ঋতু কাপুর
ঋতু কাপুর | |
|---|---|
ঋতু কাপুর (কেন্দ্রে) নতুন দিল্লিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের একটি অনুষ্ঠানে | |
| জাতীয়তা | ভারতীয় |
| মাতৃশিক্ষায়তন | |
| পরিচিতির কারণ |
|
| বোর্ড সদস্য |
|
| দাম্পত্য সঙ্গী | রাঘব বহল |
ঋতু কাপুর একজন ভারতীয় প্রচার মাধ্যম উদ্যোক্তা।[১] তিনি কুইন্ট ডিজিটাল লিমিটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও, সংস্থাটি ওয়েব-ভিত্তিক ডিজিটাল সংবাদ সাইট দ্য কুইন্ট-এর মূল কোম্পানি।[২][৩] ১৯৯২ সালে নেটওয়ার্ক১৮ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের মধ্যে তিনি একজন ছিলেন।[৪]
ঋতু কাপুর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়টার্স ইনস্টিটিউট অফ জার্নালিজমের একজন বোর্ড সদস্য।[৫][৬] তিনি ব্রিটিশ কাউন্সিলের ফিউচার নিউজ ওয়ার্ল্ডওয়াইড পার্টনারশিপ প্রোগ্রামের একজন উপদেষ্টা বোর্ড সদস্য এবং ওয়ার্ল্ড এডিটরস ফোরামের একজন বোর্ড সদস্য।[৭][৮][৯] ২০১৮ সালে, তিনি ফরচুনের ভারতের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী মহিলাদের তালিকায় ৪৯তম স্থান অধিকার করেছিলেন।[১০]
পটভূমি
[সম্পাদনা]ঋতু কাপুর সেন্ট স্টিফেন কলেজের একজন প্রাক্তন ছাত্রী। তিনি জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার এ জে কে গণযোগাযোগ গবেষণা কেন্দ্র থেকে চলচ্চিত্র ও টিভি প্রযোজনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।[১১]
তাঁর স্বামী রাঘব বহল, একজন ভারতীয় ব্যবসায়ী এবং নেটওয়ার্ক১৮ ও কুইন্ট ডিজিটাল লিমিটেডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।[১২] ঋতু কাপুর এবং রাঘব বহলের দুটি সন্তান রয়েছে।[৪]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]ঋতু কাপুরকে "দ্য ইণ্ডিয়া শো" তৈরির কৃতিত্ব দেওয়া হয়। এটি উপগ্রহ চ্যানেলে প্রচারিত ভারতের প্রথম স্বদেশী অনুষ্ঠান, প্রচারিত হয়েছিল স্টার প্লাস-এ। ১৯৯৫ সালে তিনি ভারতীয় আইনি ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলির পুনর্নির্মাণ ক'রে টেলিভিশন অনুষ্ঠান ভানওয়ার -এর চিত্রনাট্য পরিচালনা এবং লেখা শুরু করেন। নেটওয়ার্ক ১৮-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন হওয়ার পাশাপাশি, তিনি রিয়েল হিরোস-এর মতো বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করেছেন।[৪]
২০০৮ সালে সিএনএন আইবিএন- এ "দ্য সিজে শো" চালু হয়। এটি চালু করে ঋতু ভারতীয় টেলিভিশনে নাগরিক সাংবাদিকতার পথপ্রদর্শক হন, এই অনুষ্ঠানটি বিভিন্ন পুরস্কার জিতেছে। ২০১১ সালে, রিতু প্রোগ্রামিং বিভাগের প্রধান হিসেবে হিস্টরি টিভি১৮ ( এ+ইনেটওয়ার্কসের সাথে একটি যৌথ উদ্যোগ) চালু করেন। হিস্ট্রি টিভি১৮-তে তিনি দ্য গ্রেটেস্ট ইণ্ডিয়ান পরিচালনা করেছিলেন। বর্তমানে, ঋতু কাপুর দ্য কুইন্টের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও।[১৩][১৪]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Ritu Kapur | Reuters Institute for the Study of Journalism"। reutersinstitute.politics.ox.ac.uk (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৮।
- ↑ "About Us"। The Quint (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৮।
- ↑ "Ritu Kapur | WAN-IFRA Events"। events.wan-ifra.org (ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৮।
- 1 2 3 "The Newsmaker - Ritu Kapur"। Outlook Business। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৮।
- ↑ "Ritu Kapur"। www.bloomberg.com। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৮।
- ↑ "Oxford Appoints Quint Co-Founder Ritu Kapur On Board Of Advisors For Journalism" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৮।
- ↑ "Advisory Board Members | British Council"। www.britishcouncil.org (ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৮।
- ↑ "WEF Board Members - WAN-IFRA"। www.wan-ifra.org (ইংরেজি ভাষায়)। ৪ অক্টোবর ২০১২। ২৮ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৮।
- ↑ "'Half a billion smartphones will be the tipping point' | Press Institute of India"। www.pressinstitute.in (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৮।
- ↑ ""MOST POWERFUL WOMEN""। www.fortuneindia.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০।
- ↑ Anand, Alok (২৪ আগস্ট ২০১৭)। "Ritu Kapur, The Quint Founder: The Day We Stop Experimenting is The Day We Die"। Acadman (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৮।
- ↑ "Notice Number"।
- ↑ "Being legacy free is very liberating: Ritu Kapur, The Quint"। Indian Advertising Media & Marketing News – exchange4media (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৮।
- ↑ "It's Like TV in the 90s, No Templates: Ritu Kapur on Digital Media"। The Quint (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৮।