ইসলামি সাম্রাজ্য ও রাজবংশের তালিকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

(এই নিবন্ধে এমন কিছু রাজ্য, সাম্রাজ্য বা রাজবংশের তালিকা দেওয়া হয়েছে যা মুসলিম অভিজাতদের দ্বারা শাসিত হয়েছিল, বা যেগুলি যেকোনো ভাবে কেন্দ্রীয়ভাবে বা মুসলিম সাম্রাজ্যের একটি অংশ ছিল।)

সকল ইসলামী সাম্রাজ্য কেবলমাত্র ইসলামী বিশ্বাসের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবেই নয়, মুসলিম জনগণের প্রথম নেতা হিসাবেও মুহাম্মদের (সঃ) পদাঙ্ক অনুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো।

ঠিক কীভাবে একটি সাম্রাজ্য গঠিত হয় তা নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে। একটি সংজ্ঞা সাম্রাজ্যকে এমন একটি রাষ্ট্র হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে যা তার অধীনস্থ এলাকা জনসংখ্যা ও আয়তনের ভিত্তিতে প্রসারিত করে সাংস্কৃতিক এবং জাতিগতভাবে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।

মুসলিম রাষ্ট্রের ইতিহাস[সম্পাদনা]

গোড়ার দিকে মুসলিমদের দ্বারা বিজিত অঞ্চলের সম্প্রসারণ মুহাম্মদের (সঃ) জীবদ্দশায় শুরু হয়। তাঁর উত্তরসূরিরা তাঁর মৃত্যুর দশক পরে দক্ষিণ ইউরোপ এবং ভারতীয় উপমহাদেশের কিছু অংশ ছাড়াও মধ্য প্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকার বিশাল বিশাল অঞ্চলকে জয় করেছিলেন। তাঁর নিকটতম উত্তরাধিকারীগণ খিলাফতে রাশিদুন নামে খিলাফত ব্যবস্থা তৈরী করেন, পরে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন উমাইয়া খিলাফত এবং আরো পরে আব্বাসীয় খিলাফত

খিলাফতগুলো ধীরে ধীরে ভেঙ্গে পরছিলো এবং খিলাফতগুলোর অভ্যন্তরে মুসলিম রাজবংশ গড়ে উঠছিল; এর মধ্যে কয়েকটি রাজবংশ "ইসলামী সাম্রাজ্য" হিসাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ছিল সাফাভিড, অটোমান এবং মোগল সাম্রাজ্য, সেলজুক সাম্রাজ্য

খিলাফতসমূহ[সম্পাদনা]

উমাইয়া খিলাফতের বিস্তীর্ণ এলাকা

আঞ্চলিক সাম্রাজ্য[সম্পাদনা]

রাজধানী বা মূল অঞ্চলের ভিত্তিতে গ্রুপ করা হয়েছে।

ইরান[সম্পাদনা]

প্রথম ইসমাইল, সাফাভিদ সাম্রাজ্যের স্থপতি

মধ্য প্রাচ্য[সম্পাদনা]

আনাতোলিয়া (তুর্কী)[সম্পাদনা]

সাব-সাহারান আফ্রিকা[সম্পাদনা]

উত্তর আফ্রিকা[সম্পাদনা]

ইউরোপ[সম্পাদনা]

দক্ষিণ ইউরোপ

উমাইয়াদের তৈরী কর্ডো‌বা মসজিদ, স্পেন।মেযকুইটা

পুর্ব ইউরোপ

ককেশাস

মধ্য এশিয়া[সম্পাদনা]

দক্ষিণ এশিয়া[সম্পাদনা]

আফগানিস্তান ও ভারতীয় উপমহাদেশ

দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া[সম্পাদনা]

মালয় দ্বীপমালা (ইস্ট ইন্ডিজ) (ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেই)

ফিলিপাইন দ্বীপপুঞ্জ
Approximate extent of the Muslim sultanates in the Philippines

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]