উচুন্টি
| উচুন্টি Ageratum conyzoides | |
|---|---|
| বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ: | Plantae |
| শ্রেণীবিহীন: | সপুষ্পক উদ্ভিদ |
| শ্রেণীবিহীন: | Eudicots |
| শ্রেণীবিহীন: | Asterids |
| বর্গ: | Asterales |
| পরিবার: | Asteraceae |
| গোত্র: | Eupatorieae |
| গণ: | Ageratum |
| প্রজাতি: | A. conyzoides |
| দ্বিপদী নাম | |
| Ageratum conyzoides L. 1753 not Hieron. 1895 nor Sieber ex Steud. 1840[১] | |
| প্রতিশব্দ | |
|
Synonymy
| |
উচুন্টি (ইংরেজি: goatweed, whiteweed) হল ক্রান্তীয় আমেরিকার স্থানীয়, বিশেষত ব্রাজিল এবং এশিয়ার বাংলাদেশ সহ অন্যান্য অঞ্চলে সাধারণত আক্রমণকারী আগাছা হিসাবে বিবেচিত একটি উদ্ভিদ। এটি স্যাতস্যাতে স্থানে বেশি জন্মে। একে ফুলকুড়ি, দোচুন্টি, ভুরভুষি নামেও ডাকা হয়।[২]
বর্ণনা
[সম্পাদনা]উচুন্টি বিরুৎ ধরনের বার্ষিক ঔষধি উদ্ভিদ। এর গাছ ৩০ - ৬০ সেমি লম্বা হয়, কাণ্ড খাড়া ও রোমশ, পাতা অর্ধগোলাকার ও কিনার খাঁজকাটা ২ - ৬ সেমি লম্বা এবং ফুল নীলাভাব সাদা রঙের হয়।[৩]
উচুন্টি বা ফুলকুড়ি (Billygoat weed,Tropical whiteweed)সারাদেশে বুনো ঝোপঝাড়ের পাশে এবং স্যাঁতসেঁতে স্থানে দেখা যায়। দেখতে অবহেলিত মনে হলেও গাছটি দারুণ ঔষধিগুণে সমৃদ্ধ। সাধারনত দুই রঙের ফুল হয়।সাদা ও বেগুনি বা নীলচে বেগুনি।উচুন্টি বা ফুলকুড়ি বিরুৎ ধরনের গাছ, ৮০ সেন্টিমিটার উঁচু হতে পারে। কাণ্ড খাড়া, রোমশ। পাতা অর্ধগোলাকার, কিনার খাঁজকাটা। মঞ্জুরিতে নীলাভ-সাদা বর্ণের থোকা থোকা ফুল হয়। প্রায় সারাবছরই কমবেশি ফুল থাকে। তবে বর্ষায় বেশি ফুল ফোটে। বীজ দ্বারা বংশবিস্তার হয়। গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে বেশি হয়।এই উদ্ভিদটি আগাছা ধরনের। বিপন্ন নয়।
উপকারিতা
[সম্পাদনা]১। অধিক জ্বরে হলে উচুন্টি গাছের পাতা ভালো করে পিষে গায়ে লাগালে বা পাতার রস প্রতিদিন দু-তিন চামচ করে তিনবার পান করলে জ্বর কমে যায়।
২। উচুন্টি গাছের পাতার রস খেলে ডায়রিয়া দ্রুত ভালো হয়।
৩। উচুন্টি গাছের পাতার নিয়মিত খেলে পেট ফাঁপায় উপকার পাওয়া যায়।
৪। উচুন্টি গাছের পাতার রস বেটে হালকা গরম করে সকাল বিকেল খেলে গ্যাস্ট্রিক ভালো হয়।
৫। উচুন্টি গাছের পাতা বেটে কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত ঘায়ে লাগালে ঘা দ্রুত ভালো হয়।
৬। শূল বেদনা ও চর্মরোগে এ গাছের পাতা দারুণ প্রতিষেধক।
৭। উচুন্টি গাছের পাতার রস ক্ষতে লাগালে টিটেনাস হওয়ার ঝুঁকি থাকে না।
৮। উচুন্টি গাছের কচি পাতা বা সম্পূর্ণ গাছ গুঁড়া করে বা সেদ্ধ করে ব্যথার স্থানে প্রলেপ দিলে উপকার পাওয়া যায়।
৯। উচুন্টি গাছের মূল সিদ্ধ করে এই ক্বাথ খেলে নাক থেকে রক্তঝরা বন্ধ হয়।
অপকারিতা: এটি একটি আগাছা হিসেবে বিভিন্ন দেশে স্বীকৃত। আক্রমনকারী আগাছা হিসেবে ফসলের ক্ষতিসাধন করে।
Identification:
[সম্পাদনা]Common name:Billygoat weed,Tropical whiteweed.
বাংলা নাম: উচুন্টি,ফুলকুড়ি,দোচুন্টি,
Full Taxonomy:
Kingdom:Plantae
Subkingdom:Viridiplantae
Infrakingdom:Streptophyta
Superdivision:Embryophyta
Division :Tracheophyta
Subdivision:Spermatophytina
Class:Magnoliopsida
Superorder:Asteranae
Order :Asterales
Family:Asteraceae
Genus: Ageratum
Species :Ageratum conyzoides L.
ধন্যবাদ পুরোটা পড়ার জন্য।
References: ITIS, Herbal guide, Samakal
Photo:Arman Hossain
Device:Oppo a5s
Location: Kalia,Narail,Bangladesh
বিঃদ্রঃএই পোস্টের তথ্য নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সংকলিত হয়েছে।এটি চিকিৎসা পরামর্শ বা চিকিৎসার বিকল্প নয় এবং Biodiversity of Bangladesh কোনো চিকিৎসা পরামর্শ প্রদানের উদ্দেশ্যে এই পোস্ট গুলো করে না। পাঠকদের উচিত ঔষধি উদ্দেশ্যে একটি উদ্ভিদ ব্যবহার বা সেবন করার আগে তার চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা । ধন্যবাদ।
Copyright:Arman Hossain and Biodiversity of Bangladesh (Facebook page).
এটি কিছুক্ষেত্রে কীটনাশক হিসাবে ব্যবহৃত হয়।[৪]
বিষাক্ততা
[সম্পাদনা]এটি খেলে যকৃতে ক্ষত ও টিউমার হতে পারে।[৫][৬] এই উদ্ভিদে পাইরোলাইজিডিন জাতীয় উপক্ষার পাওয়া যায়।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Tropicos search for Ageratum conyzoides
- ↑ "AGERATUM CONYZOIDES L."। www.mpbd.info (ইংরেজি ভাষায়)। Medicinal Plants of Bangladesh। ৭ মে ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০১৭।
- ↑ "Ageratum conyzoides"। NSW Flora Online।
- ↑ Ming, L.C. (১৯৯৯)। "Ageratum conyzoides: A tropical source of medicinal and agricultural products"। Janick, J. (সম্পাদক)। Perspectives on new crops and new uses। Alexandria VA: ASHS Press। পৃ. ৪৬৯–৪৭৩। আইএসবিএন ০৯৬১৫০২৭০৩।
- ↑ Sani, Y.; Bahri, S. (১৯৯৪)। "Pathological changes in liver due to the toxicity of Ageratum conyzoides"। Penyakit Hewan। ২৬ (48)। Indonesia: ৬৪–৭০। আইএসএসএন 0216-7662। ২৩ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ এপ্রিল ২০১৮।
- ↑ Fu, P.P.; Yang, Y.C.; Xia, Q.; Chou, M.C.; Cui, Y.Y.; Lin G. (২০০২)। "Pyrrolizidine alkaloids-tumorigenic components in Chinese herbal medicines and dietary supplements" (পিডিএফ)। Journal of Food and Drug Analysis। ১০ (4): ১৯৮–২১১। ৫ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।