বিষয়বস্তুতে চলুন

ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়

ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়
তুর্কি: İstanbul Üniversitesi
প্রাক্তন নাম
সাহন-ই সেমান মাদ্রাসা
(১৪৫৩–১৮৪৬)
দারুলফুনুন-ই শাহানে
(১৮৪৬–১৯১২)
ইস্তানবুল দারুলফুনুনু
(১৯১২–১৯৩৩)
নীতিবাক্যতুর্কি: Tarihten Geleceğe Bilim Köprüsü
বাংলায় নীতিবাক্য
অতীত থেকে ভবিষ্যতের বিজ্ঞান সেতু
ধরনসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়
স্থাপিত৩০ মে ১৪৫৩; ৫৭৩ বছর আগে (1453-05-30)
প্রতিষ্ঠাতাদ্বিতীয় মুহাম্মদ
বাজেট$৪১১ মিলিয়ন (২০২৫)[]
রেক্টরঅধ্যাপক ড. ওসমান বুলেন্ত জুলফিকার
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ
৪,৩৩৯[]
প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ
৫,৮৮৫[]
শিক্ষার্থী৫৮,৮০৯[]
স্নাতক৪২,০৬৬[]
স্নাতকোত্তর১৬,২৬৮[]
অবস্থান,
৪১°০০′৪৬.৯৩″ উত্তর ২৮°৫৭′৪৯.৯৫″ পূর্ব / ৪১.০১৩০৩৬১° উত্তর ২৮.৯৬৩৮৭৫০° পূর্ব / 41.0130361; 28.9638750
শিক্ষাঙ্গনশহুরে
বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস
অধিভুক্তি
ওয়েবসাইটwww.istanbul.edu.tr
মানচিত্র

ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয় (তুর্কি: İstanbul Üniversitesi) তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত একটি সরকারি গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়। তুর্কিদের কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের একদিন পর, ১৪৫৩ সালের ৩০শে মে সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদ কর্তৃক এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।[] পরবর্তীতে ইউরোপীয় ধারায় প্রভাবিত হয়ে এটি প্রথম উসমানীয় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সংস্কার করা হয়।[][] এই প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৩৩ সাল থেকে বর্তমান নামে পরিচালিত হচ্ছে, এটি আধুনিক তুরস্কের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়।[]

বিশ্ববিদ্যালয়টির ৯টি ক্যাম্পাসে অনুষদ, ইনস্টিটিউট, কলেজ এবং ভোকেশনাল স্কুলসহ ১১২টি একাডেমিক ইউনিটে ৫৮,৮০৯ জন স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং ডক্টরাল শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করে।[][][] বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাসটি শহরের ইউরোপীয় অংশে, ফাতিহ জেলার বেয়াজিত স্কয়ারের পাশে অবস্থিত।

ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন রসায়নে নোবেল বিজয়ী আজিজ সানজার[১০] এবং সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী ওরহান পামুক[১১] এছাড়াও তুরস্কের রাষ্ট্রপতি আবদুল্লাহ গুল, ছয়জন প্রধানমন্ত্রী এবং ইস্তাম্বুলের বর্তমান মেয়র একরেম ইমামো’লু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। ইসরায়েলের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ইৎজাক বেন-জভি এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড বেন-গুরিয়নমোশে শ্যারেটও এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎপত্তি ১৪৫৩ সাল থেকে,[১২][১৩] যখন উসমানীয় সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদ এটি দর্শন, চিকিৎসা, আইন, গণিত এবং সাহিত্যের একটি বিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।[১২] শহরটি জয়ের পরপরই, সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদ মোল্লা মেহমেত যেইরেক এফেন্দিকে প্যান্টোক্রেটর মঠকে একটি মাদ্রাসায় রূপান্তরিত করার দায়িত্ব দেন এবং তাকে প্রথম রেক্টর হিসেবে নিয়োগ দেন।[১৪] বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী আলি কুশজি শহরে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠায় অংশ নিয়েছিলেন এবং এই মাদ্রাসায় গণিত পড়াতেন।[১৫] এই সাহন-ই সেমান মাদ্রাসাকেই দারুলফুনুনের পূর্বসূরি হিসেবে গণ্য করা হয়, যা পরবর্তীতে ১৯৩৩ সালে ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।[১৬]

এখানে চিকিৎসা, গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান, মানচিত্রনির্মাণ, ভূগোল, ইতিহাস, দর্শন, ধর্ম, সাহিত্য, ভাষাতত্ত্ব এবং আইনসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করা হতো। কিন্তু যখন মাদ্রাসাগুলো সময়ের চাহিদা মেটাতে অক্ষম হয়ে পড়ে, তখন একটি পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়, যার ফলে দারুলফুনুন প্রতিষ্ঠিত হয়।[note ১]

Faculty members of Istanbul University with School Director Kemal Bey and the teaching staff, circa 1915.
ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ সদস্যবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দের সাথে পরিচালক কামাল বে (আনুমানিক ১৯১৫ খ্রি.)।
১৯৫০-এর দশকে ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশদ্বার।
বেয়াজিত টাওয়ারের পাশে ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শেষ রোমান এবং প্রাথমিক বাইজেন্টাইন যুগের ধ্বংসাবশেষ।

১৮৬৩ সালে দারুলফুনুন-উ ওসমানী নামে একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হয়েছিল, কিন্তু ১৮৭১ সালে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়।[১৬] হাসান তাহসিনি এটির প্রথম রেক্টর ছিলেন। ১৮৭৪ সালে দারুলফুনুন-উ সুলতানী ফরাসি ভাষায় আইনের পাঠদান শুরু করে, কিন্তু ১৮৮১ সালে এটিও বন্ধ হয়ে যায়।[১৬]

১৯০০ সালে দারুলফুনুন-উ শাহানে নামে ইম্পেরিয়াল কলেজ অব সায়েন্সেস পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়, যেখানে ধর্মতত্ত্ব, কলা, গণিত, বিজ্ঞান এবং ভাষাতত্ত্বের বিভাগ ছিল।[১৬] ১৯২৪ সালে, ইস্তানবুল দারুলফুনুনু নামে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আইন, চিকিৎসা, কলা এবং বিজ্ঞান অনুষদ প্রতিষ্ঠিত হয়।[১৬]

১৯২৪ সালের ২১শে এপ্রিল, তুরস্ক প্রজাতন্ত্র ইস্তানবুল দারুলফুনুনুকে একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ১৯৩৩ সালের ১লা আগস্ট, মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক শিক্ষা সংস্কারের পর, ইস্তানবুল দারুলফুনুনুকে ইস্তানবুল উনিভেরসিতেসি (অর্থাৎ ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়) হিসেবে পুনর্গঠিত করা হয়।[১৮] ১৯৩৩ সালের ১লা নভেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠদান শুরু হয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে, জার্মানি থেকে পালিয়ে আসা অনেক জার্মান বিজ্ঞানী, বিশেষ করে নাৎসি-বিরোধী এবং ইহুদি বংশোদ্ভূত পণ্ডিতরা ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আশ্রয় নেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম এবং গবেষণার বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, যা তুরস্কে বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করে।[১৯]

ক্যাম্পাস

[সম্পাদনা]
বেয়াজিত স্কয়ারে অবস্থিত ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশদ্বার। এই স্থানটি শেষ রোমান যুগে ফোরাম টাউরি (পরে থিওডোসিয়াসের ফোরাম) নামে পরিচিত ছিল। ক্যাম্পাসের ভেতরে অবস্থিত বেয়াজিত টাওয়ারটি পতাকাদণ্ডের ডানদিকে দেখা যাচ্ছে।
ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ভবনের অভ্যন্তরীণ দৃশ্য।
৫০০ লিরা ব্যাংকনোটের (১৯৭১–১৯৮৪) পিছনে ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিসৌধ ফটক।

বিশ্ববিদ্যালয়টি পাঁচটি ক্যাম্পাসে বিস্তৃত সতেরোটি অনুষদ নিয়ে গঠিত। এর প্রধান ক্যাম্পাসটি বেয়াজিত স্কয়ারে অবস্থিত, যা মূলত মহান কনস্টান্টিন ফোরাম টাউরি হিসেবে নির্মাণ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে মহান থিওডোসিয়াস থিওডোসিয়াসের ফোরাম হিসেবে বর্ধিত করেন। ক্যাম্পাসের মাঠে এখনও কিছু রোমান এবং বাইজেন্টাইন ধ্বংসাবশেষ দেখা যায়।

এই ভবনটি পুরাতন প্রাসাদের স্থলে অবস্থিত, যা ইস্তানবুলে উসমানীয় তুর্কিদের দ্বারা নির্মিত প্রথম প্রাসাদ।[২০] ১৯২৩ সালে প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মতোই যুদ্ধ মন্ত্রণালয় আঙ্কারায় স্থানান্তরিত হয়। এরপর ভবনটি উসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রথম এবং একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যেটি দারুলফুনুনের নিকট হস্তান্তর করা হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

পদটীকা

[সম্পাদনা]
  1. কিছু ১৯৩০-পূর্ববর্তী পশ্চিমা সূত্রে দারুলফুনুনকে ইউনিভার্সিটি অব কনস্টান্টিনোপল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা শহরের পূর্ববর্তী নামের উপর ভিত্তি করে (এটি বাইজেন্টাইন যুগের কনস্টান্টিনোপল বিশ্ববিদ্যালয়-এর সাথে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়, যা ৪২৫ খ্রিস্টাব্দে পূর্ব রোমান সম্রাট দ্বিতীয় থিয়োডোসিয়াস দ্বারা পান্ডিদ্যাক্টেরিয়াম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল)।[১৭]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Üniversitelere 2025 yılı için 487 milyar liranın üzerinde ödenek ayrıldı"। Anadolu Ajansı। ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪। ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৪
  2. 1 2 3 4 5 "Sayılarla İstanbul Üniversitesi"sayilarla.istanbul.edu.tr। ১৬ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ডিসেম্বর ২০২২
  3. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; "Britannica" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  4. Günergun, Feza; Kadıoğlu, Sevtap (২০০৬)। "İSTANBUL ÜNİVERSİTESİ'NİN YERLEŞİM TARİHÇESİ ÜZERİNE NOTLAR"Osmanlı Bilimi Araştırmaları (8): ১৩৫–১৬৩। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০২২
  5. "İstanbul Üniversitesi'nin kuruluşunun 86. yıl dönümü! İstanbul Üniversitesi tarihi"haberler.com (তুর্কি ভাষায়)। ১৪ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২০
  6. "Üniversitelerin kuruluş tarihleri"cnnturk.com (তুর্কি ভাষায়)। CNN Türk। ২০ জুন ২০১৫। ২১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০২১
  7. "Sayılarla İstanbul Üniversitesi"istanbul.edu.tr (তুর্কি ভাষায়)। Istanbul University। ১৬ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২০
  8. "Sayılarla İstanbul Üniversitesi"sayilarla.istanbul.edu.tr। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২৪
  9. "Yerleşim"istanbul.edu.tr (তুর্কি ভাষায়)। ২৫ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০২০
  10. "The Nobel Prize in Chemistry 2015"NobelPrize.org (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২১ মে ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০২০
  11. "The Nobel Prize in Literature 2006"NobelPrize.org (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০২০
  12. 1 2 "Istanbul University"Times Higher Education। ২১ নভেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২১
  13. "Istanbul University"Encyclopædia Britannica। ১৫ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২১
  14. "Molla Zeyrek"İslâm Ansiklopedisi (তুর্কি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫
  15. "1453'ten günümüze İstanbul Üniversitesi"Istanbul University (তুর্কি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০২৫
  16. 1 2 3 4 5 Rüegg, Walter: "European Universities and Similar Institutions in Existence between 1812 and the End of 1944: A Chronological List", in: Rüegg, Walter (ed.): A History of the University in Europe. Vol. 3: Universities in the Nineteenth and Early Twentieth Centuries (1800–1945), Cambridge University Press, 2004, আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-৩৬১০৭-১, p. 687
  17. Journal of the American Medical Association, Volume 79. American Medical Association, 1922. p. 646 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০ মার্চ ২০২২ তারিখে
  18. Gedlkoğlu, Tokay (1995).p.156
  19. Paksoy, Nadir (১ আগস্ট ২০২২)। "German pathology professor Philipp Schwartz: His enduring life from Frankfurt to Istanbul during the Second World War era: A "forgotten savior""Annals of Diagnostic Pathology৫৯: ১৫১৯৫৫। ডিওআই:10.1016/j.anndiagpath.2022.151955আইএসএসএন 1092-9134
  20. "Tarihin Kalbinde Yer Alan İstanbul Üniversitesi Rektörlük Binası"İletim (তুর্কি ভাষায়)। ১২ অক্টোবর ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৪