এলজে পার্কিনসন
লুসি জেন পার্কিনসন বা এলজে পার্কিনসন[১] একজন ব্রিটিশ অভিনেতা এবং ড্র্যাগ কিং। এলজে তার মঞ্চ নাম লুইস সাইফার হিসেবেই বেশি পরিচিত।
শিক্ষা
[সম্পাদনা]পার্কিনসন দক্ষিণ ইয়র্কশায়ারের রদারহ্যাম কলেজ অফ আর্টস অ্যান্ড টেকনোলজিতে পরিবেশন শিল্পকলা এবং ম্যানচেস্টার মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে সমকালীন নাট্যশালা ও পরিবেশন বিদ্যা এবং তারপর ব্রুনেল ইউনিভার্সিটি লন্ডন থেকে সমকালীন পরিবেশনা প্রস্তুত বিদ্যা বিষয়ে[২] এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন।[৩]
পেশাজীবন
[সম্পাদনা]পার্কিনসন জোয়ান নাটকে কেন্দ্রীয় চরিত্র জোয়ান অফ আর্ক এবং অন্যান্য সকল পুরুষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। নাটকটি মিল্ক প্রেজেন্টস কোম্পানির জন্য লিও স্কিলবেক কর্তৃক লিখিত ও পরিচালিত।[৪] এই নাটকের পরিবেশনাগুলোর মধ্যে ছিল ২০১৫ সালে ক্যামডেন পিপলস থিয়েটারে,[৫] ২০১৬ (স্কটসম্যান ফ্রিঞ্জ ফার্স্ট পুরস্কার[৬] এবং দ্য স্টেজ পুরস্কার[৭] জেতার পর) ও ২০১৭ সালে এডিনবার্গ ফ্রিঞ্জ ফেস্টিভ্যালে,[৮][৯] ২০১৭ সালে ব্রিক্সটনের ওভাল হাউজ থিয়েটারে[১০] এবং ২০১৮ সালে মাল্টার স্পাজু ক্রেয়াটিভ-এ।[১১]
২০১৭ সালে তারা মিল্ক প্রেজেন্টসের বুলিশ নাটকের চারজন অভিনেতার একজন ছিলেন। বুলিশ ছিল মিনোটরের পৌরাণিক কাহিনীর একটি পুনঃকথন, যা ক্যামডেন পিপলস থিয়েটারে প্রদর্শিত হয়।[১২]
২০১৮ সালের গ্রীষ্মে, ল্যাঙ্কাস্টারের উইলিয়ামসন পার্কে দ্য থ্রি মাস্কেটিয়ার্স-এর প্রমেনেড সংস্করণ ডিউকস-এ পার্কিনসন ডি'আর্টাগনন চরিত্রে অভিনয় করেন। আলেকজান্ডার ডুমাসের উপন্যাস থেকে হ্যাটি নেলর এটি রূপান্তর করেছিলেন। এই সংস্করণে ডি'আর্টাগন ছিল একজন তরুণী, যে মাস্কেটিয়ার হওয়ার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করত।[১৩][১৪]
২০১৯ সালে অলিভিয়ের পুরস্কারপ্রাপ্ত নাটক রটারডাম-এর প্রধান চরিত্র ফিওনা/অ্যাড্রিয়ান-এ পার্কিনসন যুক্তরাজ্যজুড়ে অভিনয় করে বেড়ান। নাটকটি অ্যালিস ও ফিওনা নামে এক দম্পতির গল্প অনুসরণ করে, যেখানে ফিওনা প্রকাশ করে যে সে সবসময় নিজেকে পুরুষ হিসেবে চিনে এসেছে এবং এখন অ্যাড্রিয়ান নামে একজন পুরুষ হিসেবে বাঁচতে চায়।[১৫][১৬]
এরপর পার্কিনসন ইয়ং ভিক থিয়েটারের ইয়ং ভিক আনপ্যাকড মৌসুমের অংশ হিসেবে শি ভেঞ্চারস অ্যান্ড হি উইনস নাটকে মিসেস বেডল্যাম এবং স্কোয়ার উডবি চরিত্রে অভিনয় করে হাউসফুল শো উপহার দিয়েছেন।[১৭]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "LJ Parkinson" (ইংরেজি ভাষায়)। The Production Exchange। ৯ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২১।
- ↑ "Contemporary Performance Making MA" (পিডিএফ)। Brunel University London। ২৬ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৮।
- ↑ Taylor, Amie (২৮ এপ্রিল ২০১৭)। "Interview: Lucy Jane Parkinson"। The LGBTQ Arts Review। ২৬ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৮।
- ↑ "Joan: Production pack" (পিডিএফ)। Milk Presents। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৮।
- ↑ Gardner, Lyn (৯ অক্টোবর ২০১৫)। "Joan review – magical transformations of a heretical heroine"। The Guardian। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৮।
- ↑ "Final Fringe First 2016 winners announced"। The Scotsman। ২৬ আগস্ট ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৮।
- ↑ Hemley, Matthew (২২ আগস্ট ২০১৬)। "The Stage Edinburgh Awards 2016 anoints third set of winners"। The Stage। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৮।
- ↑ "14 returning Edinburgh Festival shows that are must-sees"। The Scotsman। ৫ আগস্ট ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৮।
- ↑ Diamond, Judy (২৪ আগস্ট ২০১৭)। "Joan"। Edinburgh Festivals Magazine। ২৬ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৮।
- ↑ Mustarde, Danielle (১৯ এপ্রিল ২০১৭)। "Talking drag with Lucy Jane Parkinson"। Diva। ২৬ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৮।
- ↑ Camilleri, Jes (২৪ জুন ২০১৮)। "To be or not to be... a man"। Times of Malta। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৮।
- ↑ Gardner, Lyn (১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭)। "Bullish review – gold horns and glitter beards in minotaur cabaret"। The Guardian। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৮।
- ↑ Bartlett, Chris (২৪ জুলাই ২০১৮)। "The Three Musketeers review at Williamson Park, Lancaster – 'slick and inclusive open-air theatre'"। The Stage। ২৬ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০২৩।
- ↑ Brennan, Clare (২২ জুলাই ২০১৮)। "The Three Musketeers review - a joyful twist on the classic swashbuckler"। The Observer। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৮।
- ↑ Hutchinson, Charles (৯ এপ্রিল ২০১৯)। "How theatre is transitioning in Jon Brittain's Rotterdam"। York Press (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২১।
- ↑ Jupp, Emily (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯)। "Drag King Lucy Jane Parkinson / LoUis CYfer on starring in Jon Brittain's Rotterdam: 'We have removed the shackles from defining what is an entertaining narrative'"। Visionary Arts Organisation। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২১।
- ↑ "She Ventures and He Wins"। Young Vic website (ইংরেজি ভাষায়)। ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২১।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে Lucy Jane Parkinson (ইংরেজি)
- "Profile: LoUis CYfer"। Planet Nation। ২৬ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৮।
- দ্য থ্রি মাস্কেটিয়ার্স-এর ট্রেইলার