এএফসি চ্যাম্পিয়নস লীগ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এএফসি চ্যাম্পিয়নস লীগ
এএফসি চ্যাম্পিয়নস লীগ.svg
আয়োজকএশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন
প্রতিষ্ঠিত১৯৬৭; ৫৪ বছর আগে (1967) (২০০২ থেকে বর্তমান ফরম্যাটে)
অঞ্চলএশিয়াঅস্ট্রেলিয়া
দলের সংখ্যা৪৫ (মোট)
৩২ (গ্রুপ পর্ব)
(২৪ অ্যাসোসিয়েশন)
সম্পর্কিত
প্রতিযোগিতা
ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ
বর্তমান চ্যাম্পিয়নদক্ষিণ কোরিয়া উলসান হুন্ডাই
(২য় শিরোপা)
সবচেয়ে সফল দলদক্ষিণ কোরিয়া পোহাং স্টিলার্স
সৌদি আরব আল-হিলাল
(প্রত্যেকে ৩টি শিরোপা)
ওয়েবসাইটOfficial website
২০২১ এএফসি চ্যাম্পিয়নস লীগ

এএফসি চ্যাম্পিয়নস লীগ (সাধারণত এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস লীগ হিসাব বেশি পরিচিত) এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) কর্তৃক আয়োজিত একটি বাৎসরিক মহাদেশীয় ক্লাব ফুটবল প্রতিযোগিতা। ২০০২ সাল থেকে এ প্রতিযোগিতা এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপের পরিবর্তে চালু করা হয়, যা ১৯৮৫ সালে চালু হয়েছিল এবং যেটি ছিল ১৯৬৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত চলা ৪ বছর পরপর অনুষ্ঠিত এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন ক্লাব টুর্নামেন্টের পরিবর্তিত প্রতিযোগিতা। এটি কনমেবল কোপা লিবার্টাডোরেস এবং কনকাকাফ, কাফ, উয়েফা এবং ওএফসি চ্যাম্পিয়নস লীগের সমপর্যায়ের এশিয়ার সবচেয়ে গৌরবজনক ক্লাব প্রতিযোগিতা।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৬৭-২০০২[সম্পাদনা]

প্রতিযোগিতাটি ১৯৬৭ সালে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন ক্লাব টুর্নামেন্ট হিসাবে চালু হয়েছিল। তখন অনিয়মিতভাবে বিভিন্ন ফরম্যাটে বিশেষ করে নকআউট ফরম্যাটে খেলা হত। সে সময়ের সবচেয়ে সাফল্যজনক দুটি ক্লাব হল ইসরায়েলের মাকাবি তেলআবিব ও হাপোয়েল তেলআবিব। ১৯৭১ সালের পরে পেশাদারিত্ব ও জনপ্রিয়তার অভাবে প্রায় ১৪ বছর ধরে এ প্রতিযোগিতা আর অনুষ্ঠিত হয়নি।

১৯৯০-৯১ মরসুমে একটি চূড়ান্ত খেলা ফরম্যাটে ফিরে এলে সেটি বাংলদেশের বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম-এ আয়োজিত হয়। দক্ষিণ এশীয় কোনো দেশের এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন এটাই প্রথম ও একমাত্র

সংক্ষিপ্ত ফলাফল[সম্পাদনা]

এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন ক্লাব টুর্নামেন্ট (১৯৬৭-১৯৭২)[সম্পাদনা]

মরসুম বিজয়ী দল রানার্স-আপ
১৯৬৭ ইসরায়েল হাপোয়েল টেল আভিভ মালয়েশিয়া সেলাঙ্গর
১৯৬৯ ইসরায়েল মাক্কাবি টেল আভিভ দক্ষিণ কোরিয়া ইয়াংজি এফসি
১৯৭০ ইরান তাজ তেহরান ইসরায়েল হাপোয়েল টেল আভিভ
১৯৭১ ইসরায়েল মাক্কাবি টেল আভিভ ইরাক আল-শর্টা
১৯৭২ বাতিল

এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ (১৯৮৫-২০০২)[সম্পাদনা]

মরসুম বিজয়ী দল রানার্স-আপ
১৯৮৫-৮৬ দক্ষিণ কোরিয়া দিয়ায়ু রয়্যালস্ সৌদি আরব আল-আহলি
১৯৮৬ জাপান ফুরুকাওয়া ইলেকট্রিক সৌদি আরব আল-হিলাল
১৯৮৭ জাপান ইয়োমিউরি এফসি
১৯৮৮-৮৯ কাতার আল-সাদ ইরাক আল-রশিদ
১৯৮৯-৯০ চীন লিয়াওনিং জাপান ইয়োকোহামা এফসি
১৯৯০-৯১ ইরান এস্টেঘলাল এফসি
(তাজ তেহরান)
চীন লিয়াওনিং
১৯৯১ সৌদি আরব আল-হিলাল ইরান এস্টেঘলাল এফসি
১৯৯২-৯৩ ইরান পাস তেহরান সৌদি আরব আল-শাবাব
১৯৯৩-৯৪ থাইল্যান্ড থাই ফার্মার্স ব্যাঙ্ক ওমান ওমান ক্লাব
১৯৯৪-৯৫ কাতার আল-আরবি
১৯৯৫ দক্ষিণ কোরিয়া সেওংনাম ইলহা চুন্মা সৌদি আরব আল-নাসির
১৯৯৬-৯৭ দক্ষিণ কোরিয়া পোহাং স্টিলার্স দক্ষিণ কোরিয়া সেওংনাম ইলহা চুন্মা
১৯৯৭-৯৮ চীন ডালিয়ান ওয়ান্ডা
১৯৯৮-৯৯ জাপান জুবিলো ইওয়াতা ইরান এস্টেঘলাল এফসি
১৯৯৯-২০০০ সৌদি আরব আল-হিলাল জাপান জুবিলো ইওয়াতা
২০০০-০১ দক্ষিণ কোরিয়া সুওন স্যামসাং ব্লুউইংস
২০০১-০২ দক্ষিণ কোরিয়া আনইয়াং এলজি চিতা
(এফসি সিউল)

এএফসি চ্যাম্পিয়নস লীগ (২০০২-বর্তমান)[সম্পাদনা]

মরসুম বিজয়ী দল রানার্স-আপ
২০০২-০৩ সংযুক্ত আরব আমিরাত আল-আইন থাইল্যান্ড বিইসি তেরো সাসানা এফসি
২০০৪ সৌদি আরব আল-ইত্তিহাদ দক্ষিণ কোরিয়া সেওংনাম ইলহা চুন্মা
২০০৫ সংযুক্ত আরব আমিরাত আল-আইন
২০০৬ দক্ষিণ কোরিয়া জেওনবুক হুন্ডাই মোটর্স সিরিয়া আল-কারামাহ
২০০৭ জাপান উরাওয়া রেড ডায়মন্ডস ইরান সেপাফান এফসি
২০০৮ জাপান গাম্বা ওসাকা অস্ট্রেলিয়া অ্যাডিলেড ইউনাইটেড
২০০৯ দক্ষিণ কোরিয়া পোহাং স্টিলার্স সৌদি আরব আল-ইত্তিহাদ
২০১০ দক্ষিণ কোরিয়া সেওংনাম ইলহা চুন্মা ইরান জোব আহান
২০১১ কাতার আল-সাদ দক্ষিণ কোরিয়া জেওনবুক হুন্ডাই মোটর্স
২০১২ দক্ষিণ কোরিয়া উলসান হুন্ডাই সৌদি আরব আল-আহলি
২০১৩ চীন কুয়াংচৌ এভারগ্রান্ড দক্ষিণ কোরিয়া এফসি সিউল
২০১৪ অস্ট্রেলিয়া ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্স সৌদি আরব আল-হিলাল
২০১৫ চীন কুয়াংচৌ এভারগ্রান্ড সংযুক্ত আরব আমিরাত আল-আহলি
২০১৬ দক্ষিণ কোরিয়া জেওনবুক হুন্ডাই মোটর্স সংযুক্ত আরব আমিরাত আল-আইন
২০১৭ জাপান উরাওয়া রেড ডায়মন্ডস সৌদি আরব আল-হিলাল
২০১৮ জাপান কাশিমা অ্যান্টলার্স ইরান পার্সেপোলিস
২০১৯ জাপান উরাওয়া রেড ডায়মন্ডস সৌদি আরব আল-হিলাল
২০২০ দক্ষিণ কোরিয়া উলসান হুন্ডাই ইরান পার্সেপোলিস
২০২১ নির্ধারিত হয়নি

ফরম্যাট[সম্পাদনা]

পুরস্কার[সম্পাদনা]

পুরস্কার মূল্য[সম্পাদনা]

২০২০ এএফসি চ্যাম্পিয়নস লীগ থেকে এ পুরস্কার মূল্য দেওয়া হচ্ছে:[১][২]

পর্ব Purse পরিবহণ ভর্তুকি
প্রাথমিক পর্ব প্রযোজ্য নয় $৪০,০০০
প্লে অফ পর্ব প্রযোজ্য নয় $৪০,০০০
গ্রুপ পর্ব জয়: $৫০,০০০ $৬০,০০০
ড্র: $১০,০০০
১৬ দলের পর্ব $১০০,০০০ $৬০,০০০
কোয়ার্টার ফাইনাল $১৫০,০০০ $৬০,০০০
সেমিফাইনাল $২৫০,০০০ $৬০,০০০
ফাইনাল বিজয়ী: $৪ মিলিয়ন $১২০,০০০
রানার্সআপ: $২ মিলিয়ন

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "AFC Reveals Details of Increased Club Competition Prize Money"the-afc.com। AFC। ১০ ডিসেম্বর ২০১৫। ২৭ মে ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০১৬ 
  2. "2016 AFC Champions League Competition Regulations" (PDF)the-afc.com। AFC। ২৮ নভেম্বর ২০১৫। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]