বিষয়বস্তুতে চলুন

ঊরুভঙ্গ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
যক্ষগান পালায় দুর্যোধনের ভূমিকায় একজন অভিনেতা

ঊরুভঙ্গ বা ঊরুভঙ্গম হলো খ্রিষ্টীয় দ্বিতীয় বা তৃতীয় শতাব্দীতে মহাকবি ভাস বিরচিত একটি সংস্কৃত নাটক।[] মহর্ষি ব্যাসদেব রচিত ধ্রুপদী মহাকাব্য মহাভারত-এর আখ্যানের ওপর ভিত্তি করে রচিত এই নাটকের মূল উপজীব্য হলো কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে ভীমসেনের সহিত গদাযুদ্ধের সময় এবং তৎপরবর্তীকালে কুরুরাজ দুর্যোধনের চরম পরিণতি। যদিও ঊরুভঙ্গ-এর মূল কাহিনীসূত্র মহাভারত থেকেই গৃহীত, তথাপি মহাকবি ভাস তাঁর নাট্যশৈলীতে কাহিনীর উপস্থাপনায় কিছু মৌলিক ও তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন সাধন করেছেন।[] এই পরিবর্তনগুলোর মধ্যে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য হলো দুর্যোধনের চরিত্রচিত্রণ। মূল মহাভারত-এ দুর্যোধনকে যেখানে একজন খলনায়ক হিসেবে দেখা হয়, সেখানে ঊরুভঙ্গ নাটকে ভাস তাঁকে গভীর মানবিক গুণাবলী দিয়ে মন্ডিত করেছেন।[] দুর্যোধনের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এই কাহিনীর উপস্থাপনা নাটকটিতে এক অনন্য বিয়োগান্তক মাত্রা যোগ করেছে।[]

সারসংক্ষেপ

[সম্পাদনা]
দুর্যোধন ও ভীমের গদাযুদ্ধ

ঊরুভঙ্গ নাটকের মূল উৎস সনাতন ধর্মের মহাকাব্য মহাভারত। মূল আখ্যানে কেন্দ্রীয় চরিত্র দুর্যোধন একজন দুর্বৃত্ত হিসেবে চিত্রিত হলেও, ভাস তাঁর নাটকে এই চরিত্রটিকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক আলোকে উপস্থাপন করেছেন। এখানে দুর্যোধনকে তাঁর অতীত দুষ্কর্ম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়নি ঠিকই, কিন্তু তাঁকে বীরোচিত গুণাবলীর অধিকারী এক মহান চরিত্র হিসেবে প্রদর্শন করা হয়েছে।[] নাটকের ঘটনাপ্রবাহ তাঁর মৃত্যুর অব্যবহিত পূর্বের মুহূর্তগুলোকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে; যেখানে দেখা যায় দুর্যোধন তাঁর অতীতের কর্মের জন্য অনুশোচনা করছেন, পরিবারের সাথে পুনর্মিলিত হচ্ছেন এবং যুদ্ধের অসারতা উপলব্ধি করছেন।

নাটকের প্রারম্ভে তিনজন সৈনিককে কৌরবপাণ্ডব পক্ষের বিভীষিকাময় রণক্ষেত্র অবলোকন করতে দেখা যায়। তাঁরা তাঁদের সম্মুখের দৃশ্যপটকে অত্যন্ত বীভৎস ও বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন এবং পালাক্রমে রণক্ষেত্রে তাঁদের দৃষ্টিগোচর হওয়া বিভিন্ন মর্মান্তিক দৃশ্যের বিবরণ দেন। রণক্ষেত্র অতিক্রম করতে করতে তাঁরা একসময় মধ্যম পাণ্ডব ভীম এবং কৌরবরাজ দুর্যোধনের মধ্যকার অন্তিম গদাযুদ্ধের স্থানে উপনীত হন।

অতঃপর সৈনিকরা ভীম ও দুর্যোধনের যুদ্ধের বিবরণ প্রদান করতে থাকেন। দর্শক সম্পূর্ণ যুদ্ধটি এই তিন সৈনিকের বর্ণনার মাধ্যমেই প্রত্যক্ষ করেন। পরিশেষে, দুর্যোধনের অবিরাম গদাঘাতের ফলে ভীম ধরাশায়ী হন। দুর্যোধন ভূপাতিত ভীমকে হত্যা করতে অস্বীকার করেন, যা তাঁর বীরোচিত মানসিকতার পরিচায়ক। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই ভীম অন্যায়ভাবে ও গদাযুদ্ধের নিয়ম লঙ্ঘন করে দুর্যোধনের ঊরুদ্বয় চূর্ণ করে দেন।

দুর্যোধন ভূপাতিত হওয়ার পর, পাণ্ডবরা দ্রুত ভীমকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান এবং দুর্যোধনকে সেই জনমানবহীন রণক্ষেত্রে একাকী পরিত্যাগ করা হয়। এই অন্যায় যুদ্ধের সংবাদে বলরাম ক্রুদ্ধ হন এবং ন্যায়বিচার দাবি করেন। কিন্তু দুর্যোধন, যিনি ইতিমধ্যেই জাগতিক মোহ ত্যাগ করে ভাগ্যকে মেনে নিয়েছেন, তিনি বলরামকে শান্ত করেন। এখান থেকেই নাটকে দুর্যোধনের বীরোচিত ও মহানুভব সত্তার[] প্রকাশ ঘটতে শুরু করে।

দুর্যোধন শ্রীকৃষ্ণকে দায়ী করেন এবং ভীমকে ক্ষমা করে দেন। নাটকের অগ্রগতির সাথে সাথে তিনি তাঁর অন্ধ পিতামাতা (ধৃতরাষ্ট্রগান্ধারী), তাঁর দুই পত্নী (মালবী ও পৌরবী) এবং পুত্র দুর্জয়ের সাথে পুনর্মিলিত হন। দুর্যোধন তাঁর বর্তমান অবস্থার জন্য তীব্র মনোকষ্ট অনুভব করেন, কারণ ঊরুভঙ্গ হওয়ার কারণে তিনি না তাঁর পিতাকে প্রথা অনুযায়ী প্রণাম করতে পারছেন, না তাঁর শিশুপুত্রকে স্নেহের সাথে নিজের ঊরুতে বসাতে পারছেন। এই করুণ পরিস্থিতিতে তিনি যুদ্ধের অসারতা ও ভয়াবহতা সম্পর্কে নিজস্ব উপলব্ধি ব্যক্ত করেন।[]

নাটকের অন্তিম লগ্নে, আচার্যপুত্র অশ্বত্থামা দুর্যোধনের এই পরিণতির প্রতিশোধ নিতে এবং রাত্রের আঁধারে পাণ্ডবদের হত্যা করার সংকল্প নিয়ে উপস্থিত হন। দুর্যোধনের মৃত্যুর ঠিক পূর্বমুহূর্তে অশ্বত্থামা দুর্যোধনের শিশুপুত্র দুর্জয়কে কুরুরাজ্যের রাজা হিসেবে অভিষিক্ত করেন। উল্লেখ্য যে, নাটকটি সম্পূর্ণরূপে নিরাশাব্যঞ্জক বা বিয়োগান্তক সুরে শেষ হয়নি;[] বরং ভবিষ্যতের জন্য একটি আশার সঞ্চার রেখে যাওয়া হয়েছে, যা ভারতীয় সংস্কৃত নাট্যশাস্ত্রের রীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, কারণ সংস্কৃত নাটকে সাধারণত বিয়োগান্তক সমাপ্তি পরিহার করা হয়।

নাট্যরূপ ও অভিযোজন

[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ সেন্টার ফর এশিয়ান থিয়েটার ঊরুভঙ্গম নাটকটি মঞ্চস্থ করে, যার নাট্যরূপ দেন নিরঞ্জন অধিকারী এবং নির্দেশনায় ছিলেন কামালউদ্দিন নীলু। ২০০১ সালে সুইডেনের ভার্মল্যান্ড থিয়েটার ফেস্টিভ্যালে নাটকটির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রযোজনাটিতে বাঙালি লোকনাট্যের উপাদান, আচার-অনুষ্ঠান, সমবেত সঙ্গীত, নৃত্য এবং আধুনিক প্রযুক্তির সংমিশ্রণ ঘটানো হয়েছিল, যা সংস্কৃত নাটকের প্রথাগত পরিবেশনার চেয়ে স্বতন্ত্র। সেন্টার ফর এশিয়ান থিয়েটার তাইপে সিটি সরকারের কালচারাল অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্ট আয়োজিত হুয়াশান আর্টস ডিস্ট্রিক্ট আউটডোর টেন্ট থিয়েটারেও এটি পরিবেশন করে।

বিখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব কাভালাম নারায়ণ পানিক্কর ঊরুভঙ্গ-এর একটি অভিযোজন তৈরি করেন। এই সংস্করণটি কেরলীয় শাস্ত্রীয় আচার থেইয়াম শৈলীতে পুনর্গঠিত ছিল। পানিক্কর তাঁর নাটকে দুইজন দুর্যোধন সৃষ্টি করেছিলেন—একজন মরণশীল রক্তমাংসের দুর্যোধন এবং অন্যজন তাঁর আদর্শায়িত রূপ সুযোধন। মণিপুরের প্রখ্যাত নাট্যকার রতন থিয়াম-এর প্রযোজনায় মণিপুরী নৃত্য ও নাট্য ঐতিহ্যের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী মার্শাল আর্ট, থাং-তা (Thang-Ta)-এর ব্যবহার দেখা যায়।

ডোগরি ভাষায় কুমার এ. 'ভারতী' নাটকটির রূপান্তর করেন, যার নকশা করেন অভিষেক ভারতী এবং নির্দেশনায় ছিলেন আদিত্য ভারতী। এটি জম্মু ও কাশ্মীর স্টেট কালচারাল একাডেমি কর্তৃক ২০১৭ সালের সেরা প্রযোজনা হিসেবে ঘোষিত হয়। এটি একটি অত্যন্ত পরীক্ষামূলক প্রযোজনা ছিল যা জম্মু ও কাশ্মীরের ডোগরা অঞ্চলের লোকজ ফর্মের সাথে মিশ্রিত ছিল। এই প্রযোজনাটি ১০টি রাজ্য কালচারাল একাডেমি পুরস্কার লাভ করে, যার মধ্যে রয়েছে সেরা পরিচালক আদিত্য ভারতী, সেরা সঙ্গীত অভিষেক ভারতী, সেরা রূপসজ্জা শাম্মি ধামির, সেরা পোশাক কমল মোহিনী এবং অভিনয়ের জন্য কনভ শর্মা, সুস্মিতা ব্যানার্জি, নীহারিকা সাক্ষী ও নিতিন বাবু পুরস্কৃত হন।

সুবর্ণ কর্ণাটক-এর উদ্যোগে সংস্কৃত ধ্রুপদী নাটকসমূহের অভিযোজন মঞ্চস্থ হয়, যার মধ্যে ঊরুভঙ্গ অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং এর নৃত্যপরিকল্পনা করেছিলেন মায়া রাও[]

পর্যালোচনা ও গবেষণা

[সম্পাদনা]
  • Pusalker, A.D. Bhasa - a study. Munshiram Manoharlal Publishers Pvt. Ltd. New Delhi, India 1968
  • Sharma, A. Essays on the Mahabharata. Leiden, 1991
  • Dharwadker, A.B. Theatres of Independence: Drama, Theory, and Urban Performance in India since 1947. University of Iowa Press, 2005
  • Bhat, G.K. Tragedy and Sanskrit Drama. Popular Prakashan(P) Ltd. Mumbai, India 1974
  • Skilton, A. How the nāgas were pleased by Harṣa; & The shattered thighs by Bhāsa. New York University Press: JJC Foundation, 2009.

ভাস'স ঊরুভঙ্গ অ্যান্ড ইন্ডিয়ান পোয়েটিকস[১০] শীর্ষক প্রবন্ধে গেরো ঊরুভঙ্গ এবং মহাভারত-এর 'মূল' আখ্যানের মধ্যকার পার্থক্যগুলো বিশদভাবে পরীক্ষা করেছেন। ঊরুভঙ্গ-এ তথাকথিত প্রতিনায়ককে 'নৈতিক নায়ক' হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে, কারণ এখানে দুর্যোধনই পাঠক বা দর্শকের পথপ্রদর্শক এবং শিক্ষকের ভূমিকা পালন করেন। নাটকটি আত্মসংযম, শত্রুর প্রতি করুণা এবং পারিবারিক পুনর্মিলনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে। গেরো ঊরুভঙ্গ এবং সংস্কৃত নাট্যতত্ত্ব ও কাঠামোর মধ্যকার বৈসাদৃশ্যগুলোও নির্দেশ করেছেন।

জি.কে. ভাট তাঁর ট্র্যাজেডি অ্যান্ড সংস্কৃত ড্রামা গ্রন্থে[১১] নাটকে প্রতিষ্ঠিত বিয়োগান্তক নকশা ও অভিপ্রায় নিয়ে আলোচনা করেছেন। ভাটের মতে, ভাস হলেন একমাত্র সংস্কৃত নাট্যকার যিনি প্রাচীন উপাদান নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে একটি বিয়োগান্তক কাঠামো তৈরি করেছেন। সংস্কৃত নাটকে ট্র্যাজিক মোটিভ বা বিয়োগান্তক উদ্দেশ্য প্রবর্তন করা ছিল অত্যন্ত সীমিত এবং চরিত্রের চিত্রায়ণে এধরণের প্রচেষ্টা প্রচলিত লোকগাথার অস্বীকার এবং নতুন উপকথা তৈরির সামিল বলে গণ্য হতো। সুতরাং, সংস্কৃত নাট্যসাহিত্যে ভাট ভাসকে এক দুঃসাহসী পরীক্ষক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যিনি প্রথাগত মহাকাব্যিক কাঠামো থেকে বেরিয়ে আসার স্পর্ধা দেখিয়েছেন।

ভাসের ঊরুভঙ্গ-এ ঘটনা এবং চরিত্রগুলো মহাকাব্য থেকে গৃহীত হলেও, ভাস ঘটনাটিকে নতুন উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষিত থেকে পুনর্গঠন করেছেন। ভাসের সংস্করণে, নাটকের মূল দৃশ্য শুরু হওয়ার পূর্বেই ঊরুভঙ্গের ঘটনাটি সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া, ভাস দুর্যোধনকে এমন এক ট্র্যাজিক নায়ক বা বিয়োগান্তক বীর হিসেবে চিত্রিত করেছেন যিনি বীরোচিত সাহস এবং শান্ত সংকল্পের সাথে তাঁর অনিবার্য মৃত্যুকে বরণ করে নেন। পরিশেষে, একজন বীরের মতোই দুর্যোধনের মৃত্যু ঘটে। যেহেতু মহাভারত ভারতীয় সনাতন ঐতিহ্যের গভীরে প্রোথিত, তাই যাদের মননে প্রথাগত ধারণা বদ্ধমূল, তাদের পক্ষে ভাসের এই ঊরুভঙ্গ-এর ব্যাখা মেনে নেওয়া অনেক সময়ই কঠিন হয়ে পড়ে।

অনুবাদ

[সম্পাদনা]

ঊরুভঙ্গ বেশ কয়েকবার ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে:

  • Rangachar, S. Ūrubhaṅgam. One act play. With introd., translation, notes. Mysore, Samskrita Sahitya Sadana, 1967
  • Devadhar, C.R. Urubhangam, Urubhangam, Breaking of Thighs, a Sanskrit One-Act Play Attributed to Bhasa. Poona: Oriental Book Agency, 1940.
  • Menon, K.P.A. Complete Plays of Bhasa (Text With English Translation and Notes). 2003 ed. Nag Publishers, 2003.
  • Sarup, Lakshman, and A.C. Woolner. Thirteen Plays of Bhasa. Delhi: Motilal Banarsidass, 1985.
  • Haksa A.N. The Shattered Thigh and Other Plays. England: Penguin Publishers, 2008.

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Khan A.R. "Productions - Urubhangam." Centre for Asian Theatre. 2004. CAT. 13 July 2008 <http://www.catbd.org/urubhangam.html ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১১-০৭-২৫ তারিখে>
  2. From G.K. Bhat's Two Plays of Tragic Design and Tragic Intent. Bombay, India. Popular Prakasha Pvt Ltd. 1974. pg.70
  3. From G.K. Bhat's "Two Plays of Tragic Design and Tragic Intent." Bombay, India. Popular Prakasha Pvt Ltd. 1974. pg.72
  4. From G.K. Bhat's "Two Plays of Tragic Design and Tragic Intent." Bombay, India. Popular Prakasha Pvt Ltd. 1974. pg.89
  5. From G.K. Bhat's "Two Plays of Tragic Design and Tragic Intent." Bombay, India. Popular Prakasha Pvt Ltd. 1974. pg.69
  6. From G.K. Bhat's "Two Plays of Tragic Design and Tragic Intent." Bombay, India. Popular Prakasha Pvt Ltd. 1974. pg.74
  7. From G.K. Bhat's "Two Plays of Tragic Design and Tragic Intent." Bombay, India. Popular Prakasha Pvt Ltd. 1974. pg.77
  8. From G.K. Bhat's "Two Plays of Tragic Design and Tragic Intent." Bombay, India. Popular Prakasha Pvt Ltd. 1974. pg.68
  9. "Pioneering dancer and a much-loved mentor"The Times of India। ২ সেপ্টেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০১৪
  10. From Gerow, Edwin, and Bhāsa. "Bhāsa's Ūrubhaṅga and Indian Poetics." Journal of the American Oriental Society 105 (1985): 405-12.
  11. From G.K. Bhat's "Two Plays of Tragic Design and Tragic Intent." Bombay, India. Popular Prakasha Pvt Ltd. 1974. pg 68-79

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:ভাস