উদরীয় অতিস্থূলতা
| উদরীয় অতিস্থূলতা | |
|---|---|
| প্রতিশব্দ | কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতা, দেহকাণ্ডীয় অতিস্থূলতা |
| উদরীয় অতিস্থূলতায় আক্রান্ত একজন পুরুষ ওজন: ১৮২ কেজি/৪০০ পাউন্ড উচ্চতা: ১৮৫ সেমি/৬ ফুট ১ ইঞ্চি দেহভর সূচক: ৫৩ | |
| বিশেষত্ব | অন্তঃক্ষরাবিজ্ঞান |
| জটিলতা | হৃদ্রোগ, হাঁপানি, সন্ন্যাসরোগ (স্ট্রোক), মধুমেহ |
| কারণ | উপবিষ্ট জীবনচর্যা, অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ, কুশিংয়ের সংলক্ষণ, মদ্যপান আসক্তি, বহুস্থলীয় ডিম্বাশয় সংলক্ষণ, প্রাডার-উইলি সংলক্ষণ |
উদরীয় অতিস্থূলতা (ইংরেজি: Abdominal obesity) মানবদেহের এমন এক অবস্থা, যাতে পাকস্থলী ও উদরের অঙ্গগুলির চারপাশে আন্তরাঙ্গীয় মেদ (visceral fat) অস্বাভাবিক পরিমাণে সঞ্চিত হয়। মেদের এই সঞ্চয় এমন মাত্রায় পৌঁছাতে পারে যে তা ব্যক্তির স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয়ে ওঠে। এটি কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতা (central obesity) এবং দেহকাণ্ডীয় অতিস্থূলতা (truncal obesity) নামেও পরিচিত। চিকিৎসাবৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে উদরীয় অতিস্থূলতার সাথে হৃদ-রক্তবাহ রোগ,[১] আলৎসহাইমারের রোগ এবং অন্যান্য বিপাকীয় ও রক্তনালির রোগের দৃঢ় সম্পর্ক উন্মোচিত হয়েছে।[২]
আন্তরাঙ্গীয় মেদ অন্ত্রাবরকীয় গহ্বরের ভেতরে অভ্যন্তরীণ অঙ্গসমূহের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানে অবস্থান করে। এটি অঙ্গীয় মেদ (organ fat) বা অন্তঃউদরীয় মেদ (intra-abdominal fat) নামেও পরিচিত। এর বিপরীতে অধস্ত্বকীয় মেদ (subcutaneous fat) ত্বকের নিচে এবং অন্তঃপেশীয় মেদ (intramuscular fat) কঙ্কালীয় পেশীর মধ্যে ছড়িয়ে থাকে। আন্তরাঙ্গীয় মেদ বিভিন্ন মেদ সঞ্চয়স্থান (adipose depot) নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে রয়েছে মধ্যান্ত্রাবরকীয় ও উপশুক্রাশয়-সংলগ্ন শ্বেত মেদ কলা এবং বৃক্ক-পরিবেষ্টক মেদ। আন্তরাঙ্গীয় মেদকলা অতিরিক্ত পরিমাণে সঞ্চিত হলে তাকে কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতা বলা হয়। এর ফলে উদর অস্বাভাবিকভাবে স্ফীত হয়ে সুপরিচিত "মেদভুঁড়ি" আকৃতি ধারণ করে। এই ধরনের দেহাকৃতিকে সাধারণত "আপেল-আকৃতি" (apple-shaped) বলা হয়। এর বিপরীত দেহাকৃতিটি হলো "নাশপাতি-আকৃতি" (pear-shaped), যেখানে মেদ প্রধানত নিতম্ব ও পশ্চাৎদেশে সঞ্চিত হয়।
গবেষকেরা ১৯৮০-এর দশকে উদরীয় অতিস্থূলতার প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিতে শুরু করেন। এ সময় তাঁরা উপলব্ধি করেন যে এটি হৃদ-রক্তবাহ রোগ, মধুমেহ রোগ (ডায়াবেটিস) এবং রক্তে মেদাধিক্য বিকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। পরে বের হয়ে আসে যে সাধারণ অতিস্থূলতার তুলনায় উদরীয় অতিস্থূলতার সাথে হৃদ-রক্তবাহ রোগসংশ্লিষ্ট বিপাকীয় অস্বাভাবিকতার সম্পর্ক আরও নিবিড়। ১৯৮০-র দশকের শেষভাগ এবং ১৯৯০-এর দশকের প্রথমভাগে পরিগাণনিক স্তরচিত্রণ (CT scan) ও চৌম্বকীয় অনুরণন চিত্রণের (MRI) মতো উন্নত চিত্রণ প্রযুক্তির বিকাশ ঘটে। এর ফলে উদর অঞ্চলের মেদকলাকে অন্তঃউদরীয় মেদ ও অধস্ত্বকীয় মেদ হিসেবে পৃথকভাবে শনাক্ত ও পরিমাপ করা সম্ভব হয়। এর মাধ্যমে শরীরে মেদ সঞ্চয়ের স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে গবেষকদের ধারণা আরও সুস্পষ্ট হয়।[৩] বর্তমানে আন্তরাঙ্গীয় মেদ, কেন্দ্রীয় উদরীয় মেদ এবং কোমরের পরিধিকে দ্বিতীয় প্রকারের মধুমেহ রোগের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে সম্পর্কিত হিসেবে মনে করা হয়।[৪] অধিকন্তু, দক্ষিণ এশীয় নৃগোষ্ঠীর ব্যক্তিদের মধ্যে উদরীয় অতিস্থূলতার সঙ্গে হৃদ-রক্তবাহ রোগ ঘটার হার বেশি হওয়ার সম্পর্কও পাওয়া গেছে।[৫]
স্বাস্থ্যঝুঁকি
[সম্পাদনা]হৃদ্রোগ
[সম্পাদনা]উদরীয় অতিস্থূলতা থাকলে সাধারণত হৃদ্রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ইনসুলিন প্রতিরোধিতা এবং দ্বিতীয় প্রকারের মধুমেহ (ডায়াবেটিস) রোগের ঝুঁকি পরিসংখ্যানগতভাবে বেশি হয়ে থাকে (নিচে দেখুন)।[৬] কোমর-নিতম্ব অনুপাত এবং কোমরের পরিধি যত বাড়ে, মৃত্যুর ঝুঁকিও তত বৃদ্ধি পায়।[৭]
উদরীয় অতিস্থূলতা বিপাকীয় সংলক্ষণের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য। এটির সঙ্গে রক্তের মেদজনিত ব্যাধি, প্রদাহ, ইনসুলিন প্রতিরোধিতা, দ্বিতীয় প্রকারের মধুমেহ এবং হৃদ-রক্তবাহ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্পর্ক রয়েছে।[৮][৯][১০][১১]
বর্তমানে সাধারণভাবে মনে করা হয় যে অন্তঃউদরীয় মেদই স্বাস্থ্যঝুঁকির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর মেদ সঞ্চয়ের ধরন।[৩][১২]
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে দেহের মোট ও আঞ্চলিক আয়তনের পরিমাপ হৃদ-রক্তবাহ রোগের জৈবসূচকের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে ও তাৎপর্যপূর্ণভাবে সম্পর্কিত। একইভাবে দেহ আয়তন সূচকের (BVI) মানও হৃদ-রক্তবাহ রোগের সমস্ত প্রধান প্রধান জৈবসূচকের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক প্রদর্শন করে।[১৩]
মধুমেহ
[সম্পাদনা]দ্বিতীয় প্রকারের মধুমেহ রোগের সুনির্দিষ্ট কারণ ও রোগসৃষ্টির প্রক্রিয়া সম্পর্কে একাধিক তত্ত্ব রয়েছে। কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতা ইনসুলিন প্রতিরোধের ঝুঁকি বাড়ায় বলে জানা গেছে। উদরীয় মেদ বিশেষভাবে হরমোনীয়ভাবে সক্রিয়; এটি অ্যাডিপোকাইন নামে পরিচিত একগুচ্ছ হরমোন নিঃসরণ করে, যা গ্লুকোজ অসহিষ্ণুতা সৃষ্টি করতে পারে। তবে প্রদাহনিবারক অ্যাডিপোকাইন অ্যাডিপোনেকটিন দ্বিতীয় প্রকারের মধুমেহের বিরুদ্ধে উপকারী ও সুরক্ষামূলক ভূমিকা পালন করে বলে প্রমাণিত হয়েছে; এটি অতিস্থূলতা ও মধুমেহে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দেহে অপেক্ষাকৃত কম পরিমাণে থাকে।[১৪][১৫] ইনসুলিন প্রতিরোধ দ্বিতীয় প্রকারের মধুমেহের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য। কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতার সঙ্গে ইনসুলিন প্রতিরোধ এবং দ্বিতীয় প্রকারের মধুমেহ–উভয়েরই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।[১৬][১৭] মেদাধিক্য (অতিস্থূলতা) রক্তরসে রেজিস্টিন নামক পদার্থের মাত্রা বৃদ্ধি করে; রেজিস্টিন হল এক ধরনের অ্যাডিপোকাইন, যা মূলত মেদকলা থেকে নিঃসৃত হয়।[১৮][১৯][২০][২১] রেজিস্টিন আবার ইনসুলিন প্রতিরোধের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পর্কযুক্ত।[২২][২৩][২৪][২৫] গবেষণায় আরও নিশ্চিত হয়েছে যে রক্তরসে রেজিস্টিনের মাত্রা এবং দ্বিতীয় প্রকারের মধুমেহের মধ্যে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। [১৮][২৬][২৭][২৮] কোমর অঞ্চলের মেদকলা (কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতা) রক্তরসে রেজিস্টিনের মাত্রা বৃদ্ধিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে মনে করা হয়।[২৯][৩০] অন্যদিকে চিকিৎসার মাধ্যমে মেদাধিক্য কমলে রক্তরসে রেজিস্টিনের মাত্রাও হ্রাস পায় বলে দেখা গেছে।[৩১]
হাঁপানি
[সম্পাদনা]উদরীয় অতিস্থূলতা থাকলে হাঁপানির ঝুঁকি বেড়ে যায়, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ফুসফুসে কম পরিমাণ বায়ু প্রবেশ করার ফলে শ্বাস-প্রশ্বাসে ব্যবহৃত পেশিগুলি বেশি টানটান হয়ে পড়ে এবং শ্বাসনালিও সংকুচিত হয়ে যায়। অতিস্থূলতার কারণে বুকের স্বাভাবিক প্রসারণ কমে যায়; এর পেছনের কারণ হিসেবে একদিকে বক্ষদেশে অতিরিক্ত ওজনের চাপ, আর অন্যদিকে উদরীয় অতিস্থূলতার ফলে মধ্যচ্ছদা চ্যাপ্টা হয়ে যাওয়া–উভয়ই ভূমিকা রাখে। এর ফলে শ্বাসবায়ুর আয়তন কমে যায়।[৩২] সাধারণত দেখা যায় যে অতিস্থূলতায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা অল্প পরিমাণ বায়ু গ্রহণ করে দ্রুত ও ঘন ঘন শ্বাস নেন।[৩৩] এছাড়া অতিস্থূলতায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাঁপানির কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সম্ভাবনাও তুলনামূলকভাবে বেশি। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে জরুরি বিভাগে হাঁপানির চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে ৭৫% হয় ওজনাধিক্যে আক্রান্ত ছিলেন, নয়তো অতিস্থূলতায় ভুগছিলেন।[৩৪]
আলৎসহাইমারের রোগ
[সম্পাদনা]বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে অতিস্থূলতার সঙ্গে রক্তবাহজনিত ও বিপাকীয় রোগের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, যা পরোক্ষভাবে আল্ৎসহাইমারের রোগের সঙ্গেও সম্পর্কিত হতে পারে। সাম্প্রতিক গবেষণায় মধ্যবয়সে অতিস্থূলতা এবং চিত্তভ্রংশের মধ্যে সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে জীবনের পরবর্তী পর্যায়ে অতিস্থূলতা ও চিত্তভ্রংশের মধ্যকার সম্পর্ক ততটা স্পষ্ট নয়।[২]
ডেবেট ও সহকর্মীদের (২০১০) এক গবেষণায় সাত শতেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ককে পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় যে দেহের মোট ওজন নির্বিশেষে আন্তরাঙ্গীয় মেদের পরিমাণ বেশি হলে মস্তিষ্কের আয়তন তুলনামূলকভাবে কমে যায় ও চিত্তভ্রংশের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।[৩৫][৩৬][৩৭]
আলৎসহাইমারের রোগের সঙ্গে উদরীয় অতিস্থূলতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। এর সঙ্গে বিপাকীয় ঝুঁকি-নিয়ামকগুলি যুক্ত হলে আলৎসহাইমারের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। লজিস্টিক নির্ভরণভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অতিস্থূলতার সাথে আলৎসহাইমারের রোগের ঝুঁকি প্রায় দশ গুণ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্পর্ক রয়েছে।[২]
কর্কটরোগ (ক্যানসার)
[সম্পাদনা]উদরীয় অতিস্থূলতার সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের কর্কটরোগ (ক্যানসার) আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। বিশেষ করে পরিপাকতন্ত্রের সংহারক (malignant) কর্কটরোগের ক্ষেত্রে এটি বেশি প্রযোজ্য।[৩৮] এগুলির মধ্যে বৃহদান্ত্র ও মলাশয়ের কর্কটরোগ, অগ্ন্যাশয়ের কর্কটরোগ এবং অন্ননালির কর্কটরোগ উল্লেখযোগ্য। দেহ ভরসূচকের (BMI) প্রভাব পরিসংখ্যানগতভাবে সমন্বিত করার পরও প্রায়ই এই সম্পর্ক বজায় থাকে। এতে বোঝা যায় যে উদরীয় মেদের বণ্টন নিজেই কর্কটরোগের একটি স্বতন্ত্র ঝুঁকি-নিয়ামক। নারীদের ক্ষেত্রে সাধারণ অতিস্থূলতার প্রভাবের বাইরে গিয়েও, রজোনিবৃত্তির আগে ও পরে–উভয় সময়েই উদরীয় অতিস্থূলতার সঙ্গে স্তন কর্কটরোগে আক্রান্ত হওয়ার হার বেশি দেখা যায়।[৩৮]
অবরোধক নিদ্রাকালীন শ্বাসবিরতি
[সম্পাদনা]উদরীয় অতিস্থূলতা অবরোধক নিদ্রাকালীন শ্বাসবিরতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি-নিয়ামক, কারণ উদরীয় মেদের পরিমাণ বেড়ে গেলে তা শ্বাসনালির ওপর চাপ সৃষ্টি করে সেটিকে সংকুচিত করতে পারে।[৩৯] এর ফলে ঘুমের সময় ফুসফুসে প্রবেশকারী শ্বাসবায়ুর আয়তন কমে যেতে পারে। যাদের কোমরের পরিধি এবং কোমর-নিতম্ব অনুপাত বেশি, তাদের মধ্যে নিদ্রাকালীন অবরোধক শ্বাসবিরতি বেশি দেখা যায়। এমনকি যেসব ব্যক্তির দেহভর সূচক (BMI) কেবল ওজনাধিক্যের পর্যায়ে রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও এই সম্পর্ক পরিলক্ষিত হয়।[৩৯]
অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি
[সম্পাদনা]উদরীয় বা কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতা মেদকলা বিকৃতিসমূহের একটি বৈশিষ্ট্য হতে পারে। এগুলি হল একগুচ্ছ রোগের সমষ্টি, যা হয় বংশগত কারণে, নয়তো গৌণ কারণে (প্রায়শই প্রোটিয়েজ প্রতিবন্ধক নামক এইডস-এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত এক শ্রেণীর ঔষধ সেবন) সৃষ্টি হয়। উদরীয় অতিস্থূলতা কুশিংয়ের সংলক্ষণেরও একটি লক্ষণ।[৪০] বহুস্থলীয় ডিম্বাশয় সংলক্ষণে (PCOS) আক্রান্ত রোগীদের মধ্যেও এটির উপস্থিতি বেশ সাধারণ। উদরীয় অতিস্থূলতার সঙ্গে গ্লুকোজ অসহিষ্ণুতা এবং রক্তে মেদাধিক্যের সম্পর্ক রয়েছে। রক্তে মেদাধিক্য তীব্র আকার ধারণ করলে উদরগহ্বর থেকে যকৃতে মুক্ত স্নেহজ অম্ল/অ্যাসিডের প্রবাহ বেড়ে যায়। উদরীয় অতিস্থূলতার প্রভাব কেবল অতিস্থূল ব্যক্তিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি ওজনাধিক্য বা অতিস্থূলতায় আক্রান্ত নন, এমন ব্যক্তিদেরকেও প্রভাবিত করতে পারে। এটি ইনসুলিন-সংবেদনশীলতার সঙ্গেও সম্পর্কিত।[৪১] ঘ্রুবি ও তাঁর সহযোগী গবেষকেরা (২০০৭) অতিস্থূল রোগীদের ক্ষেত্রে উদরের পরিধি, দেহভর সূচক এবং হাঁটুর অস্থিসন্ধিক্ষয়–এই সূচকগুলির মধ্যে কোনটি অধিক নির্ভরযোগ্য, তা পরীক্ষা করেন।[৪২] তাঁরা দেখতে পান যে উদরের পরিধি হাঁটুব্যথা এবং হাঁটুর অস্থিসন্ধিক্ষয়ের উপস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। তাঁরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে উদরের পরিধি বেশি হলে কার্যক্ষমতার ওপরও তার উল্লেখযোগ্য বিরূপ প্রভাব পড়ে।[৪২] ২০২৩ সালে দ্য ল্যানসেট নামক বিখ্যাত চিকিৎসাবৈজ্ঞানিক গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে যে আন্তরাঙ্গীয় মেদের পরিমাণ বেশি হলে সংজ্ঞানীয় কার্যকারিতা (cognitive function) হ্রাস পেতে পারে। গবেষণার ফলাফল থেকে ধারণা করা যায় যে স্বাস্থ্যকর দেহের ওজন ও সুস্থ বিপাকীয় অবস্থা বজায় রাখা সংজ্ঞানীয় কার্যকারিতা সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।[৪৩]
কারণ
[সম্পাদনা]খাদ্যাভ্যাস
[সম্পাদনা]বর্তমানে প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী অতিস্থূলতার প্রধান কারণ হলো শক্তির স্থিতাবস্থায় ব্যাঘাত। অর্থাৎ, দেহ খাদ্যের মাধ্যমে যে পরিমাণ ব্যবহারযোগ্য ক্যালরি গ্রহণ করে, তার তুলনায় কম শক্তি ব্যয় করে বা সেটিকে বিপাকীয় বর্জ্য হিসেবে বের করে দেয়। এর ফলে অতিরিক্ত শক্তি দেহে জমা হতে থাকে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে আন্তরাঙ্গীয় মেদের আধিক্য, স্নেহপদার্থ বিপাকের অসামঞ্জস্য এবং ইনসুলিনের প্রতি সংবেদনশীলতা কমে যাওয়া–এই সবকিছুর সঙ্গে অতিরিক্ত পরিমাণে ফ্রুক্টোজ গ্রহণের সম্পর্ক রয়েছে।[৪৪][৪৫][৪৬][৪৭] আরও কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রে মুক্ত ফ্রুক্টোজ যদি মেদকোষ পরিপক্ব হওয়ার সময় উপস্থিত থাকে, তবে তা উদরীয় অঞ্চলে বেশি সংখ্যক মেদকোষে পরিপক্ব হতে উৎসাহিত করে। এর ফলে আন্তরাঙ্গীয় ও অধস্ত্বকীয়–উভয় ধরনের মেদই ইনসুলিনের প্রতি কম সংবেদনশীল হয়ে যায়। একই পরিমাণ গ্লুকোজ গ্রহণের ক্ষেত্রে এই প্রভাব দেখা যায় না।[৪৮]
শিল্পোৎপাদিত ভোজ্য তেলে প্রাপ্ত বিপক্ষীয় স্নেহ গ্রহণের সঙ্গে পুরুষদের ক্ষেত্রে উদরীয় অতিস্থূলতা বৃদ্ধির সম্পর্ক পাওয়া গেছে,[৪৯] এবং নারীদের ক্ষেত্রে দেহের ওজন ও কোমরের পরিধি বৃদ্ধির সম্পর্ক পাওয়া গেছে।[৫০] মোট স্নেহপদার্থ ও ক্যালরি গ্রহণের প্রভাব পরিসংখ্যানিকভাবে সমন্বিত করার পরও এই সম্পর্ক বজায় থাকে।[৫১][৫২] অনুরূপভাবে অধিক পরিমাণে মাংস (বিশেষ করে প্রক্রিয়াজাত মাংস, লাল মাংস এবং হাঁসমুরগির মাংস) গ্রহণের সঙ্গে দেহের ওজন বৃদ্ধি এবং বিশেষত উদরীয় অতিস্থূলতার ইতিবাচক সম্পর্ক পাওয়া গেছে; ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ বিবেচনায় নেওয়ার পরও এই সম্পর্ক বজায় থাকে।[৫৩][৫৪] এর বিপরীত গবেষণায় দেখা গেছে যে অধিক পরিমাণে তেলসমৃদ্ধ চর্বিযুক্ত মাছ গ্রহণের সঙ্গে দেহের মোট মেদের পরিমাণ এবং উদরীয় মেদের বণ্টনের নেতিবাচক সম্পর্ক রয়েছে; দেহের ওজন অপরিবর্তিত থাকলেও এই সম্পর্ক বজায় থাকে।[৫৫][৫৬] একইভাবে রজোনিবৃত্তি-পরবর্তী নারীদের ক্ষেত্রে অধিক পরিমাণে সয়া প্রোটিন গ্রহণের সঙ্গে উদরীয় মেদের পরিমাণ হ্রাসের সম্পর্ক পাওয়া গেছে; ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ বিবেচনায় নেওয়ার পরেও এই সম্পর্ক বজায় থাকে।[৫৭][৫৮]
বহুসংখ্যক বৃহৎ গবেষণায় দেখা গেছে যে অতিপ্রক্রিয়াজাত খাদ্য গ্রহণের পরিমাণের সঙ্গে পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই উদরীয় অতিস্থূলতা এবং সাধারণ অতিস্থূলতার ধনাত্মক মাত্রানির্ভর সম্পর্ক রয়েছে।[৫৯] অপরদিকে, অপ্রক্রিয়াজাত ও ন্যূনতম প্রক্রিয়াজাত খাদ্যসমৃদ্ধ খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে অতিস্থূলতার ঝুঁকি হ্রাস, কোমরের পরিধি কম হওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদী রোগের প্রকোপ কম থাকার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। এই ফলাফলগুলি মার্কিন, কানাডীয়, লাতিন আমেরিকান, অস্ট্রেলীয়, ব্রিটিশ, ফরাসি, স্পেনীয়, সুইডীয়, দক্ষিণ কোরীয়, চীনা এবং সাহারা-নিম্ন আফ্রিকান জনগোষ্ঠীর ওপর পরিচালিত গবেষণায় ধারাবাহিকভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে।[৬০][৬১][৬২][৬৩][৬৪][৬৫][৬৬][৬৭][৬৮][৬৯][৭০]
অধিক শর্করাসমৃদ্ধ খাদ্যাভ্যাসে স্নেহপদার্থ ও শর্করার বিপাকে যে ব্যাঘাত পরিলক্ষিত হয়, তাতে অতিস্থূলতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।[৭১] এছাড়াও দেখা গেছে যে ২৪ ঘণ্টায় উচ্চমানের প্রোটিন গ্রহণের পরিমাণ এবং প্রায় ১০ গ্রাম অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিডের ন্যূনতম সীমাটি[৭২] যতবার অর্জিত হয়, তার সঙ্গে উদরীয় কেন্দ্রীয় মেদের শতকরা হারের ঋণাত্মক সম্পর্ক রয়েছে। এখানে উচ্চমানের প্রোটিন গ্রহণ বলতে দৈনিক খাদ্যে বিদ্যমান মোট প্রোটিনে অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিডের পরিমাণের উচ্চ অনুপাতকে বোঝানো হয়েছে।[৭৩]
আন্তরাঙ্গীয় মেদকোষগুলি তাদের বিপাকীয় উপজাত যকৃৎনাভি শিরাতন্ত্রে নিঃসরণ করে, যেখান থেকে রক্ত সরাসরি যকৃতে প্রবাহিত হয়। ফলে আন্তরাঙ্গীয় মেদকোষে উৎপন্ন অতিরিক্ত ট্রাইগ্লিসারাইড ও স্নেহজ অম্ল যকৃতে পৌঁছে সেখানেই সঞ্চিত হয়; এগুলির অধিকাংশই মেদ হিসেবে জমা থাকে। এই প্রক্রিয়াকে স্নেহপদার্থজনিত বিষক্রিয়া (লিপোটক্সিসিটি) বলা হয়।[৭৪]
মদ্যপান
[সম্পাদনা]একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে মদ্যপান পুরুষদের ক্ষেত্রে কোমরের পরিধি বৃদ্ধি এবং উদরীয় অতিস্থূলতার উচ্চ ঝুঁকির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত; তবে নারীদের ক্ষেত্রে এমন কোনও সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। শক্তি গ্রহণের পরিমাণ কম করে জানানোর প্রবণতা (energy under-reporting) পরিসংখ্যানগতভাবে সমন্বয় করার পর এই সম্পর্ক কিছুটা দুর্বল হয়ে যায়; তারপরেও দেখা গেছে যে মদ্যপানের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষ অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সুপারিশকৃত শক্তি গ্রহণের মাত্রা অতিক্রম করার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু অধিক মাত্রায় মদ্যপানকারী নারী অংশগ্রহণকারীদের (২.১৩%) ক্ষেত্রে—যেখানে নারীদের জন্য দৈনিক তুলনামূলকভাবে কম সংখ্যক পানীয় গ্রহণকেই অধিক মদ্যপানের মানদণ্ড হিসেবে ধরা হয়েছিল—এমন কোনও সম্পর্ক দেখা যায়নি। অধিক পরিমাণে মদ্যপানকারী নারীদের ক্ষেত্রে মদ্যপান ও উদরীয় অতিস্থূলতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক বিদ্যমান কি না, তা নির্ধারণের জন্য আরও গবেষণা প্রয়োজন।[৭৫]
একটি প্রণালীবদ্ধ পর্যালোচনা ও অধি-বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে অল্প বা মধ্যম মাত্রায় (প্রতিদিন প্রায় ৫০০ মিলিলিটারের কম) বিয়ার পান করার সঙ্গে সাধারণ অতিস্থূলতা বা উদরীয় অতিস্থূলতার মাত্রানির্ভর কোনও সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৪ লিটারের বেশি বিয়ার পান করলে (বিশেষ করে পুরুষদের ক্ষেত্রে) উদরীয় অতিস্থূলতার মাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে এর আপাত সম্পর্ক থাকতে পারে বলে প্রতীয়মান হয়েছে।[৭৬]
অন্যান্য কারণ
[সম্পাদনা]পশ্চিমা দেশগুলোতে উদরীয় অতিস্থূলতার প্রকোপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। এর পেছনে কম শারীরিক সক্রিয়তা এবং উচ্চ-ক্যালরিযুক্ত খাদ্যাভ্যাসের যৌথ প্রভাব কাজ করছে বলে মনে করা হয়। একইভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলিতেও এই সমস্যার বিস্তার ঘটছে, যেখানে এটি মূলত জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান নগরায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত।[৭৭][৭৮]
এছাড়াও কিছু পরিবেশগত কারণ উদরীয় অতিস্থূলতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে গর্ভাবস্থায় ধূমপান, খাদ্যে উপস্থিত এস্ট্রোজেনীয় রাসায়নিক যৌগ, এবং অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতন্ত্রের কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটায় এমন কোনও রাসায়নিক পদার্থ।[৭৯]
কর্টিসলের অত্যাধিক্য (যেমনটি কুশিংয়ের সংলক্ষণে দেখা যায়) উদরীয় অতিস্থূলতার কারণ হতে পারে। উপরন্তু, চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রে প্রদত্ত অনেক ঔষধ, যেমন ডেক্সামেথাজোন ও অন্যান্য স্টেরয়েড-জাতীয় ঔষধ সেবনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে উদরীয় অতিস্থূলতা সৃষ্টি হতে পারে,[৪০] বিশেষ করে যখন রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বেশি থাকে।
রোগনির্ণয়
[সম্পাদনা]
উদরীয় অতিস্থূলতা পরিমাপের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
- কোমরের পরিধির পরম মান (পুরুষদের ক্ষেত্রে >১০২ সেমি (৪০ ইঞ্চি) এবং নারীদের ক্ষেত্রে >৮৮ সেমি (৩৫ ইঞ্চি))[৮০]
- কোমর-নিতম্ব অনুপাত (কোমরের পরিধিকে নিতম্বের পরিধি দিয়ে ভাগ করলে প্রাপ্ত অনুপাত; পুরুষদের ক্ষেত্রে >০.৯ এবং নারীদের ক্ষেত্রে >০.৮৫)[১]
- কোমর-উচ্চতা অনুপাত (কোমরের পরিধিকে দেহের উচ্চতা দিয়ে ভাগ করলে প্রাপ্ত অনুপাত; ৪০ বছরের কম বয়স্ক প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে >০.৫ এবং ৫০ বছরের বেশি বয়স্কদের ক্ষেত্রে >০.৬)
- উদরের অগ্রপশ্চাৎ ব্যাস[৮১]

যাদের দেহভর সূচক (BMI) ৩৫-এর কম, তাদের ক্ষেত্রে উদরগহ্বরের অভ্যন্তরস্থ মেদের পরিমাণ দেহের মোট মেদের পরিমাণের থেকে স্বাধীনভাবে স্বাস্থ্যঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।[৮২] বিশেষ করে উদরগহ্বরস্থ বা আন্তরাঙ্গীয় মেদের সঙ্গে হৃদ-রক্তবাহ রোগের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।[১]
দেহভর সূচক ও কোমরের পরিধি—উভয়ই অতিস্থূলতা নির্ণয়ের বহুল-স্বীকৃত নির্দেশক। তবে বাস্তবে দেখা যায় যে দেহভর সূচকের তুলনায় কোমরের পরিধি মাপার ক্ষেত্রে ত্রুটির সম্ভাবনা বেশি থাকে। কোমরের পরিধির পরিমাপ (যা উদাহরণস্বরূপ দেহে মেদের শতাংশ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়) মূলত শরীরের আন্তরাঙ্গীয় মেদের পরিমাণ এবং অতিস্থূলতাজনিত রোগের ঝুঁকি সম্পর্কে একটি ধারণা দেয়। অন্যদিকে দেহভর সূচক (যা উচ্চতা ও ওজনের ভিত্তিতে নির্ণীত হয়) শরীরের মোট মেদের পরিমাণের একটি তুলনামূলকভাবে অধিকতর নির্ভরযোগ্য আনুমানিক মান প্রদান করে।[৮৩] তাই সঠিক রোগনির্ণয়ের জন্য এই দুই ধরনের পরিমাপ একসঙ্গে ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়।[৮৪]

খালি চোখে দেখেই অনেক সময় উদরীয় অতিস্থূলতা বোঝা যায় (চিত্র দেখুন), তবে এর গুরুতরতা নির্ণয় করতে হলে কোমর ও নিতম্বের পরিধি পরিমাপ করতে হয়। সাধারণত পুরুষদের ক্ষেত্রে কোমরের পরিধি ১০২ সেন্টিমিটার (৪০ ইঞ্চি)-এর বেশি এবং নারীদের ক্ষেত্রে ৮৮ সেন্টিমিটার (৩৫ ইঞ্চি)-এর বেশি হলে, অথবা কোমর-নিতম্ব অনুপাত পুরুষদের জন্য ০.৯-এর বেশি এবং নারীদের জন্য ০.৮৫-এর বেশি হলে তা উদরীয় অতিস্থূলতার নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয়।[১]
বিভেদক রোগনির্ণয়ের ক্ষেত্রে উদরীয় অতিস্থূলতাকে জলসঞ্চয়জনিত উদরস্ফীতি এবং অন্ত্রীয় উদরস্ফীতি থেকে পৃথক করে শনাক্ত করা জরুরি। ১৫ হাজার অংশগ্রহণকারীকে নিয়ে পরিচালিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য ও পুষ্টি পরীক্ষা জরিপের (NHANES III) একটি সামষ্টিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ফলাফলের একটি পরিমাপ হিসেবে বিপাকীয় সংলক্ষণ বিবেচনা করলে দেহভর সূচকের তুলনায় কোমরের পরিধি অতিস্থূলতাজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও ভালোভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। এই পার্থক্যটি পরিসংখ্যানগতভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। অর্থাৎ অতিরিক্ত কোমর-পরিধি দেহভর সূচকের তুলনায় বিপাকীয় সংলক্ষণের ক্ষেত্রে অধিক নির্ভরযোগ্য ঝুঁকি-নিয়ামক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।[৮৫]
উদরীয় অতিস্থূলতা নির্ণয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপ হলো কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতা সূচক (কোমর-উচ্চতা অনুপাত)। গবেষণায় দেখা গেছে যে এটি হৃদ-রক্তবাহ রোগের ঝুঁকির পূর্বাভাসে দেহভর সূচকের তুলনায় বেশি কার্যকর। সাধারণভাবে এই অনুপাত ০.৫ বা তার বেশি হলে—অর্থাৎ কোমরের পরিধি যদি ব্যক্তির উচ্চতার অন্তত অর্ধেক হয়—তবে তা স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।[৮৬]
উদরীয় অতিস্থূলতা নির্ণয়ের আরেকটি পদ্ধতি হলো আন্তরাঙ্গীয় মেদের বিশ্লেষণ, কারণ এই ধরনের মেদ ব্যক্তির স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এই অঞ্চলে মেদের পরিমাণ বাড়লে রক্তরসে স্নেহপদার্থ ও লিপোপ্রোটিনের মাত্রাও বৃদ্ধি পায়।[৩]
স্বাস্থ্যঝুঁকির একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে উদরীয় অতিস্থূলতার গুরুত্ব চিকিৎসক মহলে ক্রমশ বেশি করে স্বীকৃতি পাচ্ছে। এর ফলস্বরূপ অতিস্থূলতা নির্ণয়ের নতুন নতুন পদ্ধতিরও বিকাশ ঘটেছে। এর মধ্যে একটি হলো দেহ-আয়তন সূচক (Body Volume Index), যেখানে ব্যক্তির দেহের গঠন ও ওজনের বণ্টন বিশ্লেষণ করে উদরীয় অতিস্থূলতা নির্ধারণ করা হয়। এখানে উল্লেখযোগ্য একটি বিষয় হলো এই যে উদরীয় মেদের ক্ষতিকর প্রভাব শুধু অতিস্থূল ব্যক্তিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; স্বাভাবিক ওজনের ব্যক্তিরাও এর প্রভাবে আক্রান্ত হতে পারেন, এবং এটি ইনসুলিন-সংবেদনশীলতার সঙ্গেও ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতা সূচক
[সম্পাদনা]কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতা সূচক (Index of Central Obesity, ICO) হলো কোমরের পরিধি ও উচ্চতার অনুপাত। ২০০৭ সালে পারিখ ও তাঁর গবেষণা সহযোগীরা বিপাকীয় সংলক্ষণ নির্ধারণে বহুল ব্যবহৃত কোমরের পরিধির তুলনায় এটিকে অধিক কার্যকর বিকল্প নির্দেশক হিসেবে প্রথম প্রস্তাব করেন।[৮৭][৮৮] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় কোলেস্টেরল শিক্ষা কর্মসূচির প্রাপ্তবয়স্ক চিকিৎসা প্যানেল–৩ (Adult Treatment Panel III) কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতার নির্দেশক হিসেবে পুরুষদের জন্য কোমরের পরিধি ১০২ সেমি (৪০ ইঞ্চি) এবং নারীদের জন্য ৮৮ সেমি (৩৫ ইঞ্চি)-এর সীমামান প্রস্তাব করে।[৮০] বিপাকীয় সংলক্ষণ নির্ধারণের ক্ষেত্রেও একই সীমামান ব্যবহৃত হয়।[৮৯] মিশ্র ও তাঁর গবেষণা সহযোগীরা মত দেন যে এই সীমামান ভারতীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে উপযুক্ত নয়। তাঁদের মতে পুরুষদের জন্য কোমরের পরিধির সীমামান ৯০ সেমি (৩৫ ইঞ্চি) এবং নারীদের জন্য ৮০ সেমি (৩১ ইঞ্চি) নির্ধারণ করা উচিত।[৯০] পরবর্তীকালে বিভিন্ন গবেষক বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর জন্য পৃথক সীমামান প্রস্তাব করেছেন।[৯১] আন্তর্জাতিক মধুমেহ সংঘ-ও কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতার সংজ্ঞা নির্ধারণে জাতিগোষ্ঠী ও লিঙ্গভেদে ভিন্ন ভিন্ন সীমামান গ্রহণ করেছে।[৯২] কোমরের পরিধি ব্যবহারের আরেকটি সীমাবদ্ধতা হলো এর পরিমাপ-পদ্ধতি এখনো সম্পূর্ণভাবে প্রমিত করা হয়নি। এছাড়া শিশুদের ক্ষেত্রে এই পরিমাপের জন্য তুলনামূলক আদর্শমান বা প্রামাণ্য-উপাত্তও খুব সীমিত বা অনুপস্থিত।[৯৩]
পারিখ ও তাঁর গবেষণা সহযোগীরা বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষের গড় উচ্চতা বিশ্লেষণ করে মত দেন যে কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতা সূচক (ICO) ব্যবহার করলে কোমরের পরিধির জন্য পৃথক জাতিগোষ্ঠী ও লিঙ্গভিত্তিক সীমামানের প্রয়োজনীয়তা আর থাকে না।[৮৮] তাঁরা ০.৫৩-কে কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতা নির্ধারণের সীমামান হিসেবে প্রস্তাব করেন। এছাড়া তাঁরা জাতীয় স্বাস্থ্য ও পুষ্টি পরীক্ষা জরিপ (NHANES)-এর উপাত্তভান্ডারে বিপাকীয় সংলক্ষণের একটি সংশোধিত সংজ্ঞাও পরীক্ষা করেন, যেখানে কোমরের পরিধির পরিবর্তে কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতা সূচক (ICO) ব্যবহার করা হয়েছিল। তাঁদের বিশ্লেষণে দেখা যায় যে এই সংশোধিত সংজ্ঞাটি অধিক নির্দিষ্ট ও সংবেদনশীল।[৮৮]
কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতা সূচক (ICO) বিপাকীয় সংলক্ষণ[৯৪][৯৫] এবং হৃদ-রক্তবাহ রোগ[৯৬]-সংক্রান্ত গবেষণায় ব্যবহৃত হয়েছে।
যেসব ব্যক্তির দেহভর সূচক স্বাভাবিক হলেও কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতা রয়েছে, সেই অবস্থাকে স্বাভাবিক ওজনের অতিস্থূলতা (normal weight obesity) বলা হয়।
লিঙ্গভেদে পার্থক্য
[সম্পাদনা]দেহের বিভিন্ন অংশে মেদ কীভাবে বণ্টিত হয়, সে ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য দেখা যায়।
যৌন হরমোনের ভিন্নতার কারণে পুরুষদের দেহের ঊর্ধ্বাংশে, বিশেষ করে পেটে তথা উদর অঞ্চলে মেদ সঞ্চিত হবার প্রবণতা বেশি থাকে।[৯৭] পুরুষ ও নারীর দেহে মেদের বণ্টন তুলনা করলে দেখা যায়, রজোনিবৃত্তি-পূর্ব নারীদের তুলনায় পুরুষদের আন্তরাঙ্গীয় মেদের পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ হয়ে থাকে।[৯৮][৯৯]
নারীদের ক্ষেত্রে ইস্ট্রোজেন হরমোন নিতম্ব, ঊরু ও শ্রোণি অঞ্চলে মেদ সঞ্চয়ে সহায়তা করে বলে মনে করা হয়।[১০০] তবে রজোনিবৃত্তির পর ডিম্বাশয় থেকে ইস্ট্রোজেনের উৎপাদন কমে গেলে নিতম্ব, শ্রোণি ও ঊরু অঞ্চলের মেদ কমতে থাকে এবং উদর অঞ্চলে মেদ সঞ্চয় বৃদ্ধি পায়।[১০১][১০২]
ব্যবস্থাপনা
[সম্পাদনা]নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণ এবং ওজন বেশি থাকলে শরীর যত ক্যালরি খরচ করে তার সমান বা তার চেয়ে কম ক্যালরি গ্রহণ–এই অভ্যাসগুলি দীর্ঘদিন ধরে বজায় রাখলে অতিস্থূলতা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করতে সুবিধা হয়।[১০৩] এক পাউন্ড চর্বি থেকে প্রায় ৩,৫০০ ক্যালরি শক্তি (অথবা প্রতি কিলোগ্রাম চর্বি থেকে প্রায় ৩২,০০০ কিলোজুল শক্তি) পাওয়া যায়। তাই ক্যালরি গ্রহণ হ্রাস[১০৪] অথবা ক্যালরি খরচ বৃদ্ধির মাধ্যমে শরীরে শক্তির ঘাটতি তৈরি করলে ওজন কমানো সম্ভব।
চিকিৎসকেরা সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে অরলিস্ট্যাট বা সিবিউট্রামিন ব্যবহারের পরামর্শ দিতে পারেন। তবে সিবিউট্রামিন ব্যবহারের সঙ্গে হৃদ-রক্তবাহ ঘটনা এবং মস্তিষ্কে স্ট্রোকের ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। এই কারণে ঔষধটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, হংকং এবং থাইল্যান্ডের বাজার থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।[১০৫][১০৬][১০৭][১০৮][১০৯][১১০][১১১]
২০০৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অভ স্পোর্ট নিউট্রিশন অ্যান্ড এক্সারসাইজ মেটাবলিজম নামক গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা যায় যে কেবলমাত্র হৃদ-রক্তবাহ (সবাত বা অ্যারোবিক) ব্যায়ামের তুলনায় হৃদ-রক্তবাহ ব্যায়াম এবং ভারের বিরুদ্ধে কাজ করা পেশীশক্তিবর্ধক ব্যায়ামের সমন্বয় উদরীয় মেদ কমাতে বেশি কার্যকর।[১১২] ব্যায়ামের আরেকটি উপকার হলো এটি মানসিক চাপ ও ইনসুলিনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এর ফলে কর্টিসল হরমোনের মাত্রাও কমে যায়, যা উদরীয় অঞ্চলে অতিরিক্ত মেদ সঞ্চয় এবং লেপটিন প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।[১১৩]
দ্বিতীয় প্রকারের মধুমেহ রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা সালফোনাইলইউরিয়া-জাতীয় মধুমেহ নিয়ন্ত্রণকারী ঔষধের পরিবর্তে মেটফরমিন ও থিয়াজোলিডিনডায়োন-জাতীয় ঔষধ (যেমন রোসিগ্লিটাজোন বা পায়োগ্লিটাজোন) ব্যবহারের পরামর্শ দিতে পারেন।[১১৪] থিয়াজোলিডিনডায়োন-জাতীয় ঔষধ সেবনে দেহের ওজন সামান্য বাড়তে পারে, তবে এগুলি "রোগ সৃষ্টিকারক" আন্তরাঙ্গীয় উদরীয় মেদের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। তাই উদরীয় অতিস্থূলতায় আক্রান্ত মধুমেহ রোগীদের ক্ষেত্রে এগুলি ব্যবহার করা হতে পারে।[১১৫]
তবে থিয়াজোলিডিনডায়োন সেবনের সঙ্গে হৃৎপিণ্ডের অকৃতকার্যতা এবং হৃদ্-রক্তবাহজনিত ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। এ কারণে ইউরোপীয় ঔষধ সংস্থা ২০১০ সালে ইউরোপে এই শ্রেণীর কিছু ঔষধের বাজারজাতকরণ স্থগিত করার সুপারিশ করে।[১১৬]
সাম্প্রতিক চিকিৎসা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যে, জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে পর্যাপ্ত ওজন কমাতে না পারা উদরীয় অতিস্থূলতায় আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য গ্লুকাগন-সদৃশ পেপটাইড-১ গ্রাহক সক্রিয়কারক (GLP-1 receptor agonist), যেমন সেমাগ্লুটাইড ব্যবহার করা যেতে পারে।[১১৭] ওজন কমানোর উদ্দেশ্যে বর্তমানে এই শ্রেণীর ঔষধ অনেকাংশে অন্যান্য মধুমেহ-নিয়ন্ত্রণকারী ঔষধের স্থান দখল করেছে। দৈব নিয়ন্ত্রিত রোগীভিত্তিক (ক্লিনিকাল) গবেষণায় দেখা গেছে যে গ্লুকাগন-সদৃশ পেপটাইড-১ গ্রাহক সক্রিয়কারক দেহের ওজন ও উদরীয় অতিস্থূলতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে ও একই সঙ্গে হৃদ্-রক্তবাহ-সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটায়।[১১৭]
যেসব রোগীর ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও ঔষধ সেবনের মাধ্যমে উদরীয় অতিস্থূলতা পর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না, তাদের জন্য বিপাকীয় ও ওজনহ্রাসকারক শল্যচিকিৎসার বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। এর মধ্যে হাতা-আকৃতির পাকস্থলী কর্তন এবং রু-অঁ-ইগ্রেক পাকস্থলীয় বিকল্পপথ শল্যচিকিৎসা উল্লেখযোগ্য।[১১৮] উল্লেখযোগ্য সহ-বিদ্যমান রোগ না থাকলে গুরুতর উদরীয় অতিস্থূলতায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এই শল্যচিকিৎসাগুলি কার্যকর। এগুলির মাধ্যমে উদরীয় অতিস্থূলতা ও কোমরের পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। একই সঙ্গে দ্বিতীয় প্রকারের মধুমেহ, উচ্চ রক্তচাপ এবং উদরীয় অতিস্থূলতার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য জটিলতারও উপশম ঘটে।[১১৮]
স্বল্প-স্নেহপদার্থযুক্ত খাদ্যাভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে অতিস্থূলতা নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায় নাও হতে পারে। বেকন ও আফ্রামর লিখেছেন যে "চিকিৎসার ফলে যে পরিমাণ ওজন কমে, অধিকাংশ ব্যক্তি পরবর্তীকালে তার প্রায় পুরোটাই আবার ফিরে পান।"[১১৯] নারীদের স্বাস্থ্য উদ্যোগ (Women's Health Initiative) একটি "খাদ্যাভ্যাস-ভিত্তিক হস্তক্ষেপ নিয়ে পরিচালিত সর্ববৃহৎ ও দীর্ঘতম দৈব নিয়ন্ত্রিত রোগীভিত্তিক গবেষণা", যাতে দেখা গেছে যে দীর্ঘমেয়াদী খাদ্যাভ্যাসগত হস্তক্ষেপে হস্তক্ষেপকারী দল ও নিয়ন্ত্রক দল—উভয়েরই কোমরের পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে, যদিও হস্তক্ষেপকারী দলে এই বৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে কম ছিল। গবেষণায় আরও দেখা যায় যে, প্রাথমিক অবস্থার তুলনায় প্রথম বছরে হস্তক্ষেপকারী দলের গড় ওজন ২.২ কিলোগ্রাম কমে (p<০.০০১) এবং একই সময়ে তা নিয়ন্ত্রক দলের তুলনায় ২.২ কিলোগ্রাম কম ছিল। সময়ের সঙ্গে এই পার্থক্য কিছুটা কমে এলেও গবেষণার শেষ বছর (নবম বছর) পর্যন্ত দুই দলের মধ্যে ওজনের একটি পরিসংখ্যানগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ পার্থক্য বজায় ছিল।[১২০]
সমাজ ও সংস্কৃতি
[সম্পাদনা]ভ্রান্ত ধারণা
[সম্পাদনা]একটি প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা আছে যে, দেহের কোনও নির্দিষ্ট স্থানের ব্যায়াম (অর্থাৎ দেহের কোনও নির্দিষ্ট পেশী বা অংশকে লক্ষ্য করে পরিচালিত ব্যায়াম) সেই নির্দিষ্ট স্থানেই সবচেয়ে কার্যকরভাবে মেদ কমায়। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি এমন নয়। নির্দিষ্ট স্থানের ব্যায়াম ঐ স্থানের সাথে সংশ্লিষ্ট পেশীকে শক্তিশালী ও বিকশিত করতে সহায়ক হলেও, শরীরের ঐ অংশের মেদ বা দেহে মেদের সামগ্রিক বণ্টনের ওপর এর প্রভাব খুবই সামান্য হয়, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে কোনও প্রভাবই পড়ে না। একই কথা উদরীয় মেদ ও উদরীয় ব্যায়ামের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। উঠবস, উদরকুঞ্চন (ক্রাঞ্চ) এবং অন্যান্য উদরীয় ব্যায়াম উদরের পেশীগুলি গঠনে কার্যকর হলেও, সেখানে বিদ্যমান মেদকলার পরিমাণ কমাতে এদের প্রভাব খুবই সামান্য, কিংবা কোনও প্রভাবই পড়ে না।[১২১]
কথ্য নাম
[সম্পাদনা]উদরীয় অঞ্চলে অতিরিক্ত মেদ জমা হওয়া বোঝাতে বাংলায় ভুঁড়ি ও মেদভুঁড়ি এবং এইরূপ ব্যক্তিকে বোঝাতে নাদাপেটা (স্ত্রীলিঙ্গে নাদাপেটী), পেটমোটা, ভোটকা (স্ত্রীলিঙ্গে ভুটকি), ইত্যাদি কথ্য নাম প্রচলিত আছে। ইংরেজিতেও ভুঁড়ি বোঝাতে নানা কথ্য নাম প্রচলিত আছে, যেমন স্পেয়ার টায়ার (spare tire), লাভ হ্যান্ডেল (love handle), পঞ্চ (paunch), বয়লার (boiler) এবং পটবেলি (potbelly)।[১২২]
উদরীয় অতিস্থূলতা এবং এতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বোঝাতে ইংরেজিতে ব্যবহৃত অনেক কথ্য নাম বিয়ার পান করার সঙ্গে যুক্ত। তবে বিয়ার বেলি (beer belly), বিয়ার গাট (beer gut) বা বিয়ার পট (beer pot) নামগুলি প্রচলিত হলেও বিয়ার পানকারীরা অন্যদের তুলনায় উদরীয় অতিস্থূলতায় বেশি আক্রান্ত হন—এমন দাবির পক্ষে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ খুবই সীমিত। এ বিষয়ে করা অল্প কয়েকটি গবেষণার একটিতে দেখা গেছে, বিয়ার পানকারীরা মদ্যপান না করা ব্যক্তি কিংবা অন্যান্য মদ (যেমন দ্রাক্ষাসুরা তথা ওয়াইন) পানকারীদের তুলনায় উদরীয় অতিস্থূলতায় বেশি আক্রান্ত নন।[১২৩][১২৪]
দীর্ঘদিন অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলে যকৃৎকাঠিন্য (লিভার সিরোসিস) হতে পারে। এর লক্ষণ-উপসর্গগুলির মধ্যে রয়েছে স্তনবৃদ্ধি (পুরুষদের স্তন অস্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে যাওয়া) এবং উদরগহ্বরে তরল সঞ্চয়। এসব লক্ষণের কারণে বাইরে থেকে দেখতে আপাতদৃষ্টিতে উদরীয় অতিস্থূলতা হয়েছে বলে মনে হতে পারে।
অর্থনীতি
[সম্পাদনা]কোপেনহেগেনের একদল গবেষক ৫০ থেকে ৬৪ বছর বয়সী ৩১,৮৪০ জন ভিন্ন ভিন্ন কোমর-পরিধিবিশিষ্ট ব্যক্তির ক্ষেত্রে কোমরের পরিধি ও স্বাস্থ্যসেবার পেছনে তাদের ব্যয়ের মধ্যে সম্পর্ক পরীক্ষা করেন। তাঁদের গবেষণায় দেখা যায়, স্বাভাবিক কোমর-পরিধির তুলনায় প্রতি অতিরিক্ত এক সেন্টিমিটার বৃদ্ধির সঙ্গে নারীদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় ১.২৫% এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে ২.০৮% বৃদ্ধি পায়। উদাহরণস্বরূপ, যেসব নারীর কোমরের পরিধি ৯৫ সেন্টিমিটার (প্রায় ৩৭.৪ ইঞ্চি) এবং যাঁদের অন্য কোনও অন্তর্নিহিত বা সহ-বিদ্যমান রোগ নেই, তাঁদের বার্ষিক স্বাস্থ্যসেবা-সংক্রান্ত ব্যয় স্বাভাবিক কোমর-পরিধির নারীদের তুলনায় ২২% বা ৩৯৭ মার্কিন ডলার বেশি হতে পারে।[১২৫]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]- ওজনহ্রাস-বিষয়ক চিকিৎসাবিজ্ঞান (Bariatrics) - অতিস্থূলতার কারণ, প্রতিরোধ ও চিকিৎসাবিষয়ক চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিশেষায়িত ক্ষেত্র
- মেদক্ষয় (Lipoatrophy) - দেহের কোনো নির্দিষ্ট স্থানের মেদকলার ক্ষয়
- "মাফিন টপ" (Muffin top) - কোমরবন্ধনীর ওপর উপচে পড়া মেদ বোঝাতে ইংরেজি কথ্য নাম
- স্বাভাবিক ওজনের অতিস্থূলতা (Normal weight obesity) - স্বাভাবিক দেহভর সূচক থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত মেদ, যা সাধারণত উদরীয় অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত থাকে
- ঝুলন্ত মেদাস্তর (Panniculus) - উদরে ঝুলে থাকা মেদের আস্তর
- মেদাপজাত্য (Steatosis) - যা স্নেহজনিত পরিবর্তন, স্নেহজনিত অবক্ষয় বা মেদীয় অবক্ষয় নামেও পরিচিত
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 Yusuf S, Hawken S, Ounpuu S, Dans T, Avezum A, Lanas F, এবং অন্যান্য (২০০৪)। "Effect of potentially modifiable risk factors associated with myocardial infarction in 52 countries (the INTERHEART study): case-control study"। Lancet। ৩৬৪ (9438): ৯৩৭–৫২। ডিওআই:10.1016/S0140-6736(04)17018-9। এইচডিএল:10983/21615। পিএমআইডি 15364185। এস২সিআইডি 30811593।
- 1 2 3 Razay G, Vreugdenhil A, Wilcock G (২০০৬)। "Obesity, abdominal obesity and Alzheimer disease"। Dementia and Geriatric Cognitive Disorders। ২২ (2): ১৭৩–৬। ডিওআই:10.1159/000094586। পিএমআইডি 16847377। এস২সিআইডি 24351283।
- 1 2 3 Poehlman ET (১৯৯৮)। "Abdominal Obesity: The Metabolic Multi-risk Factor"। Coronary Heart Disease। ৯ (8): ৪৬৯–৪৭১। ডিওআই:10.1097/00019501-199809080-00001। এস২সিআইডি 57778374।
- ↑ Anjana M, Sandeep S, Deepa R, Vimaleswaran KS, Farooq S, Mohan V (ডিসেম্বর ২০০৪)। "Visceral and central abdominal fat and anthropometry in relation to diabetes in Asian Indians"। Diabetes Care। ২৭ (12): ২৯৪৮–৫৩। ডিওআই:10.2337/diacare.27.12.2948। পিএমআইডি 15562212।
- ↑ Misra, A.; Soares, Mario J.; Mohan, Viswanathan; Anoop, Shajith; Abhishek, Vishnu; Vaidya, Ruchi; Pradeepa, Rajendra (২০১৮)। "Body fat, metabolic syndrome and hyperglycemia in South Asians"। Journal of Diabetes and Its Complications (ইংরেজি ভাষায়)। ৩২ (11): ১০৬৮–১০৭৫। ডিওআই:10.1016/j.jdiacomp.2018.08.001। পিএমআইডি 30115487। এস২সিআইডি 52020830 – PubMed এর মাধ্যমে।
- ↑ Westphal SA (২০০৮)। "Obesity, abdominal obesity, and insulin resistance"। Clinical Cornerstone। ৯ (1): ২৩–২৯, discussion ৩০–১। ডিওআই:10.1016/S1098-3597(08)60025-3। পিএমআইডি 19046737।
- ↑ Cameron AJ, Zimmet PZ (এপ্রিল ২০০৮)। "Expanding evidence for the multiple dangers of epidemic abdominal obesity"। Circulation। ১১৭ (13): ১৬২৪–৬। ডিওআই:10.1161/CIRCULATIONAHA.108.775080। পিএমআইডি 18378623।
- ↑ Després JP, Lemieux I (ডিসেম্বর ২০০৬)। "Abdominal obesity and metabolic syndrome"। Nature। ৪৪৪ (7121): ৮৮১–৭। বিবকোড:2006Natur.444..881D। ডিওআই:10.1038/nature05488। পিএমআইডি 17167477। এস২সিআইডি 11944065।
- ↑ Expert Panel On Detection, Evaluation (May
2001)। "Executive Summary of The Third Report of The National Cholesterol Education Program (NCEP) Expert Panel on Detection, Evaluation, And Treatment of High Blood Cholesterol In Adults (Adult Treatment Panel III)"। JAMA। ২৮৫ (19): ২৪৮৬–৯৭। ডিওআই:10.1001/jama.285.19.2486। পিএমআইডি 11368702।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}:|date=এর 4 নং অবস্থানে line feed character রয়েছে (সাহায্য);|date=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ http://circ.ahajournals.org/cgi/reprint/109/3/433.pdf Grundy SM, Brewer HB, Cleeman JI, Smith SC, Lenfant D, for the Conference Participants. Definition of metabolic syndrome: report of the National, Heart, Lung, and Blood Institute/American Heart Association conference on scientific issues related to definition.] Circulation. 2004;109:433-438.
- ↑ "American Heart Association's description of Syndrome X"। Americanheart.org। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Mørkedal B, Romundstad PR, Vatten LJ (জুন ২০১১)। "Informativeness of indices of blood pressure, obesity and serum lipids in relation to ischaemic heart disease mortality: the HUNT-II study"। European Journal of Epidemiology। ২৬ (6): ৪৫৭–৬১। ডিওআই:10.1007/s10654-011-9572-7। পিএমসি 3115050। পিএমআইডি 21461943।
- ↑ Romero-Corral, A. Somers, V. Lopez-Jimenez, F. Korenfeld, Y. Palin, S. Boelaert, K. Boarin, S. Sierra-Johnson, J. Rahim, A. (2008) 3-D Body Scanner, Body Volume Index: A Novel, Reproducible and Automated Anthropometric Tool Associated with Cardiometabolic Biomarkers Obesity A Research Journal 16 (1) 266-P
- ↑ Ghoshal K, Bhattacharyya M (ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "Adiponectin: Probe of the molecular paradigm associating diabetes and obesity"। World Journal of Diabetes। ৬ (1): ১৫১–৬৬। ডিওআই:10.4239/wjd.v6.i1.151। পিএমসি 4317307। পিএমআইডি 25685286।
- ↑ Darabi H, Raeisi A, Kalantarhormozi MR, Ostovar A, Assadi M, Asadipooya K, এবং অন্যান্য (আগস্ট ২০১৫)। "Adiponectin as a Protective Factor Against the Progression Toward Type 2 Diabetes Mellitus in Postmenopausal Women"। Medicine। ৯৪ (33) e1347। ডিওআই:10.1097/md.0000000000001347। পিএমসি 4616451। পিএমআইডি 26287420।
- ↑ Duman BS, Turkoglu C, Gunay D, Cagatay P, Demiroglu C, Buyukdevrim AS (২০০৩)। "The interrelationship between insulin secretion and action in type 2 diabetes mellitus with different degrees of obesity: evidence supporting central obesity"। Diabetes Butr Metab। ১৬ (4): ২৪৩–২৫০।
- ↑ Gabriely I, Ma XH, Yang XM, Atzmon G, Rajala MW, Berg AH, এবং অন্যান্য (অক্টোবর ২০০২)। "Removal of visceral fat prevents insulin resistance and glucose intolerance of aging: an adipokine-mediated process?"। Diabetes। ৫১ (10): ২৯৫১–৮। ডিওআই:10.2337/diabetes.51.10.2951। পিএমআইডি 12351432।
- 1 2 Asensio C, Cettour-Rose P, Theander-Carrillo C, Rohner-Jeanrenaud F, Muzzin P (মে ২০০৪)। "Changes in glycemia by leptin administration or high- fat feeding in rodent models of obesity/type 2 diabetes suggest a link between resistin expression and control of glucose homeostasis"। Endocrinology। ১৪৫ (5): ২২০৬–১৩। ডিওআই:10.1210/en.2003-1679। পিএমআইডি 14962997।
- ↑ Degawa-Yamauchi M, Bovenkerk JE, Juliar BE, Watson W, Kerr K, Jones R, এবং অন্যান্য (নভেম্বর ২০০৩)। "Serum resistin (FIZZ3) protein is increased in obese humans"। The Journal of Clinical Endocrinology and Metabolism। ৮৮ (11): ৫৪৫২–৫। ডিওআই:10.1210/jc.2002-021808। পিএমআইডি 14602788।
- ↑ Lee JH, Bullen JW, Stoyneva VL, Mantzoros CS (মার্চ ২০০৫)। "Circulating resistin in lean, obese, and insulin-resistant mouse models: lack of association with insulinemia and glycemia"। American Journal of Physiology. Endocrinology and Metabolism। ২৮৮ (3): E৬২৫-৩২। ডিওআই:10.1152/ajpendo.00184.2004। পিএমআইডি 15522996। এস২সিআইডি 20609673।
- ↑ Vendrell J, Broch M, Vilarrasa N, Molina A, Gómez JM, Gutiérrez C, এবং অন্যান্য (জুন ২০০৪)। "Resistin, adiponectin, ghrelin, leptin, and proinflammatory cytokines: relationships in obesity"। Obesity Research। ১২ (6): ৯৬২–৭১। ডিওআই:10.1038/oby.2004.118। পিএমআইডি 15229336।
- ↑ Hirosumi J, Tuncman G, Chang L, Görgün CZ, Uysal KT, Maeda K, এবং অন্যান্য (নভেম্বর ২০০২)। "A central role for JNK in obesity and insulin resistance"। Nature। ৪২০ (6913): ৩৩৩–৬। বিবকোড:2002Natur.420..333H। ডিওআই:10.1038/nature01137। পিএমআইডি 12447443। এস২সিআইডি 1659156।
- ↑ Rajala MW, Qi Y, Patel HR, Takahashi N, Banerjee R, Pajvani UB, এবং অন্যান্য (জুলাই ২০০৪)। "Regulation of resistin expression and circulating levels in obesity, diabetes, and fasting"। Diabetes। ৫৩ (7): ১৬৭১–৯। ডিওআই:10.2337/diabetes.53.7.1671। পিএমআইডি 15220189।
- ↑ Silha JV, Krsek M, Skrha JV, Sucharda P, Nyomba BL, Murphy LJ (অক্টোবর ২০০৩)। "Plasma resistin, adiponectin and leptin levels in lean and obese subjects: correlations with insulin resistance"। European Journal of Endocrinology। ১৪৯ (4): ৩৩১–৫। ডিওআই:10.1530/eje.0.1490331। পিএমআইডি 14514348।
- ↑ Smith SR, Bai F, Charbonneau C, Janderová L, Argyropoulos G (জুলাই ২০০৩)। "A promoter genotype and oxidative stress potentially link resistin to human insulin resistance"। Diabetes। ৫২ (7): ১৬১১–৮। ডিওআই:10.2337/diabetes.52.7.1611। পিএমআইডি 12829623।
- ↑ Fujinami A, Obayashi H, Ohta K, Ichimura T, Nishimura M, Matsui H, এবং অন্যান্য (জানুয়ারি ২০০৪)। "Enzyme-linked immunosorbent assay for circulating human resistin: resistin concentrations in normal subjects and patients with type 2 diabetes"। Clinica Chimica Acta; International Journal of Clinical Chemistry। ৩৩৯ (1–2): ৫৭–৬৩। ডিওআই:10.1016/j.cccn.2003.09.009। পিএমআইডি 14687894।
- ↑ McTernan PG, Fisher FM, Valsamakis G, Chetty R, Harte A, McTernan CL, এবং অন্যান্য (ডিসেম্বর ২০০৩)। "Resistin and type 2 diabetes: regulation of resistin expression by insulin and rosiglitazone and the effects of recombinant resistin on lipid and glucose metabolism in human differentiated adipocytes"। The Journal of Clinical Endocrinology and Metabolism। ৮৮ (12): ৬০৯৮–১০৬। ডিওআই:10.1210/jc.2003-030898। পিএমআইডি 14671216।
- ↑ Steppan CM, Bailey ST, Bhat S, Brown EJ, Banerjee RR, Wright CM, এবং অন্যান্য (জানুয়ারি ২০০১)। "The hormone resistin links obesity to diabetes"। Nature। ৪০৯ (6818): ৩০৭–১২। বিবকোড:2001Natur.409..307S। ডিওআই:10.1038/35053000। পিএমআইডি 11201732। এস২সিআইডি 4358808।
- ↑ LiPuma JJ, Spilker T, Coenye T, Gonzalez CF (জুন ২০০২)। "An epidemic Burkholderia cepacia complex strain identified in soil"। Lancet। ৩৫৯ (9322): ২০০২–৩। বিবকোড:2002Lanc..359.2002L। ডিওআই:10.1016/S0140-6736(02)08836-0। পিএমআইডি 12076559। এস২সিআইডি 8649208।
- ↑ McTernan PG, McTernan CL, Chetty R, Jenner K, Fisher FM, Lauer MN, এবং অন্যান্য (মে ২০০২)। "Increased resistin gene and protein expression in human abdominal adipose tissue"। The Journal of Clinical Endocrinology and Metabolism। ৮৭ (5): ২৪০৭। ডিওআই:10.1210/jc.87.5.2407। পিএমআইডি 11994397।
- ↑ Valsamakis G, McTernan PG, Chetty R, Al Daghri N, Field A, Hanif W, এবং অন্যান্য (এপ্রিল ২০০৪)। "Modest weight loss and reduction in waist circumference after medical treatment are associated with favorable changes in serum adipocytokines"। Metabolism। ৫৩ (4): ৪৩০–৪। ডিওআই:10.1016/j.metabol.2003.11.022। পিএমআইডি 15045687।
- ↑ Mohanan S, Tapp H, McWilliams A, Dulin M (নভেম্বর ২০১৪)। "Obesity and asthma: pathophysiology and implications for diagnosis and management in primary care"। Experimental Biology and Medicine। ২৩৯ (11): ১৫৩১–৪০। ডিওআই:10.1177/1535370214525302। পিএমসি 4230977। পিএমআইডি 24719380।
- ↑ Shore SA, Johnston RA (এপ্রিল ২০০৬)। "Obesity and asthma"। Pharmacology & Therapeutics। ১১০ (1): ৮৩–১০২। ডিওআই:10.1016/j.pharmthera.2005.10.002। পিএমআইডি 16297979।
- ↑ Thomson CC, Clark S, Camargo CA (সেপ্টেম্বর ২০০৩)। "Body mass index and asthma severity among adults presenting to the emergency department"। Chest। ১২৪ (3): ৭৯৫–৮০২। ডিওআই:10.1378/chest.124.3.795। পিএমআইডি 12970000। এস২সিআইডি 13138899।
- ↑ Debette S, Beiser A, Hoffmann U, Decarli C, O'Donnell CJ, Massaro JM, এবং অন্যান্য (আগস্ট ২০১০)। "Visceral fat is associated with lower brain volume in healthy middle-aged adults"। Annals of Neurology। ৬৮ (2): ১৩৬–৪৪। ডিওআই:10.1002/ana.22062। পিএমসি 2933649। পিএমআইডি 20695006।
- ↑ "'Beer belly' link to Alzheimer's"। BBC News। ২০ মে ২০১০।
- ↑ Mitchell S (২৬ মার্চ ২০০৮)। "Bulging belly now could mean dementia later"। NBC News। ১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- 1 2 Deng, Hai; Duan, Xueru; Huang, Jun; Zheng, Murui; Lao, Miaochan; Weng, Fan; Su, Qi-ying; Zheng, Zhen-feng; Mei, Yunting; Huang, Li; Yang, Wen-han; Xing, Xiaohui; Ma, Xiaofeng; Zhao, Wenjing; Liu, Xudong (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩)। "Association of adiposity with risk of obstructive sleep apnea: a population-based study"। BMC Public Health (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ (1): ১৮৩৫। ডিওআই:10.1186/s12889-023-16695-4। আইএসএসএন 1471-2458। পিএমসি 10512644। পিএমআইডি 37735660।
- 1 2 Li, Xue; Lian, Yajun; Ping, Weiwei; Wang, Kunbo; Jiang, Lingyan; Li, Shaoxia (২৭ নভেম্বর ২০২৩)। "Abdominal obesity and digestive system cancer: a systematic review and meta-analysis of prospective studies"। BMC Public Health (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ (1): ২৩৪৩। ডিওআই:10.1186/s12889-023-17275-2। আইএসএসএন 1471-2458। পিএমসি 10680266। পিএমআইডি 38012596।
- 1 2 Bujalska IJ, Kumar S, Stewart PM (এপ্রিল ১৯৯৭)। "Does central obesity reflect "Cushing's disease of the omentum"?"। Lancet। ৩৪৯ (9060): ১২১০–৩। ডিওআই:10.1016/S0140-6736(96)11222-8। পিএমআইডি 9130942। এস২সিআইডি 24643796।
- ↑ Lukács, Anita; Horváth, Edina; Máté, Zsuzsanna; Szabó, Andrea; Virág, Katalin; Papp, Magor; Sándor, János; Ádány, Róza; Paulik, Edit (১৫ নভেম্বর ২০১৯)। "Abdominal obesity increases metabolic risk factors in non-obese adults: a Hungarian cross-sectional study"। BMC Public Health। ১৯ (1): ১৫৩৩। ডিওআই:10.1186/s12889-019-7839-1। আইএসএসএন 1471-2458। পিএমসি 6858760। পিএমআইডি 31730482।
- 1 2 Ghroubi S, Elleuch H, Guermazi M, Kaffel N, Feki H, Abid M, এবং অন্যান্য (নভেম্বর ২০০৭)। "[Abdominal obesity and knee ostheoarthritis]"। Annales de Réadaptation et de Médecine Physique। ৫০ (8): ৬৬১–৬। ডিওআই:10.1016/j.annrmp.2007.03.005। পিএমআইডি 17445932।
- ↑ Mina T, Yew YW, Ng HK, Sadhu N, Wansaicheong G, Dalan R (২০২৩)। "Adiposity impacts cognitive function in Asian populations: An epidemiological and Mendelian Randomization study"। The Lancet Regional Health. Western Pacific। ৩৩ 100710। ডিওআই:10.1016/j.lanwpc.2023.100710। পিএমসি 9957736। পিএমআইডি 36851942।
- ↑ Stanhope KL, Havel PJ (মার্চ ২০১০)। "Fructose consumption: recent results and their potential implications"। Annals of the New York Academy of Sciences। ১১৯০ (1): ১৫–২৪। বিবকোড:2010NYASA1190...15S। ডিওআই:10.1111/j.1749-6632.2009.05266.x। পিএমসি 3075927। পিএমআইডি 20388133।
- ↑ Elliott SS, Keim NL, Stern JS, Teff K, Havel PJ (নভেম্বর ২০০২)। "Fructose, weight gain, and the insulin resistance syndrome"। The American Journal of Clinical Nutrition। ৭৬ (5): ৯১১–২২। ডিওআই:10.1093/ajcn/76.5.911। পিএমআইডি 12399260।
- ↑ Perez-Pozo SE, Schold J, Nakagawa T, Sánchez-Lozada LG, Johnson RJ, Lillo JL (মার্চ ২০১০)। "Excessive fructose intake induces the features of metabolic syndrome in healthy adult men: role of uric acid in the hypertensive response"। International Journal of Obesity। ৩৪ (3): ৪৫৪–৬১। ডিওআই:10.1038/ijo.2009.259। পিএমআইডি 20029377। এস২সিআইডি 4344197।
- ↑ Choi ME (মার্চ ২০০৯)। "The not-so-sweet side of fructose"। Journal of the American Society of Nephrology। 3। ২০ (3): ৪৫৭–৯। ডিওআই:10.1681/asn.2009010104। পিএমআইডি 19244571।
- ↑ "Fructose sugar makes maturing human fat cells fatter, less insulin-sensitive, study finds"। ScienceDaily (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২১।
- ↑ Koh-Banerjee P, Chu NF, Spiegelman D, Rosner B, Colditz G, Willett W, Rimm E (অক্টোবর ২০০৩)। "Prospective study of the association of changes in dietary intake, physical activity, alcohol consumption, and smoking with 9-y gain in waist circumference among 16 587 US men"। The American Journal of Clinical Nutrition। ৭৮ (4): ৭১৯–২৭। ডিওআই:10.1093/ajcn/78.4.719। পিএমআইডি 14522729।
- ↑ Bendsen NT, Chabanova E, Thomsen HS, Larsen TM, Newman JW, Stender S, এবং অন্যান্য (জানুয়ারি ২০১১)। "Effect of trans fatty acid intake on abdominal and liver fat deposition and blood lipids: a randomized trial in overweight postmenopausal women"। Nutrition & Diabetes। ১ (1) e4। ডিওআই:10.1038/nutd.2010.4। পিএমসি 3302130। পিএমআইডি 23154296।
- ↑ Micha R, Mozaffarian D (১ সেপ্টেম্বর ২০০৮)। "Trans fatty acids: effects on cardiometabolic health and implications for policy"। Prostaglandins, Leukotrienes, and Essential Fatty Acids। ৭৯ (3–5): ১৪৭–৫২। ডিওআই:10.1016/j.plefa.2008.09.008। পিএমসি 2639783। পিএমআইডি 18996687।
- ↑ Kavanagh K, Jones KL, Sawyer J, Kelley K, Carr JJ, Wagner JD, Rudel LL (জুলাই ২০০৭)। "Trans fat diet induces abdominal obesity and changes in insulin sensitivity in monkeys"। Obesity। ১৫ (7): ১৬৭৫–৮৪। ডিওআই:10.1038/oby.2007.200। পিএমআইডি 17636085। এস২সিআইডি 4835948।
- ↑ Vergnaud AC, Norat T, Romaguera D, Mouw T, May AM, Travier N, এবং অন্যান্য (আগস্ট ২০১০)। "Meat consumption and prospective weight change in participants of the EPIC-PANACEA study"। The American Journal of Clinical Nutrition। ৯২ (2): ৩৯৮–৪০৭। ডিওআই:10.3945/ajcn.2009.28713। পিএমআইডি 20592131।
- ↑ Vergnaud AC, Norat T, Romaguera D, Peeters PH (১ নভেম্বর ২০১০)। "Reply to A Astrup et al"। The American Journal of Clinical Nutrition। ৯২ (5): ১২৭৫–১২৭৬। ডিওআই:10.3945/ajcn.110.000786। আইএসএসএন 0002-9165।
- ↑ Hosseini-Esfahani F, Mirmiran P, Koochakpoor G, Daneshpour MS, Guity K, Azizi F (মে ২০১৭)। "Some dietary factors can modulate the effect of the zinc transporters 8 polymorphism on the risk of metabolic syndrome"। Scientific Reports। ৭ (1) 1649। বিবকোড:2017NatSR...7.1649H। ডিওআই:10.1038/s41598-017-01762-9। পিএমসি 5431973। পিএমআইডি 28490771।
- ↑ Noreen EE, Sass MJ, Crowe ML, Pabon VA, Brandauer J, Averill LK (অক্টোবর ২০১০)। "Effects of supplemental fish oil on resting metabolic rate, body composition, and salivary cortisol in healthy adults"। Journal of the International Society of Sports Nutrition। ৭ 31। ডিওআই:10.1186/1550-2783-7-31। পিএমসি 2958879। পিএমআইডি 20932294।
- ↑ Sites CK, Cooper BC, Toth MJ, Gastaldelli A, Arabshahi A, Barnes S (ডিসেম্বর ২০০৭)। "Effect of a daily supplement of soy protein on body composition and insulin secretion in postmenopausal women"। Fertility and Sterility। ৮৮ (6): ১৬০৯–১৭। ডিওআই:10.1016/j.fertnstert.2007.01.061। পিএমসি 2200634। পিএমআইডি 17412329।
- ↑ Bakhtiari A, Yassin Z, Hanachi P, Rahmat A, Ahmad Z, Sajadi P, Shojaei S (৩০ এপ্রিল ২০১২)। "Effects of Soy on Body Composition: A 12-Week Randomized Controlled Trial among Iranian Elderly Women with Metabolic Syndrome"। Iranian Journal of Public Health। ৪১ (4): ৯–১৮। পিএমসি 3481610। পিএমআইডি 23113160।
- ↑ Monteiro, Carlos Augusto; Cannon, Geoffrey; Moubarac, Jean-Claude; Levy, Renata Bertazzi; Louzada, Maria Laura C.; Jaime, Patrícia Constante (জানুয়ারি ২০১৮)। "The UN Decade of Nutrition, the NOVA food classification and the trouble with ultra-processing"। Public Health Nutrition (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ (1): ৫–১৭। ডিওআই:10.1017/S1368980017000234। আইএসএসএন 1368-9800। পিএমসি 10261019। পিএমআইডি 28322183।
- ↑ "Processed foods highly correlated with obesity epidemic in the US"। ScienceDaily (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০২১।
- ↑ Nardocci, Milena; Leclerc, Bernard-Simon; Louzada, Maria-Laura; Monteiro, Carlos Augusto; Batal, Malek; Moubarac, Jean-Claude (২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "Consumption of ultra-processed foods and obesity in Canada"। Canadian Journal of Public Health। ১১০ (1): ৪–১৪। ডিওআই:10.17269/s41997-018-0130-x। আইএসএসএন 0008-4263। পিএমসি 6964616। পিএমআইডি 30238324।
- ↑ Organization, Pan American Health (১৭ জুন ২০১৯)। Ultra-processed food and drink products in Latin America: Sales, sources, nutrient profiles, and policy implications (ইংরেজি ভাষায়)। আইএসবিএন ৯৭৮-৯২-৭৫-১২০৩২-৩। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মার্চ ২০২১।
- ↑ Machado PP, Steele EM, Levy RB, da Costa Louzada ML, Rangan A, Woods J, এবং অন্যান্য (ডিসেম্বর ২০২০)। "Ultra-processed food consumption and obesity in the Australian adult population"। Nutrition & Diabetes। ১০ (1) 39। ডিওআই:10.1038/s41387-020-00141-0। পিএমসি 7719194। পিএমআইডি 33279939।
- ↑ Rauber F, Steele EM, Louzada ML, Millett C, Monteiro CA, Levy RB (১ মে ২০২০)। "Ultra-processed food consumption and indicators of obesity in the United Kingdom population (2008-2016)"। PLOS ONE। ১৫ (5) e0232676। বিবকোড:2020PLoSO..1532676R। ডিওআই:10.1371/journal.pone.0232676। পিএমসি 7194406। পিএমআইডি 32357191।
- ↑ Beslay M, Srour B, Méjean C, Allès B, Fiolet T, Debras C, এবং অন্যান্য (আগস্ট ২০২০)। "Ultra-processed food intake in association with BMI change and risk of overweight and obesity: A prospective analysis of the French NutriNet-Santé cohort"। PLOS Medicine। ১৭ (8) e1003256। ডিওআই:10.1371/journal.pmed.1003256। পিএমসি 7451582। পিএমআইডি 32853224।
- ↑ Sandoval-Insausti H, Jiménez-Onsurbe M, Donat-Vargas C, Rey-García J, Banegas JR, Rodríguez-Artalejo F, Guallar-Castillón P (আগস্ট ২০২০)। "Ultra-Processed Food Consumption Is Associated with Abdominal Obesity: A Prospective Cohort Study in Older Adults"। Nutrients। ১২ (8): ২৩৬৮। ডিওআই:10.3390/nu12082368। পিএমসি 7468731। পিএমআইডি 32784758।
- ↑ Juul, Filippa; Hemmingsson, Erik (ডিসেম্বর ২০১৫)। "Trends in consumption of ultra-processed foods and obesity in Sweden between 1960 and 2010"। Public Health Nutrition। ১৮ (17): ৩০৯৬–৩১০৭। ডিওআই:10.1017/S1368980015000506। আইএসএসএন 1475-2727। পিএমসি 10277202। পিএমআইডি 25804833। এস২সিআইডি 22016427।
- ↑ Sung, Hyuni; Park, Ji Min; Oh, Se Uk; Ha, Kyungho; Joung, Hyojee (ফেব্রুয়ারি ২০২১)। "Consumption of Ultra-Processed Foods Increases the Likelihood of Having Obesity in Korean Women"। Nutrients (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ (2): ৬৯৮। ডিওআই:10.3390/nu13020698। পিএমসি 7926298। পিএমআইডি 33671557।
- ↑ Li, Ming; Shi, Zumin (আগস্ট ২০২১)। "Ultra-Processed Food Consumption Associated with Overweight/Obesity among Chinese Adults—Results from China Health and Nutrition Survey 1997–2011"। Nutrients (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ (8): ২৭৯৬। ডিওআই:10.3390/nu13082796। পিএমসি 8399660। পিএমআইডি 34444957।
- ↑ Reardon, Thomas; Tschirley, David; Liverpool-Tasie, Lenis Saweda O.; Awokuse, Titus; Fanzo, Jessica; Minten, Bart; Vos, Rob; Dolislager, Michael; Sauer, Christine; Dhar, Rahul; Vargas, Carolina (১ মার্চ ২০২১)। "The processed food revolution in African food systems and the double burden of malnutrition"। Global Food Security (ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ 100466। বিবকোড:2021GlFS...2800466R। ডিওআই:10.1016/j.gfs.2020.100466। আইএসএসএন 2211-9124। পিএমসি 8049356। পিএমআইডি 33868911।
- ↑ Ibrahim IA, Abd El-Aziz MF, Ahmed AF, Mohamed MA (২০১১)। "Is the effect of high fat diet on lipid and carbohydrate metabolism related to inflammation?"। Mediterranean Journal of Nutrition and Metabolism। ৪ (3): ২০৩–২০৯। ডিওআই:10.1007/s12349-011-0056-9। এস২সিআইডি 83758966।
- ↑ Cuthbertson D, Smith K, Babraj J, Leese G, Waddell T, Atherton P, এবং অন্যান্য (মার্চ ২০০৫)। "Anabolic signaling deficits underlie amino acid resistance of wasting, aging muscle"। FASEB Journal। ১৯ (3): ৪২২–৪। ডিওআই:10.1096/fj.04-2640fje। পিএমআইডি 15596483। এস২সিআইডি 22609751।
- ↑ Loenneke JP, Wilson JM, Manninen AH, Wray ME, Barnes JT, Pujol TJ (জানুয়ারি ২০১২)। "Quality protein intake is inversely related with abdominal fat"। Nutrition & Metabolism। ৯ (1): ৫। ডিওআই:10.1186/1743-7075-9-5। পিএমসি 3284412। পিএমআইডি 22284338।
- ↑ President and fellows of Harvard College. (2006). Abnormal obesity and your health. Retrieved from http://www.health.harvard.edu/fhg/updates/abdominal-obesity-and-your-health.shtml ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১৩-০৩-১৫ তারিখে
- ↑ Schröder H, Morales-Molina JA, Bermejo S, Barral D, Mándoli ES, Grau M, এবং অন্যান্য (অক্টোবর ২০০৭)। "Relationship of abdominal obesity with alcohol consumption at population scale" (পিডিএফ)। European Journal of Nutrition। ৪৬ (7): ৩৬৯–৭৬। ডিওআই:10.1007/s00394-007-0674-7। পিএমআইডি 17885722। এস২সিআইডি 7185367।
- ↑ Bendsen NT, Christensen R, Bartels EM, Kok FJ, Sierksma A, Raben A, Astrup A (ফেব্রুয়ারি ২০১৩)। "Is beer consumption related to measures of abdominal and general obesity? A systematic review and meta-analysis"। Nutrition Reviews। ৭১ (2): ৬৭–৮৭। ডিওআই:10.1111/j.1753-4887.2012.00548.x। পিএমআইডি 23356635।
- ↑ Carey, D. G. P. (১৯৯৮)। "Abdominal Obesity"। Current Opinion in Lipidology। ৯ (1): ৩৫–৪০। ডিওআই:10.1097/00041433-199802000-00008। পিএমআইডি 9502333।
- ↑ Després J (২০০৬)। "Abdominal obesity: the most prevalent cause of the metabolic syndrome and related cardiometabolic risk"। European Heart Journal। ৮ (Supplements): B৪ – B১২। ডিওআই:10.1093/eurheartj/sul002।
- ↑ Heindel J (২০১১)। "The Obesogen Hypothesis of Obesity: Overview and Human Evidence"। Obesity Before Birth। Endocrine Updates। খণ্ড ৪। Springer। পৃ. ৩৫৫–৩৬৫। ডিওআই:10.1007/978-1-4419-7034-3_17। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৪১৯-৭০৩৩-৬।
- 1 2 National Cholesterol Education Program (২০০২)। Third Report of the Expert Panel on Detection, Evaluation, and Treatment of High Blood Cholesterol in Adults (ATP III Final Report)। National Institutes of Health। পৃ. II–১৭। ২৪ মে ২০০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মে ২০১১।
- ↑ Iribarren C, Darbinian JA, Lo JC, Fireman BH, Go AS (ডিসেম্বর ২০০৬)। "Value of the sagittal abdominal diameter in coronary heart disease risk assessment: cohort study in a large, multiethnic population"। American Journal of Epidemiology। ১৬৪ (12): ১১৫০–৯। ডিওআই:10.1093/aje/kwj341। পিএমআইডি 17041127।
- ↑ U.S. Preventive Services Task Force Evidence Syntheses (২০০০)। HSTAT: Guide to Clinical Preventive Services, 3rd Edition: Recommendations and Systematic Evidence Reviews, Guide to Community Preventive Services। ৪ জুলাই ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৭।
- ↑ Abdominal obesity and your health. (2006). Retrieved from http://www.health.harvard.edu/fhg/updates/abdominal-obesity-and-your-health.shtml ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১৩-০৩-১৫ তারিখে
- ↑ "Abdominal obesity and your health"। Harvard Health। Health.harvard.edu। ১৫ মার্চ ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Smith SC, Haslam D (জানুয়ারি ২০০৭)। "Abdominal obesity, waist circumference and cardio-metabolic risk: awareness among primary care physicians, the general population and patients at risk--the Shape of the Nations survey"। Current Medical Research and Opinion। ২৩ (1): ২৯–৪৭। ডিওআই:10.1185/030079906X159489। পিএমআইডি 17261236। এস২সিআইডি 11796524।
- ↑ Knowles KM, Paiva LL, Sanchez SE, Revilla L, Lopez T, Yasuda MB, এবং অন্যান্য (জানুয়ারি ২০১১)। "Waist Circumference, Body Mass Index, and Other Measures of Adiposity in Predicting Cardiovascular Disease Risk Factors among Peruvian Adults"। International Journal of Hypertension। ২০১১ 931402। ডিওআই:10.4061/2011/931402। পিএমসি 3034939। পিএমআইডি 21331161।
- ↑ Méthot J, Houle J, Poirier P (মে ২০১০)। "Obesity: how to define central adiposity?"। Expert Review of Cardiovascular Therapy। ৮ (5): ৬৩৯–৪৪। ডিওআই:10.1586/erc.10.38। পিএমআইডি 20450297। এস২সিআইডি 31913449।
- 1 2 3 Parikh RM, Joshi SR, Pandia K (ডিসেম্বর ২০০৯)। "Index of central obesity is better than waist circumference in defining metabolic syndrome"। Metabolic Syndrome and Related Disorders। ৭ (6): ৫২৫–৭। ডিওআই:10.1089/met.2008.0102। পিএমআইডি 19558273।
- ↑ National Cholesterol Education Program (২০০২)। Third Report of the Expert Panel on Detection, Evaluation, and Treatment of High Blood Cholesterol in Adults (ATP III Final Report)। National Institutes of Health। পৃ. II–২৭। ২৪ মে ২০০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মে ২০১১।
- ↑ Misra A, Wasir JS, Vikram NK, Pandey RM, Kumar P (জুন ২০১০)। "Cutoffs of abdominal adipose tissue compartments as measured by magnetic resonance imaging for detection of cardiovascular risk factors in apparently healthy adult Asian Indians in North India"। Metabolic Syndrome and Related Disorders। ৮ (3): ২৪৩–৭। ডিওআই:10.1089/met.2009.0046। পিএমআইডি 20156066।
- ↑ "Abdominal Obesity Measurement Guidelines for Different Ethnic Groups"। Obesity Prevention Source। hsph.harvard.edu (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২১ অক্টোবর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২১।
- ↑ Alberti KG, Zimmet P, Shaw J (২০০৫)। "The metabolic syndrome--a new worldwide definition"। Lancet। ৩৬৬ (9491): ১০৫৯–৬২। ডিওআই:10.1016/S0140-6736(05)67402-8। পিএমআইডি 16182882। এস২সিআইডি 30586927।
- ↑ "Measuring Obesity"। Obesity Prevention Source। hsph.harvard.edu (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২১ অক্টোবর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০২১।
- ↑ Joshi PP (মার্চ ২০০৮)। "Is waist to height ratio a better and more practical measure of obesity to assess cardiovascular or diabetes risk in indians?"। The Journal of the Association of Physicians of India। ৫৬: ২০২–৩, author reply ২০৩–৪। পিএমআইডি 18700281। ১১ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০১১।
- ↑ Veigas NM, Dharmalingam, Marcus SR (২০১১)। "Oxidative Stress in Obesity and Metabolic Syndrome in Asian Indians"। Journal of Medical Biochemistry। ৩০ (2): ১১৫–২০। ডিওআই:10.2478/v10011-011-0006-6।
- ↑ Gupta R, Rastogi P, Sarna M, Gupta VP, Sharma SK, Kothari K (সেপ্টেম্বর ২০০৭)। "Body-mass index, waist-size, waist–hip ratio and cardiovascular risk factors in urban subejcts [sic]"। The Journal of the Association of Physicians of India। ৫৫: ৬২১–৭। পিএমআইডি 18051732। ১২ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০১১।
- ↑ Elbers JM, Asscheman H, Seidell JC, Gooren LJ (ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯)। "Effects of sex steroid hormones on regional fat depots as assessed by magnetic resonance imaging in transsexuals"। The American Journal of Physiology। ২৭৬ (2): E৩১৭-২৫। ডিওআই:10.1152/ajpendo.1999.276.2.E317। পিএমআইডি 9950792।
- ↑ Lemieux S, Prud'homme D, Bouchard C, Tremblay A, Després JP (অক্টোবর ১৯৯৩)। "Sex differences in the relation of visceral adipose tissue accumulation to total body fatness"। The American Journal of Clinical Nutrition। ৫৮ (4): ৪৬৩–৭। ডিওআই:10.1093/ajcn/58.4.463। পিএমআইডি 8379501।
- ↑ Carey DG, Campbell LV, Chisholm DJ (১৯৯৬)। "Is visceral fat (intra-abdominal and hepatic) a major determinant of gender differences in insulin resistance and dyslipidaemia?"। Diabetes। ৪৫: ১১০A।
- ↑ Andersen BL, Legrand J (১৯৯১)। "Body Image for Women: Conceptualization, Assessment, and a Test of its Importance to Sexual Dysfunction and Medical Illness"। Journal of Sex Research। ২৮ (3): ৪৫৭–৪৭৭। ডিওআই:10.1080/00224499109551619। পিএমসি 3065017। পিএমআইডি 21451731।
- ↑ Andrews, Michelle (১ ডিসেম্বর ২০০৬)। "A Matter of Fat"। Yahoo! Health। ২৪ অক্টোবর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "Abdominal fat and what to do about it. Visceral fat more of a health concern than subcutaneous fat"। Harvard Health Publications। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Even a Little Exercise Fights Obesity"। Webmd.com। ৬ নভেম্বর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Weight Management"। Washington.edu। ২৬ নভেম্বর ২০১২। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ Rockoff JD, Dooren JC (৮ অক্টোবর ২০১০)। "Abbott Pulls Diet Drug Meridia Off US Shelves"। The Wall Street Journal। ১১ অক্টোবর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১০।
- ↑ "Top obesity drug sibutramine being suspended"। BBC News। ২২ জানুয়ারি ২০১০। ২৫ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০১০।
- ↑ (জার্মান ভাষায়) Sibutramin-Vertrieb in der Europäischen Union ausgesetzt . Abbott Laboratories in Germany. Press release 2010-01-21. Retrieved 2010-01-27
- ↑ "Sibutramine (brand name Reductil) Information - Australia"। Abbott Laboratories। ২০১০। ১৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১০।
- ↑ "Health Canada Endorsed Important Safety Information on MERIDIA (Sibutramine Hydrochloride Monohydrate): Subject: Voluntary withdrawal of Meridia (sibutramine) capsules from the Canadian market"। Hc-sc.gc.ca। ১৪ অক্টোবর ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "De-registration of pharmaceutical products containing sibutramine" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। info.gov in Hong Kong। ২ নভেম্বর ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ৮ নভেম্বর ২০১০।
- ↑ "Thai FDA reveals voluntary withdrawal of sibutramine from the Thai market" (পিডিএফ) (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। Food and Drug Administration of Thailand। ২০ অক্টোবর ২০১০। ১১ মে ২০১১ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০১০।
- ↑ Arciero PJ, Gentile CL, Martin-Pressman R, Ormsbee MJ, Everett M, Zwicky L, Steele CA (আগস্ট ২০০৬)। "Increased dietary protein and combined high intensity aerobic and resistance exercise improves body fat distribution and cardiovascular risk factors"। International Journal of Sport Nutrition and Exercise Metabolism। ১৬ (4): ৩৭৩–৯২। সাইটসিয়ারএক্স 10.1.1.517.3533। ডিওআই:10.1123/ijsnem.16.4.373। পিএমআইডি 17136940।
- ↑ Kelley GA, Kelley KS, Roberts S, Haskell W (২০১২)। "Combined effects of aerobic exercise and diet on lipids and lipoproteins in overweight and obese adults: a meta-analysis"। Journal of Obesity। ২০১২ 985902। ডিওআই:10.1155/2012/985902। পিএমসি 3317197। পিএমআইডি 22523670।
- ↑ Fonseca V (ডিসেম্বর ২০০৩)। "Effect of thiazolidinediones on body weight in patients with diabetes mellitus"। The American Journal of Medicine। ১১৫ Suppl ৮A (8): ৪২S – ৪৮S। ডিওআই:10.1016/j.amjmed.2003.09.005। পিএমআইডি 14678865।
- ↑ Fonseca V (ডিসেম্বর ২০০৩)। "Effect of thiazolidinediones on body weight in patients with diabetes mellitus"। The American Journal of Medicine। ১১৫ Suppl ৮A (8): ৪২S – ৪৮S। ডিওআই:10.1016/j.amjmed.2003.09.005। পিএমআইডি 14678865।
- ↑ 23/09/2010 European Medicines Agency recommends suspension of Avandia, Avandamet and Avaglim http://www.ema.europa.eu/ema/index.jsp?curl=pages/news_and_events/news/2010/09/news_detail_001119.jsp&mid=WC0b01ac058004d5c1 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২১ জুন ২০১৮ তারিখে
- 1 2 Wang, Jing-Yue; Wang, Quan-Wei; Yang, Xin-Yu; Yang, Wei; Li, Dong-Rui; Jin, Jing-Yu; Zhang, Hui-Cong; Zhang, Xian-Feng (১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)। "GLP−1 receptor agonists for the treatment of obesity: Role as a promising approach"। Frontiers in Endocrinology (English ভাষায়)। ১৪ 1085799। ডিওআই:10.3389/fendo.2023.1085799। আইএসএসএন 1664-2392। পিএমসি 9945324। পিএমআইডি 36843578।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - 1 2 American Diabetes Association Professional Practice Committee; ElSayed, Nuha A.; McCoy, Rozalina G.; Aleppo, Grazia; Balapattabi, Kirthikaa; Beverly, Elizabeth A.; Briggs Early, Kathaleen; Bruemmer, Dennis; Echouffo-Tcheugui, Justin B.; Ekhlaspour, Laya; Garg, Rajesh; Khunti, Kamlesh; Kushner, Robert F.; Lal, Rayhan; Lingvay, Ildiko (১ জানুয়ারি ২০২৫)। "8. Obesity and Weight Management for the Prevention and Treatment of Type 2 Diabetes: Standards of Care in Diabetes–2025"। Diabetes Care (ইংরেজি ভাষায়)। ৪৮ (Supplement_1): S১৬৭ – S১৮০। ডিওআই:10.2337/dc25-S008। আইএসএসএন 0149-5992। পিএমসি 11635032। পিএমআইডি 39651976।
- ↑ Bacon L, Aphramor L (জানুয়ারি ২০১১)। "Weight science: evaluating the evidence for a paradigm shift"। Nutrition Journal। ১০ (9) 9। ডিওআই:10.1186/1475-2891-10-9। পিএমসি 3041737। পিএমআইডি 21261939।
- ↑ Howard BV, Manson JE, Stefanick ML, Beresford SA, Frank G, Jones B, এবং অন্যান্য (জানুয়ারি ২০০৬)। "Low-fat dietary pattern and weight change over 7 years: the Women's Health Initiative Dietary Modification Trial"। JAMA। ২৯৫ (1): ৩৯–৪৯। ডিওআই:10.1001/jama.295.1.39। পিএমআইডি 16391215।
- ↑ Jensen M (১৯ জানুয়ারি ২০০৭)। "Belly fat in men: What you need to know"। Mayoclinic.com। ২৩ মার্চ ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০০৮।
Sit-ups will make your abdominal muscles stronger, sure. And, you may look thinner by building your abdominal muscles because you can hold in your belly fat better. But strengthening your stomach muscles alone will not specifically reduce belly fat.
- ↑
- "spare tire"। Merriam-Webster। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২১।
- "paunch"। Merriam-Webster। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২১।
- "potbelly"। Merriam-Webster। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০২১।
- ↑ Bobak M, Skodova Z, Marmot M (অক্টোবর ২০০৩)। "Beer and obesity: a cross-sectional study"। European Journal of Clinical Nutrition। ৫৭ (10): ১২৫০–৩। ডিওআই:10.1038/sj.ejcn.1601678। পিএমআইডি 14506485।
- ↑ Staff writer (১২ অক্টোবর ২০০৩)। "Why the beer belly may be a myth"। BBC News।
- ↑ "Economic costs of abdominal obesity"; Højgaard, Betina and Olsen, Kim Rose and Søgaard, Jes and Sørensen, Thorkild I A and Gyrd-Hansen, Dorte; Obesity facts, আইএসএসএন 1662-4025, 2008, Volume 1, Issue 3, pp. 146–154.
পরিভাষা তালিকা
[সম্পাদনা]- অধস্ত্বকীয় মেদ – Subcutaneous fat
- অন্তঃউদরীয় মেদ – Intra-abdominal fat
- অন্তঃক্ষরাবিজ্ঞান – Endocrinology
- অন্তঃপেশীয় মেদ – Intramuscular fat
- অন্ত্রাবরকীয় গহ্বর – Peritoneal cavity
- অভ্যন্তরীণ অঙ্গ – Internal organs
- অঙ্গীয় মেদ – Organ fat
- অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ – Overeating
- অতিস্থূলতা – Obesity
- আলৎসহাইমারের রোগ – Alzheimer's disease
- আন্তরাঙ্গীয় – Visceral
- আন্তরাঙ্গীয় মেদ – Visceral fat
- আন্তরাঙ্গীয় মেদকলা – Visceral adipose tissue
- উপবিষ্ট জীবনচর্যা – Sedentary lifestyle
- উপশুক্রাশয়-সংলগ্ন – Epididymal
- উপশুক্রাশয়-সংলগ্ন শ্বেত মেদকলা (EWAT) – Epididymal white adipose tissue (EWAT)
- উদর – Abdomen
- উদরীয় অতিস্থূলতা – Abdominal obesity
- কঙ্কালীয় পেশী – Skeletal muscle
- কেন্দ্রীয় অতিস্থূলতা – Central obesity
- কেন্দ্রীয় উদরীয় মেদ – Central abdominal fat
- কোমরের পরিধি – Waist circumference
- কুশিংয়ের সংলক্ষণ – Cushing's syndrome
- চিত্রায়ণ প্রযুক্তি – Imaging technique
- চৌম্বকীয় অনুরণন চিত্রণ (MRI) – Magnetic resonance imaging (MRI)
- দক্ষিণ এশীয় জনগোষ্ঠী – South Asian ethnic populations
- দ্বিতীয় প্রকারের মধুমেহ – Type 2 diabetes
- দেহকাণ্ড – Torso
- দেহকাণ্ডীয় অতিস্থূলতা – Truncal obesity
- দেহভর সূচক (BMI) – Body mass index (BMI)
- পরিগাণনিক স্তরচিত্রণ (CT) – Computed tomography (CT)
- পাকস্থলী – Stomach
- বহুস্থলীয় ডিম্বাশয় সংলক্ষণ – Polycystic ovarian syndrome
- বিপাকীয় অস্বাভাবিকতা – Metabolic dysfunction
- বিপাকীয় রোগ – Metabolic disease
- বৃক্ক-পরিবেষ্টক মেদ – Perirenal fat
- মদ্যপান আসক্তি – Alcoholism
- মধুমেহ – Diabetes
- মধ্যান্ত্রাবরকীয় – Mesenteric
- মেদকলা – Adipose tissue
- মেদ সঞ্চয়স্থান – Adipose depot
- রক্তনালির রোগ – Vascular disease
- রক্তে মেদাধিক্য – Dyslipidemia
- শ্বেত মেদকলা – White adipose tissue
- সন্ন্যাসরোগ (স্ট্রোক)– Stroke
- প্রাডার-উইলি সংলক্ষণ – Prader–Willi syndrome
- হৃদ-রক্তবাহ রোগ – Cardiovascular disease
- হৃদ্রোগ – Heart disease
- হৃদ-রক্তবাহ রোগের ঘটনা – Cardiovascular events
- হাঁপানি – Asthma
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]- Griesemer RL (২৫ জুলাই ২০০৮)। Index of Central Obesity as a Parameter to Evaluate Metabolic Syndrome for White, Black, and Hispanic Adults in the United States (Master's thesis)। Public Health Theses, Georgia State University। ডিওআই:10.57709/1062268। ২২ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০১১।
- Lee K, Song YM, Sung J (এপ্রিল ২০০৮)। "Which obesity indicators are better predictors of metabolic risk?: healthy twin study"। Obesity। ১৬ (4): ৮৩৪–৪০। ডিওআই:10.1038/oby.2007.109। পিএমআইডি 18239595। এস২সিআইডি 1633972।
- Shao J, Yu L, Shen X, Li D, Wang K (নভেম্বর ২০১০)। "Waist-to-height ratio, an optimal predictor for obesity and metabolic syndrome in Chinese adults"। The Journal of Nutrition, Health & Aging। ১৪ (9): ৭৮২–৫। ডিওআই:10.1007/s12603-010-0106-x। পিএমআইডি 21085910। এস২সিআইডি 11187741।
- Pant, Shravya (৩১ অক্টোবর ২০২৫)। "Normal BMI With Abdominal Obesity Associated With Cardiometabolic Risks"। JAMA (Medical News in Brief)। ৩৩৪ (16): ১৮৭৫। ডিওআই:10.1001/jama.2025.17532। পিএমআইডি 41171291।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]
উইকিমিডিয়া কমন্সে উদরীয় অতিস্থূলতা সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।
| শ্রেণীবিন্যাস |
|---|