এফি জার্ভিস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এফি জার্ভিস
Affie Jarvis c1895.jpg
আনুমানিক ১৮৯৫ সালে এফি জার্ভিস
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামআর্থার হারউড জার্ভিস
জন্ম(১৮৬০-১০-১৯)১৯ অক্টোবর ১৮৬০
হিন্ডমার্শ, দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রেলিয়া
মৃত্যু১৫ নভেম্বর ১৯৩৩(1933-11-15) (বয়স ৭৩)
হিন্ডমার্শ, দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রেলিয়া
ডাকনামএফি
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
ভূমিকাউইকেট-রক্ষক
সম্পর্কএ জার্ভিস (ভ্রাতা), এইচএসসি জার্ভিস (পুত্র)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১১ ১৪১
রানের সংখ্যা ৩০৩ ৩১৬১
ব্যাটিং গড় ১৬.৮৩ ১৫.৫৭
১০০/৫০ ০/১ ০/১৩
সর্বোচ্চ রান ৮২ ৯৮*
বল করেছে ১০০
উইকেট
বোলিং গড় ৬৩.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ১/৯
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৯/৯ ১১৫/৮৩
উৎস: ক্রিকইনফো.কম, ২২ জানুয়ারি, ২০১৯

আর্থার হারউড এফি জার্ভিস (ইংরেজি: Affie Jarvis; জন্ম: ১৯ অক্টোবর, ১৮৬০ - মৃত্যু: ১৫ নভেম্বর, ১৯৩৩) দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার হিন্ডমার্শ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৮৮৫ থেকে ১৮৯৫ সময়কালে অস্ট্রেলিয়া দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়াও ডানহাতে ব্যাটিং করতেন এফি জার্ভিস

ঘরোয়া ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৮৭৭-৭৮ মৌসুমে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ১৭ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশগ্রহণ করেন। ১৮৯২-৯৩ মৌসুমের শেফিল্ড শিল্ডের খেলায় প্রথমে অংশ নেন। ১৯০০-০১ মৌসুমে ৪০ বছর বয়সে সর্বশেষ প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশগ্রহণের মানসে মাঠে নামেন তিনি।[১] সাউথ অস্ট্রেলিয়ার দলীয় সহযোদ্ধা জর্জ গিফেনের উইকেট রক্ষণে এফি জার্ভিসের যোগ্যতায় ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন।[১]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে এগারো টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন এফি জার্ভিস। ১৫ জানুয়ারি, ১৮৮৫ তারিখে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেকে ঘটে তাঁর। ১ মার্চ, ১৮৯৫ তারিখে একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

দূর্ভাগ্যবশতঃ ঐ সময়ে বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট তারকা জ্যাক ব্ল্যাকহামের সাথে দলে উইকেট-রক্ষকের অন্তর্ভূক্তির প্রশ্নে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হতে হতো তাঁকে। খুব দরকার না পড়লে তাঁকে দলে ঠাঁই দেয়া হতো না। ১৮৮০, ১৮৮৬, ১৮৮৮ ও ১৮৯৩ সালে সর্বমোট চারবার ইংল্যান্ড গমন করেছেন এফি জার্ভিস।[২]

দেহাবসান[সম্পাদনা]

১৫ নভেম্বর, ১৯৩৩ তারিখে ৭৩ বছর বয়সে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার হিন্ডমার্শে এফি জার্ভিসের দেহাবসান ঘটে। তাঁর পুত্র হারউড জার্ভিস ও সহোদর ভ্রাতা আলফ্রেড জার্ভিস প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. The Oxford Companion to Australian Cricket, Oxford, Melbourne, 1996, p. 275.
  2. "First-Class Matches played by Affie Jarvis"CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]