বিষয়বস্তুতে চলুন

ইয়াকুব আক কয়ুনলু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইয়াকুব বেগ
বাদশাহ
সুলতান ইয়াকুবের একটি সমসাময়িক প্রতিকৃতি, যা ১৪৭৮ থেকে ১৪৯০ সালের মধ্যে তাবরিজে অঙ্কিত হয়[১]
আক কয়ুনলুর সুলতান
রাজত্ব১৪৭৮ – ২৪ ডিসেম্বর ১৪৯০
পূর্বসূরিসুলতান খলিল
উত্তরসূরিবায়সুঙ্গুর
মৃত্যু২৪ ডিসেম্বর ১৪৯০
কারাবাখ
দাম্পত্য সঙ্গীগওহার-সুলতান খানম
বংশধরবায়সুঙ্গুর বেগ
মুরাদ বেগ
এক মেয়ে
পূর্ণ নাম
আবু আল-মুজাফফর ইয়াকুব বাহাদুর খান[২]
পিতাউজুন হাসান
মাতাসেলজুক শাহ খাতুন
ধর্মসুন্নি ইসলাম

ইয়াকুব বিন উজুন হাসান[৩] (ফার্সি: یعقوب بن اوزون حسن), সুলতান ইয়াকুব নামে পরিচিত (ফার্সি: سلطان یعقوب; আজারবাইজানি: Sultan Yaqub سلطان یعقوب) ১৪৭৮ সাল থেকে ১৪৯০ সালের ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত আক কয়ুনলু‌ সাম্রাজ্যের শাসক ছিলেন। তিনি উজুন হাসানের‌ পুত্র ও সুলতান খলিলের ভাই ছিলেন। তিনি সুলতান খলিল এর মৃত্যুর পর বংশের শাসক হন। ইয়াকুবের শাসনামলে আক কয়ুনলু‌ সাম্রাজ্যের সীমান্ত স্থিতিশীল ছিল। ফয়জুল্লাহ খুঞ্জি ইসফাহানি তাঁর লেখা বই আর্মেনিয়ান বিশ্বের ইতিহাস-এ তাঁকে উজুন হাসানের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।[৩] অন্য ইতিহাসবিদরাও কবি ও বিজ্ঞানীদের প্রতি তাঁর সাহায্যের প্রশংসা করেছেন।

উৎপত্তি

[সম্পাদনা]

ইয়াকুব বেগ ছিলেন উজুন হাসান ও সেলজুক শাহ খাতুনের পুত্র। তাঁর বড় ভাই ছিলেন খলিল মির্জা বেগ এবং ছোট ভাই ছিলেন ইউসুফ বেগ।[৪][৫] ১৪৭৮ সালের ৬ জানুয়ারি তাঁর পিতা মারা গেলে খলিল নিজেকে সুলতান ঘোষণা করেন। তিনি তাঁর দুই ভাইকে নির্বাসনে পাঠান এবং তাঁর সৎভাই মাকসুদ বেগকে হত্যা করেন। মাকসুদ বেগ ছিলেন বাইজেন্টাইন রাজকুমারী দেসপিনা খাতুনের পুত্র।[৫][৬][৬][৭][৮][৯] তাঁর অন্য সৎভাই ছিলেন উঘুরলু মুহাম্মদ। যিনি জান খাতুনের সন্তান ছিলেন। উঘুরলু মুহাম্মাদ কনস্টান্টিনোপলে পালিয়ে যান এবং সেখানে উসমানীয় সুলতান মুহাম্মাদ ফাতিহয়ের দরবারে আশ্রয় নেন। পরে তিনি তাঁর কন্যা গেভারহান হাতুনকে বিয়ে করেন।[১০][১১] এসব ঘটনার ফলে খলিল ও পরিবারের মধ্যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।[৭][৮][৯][১২] অবশেষে ১৪৭৮ সালের ১৫ জুন ইয়াকুব তাঁর ভাই খলিলকে পরাজিত ও মৃত্যুদণ্ড দেন এবং নিজেকে নতুন সুলতান ঘোষণা করেন।[৭][৮][৯]

রাজত্ব

[সম্পাদনা]

শাসনামলের শুরুতে ইয়াকুব শিরাজে আলওয়ান্দ বেগ এবং ইস্পাহানে কুসা হাজি নামের বায়ান্দুর রাজপুত্রদের বিদ্রোহের মুখোমুখি হন। তবে উভয় বিদ্রোহই দমন করা হয়। তাঁর শাসনকালে সবচেয়ে বড় বিদ্রোহ ছিল শাহ ইসমাঈল সাফাভীর পিতা শায়খ হায়দারের সাথে। এই বিদ্রোহের ফলে হায়দার নিহত হন।[১৩] ১৪৮০ সালে মিশরের মামলুক সুলতান সাইফুদ্দিন কাইতবে তার পেচেনেগস সেনাপতি ইয়াশবাক আল-জাহিরিকে দিয়ার বাকর আক্রমণের জন্য পাঠান। ইয়াকুব প্রতিক্রিয়ায় বায়ান্দির বেগ, সুলায়মান বেগ বিজান এবং সুফি খলিল বেগ মাওসিলুর নেতৃত্বে বাহিনী পাঠান। উভয় বাহিনী একই বছরের নভেম্বরে উরফার যুদ্ধে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে আক কয়ুনলু বাহিনী বিজয় লাভ করে এবং ইয়াশবাক আল-জাহিরি বন্দী হন। কয়েক দিন পর তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই বছর ইয়াকুবের বাহিনী সিরিয়ার সেনাপতি বালিশ বেগকেও পরাজিত ও হত্যা করে, যিনি দিয়ার বাকর দখল করার চেষ্টা করেছিলেন।[১৩]

ইরানে তৈরি ইয়াকুবের ফরমান, যা মৃত কারা কয়ুনলু শাসক জাহান শাহ পূর্বে সৈয়্যদ নিয়মতুল্লাহর দুই পুত্রকে দেওয়া ভূমি অধিকার সম্পর্কে জারি করেছেন।

ইয়াকুবের শাসনামলে সাম্রাজ্য তাঁর পিতার সমান আকারে বজায় ছিল এবং শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলো আরও শক্তিশালী হয়। তিনি তাঁর অধিনায়কদের সেই একই পদ ও ভূমি প্রদান বজায় রেখেছিলেন যা তাদের পূর্বে তাঁর পিতার কাছ থেকে দেওয়া হয়েছিল। তবে সাম্রাজ্যকে আরও সুসংহত করার জন্য তিনি ভূমি সংস্কার শুরু করেছিলেন, যা একটি স্থিতিশীল সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য করা হয়। আক কয়ুনলু একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা ব্যবহার করত যা প্রাচীন ইকতা' (ভূমি অনুদান)-এর ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল এবং এটি সেলজুক যুগের আগ থেকেই ব্যবহার করা হতো। এই ব্যবস্থাকে সয়ুর্ঘাল বলা হতো, যা জলায়িরিদ সালতানাত থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। এতে ইকতা-র মালিক করের আওতায় পড়ত না এবং তিনি স্বায়ত্তশাসিত হতেন। এই সংস্কার কার্যকর করেছিলেন ইয়াকুবের শিক্ষক ও উপস্থাপক কাজী ইসা সাবাজি।[১৩][৩]

ধর্মীয় পণ্ডিত এবং ইতিহাসবিদ ফয়জুল্লাহ খুঞ্জি ইসফাহানি (মৃত্যু: ১৫২১) সয়ুর্ঘাল ব্যবস্থার বাতিলকরণ নিন্দা করেছেন। তিনি দাবি করেছিলেন, এটি শিরাজের অনেক ধর্মীয় পণ্ডিতকে ব্যথিত করেছে। তবে এনসাইক্লোপিডিয়া ইসলামিকা এই দাবির সত্যতা অনিশ্চিত মনে করে এবং উল্লেখ করে: "তাঁর তথ্য মূলত ফর্স সম্পর্কে, তবে এটি এই বিষয়ে প্রায় একমাত্র সমকালীন উৎস, তাই বোঝার জন্য কেন্দ্রীয়। তাঁর অবস্থান স্পষ্টত পক্ষপাতমূলক, কারণ সংস্কারগুলো তার আত্মীয়দের ক্ষতি করেছে।"[১৩] ফর্সের কাজি (প্রধান বিচারক) জালাল আল-দিন দাওয়ানি (মৃত্যু: ১৫০২) ও ইয়াকুবের এই সংস্কারের বিরোধী ছিলেন, যা তাদের সম্পর্ক আরও খারাপ করে।[১৪][১৫] দাওয়ানি, আবু-ইয়াজিদ আল-দাওয়ানি এবং মাওলানা মুহাম্মাদ আল-মুহ্যাভির সঙ্গে মিলে কাজী ইসা সাবাজিকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন এই সংস্কারের প্রতিবাদ জানাতে।[১৬] ইয়াকুবের মৃত্যু পর এই ভূমি সংস্কার বাতিল করা হয়।[১৩][৩]

ইয়াকুব গুরুতর অসুস্থ হয়ে ১৪৯০ সালের ২৪ ডিসেম্বর কারাবাখে মারা যান। কিছু ইতিহাসবিদ বিশ্বাস করেন যে, তাঁকে তাঁর স্ত্রী বিষাক্ত করে হত্যা করেছিলেন।[১৩] সংঘের প্রধান ব্যক্তিরা নিজের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য তাঁর আট বছর বয়সী পুত্র বায়সুঙ্গুরকে সিংহাসনে বসান। এটি আক কয়ুনলু সাম্রাজ্যের পতনের সূচনা হিসেবে গণ্য করা হয়।[১৩]

সাম্রাজ্যবাদী চিন্তাধারা

[সম্পাদনা]
ইয়াকুব বেগ এবং তার দরবারের চিত্র। শাহনামাহ (ফাতিহের অ্যালবাম), তাবরিজ, আনু. ১৪৭০–১৪৮০।

আক কয়ুনলু তাদের শাসনের বৈধতা প্রদর্শনের জন্য ধ্বংসপ্রায় ইলখানাত ভবন পুনর্নির্মাণ করেছিল, যার মধ্যে ছিল তাবরিজের নিকটবর্তী উজান প্রাসাদ। এটি মূলত মাহমুদ গাজান (শা. ১২৯৫–১৩০৪) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। তাদের দরবারের আনুষ্ঠানিকতায় এমন এলাকা অন্তর্ভুক্ত করায়, যা পূর্বশাসকদের রাজত্বের প্রতীক ছিল, আক কয়ুনলু তাদের নিজস্ব শাসনকে শক্তিশালী করার জন্য পূর্ববর্তী নিয়মকানুন ব্যবহার করত। এই প্রথা ইলখানাত থেকেই নেওয়া হয়েছিল, যারা নিজে সাসানীয় ভবন পুনর্নির্মাণ করেছিল, বিশেষ করে শিজ প্রাসাদ (তাখ্তে সোলাইমান)। আক কয়ুনলুর ইতিহাসচর্চা ইয়াকুবকে উজান প্রাসাদের চারপাশে শিকার করতে দেখায়, ঠিক সেরকমভাবে যেমন সাসানিয়ান সম্রাট পঞ্চম বাহরাম (শা. ৪২০–৪৩৮) শিকার করতেন।[১৭]

পরিবার

[সম্পাদনা]

ইয়াকুব বেগের স্ত্রী ছিলেন গওহার-সুলতান খানম। তাদের দুইজন পুত্র এবং একজন কন্যা ছিল:

সাহিত্য

[সম্পাদনা]
তাবরিজের হাশত বেহেশত প্রাসাদটি প্রথমে উজুন হাসান নির্মাণ শুরু করেন। পরবর্তীতে তাঁর পুত্র ইয়াকুব বেগ প্রাসাদটির নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করেন। ইয়াকুব বেগের উদ্যোগে ১৪৮১ সালে তাবরিজে খামসা অব নিয়ামি রচিত হয়।[২১][২২][২৩][২৪]

ইয়াকুবের দরবারে বেশ কয়েকজন খ্যাতিমান কবি ছিলেন, যেমন বাবা ফিগানি শিরাজি, আহলি শিরাজি, কামাল আল-দীন বানাঈ হেরাভি এবং শাহিদি কুমি। আরেকজন প্রসিদ্ধ কবি হাতেফি, যিনি কবি জামি-এর ভ্রাতুষ্পুত্র, তিনি পাঁচ বছর ইয়াকুবের দরবারে অবস্থান করেছিলেন।[২৫] ১৫শ শতকের আজেরি কবি খাতাঈ তাবরিজি সুলতান ইয়াকুবকে উৎসর্গ করে ‘‘মসনবি’’ ইউসুফ ও জুলেখা রচনা করেছিলেন[২৬] এবং ইয়াকুব নিজেও আজারবাইজানি ভাষায় কবিতা লিখতেন।[২৬] বাবা ফিগানি শিরাজি ইয়াকুবের জন্য একটি আনুষ্ঠানিক কাসিদা উৎসর্গ করেছিলেন এবং তাঁর মৃত্যুর পর একটি শোকগাথাও রচনা করেছিলেন।[২৭]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ Woods, John E. (১ জানুয়ারি ১৯৯৯)। The Aqquyunlu: Clan, Confederation, Empire। Salt Lake City: The University of Utah Press। পৃ. ১৩৩, Plate V। আইএসবিএন ০-৮৭৪৮০-৫৬৫-১। Yaqub and His Court, Shaykhi, Album, 1478-90/883-96, Tabriz, Topkapı Sarayı Library, Istanbul, H. 2153, fols. 90b - 91a
  2. ↑ Sandra Aube Lorain (২০১৫)। "In search of 'Kamāl': Five Monumental Inscriptions from Yazd (second half of the 15th century)"। Eurasian Studies (13): ৬৯–৯১।
  3. 1 2 3 4 Quiring-Zoche 1986, পৃ. 163–168।
  4. ↑ John E. Woods, The Aqquyunlu: Clan, Confederation, Empire (1999), পৃ. 62
  5. 1 2 Minorsky, V.; Bosworth, C. E. (২৪ এপ্রিল ২০১২), "Uzun Ḥasan", Encyclopaedia of Islam, Second Edition (ইংরেজি ভাষায়), Brill, সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
  6. 1 2 Bryer, Anthony (১৯৭৫)। "Greeks and Türkmens: The Pontic Exception"। Dumbarton Oaks Papers। ২৯: ১১৩–১৪৮। ডিওআই:10.2307/1291371। আইএসএসএন 0070-7546। জেস্টোর 1291371।
  7. 1 2 3 Rezazadeh Langaroodi, Reza; Negahban, Translated by Farzin (১৬ অক্টোবর ২০১৫), "Āq-qūyūnlū", Encyclopaedia Islamica (ইংরেজি ভাষায়), Brill, সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
  8. 1 2 3 4 Foundation, Encyclopaedia Iranica। "Welcome to Encyclopaedia Iranica"। iranicaonline.org (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
  9. 1 2 3 The Cambridge history of Iran.। W. B. Fisher। Cambridge: University Press। ১৯৬৮–১৯৯১। আইএসবিএন ০-৫২১-০৬৯৩৫-১। ওসিএলসি 745412।{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অন্যান্য (লিঙ্ক)
  10. ↑ Ottoman women in public space। Ebru Boyar, Kate Fleet। Leiden। ২০১৬। পৃ. ২৩১। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০-০৪-৩১৬৬২-১। ওসিএলসি 945767549।{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অন্যান্য (লিঙ্ক) উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থানে প্রকাশক অনুপস্থিত (লিঙ্ক)
  11. ↑ Sakaoğlu, Necdet (২০০৮)। Bu mülkün kadın sultanları : vâlide sultanlar, hâtunlar, hasekiler, kadınefendiler, sultanefendiler (1. baskı সংস্করণ)। Beyoğlu, İstanbul: Oğlak Yayıncılık। পৃ. ১৭৯। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৭৫-৩২৯-৬২৩-৬। ওসিএলসি 316234394।
  12. ↑ Murray, Hugh (১৮২০)। Historical Account of Discoveries and Travels in Asia: From the Earliest Ages to the Present Time (ইংরেজি ভাষায়)। A. Constable and Company। পৃ. ১৬।
  13. 1 2 3 4 5 6 7 Langaroodi ও Negahban 2015।
  14. ↑ Pourjavady 2011, পৃ. 11।
  15. ↑ Dunietz 2015, পৃ. 34–35।
  16. ↑ Minorsky 1955, পৃ. 454।
  17. ↑ Leube 2018, পৃ. 480–482।
  18. ↑ Ebnʻayyāš – Eʻteżād-al-Salṭana। Iḥsān Yāršātir। Costa Mesa, Calif: Mazda Publ। ১৯৯৮। পৃ. ৬২৮–৬৩৬। আইএসবিএন ১-৫৬৮৫৯-০৫০-৪। ওসিএলসি 246186527।{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অন্যান্য (লিঙ্ক)
  19. ↑ Woods, John E. (১৯৯৯)। The Aqquyunlu : clan, confederation, empire (Rev. and expanded সংস্করণ)। Salt Lake City: University of Utah Press। পৃ. ১৯২–১৯৩। আইএসবিএন ০-৫৮৫-১২৯৫৬-৮। ওসিএলসি 44966081।
  20. ↑ Savory, Roger (১৯৮০)। Iran under the Safavids। Cambridge: Cambridge University Press। পৃ. ১৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-২২৪৮৩-৩। ওসিএলসি 5354386।
  21. ↑ Babaie, Sussan (২০২২)। Isfahan and its Palaces: Statecraft, Shi'ism and the Architecture of Conviviality in Early Modern Iran (CHAPTER 2 Peripatetic Kings and Palaces: From Tabriz to Qazvin in the Sixteenth Century)। Edinburgh: Edinburgh University Press। পৃ. ৩১। ডিওআই:10.1515/9780748633760-009। আইএসবিএন ৯৭৮০৭৪৮৬৩৩৭৬০। Hasht Behesht had been begun by the Aqqoyunlu Sultan Uzun Hasan (1453–78), Romano's Sultan Assambei or Hasan Beg, and completed by his son and successor Yaqub
  22. ↑ Balilan Asl, Lida (২০১৯)। "The Physical structure of Tabriz in Shah Tahmasp Safavid's era based on Matrkci Miniature"। METU Journal of the Faculty of Architecture 36(2): ১৭৭, ১৭৮ note ১৮। Miniature drawn from Hasht Behesht Palace in 901AH at the time of Uzun Hassan Aq Qoyunlu entitled "Khosro under the windows of Qasre shirin"
  23. ↑ Melville, Charles (১৯৮১)। Historical Monuments and Earthquakes in Tabriz। পৃ. ১৭০। The Hasht Bihisht (...) a government palace (daulat-khana) of this name, built in 891/1486 in the Bagh-i Sahibabad by the White Sheep Turkomans, though probably on the site of a building founded by Jahanshah.
  24. ↑ Golombek, Lisa; Wilber, Donald Newton (১৯৮৮)। The Timurid Architecture of Iran and Turan, vol.1। Princeton, NJ: Princeton Univ. Pr। পৃ. ১৭৮–১৭৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০৬৯১০৩৫৮৭১। At Tabriz, a major garden created by the Aq Qoyunlu ruler, Uzun Hasan, was visited by a Venetian merchant, who gave his impressions in some detail. His visit probably took place between 1460 and 1470. The garden was called the Hasht Behisht, "Eight Paradises," after its central palace.(...)
  25. ↑ Lingwood 2013, পৃ. 112।
  26. 1 2 Javadi ও Burrill 2012।
  27. ↑ Losensky 2020।