উমা গজপতি রাজু
উমা গজপতি রাজু | |
|---|---|
| সংসদ সদস্য | |
| পূর্বসূরী | ভট্টম শ্রীরাম মূর্তি |
| উত্তরসূরী | এম. ভি. ভি. এস. মূর্তি |
| নির্বাচনী এলাকা | বিশাখাপত্তনম |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ১৭ নভেম্বর ১৯৫৩ পালঘাট, কেরল |
| রাজনৈতিক দল | ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস |
| দাম্পত্য সঙ্গী | পুষাপতি আনন্দ গজপতি রাজু (বিবাহ বিচ্ছিন্ন) এখন রমেশ শর্মাকে বিয়ে করেছেন |
| সন্তান | ২ কন্যা (সঞ্চয়িতা গজপতি রাজু সহ) |
| বাসস্থান | ১, কিরলামপুডি লে আউট, বিচ রোড, বিশাখাপত্তনম, অন্ধ্রপ্রদেশ। |
উমা গজপতি রাজু একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং ভারতীয় সংসদের প্রাক্তন সদস্য। তিনি ১৯৫৩ সালের ১৭ই নভেম্বর কেরালার পালঘাটে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। তিনি ১৯৭১ সালের ১৮ই আগস্ট পুষাপতি আনন্দ গজপতি রাজুর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের দুটি কন্যা আছে। ১৯৮৯ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয় এবং ১৯৯১ সালে তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা রমেশ শর্মাকে বিয়ে করেন। আনন্দ গজপতি রাজু ২০১৬ সালে মারা যান।
উমা একজন রাজনৈতিক ও সমাজকর্মী। তিনি এক বছর অন্ধ্রপ্রদেশ কংগ্রেস কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। উমার তৎকালীন স্বামী আনন্দ গজপতি রাজু, অন্ধ্রপ্রদেশে এনটি রামা রাওয়ের মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু ১৯৮৯ সালে, তিনি তেলুগু দেশম পার্টি (টিডিপি) থেকে পদত্যাগ করে কংগ্রেসে যোগ দেন এবং একই বছর উমাও লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন।[১] উমা ১৯৮৯ সালে বিশাখাপত্তনম (লোকসভা কেন্দ্র) থেকে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে নবম লোকসভায় নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পরামর্শদাতা কমিটির সদস্য ছিলেন। ১৯৯১ সালের লোকসভা নির্বাচনে, বিশাখাপত্তনম কেন্দ্রে টিডিপি প্রার্থী এম. ভি. ভি. এস. মূর্তি জয়লাভ করেন এবং তিনি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন।
তিনি অল ইণ্ডিয়া উইমেন'স হকি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি; ফ্রিডম রান অ্যাণ্ড ম্যারাথনের আয়োজক কমিটির সহ-সভাপতি; নেহেরু ক্রিকেট ক্লাবের সদস্য; ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল অ্যাকশন এবং ন্যাশনাল রেড ক্রস সোসাইটির সহ-সভাপতি রূপে কাজ করেছেন।
তিনি বন্যা ও খরা ত্রাণের কাজে, অনাথ আশ্রমের কার্যক্রমের প্রচারে, পরিবেশ সুরক্ষায় এবং ম্যালেরিয়া নির্মূল কর্মসূচিতে আগ্রহী।
তিনি ট্রেড ফেয়ার অথরিটি অফ ইণ্ডিয়ার পরিচালক ছিলেন; ১৯৮৯ সালে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের জন্য তিনি চলচ্চিত্র উৎসব নির্বাচন কমিটির সদস্য হন; তিনি নেহেরু বাস্তবায়ন কমিটির সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির সদস্য। তিনি ১৯৮৯ সালে মুভিং পিকচার কোং ইণ্ডিয়া লিমিটেডের বোর্ডে যোগদান করেন এবং ২০১০ সালে বোর্ড থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি দূরদর্শনের প্রাইম টাইম নিউজ প্রোগ্রাম ইণ্ডিয়া দিস উইক -এ ৮ বছর ধরে উপস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি অনেক পুরস্কারপ্রাপ্ত তথ্যচিত্রের নির্বাহী প্রযোজক ছিলেন, যার মধ্যে রয়েছে তাঁর স্বামী রমেশ শর্মা পরিচালিত এমি-মনোনীত চলচ্চিত্র দ্য জার্নালিস্ট অ্যাণ্ড দ্য জিহাদি - দ্য মার্ডার অফ ড্যানিয়েল পার্ল"।
তাঁর মেয়ে, সঞ্চয়িতা গজপতি রাজু, ২০১৮ সালে বিজেপির দিল্লি ইউনিটের মুখপাত্র নিযুক্ত হন।[২] তিনি সিংহচলম মন্দির ট্রাস্ট বোর্ড এবং মানসাসের প্রাক্তন চেয়ারম্যানও ছিলেন (২০২০-২১)।[৩][৪][৫]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Uma Gajapathi Raju's husband resigns from TDP, to join Congress(I)"।
- ↑ "Anand Gajapathi Raju Daughter Sanchaita Gajapati Joins BJP"। ২১ নভেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০১৯।
- ↑ "HC reinstates Ashok Gajapathi Raju as the chairman of MANSAS Trust"। The Hindu। ১৪ জুন ২০২১।
- ↑ Lanka, Venu (১৫ জুন ২০২১)। "Sanchaita Gajapati Raju's appointment, scrapped by Andhra Pradesh HC, Ashok Gajapati Raju back"। The Times of India।
- ↑ "Andhra HC cancels appointment of Sanchaita Gajapathi as MANSAS trust chairperson"। The News Minute। ১৪ জুন ২০২১।