ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবোলিশ নিউক্লিয়ার উইপন্স

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবোলিশ নিউক্লিয়ার উইপন্স
ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবোলিশ নিউক্লিয়ার উইপন্স.svg
সংক্ষেপে আইক্যান
গঠিত ২০০৭; ১০ বছর আগে (২০০৭)
ধরণ অমুনাফাভোগী আন্তর্জাতিক সংহতি
সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
ক্ষেত্রসমূহ নিউক্লীয় নিরস্ত্রকরণ
সদস্যপদ ১০১টি রাষ্ট্রে ৪৬৮টি সহযোগী সংস্থা
নির্বাহী পরিচালক বিয়াত্রিচ ফিন
ওয়েবসাইট www.icanw.org
মন্তব্য শান্তিতে নোবেল পুরস্কার (২০১৭)

ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবোলিশ নিউক্লিয়ার উইপন্স (সংক্ষেপে আইক্যান নামেও ডাকা) হল বিশ্বব্যাপী নাগরিক সমাজের একটি জোট যারা নিরবচ্ছিন্নভাবে নিউক্লিয়ার উইপন্স প্রহিবিশন টিটিতে সকলের আনুগত্য এবং পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে। এই আন্দোলনটি এই অস্ত্র চুক্তি নিয়ে আইক্যান ২০০৭ সালে চালু হয় এবং ২০১৭ পর্যন্ত ১০১টি দেশে এর ৪৬৮টি সহযোগী সংস্থা রয়েছে।

সংস্থাটি "পরমাণু অস্ত্রের ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং এই অস্ত্রকে নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে চুক্তি সম্পাদনের চেষ্টার" জন্য ২০১৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।[১][২]

মিশন[সম্পাদনা]

আইক্যানের প্রতিষ্ঠাতাগণ ১৯৯৭ সালে বিরোধী কর্মীদের খনি নিষেধাজ্ঞা চুক্তিতে ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু ব্যান ল্যান্ডমাইন্স-এর সাফল্য দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়। তারাও একই ধরনের ক্যাম্পেইনের মডেল গ্রহণ করে।[৩]

গঠন[সম্পাদনা]

অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে আইক্যানের উদ্বোধন, ২০০৭।

২০০৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ১৯৮৫ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফিজিসিয়ানস ফর দ্য প্রিভেনশন অব নিউক্লিয়ার ওয়ার ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কিতে তাদের দ্বিবার্ষিক কংগ্রেসে বিশ্বব্যাপী আইক্যান চালু করার প্রস্তাব গ্রহণ করে।[৪] আইক্যান সার্বজনীনভাবে দুটি ইভেন্টের মাধ্যমে শুরু হয়। প্রথমটি ছিল ২০০৭ সালের ২৩ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে, যেখানে এই ক্যাম্পেইন শুরুর জন্য তহবিল গঠন করা হয় এবং দ্বিতীয়টি ছিল ভিয়েনায় ২০০৭ সালের ৩০ এপ্রিল নিউক্লিয়ার নন-প্রলিফারেশন ট্রিটিতে রাষ্ট্রসমূহের সভা। পৃথিবীর প্রায় সকল অঞ্চলে বিভিন্ন দেশে জাতীয় ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

সদস্যপদ ও সমর্থন[সম্পাদনা]

আইক্যান ১০১টি দেশের ৪৬৮টি সহযোগী সংস্থা নিয়ে গঠিত। ক্যাম্পেইনটির মূল দল সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থান করে এবং সেখান থেকে তাদের কাজ পরিচালনা করে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "The Nobel Peace Prize 2017"নোবেল পুরস্কার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ৭ অক্টোবর, ২০১৭ 
  2. "শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেল আইক্যান"বিবিসি বাংলা। ৬ অক্টোবর, ২০১৭। সংগৃহীত ৭ অক্টোবর, ২০১৭ 
  3. McCoy, Ronald (৩০ এপ্রিল ২০১৬)। "The International Campaign to Abolish Nuclear Weapons"icanw (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ৭ অক্টোবর, ২০১৭ 
  4. "Campaign milestones 2006"আইক্যান (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ৭ অক্টোবর, ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

পুরস্কার ও স্বীকৃতি
পূর্বসূরী
হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী
২০১৭
নির্ধারিত হয়নি