বিষয়বস্তুতে চলুন

উত্তুরে টিটি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

উত্তুরে টিটি
টনিং, জার্মানি
প্রদর্শনী ডাক, সারি, ইংল্যান্ড
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: প্রাণী
পর্ব: কর্ডাটা
শ্রেণী: পাখি
বর্গ: চরদ্রিফর্মিস
পরিবার: চরদ্রিডি
গণ: Vanellus
প্রজাতি: V. vanellus
দ্বিপদী নাম
Vanellus vanellus
(লিনিয়াস, ১৭৫৮)
উত্তুরে টিটির বিস্তৃত অঞ্চল। হালকা সবুজ: গ্রীষ্মকালীন পরিযায়ী। গাঢ় সবুজ: স্থায়ী নিবাসী। নীল: শীতকালীন পরিযায়ী।
প্রতিশব্দ[]
  • Tringa vanellus লিনিয়াস, ১৭৫৮
  • Vanellus cristatus মায়ার[]
  • Vanellus vulgaris বেকস্টাইন[]

উত্তুরে টিটি (বৈজ্ঞানিক নাম: Vanellus vanellus), যা পিউইট (peewit বা pewit), টুইট (tuit বা tewit), সবুজ প্লভার (green plover), অথবা (আয়ারল্যান্ডগ্রেট ব্রিটেনে) পাইওয়াইপ (pyewipe) কিংবা কেবল টিটি নামেও পরিচিত, টিটি উপপরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি পাখি। এটি নাতিশীতোষ্ণ ইউরোসাইবেরিয়া অঞ্চলজুড়ে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত একটি সাধারণ পাখি।

শ্রেণীবিন্যাস

[সম্পাদনা]

সুইডেনীয় প্রাকৃতিক বিজ্ঞানী কার্ল লিনিয়াস ১৭৫৮ সালে তাঁর সিস্তেমা নাতুরি-র দশম সংস্করণে Tringa vanellus দ্বিপদী নামে উত্তুরে টিটির আনুষ্ঠানিক বর্ণনা দেন।[] প্রজাতিটি বর্তমানে অন্যান্য টিটির সাথে Vanellus গণে অন্তর্ভুক্ত, যা ১৭৬০ সালে ফরাসি প্রাণিবিজ্ঞানী মাথুরিন জাক ব্রিছোঁ প্রথম প্রবর্তন করেন।[][] বৈজ্ঞানিক নাম Vanellus শব্দটি উত্তুরে টিটির জন্য ব্যবহৃত মধ্যযুগীয় লাতিন শব্দ, যা vannus (শস্য ঝাড়াইয়ের কুলা) শব্দ থেকে এসেছে।[] প্রজাতিটি একপ্রজাতিক: এর কোনো স্বীকৃত উপপ্রজাতি নেই।[]

ইংরেজি 'lapwing' নামটির উৎপত্তি সম্পর্কে কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ উল্লেখ করা হয়—উড্ডয়নকালে ডানার ঝাপটানি শব্দ, বড় ডানার কারণে অনিয়মিত উড্ডয়ন গতিপথ (অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারিতে এটি "টলে পড়ে যাওয়া" নির্দেশক একটি প্রাচীন ইংরেজি শব্দ থেকে উদ্ভূত বলে উল্লেখ করা হয়েছে),[] অথবা ডানা ভেঙে যাওয়ার ভান করে সম্ভাব্য শিকারি প্রাণীদের বাসা থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার অভ্যাস। অন্যদিকে 'পিউইট' (peewit বা pewit), 'টুইট' (tuit বা tew-it) নামগুলো অনুকরণাত্মক এবং এগুলো পাখিটির নিজস্ব ডাককে নির্দেশ করে।[]

বিবরণ

[সম্পাদনা]

উত্তুরে টিটি ২৮–৩৩ সেমি (১১–১৩ ইঞ্চি) দীর্ঘ একটি পাখি, যার ডানার বিস্তার ৬৭–৮৭ সেমি (২৬–৩৪ ইঞ্চি) এবং দেহের ওজন ১২৮–৩৩০ গ্রাম (৪.৫–১১.৬ আউন্স)[১০] এর ডানাগুলো গোলাকার এবং মাথায় একটি ঝুঁটি রয়েছে। টিটি প্রজাতির পাখিদের মধ্যে এটিই সবচেয়ে ছোট পায়ের পাখি। এর পালকের রঙ মূলত কালো ও সাদা, তবে পিঠের দিকে হালকা সবুজাভ আভা থাকে। পুরুষ পাখির একটি লম্বা ঝুঁটি এবং কালো রঙের তালু, গলা ও বুক থাকে, যা এর সাদা মুখের সাথে স্পষ্ট বৈপরিত্য তৈরি করে। স্ত্রী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক পাখিদের ঝুঁটি কিছুটা ছোট এবং মাথার ছাপগুলো কম স্পষ্ট হয়, তবে এদের পালকের রঙ সার্বিকভাবে বেশ একই রকম।

প্রজনন মৌসুমে এটি একটি বেশ মুখর পাখি; পুরুষ পাখিটি যখন তার উন্মাদপ্রায় ডিগবাজিপূর্ণ প্রদর্শনী উড্ডয়ন পরিবেশন করে, তখন সে ক্রমাগত ডাকতে থাকে। এদের সাধারণ যোগাযোগ সূচক ডাকটি হলো উচ্চ ও তীক্ষ্ণ "পিউ-ইট", যার থেকে এদের বিকল্প নাম পিউইট (peewit) এসেছে।[] প্রদর্শন উড্ডয়নকালে পুরুষ পাখি সাধারণত এক ধরনের হাঁপানির মতো "পিউ-ইট, উইট উইট, ইজ উইট" শব্দ করে। এছাড়া এই পাখিগুলো ঘ্যানঘ্যান বা বিড়ালের মতো মিউমিউ শব্দও করে থাকে।

এর বিস্তৃত পরিসীমার অধিকাংশ জুড়েই এটি ব্যাপকভাবে পরিযায়ী, শীতকালে দক্ষিণমুখী হয়ে উত্তর আফ্রিকা, উত্তর ভারত, নেপাল, ভুটান এবং চীনের কিছু অংশ পর্যন্ত গমন করে। এটি মূলত দিনের বেলা, প্রায়শই বড় ঝাঁকে পরিযায়ন করে। ইউরোপের একদম পশ্চিমাঞ্চলের সমতলভূমিতে প্রজননকারী পাখিরা স্থায়ী বা অনাবাসী। মাঝে মাঝে, বিশেষ করে ঝড়ের পরে, এটি উত্তর আমেরিকায় ভবঘুরে পাখি হিসেবে দেখা দেয়, যার প্রমাণ হিসেবে ১৯২৭ সালের ডিসেম্বরে এবং ১৯৬৬ সালের জানুয়ারিতে কানাডায় এদের দেখার রেকর্ড রয়েছে।[১১]

এটি একটি জলাচর পাখি যা আবাদি এলাকা এবং ছোট উদ্ভিজ্জ ঢাকা অন্যান্য বাসস্থানে প্রজনন করে। মাটিতে তৈরি ছোট গর্তে এরা তিন থেকে চারটি ডিম পাড়ে। ঘোড়া এবং গবাদি পশুসহ যেকোনো অনুপ্রবেশকারীর হাত থেকে এদের বাসা ও ছানাদের উগ্রভাবে রক্ষা করা হয়।

শীতকালে এরা উন্মুক্ত স্থানে, বিশেষ করে আবাদি জমি এবং কাদাচরে বিশাল ঝাঁক বাঁধে।

এদের প্রধান খাদ্য হলো পতঙ্গ এবং অন্যান্য ছোট অমেরুদণ্ডী প্রাণী। এই প্রজাতিটি প্রায়শই সোনালি জিরিয়া এবং কালোমাথা গাংচিল-এর সাথে মিশ্র ঝাঁকে খাবার গ্রহণ করে। গাংচিলগুলো প্রায়ই জিরিয়া পাখির খাবার ছিনিয়ে নেয়, তবে তারা শিকারি প্রাণীদের হাত থেকেও এদের কিছুটা সুরক্ষা দেয়। এরা মাটি থেকে কেঁচো উপরে উঠে না আসা পর্যন্ত এক পা দিয়ে মাটিতে আঘাত করতে থাকে, যা ওয়ার্ম চার্মিং কৌশল নামে পরিচিত।[১২]

সোনালি জিরিয়ার মতো এই প্রজাতিটিও জ্যোৎস্না রাতে খাবার খুঁজতে পছন্দ করে।

উত্তুরে টিটি হলো সেইসব প্রজাতির একটি যার ক্ষেত্রে আফ্রিকান-ইউরেশিয়ান পরিযায়ী জলচর পাখি সংরক্ষণ চুক্তি (AEWA) প্রযোজ্য হয়।

সংখ্যা হ্রাস

[সম্পাদনা]

ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে পরিচালিত জাতীয় জরিপে ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৮ সালের মধ্যে এদের সংখ্যা হ্রাসের চিত্র ধরা পড়েছে। ২০০৯ সাল থেকে যুক্তরাজ্যে উত্তুরে টিটিকে রেড লিস্টের (লাল তালিকাভুক্ত) সংরক্ষণ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।[১৩] নিবিড় কৃষি প্রযুক্তির প্রসার এই প্রজাতির সংখ্যার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। সমতলভূমিতে এর মধ্যে রয়েছে অনাবাদী ঘাসজমির বিলুপ্তি ও সেগুলোকে আবাদি বা উন্নত ঘাসজমিতে রূপান্তর, মিশ্র খামারের ধ্বংস এবং বসন্তকালীন ফসলের পরিবর্তে শরৎকালীন ফসল চাষের দিকে ঝোঁকা। পাহাড়ি বা উচ্চভূমিতে পশুচারণের ঘনত্ব বৃদ্ধির কারণে সংখ্যা হ্রাস পেতে পারে। ন্যাচারাল ইংল্যান্ড তাদের এনভায়রনমেন্টাল স্টুয়ার্ডশিপ প্রকল্পের অংশ হিসেবে টিটি পাখির বাসস্থান পুনরুদ্ধারে অনুদান সহায়তা প্রদান করে। সংস্থাটি এই প্রকল্পের অধীনে 'মাটিতে বাসা বাঁধার পাখিদের জন্য পতিত জমি' (Fallow plots for ground-nesting birds) নামক একটি বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাব করে। অন্তত  ha (৪.৯ একর) আয়তনের অনাবাদী জমি পাখির বাসা বাঁধার উপযোগী পরিবেশ তৈরি করে, যা উপযুক্ত আবাদি জমিতে অবস্থিত হওয়ায় বাড়তি খাবারের সংস্থানও নিশ্চিত করে। ব্যাপকভাবে পশুচারণ করা হয় এমন ঘাসজমির  কিমি (১.২ মা)-এর মধ্যে এই জমিগুলো নির্ধারণ করা হলে বাড়তি খাবারের সংস্থান পাওয়া যায়। বসন্তকালে এই জমিগুলো চাষ দিয়ে অমসৃণ পতিত জমি তৈরি করা হয়, যা কোনো সার বা কীটনাশক প্রয়োগ ছাড়াই রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়।[১৪] কৃষি ব্যবস্থার নিবিড়করণ এবং ভূমির ব্যবহার পরিবর্তনের পাশাপাশি বাসা ও ছানা শিকারি প্রাণীদের কবলে পড়াও উত্তুরে টিটি সহ অন্যান্য জলাচর পাখির সংখ্যা হ্রাসের জন্য দায়ী। টিটি ছানাদের গায়ে রেডিও-ট্যাগ পরিয়ে এবং স্বয়ংক্রিয় রেডিও ট্র্যাকিং সিস্টেম ব্যবহার করে ছানা শিকারের সময় নির্ণয় করা সম্ভব হয়েছে, যা বিভিন্ন শিকারি প্রাণীর প্রভাব মূল্যায়নে নতুন তথ্য প্রদান করে। দিন ও রাত উভয় সময়েই টিটির ছানা শিকার হয়, যার মধ্যে স্তন্যপায়ী শিকারি প্রাণীদের প্রভাব সবচেয়ে বেশি।[১৫]

আর্মেনিয়াতেও এদের সংখ্যা হ্রাস এবং প্রজননস্থল ধ্বংসের ঘটনা নথিবদ্ধ করা হয়েছে। ভূমির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং শিকার করাকে প্রধান হুমকি হিসেবে মনে করা হলেও এসব হুমকি স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করতে আরও অনুসন্ধানের প্রয়োজন।[১৬] মধ্যপ্রাচ্যে উত্তুরে টিটি অতিরিক্ত শিকারের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে, কারণ তাদের শীতকালীন পরিযায়ী পথে বিপুল সংখ্যায় শিকার করা হয়। ওই অঞ্চল থেকে সামনে আসা বেশ কিছু ছবিতে অন্যান্য পরিযায়ী পাখির সাথে বিপুল সংখ্যক উত্তুরে টিটি দেখা গেছে, যার মধ্যে সংকটাপন্ন ইউরোপীয় ঘুঘু এবং ইউরোপীয় সোনালি জিরিয়া অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।[১৭]

সাংস্কৃতিক তাৎপর্য

[সম্পাদনা]
ল্যাপউয়িং ইনকিউবেটিং ইটস এগস (ডিম তা দিচ্ছে টিটি পাখি)—একটি আলোকচিত্র, যার জন্য ১৮৯৫ সালে আর. বি. লজ প্রকৃতিবিষয়ক আলোকচিত্রের জন্য রয়্যাল ফটোগ্রাফিক সোসাইটি প্রদত্ত প্রথম পদক লাভ করেন। এরিক হস্কিং এবং হ্যারোল্ড লোয়েস ভুলবশত দাবি করেছিলেন যে এটিই বুনো পাখির প্রথম আলোকচিত্র।[১৮] তবে, অটোমার আনশুটস ১৮৮৪ সালেই বুনো সাদা সারস (Ciconia ciconia) পাখির ছবি তুলেছিলেন।[১৯]

ডিম সংগ্রহ

[সম্পাদনা]

"জিরিয়ার ডিম" ভিক্টোরীয় ইউরোপে এক ধরনের ব্যয়বহুল সুস্বাদু খাবার হিসেবে বিবেচিত হতো, যার উল্লেখ ইভলিন ওয়ো-র ব্রাইডসহেড রিভিজিটেড উপন্যাসে রয়েছে (যা ১৯২০ থেকে ১৯৪০-এর দশকের ব্রিটিশ অভিজাত সমাজের পটভূমিতে রচিত)। নেদারল্যান্ডসে বছরের প্রথম পিউইটের ডিম খুঁজে বের করার (het eerste kievietsei) একটি সাংস্কৃতিক-ঐতিহাসিক প্রতিযোগিতা রয়েছে। এটি বিশেষ করে ফ্রিসল্যান্ড প্রদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয়, তবে সেখানে আঞ্চলিক প্রতিযোগিতাও অনুষ্ঠিত হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃক পিউইটের ডিম সংগ্রহ নিষিদ্ধ, তবে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক কারণে ফ্রিসল্যান্ডকে এতে বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছিল। তবে ২০০৫ সালে আদালত এক রায়ে এই ছাড় বাতিল করে, কারণ ফ্রিসল্যান্ডের নির্বাহী পরিষদ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেনি বলে দেখা যায়।[২০][২১] ২০০৬ সাল থেকে ১ মার্চ থেকে ৯ এপ্রিলের মধ্যে পিউইটের ডিম খোঁজার অনুমতি থাকলেও ডিম সংগ্রহ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ২০০৮ সালে প্রথম ডিমটি পাওয়া গিয়েছিল ৩ মার্চ ইউট্রেখটের ইমনেস অঞ্চলে,[২২] এবং ২০০৯ সালের প্রথম ডিমটি পাওয়া যায় ৮ মার্চ ক্রাবেনডাইকে অঞ্চলে।[২৩] গত এক শতাব্দীতে বছরের শুরুর দিকে উত্তরোত্তর আরও আগে পিউইটের ডিম খুঁজে পাওয়ার প্রবণতা দেখা গেছে। অতিরিক্ত সার ব্যবহার এবং জলবায়ু পরিবর্তন-এর কারণে ডিম পাড়ার জন্য প্রয়োজনীয় ঘাসের বৃদ্ধি আগে হওয়ায় এমনটি ঘটছে বলে মনে করা হয়।[২৪]

আয়ারল্যান্ডে

[সম্পাদনা]
টুুপিতে পালক পরা রাজা দ্বিতীয় ফিলিপ

১৯৯০ সালে আইরিশ ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেন্সি-র একটি কমিটি উত্তুরে টিটিকে আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পাখি হিসেবে ঘোষণা করে।[২৫][২৬][২৭] আইরিশ ভাষায় এটিকে বলা হয় pilibín বা "ছোট ফিলিপ"। ধারণা করা হয়, এটি স্পেনের দ্বিতীয় ফিলিপের (১৫৫৪-৫৮ মেয়াদে আয়ারল্যান্ডের রাজা) প্রতি ইঙ্গিত করে বলা হয়, যিনি প্রায়শই টুুপিতে পালক গুঁজে রাখতেন।[২৮]

পৌরাণিক উপাখ্যান

[সম্পাদনা]

ওভিড-এর মেটামরফোসিস (ষষ্ঠ খণ্ড)-এর ইংরেজি অনুবাদে যে পাখিকে 'ল্যাপউয়িং' বলে উল্লেখ করা হয়েছে,[২৯] তা সম্ভবত এই উত্তুরে টিটি। সেখানে তেরেউস চরিত্রটি 'ইপপস' (epops) নামক পাখিতে রূপান্তরিত হয় (৬.৬৭৪); ওভিড সম্ভবত হুদেহুদে (Hoopoe) পাখির কথা ভেবেছিলেন, যার মাথায় থাকা ঝুঁটি তার রাজকীয় মর্যাদা এবং লম্বা ও ধারালো ঠোঁট তার সহিংস প্রকৃতির প্রতীক।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. BirdLife International (২০১৭)। "Vanellus vanellus"বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৭ e.T22693949A111044786। আইইউসিএনডিওআই:10.2305/IUCN.UK.2017-1.RLTS.T22693949A111044786.en। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০১৮ {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |amends= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  2. "Vanellus vanellus"Global Biodiversity Information Facility (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০২২
  3. 1 2 "Vanellus vanellus (Linnaeus, 1758) – Northern Lapwing"Species Inventory। The Natural History Museum। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২০
  4. Linnaeus, Carl (১৭৫৮)। Systema Naturae per regna tria naturae, secundum classes, ordines, genera, species, cum characteribus, differentiis, synonymis, locis (Latin ভাষায়)। খণ্ড ১ (10th সংস্করণ)। Holmiae (Stockholm): Laurentii Salvii। পৃ. ১৪৮।{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  5. Brisson, Mathurin Jacques (১৭৬০)। Ornithologie, ou, Méthode Contenant la Division des Oiseaux en Ordres, Sections, Genres, Especes & leurs Variétés (ফরাসি এবং লাতিন ভাষায়)। Paris: Jean-Baptiste Bauche। Vol. 1, p. 48, Vol. 5, p. 94
  6. 1 2 Gill, Frank; Donsker, David; Rasmussen, Pamela, সম্পাদকগণ (জুলাই ২০২১)। "Sandpipers, snipes, coursers"IOC World Bird List Version 11.2। International Ornithologists' Union। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২১
  7. Jobling, James A (২০১০)। The Helm Dictionary of Scientific Bird Names। London: Christopher Helm। পৃ. ৩৯৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪০৮১-২৫০১-৪
  8. 1 2 "Lapwing"অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি (অনলাইন সংস্করণ)। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস। (Sসাবস্ক্রিপশন বা পার্টিশিপেটিং ইনস্টিটিউট মেম্বারশিপ প্রয়োজনীয়.)
  9. "Peewit"Dictionary.com। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
  10. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "oiseaux-birds" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  11. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "Godfrey" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  12. "Fiddling For Worms"। ESPN Fishing। ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২৫
  13. "Lapwing Vanellus vanellus"Breeding Birds in the Wider Countryside। British Trust for Ornithology। ১৪ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২০
  14. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "BTO" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  15. Mason, L. R.; Smart, J.; Drewitt, A. L. (২০১৮)। "Tracking day and night provides insights into the relative importance of different wader chick predators"। Ibis১৬০ (1): ৭১–৮৮। ডিওআই:10.1111/ibi.12523
  16. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "ABCC" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  17. "WorldWaders"। ৩ মে ২০১৩। {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |url= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)
  18. টেমপ্লেট:Cite q
  19. Cox, Rosamund Kidman, সম্পাদক (২০১৪)। Wildlife Photographer of the Year। Firefly Books।
  20. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "Walinga2005" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  21. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "court" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  22. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "NederlandseOmroepStichting" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  23. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "RadioNetherlands" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  24. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "Natuurcompendium" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  25. Reilly, Jerome (২৩ অক্টোবর ২০১৬)। "Lapwing's tricolour feathers fit the bill"Irish Independent। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২০
  26. "National Bird of Ireland – Northern Lapwing – Light Future Art"। ৭ আগস্ট ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০২৬
  27. Egan, James (২৬ আগস্ট ২০১৮)। 1000 Facts About Ireland। Lulu.com। আইএসবিএন ৯৭৮-০-২৪৪-১১০৭৩-৪ Google Books এর মাধ্যমে।
  28. Fitzgerald, Ann (২৫ মার্চ ২০১৭)। "Opinion: Connecting with nature a sure-fire way to bolster your wellbeing"Farming Independent। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২০
  29. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "Garth" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]