ইসলামী শিল্পের যাদুঘর, দোহা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
ইসলামী শিল্পের যাদুঘর
متحف الفن الإسلامي
Museum of Islamic arts SOP.jpg
ইসলামী শিল্পের যাদুঘর, দোহা দোহা-এ অবস্থিত
ইসলামী শিল্পের যাদুঘর, দোহা
দোহায় এর অবস্থান
স্থাপিত ২২ নভেম্বর ২০০৮ (২০০৮-১১-২২)
অবস্থান দোহা, কাতার
স্থানাঙ্ক ২৫°১৭′৪৩″ উত্তর ৫১°৩২′২১″ পূর্ব / ২৫.২৯৫২৮° উত্তর ৫১.৫৩৯১৭° পূর্ব / 25.29528; 51.53917স্থানাঙ্ক: ২৫°১৭′৪৩″ উত্তর ৫১°৩২′২১″ পূর্ব / ২৫.২৯৫২৮° উত্তর ৫১.৫৩৯১৭° পূর্ব / 25.29528; 51.53917
ধরন শিল্পকলা জাদুঘর
মালিক কাতার জাদুঘর
ওয়েবসাইট www.mia.org.qa/en

ইসলামী শিল্পের যাদুঘর (আরবি: متحف الفن الإسلامي‎‎, matḥaf al-fann al-islāmī) কাতারের রাজধানী দোহায় অবস্থিত একটি জাদুঘর। এই জাদুঘরটি স্থপতি আই. এম. পাই নকশা করেছেন।

সুবিধাদি[সম্পাদনা]

জাদুঘরের ছাদে অঙ্কিত ইসলামী নকশা

ইসলামী শিল্পের যাদুঘরের মূল ভবনের পেছনে একটি ২৮০,০০০ বর্গমিটার বিশিষ্ট পার্ক রয়েছে। পাঁচতলা বিশিষ্ট এই জাদুঘরে রয়েছে একটা উপহারের দোকান, পাঠাগার, শ্রেণীকক্ষ এবং একটি ২০০-আসন বিশিষ্ট থিয়েটার।[১] নামায পরা ও ওযু করার জন্য জাদুঘরে রয়েছে বিশেষ স্থান। এছাড়া জাদুঘরে আছে রেস্টুরেন্ট, যেখানে আরবি খাবারের পাশাপাশি ফরাসি, ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের খাবার পাওয়া যায়।

স্থাপত্য[সম্পাদনা]

জাদুঘরটির স্থাপত্য প্রাচীন ইসলামী স্থাপত্য দ্বারা প্রভাবিত। তথাপি এর রয়েছে অনন্য স্থাপনাশৈলী। এই স্থাপনা শৈলীর ভবন এই অঞ্চলে এটাই প্রথম। জাদুঘরে ইসলামী শিল্পকলার বিশাল সংগ্রহ রয়েছে। এছাড়া গবেষণা ও পড়ার জন্য আছে পাঠাগার। সাবিহা আল খেমির ২০০৬ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত জাদুঘরটির প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ছিলেন।[২]

মিউজিয়াম অব ইসলামিক আর্ট ৪৫,০০০ বর্গমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত। স্থানটি আসলে একটা কৃত্রিক উপদ্বীপ, এখান থেকে দোহা উপসাগরের দক্ষিণ প্রান্ত দেখা যায়। জাদুঘরটির নির্মাণ কাজ ২০০৬ সালে শেষ হয়, কিন্ত পরবর্তীকালে কয়েকবার জাদুঘরের অভ্যন্তরীণ নকশায় পরিবর্তন করা হয়।[৩] তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৮ সালের ২২ নভেম্বরে জাদুঘরটি উদ্বোধন করা হয়। জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয় ২০০৮ সালের ৮ ডিসেম্বরে।[৪][৫]

জাদুঘরটির স্থপতি ছিলেন আম. এম. পাই। এসময় তাঁর বয়স ছিল ৯১ বছর। নকশা করার পূর্বে আই. এম. পাই প্রায় ছয় মাস ধরে মুসলিম বিশ্ব ভ্রমণ করেন মুসলিম স্থাপত্য ও ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞান লাভের জন্য।[৬] এছাড়া তিনি ইসলামিক ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে পড়ালিখা করেন। জাদুঘরের জন্য প্রস্তাবিত সবগুলো স্থানকে অগ্রাহ্য করে আই. এম. পাই কাতার কর্তৃপক্ষের কাছে একটি নতুন স্থানের আবেদন জানান। এর কারণ ছিল এমন একটি স্থানে জাদুঘরটি নির্মাণ করা যাতে জাদুঘরের উপরে ভবিষ্যতে স্থাপনা দখলের সম্ভাবনা না থাকে। পরবর্তিতে জাদুঘরটি দোহা উপসাগরের উপর নির্মিত হয়। এর পাশে নির্মাণ করা হয় একটি পার্ক। পাই কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন লুভর জাদুঘর নকশায় তাঁর সহকারী প্রতিষ্ঠান উইলমোট এন্ড অ্যাসোসিয়েটসকে এই কাজে নিয়োগ দেবার জন্য। অনুমতি পাবার পরে এই কাজে আরোক নিযুক্ত হয় ভবনের আলো নকশাকারী প্রতিষ্ঠান আইসোমেট্রিক্ত লাইটিং + ডিজাইন, পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক নকশা প্রতিষ্ঠান এভি কনসালটেন্টস। কাঠামোগত নকশার জন্যে কাজ করেছে লেসলি এ. রবার্টসন অ্যাসোসিয়েটস।

গ্যালারি[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Mohammed Hassan Al-Kuwari, Maryam Khulaifi, Jamila Abdulla Ahmed & Sawsan Al-Haddad (২০১৩)। "دليـل المؤسسات الثقافية في قطر (Directory of Cultural Institutions in Qatar)" (PDF) (ইংরেজি ভাষায়)। Ministry of Culture, Arts and Heritage। পৃষ্ঠা 17–18। 
  2. The Museum of Islamic Art homepage. mia.org.qa. Retrieved on 2014-06-23.
  3. It was officially opened on the 22 November 2008 by the emir of Qatar. The museum's interior gallery spaces were designed by a team led by JM Wilmotte of Wilmotte Associates. "Qatar's Islamic Art Museum to open Nov. '08" (ইংরেজি ভাষায়)। Kuwait News Agency। জানুয়ারি ২৩, ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৯-১২ 
  4. "Islamic Art Museum opens" (ইংরেজি ভাষায়)। Gulf Daily News। নভেম্বর ২৩, ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১১-২৩ 
  5. "Pei's Doha museum reflects splendor of Islamic art" (ইংরেজি ভাষায়)। International Herald Tribune। নভেম্বর ২৩, ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১১-২৩ 
  6. "Doha's Islamic Arts Museum :: Qatar Visitor"। www.qatarvisitor.com। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-১২-৩১