বিষয়বস্তুতে চলুন

ঈশ্বরী বাই

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ঈশ্বরী বাই
অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভার সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৯৬৭ – ১৯৭৮
পূর্বসূরীতাকেল্লা এন সদালক্ষী
উত্তরসূরীতাদুর বালা গৌড়
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম(১৯১৮-১২-০১)১ ডিসেম্বর ১৯১৮
চিলকালগুড়া
মৃত্যু২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১(1991-02-25) (বয়স ৭২)
হায়দ্রাবাদ
জাতীয়তাভারতীয়
রাজনৈতিক দলভারতীয় রিপাবলিকান পার্টি
সন্তানগীতা রেড্ডি, কন্যা
পেশারাজনীতিবিদ

জেট্টি ঈশ্বরী বাই[ক] (১ ডিসেম্বর ১৯১৮ - ২৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৯১) ছিলেন একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ, বিধানসভার সদস্য এবং ভারতীয় রিপাবলিকান পার্টির সভাপতি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে উচ্চবর্ণের মানুষের হাতে দাসত্ব এবং বর্ণ বৈষম্যের শিকার হওয়া পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর উন্নয়নের জন্য তিনি কাজ করেছিলেন।

ঈশ্বরী বাইয়ের জন্ম হয় ১৯১৮ সালের ১লা ডিসেম্বর।[১][২] তিনি সেকেন্দ্রাবাদের পারোপকারিণী স্কুলে শিক্ষিকা হিসেবে নিজের কর্মজীবন শুরু করেন এবং পরে সেকেন্দ্রাবাদের চিলকালগুড়ায় গীতা বিদ্যালয় নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি এলাকার দরিদ্র মহিলাদের জন্য কর্মশালা পরিচালনা করতেন, যেখানে কারুশিল্প, সেলাই, চিত্রকলা ইত্যাদি শেখানো হত, যাতে অর্থনৈতিকভাবে দরিদ্র মহিলারা নিজেদের এবং তাদের পরিবারের ভরণপোষণে সাহায্য করতে পারত।

১৯৫০ সালে ঈশ্বরী সেকেন্দ্রাবাদ পৌর কর্পোরেশনের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।[৩]

তিনি ১৯৬০-এর দশকে হায়দ্রাবাদ পৌরসভা নির্বাচনে অরাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য নাগরিক অধিকার কমিটি (সিআরসি) প্রতিষ্ঠা করেন। এই নির্বাচনে তারা চারটি আসন জিতেছিল। [ তথ্যসূত্র প্রয়োজন ]

বি আর আম্বেদকরের অনুপ্রেরণায়, ঈশ্বরী তফসিলি জাতি ফেডারেশনে (এসসিএফ) যোগ দেন এবং ১৯৫৮ সালে, যখন এসসিএফ-র নাম পরিবর্তন করে রিপাবলিকান পার্টি অফ ইণ্ডিয়া (আরপিআই) রাখা হয়, তখন তিনি এর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে তিনি আরপিআই-এর সভাপতি হন। ১৯৬২ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ইয়েলারেডি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে আরপিআই-এর টিকিটে হেরে যান, কিন্তু ১৯৬৭ সালের নির্বাচনে জয়ী হন।[১] তিনি তেলেঙ্গানা প্রজা সমিতির (টিপিএস) ভাইস চেয়ারপারসন ছিলেন এবং ১৯৭২ সালের নির্বাচনে আবারও ইয়েলারেডি থেকে আরপিআই-টিপিএস টিকিটে জয়ী হন।[৪]

নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের চেয়ারপারসন হিসেবে, ঈশ্বরী উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত মেয়েদের বিনামূল্যে শিক্ষার জন্য আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি ইণ্ডিয়ান কনফারেন্স অফ সোশ্যাল ওয়েলফেয়ারের সেক্রেটারি এবং ভারতীয় রেড ক্রস সোসাইটির সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৬৯ সালে তেলেঙ্গানা আন্দোলনে পৃথক রাজ্যের জন্য লড়াই করেছিলেন এবং হায়দ্রাবাদের চঞ্চলগুড়া কারাগারে বন্দী ছিলেন।[৫]

ব্যক্তিগত জীবন

[সম্পাদনা]

ঈশ্বরীর চার ভাই এবং এক বোন ছিলেন। ১৩ বছর বয়সে পুনের একজন দন্তচিকিৎসক জেট্টি লক্ষ্মীনারায়ণের সাথে ঈশ্বরীর বিয়ে হয়।[৪] তাঁর মেয়ে, জে. গীতা রেড্ডি, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দলের একজন রাজনীতিবিদ।[৬]

১৯৯১ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি ঈশ্বরী মারা যান।[৭]

তাঁর সম্মানে ঈশ্বরী বাই স্মৃতি পুরস্কারের প্রবর্তন করা হয়েছিল।[৮]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]

মন্তব্য

  1. ↑ ঈশ্বরী' কে কখনও কখনও "এশ্বরী" এবং কখনও কখনও "এস্বরী" হিসাবে বানান করা হয়। নামটি কখনও কখনও "ঈশ্বরীবাই" হিসাবে যুক্ত করা হয়।

উদ্ধৃতি

  1. 1 2 V6 News Telugu (২ ডিসেম্বর ২০১৫), Special Discussion On Biography of Eshwari Bai | 7PM Discussion – V6News, সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০১৭{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক)
  2. ↑ "Famous people's birthday on 1 December"। Bollywood Product। ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  3. ↑ "Dalits justify statue for Eswari Bai"। The Times of India। ১৫ মে ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০১৭।
  4. 1 2 "Jetti Eeshwari Bai"। Wowfanzine। ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  5. ↑ "ఉద్యమంలో సబ్బండ వర్ణాలు"। Namaste Telanganaa। ১ জুন ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০১৭।
  6. ↑ A. Saye, Sekhar (২৭ এপ্রিল ২০০৭)। "It's all in the family"। The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০১৭।
  7. ↑ "Eshwari Bai remembered"। The Hindu। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০১৭।
  8. ↑ "Sukhdeo Thorat receives Eashwari Bai Memorial Award"। The Hindu। ১ ডিসেম্বর ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০১৭।