজয়ী কবি জাহানারা আরজু। তাদের চার সন্তান, মেয়ে প্রফেসর মারিনা জাহান এবং লুবনা জাহান, ছেলে বিচারপতি মোঃ আশফাকুল ইসলাম এবং ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।[৮]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

নুরুল ১৪ নভেম্বর ২০১২ ঢাকায় মারা যান। তাকে ঢাকা বিভাগের মানিকগঞ্জে হরিরামপুরে দাফন করা হয়।[৯][১০]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Reuters (১৯৮৬-১২-০১)। "Vice President Named By Bangladesh Leader"The New York Timesআইএসএসএন 0362-4331। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৪-১৩ 
  2. "সাবেক উপ-রাষ্ট্রপতি নুরুল ইসলাম আর নেই"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১৫ নভেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ 
  3. "সাবেক মন্ত্রী / উপদেষ্টাবৃন্দ"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। সংগ্রহের তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ 
  4. "প্রথম নারী শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন দীপু মনি"জাগোনিউজ২৪.কম। ৬ জানুয়ারি ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ 
  5. "Former vice-president Justice AKM Nurul Islam dies - New Age"New Age (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৪-১৩ 
  6. Preston, Ian (২০০১-০১-০১)। A Political Chronology of Central, South and East Asia (ইংরেজি ভাষায়)। Psychology Press। পৃষ্ঠা 21। আইএসবিএন 9781857431148 
  7. "এ কে এম নুরুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ-২, দল: আওয়ামী লীগ (নৌকা)"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ 
  8. "সাবেক উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি একেএম নুরুল ইসলাম আর নেই"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ১৪ নভেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ 
  9. "Former vice-president Justice Nurul Islam dies - New Age"New Age (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৪-১৩ 
  10. "Justice AKM Nurul Islam no more"daily-sun.com। ২০১৬-০৪-২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৪-১৩