এ কে এম ইউসুফ
মুমতাজুল মুহাদ্দিসীন এ কে এম ইউসুফ | |
|---|---|
| পূর্ব পাকিস্তানের মন্ত্রী | |
| কাজের মেয়াদ ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ – ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ | |
| গভর্নর | আব্দুল মোত্তালেব মালেক |
| দপ্তর | রাজস্ব |
| পূর্বসূরী | ফখরুদ্দীন আহমদ |
| উত্তরসূরী | বিলুপ্ত |
| কাজের মেয়াদ ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ – ৭ অক্টোবর ১৯৭১ | |
| গভর্নর | আব্দুল মোত্তালেব মালেক |
| দপ্তর | পূর্ত, বিদ্যুৎ ও সেচ |
| পূর্বসূরী | মং শৈ প্রু চৌধুরী |
| উত্তরসূরী | এ কে মোশাররফ হোসেন |
| এনই-২৪ বাকেরগঞ্জ-কাম-খুলনা আসনের পাকিস্তান সংসদ সদস্য | |
দায়িত্বাধীন | |
| অধিকৃত কার্যালয় ১৯৬২ | |
| রাষ্ট্রপতি | আইয়ুব খান |
| পূর্বসূরী | আসন সৃষ্ট |
| উত্তরসূরী | আতহার আলী খান |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | আবুল কালাম মুহাম্মদ ইউসুফ ১৯২৬ খুলনা জেলা, বাংলা প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত |
| মৃত্যু | ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ (বয়স ৮৭–৮৮) শাহবাগ, ঢাকা, বাংলাদেশ |
| রাজনৈতিক দল | বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী |
| অন্যান্য রাজনৈতিক দল | জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান (১৯৫২–১৯৭১) |
| প্রাক্তন শিক্ষার্থী | ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা |
| ব্যক্তিগত তথ্য | |
| ধর্ম | ইসলাম |
| সন্তান | ৫ মেয়ে ও ৩ ছেলে |
| আখ্যা | সুন্নি |
| ব্যবহারশাস্ত্র | হানাফি |
| শিক্ষা | কামিল |
| কাজ | ধর্মীয় পণ্ডিত, লেখক, রাজনীতিবিদ |
| মুসলিম নেতা | |
| শিক্ষক | |
আবুল কালাম মুহাম্মদ ইউসুফ একজন বাংলাদেশী ইসলামি পণ্ডিত, হাদিস বিশেষজ্ঞ, অনুবাদক, লেখক, কৃষক সংগঠক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন।
তিনি বাংলাদেশ চাষী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে অভিযুক্ত করে। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন থেকে তাকে ১৩টি অভিযোগে অভিযুক্ত করে। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি কারা হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]আবুল কালাম মুহাম্মদ ইউসুফ ১৯২৬ সালে ব্রিটিশ ভারতের বাংলা প্রেসিডেন্সির খুলনা জেলার শরণখোলা থানার রাজৈর গ্রামে (বর্তমানে বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলায়) জন্মগ্রহণ করেন। পাকিস্তানের স্বাধীনতা লাভের পাঁচ বছর পর তথা ১৯৫২ সালে তিনি ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে টাইটেল ডিগ্রি অর্জন করেন। একই সালে তিনি ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানে যোগ দেন। শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করার পর ইউসুফ মাদ্রাসা শিক্ষক হিসেবে পেশাজীবন শুরু করার পাশাপাশি রাজনীতি চালিয়ে যেতে থাকেন। ১৯৫৭ সালে তিনি জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের খুলনা বিভাগীয় শাখার আমির হন। তার পরের বছর তিনি খুলনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হন।[১] ১৯৬২ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ইউসুফ এনই-২৪ (বাকেরগঞ্জ-কাম-খুলনা) আসনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।[২][১] ১৯৬৯ সালে তাকে জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের পূর্ব পাকিস্তান শাখার যুগ্ম সম্পাদক করা হয়। পরবর্তীতে তিনি দলটির পূর্ব পাকিস্তান শাখার ডেপুটি আমির হন।[১]
মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তী জীবন
[সম্পাদনা]১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ইউসুফ শান্তি কমিটিতে যোগ দেন এবং এর খুলনা জেলা শাখার চেয়ারম্যান হন।[১] তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধী ছিলেন এবং একই বছরের মে মাসে তার নেতৃত্বে খুলনায় ৯৬ কর্মী নিয়ে পাকিস্তানপন্থী রাজাকার নামক আধাসামরিক বাহিনী গঠন করা হয়, যার সদরদপ্তর খুলনায় অবস্থিত বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর অধুনা সদরদপ্তর ভবনে ছিল। তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা ও বাহিনীর সদস্যদের বাংলাদেশপন্থীদের উপর মানবতাবিরোধী অপরাধের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।[৩] তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশপন্থী সংগ্রাম কমিটি ও মুক্তিবাহিনী গঠনকারী নেতাদের বাড়িতে হামলা করার অভিযোগ রয়েছে। রায়েন্দা বাজারে রাজাকার ক্যাম্প প্রতিষ্ঠার পর তার পরিকল্পনায় এলাকার হিন্দুদের বাড়ি লুটপাট, হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণ, হিন্দু পুরুষদের হত্যা, হিন্দুদের ধর্মান্তরকরণ, মুক্তিবাহিনীর সদস্য ও সহযোগীদের হত্যা করার জন্য সামরিক অভিযান পরিচালনার অভিযোগ আছে। এছাড়া তিনি রাজাপুর গণহত্যায় নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত।[৪] সেপ্টেম্বরে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সর্বশেষ মন্ত্রিসভায় যোগ দেন এবং প্রদেশের রাজস্ব মন্ত্রীর পাশাপাশি অক্টোবর পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত পূর্ত, বিদ্যুৎ ও সেচ মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।[৫][৬] ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য উপনির্বাচনের জন্য তিনি এনই-৫১ (খুলনা-২) আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।[৭] বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ২৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষ নেওয়ার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়।[৮] ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে তাকে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে।[৯] ১৯৭৩ সালের ৩০ নভেম্বর সরকার সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করলে তিনি মুক্তি পান।[১০] ১৯৭৭ সালে তিনি বাংলাদেশ চাষী কল্যাণ সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন।[১১] ১৯৭৯ সালে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠার পর তিনি ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন এবং তারপর দলটির নায়েবে আমির হন।[১২] ১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি খুলনা-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান।[১৩] ১৯৯২ সালে তিনি আবার দলের সেক্রেটারি জেনারেল হয়েছিলেন।[১০] সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ছিলেন।[১৪]
যুদ্ধাপরাধের বিচার, মৃত্যু, পরিবার ও কিংবদন্তি
[সম্পাদনা]২২ জানুয়ারি ২০১৩ সালে তদন্ত সংস্থা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ইউসুফের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্ত শুরু করে। একই বছরের ২২ এপ্রিলে সংস্থাটি ১৫টি অভিযোগ সহ তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়ার পর ৮ মে তারিখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিবন্ধকের দপ্তরে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগপত্র জমা দিয়ে তাকে গ্রেফতারের আবেদন করা হয়।[১৫] ১২ মে তারিখে তাকে তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। রাষ্ট্রপক্ষের ১৫টি অভিযোগের মধ্যে গণহত্যার ৭টি অভিযোগ ছিল।[১৬] ইউসুফের পক্ষের আইনজীবীরা বার্ধক্যজনিত সমস্যার কারণে অবিলম্বে তার জামিন মঞ্জুর করার আবেদন করে। তবে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি তার রাজনৈতিক সক্রিয়তা ও অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় জামিন আবেদনের বিরোধিতা করে, যার ফলে তার জামিনের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়। জামিনের বদলে ট্রাইব্যুনাল কারা কর্তৃপক্ষকে তার জন্য সকল চিকিৎসা সুবিধা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়।[১৭] ১ আগস্টে তার বিরুদ্ধে চূড়ান্তভাবে ১৩টি অভিযোগ করা হয়। পরবর্তীতে তাকে কাশিমপুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। তার বিরুদ্ধে পরিচালিত মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ২৭ জন ও আসামীপক্ষের ১ জন স্বাক্ষী ছিল। তৎকালীন সময় ইউসুফ হৃদরোগ ও বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। বিচারকার্যের শেষের দিকে ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ সালে তার হৃদরোগের সমস্যা চরমে পৌঁছালে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) নেওয়া হয় এবং তিনি সেখানে মৃত্যুবরণ করেন। তার পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ আনলেও হাসপাতাল থেকে সেই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।[১৪] ১১ ফেব্রুয়ারিতে তাকে তার গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।[১৮] তিনি মুক্তিযুদ্ধের রাজাকার বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সুপরিচিত।[১৪] ২০২৬ সালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শোক প্রস্তাবে তার নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল।[১৯] একই বছরের ২৫ জুলাইয়ে বার্ধক্যজনিত কারণে তার স্ত্রী রাবেয়া খাতুনের মৃত্যু হয়। তাদের ৩ ছেলে ও ৫ মেয়ে আছে।[২০]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 "সংক্ষিপ্ত পরিচিতি"। দৈনিক ইত্তেফাক। ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭১। পৃ. ৬।
- ↑ "East Pakistan Election Results"। দ্য ইস্টার্ন এক্সামিনার (ইংরেজি ভাষায়)। ৩০ এপ্রিল ১৯৬২। পৃ. ৬।
- ↑ হক, আহমেদ মাহফুজুল (২০১৩)। মুনতাসীর মামুন (সম্পাদক)। মুক্তিযুদ্ধ কোষ। খণ্ড ৪র্থ। সময় প্রকাশন। পৃ. ১৮০–১৮১। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪২-৮৭-১।
- ↑ জব্বার, আবু জাফর (২০২০)। "মুক্তিযুদ্ধে শরণখোলা উপজেলা (বাগেরহাট)"। হারুন-অর-রশিদ (সম্পাদক)। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ। খণ্ড ৯ম। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৭৮৯৮৪৩৪৯২৬৮৫।
- ↑ "Portfolios"। দ্য পাকিস্তান অবজার্ভার (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১। পৃ. ১।
- ↑ "মন্ত্রীদের দফতরের চূড়ান্ত তালিকা"। দৈনিক ইত্তেফাক। ১২ অক্টোবর ১৯৭১। পৃ. ৬।
- ↑ হাসান হাফিজুর রহমান, সম্পাদক (২০০৯) [১৯৮২]। "বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র"। খণ্ড সপ্তম খণ্ড। হাক্কানী পাবলিশার্স। পৃ. ১৯০–২০১।
- ↑ ইশতিয়াক, আহমাদ (২৪ ডিসেম্বর ২০২১)। "২৪ ডিসেম্বর ১৯৭১: সাবেক গভর্নর ডা. এ এম মালিকসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা আটক"। দ্য ডেইলি স্টার।
- ↑ খান, হালিম দাদ (২০০৪)। বাংলাদেশের রাজনীতি ১৯৭২–১৯৭৫। আগামী প্রকাশনী। পৃ. ৭৬। আইএসবিএন ৯৮৪-৪০১-৭৮৫-৮।
- 1 2 একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায়। মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিকাশ কেন্দ্র। ১৯৯২ [১৯৮৭]। পৃ. ২১, ১৮৬।
- ↑ "জামায়াতের তিন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং মামলা"। যুগান্তর। ১ নভেম্বর ২০১৮।
- ↑ "মরহুম মাওলানা আবুল কালাম মুহাম্মদ ইউসুফ"। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "Electoral Area: 101 (Khulna-3)"। ভোট মনিটর (ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- 1 2 3 "রাজাকার বাহিনীর 'প্রতিষ্ঠাতা' ইউসুফের মৃত্যু"। প্রথম আলো। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪।
- ↑ "যুদ্ধাপরাধ: ইউসুফকে গ্রেপ্তারের আবেদন"। বিডিনিউজ২৪.কম। ৮ মে ২০১৩।
- ↑ "'রাজাকার বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা' ইউসুফ গ্রেপ্তার, কারাগারে"। প্রথম আলো। ১৩ মে ২০১৩।
- ↑ "জামায়াত নেতা ইউসুফের জামিন আবেদন খারিজ"। বিবিসি। ১৩ মে ২০১৩।
- ↑ আলী, শেখ মোহাম্মদ (১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪)। "মাওলানা এ কে এম ইউসুফের দাফন সম্পন্ন"। দ্য সাইনরাইজ টুডে।
- ↑ "যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত সাতজনের জন্যও শোক জানাল ত্রয়োদশ সংসদ"। বিডিনিউজ২৪.কম। ১২ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "মাওলানা এ কে এম ইউসুফের সহধর্মিণীর ইন্তেকাল: আমীরে জামায়াতের গভীর শোক"। দৈনিক সংগ্রাম। ২৫ জুলাই ২০২৬।
- ১৯২৬-এ জন্ম
- ২০১৪-এ মৃত্যু
- পূর্ব পাকিস্তানের মন্ত্রী
- পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ সদস্য ১৯৬২-১৯৬৫
- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিবিদ
- জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ
- বাগেরহাট জেলার রাজনীতিবিদ
- খুলনা বিভাগের ইসলাম ধর্মীয় নেতা
- সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকার প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ছারছিনা দারুসসুন্নাত কামিল মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে জড়িত ব্যক্তি
- বাংলাদেশী কারা হেফাজতে মারা যাওয়া ব্যক্তি