বিষয়বস্তুতে চলুন

ঈশিতা রায়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ঈশিতা রায়
জন্ম (1965-03-13) ১৩ মার্চ ১৯৬৫ (বয়স ৬১)
নাগরিকত্বভারতীয়
পেশাপ্রাক্তন জনপালনকৃত্যকের কর্মচারী (সিভিল সার্ভেন্ট)

ঈশিতা রায় ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবার (আইএএস) একজন সিভিল সার্ভেন্ট ছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবন

[সম্পাদনা]

১৯৯১ ব্যাচের কেরালা ক্যাডারের আইএএস অফিসার ঈশিতা রায়ের জন্ম ১৯৬৫ সালের ১৩ই মার্চ। তিনি পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ. ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি বাংলা, ইংরেজি, ফরাসি, হিন্দি এবং মালয়ালম ভাষায় সাবলীল।[]

কর্মজীবন

[সম্পাদনা]

ঈশিতা কেরালা প্রাদেশিক সরকার এবং ভারত সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর কাজের প্রাথমিক ক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে: অর্থ, তথ্য প্রযুক্তি এবং যোগাযোগ এবং শিক্ষা (মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়)। তিনি ভারতের কেরালা এবং ছত্তিশগড়ের দুটি জেলার জেলা কালেক্টর / ম্যাজিস্ট্রেট সহ অন্যান্য বিভাগ এবং মন্ত্রণালয়ে কাজ করেছেন।

তিনি পরিবেশ, কৃষি, মৎস্য ও বস্ত্রশিল্পেও কাজ করেছেন।

ঈশিতা স্বাধীন পরিচালকের ডেটাব্যাঙ্ক নিবন্ধন শংসাপত্রের অধিকারী, এটি জারি করে ভারত সরকারের ইণ্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স।

আন্তর্জাতিক রেশম শিল্প কমিশনে ভারত থেকে নির্বাচিত প্রথম মহাসচিব হলেন ঈশিতা রায়, এই কমিশন জাতিসংঘের নিবন্ধিত আন্তঃসরকারি সংস্থা যারা বিশ্বব্যাপী রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ১৮৭০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের লিওঁতে আন্তর্জাতিক রেশম কমিশনের অফিস অবস্থিত ছিল। এই নির্বাচনের মাধ্যমে, সেই অফিস ভারতের বেঙ্গালুরুতে স্থানান্তরিত হয় এবং ২০১৩ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে ভারতে এর কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে ২৩টি দেশ আন্তর্জাতিক রেশম সংস্কৃতি কমিশনের সদস্য।

ঈশিতা রায় ১৯৯১ সালে কেরালা ক্যাডার ব্যাচের অধীনে ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবায় (আইএএস) প্রবেশ করেন।[][]

তিনি বর্তমানে তিরুবনন্তপুরমের উচ্চশিক্ষা বিভাগের প্রধান সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।[]

পুরস্কার ও সম্মাননা

[সম্পাদনা]

বিভিন্ন সরকারি বিভাগ এবং একটি আন্তঃসরকারি সংস্থায় ৩৪ বছরের অসাধারণ সেবার সময়, ঈশিতা অনেক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন, যার মধ্যে কয়েকটি নীচে দেওয়া হল:

১) জেমস অফ ডিজিটাল ইণ্ডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১৮: দিয়েছে ন্যাশনাল একাডেমিক ডিপোজিটরি (এনএডি) নামে একটি ডিজিটাল সংগ্রহশালা, যেটি একাডেমিক প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ কর্তৃক জমা দেওয়া ডিজিটাল ডিপোজিটরি অফ একাডেমিক অ্যাওয়ার্ডস (ডিগ্রি, ডিপ্লোমা, সার্টিফিকেট, মার্কশিট ইত্যাদি)-এর একটি উদ্যোগ। এরা ২৪x৭ অনলাইন মোডে ডিজিটাল ফর্ম্যাটে তাদের সত্যতা যাচাই, নিরাপদ সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে।

২) উৎকর্ষ জিআইএস প্রযুক্তি: ভারত সরকারের প্রশাসনিক সংস্কার ও জনঅভিযোগ বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত দেশে রেশম উন্নয়নে জিআইএস প্রযুক্তি।

৩) ই-গভর্নেন্সে জিআইএস প্রযুক্তির উদ্ভাবনী ব্যবহার[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] : দেশে রেশম উন্নয়নে জিআইএস প্রযুক্তির উদ্ভাবনী ব্যবহারের ক্ষেত্রে অসামান্য সাফল্যের জন্য ভারত সরকার কর্তৃক ই-গভর্নেন্সের জন্য জাতীয় পুরস্কার।

৪) মহাসচিব নির্বাচন : জাতিসংঘের নিবন্ধিত আন্তঃসরকারি সংস্থা - আন্তর্জাতিক রেশম সংস্কৃতি কমিশন (আইএসসি)-এর দেশগুলি দ্বারা নির্বাচিত। ফলস্বরূপ, ১৮৭০ সালে স্যার লুই পাস্তুর কর্তৃক প্রবর্তিত আইএসসি ২০১৩ সালে ফ্রান্সের লিওঁ থেকে ভারতের বেঙ্গালুরুতে স্থানান্তরিত হয়।

৫) সামাজিক প্রভাব পুরস্কার : দীর্ঘস্থায়ী দারিদ্র্য বিমোচন এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে উপজাতীয় সম্প্রদায়ের জন্য তসর সিল্ক মূল্য শৃঙ্খলের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা মডেলগুলির উন্নয়ন এবং প্রচারের সাথে জড়িত প্রকল্পের সফল নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছিল: প্রয়োজনীয় সামাজিক মূলধন সংগ্রহের জন্য এনজিওগুলির সাথে। অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি, আর্থ-সামাজিক রূপান্তর এবং নারীর ক্ষমতায়ন ছিল বিহারে গৃহীত উদ্যোগের প্রধান ফলাফল।

৬) ই-কৃষি পুরস্কার : ই-গভর্নেন্সের জন্য ভারত সরকার কর্তৃক প্রদত্ত জাতীয় পুরস্কার যার অধীনে কৃষকদের ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে একটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা হয়েছিল।

৭) ই-গভর্ন্যান্স পুরস্কার : কেরালা রাজ্যের ই-কৃষিতে অসামান্য কৃতিত্বের জন্য ভারত সরকার কর্তৃক ই-গভর্ন্যান্সের জন্য জাতীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "Ishita Roy"The secretariat। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  2. Deoras, Neha Pandey (জানুয়ারি ২০১৩)। "ishita roy takes charge as secretary general of isc"Business Standard India। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  3. "Ishita Roy to take charge as JS, HRD tomorrow (March 15, 2015)"। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৬