উকবা ইবনে নাফি
উকবা ইবনে নাফি عقبة بن نافع | |
|---|---|
উকাবা ইবনে নাফির ভাস্কর, আলজেরিয়া | |
| জন্ম | ৬২২ মক্কা, আরব উপদ্বীপ (আধুনিক সৌদি আরব) |
| মৃত্যু | ৬৮৩ সিদি উকবা, আলজেরিয়া |
| আনুগত্য | উমাইয়া খিলাফত |
| সেবা/ | সেনাবাহিনী |
| কার্যকাল | ৬৭০–৬৮৩ |
| পদমর্যাদা | সেনাপতি |

উকবা ইবনে নাফি (আরবি: عقبة بن نافع, ৬২২–৬৮৩) ছিলেন উমাইয়া খলিফা প্রথম মুয়াবিয়া ও প্রথম ইয়াজিদের শাসনামলের একজন আরব সেনাপতি। তিনি মুসলিমদের মাগরেব বিজয়ের সূচনা করেন।
উকবা ছিলেন আমর ইবনুল আসের ভ্রাতুষ্পুত্র। মতান্তরে তিনি আমর ইবনুল আসের খালাতো ভাই হন। আরেক মতানুসারে তিনি আমর ইবনুল আসের বৈপিত্রেয় ভাই হন। কুরাইশ বংশের বনু ফিহরি শাখার সাথে সম্পর্কিত হওয়ার কারণে তাকে অনেক সময় আল-ফিহরি পদবী দ্বারা সম্বোধন করা হয়। তার বংশধরদেরকে উকবি বা ফিহরি বলা হত। তিনি তিউনিসিয়ার কাইরুয়ান শহরের প্রতিষ্ঠাতা।
জীবনী
[সম্পাদনা]উকবা ৬২২ সালে জন্মগ্রহণ করেন।[১] রাশিদুন খিলাফতের একজন সেনাপতি হিসাবে উকবা আমর ইবনে আল-আসের (রা:) সাথে উত্তর আফ্রিকার শহরগুলি দখলের সময় বার্কা থেকে শুরু করে ৬৪৪ সালে ত্রিপোলিতানিয়ায় অগ্রসর হন। ৬৪২ বা ৬৪৩ খ্রিষ্টাব্দে সাইরেনাইকা জয় করার পর, আমর ইবনে আল-আস বার্বার গোত্রের জন্য ১৩,০০০ দিনার জিজিয়া ধার্য করেন।[২] প্রথম ফিতনা এবং ৬৬১ সালে প্রথম মুয়াবিয়া (রা:) কর্তৃক উমাইয়া খিলাফত প্রতিষ্ঠার পর মাগরেবের দ্বিতীয় আক্রমণ শুরু হয়। উকবার নেতৃত্বে ১০,০০০ মুসলমান এবং হাজার হাজার লোকের একটি সেনাবাহিনী দামেস্ক থেকে রওনা হয় এবং বাইজেন্টাইন আফ্রিকার দিকে অগ্রসর হয়।[৩]
৬৭০ সালে তিনি কমান্ডার হিসেবে তিনি একটি বাহিনীর নেতৃত্ব দেন। এই বাহিনী মিশরীয় মরুভূমি অতিক্রম করে এবং যাত্রাপথে নিয়মিত বিরতিতে সামরিক ছাউনি স্থাপন করে। বর্তমান তিউনিসিয়ায় তিনি বর্তমান তিউনিস থেকে ১৬০কিমি দক্ষিণে কাইরুয়ান শহর স্থাপন করেন। এই শহর পরবর্তীতে তার সামরিক কর্মকাণ্ডের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৬৮৩ সালে বিসক্রার নিকটে বার্বার খ্রিষ্টান রাজা কুসাইলার দ্বারা উকবা ইবনে নাফি আক্রান্ত ও নিহত হন। তার সেনাবাহিনী কাইরুয়ান ত্যাগ করে বারকায় পিছু হটে তবে ৬৮৮ সালে শহরটি পুনরায় অধিকার করা হয়।[৪]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]Christides, Vassilios (২০০০)। "ʿUkba b. Nāfiʿ"। Bearman, P. J.; Bianquis, Th.; Bosworth, C. E.; van Donzel, E.; Heinrichs, W. P. (সম্পাদকগণ)। The Encyclopaedia of Islam, New Edition, Volume X: T–U। Leiden: E. J. Brill। আইএসবিএন ৯০-০৪-১১২১১-১। {{বিশ্বকোষ উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |lastauthoramp= উপেক্ষা করা হয়েছে (|name-list-style= প্রস্তাবিত) (সাহায্য); অবৈধ |ref=harv (সাহায্য)
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Adamec, Ludwig W. (১১ মে ২০০৯)। Historical Dictionary of Islam (ইংরেজি ভাষায়)। Scarecrow Press। পৃ. ৩১৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১০৮-৬৩০৩-৩।
- ↑ Abun-Nasr, Jamil M. (২০ আগস্ট ১৯৮৭)। A History of the Maghrib in the Islamic Period (ইংরেজি ভাষায়)। Cambridge University Press। পৃ. ৩৪। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩১৬-৫৮৩৩৪-০।
- ↑ African whispers: labels the world leaders (ইংরেজি ভাষায়)। Neili Belhassen। ২৩ নভেম্বর ২০১৪। পৃ. ১৬।
- ↑ Conant, Jonathan (২০১২)। Staying Roman : conquest and identity in Africa and the Mediterranean, 439–700। Cambridge New York: Cambridge University Press। পৃ. ২৮০–২৮১। আইএসবিএন ০৫২১১৯৬৯৭৩।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- Edward Gibbon, History of the Decline and Fall of the Roman Empire Chapter 51