বিষয়বস্তুতে চলুন

উত্তর-নারীবাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

উত্তর-নারীবাদ (যাকে নারীবাদ-পরবর্তী বলা হয়) হল ১৯৯০-এর দশক থেকে নারীবাদের প্রতি জনসমর্থনের কথিত হ্রাস।[][][] নারীবাদ, নারীত্ব এবং জনপ্রিয় সংস্কৃতির মধ্যে পরিবর্তিত সম্পর্ক বোঝার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসাবে বিবেচিত হতে পারে। এই শব্দটি কখনও কখনও পরবর্তী সময়ের নারীবাদের সাথে বিভ্রান্তিমূলক মনে হয়, যেমন চতুর্থ-তরঙ্গের নারীবাদ, উত্তর-আধুনিক নারীবাদ,[] এবং নারীকেন্দ্রিকতা (জেনোফেমিনিজম)।

২০০০-এর দশকে কেন্ট স্টেট ইউনিভার্সিটিতে পরিচালিত গবেষণায় 'উত্তর-নারীবাদ' চারটি প্রধান দাবির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল: নারীবাদের প্রতি সমর্থন হ্রাস পেয়েছে; নারীরা নারীবাদ এবং নারীবাদীদের ঘৃণা করতে শুরু করেছে; সমাজ ইতিমধ্যেই সামাজিক সমতা অর্জন করেছে, ফলে নারীবাদকে সেকেলে করে তুলেছে; এবং "নারীবাদী" লেবেলটির একটি নেতিবাচক কলঙ্ক রয়েছে।[][]

শব্দটির ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৯১৯ সালে 'ফিমেল লিটারারি র‍্যাডিক্যাল'[] নামে একটি জার্নাল চালু করা হয়েছিল যেখানে "উগ্রপন্থী নারী সাহিত্যিকরা" বলেছিলেন "'আমরা এখন মানুষের প্রতি আগ্রহী - পুরুষ ও মহিলাদের প্রতি নয়'", "নৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক মানের সঙ্গে 'যৌনতার কোনও সম্পর্ক থাকা উচিত নয়'", "এটি 'পুরুষ-বিরোধী না হয়েও 'নারী-পন্থী'" হবে, এবং "তাদের অবস্থানকে [বলা হয়] 'নারী-পরবর্তী'"

এই শব্দটির প্রাচীনতম আধুনিক ব্যবহারগুলির মধ্যে একটি ছিল ১৯৮২ সালে সুসান বোলোটিনের নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় প্রকাশিত "নারী-পরবর্তী প্রজন্মের কণ্ঠস্বর" প্রবন্ধে। এই প্রবন্ধটি এমন বেশ কিছু নারীর সাক্ষাৎকারের উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে যাঁরা নারীবাদের লক্ষ্যের সাথে মূলত একমত ছিলেন, কিন্তু নারীবাদী হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেননি।

১৯৯০-এর দশকে এই শব্দটি শিক্ষাক্ষেত্র ও গণমাধ্যমে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং প্রশংসাসূচক ও প্রত্যাখ্যানমূলক উভয় উপায়েই ব্যবহৃত হতে থাকে।[] তারপর থেকে "পোস্ট-ফেমিনিজম" এর প্রেক্ষাপটে "পোস্ট" (পরবর্তী) এর উদ্দেশ্যমূলক অর্থ নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। নারীবাদের ইতিহাস শেষ হয়ে গেছে ঘোষণা করে "পোস্ট" শব্দটি নারীবাদকে ইতিহাসে স্থাপন করার প্রস্তাব দেয়। এটি তারপর নিশ্চিত করে যে নারীবাদী ইতিহাস অতীতের বিষয়। তবে, কেউ কেউ দাবি করেন যে নারীবাদকে "উত্তর-" এর সাথে যুক্ত করা অসম্ভব, যখন এটি অকল্পনীয়। এইরকম হলে তো বর্তমান বিশ্বকে উত্তর-বর্ণবাদী, উত্তর-শ্রেণীবাদী এবং উত্তর-লিঙ্গবাদী সমাজ বলার সমান হবে।[]

সমসাময়িকভাবে উত্তর-নারীবাদ শব্দটি এখনও তরুণীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয় "যারা কর্মসংস্থান ও শিক্ষায় সম্প্রসারিত প্রবেশাধিকার এবং নতুন পারিবারিক ব্যবস্থার মাধ্যমে নারী আন্দোলন থেকে উপকৃত হবে বলে মনে করা হয়, কিন্তু একই সাথে তারা আরও রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য চাপ দেয় না" বলেছেন সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক পামেলা অ্যারনসন।[]

অন্যান্য ব্যবহার

[সম্পাদনা]

টোরিল মোই সেক্সুয়াল / টেক্সচুয়াল পলিটিক্স (১৯৮৫) বইতে এই শব্দটি ব্যবহার ক'রে এমন একটি নারীবাদকে সমর্থন করেন যা সমতা-ভিত্তিক বা উদার নারীবাদ এবং পার্থক্য-ভিত্তিক বা উগ্র নারীবাদের মধ্যে যে দ্বিমূল আছে, তাকে বিনির্মাণ করবে।[]

লাকান অ্যাণ্ড পোস্টফেমিনিজম (২০০০) বইতে, লেখিকা এলিজাবেথ রাইট উত্তর-নারীবাদের একটি "ইতিবাচক পাঠ" চিহ্নিত করেছেন যা নারীবাদকে পরাভূত করার ইঙ্গিত দেওয়ার পরিবর্তে, দ্বিতীয়-তরঙ্গের নারীবাদের উত্তর-কাঠামোগত সমালোচনাকে বোঝায়।[] একই দৃষ্টিকোণ থেকে, ডায়ান ডেভিস দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে উত্তর-নারীবাদ হল প্রথম এবং দ্বিতীয় তরঙ্গের নারীবাদ যা চায় তারই ধারাবাহিকতা।[১০]

ফেমিনিজম: আ বিগিনার্স গাইড (২০১০) বইতে, স্যালি স্কোলজ চতুর্থ তরঙ্গকে "পরবর্তী নারীবাদ" হিসেবে উল্লেখ করেছেন।[১১]

ক্রিস্টিনা হফ সমারস তাঁর ১৯৯৪ সালের বই হু স্টোল ফেমিনিজম? হাউ উইমেন হ্যাভ বিট্রেড উইমেন বইতে আধুনিক একাডেমিক নারীবাদী তত্ত্ব এবং নারীবাদী আন্দোলনের বেশিরভাগ অংশকে স্ত্রীকেন্দ্রিক বলে মনে করেন। তিনি এর নামকরণ করেন "লিঙ্গ নারীবাদ" এবং প্রস্তাব করেন "ন্যায়সঙ্গত নারীবাদ"—এমন একটি আদর্শ যা পূর্ণ নাগরিক এবং আইনি সমতার দিকে লক্ষ্য রাখে। তিনি যুক্তি দেন যে, তিনি যে নারীবাদীদের লিঙ্গ-নারীবাদী হিসেবে মনোনীত করেন তারা অগ্রাধিকারমূলক আচরণের পক্ষে এবং নারীদেরকে ভুক্তভোগী হিসেবে চিত্রিত করে, কিন্তু অন্যদিকে নারীবাদের একটি কার্যকর বিকল্প রূপ হল ন্যায্য নারীবাদ। এই বর্ণনা এবং তাঁর অন্যান্য কাজের কারণে কিছু নারীবাদী হফ সমারসকে নারী-বিরোধী হিসেবে বর্ণনা করেছেন।[১২] [ স্ব-প্রকাশিত উৎস ]

কিছু সমসাময়িক নারীবাদী, যেমন কাথা পোলিট বা নাদিন স্ট্রোসেন, নারীবাদকে কেবল এই ধারণা হিসেবে বিবেচনা করেন যে "নারীরাও মানুষ।" যেসব দৃষ্টিভঙ্গি লিঙ্গকে একত্রিত করার পরিবর্তে পৃথক করে, তাদের এই লেখকরা নারীবাদী মনে না করে বরং যৌনতাবাদী বলে মনে করেন।[১৩][১৪]

পপ সংস্কৃতির সাথে সম্পর্ক

[সম্পাদনা]

গণমাধ্যমে উত্তর-নারীবাদকে নারীবাদের একটি রূপ হিসেবে দেখা হয়। এরা জনপ্রিয় সংস্কৃতিকে বর্জন না করে গ্রহণ করেছিল, যেমনটি দ্বিতীয় তরঙ্গের নারীবাদীদের ক্ষেত্রে সাধারণত দেখা যেত।[১৫] ১৯৯০ এবং ২০০০ এর দশকের গোড়ার দিকের অনেক জনপ্রিয় অনুষ্ঠানকে উত্তর-নারীবাদী কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয় কারণ এগুলিতে এমন নারীদের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়েছিল যাঁরা অন্যান্য নারীদের জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক উপস্থাপনা দ্বারা ক্ষমতায়িত হন। এই কারণে, উত্তর-নারীবাদীরা দাবি করেছিলেন যে এই ধরনের মাধ্যমগুলিতে অতীতে নারীদের যতটা প্রতিনিধিত্ব ছিল সে তুলনায় তখন আরও সহজলভ্য এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ছিল; তবে, কিছু নারীবাদী বিশ্বাস করেন যে উত্তর-নারীবাদী রচনাগুলি শ্বেতাঙ্গ, মধ্যবিত্ত মহিলাদের উপর খুব বেশি মনোযোগ দিয়ে লেখা।[১৫] এই ধরণের অনুষ্ঠান এবং চলচ্চিত্রগুলির মধ্যে রয়েছে দ্য ডেভিল ওয়েয়ার্স প্রাদা, জেনা: ওয়ারিয়র প্রিন্সেস, দ্য প্রিন্সেস ডায়েরিজ, বাফি দ্য ভ্যাম্পায়ার স্লেয়ার এবং সেক্স অ্যাণ্ড দ্য সিটি। এই সব লেখায় অনেকের মধ্যে নারীদের স্ব-ব্যবস্থাপনার একটি রূপ হিসেবে নিজেদের চেহারা পর্যবেক্ষণ করা জড়িত, তা সে ডায়েট, ব্যায়াম, অথবা—সবচেয়ে জনপ্রিয়—মেকওভার দৃশ্যের আকারে হোক।[১৬]

নারীবাদী-পরবর্তী সাহিত্য—যেগুলি চিক লিট নামেও পরিচিত—একই ধরণের বিষয়বস্তু এবং ধারণার জন্য নারীবাদীদের দ্বারা সমালোচিত হয়েছে। তবে, এই ধারাটি প্রশংসিতও হয়েছে, এদের আত্মবিশ্বাসী, মজাদার এবং জটিল, নারীবাদী বিষয়বস্তুর জন্য, যেগুলি নারীদের চারপাশে আবর্তিত হয়েছে। এইসময় কথাসাহিত্যের মানের পুনর্নবীকরণও হয়েছে।[১৭] প্রিটি লিটল লায়ার্স- এ এর উদাহরণ পাওয়া যাবে। উপন্যাসগুলি এমন একটি সমাজে মেয়েলি জীবনের জটিলতা অন্বেষণ করে যেখানে লিঙ্গ সমতা বজায় থাকে, যা উত্তর-নারীবাদের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। ধারাবাহিকের প্রধান চরিত্রের উপর ক্রমাগত নজরদারি এবং স্ব-নিয়ন্ত্রণ থেকে দেখায় মেয়েদের ওপর জোর করে বিষমকামিতা, অতি-নারীত্ব এবং সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি আরোপ করা। প্রিটি লিটল লায়ার্স-এর মেয়েদের বস্তুবাদ এবং কর্মক্ষমতা, সমাজে পূর্ণ লিঙ্গ সমতা রয়েছে এই ধারণার সমালোচনা করে এবং এইভাবে উত্তর-নারীবাদের সমালোচনা করে।[১৮]

সমালোচনা

[সম্পাদনা]

সুসান ফালুদি ব্যাকল্যাশ: দ্য আনডিক্লেয়ারড ওয়্যার এগেইনস্ট অ্যামেরিকান উইমেন (১৯৯১) বইতে যুক্তি দেন যে দ্বিতীয়-তরঙ্গের নারীবাদের বিরুদ্ধে একটি প্রতিক্রিয়া সফলভাবে নারীবাদকে তার পরিভাষার মাধ্যমে পুনরায় সংজ্ঞায়িত করেছে। এটি গণমাধ্যম দ্বারা নির্মিত হয়েছিল এবং নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ছাড়াই, ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে নারীদের জর্জরিত করার অভিযোগে নারী মুক্তি আন্দোলনকে অনেক সমস্যার উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। তাঁর মতে, এই ধরণের প্রতিক্রিয়া একটি ঐতিহাসিক প্রবণতা, যখন দেখা যায় যে নারীরা সমান অধিকার অর্জনের প্রচেষ্টায় যথেষ্ট অগ্রগতি অর্জন করেছে তখন এর পুনরাবৃত্তি হয়।

একইভাবে, অ্যামেলিয়া জোন্স দাবি করেন যে ১৯৮০ এবং ১৯৯০-এর দশকে আবির্ভূত নারীবাদ-পরবর্তী লেখাগুলিতে দ্বিতীয়-তরঙ্গের নারীবাদকে একমাত্র সত্তা হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছিল এবং তাদের সমালোচনায় অত্যধিক সরলীকরণ করা হয়েছিল।

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 Hall, Elaine J.; Rodriguez, Marnie Salupo (২০০৩)। "The Myth of Postfeminism": ৮৭৮–৯০২। ডিওআই:10.1177/0891243203257639জেস্টোর 3594675 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  2. Abbott, Pamela; Tyler, Melissa (২০০৫)। An Introduction to Sociology: Feminist Perspectives (3rd সংস্করণ)। Routledge। পৃ. xiআইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৪-৩৮২৪৫-৩
  3. Mateo–Gomez, Tatiana (২০০৯)। "Feminist Criticism"। Approaches to Political Thought। Rowman & Littlefield। পৃ. ২৭৯আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৬১৬-৩৬৫৬-৪
  4. Feng, Yang (২০০৯)। Studies On Contemporary Chinese Women Development। Renmin Press Beijing, People's Publishing House, PRC। আইএসবিএন ৯৭৮-৬০৫-৮৬২৫৪-২-৬
  5. Abbott, Pamela; Tyler, Melissa (২০০৬)। An Introduction to Sociology: Feminist Perspectives। Routledge। পৃ. ৫২। আইএসবিএন ৯৭৮১১৩৪৩৮২৪৫৩
  6. D, Gowrisankar; I, Ajit (১৫ ডিসেম্বর ২০১৬)। "Ideology of Post-Feminism: Portrayal through Visual Advertisements in India"Global Media Journal (ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ (27)। আইএসএসএন 1550-7521
  7. 1 2 3 Kavka, Misha (২০০২)। "Feminism, Ethics, and History, or What is the "Post" in Postfeminism?": ২৯–৪৪। ডিওআই:10.2307/4149214জেস্টোর 4149214 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  8. Aronson, Pamela (২০০৩)। "Feminists or "Postfeminists"?: Young Women's Attitudes toward Feminism and Gender Relations": ৯০৩–২২। ডিওআই:10.1177/0891243203257145 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  9. Wright, Elizabeth, Lacan and Postfeminism (Icon Books, 2000), আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৪০৪৬-১৮২-৪
  10. Davis, Debra Diane, Breaking Up [at] Totality: A Rhetoric of Laughter (Carbondale: Southern Ill. Univ. Press, 2000 (আইএসবিএন ০-৮০৯৩-২২২৮-৫)), p. 141 n. 8 (brackets in title so in original) (author asst. prof. rhetoric, Univ. of Iowa).
  11. Scholz, Sally J. (২০১০)। Feminism: a beginner's guide। Oneworld beginner's guide। Oneworld। পৃ. আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৫১৬৮-৭১২-১
  12. Flood, Michael (7 July 2004). "Backlash: Angry men's movements", in Stacey Elin Rossi, ed.: The Battle and Backlash Rage On. N.p.: XLibris, 273. আইএসবিএন ১-৪১৩৪-৫৯৩৪-X
  13. Pollitt, Katha, Reasonable Creatures: Essays on Women and Feminism (Vintage, 1995) আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৭৯-৭৬২৭৮-২
  14. Strossen, Nadine, Defending Pornography: Free Speech, Sex, and the Fight for Women's Rights (Prentice Hall & IBD, 1995), আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৮৪-১৯৭৪৯-৪
  15. 1 2 Feasey, Rebecca (৭ আগস্ট ২০১০)। "Charmed: Why Teen Television Appeals to Women": ২–৯। ডিওআই:10.3200/JPFT.34.1.2-9 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  16. "Post feminism in popular culture: A potential for critical resistance?"Politics and Culture (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৯ নভেম্বর ২০০৯। ১৮ মে ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০১৮
  17. "What is chick-lit? | Electronic Book Review"www.electronicbookreview.com (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০১৮
  18. Whitney, Sarah (১১ নভেম্বর ২০১৭)। "Kisses, Bitches: Pretty Little Liars Frames Postfeminism's Adolescent Girl" (ইংরেজি ভাষায়): ৩৫৩–৩৭৭। ডিওআই:10.1353/tsw.2017.0026আইএসএসএন 1936-1645 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)

আরও পড়ুন

[সম্পাদনা]