এম/এফ (নারীবাদী পত্রিকা)
| চিত্র:MF Journal Logo.png | |
| সম্পাদক | পারভীন অ্যাডামস, রোজালিণ্ড কাওয়ার্ড, এলিজাবেথ কাউই, বেভারলি ব্রাউন |
|---|---|
| বিভাগ | নারীবাদ |
| প্রকাশনা সময়-দূরত্ব | দ্বিবার্ষিকভাবে |
| প্রথম প্রকাশ | ১৯৭৮ |
| সর্বশেষ প্রকাশ | ১৯৮৬ |
| দেশ | যুক্তরাজ্য |
| ওয়েবসাইট | mffeministjournal |
| আইএসএসএন | 0141-948X |
| ওসিএলসি নম্বর | 931732837 |
এম/এফ: নারীবাদী পত্রিকা ছিল একটি ব্রিটিশ নারীবাদী সাময়িকী যা ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছে। এই পত্রিকাটি নারী আন্দোলন সম্পর্কে, বিশেষ করে সমাজতান্ত্রিক ও নারীবাদী রাজনীতি সম্পর্কিত তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক পর্যালোচনা, আলোচনা এবং নিবন্ধ প্রকাশ করত।[১]
পটভূমি এবং বিষয়বস্তু
[সম্পাদনা]১৯৭৬ সালের মে মাসে লন্ডনে অনুষ্ঠিত পিতৃতন্ত্র সম্মেলনের পর, নারী আন্দোলনের মধ্যেকার তাত্ত্বিক বিতর্ক এবং আলোচনাকে একটি স্থান প্রদানের জন্য এম/এফ সাময়িকীটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রথম দিকের সম্পাদকদের মধ্যে ছিলেন পারভীন অ্যাডামস, রোজালিণ্ড কাওয়ার্ড এবং এলিজাবেথ কাউই। পরে তাঁদের সাথে যোগ দেন বেভারলি ব্রাউন ।
প্রথম সংখ্যার ভূমিকায় এম/এফ শিরোনামটি স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়নি তবে মার্কসবাদী নারীবাদের বেশ কয়েকটি উল্লেখ রয়েছে। কনটেমপোরারি কালচার ইনডেক্স (বহুবিষয়ক আন্তর্জাতিক তথ্য ভাণ্ডার) এম/এফ কে "মূলত পুংলিঙ্গ (ম্যাসকুলাইন) / স্ত্রীলিঙ্গের (ফেমিনাইন) জন্য ব্যবহৃত একটি শিরোনাম" হিসেবে বর্ণনা করে এবং বলে যে "পাঠকরা ভাবছিলেন যে এই তির্যক শিরোনামটি মার্কসবাদ বনাম নারীবাদ (ফেমিনিজম), মা (মাদার) বনাম পিতা (ফাদার), অথবা এমনকি, এটি কি মিশেল ফুকোর একটি সংকেতাবদ্ধ রেফারেন্স হতে পারে।"[২]
সাময়িকীটি বহুমুখী পন্থা এবং বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ গ্রহণ করে, যার মধ্যে ছিল: আইনি, সামাজিক, মনোবিশ্লেষণমূলক, অর্থনৈতিক, পাশাপাশি শৈল্পিক দৃষ্টিকোণ। এম/এফ মূলত নারীবাদী সমাজতন্ত্রের সাথে নিজেকে একত্রিত করেছিল এবং একই সাথে অপরিহার্যতার সীমাবদ্ধতা এবং ঝুঁকিগুলিও স্বীকার করেছিল। এম/এফ মোট বারোটি সংখ্যা প্রকাশ করেছিল। শিক্ষাগত দিক থেকে এটি একটি নিবিড় প্রকল্প ছিল যা নারীদের তাত্ত্বিক এবং রাজনৈতিক বিবেচনার জটিলতা অন্বেষণ করেছে। যদিও এটি স্বল্পস্থায়ী ছিল, অনেক পণ্ডিত এবং পাঠক নারীবাদী আলোচনায় এম/এফ -এর অবদান, এর সাফল্য এবং ত্রুটি উভয়কেই বিবেচনা করেছেন।[৩][৪]
১৯৭৯ সালে ডায়ানা লিওনার্ড উইমেন'স স্টাডিজ ইন্টারন্যাশনাল কোয়ার্টারলি এবং ফেমিনিস্ট রিভিউ- এর সাথে ইজ ফেমিনিজম মোর কমপ্লেক্স দ্যান ডব্লিউএলএম রিয়েলাইজেস? শীর্ষক একটি গবেষণাপত্রে এম/এফ নিয়ে আলোচনা করেন।[৫] তিনি "মনোবিশ্লেষণমূলক এবং উত্তর-কাঠামোগত দৃষ্টিকোণের কারণে ... এম/এফ এর জন্য বিশেষ সমালোচনা সংরক্ষণ করেছিলেন"।[৬]
১৯৯০ সালে, অ্যাডামস এবং কাউই দ্য ওম্যান ইন কোয়েশ্চেন সম্পাদনা করেন, এটি এম/এফ থেকে নেওয়া প্রবন্ধ এবং সম্পাদকীয়গুলির একটি সংগ্রহ।[৭][৮]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Journals - m/f feminist journal"। www.mffeministjournal.co.uk। Digital Nachos Ltd। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১।
- ↑ "m/f"। Contemporary Culture Index। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২১।
- ↑ Penley, Constance (১৯৯০)। "Missing m/f"। The Woman in Question: m/f। MIT Press। আইএসবিএন ৯৭৮০২৬২০১১১৬৭।
- ↑ Bowlby, Rachel (১৯৯০)। "P/S"। The Woman in Question: m/f। MIT Press। আইএসবিএন ৯৭৮০২৬২০১১১৬৭।
- ↑ Leonard, Diana (১৯৭৯)। "Is feminism more complex than the WLM realises?"। Feminist Practice: Notes from the Tenth Year! (Theoretically Speaking)। In Theory Press। পৃ. ৩০–৩৭। আইএসবিএন ৯৭৮০৯০৫৯৬৯৯৯২।
- ↑ Withers, D.-M. (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১)। "Knowledge Trouble – Practice, Theory and Anxiety in late 1970s Feminist Movements"। German Historical Institute London Blog। ডিওআই:10.58079/p1px। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২১।
- ↑ The Woman in Question: m/f। MIT Press। ১৯৯০। আইএসবিএন ৯৭৮০২৬২০১১১৬৭।
- ↑ Gerl, Brigitte (১৯৯১)। "Parveen Adams, Elizabeth Cowie (Eds.), The Woman In Question: m/f": ১০৬৯–১০৭২। ডিওআই:10.2307/2904603। জেস্টোর 2904603।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য)
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- দাপ্তরিক ওয়েবসাইট (সব সংখ্যার সম্পূর্ণ পাঠ্য অন্তর্ভুক্ত)