বিষয়বস্তুতে চলুন

ইসমাইলখোজা মাদ্রাসা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইসমাইলখোজা মাদ্রাসা
Ismoilxoja madrasasi
সাধারণ তথ্যাবলী
স্থাপত্যশৈলীমধ্য এশীয়
ঠিকানামুহাম্মদিয়র ত্তালিক গলি, বোখারা প্রদেশ
নির্মাণের বছর১৮২২–১৮২৩
উন্মুক্ত হয়েছে১৮২৩
স্বত্বাধিকারীমুহাম্মদ সাবিরখোজা
কারিগরি বিবরণ
উপাদানপোড়ানো ইট, কাঠ, পাথর এবং জিপসাম
তলার সংখ্যা

ইসমাইলখোজা মাদ্রাসা ছিল উজবেকিস্তানের বুখারা প্রদেশে অবস্থিত একটি মাদ্রাসা। মাদ্রাসাটি বর্তমানে আর টিকে নেই।

পটভূমি

[সম্পাদনা]

বুখারা আমিরাতের আমির হায়দারের শাসনামলে ১৮২২-১৮২৩ সালে সাইয়িদ মুহাম্মদখোজার পুত্র মুহাম্মদ সাবিরখোজা মুহাম্মদিয়র ত্তালিক গলিতে (উজবেক: guzar) এই মাদ্রাসাটি নির্মাণ করেন।[] মাদ্রাসাটিতে দুটি তলা, একটি গম্বুজ, বাইরের ও ভেতরের আঙিনা এবং একটি মসজিদ ছিল। ইসমাইলখোজা মাদ্রাসার পশ্চিমে উরগঞ্জিসারয় নামক একটি ক্যারাভানসরাই এবং মুহাম্মদিয়র ত্তালিক খানকাহ অবস্থিত ছিল। অন্যদিকে, দক্ষিণ ও পূর্বে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতার মালিকানাধীন সম্পত্তি ছিল।

প্রতিষ্ঠাতা এই মাদ্রাসার জন্য আঞ্জুরজোয় খোজা ইয়াগশাম্বা কবরস্থানের ৭৮.৫ তানোব করমুক্ত জমি, বোখারা শহর এলাকার কবুতরখানা কবরস্থানের ১০০ তানোব জমি এবং মোল্লা শাহ গলিতে তিনটি দোকান ও দুটি বীজ বিক্রির দোকান ওয়াকফ করেছিলেন। প্রতিষ্ঠাতা নিজেই ছিলেন মাদ্রাসার ট্রাস্টি বা মুতাওয়াল্লি। মাদ্রাসার সামনের মসজিদে মুহাম্মদ সাবিরখোজার পিতাকে নিযুক্ত করা হয়েছিল। তার পরে তার বংশধরদের এই কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা ছিল।

ইসমাইলখোজা মাদ্রাসার পূর্ব দিকের দশটি কক্ষ প্রতিষ্ঠাতার পরিবারের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল। মাদ্রাসায় একজন 'সাদা পাগড়িধারী' মুদাররিস (শিক্ষক) ছাত্রদের পাঠদান করতেন। মাদ্রাসার মুদাররিস সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিও পাওয়া যায়। মোল্লা আবদুর রউফ ইসমাইলখোজা মাদ্রাসার একজন মুদাররিস ছিলেন এবং তার বেতন ছিল ১০০ স্বর্ণমুদ্রা।[] ২০শ শতাব্দীর প্রথম দিকে মোল্লা আব্দুল করিম বেগ এখানে ছাত্রদের পড়াতেন। সদরি জিয়া লিখেছেন যে এই মাদ্রাসায় ৩৩টি কক্ষ ছিল।[] তবে অন্য তথ্যমতে, ইসমাইলখোজা মাদ্রাসা ৩২টি কক্ষ নিয়ে গঠিত ছিল। এটি মধ্য এশীয় স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত হয়েছিল এবং তৈরিতে পোড়ানো ইট, কাঠ, পাথর ও জিপসাম ব্যবহৃত হয়েছিল।

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Rahmatova S, Qurbonov H (১৯৯৫)। Buxoro guzarlari tarixidan lavhalar (উজবেক ভাষায়)। Buxoro: Buxoro nashriyoti। পৃ. ১৪৪।
  2. Abdusattor Jumanazar (২০১৭)। Buxoro taʼlim tizimi tarixi (উজবেক ভাষায়)। Toshkent: Akademnashr। পৃ. ৫৯২।
  3. Muhammad Ali Baljuvoniy (২০০১)। Tarixi Nofeyi (Foydali tarix) (উজবেক ভাষায়)। Toshkent: Akademiya nashriyoti। পৃ. ১২২।