একাদশ জাতীয় সংসদ
একাদশ জাতীয় সংসদ | |
|---|---|
জাতীয় সংসদের সিলমোহর | |
জাতীয় সংসদের পতাকা | |
| ধরন | |
| ধরন | |
| ইতিহাস | |
| শুরু | ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ |
| পূর্বসূরী | দশম জাতীয় সংসদ |
| উত্তরসূরী | দ্বাদশ জাতীয় সংসদ |
| নেতৃত্ব | |
| গঠন | |
| আসন | ৩৫০ (সংরক্ষিত মহিলা আসন ৫০টি) |
রাজনৈতিক দল | সরকার (৩০০)
বিরোধী দল(৪৫)
অন্যান্য
|
| নির্বাচন | |
সর্বশেষ নির্বাচন | একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন |
| সভাস্থল | |
| জাতীয় সংসদ ভবন, শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা, বাংলাদেশ | |
| ওয়েবসাইট | |
| http://www.parliament.gov.bd/ | |
|
|
একাদশ জাতীয় সংসদ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়। ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি নির্বাচিত সংসদ সদস্যগণ শপথ গ্রহণ করেন। ৭ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার সদস্যগণ শপথগ্রহণ করেন। ৩০ জানুয়ারি একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত শুরু হয়।[১] জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে জণগনের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত আসন ৩০০টি এবং ৫০টি মহিলা আসন হিসেবে সংরক্ষিত। ৩০০টি আসনের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৫৮টি আসনে জয়লাভ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে শেখ হাসিনাকে প্রধান করে সরকার গঠন করে এবং জাতীয় পার্টি ২২টি আসনে জয়লাভ করে বিরোধীদলের মর্যাদা পায়।
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ
[সম্পাদনা]| নাম | আলোকচিত্র | পদবী | কার্যকাল | রাজনৈতিক দল |
|---|---|---|---|---|
| শিরীন শারমিন চৌধুরী | স্পিকার | ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ – ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ | |
| ফজলে রাব্বি মিয়া | ডেপুটি স্পিকার | ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ – ২২ জুলাই ২০২২ | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ | |
| শেখ হাসিনা | সংসদ নেতা | ৩ জানুয়ারি ২০১৯ – ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ | |
| সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী | সংসদ উপনেতা | ৩ জানুয়ারি ২০১৯ – ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ | |
| নূর-ই-আলম চৌধুরী | চীফ হুইপ | ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ – ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ | |
| আতিউর রহমান আতিক | হুইপ | ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ – ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ | |
| পঞ্চানন বিশ্বাস | হুইপ | ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ – ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ | |
| ইকবালুর রহিম | হুইপ | ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ – ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ | |
| মাহাবুব আরা বেগম গিনি | হুইপ | ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ – ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ | |
| সামশুল হক চৌধুরী | হুইপ | ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ – ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ | |
| আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন | হুইপ | ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ – ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ | |
| হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ | বিরোধীদলীয় নেতা | ৩ জানুয়ারি ২০১৯ – ১৪ জুলাই ২০১৯ | জাতীয় পার্টি | |
| রওশন এরশাদ | বিরোধীদলীয় নেতা | ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ – ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ | জাতীয় পার্টি | |
| জি এম কাদের | বিরোধীদলীয় উপনেতা | ৩ জানুয়ারি ২০১৯ – ২৬ মার্চ ২০১৯ | জাতীয় পার্টি | |
| রওশন এরশাদ | বিরোধীদলীয় উপনেতা | ২৬ মার্চ ২০১৯ – ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | জাতীয় পার্টি | |
| জি এম কাদের | বিরোধীদলীয় উপনেতা | ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ – ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ | জাতীয় পার্টি | |
| মসিউর রহমান রাঙ্গা | বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ | ৩০ জানুয়ারি ২০১৯ – ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ | জাতীয় পার্টি | |
| পীর ফজলুর রহমান | বিরোধীদলীয় হুইপ | ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ – ২৯ জানুয়ারি ২০২৪ | জাতীয় পার্টি |
অধিবেশন
[সম্পাদনা]প্রথম অধিবেশন
[সম্পাদনা]২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশ শুরু হয়ে ২৬ কার্যদিবস চলার পর ১১ মার্চ অধিবেশনটি শেষ হয়। অধিবেশনের শুরুতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ভাষণ দেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ১৯৪ জন সংসদ সদস্য ৫৪ ঘণ্টা ৫৭ মিনিট আলোচনা করেন এবং শেষে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়।[২] এ অধিবেশনে মোট পাঁচটি বিল গৃহীত হয় এবং ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ৫০টি সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের কার্যপ্রাণালী বিধি-৭১ অনুযায়ী এ অধিবেশনে ৩২১টি নোটিশ জমা পড়ে যার মধ্যে ৩০টি গ্রহণ করে ১৮টির উপর আলোচনা করা হয়। ৭১(ক) বিধি অনুযায়ী আরো ১৫৫টি নোটিশের উপর আলোচনা হয়।[২] সংসদ নেতার জন্য জমা পড়া ১১৪টি প্রশ্নের মধ্যে ৪৬টি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়। মন্ত্রীদের জন্য জমা পড়া দুই হাজার ৩২৫টি প্রশ্নের মধ্যে এক হাজার ৭৩০টির উত্তর দেওয়া হয়। অধিবেশন চলাকালে ৭ মার্চ শপথ গ্রহণ করেন গণফোরামের সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ। ২০ ফেব্রুয়ারি সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যগণ শপথ গ্রহণ করেন।[২]
দ্বিতীয় অধিবেশন
[সম্পাদনা]২০১৯ সালের ২৪ এপ্রিল সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়ে ৫ কার্যদিবস পর শেষ হয়। দ্বিতীয় এ অধিবেশন চলাকালীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য শপথ গ্রহণ করেন।[৩] বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের কার্যপ্রাণালী বিধি-৭১ অনুযায়ী এ অধিবেশনে ১৬৬টি নোটিশ জমা পড়ে যার মধ্যে ৯টি গ্রহণ করে ১টির উপর আলোচনা করা হয়। এছাড়া ৭১(ক) বিধিতে ৪৪টি নোটিশ নিয়ে আলোচনা হয়। সংসদ নেতার জন্য জমা পড়া ৪৪টি প্রশ্নের মধ্যে ১১টি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়। মন্ত্রীদের জন্য জমা পড়া ১ হাজার ৪০টি প্রশ্নের মধ্যে ৩৭৫টির উত্তর দেওয়া হয়।[৩]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "প্রাণবন্ত সংসদের আশা, একাদশ সংসদের যাত্রা শুরু"। প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২০।
- 1 2 3 "শেষ হলো একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন"। বাংলা ট্রিবিউন। ১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২০।
- 1 2 "শেষ হল সংসদ অধিবেশন"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর। ১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২০।






